মহামারীর সময় চিকিৎসকদের সেবা এবং আত্মোৎসর্গের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাঁদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন
স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ দ্বিগুণ করা হয়েছে, এর পরিমাণ ২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি : প্রধানমন্ত্রী
আমাদের চিকিৎসকরা নতুন এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল এই ভাইরাসটিকে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা দিয়ে প্রতিহত করছেন : প্রধানমন্ত্রী
চিকিৎসকদের নিরাপত্তা দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী
যোগের উপকারিতা নিয়ে প্রামান্য তথ্য ভিত্তিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
থ্য নথিভুক্তকরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন, বিস্তারিত নথিভুক্তকরণের কাজ কোভিড মহামারীর থেকে পাওয়া তথ্যের মাধ্যমে শুরু হতে পারে

নমস্কার!

আপনাদের সবাইকে জাতীয় চিকিৎসক দিবস উপলক্ষে অনেক অনেক শুভকামনা। ডঃ বিধান চন্দ্র রায়জির স্মৃতিতে পালন করা এই দিনটি আমাদের চিকিৎসকদের, আমাদের চিকিৎসা-বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত সকলের উচ্চতম আদর্শের প্রতীক। বিশেষ করে, বিগত দেড় বছরে আমাদের চিকিৎসক ও চিকিৎসা-কর্মীরা যেভাবে দেশবাসীর সেবা করেছেন তা সেবার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। আমি ১৩০ কোটি ভারতবাসীর পক্ষ থেকে দেশের সমস্ত চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই।

বন্ধুগণ,

চিকিৎসকদের ঈশ্বরের অন্য রূপ বলা হয় আর এটা এমনি এমনি বলা হয় না। কত মানুষ এরকম রয়েছেন যাঁদের জীবনে সাংঘাতিক সঙ্কট এসেছে, কোনও রোগ কিংবা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন ! অনেকবার তো আমাদের এরকমও মনে হয়েছে যে আমরা আমাদের কোনও ঘনিষ্ঠ মানুষকে হারাতে চলেছি। কিন্তু আমাদের চিকিৎসকরা এরকম সঙ্কটকালে দেবদূতের মতো জীবনের গতিপথ বদলে দেন, আমাদের একটি নতুন জীবনদান করেন।

বন্ধুগণ,

আজ যখন দেশ করোনার বিরুদ্ধে এতবড় লড়াই লড়ছে, তখন চিকিৎসকরা দিন-রাত পরিশ্রম করে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন। এই পূণ্য কাজ করতে গিয়ে দেশের অনেক চিকিৎসক তাঁদের জীবনও হারিয়েছেন। আমি এই সকল আত্মোৎসর্গকারী চিকিৎসকদের আমার বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করছি, তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আমার সমবেদনা জানাচ্ছি।

বন্ধুগণ,

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যত সমস্যা এসেছে, আমাদের বৈজ্ঞানিকরা, আমাদের চিকিৎসকরা তত সমাধান খুঁজেছেন, কার্যকর ওষুধ বের করেছেন। আজ আমাদের চিকিৎসকরাই করোনা প্রতিরোধী নির্দেশাবলী তৈরি করছেন। সেগুলি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁরা সাহায্য করছেন। এই ভাইরাস নতুন। এটি নতুন নতুন মিউটেশনের মাধ্যমে রূপান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু আমাদের চিকিৎসকরা মিলেমিশে তাঁদের জ্ঞান, তাঁদের অভিজ্ঞতা দিয়ে, ভাইরাসের এই বিপদগুলি আর এগুলি থেকে উদ্ভূত সমস্ত সমস্যার মোকাবিলা করছেন। এত দশক ধরে যেভাবে দেশে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে উঠেছিল তার সীমাবদ্ধতার কথা আপনারা খুব ভালোভাবেই জানেন। আগে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে কিভাবে অবহেলা করা হয়েছিল, সে সম্পর্কেও আপনারা পরিচিত। আমাদের দেশে জনসংখ্যার চাপ এই সমস্যাকে আরও কঠিন করে তুলেছে। তা সত্ত্বেও আমরা যদি করোনার সময় প্রতি লক্ষ জনসংখ্যায় মৃত্যুর হার দেখি, তাহলে ভারতের পরিস্থিতি বিশ্বের বড় বড় উন্নত এবং সমৃদ্ধ দেশগুলির তুলনায় অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণে। কোনও একজনের প্রাণ অসময়ে চলে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখের। কিন্তু ভারত করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেও। এর প্রধান কৃতিত্ব আমাদের পরিশ্রমী চিকিৎসক, আমাদের স্বাস্থ্যকর্মী এবং আমাদের অগ্রণী করোনা যোদ্ধাদের।

বন্ধুগণ,

আমাদের সরকারই প্রথম স্বাস্থ্য পরিষেবাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। গত বছর প্রথম ঢেউয়ের সময় আমরা প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য বন্টন করেছিলাম। এর ফলে আমাদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নত করার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়েছে। এ বছর স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য বাজেট বরাদ্দ দ্বিগুণেরও বেশি। অর্থাৎ, ২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি করা হয়েছে। এখন আমরা এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করার জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার একটি ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম নিয়ে এসেছি যেখানে স্বাস্থ্য পরিষবাগুলির অভাব রয়েছে। আমরা শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে মজবুত করতে ২২ হাজার কোটি টাকারও বেশি বন্টন করেছি। আজ দেশে দ্রুতগতিতে নতুন নতুন এইমস হাসপাতাল খোলা হচ্ছে। অনেক নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ গড়ে তোলা হচ্ছে। আধুনিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। ২০১৪ সালের আগে যেখানে দেশে মাত্র ছয়টি এইমস ছিল, গত সাত বছরে সেখানে আরও ১৫টি নতুন এইমস-এর কাজ শুরু হয়েছে। মেডিকেল কলেজগুলির সংখ্যাও প্রায় দেড় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পরিণাম হল, এত কম সময়ে যেখানে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েট আসন সংখ্যা দেড় গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, সেখানে স্নাতকোত্তর আসনের ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ, এই অবধি পৌঁছতে যতটা সংঘর্ষ আপনাদের করতে হয়েছে, তেমন কষ্ট আমাদের নবীন প্রজন্মকে, আপনাদের ছেলে-মেয়েদের আর করতে হবে না। দূরদুরান্তের অঞ্চলগুলি থেকে আরও অনেক বেশি নবীন প্রজন্মের ছেলে-মেয়ে ডাক্তার হওয়ার সুযোগ পাবেন। তাঁদের প্রতিভা, তাঁদের স্বপ্ন নতুন নতুন নিরাময়ের আকাশে ডানা মেলতে পারবে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এ ধরনের পরিবর্তনের মাঝে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়েও সরকার দায়বদ্ধ। আমাদের সরকার চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে হিংসাকে রুখতে গত বছরই আইনে বেশ কিছু নতুন পরিবর্তন এনেছে। এর পাশাপাশি আমরা আমাদের কোভিড যোদ্ধাদের জন্য বিনামূল্যে ইনস্যুরেন্স কভার স্কিমও নিয়ে এসেছি।

বন্ধুগণ,

করোনার বিরুদ্ধে দেশের লড়াই থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশের লক্ষ্য পূরণে এই সমস্ত ক্ষেত্রে আপনাদের সবাইকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, যখন আপনারা সবাই প্রথম ফেজে নিজেদের টিকাকরণ করিয়েছিলেন তা থেকে দেশে টিকাকরণ নিয়ে উৎসাহ এবং বিশ্বাস জনমানসে অনেকগুণ বেড়েছে। এভাবে যখন আপনারা কোভিড উপযোগী নিয়মাবলী পালন করার কথা বলেন, তখন মানুষ সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা নিয়ে তা পালন করে। সেজন্য আমি চাই, আপনারা নিজেদের এই ভূমিকাকে আরও সক্রিয়ভাবে নির্বাহ করুন, নিজেদের দায়বদ্ধতার পরিধি আরও বাড়ান।

বন্ধুগণ,

আজকাল আমরা আরেকটি খুব ভালো জিনিস দেখছি যে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা যোগ ও যোগের উপযোগিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও অনেক এগিয়ে এসেছেন। যোগের প্রচার-প্রসারে স্বাধীনতার পর গত শতাব্দীতে যত উদ্যোগ নেওয়া উচিৎ ছিল সেসব উদ্যোগ এখন নেওয়া হচ্ছে। এই করোনাকালে যোগ, প্রাণায়াম কিভাবে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে, কোভিড-উত্তর জটিলতাগুলি দূর করতে যোগ কিভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে তা পরীক্ষা করার জন্য আধুনিক স্বাস্থ্য-বিজ্ঞানের সঙ্গে জড়িত অনেক সংস্থা প্রমাণ-ভিত্তিক গবেষণা করাচ্ছে। এক্ষেত্রেও আপনাদের মধ্যে অনেকে অনেকটা সময় দিচ্ছেন।

বন্ধুগণ,

আপনারা চিকিৎসাশাস্ত্রকে জানেন। চিকিৎসা বিশারদ ও বিশেষজ্ঞ। ভারতীয় যোগের উপযোগিতা বোঝা স্বাভাবিকভাবেই আপনাদের পক্ষে অনেক বেশি সহজ হবে। যখন আপনারা যোগ নিয়ে চর্চা করবেন, তখন গোটা বিশ্ব একে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করবে। ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) কি এই চর্চাকে মিশন মোডে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে? যোগ নিয়ে প্রমাণ-ভিত্তিক গবেষণাকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে? আপনাদের প্রচেষ্টায় এটাও হতে পারে যে যোগ নিয়ে আপনাদের গবেষণার ফলগুলি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হবে এবং তার প্রচার-প্রসার ঘটবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই গবেষণা সারা দেশের চিকিৎসকদের মনে তাঁদের রোগীদের যোগ সম্পর্কে সচেতন করার ক্ষেত্রে উৎসাহ যোগাবে।

বন্ধুগণ,

যখনই কঠিন পরিশ্রম, মেধা এবং দক্ষতার প্রসঙ্গ ওঠে, এসব ক্ষেত্রে আপনাদের কোনও তুলনা নেই। আমি আপনাদের এই অনুরোধও জানাতে চাই যে আপনারা অধিক গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতার ডকুমেন্টেশনও করে যান। রোগীদের সঙ্গে আপনাদের অভিজ্ঞতার এই ডকুমেন্টেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি রোগীদের নানা লক্ষণ, চিকিৎসা পরিকল্পনা এবং তাঁদের প্রতিক্রিয়ার বিস্তারিত ডকুমেন্টেশন হওয়া উচিৎ। এই প্রক্রিয়াকে গবেষণা প্রক্রিয়া রূপেই গ্রহণ করা উচিৎ যেখানে বিভিন্ন প্রকার ওষুধ ও চিকিৎসার প্রভাব সম্পর্কে আপনাদের অভিজ্ঞতাপ্রসূত টিকা-টিপ্পনি থাকবে। আপনারা যে বিশাল সংখ্যক রোগীদের সেবা ও দেখাশোনা করছেন, সেই হিসাবে আপনারা গোড়া থেকেই বিশ্বের সবার থেকে এগিয়ে। এই সময় এটাও সুনিশ্চিত করতে হবে যে আপনাদের কাজ, আপনাদের বৈজ্ঞানিক গবেষণা বিশ্ববাসী আগ্রহের সঙ্গে গ্রহণ করবে আর আগামী প্রজন্মও এর দ্বারা লাভবান হবে। এর ফলে, একদিকে বিশ্ববাসী স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অনেক জটিল প্রশ্নের উত্তর সহজভাবে বুঝতে পারবে, অন্যদিকে এর সমাধানের পথও আবিষ্কৃত হবে। এটি কোভিড অতিমারী প্রতিরোধের ক্ষেত্রে একটি ভালো সূত্রপাত হতে পারে। টিকাকরণ কিভাবে আমাদের সাহায্য করছে, কিভাবে দ্রুত রোগ নির্ণয় করে তার চিকিৎসা করা এবং একটি নির্দিষ্ট চিকিৎসা কিভাবে আমাদের সাহায্য করছে, আমরা কি এইসব বিষয় নিয়ে আরও বেশি গবেষণা করতে পারি? বিগত শতাব্দীতে যখন মহামারী এসেছে, তখন এসব ক্ষেত্রে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তার ডকুমেন্টেশন খুব একটা হয়নি। আজ আমাদের হাতে অনেক প্রযুক্তি রয়েছে, আর আমরা যদি কোভিডের মোকাবিলা কিভাবে করেছি তার হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করে রাখি, তাহলে ভবিষ্যতে সমগ্র মানবতার জন্য অত্যন্ত সহায়ক হয়ে উঠবে। আপনাদের এই অভিজ্ঞতা দেশের স্বাস্থ্য-গবেষণা ক্ষেত্রটিকেও নতুন গতি দেবে। অবশেষে, আমি এটাই বলব যে আপনাদের সেবা, আপনাদের শ্রম আমাদের ‘সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ’ – এই সঙ্কল্পকে অবশ্যই বাস্তবায়িত করবে। আমাদের দেশ করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জিতবেই আর উন্নয়নের নতুন নতুন মাত্রাও অর্জন করবে। এই শুভকামনা জানিয়ে আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Boost to small exporters, MSMEs as govt removes Rs 10-lakh cap on courier trade

Media Coverage

Boost to small exporters, MSMEs as govt removes Rs 10-lakh cap on courier trade
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Corruption and appeasement politics of LDF and UDF harm Keralam’s culture and faith: PM Modi in Thiruvalla
April 04, 2026
If any group has benefited the most from NDA policies, it is women. Women empowerment is our priority, says PM Modi in Thiruvalla
The Sabarimala Railway Project will unlock new opportunities across the region, directly connecting Sabarimala with devotees: PM Modi
In Keralam, we will form the government, improve quality of life, and address the concerns of fishermen and local communities, says PM Modi
From April 16–18, Parliament will reconvene to deliberate on the Nari Shakti Vandan Act, aiming to ensure 33% women’s representation from 2029: PM

जय केरलम... जय केरलम...

जय विकसिता केरलम... जय विकसिता केरलम

केरलत्तिले एंडे प्रियप्पेट्टा….

सहोदरी सहोदरनमारे, एल्लावर्कम एंडे नमस्कारम।

सर्वप्रथम मैं भगवान श्रीवल्लभन के चरणों में प्रणाम करता हूं।

तिरुवल्ला की इस पवित्र धरती से मैं सबरीमला तीर्थ को, और स्वामी अय्यप्पा को भी प्रणाम करता हूं।

मैं सबसे पहले तो छोटी बिटिया को आशीर्वाद देता हूं जो बढ़िया चित्र बनाकर मुझे भेंट किया है। उधर भी एक नौजवान ने मेरी मां का चित्र मुझे दिया है। मैं इन सबका हृदय से आभार व्यक्त करता हूं। इस बेटी को आशीर्वाद देता हूं। मैं अपना भाषण शुरू करूं उससे पहले इस चुनाव में जो कैंडिडेट है उनसे आग्रह करता हूं कि कैंडिडेट सारे आगे आ जाएं। कैंडिडेट वहां खड़ें हो जाएं जरा। मैं एक दो मिनट जाकर के आता हूं आपके पास।

आज तिरुवल्ला में इतनी बड़ी संख्या में आप सबकी उपस्थिति...NDA पर आप लोगों का ये भरोसा... मेरी माताओं-बहनों का ये स्नेह और विश्वास...पूरे केरलम में आज ऐसा ही माहौल दिख रहा है। मुझे निकट से केरलम के चुनाव देखने का अवसर मिला है। मैं पहले भी आया हूं लेकिन इस बार हवा का रूख कुछ और है। लोगों का मिजाज कुछ और है। केरलम में अब सबसे बड़ा परिवर्तन होने जा रहा है। 9 अप्रैल को वोटिंग और 4 मई को दशकों के कुशासन का अंत की घोषणा....अब ये पक्का हो चुका है....LDF सरकार के जाने का काउंट डाउन शुरू हो चुका है...केरलम में पहली बार बीजेपी और NDA की सरकार आने वाली है।

इस चुनाव में केरलम का तो फायदा होने वाला है लेकिन मेरा एक निजी नुकसान होने वाला है। आपको लगता होगा ऐसी क्या बात है कि केरलम का फायदा होगा और मोदी का नुकसान होगा। जी मेरा व्यक्तिगत नुकसान होने वाला है। आपके मन में होता होगा क्या है बताऊं... बताऊं आपको। ऐसा है ये जो अनूप लड़ रहा है ना चुनाव आपके यहां.. ये पिछले पांच साल से मेरे साथ काम करता है। और देश भर में घूमकर के चीजें खोज कर के लाता है। यानि एक प्रकार से मेरा डेडिकेटेड साथी रहा है। एक प्रकार से ऐसे कामों के लिए वो मेरा बांया हाथ बन गया है। और कभी भी, शायद यहां भी कई लोगों को पता नहीं होगा कि अनूप मेरे साथ इतने सालों से है। कभी बोलता नही है और मैंने इसकी शक्तियों को जाना है। चूपचाप काम करना। अपने काम के लिए दिन रात जुटे रहना। मैंने ऐसा नौजवान मुझे मिला मेरा बहुत काम हो गया। लेकिन मैंने देखा कि जब केरलम को इस नौजवान की सेवाओं का फायदा होगा तो मैंने कहा मेरा भले ही नुकसान हो जाए लेकिन मैं आज अनूप को आपको सुपुर्द करने के लिए आया हूं।

एंडे सुहुर्तगले,

तिरुवल्ला केरलम में विकास के नए युग की शुरुआत का केंद्र बनकर उभरा है। मैं इस जनसमर्थन के लिए तिरुवल्ला की जनता का बहुत-बहुत धन्यवाद करता हूं। तिरुवल्ला के लोगों का विश्वास हमारी सबसे बड़ी ताकत है। तिरुवल्लयिले जनंगलुडे विश्वासमाण्, यंगलुडे एट्टवुं वलिय शक्ति।

एंडे सुहुर्तगले,

अभी दो-तीन दिन पहले जब मैं दिल्ली में था...मेरी केरलम के बीजेपी कार्यकर्ताओं से फोन पर लंबी चर्चा हुई। मेरा बूथ सबसे मजबूत कार्यक्रम में 5 हजार से ज्यादा शक्ति केंद्र, इतने छोटे केरलम में 5 हजार से ज्यादा शक्ति केंद्र में बीजेपी के एक लाख 25 हजार से ज्यादा कार्यकर्ता मेरे साथ फोन पर जुड़े थे। और तीस-चालीस मिनट इस चर्चा में मैंने देखा, साफ दिखा कि केरलम की जनता ने LDF सरकार की विदाई पक्की कर ली है। इस चुनाव में मेहनत कर रहे सभी बीजेपी-एनडीए कार्यकर्ताओं की मैं हृदय से सराहना करता हूं, उनका बहुत-बहुत अभिनंदन करता हूं।

एंडे सुहुर्तगले,

मैं केरलम की ताकत को देख रहा हूं। अभी मेरा हेलीकॉप्टर जहां लैंड हुआ, हेलीपैड से यहां तक मैं आया, जितने लोग यहां हैं ना इससे ज्यादा लोगो वहां रोड शो में खड़े थे। मेरे लिए बड़ा सरप्राइज था... रोड शो का कार्यक्रम नहीं था, लेकिन पूरे रास्ते भर मैं देख रहा था। लोग ह्यूमन चेन की बात करते हैं लेफ्ट के लोग, आज यहां के लोगों ने ह्यूमल वॉल बनाकर के दिखा दिया।

एंडे सुहुर्तगले,

हमारे केरलम को ईश्वर ने अपार संसाधन और संभावनाएं दी हैं।
यहाँ समंदर में ब्लू इकोनॉमी के असीम अवसर हैं। यहाँ उद्योगों के लिए संभावनाएं हैं। पर्यटन के क्षेत्र में कितना बड़ा potential है। लेकिन फिर भी, केरलम विकास की दौड़ में बाकी राज्यों से लगातार पिछर रहा है..पिछरते-पिछरते जा रहा है।

एंडे सुहुर्तगले,

LDF-UDF की सरकारों ने कभी इस क्षेत्र की परवाह नहीं की।
यहाँ कनेक्टिंग रोड्स का हाल बेहाल है। मुझे आपके ही साथी बता रहे थे कि यहां कई बरसों से एक भी बड़ा पुल नहीं बना है। कोट्टयम में मेडिकल कॉलेज की हालत इतनी खराब है कि उसका वर्णन करना मुश्किल है। जहां बेसिक इंफ्रास्ट्रक्चर की ऐसी कमी हो, वहां आपकी क्वालिटी ऑफ लाइफ कैसी होगी, इसका अंदाजा हर कोई लगा सकता है।

एंडे सुहुर्तगले,

केरलम में कभी BJP सरकार नहीं रही। लेकिन, आप सब के आशीर्वाद से, देश की जनता-जनार्दन के आशीर्वाद से हम केंद्र सरकार के जरिए केरलम के विकास में कोई कोर कसर नहीं छोड़ रहे। जब कांग्रेस दिल्ली में सत्ता में थी.. और एलडीएफ-यूडीएफ दोनों मिलकर के दिल्ली में सरकार चलाते थे, उस समय जो केरलम को मदद मिली.उसकी तुलना में NDA सरकार ने मोदी सरकार ने 5 गुना ज्यादा पैसा केरलम को भेजा है।

एंडे सुहुर्तगले,

बीजेपी-एनडीए को आपकी Ease of Living और क्वालिटी ऑफ लाइफ, दोनों की चिंता है। हमने पीएम आवास योजना के तहत गरीबों को पक्के घर दिये हैं। जल जीवन मिशन के तहत गांव-गांव पाइप से पानी पहुंचाने का काम हो रहा है। यहां रबर के किसान बड़ी संख्या में रहते हैं...केरलम के किसानों को हमने पीएम-किसान सम्मान निधि के जरिए Around thirteen thousand करोड़ रुपये की सहायता राशि सीधे उनके खातों में पहुंचाई है। इससे रबर के किसानों को भी मदद मिली है।

साथियों,

नॉर्थ-ईस्ट में ईसाई समाज की संख्या बहुत अधिक है। एक राज्य को छोड़कर के नॉर्थ-ईस्ट के सात राज्यों में एनडीए की सरकार है और वहां पिछले 50-60 साल में जो काम नही हुआ है वो हमने कर के दिखाया है। गोवा में ईसाई समाज निर्णायक है। गोवा के अंदर लगातार बिजेपी की एनडीए की सरकार है, गोवा विकास के नए ऊंचाइयों को छू रहा है।
केरलम में भी NDA सरकार बनेगी तो विकास की नई ऊंचाइयों को पाएंगे, स्थानीय किसानों और फिशरमेन की हर समस्या का हम समाधान करेंगे।

एंडे सुहुर्तगले,

केंद्र की NDA सरकार ही केरलम में आधुनिक इनफ्रास्ट्रक्चर और सुविधाओं पर ज़ोर दे रही है। हम यहाँ नेशनल हाइवेज बनाने को गति दे रहे हैं। रेलवे इनफ्रास्ट्रक्चर का विकास किया गया है। यहाँ रेलवे लाइनों की डबलिंग का काम भी पूरा हो गया है। कोट्यम से अब हाइस्पीड आधुनिक वंदेभारत ट्रेन भी चलाई जा रही है।

एंडे सुहुर्तगले,

यहां सबरीमला रेलवे प्रोजेक्ट इस क्षेत्र में नई संभावनाओं को खोल सकता है। इससे सबरीमला तक सीधी कनेक्टिविटी बनेगी। श्रद्धालुओं की यात्रा आसान होगी... स्थानीय व्यापार को नई गति मिलेगी...और मेरे नौजवान मित्रों को मेरे युवा साथियों के लिए रोजगार के नए-नए रास्ते खुलेंगे। लेकिन साथियों, आपको ये बात हमेशा याद रखनी है। यहां प्रदेश सरकार ने इस प्रोजेक्ट को आगे बढ़ाने की जगह उसको लटकाए रखा! तिरुवल्ला को इसका बहुत बड़ा नुकसान हो रहा है। जब बीजेपी की डबल इंजन सरकार आएगी, तो ऐसी सभी रुकावटें हटेंगी। और ये मोदी की गारंटी है। NDA की राज्य सरकार में केरलम तेज गति से विकास की राह पर आगे बढ़ेगा।
एनडीए सरकारिनु कीड़िल केरलम
कसनत्तिन्टे पातयिल अतिवेगम मुन्नेरुम।

एंडे सुहुर्तगले,

NDA की नीतियों का सबसे बड़ा लाभ अगर किसी वर्ग को होता है, तो वो मेरी माताएं-बहने महिलाओं को होता है। महिलाओं का सशक्तिकरण, महिलाओं का प्रतिनिधित्व....ये हमारी प्राथमिकता है। हमने महिलाओं के जीवन से जुड़ी हर समस्या के समाधान का प्रयास किया है। हमने घर घर शौचालय बनवाए, जनधन खाते खुलवाए, महिलाओं के नाम उनके घर महिलाओं के नाम पर बनवाए...मुद्रा लोन के जरिए अपना कारोबार शुरू करने वालों में भी बड़ी हिस्सेदारी महिलाओं की है। उनको बैंक से पैसा मिला है। हम वूमन सेल्फ हेल्प ग्रुप्स को भी लाखों करोड़ रुपए की मदद दे रहे हैं। लखपति दीदी का अभियान सफलतापूर्वक आगे बढ़ा रहे हैं। पहले मैंने तीन करोड़ लखपति दीदी बनाने का लक्ष्य रखा था। देश में तीन करोड़ लखपति दीदी बन चुकी अब मैंने और नाइनटीन करोड़ महिलाओं को लखपति दीदी बनाने का लक्ष्य रखा है। केरलम में बीजेपी सरकार आएगी, तो यहाँ भी डबल इंजन सरकार का सबसे बड़ा लाभ मेरी माताओं, बहनों को, बेटियों को, महिलाओं को मिलने वाला है। आपने देखा होगा, अभी हमने एक बड़ा कार्यक्रम शुरू किया है। भविष्य में माताओ-बहनों को कैंसर ना हो, इसलिए 13-14 साल की बच्चियों को उनकी जांच करके वैक्सीन लेने की योजना है। ये भविष्य में हमारी माताओ-बहनों को, ये बटियां जब बड़ी हो जाएंगी, वो कैंसर से बच पाएगी। इतना बड़ा काम आज देश की बेटियों के लिए, महिलाओं के लिए, माताओं के लिए एनडीए-भाजपा सरकार कर रही है।

एंडे सुहुर्तगले,

ये हमारी ही सरकार है जिसने लोकसभा और विधानसभा में महिलाओं को thirty three percent reservation दिया है। और आप सभी की जानकारी में है कि बजट सत्र का हमने पूर्णाहुति करने वी बजाए उसका विस्तार किया है। तीन दिन के लिए 16-17 और 18 अप्रैल को संसद फिर से मिलने वाली है। आपको पता है क्यों मिलने वाली है। जो कानून हमने पारित किया है। 33 पर्सेंट महिलाओं के लिए 2029 में लोकसबा के चुनाव से इसका लाभ मिलना शुरू हो जाए। 33 पर्सेंट बहनें पार्लियामेंट में आकर बैठे। इसके लिए कानून बनाने की जरूरत है। जैसे पार्लियामेंट ने सर्वसम्मति से महिला आरक्षण बिल पास किया था बैसे ही 16-17 -18 को दो काम करने हैं। केरल हो तमिलनाडु हो और बाकी राज्य हो, जिन्होंने जनसंख्या नियंत्रण में अच्छा काम किया है, लोग झूठ फैला रहे हैं कि जनसंख्या कम हो रही हैं तो सीटें कम हो जाएगी। हम इस बार पार्लियामेंट में पक्का करना चाहते हैं कि पार्लियामेंट में कानून में ठप्पा लगाना चाहते हैं कि केरल हो, तमलनाडु हो, कर्नाटक हो, आंध्र हो, गोवा हो, तेलंगाना हो कहीं पर भी लोकसभा की सीटें कम ना हो, इसका ठप्पा लगाने के लिए और दूसरा महिलाओं के लिए जो सीटें होंगी वो अतिरिक्त सीटें बढ़ जाएं इतना बड़ा फायदा हमारे दक्षिण भारत के राज्य को मिले इसके लिए हम कानून संशोधन के लिए हम सत्र बुला रहे हैं। हमने कांग्रेस के लोगों को मीटिंग के लिए बुलाया। हम आशा करते हैं कि वो हमारी बात मानकर के आएंगे।

हमने इंडिया एलायंस के मित्रों से बात की है। आप ही लोगों को बताइए, कांग्रेस के लोगो को बताइए, एलडीएफ के लोगों को बताएं कि महिलाओं के अधिकार ये कानून निर्विरोध पास होना चाहिए। ये उन से वादा लीजिए आपलोग । और में उनसे भी प्रार्थना करता हूं कि मेरी माताओं-बहनों का ये हक 40 सालों से लटका हुआ है। अब 2029 के चुनाव में फिर से लटकना नहीं चाहिए। इसलिए मैं सभी राजनीतिक दलों पर देश की माताएं-बहनें दबाव डालें। सब संसद में आएं और इस कानून को पारित करें। महिला जनप्रतिनिधियों की संख्या इस विषय को देखते हुए नारीशक्ति वंदन कानून में संशोधन किया जाएगा। ये आवश्यक है कि ये संशोधन सर्वसम्मति से पास हो ताकि साल 2029 में होने वाले चुनाव में ही इसका लाभ हमारी माताओं -बहनों को मिलना शुरू हो जाए। मैं सभी दलों से आग्रह करूंगा कि ये नारीशक्ति से हित से जुड़ा काम है, इसलिए खुले मन से, कोई भी राजनीतिक हिसाब किए बिना पूर्ण समर्थन कर के माताओं-बहनों का विश्वास जीतने में आप भी भागीदान बनिए।

एंडे सुहुर्तगले,

आज केरलम में युवाओं का पलायन सबसे बड़ी चिंता बन चुका है। केरलम में रोजगार के लिए यहाँ इंडस्ट्री लगाने की जरूरत है। रोजगार के लिए जरूरी है कि, यहाँ service sector बढ़े। start-ups को जगह मिले, skill को सही value मिले। लेकिन इन सबके आगे केरलम में सबसे बडी दीवार है- करप्शन और कम्यूनलिज्म। जब यहां करप्शन और कम्यूनलिज्म की दीवार टूटेगी, तभी केरलम का विकास होगा। और इसके लिए आपको LDF-UDF दोनों को हराना होगा।

एंडे सुहुर्तगले,

रोजगार की तलाश में यहाँ से लाखों युवा विदेशों में भी गए हैं। NRI के तौर पर भी वो केरलम की सेवा करते हैं। यहाँ अपनी आय का बड़ा हिस्सा remittance के तौर पर भेजते हैं। इसी का परिणाम है, ये क्षेत्र बैंकिंग कैपिटल बनकर उभरा है। लेकिन कांग्रेस ने आपके और आपके संबंधियों के खिलाफ एक बहुत खतरनाक काम किया है। मैं विस्तार से आपको ये बात बताना चाहता

एंडे सुहुर्तगले,

वेस्ट एशिया के युद्ध संकट ने कांग्रेस और उसके साथी दलों के मंसूबों को एक्सपोज कर दिया है। आज पूरा देश देख रहा है... खाड़ी के देशों में कैसे हालात बने हुये हैं। और वहां हमारे लाखों लोग केरल के मेरे भाई-बहन वहां काम कर रहे हैं। लेकिन कांग्रेस के बड़े-बड़े नेता जानबूझकर ऐसे बयान देते हैं... ऐसे बयान देते हैं... जिनसे वेस्ट एशिया में रहने वाले भारतीयों की सुरक्षा खतरे में पड़ जाए ! वहां के लोगों को बीच में अविश्वास पैदा हो जाए। वहां की सरकार ये तो हमारी दोस्ती अच्छी है कि गल्फ की सभी सरकारें हमारे सभी भारतीयों को अपने ही परिवार मानकर के उनकी रक्षा कर रहे हैं। लेकिन यहां से ऐसी-ऐसी भाषा बोली जा रही है। ऐसी भड़काव बातें हो रही हैं। मैं उनको कह-कह कर थक गया कि ये बोलने का समय नहीं है। ये हमारे लाखों भाई-बहन वहां है ना उनकी सुरक्षा ही मेरा पहला दायित्व है। सबसे बड़ी प्रायरिटी है, कृपा कर के अनाप-शनाप बोलना बंद करो ताकि हमारे नौजवानों को हमारी बेटियों को वहां कोई तकलीफ ना हो।

एंडे सुहुर्तगले,

कांग्रेस चाहती है कि वेस्ट एशिया के देश भारत को अपना दुश्मन समझें...यहां हम कोई गलती कर दे ऐसा कोई बयान कर दे और गल्फ कंट्रीज से भारतीयों को वहां से बाहर निकलने के लिए मूसीबत आ जाए ! इसलिए कांग्रेस...गल्फ कंट्रीज को नाराज करने वाले बयान दे रही है। कांग्रेस चाहती है कि पैनिक फैले और उसे मोदी को गाली देने का मौका मिल जाए। अरे कांग्रेस के लोगो, एलडीएफ के लोगो, यूडीएफ के लोगो, अरे राजनीति अपनी जगह पर है, अरे चुनाव आते जाते रहेंगे, लेकिन मेरे केरलम के लाखों भाई-बहन वहां है मेरे लिए उनकी सुरक्षा सबसे बड़ा काम है और मैं इसके लिए कमिटेड हूं। चुनाव जीतने के लिए, मोदी को गाली देने के लिए....कांग्रेस 1 करोड़ प्रवासियों का जीवन संकट में डालने को तैयार बैठी है। उधर ईरान में हमारा फिशरमैन केरल के हैं तमिलनाडु के हैं, गोवा के हैं आंध्र के हैं, तेलंगाना के हैं, पुड्डुचेरी के हैं। उनकी जिंदगी खतरे में है। हम वहां के संकट में से उनको बाहर ले आ रहे हैं। आज सैकड़ों की तादाद में मेरे मछुआरे भाई-बहन भारत लौटने वाले हैं। हमारे लिए उनकी जिंदगी बचाना ये महत्वपूर्ण है बयानबाजी करने के लिए और बहुत मौके आएंगे अभी तो हमारे लोगों की, हमारे मछुआरे भाई-बहनों को हमें जिंदा वापस लाना है। कांग्रेस को इन सारी चीजों से कोई लेना देना नहीं है। बस चुनाव... चुनाव... चुनाव.. क्या देश के लोगों की चिंता नहीं करोगे... काँग्रेस इस स्वार्थी सियासत के लिए केरलम के लोगों से माफी मांगनी चाहिए। पाप कर रहे हो।

एंडे सुहुर्तगले,

युद्ध की इन परिस्थितियों में मैं आपकी चिंता समझता हूं। इसलिए गल्फ कंट्रीज के नेताओं से लगातार संपर्क में हूं। इसलिए गल्फ कंट्रीज के नेताओं से मैं लगातार संपर्क में हूं। वहां की सरकारों से हम लगाता बात कर रहे हैं। मैं आप सभी परिजनों को आश्वस्त करता हूँ.... आपका बेटा, आपकी बेटी, आपके परिवारजन भले ही आपसे दूर हों...लेकिन, वो अकेले नहीं हैं। भारत सरकार इन देशों में रह रहे हर भारतीय के साथ है। युद्ध के बीच भी हम भारत के लोगों को हर संभव मदद पहुंचा रहे हैं।

एंडे सुहुर्तगले,

इस चुनाव में LDF-UDF वालों ने मिलकर एक और propaganda शुरू किया है। लेफ्ट वाले कहते हैं कि, कांग्रेस बीजेपी की B टीम है। और, कांग्रेस कहती है कि लेफ्ट BJP की B टीम है। इन्हें ये इसलिए कहना पड़ रहा है... क्योंकि ये दोनों भी जानते हैं कि इस चुनाव में केरलम में अगर कोई पार्टी A टीम है तो A टीम BJP ही है।

साथियों,

आपने ये भी देखा है कि इस चुनाव में LDF और UDF दोनों मिलकर सिर्फ BJP को गालियां दे रही हैं, उनके निशाने पर सिर्फ बीजेपी है। इसकी एक वजह और भी है जो आपको जरूर नोट करनी चाहिए। दरअसल LDF और UDF की सीक्रेट पार्टनरशिप इतनी पक्की है कि ये एक दूसरे पर आरोप लगाने से बच रहे हैं। असल में ये दोनों एक ही सिक्के दो साइड हैं। इनकी दुश्मनी नकली है... WWWF है। LDF और UDF की दोस्ती एवरग्रीन है! जब दिल्ली में सरकार बनती है दोनों साथ होते हैं। बगल में तमिलनाडु में साथ में चुनाव लड़ रहे हैं।

एंडे सुहुर्तगले,

लेफ्ट और काँग्रेस दोनों वोटबैंक के लिए कट्टरपंथी लोगों को राजनीति में आगे बढ़ाते हैं। मुनंबम जैसी घटनाएं केरलम में आम होती जा रही हैं... वहाँ सैकड़ों ईसाई और हिंदू परिवारों को डराया गया। लेकिन, केरलम सरकार पीड़ितों को सहायता देने की जगह कट्टरपंथी ताकतों के साथ ही खड़ी नज़र आती है। ये एक खतरनाक ट्रेंड है। वोटबैंक के लिए केरलम और देश की सुरक्षा से ये खिलवाड़.... केरलम के देशभक्त लोग इसे कभी भी कामयाब नहीं होने देंगे।

एंडे सुहुर्तगले,

लेफ्ट और काँग्रेस का भ्रष्टाचार हो, या उनका तुष्टीकरण... इसका सीधा हमला केरलम की संस्कृति और आस्था पर हो रहा है। पहले इन लोगों ने सबरीमला तीर्थ को बदनाम करने के लिए कैसे-कैसे षड्यंत्र रचे थे! और अब, सबरीमला इनकी लूट और चोरी के निशाने पर भी आ गया है।

एंडे सुहुर्तगले,

सबरीमला में हुये इस पाप का एक पैटर्न है... ये चोरी LDF की सरकार में हुई। और, इसमें चोरी करने वालों के तार काँग्रेस के शीर्ष नेताओं के जुड़े पाए गए। लेफ्ट वाले तो हमेशा से हिन्दू आस्था पर हमले के लिए जाने जाते हैं। इसीलिए, LDF सरकार मामले की जांच CBI को नहीं सौंप रही है। और, जो काँग्रेस हमेशा मंदिर से जुड़े विषयों को अछूत मानती थी... वो आज हिंदुओं की हितैषी बनने का नाटक कर रही है दिखावा कर रही है। मैं ये साफ-साफ कहना चाहता हूँ... NDA सरकार बनने के बाद LDF-UDF को उनके अपराध की सजा जरूर मिलेगी। और जो लूटा है वो लौटाना पड़ेगा। स्वामी अयप्पा और उनके भक्तों के आक्रोश के आगे ये लोग बच नहीं पाएंगे। ये कांग्रेस वाले ये यूडीएफ वाले, ये एलडीएफ वाले हर चीज में झूठ बोलना ये जैसे उनका स्वभाव बन गया है।

देश को गुमराह करना ये उनका स्वभाव बन गया है। जब सीएए लाए तो देश को इतना झूठ बोला... इतना झूठ बोला आज सीएए लागून हुआ देश को कोई नुकसान नहीं हुआ, झूठ बोलने में माहिर है.. केरलम फाइल्स आई फिल्म तो बोलने लगे कि सब झूठ है... कश्मीर फाइल आई तो बोलने लगे सब झूठ है..धुरंधर फिल्म आई तो बोलने लगे कि झूठ है। कुछ भी करो बता देना... झूठ फैला देना। इन दिनो सीआआर को लेकर भी, ऐसा ही झूठ फैलाया जा रहा है। यूसीसी के लिए ऐसा ही झूठ फैलाया जा रहा है। गोवा में सीसीए आया हुआ है, दशकों से है लेकिन झूठ फैलाना एफसीआरए के लिए झूठ फैलाना, सीएए के लिए झूठ फैलाना, धुरंधर जैसी फिल्म के लिए झूठ फैलाना केरलम फिल्म के लिए झूठ फैलाना, कश्मीर फाइल्स के लिए झूठ फैलाना। झूठ फैलाने का कारोबाल लेकर के बैठे हुए हैं।

एंडे सुहुर्तगले,

केरलम की आस्था, संस्कृति इसकी रक्षा हो... केरलम विकास की नई ऊंचाइयों को छूए... ये हम सभी का संकल्प है। आप भाजपा-एनडीए उम्मीदवार को वोट देकर विकसित केरलम की यात्रा शुरू करिए। मैं आपको निमंत्रण देता हूं आप आइए.. ये मेरी जिम्मेदारी है ये मेरी गारंटी है 50 सालों में केरलम का विकास नहीं हुआ, हम पांच साल में करके देंगे।

एंडे सुहुर्तगले,

कल ईस्टर है। मैं ईस्टर की आपको शुभकामनाएं देता हूं। कुछ ही सप्ताह में सभी मलयाली साथी विशु भी मनाएंगे। मैं विशु की भी अग्रिम शुभकामनाएं देता हूं। मैं सबसे पहले तो आप सबसे माफी मांगना चाहता हूं, क्योंकि मैं मलयालम, मलयाली, ये आपकी बहुत सुंदर भाषा है, मैं बोल नहीं पाता हूं, मुझे हिंदी में बोलना पड़ा। लेकिन इसके बावजूद भी, एक भी व्यक्ति यहां से हटा नहीं। मैं जानता हूं यहां गांव के लोग आए हैं, हो सकता है मेरी भाषा नहीं समझ पाते हों, लेकिन ये आपके प्यार की ताकत है। ये आपका आशीर्वाद है... एक भी व्य़क्ति हिल नहीं रहा है हट नहीं रहा है। मेरा ये बहुत बड़ा सौभाग्य है। मैं आपका ये कर्ज, मैं आपका प्यार कभी भूलूंगा नहीं, ये मेरे पर आपका कर्ज है... और मैं केरलम के विकास को प्राथमिकता देकर के सवा गुना विकास करके इस कर्ज को चुकाऊंगा ये आज मैं वादा करता हूं।

मैं आप सब का बहुत-बहुत धन्यवाद करता हूं। मेरे साथ बोलिए, दोनों हाथ ऊपर करके बोलिए...

भारत माता की... जय! भारत माता की... जय!

भारत माता की... जय! भारत माता की... जय!

वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे... वंदे...