Our government is committed to ensuring women's participation in the country's policy-making: PM
The mission to build a developed India continues relentlessly; and when I talk about a Viksit Bharat its strongest pillar is India's Nari Shakti: PM
As Kashi's MP and the country's PM, I seek your blessings to achieve a significant goal of implementing women's reservation in the Lok Sabha and State Legislative Assemblies: PM
Our government's policies have consistently accorded top priority to women's welfare: PM
Alongside ensuring convenience and security, we have laid emphasis on enhancing the economic participation of women: PM

নমো পার্বতী পতয়ে হর হর মহাদেব, 

 

উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল, এই রাজ্যের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথজি, সংসদে আমার সহকর্মীবৃন্দ এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি শ্রী নীতিন নবীনজি, উত্তরপ্রদেশের সাংসদ এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শ্রী পঙ্কজ চৌধুরজি, জেলা পঞ্চায়েত চেয়ারপার্সন বোন পুনম মৌর্যজি, মঞ্চে উপবিষ্ট কাশীর মহিলা কাউন্সিলর ও গ্রাম প্রধানরা, অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা, এবং এখানে উপস্থিত আমার অগণিত মা, বোনেরা, আপনাদের সকলকে নমস্কার ।  

 

বন্ধুগণ, 

 

আমাদের কাশী হলো মা শৃঙ্গার গৌরী, মা অন্নপূর্ণা, মা বিশালাক্ষী, মা সঙ্কটা এবং মা গঙ্গার মত দেবীদের আশীর্বাদধন্য স্থান। এমন একটি জায়গায়, মা-বোনেদের সমাবেশের এই অনুষ্ঠানটিকে অত্যন্ত পবিত্র করে তুলেছে। কাশীর এই মাটিতে, আমি কাশীর প্রত্যেক মা ও বোনকে প্রণাম জানাই।    

 

বন্ধুগণ, 

 

আজকের এই আয়োজন বাস্তবিক অর্থে নারীশক্তিকে সম্মান জানানো ও তার উন্নয়নের অনুষ্ঠান। কিছু আগেই এখানে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করা হয়েছে। এর মধ্যে কাশীর সব রকম উন্নয়ন সম্পর্কিত প্রকল্পও রয়েছে। এর পাশাপাশি, কাশী ও অযোধ্যার মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর কাজও চলছে। কিছুক্ষণ আগে দুটি অমৃত ভারত ট্রেন যাত্রা শুরু করল। কাশী থেকে পুনে এবং অযোধ্যা থেকে মুম্বাই পর্যন্ত এই দুটি অমৃত ভারত ট্রেন উত্তর প্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রের মধ্যে যোগাযোগকে আরও উন্নত করবে। এখন মুম্বাই-পুনে এবং গোটা মহারাষ্ট্রের মানুষের কাছে অযোধ্যা ধাম এবং কাশী বিশ্বনাথ ধামে পৌঁছানোর জন্য আরও একটি আধুনিকমানের বিকল্প পাওয়া যাবে । এই উদ্বোধনের জন্য আমি দেশবাসীকে অভিনন্দন জানাই।    

 

বন্ধুগণ,

 

ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার উদ্যোগ সব সময়ই চলছে। যখন আমি বিকশিত ভারতের কথা বলি, তখন তার সবচেয়ে শক্তিশালী স্তম্ভ হলো আমাদের দেশের নারীশক্তি। আজ এই অনুষ্ঠানে, আমি এক মহান যজ্ঞের সূচনার জন্য প্রত্যেক মা-বোনের আশীর্বাদ চাইতে এসেছি। কাশীর সাংসদ হিসেবে, দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, একটি বড় জাতীয় লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমার আপনাদের আশীর্বাদ প্রয়োজন, আর সেই বড় লক্ষ্যটি হলো—লোকসভা ও বিধানসভাগুলিতে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বাস্তবায়ন করা। মাত্র কিছুদিন আগে, এসপি এবং কংগ্রেসের মতো দলগুলির কারণে সংসদে আমাদের উদ্যোগ সফল হয়নি। কিন্তু আমি প্রত্যেক বোনকে আবারও আশ্বাস দিচ্ছি, আপনাদের সংরক্ষণের অধিকার যাতে বাস্তবায়িত হয়, তা নিশ্চিত করতে আমার চেষ্টার কোন ঘাটতি থাকবে না।  

বন্ধুগণ,

 

যখন একজন নারীর বাড়িতে ক্ষমতায়ন হয়, তখন পুরো পরিবার, সমাজ ও দেশ শক্তিশালী হয়। অতীতে আমাদের মা বোনেদের অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। আমার কাশীর বোনেরা, অনেক কষ্ট করেছেন, অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন। মেয়েদের প্রায়ই নানা ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে—এটা করে তুমি কী করবে? তোমার এটা কেন দরকার? তুমি কী করবে, তোমার কী দরকার, চুপ করে থাকো, এই কাজটি তুমি করতে পারবে না। অনেক সময় তো প্রশ্নও করা হতো না, সরাসরি বলা হত—এটা তোমার কাজ নয়।    

 

বন্ধুগণ, 

 

এ রকম পরিস্থিতি শুধু কাশীর বোনদের জন্যই ছিল না, দেশের বেশিরভাগ মা বোনেদেরই এই একই ধরনের অভিজ্ঞতা ছিল, এবং একেই স্বাভাবিক বলে মনে করা হতো। সেই কারণেই ২৫ বছর আগে যখন আমি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলাম, তখন প্রথম যে কাজটি করার চেষ্টা করেছিলাম সেটি হলো প্রচলিত এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা । সেই সময় শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য দুটি বড় প্রকল্প শুরু করা হয়েছিল। একটি ছিল-শালা প্রবেশোৎসব। এই প্রকল্পে স্কুলে মেয়েদের ভর্তি করতে উৎসাহ দেওয়া হত , যাতে মেয়েরা আরও বেশি সংখ্যায় বিদ্যালয়ে পৌঁছায় এবং স্কুলছুট না হয়। এবং দ্বিতীয়টি ছিল-মুখ্যমন্ত্রী কন্যা কেলবনি নিধি। এই প্রকল্পে, মেয়েদের স্কুলে বেতন দিতে সহায়তা করা হয়।    

বন্ধুগণ,

  

তারপর থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের সরকারের গৃহীত নীতিগুলিতে মহিলাদের কল্যাণকে সব সময়ই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালে, যখন আপনারা আমাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছিলেন, তখন থেকে দেশে ১২ কোটিরও বেশি শৌচালয় বানানো হয়েছে, “ইজ্জত ঘর” তৈরি করা হয়েছে। ৩০ কোটিরও বেশি বোনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। ২ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ১২ কোটিরও বেশি বাড়িতে নলবাহিত জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, অনেক বড় বড় প্রকল্প তৈরির সময় মা- বোনেদের কথাই প্রথমে ভাবা হয়েছে।

 

বন্ধুগণ,  

 

দু’ বছর আগে বারাণসীতে সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনার সঙ্গে যুক্ত একটি বড় অভিযান চালানো হয়। সেই সময়, মাত্র এক মাসে, কাশীতে ২৭ হাজার মেয়েদের জন্য সুকন্যা সমৃদ্ধি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। প্রত্যেক মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩০০ টাকাও পাঠানো হয়। মেয়েদের শিক্ষা এবং উন্নত ভবিষ্যতের জন্য সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা একটি বড় ভূমিকা পালন করছে। এই প্রকল্পটি মেয়েদের পড়াশোনা করার বিষয়টিকে এবং মুদ্রা যোজনা তাদের কর্ম সংস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পাশাপাশি, মাতৃ বন্দনা যোজনা এবং আয়ুষ্মান ভারত যোজনা মা-বোনেদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে।   

 

বন্ধুগণ,  

 

শিক্ষা, কর্ম সংস্থান এবং চিকিৎসার পাশাপাশি, প্রথমবারের মতো কোটি কোটি বোনের নামে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। পিএম আবাস যোজনার অধীনে থাকা বেশিরভাগ বাড়ি আমাদের বোনেদের নামেই রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। আজ আমাদের মা এবং বোনেরা প্রকৃত অর্থেই নিজেদের বাড়ির মালিক হয়েছেন। 

বন্ধুগণ,

 

আমাদের সরকার বোনেদের সুযোগ সুবিধা ও সুরক্ষার প্রতি দায়বদ্ধ। এই দুটি বিষয়ই ক্ষমতায়নের ভিতকে শক্তিশালী করে। আপনারা নিজেরাই দেখেছেন উত্তর প্রদেশের অবস্থা কতটা বদলে গেছে। কয়েক বছর আগে, যখন এখানে সমাজবাদী পার্টির সরকার ছিল, তখন মেয়েদের বাড়ির বাইরে যাওয়াও কঠিন ছিল। কিন্তু এখন, বিজেপি সরকারের সময়কালে, কেউ মেয়েদের বিষয়ে ভুল কিছু ভাবলে তার পরিণতি কী হবে , তা সে খুব ভালো করেই জানে। 

 

বন্ধুগণ,

 

ভারতীয় ন্যায় সংহিতাও মা-বোনেদের সুরক্ষার এক নতুন আশ্বাস দিয়েছে। এর অধীনে, নারীদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। একইভাবে, মহিলা থানা এবং পরামর্শ কেন্দ্রের নেটওয়ার্ক ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। আজ এখানেও একটি মহিলা পুলিশ ফাঁড়ি এবং পরামর্শ কেন্দ্রের জন্য একটি বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এই ধরনের পদক্ষেপগুলি মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। 

 

বন্ধুগণ, 

 

যখন নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, তখন ঘরে তাদের কণ্ঠস্বরও আরও শক্তিশালী হয়। তাই, সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি আমরা মা-বোনেদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দিয়েছি। গত ১১ বছরে দেশের প্রায় ১০ কোটি বোন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। কাশীতেও প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার বোন এই ধরনের গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত আছেন। এই গোষ্ঠীগুলি লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে, যার মাধ্যমে আমাদের বোনেরা তাঁদের কাজ করে চলেছেন। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই ৩ কোটি বোন “লাখপতি দিদি” হয়েছেন এবং এদের মধ্যে বারাণসির হাজার হাজার বোনও রয়েছেন।  

 

বন্ধুগণ,

 

লাখপতি দিদি অভিযানকে শক্তিশালী করতে আমাদের ডেয়ারী অর্থাৎ দোহ শিল্পেরও একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। এখানে বনসকান্থা ডেয়ারীর সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ বোনেরা চমৎকার কাজ করছেন। আজ এই বোনেরা সরাসরি বোনাস হিসেবে ১০৬ কোটি টাকা পেয়েছেন। আমি এই বোনদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি কাশীর দোহ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের বলছি- এটা তো সবে শুরু হল, বারাণসী এগিয়ে যাবে, বনসকান্থা ডেয়ারী সামনে এগিয়ে চলবে, আর এই বোনাসও বাড়তেই থাকবে।  

 

বন্ধুগণ,    

 

বিজেপি-এনডিএ সরকার আমাদের বোনেদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলছে এবং ভারতকে উন্নত করার উদ্যোগে তাঁরা নেতৃত্বও দিচ্ছেন। ডিজিটাল পেমেন্টকে প্রসারিত করতে হাজার হাজার “ব্যাঙ্ক সখী”-দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বীমা সংক্রান্ত কাজে “বীমা সখী”-রা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে কৃষিকাজকে জনপ্রিয় করতে “কৃষি সখী”-রা একটি বড় ভূমিকা পালন করছেন। কৃষিক্ষেত্রে ড্রোন বিপ্লবে আমাদের “নমো ড্রোন দিদি”-রা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত দশকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীতে মহিলাদের নতুন সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রথমবারের মতো সৈনিক স্কুল এবং প্রতিরক্ষা আকাদেমীর দরজাও তাঁদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, বিজেপি-এনডিএ সরকারের উদ্দেশ্য হলো- মহিলাদের ক্ষমতায়ন, মহিলাদের উন্নতি এবং তাদের জীবনকে সহজ করে তোলা।

 

বন্ধুরা, 

 

আজ প্রতিটি ক্ষেত্রে, ভারতের মেয়েরা দারুণভাবে কাজ করছেন, তাই স্বাভাবিকভাবেই, নীতি নির্ধারণে এবং দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত সিদ্ধান্তে মা-বোনেদের ভূমিকা আরও বাড়াতে হবে। বর্তমানে দেশের এটির খুব প্রয়োজন। এর জন্য সততার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। নতুন সংসদ ভবন তৈরির একটি বড় কারণও ছিল মহিলাদের অংশগ্রহণের ভাবনা। যখন নতুন সংসদ ভবন তৈরি হল, আমরা প্রথম যে কাজটি করেছিলাম তা হলো নারীদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা। ৪০ বছর ধরে আমাদের বোনদের এই অধিকার পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই, ২০২৩ সালে আমরা সংসদে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম পাস করিয়েছি।  

 

বন্ধুগণ,

 

একটি আইন তৈরি হওয়ার পর তা কার্যকর করা প্রয়োজন। এখন প্রয়োজন এই আইনটি যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করা । তাই, দিন কয়েক আগে এই বিষয়ে সংসদে আলোচনা হয়। আমরা সাংবিধানিক সংশোধনের জন্য একটি আইন নিয়ে আসি । এই সংশোধনীটির উদ্দেশ্য ছিল যাতে আগামীদিনে আরও বেশি সংখ্যায় বোনেরা বিধানসভা এবং সংসদে পৌঁছতে পারবেন। 

 

কিন্তু বন্ধু, 

 

কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, টিএমসি এবং ডিএমকে-র মতো দলগুলি আবারও দেশের মহিলাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এই দলগুলি ৪০ বছর ধরে নারী সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের উপর ব্রেক কষে রেখেছিল। এখন সমাজবাদী পার্টি আবারও লাল পতাকা দেখিয়েছে। 

 

বন্ধুগণ,

 

আসল ব্যাপার হল এই পরিবার-কেন্দ্রিক এবং তোষণের রাজনীতি করা দলগুলি নারীর শক্তিকে ভয় পায়, আপনাদের সবাইকে ভয় পায়। এই পরিবার-কেন্দ্রিক দলগুলি চায় না যে দেশের মেয়েরা বিধানসভা এবং সংসদে পৌঁছাক। এই মেয়েরা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত এবং স্থানীয় প্রশাসন — সর্বত্র নিজ শক্তিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারা জানে যে, তৃণমূল স্তরে কর্মরত মহিলারা যদি জেগে ওঠেন, তবে তাঁরা আর নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না, তাদের ক্ষমতার উপর প্রশ্ন উঠবে। এই কারণেই পরিবার-কেন্দ্রিক দলগুলি সংসদে এই সংশোধনীর বিরোধীতায় প্রথম সারিতে ছিল।    

 

বন্ধুগণ,  

 

আমি খুশী যে দেশের মা-বোনেরা তাদের এই অসৎ উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন। আপনারা দেখছেন, আসাম, কেরালা, পুদুচেরি, বাংলা এবং তামিলনাড়ুতে বোনেরা রেকর্ড সংখ্যক ভোট দিয়েছেন। নারী সংরক্ষণের বিরোধী দলগুলো বুঝতে পারছে না যে, বোনদের এই ভোট তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার জন্যই দেওয়া হয়েছে। 

 

বন্ধুগণ,   

বিজেপি-এনডিএ সরকারের একটাই মন্ত্র- নাগরিক দেবো ভবঃ। দেশের নাগরিকদের শিক্ষা, কর্ম সংস্থান, চিকিৎসা পরিসেবা, সেচ ব্যবস্থা এবং আপনাদের কথা শোনা আমাদের অগ্রাধিকার। এই উদ্দেশ্য নিয়েই আজ কাশীর উন্নয়নকে আরও প্রসারিত করা হচ্ছে। গঙ্গার উপর সেতু নির্মাণের ফলে পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।       

 

বন্ধুগণ, 

 

গত এক দশকে কাশী উত্তর ও পূর্ব ভারতের একটি প্রধান স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। একটি ৫০০ শয্যার মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল কাশীর স্বাস্থ্য পরিসেবাকে আরও শক্তিশালী করবে। এছাড়াও, ১০০ শয্যার একটি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লকের শিলান্যাস করা হয়েছে। এর ফলে কাশীতে জটিল রোগের চিকিৎসার দারুণ এক সুযোগ তৈরি হল।   

 

বন্ধুরা,

 

গঙ্গা পরিষ্কার করা , ঘাটের উন্নয়ন , প্রশাসনিক কাজ সম্পর্কিত ভবন নির্মাণ , হরহুয়া ও ভবানীপুরে কৃষকদের জন্য গুদামঘর , বৃদ্ধাশ্রম , বা মহিলাদের হোস্টেল নির্মাণ- এই সবই কাশীর সংবেদনশীল উন্নয়নের প্রমাণ। এই উদ্যোগগুলির ফলে বারাণসির মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হচ্ছেন।  

 

বন্ধুরা,

 

কাশীর ঐতিহ্য পরম্পরাকে শক্তিশালী করার অভিযানও চলছে প্রতিনিয়ত। সন্ত কবিরের স্মৃতিসৌধের উন্নয়ন এবং নাগওয়ায় সন্ত রবিদাস পার্কের সংস্কার এই অভিযানেরই অঙ্গ। 

বন্ধুগণ,

 

আমাদের কাশী শাশ্বত এক নগরী যা অবিরাম এগিয়ে চলেছে। একইভাবে আমাদের উন্নয়নের এই অভিযানও নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে চলেছে। মহিলা শক্তিকে সম্মান জানিয়ে, আমাদের আশীর্বাদ করার জন্য আমি আপনাদের আবারও কৃতজ্ঞতা জানাই এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমার সঙ্গে আপনারাও বলুন-

 

ভারত মাতার জয়।

 

ভারত মাতার জয়।

 

ভারত মাতার জয়। 

 

বন্দে মাতরম। বন্দে মাতরম। বন্দে মাতরম।

 

হর-হর মহাদেব।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India's Crude Steel Production Rises 3% To Reach 14.2 MT In May

Media Coverage

India's Crude Steel Production Rises 3% To Reach 14.2 MT In May
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister highlights 12 years of transformative initiatives centered on Garib Kalyan and human empowerment
June 08, 2026

Prime Minister Shri Narendra Modi today highlighted that over the last 12 years, India has witnessed many transformations, stating that at the core of these changes is the welfare of the poor and downtrodden. The Prime Minister noted that the government has always been inspired by Antyodaya and its effort has always been to ensure that the benefits of development reach those who were left behind for decades.

Shri Modi observed that from Jan Dhan accounts and Direct Benefit Transfer to Swachh Bharat, PM Awas Yojana, Jal Jeevan Mission, Ayushman Bharat and more, every initiative has been driven by a simple objective of ensuring people have dignity and opportunity.

The Prime Minister expressed gladness that technology has played a vital role in ensuring a better quality of life for the poor. Shri Modi pointed out that through Direct Benefit Transfer and digital platforms, support is reaching people directly and transparently. The Prime Minister affirmed that this has reduced leakages, improved efficiency, and strengthened trust in governance, adding that this is how the journey of furthering Garib Kalyan has become a collective movement towards human empowerment and realising the dream of a Viksit Bharat.

In a series of posts on X, the Prime Minister shared:

"Over the last 12 years, India has witnessed many transformations and at the core of these changes is the welfare of the poor and downtrodden. We have always been inspired by Antyodaya and our effort has always been to ensure that the benefits of development reach those who were left behind for decades. From Jan Dhan accounts and Direct Benefit Transfer to Swachh Bharat, PM Awas Yojana, Jal Jeevan Mission, Ayushman Bharat and more, every initiative has been driven by a simple objective of ensuring people have dignity and opportunity.
#12YearsOfGaribKalyan”

“It is also gladdening that technology has played a vital role in ensuring a better quality of life for the poor. Through Direct Benefit Transfer and digital platforms, support is reaching people directly and transparently. This has reduced leakages, improved efficiency and strengthened trust in governance. This is how the journey of furthering Garib Kalyan has become a collective movement towards human empowerment and realising our dream of a Viksit Bharat.

#12YearsOfGaribKalyan"