প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ‘অপারেশন বিজয়’এ অংশগ্রহণকারী প্রাক্তন সেনাকর্মীদের সম্বর্ধিত করেছেন
“গোয়ার জনসাধারণ স্বাধীনতা ও স্বরাজের জন্য আন্দোলনকে থামিয়ে রাখেননি, তাঁরা ভারতের ইতিহাসে সবথেকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রদীপটি জ্বালিয়ে রাখেন”
“ভারতের মূল ভাবনা হল, ব্যক্তিসত্ত্বার ঊর্দ্ধে জাতি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত, যেখানে একটিমাত্র ভাবনা ই রয়েছে- দেশ প্রথম, যেখানে একটি সিদ্ধান্তই রয়েছে- এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত”
“যদি সর্দার প্যাটেল আরও কয়েক বছর বেঁচে থাকতেন তাহলে গোয়াকে তার মুক্তির জন্য এতো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতোনা”
“রাজ্যের নতুন পরিচিতি হল প্রশাসনিক সব কাজ আগে সম্পাদন করা। যখন অন্য জায়গায় কাজ শুরু হচ্ছে অথবা কাজ এগিয়ে চলেছে, গোয়ায় তখন সেই কাজ শেষ হয়ে গেছে”
প্রধানমন্ত্রী পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জানান, পোপ ভারতের বৈচিত্র্য ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রকে ভালোবাসেন
“গোয়াবাসীর সততা, প্রতিভা ও অধ্যাবসায়ের প্রতিফলন দেশ মনোহর পাররিকরের মধ্যে দেখেছে”

ভারতমাতার জয়! ভারতমাতার জয়! “সমেস্ত গোঁয়কার ভাওয়া – ভয়ণীঁক, মায়েমোগাচো য়েওয়কার!”

“মহজ্যা মোগাল গোঁয়কারাঁনো, গোঁয় মুক্তীচ্যা, হীরক মহোৎসবী ওয়র্সা নিমতান, তুমকা সগলয়াঁক, মনা কালজাসাওয়ন করমীঁ! সৈমান নটলেল্যা, মোগাল মনশাঁচ্যা, হ্যা, ভাঁগরালয়া গোঁয়াঁত, য়েওয়ন মহাকা হুপ হোস ভোগতা!” গোয়ার সমস্ত ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সবাইকে প্রণাম। এই ঐতিহাসিক কর্মসূচিতে উপস্থিত গোয়ার রাজ্যপাল শ্রী পি এস শ্রীধরন পিল্লাইজি, গোয়ার প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী প্রমোদ সাওয়ান্তজি, উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী চন্দ্রকান্ত কাওলিকরজি, শ্রী মনোহর আজগাঁওকরজি, আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য শ্রী শ্রীপদ নায়েকজি, গোয়া বিধানসভার অধ্যক্ষ শ্রী রাজেশ পটনেকরজি, গোয়া রাজ্য সরকারের সকল মন্ত্রীগণ, জনপ্রতিনিধিগণ, আধিকারিকগণ এবং আমার গোয়ার ভাই ও বোনেরা!

গোয়া এমন একটি রাজ্য যেটি বাতাস, সমুদ্র, প্রকৃতির অদ্ভূত আশীর্বাদধন্য, আর আজ গোয়ার সমস্ত নাগরিক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে গোয়ার মুক্তি উৎসব পালন করছেন। গোয়ার বাতাসে এখন মুক্তির গর্ব। আপনাদের চেহারায় গোয়ার গৌরবময় ইতিহাসের গর্ব দেখে আমি আপনাদের মতোই খুশি, আনন্দিত। আমাকে বলা হয়েছে যে এই অনুষ্ঠানস্থল অনেক ছোট হয়ে গেছে, পাশেই এরকম আরও দুটি বড় প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে এবং অনেক মানুষ সেখানে বসে আছেন।

বন্ধুগণ,

আজ গোয়া শুধু তার মুক্তির হীরক জয়ন্তী পালন করছে না, বিগত ৬০ বছরের এই যাত্রাপথের সুখস্মৃতিগুলি যেমন আমাদের সামনে রয়েছে, তেমনই অনেক সংঘর্ষ এবং আত্মবলিদানের গাথাও রয়েছে। আমাদের সামনে লক্ষ লক্ষ গোয়াবাসীর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার পরিণাম রয়েছে যার ফলে আমরা কম সময়ে এত দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করেছি। আমাদের সামনে যখন গর্ব করার মতো অনেক কিছু রয়েছে, তখন ভবিষ্যতের জন্য নতুন সঙ্কল্প নিজে থেকেই তৈরি হতে শুরু করেছে, নতুন স্বপ্নগুলি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে, এটাও একটি সুখময় সংযোগ। গোয়ার স্বাধীনতার এই হীরক জয়ন্তী এবং ভারতের স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসব আমরা একসঙ্গে পালন করছি। সেজন্য গোয়ার স্বপ্ন ও সঙ্কল্পগুলি আজ দেশকে নতুন প্রাণশক্তি যোগাচ্ছে।

বন্ধুগণ,

আজ এখানে আসার আগে আমার আজাদ ময়দানে শহীদ মেমোরিয়ালে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের সৌভাগ্য হয়েছে। শহীদদের প্রণাম জানানোর পর আমি মীনামোরে ‘সেল প্যারেড’ এবং ‘ফ্লাই পাস্ট’-এর সাক্ষী হয়েছি। এখানে এসেও ‘অপারেশন বিজয়’-এর বীরদের, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের দেশের পক্ষ থেকে সম্মানিত করার সৌভাগ্য হয়েছে। অভিভূত করার মতো এত সুযোগ আজ গোয়া আমাকে একসঙ্গে দিয়েছে, এটাই তো উজ্জীবিত ‘ভাইব্র্যান্ট গোয়া’র স্বভাব। আমি এই ভালোবাসার জন্য, এই আপনত্বের জন্য গোয়ার প্রত্যেক মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

বন্ধুগণ,

আজ আমরা একদিকে গোয়া লিবারেশন ডে উদযাপন করছি আর অন্যদিকে গোয়ার উন্নয়নের জন্য নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছি। একটু আগেই এখানে গোয়া রাজ্য সরকারের ভিন্ন ভিন্ন বিভাগ ও এজেন্সিগুলিকে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘স্বয়ংপূর্ণ গোয়া’-এর সফল বাস্তবায়নকারীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। অসাধারণ কাজ করার জন্য গোয়ার পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলিকেও পুরস্কৃত করা হয়েছে। পাশাপাশি, আজ পুনর্নির্মাণ করা দুর্গ – আগুয়াড়া জেল সংগ্রহালয়, মেডিকেল কলেজের সুপার স্পেশালিটি ব্লক, দক্ষিণ গোয়া জেলা হাসপাতাল এবং দাভোরলিম-এর গ্যাস ইনস্যুলেটেড সাব-স্টেশন-এর উদ্বোধনও হয়েছে। গোয়া মেডিকেল কলেজ এবং মোপা বিমানবন্দরে ‘বিমানন কৌশল বিকাশ কেন্দ্র’-এর উদ্বোধনও আজ হয়েছে। এই সাফল্যের জন্য এবং এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলির জন্য আমি আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

বন্ধুগণ,

অমৃত মহোৎসবে প্রত্যেক দেশবাসীর প্রতি আমি একটি আহ্বান রেখেছিলাম – ‘সবকা প্রয়াস’। গোয়ার মুক্তি সংগ্রাম এই মন্ত্রের একটি বড় উদাহরণ। একটু আগেই আমি আজাদ ময়দানের শহীদ মেমোরিয়ালটি দেখছিলাম। এটিকে চারটি হাতের আকৃতি দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে। ভারতের চার প্রান্ত থেকে গোয়ার মুক্তি সংগ্রামের জন্য একসঙ্গে যে হাত উঠেছিল - এই আকৃতি তারই প্রতীক। আপনারা দেখুন, গোয়া একটা এমন সময়ে পর্তুগিজদের অধীনে চলে গিয়েছিল যখন দেশের অন্যান্য বড় অংশে মোঘলদের সাম্রাজ্য ছিল। তারপর কত না ক্ষমতার উত্থান-পতন এই দেশ দেখেছে, কিন্তু, অনেক শতাব্দীর ক্ষমতার উত্থান-পতনের পরও গোয়া তার ভারতীয়ত্বকে ভোলেনি আর ভারতবাসীও তাঁদের গোয়াকে কখনও ভোলেননি। এটা এমন একটা সম্পর্ক যা সময়ের সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। গোয়ার মুক্তি সংগ্রাম একটি এমন অমর জ্যোতি যা ইতিহাসের হাজার হাজার ঝড়-ঝাপটা সহ্য করেও প্রজ্জ্বলিত ছিল, অটল ছিল। ‘কুংকললি সংগ্রাম’ থেকে শুরু করে ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ এবং সম্ভাজির নেতৃত্বে বীর মারাঠাদের সংঘর্ষ - গোয়াকে মুক্ত করার ক্রমাগত চেষ্টা সবদিক থেকে হয়েছে।

বন্ধুগণ,

দেশ তো গোয়ার আগেই স্বাধীন হয়েছিল। দেশের অধিকাংশ মানুষ তাঁদের অধিকার পেয়েছিলেন। তখন তাঁদের কাছে স্বপ্ন সফল করার সময় এবং বিকল্প ছিল। তাঁরা ক্ষমতার জন্য লড়াই করার অধিকার পেয়েছিলেন। পদ প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াইয়ের অধিকার পেয়েছিলেন। কিন্তু অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামী এইসব কিছু ছেড়ে গোয়ার স্বাধীনতার জন্য লড়াই ও আত্মবলিদানের পথ বেছে নিয়েছিলেন। গোয়ার জনগণও মুক্তি এবং স্বাধীনতার জন্য আন্দোলনকে কখনও থামতে দেননি। তাঁরা ভারতের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে স্বাধীনতার জ্যোতিকে তাঁদের মনে জ্বালিয়ে রেখেছিলেন কারণ, ভারত শুধুই রাজনৈতিক ক্ষমতার দেশ নয়, ভারত মানবতার সপক্ষে, মানবতাকে রক্ষার করার ভাবনা নিয়ে কাজ করে যাওয়া একটি পরিবার। ভারত এমন একটা মনোভাব যেখানে রাষ্ট্র ‘স্ব’-এর ওপরে হয় – সর্বোপরি হয়। যেখানে একটাই মন্ত্রক সর্বোপরি তা হল – ‘রাষ্ট্র সর্বাগ্রে’, যেখানে একটাই সঙ্কল্প – ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’। আপনারা দেখুন, ল্যুইস দি মিনেঝিস ব্রাগাঞ্ঝা, ত্রিস্তাভ ব্রাগাঞ্ঝা, দ্য কুনহা, জুলিও মিনেঝিস-এর মতো মহান ব্যক্তিরা ছিলেন, পুরুষোত্তম কাকোডকর, লক্ষ্মীকান্ত ভেঁবরে-র মতো স্বাধীনতা সংগ্রামীরা ছিলেন কিংবা বালা রায়া মাপারি-র মতো যুবকদের আত্মবলিদান, আমাদের কত না স্বাধীনতা সংগ্রামী স্বাধীনতার পরও আন্দোলন করে গেছেন, যাতনা সহ্য করেছেন, আত্মবলিদান দিয়েছেন কিন্তু এই আন্দোলনকে ভাঙতে দেননি। দেশ স্বাধীন হওয়ার কিছুদিন আগেও রাম মনোহর লোহিয়াজি থেকে শুরু করে স্বাধীনতার পর জনসঙ্ঘের অনেক নেতা এই মুক্তি আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। স্মরণ করুন, মোহন রানাডেজিকে, গোয়ার মুক্তি আন্দোলনের জন্য যাঁকে জেলে বন্দী করা হয়েছিল। অনেক বছর ধরে তিনি জেলে যাতনা সহ্য করেছেন। গোয়া স্বাধীন হওয়ার পরও তাঁকে অনেক বছর ধরে জেলে থাকতে হয়েছিল। তখন রানাডেজির মতো বিপ্লবীর জন্য অটলবিহারী বাজপেয়ীজি দেশের সংসদে আওয়াজ উঠিয়েছিলেন, আজাদ গোমন্তক দলের সঙ্গে যুক্ত অনেক নেতা গোয়ার স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁদের সর্বস্ব অর্পণ করেছিলেন। প্রভাকর ত্রিবিক্রম বৈদ্য, বিশ্বনাথ লভানদে, জগন্নাথ রাও যোশী, নানা কাজরেকর, সুধীর ফারকে – এরকম কত না স্বাধীনতা সংগ্রামী গোয়া, দমন, দিউ, দাদরা ও নগর হাভেলির স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন, এই আন্দোলনকে পথ দেখিয়েছেন, প্রাণশক্তি যুগিয়েছেন।

বন্ধুগণ,

গোয়া মুক্তি বিমোচন সমিতির সত্যাগ্রহে ৩১ জন সত্যাগ্রহী নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন।

আপনারা ভাবুন, এই আত্মোৎসর্গকারীদের সম্পর্কে পাঞ্জাবে বীর কর্নেইল সিং, বেনীপাল-এর মতো বীরেদের মনে উদ্দীপনা ছিল কারণ, সেই সময়ে দেশের একটা অংশ পরাধীন ছিল। কিছু দেশবাসী তখনও স্বাধীনতা পাননি। আজকের এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমি বলব, যদি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আর কয়েক বছর বেঁচে থাকতেন তাহলে গোয়াকে তার মুক্তির জন্য এত বছর অপেক্ষা করতে হত না।

বন্ধুগণ,

গোয়ার ইতিহাস শুধু স্বাধীনতার জন্য ভারতের সঙ্কল্পেরই প্রতীক নয়, এটি ভারতের একতা এবং ঐক্যবদ্ধতার জলজ্যান্ত দস্তাবেজ। গোয়া শান্তিপূর্ণভাবে প্রত্যেক ভাবনাকে বিকশিত হওয়ার পরিসর দিয়েছে। কিভাবে একসঙ্গে সব মত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর জন্য মিলেমিশে লড়াই করতে পারেন, এটা গোয়া করে দেখিয়েছে। গোয়া সেই স্থান, যেখানকার মানুষ জর্জিয়ার সেইন্ট ক্যুইন কেটেওয়ান-এর হোলি রেলিক অনেক শতাব্দী ধরে সংরক্ষিত করে রেখেছেন। সম্প্রতি কয়েক মাস আগেই ভারত সেইন্ট ক্যুইন কেটেওয়ান-এর সেই হোলি রেলিকটি জর্জিয়া সরকারকে সমর্পণ করেছে। সেইন্ট ক্যুইন কেটেওয়ান-এর এই পবিত্র দেহাবশেষ ২০০৫ সালে এখানকারই সেইন্ট অগাস্টিন চার্চ থেকে পাওয়া গিয়েছিল।

বন্ধুগণ,

যখন গোয়ার স্বাধীনতার জন্য সংঘর্ষ হয়েছে, তখন সবাই মিলে একসাথে লড়েছে, একসঙ্গে সংঘর্ষ করেছে। বিদেশি সরকারের বিরুদ্ধে ‘কিন্টোস বিপ্লব’-এ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এখানকার নেটিভ ক্রিশ্চিয়ানরাই। এটাই ভারতের আসল পরিচয়। এদেশে মত ও মতান্তর থাকলেও, সকল রাজনৈতিক দলের একটাই উদ্দেশ্য – মানবতার সেবা, সমস্ত মানুষের সেবা। ভারতের এই একতা, এই মিশ্র সংস্কৃতির পরিচয়ের প্রশংসা সারা পৃথিবী করে। সম্প্রতি আমি ইতালি এবং ভ্যাটিকান সিটিতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার পোপ ফ্রান্সিসজির সঙ্গে সাক্ষাতের সৌভাগ্য হয়েছে। ভারতের প্রতি তাঁর মনোভাব আমাকে অভিভূত করেছে। আমি তাঁকে ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণও জানিয়েছি, আর আমি আপনাদের অবশ্যই বলতে চাইব যে তিনি আমার আমন্ত্রণ স্বীকার করে বলেছিলেন, “দিস ইজ দ্য গ্রেটেস্ট গিফট ইউ হ্যাভ গিভেন মি।” এটাই ভারতের বিবিধতা, আমাদের স্পন্দিত গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর এই শ্রদ্ধা আমাকে আপ্লুত করেছে।

বন্ধুগণ,

গোয়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সর্বদাই গোয়াকে অতুলনীয় করে রেখেছে। কিন্তু এখন এখানে যে সরকার রয়েছে তা গোয়ার আরেকটি পরিচয়কে শক্তিশালী করে তুলছে। এই নতুন পরিচয় হল – প্রত্যেক কাজে প্রথম হওয়া, টপ করা। বাকি জায়গায় যখন কোনও কাজ শুরু হয় কিংবা এগোতে থাকে, গোয়া ততদিনে সেই কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলে। পর্যটক গন্তব্য হিসেবে সারা পৃথিবীর মানুষ গোয়াকে পছন্দ করেন। কিন্তু এখন সুশাসনের ক্ষেত্রেও গোয়া সবার ওপরে রয়েছে। পার-ক্যাপিটা ইনকামের ক্ষেত্রেও গোয়া সবার ওপরে। ওপেন ডিফেকেশন-ফ্রি রাজ্য হিসেবে গোয়া ১০০ শতাংশ সফল। মেয়েদের স্কুলে স্বতন্ত্র শৌচালয়ের সুবিধার ক্ষেত্রে গোয়া ১০০ শতাংশ সফল। দরজায় দরজায় ময়লা সংগ্রহের ক্ষেত্রেও গোয়া ১০০ শতাংশ সফল। প্রত্যেক বাড়িতে নলের মাধ্যমে পানীয় জল সরবরাহের ক্ষেত্রেও গোয়া ১০০ শতাংশ সফল। আধার এনরোলমেন্টের ক্ষেত্রে গোয়াতে ১০০ শতাংশ কাজ হয়েছে। খাদ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে গোয়া সবার আগে। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার মাধ্যমে অল ওয়েদার রোড কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে গোয়া ১০০ শতাংশ কাজ করেছে। জন্ম নথিভুক্তিকরণের ক্ষেত্রেও গোয়া ১০০ শতাংশ সফল। এই তালিকা এত দীর্ঘ যে গুনে শেষ করা যাবে না। প্রমোদজি আপনাকে এবং আপনার গোটা টিমকে শুভেচ্ছা জানাই। গোয়া যতকিছু অর্জন করেছে তা অভূতপূর্ব। গোয়ার জনগণের এই সাফল্য সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। এখন আপনাদের আরেকটি নতুন সাফল্যের জন্য গোয়া সরকার এবং গোয়াবাসীকে আমি বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাতে চাই। এটি হল – ১০০ শতাংশ করোনা টিকাকরণ। গোয়ার সকল যোগ্য ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই টিকা নিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজের জন্য অভিযানও এখানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। এক্ষেত্রেও আপনারা দেশের সকল রাজ্যের থেকে এগিয়ে। সেজন্য আমি গোয়ার জনগণকে শুভেচ্ছা জানাই।

ভাই ও বোনেরা,

গোয়ার এই সাফল্যগুলিকে, এই নতুন পরিচয়কে যখন আমি শক্তিশালী হতে দেখি, তখন আমার অভিন্ন বন্ধু মনোহর পাররিকরজির কথা মনে পড়ে। তিনি গোয়ার উন্নয়নকে একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। গোয়ার মানুষ যে কত সৎ, প্রতিভাবান এবং পরিশ্রমী হতে পারেন তা দেশবাসী মনোহর পাররিকরজির মধ্যে দেখেছে। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তিনি কিভাবে নিজের রাজ্য ও দেশবাসীর জন্য কাজ করে গেছেন সেটা আমরা দেখেছি। আজকের এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমি আমার পরম মিত্র এবং গোয়ার মহান সুপুত্র মনোহরজিকে প্রণাম জানাই।

বন্ধুগণ,

গোয়ার উন্নয়নের জন্য, গোয়াতে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা বৃদ্ধির জন্য যে অভিযান পাররিকরজি শুরু করেছিলেন, তা আজও ততটাই উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে এগিয়ে চলেছে। করোনার মতো এত ভয়ঙ্কর বিশ্বব্যাপী মহামারী থেকে গোয়া যত দ্রুত উঠে আসছে, সেখানে সেই উদ্দীপনাই পরিলক্ষিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারও পর্যটন উপযোগী একটি নতুন উচ্চতা প্রদানের জন্য ক্রমাগত প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে। ভিসা নিয়মগুলিকে সরল করা থেকে শুরু করে ই-ভিসা সম্পন্ন দেশের সংখ্যা বৃদ্ধি করা ইত্যাদি পদক্ষেপের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পকে সাহায্য করার জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি যে ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হয়েছে তার সাফল্য থেকেই বোঝা যায় গোয়াতে পর্যটন কিভাবে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে, কিভাবে বাড়ছে।

বন্ধুগণ,

যেভাবে গোয়া সরকার এখানে ভালো সড়কপথ নির্মাণ করেছে, পরিকাঠামো এবং পরিষেবাকে শক্তিশালী করেছে, তা থেকে এই রাজ্যে পর্যটকদের সুবিধা যেমন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই আজ সারা দেশে হাইওয়ে, এক্সপ্রেসওয়ে এবং হাইটেক ইনফ্রাস্ট্রাকচারকে আধুনিক করে তোলা হচ্ছে। রেলওয়ের আমূল সংস্কার হচ্ছে। দেশের অনেক শহরে নতুন নতুন বিমানবন্দর গড়ে উঠছে। এর ফলে জনগণের যাতায়াত সহজ হচ্ছে। এখন যদি কেউ গোয়া আসার কথা ভাবেন, তখন রাস্তার কথা ভেবে, গুরুত্বের কথা ভেবে পরিকল্পনা বাতিল করতে হবে না। এই মিশনকে এখন আরও গতি প্রদান করার জন্য, শক্তি প্রদান করার জন্য পিএম গতি শক্তি ন্যাশনাল মাস্টার প্ল্যান-এর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে এই মিশন গতি শক্তি দেশে পরিকাঠামো এবং পর্যটনের একটি নতুন যুগের সূত্রপাত করবে।

বন্ধুগণ,

গোয়ার একদিকে যেমন অনন্ত সমুদ্র রয়েছে, অন্যদিকে এখানকার যুব সম্প্রদায়ের সমুদ্রের মতো ব্যাপক স্বপ্ন রয়েছে। এই স্বপ্নগুলি বাস্তবায়নের জন্য তেমনই ব্যাপক দূরদৃষ্টি থাকতে হবে। আমি এটা বলতে পারি যে, প্রমোহ সাওয়ান্তজি এমনই একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ। তিনি ও তাঁর টিম এমনই দূরদৃষ্টি নিয়ে লাগাতার কাজ করছে। আজ গোয়ার স্কুলগুলিতে শিশুদের ফিউচার-রেডি এডুকেশন-এর জন্য কোডিং এবং রোবোটিক্সকে প্রমোট করা হচ্ছে। প্রযুক্তিগত শিক্ষাকে ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে। উচ্চশিক্ষার জন্য সরকার ৫০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। আজ এখানে যে এভিয়েশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন হল, সেটিও এখন যুব সম্প্রদায়ের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এভাবে আজ দেশ যেভাবে আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের সঙ্কল্প নিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তার পাশাপাশি গোয়া রাজ্য সরকারের চালু করা ‘স্বয়ংপূর্ণ গোয়া মিশন’ দেশকে শক্তিশালী করে তুলছে। এই মিশনে অংশগ্রহণকারী ‘স্বয়ংপূর্ণ মিত্র’দের সঙ্গে প্রযুক্তির মাধ্যমে কথা বলার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আপনারা সবাই মিলে যেভাবে গোয়াকে আত্মনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে এসেছেন, যেভাবে বর্তমান সরকার ডোর-টু-ডোর পরিষেবা দিচ্ছে, সমস্ত সরকারি পরিষেবাকে যেভাবে অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত করা হচ্ছে, যত দ্রুতগতিতে দুর্নীতি দূর হচ্ছে, এটাই প্রকৃত অর্থে ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস এবং সবকা প্রয়াস’-এর সঙ্কল্প যা গোয়া আজ বাস্তবায়িত হতে দেখছে।

বন্ধুগণ,

আজ যেভাবে স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে দেশ স্বাধীনতার শতবর্ষ পালনের জন্য নতুন সঙ্কল্প গ্রহণ করছে, তেমনই আমি গোয়াবাসীকে আহ্বান জানাই, আপনারা গোয়ার মুক্তির ৭৫ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আপনাদের গোয়াকে কোথায় পৌঁছে দিতে চান, তা ঠিক করে একটি নতুন সঙ্কল্প নিন, নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। সেজন্য যে নিরন্তর কাজ করে যাওয়ার শক্তি গোয়া এতদিন দেখেছে, সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আমাদের থামলে চলবে না। আমাদের গতি কম করলে চলবে না। “গোঁয় আনী গোঁয়কারাঁচী, তোখণায় করীত, তিতকী ধোডীচ! তুমকাঁ সগলয়াঁক, পরত এক ফাওয়ট, গোঁয় মুক্তীদিসাচীঁ, পরবীঁ দিওয়ন, সগলয়াঁখাতীর, বরী ভলায়কী আনী য়শ মাগতাঁ।”

অনেক অনেক ধন্যবাদ!

ভারতমাতার জয়! ভারতমাতার জয়! ভারতমাতার জয়!

ধন্যবাদ!

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
'Will walk shoulder to shoulder': PM Modi pushes 'Make in India, Partner with India' at Russia-India forum

Media Coverage

'Will walk shoulder to shoulder': PM Modi pushes 'Make in India, Partner with India' at Russia-India forum
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
6th dec 2025 Text of PM’s address at the Hindustan Times Leadership Summit
December 06, 2025
India is brimming with confidence: PM
In a world of slowdown, mistrust and fragmentation, India brings growth, trust and acts as a bridge-builder: PM
Today, India is becoming the key growth engine of the global economy: PM
India's Nari Shakti is doing wonders, Our daughters are excelling in every field today: PM
Our pace is constant, Our direction is consistent, Our intent is always Nation First: PM
Every sector today is shedding the old colonial mindset and aiming for new achievements with pride: PM

आप सभी को नमस्कार।

यहां हिंदुस्तान टाइम्स समिट में देश-विदेश से अनेक गणमान्य अतिथि उपस्थित हैं। मैं आयोजकों और जितने साथियों ने अपने विचार रखें, आप सभी का अभिनंदन करता हूं। अभी शोभना जी ने दो बातें बताई, जिसको मैंने नोटिस किया, एक तो उन्होंने कहा कि मोदी जी पिछली बार आए थे, तो ये सुझाव दिया था। इस देश में मीडिया हाउस को काम बताने की हिम्मत कोई नहीं कर सकता। लेकिन मैंने की थी, और मेरे लिए खुशी की बात है कि शोभना जी और उनकी टीम ने बड़े चाव से इस काम को किया। और देश को, जब मैं अभी प्रदर्शनी देखके आया, मैं सबसे आग्रह करूंगा कि इसको जरूर देखिए। इन फोटोग्राफर साथियों ने इस, पल को ऐसे पकड़ा है कि पल को अमर बना दिया है। दूसरी बात उन्होंने कही और वो भी जरा मैं शब्दों को जैसे मैं समझ रहा हूं, उन्होंने कहा कि आप आगे भी, एक तो ये कह सकती थी, कि आप आगे भी देश की सेवा करते रहिए, लेकिन हिंदुस्तान टाइम्स ये कहे, आप आगे भी ऐसे ही सेवा करते रहिए, मैं इसके लिए भी विशेष रूप से आभार व्यक्त करता हूं।

साथियों,

इस बार समिट की थीम है- Transforming Tomorrow. मैं समझता हूं जिस हिंदुस्तान अखबार का 101 साल का इतिहास है, जिस अखबार पर महात्मा गांधी जी, मदन मोहन मालवीय जी, घनश्यामदास बिड़ला जी, ऐसे अनगिनत महापुरूषों का आशीर्वाद रहा, वो अखबार जब Transforming Tomorrow की चर्चा करता है, तो देश को ये भरोसा मिलता है कि भारत में हो रहा परिवर्तन केवल संभावनाओं की बात नहीं है, बल्कि ये बदलते हुए जीवन, बदलती हुई सोच और बदलती हुई दिशा की सच्ची गाथा है।

साथियों,

आज हमारे संविधान के मुख्य शिल्पी, डॉक्टर बाबा साहेब आंबेडकर जी का महापरिनिर्वाण दिवस भी है। मैं सभी भारतीयों की तरफ से उन्हें श्रद्धांजलि अर्पित करता हूं।

Friends,

आज हम उस मुकाम पर खड़े हैं, जब 21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। इन 25 सालों में दुनिया ने कई उतार-चढ़ाव देखे हैं। फाइनेंशियल क्राइसिस देखी हैं, ग्लोबल पेंडेमिक देखी हैं, टेक्नोलॉजी से जुड़े डिसरप्शन्स देखे हैं, हमने बिखरती हुई दुनिया भी देखी है, Wars भी देख रहे हैं। ये सारी स्थितियां किसी न किसी रूप में दुनिया को चैलेंज कर रही हैं। आज दुनिया अनिश्चितताओं से भरी हुई है। लेकिन अनिश्चितताओं से भरे इस दौर में हमारा भारत एक अलग ही लीग में दिख रहा है, भारत आत्मविश्वास से भरा हुआ है। जब दुनिया में slowdown की बात होती है, तब भारत growth की कहानी लिखता है। जब दुनिया में trust का crisis दिखता है, तब भारत trust का pillar बन रहा है। जब दुनिया fragmentation की तरफ जा रही है, तब भारत bridge-builder बन रहा है।

साथियों,

अभी कुछ दिन पहले भारत में Quarter-2 के जीडीपी फिगर्स आए हैं। Eight परसेंट से ज्यादा की ग्रोथ रेट हमारी प्रगति की नई गति का प्रतिबिंब है।

साथियों,

ये एक सिर्फ नंबर नहीं है, ये strong macro-economic signal है। ये संदेश है कि भारत आज ग्लोबल इकोनॉमी का ग्रोथ ड्राइवर बन रहा है। और हमारे ये आंकड़े तब हैं, जब ग्लोबल ग्रोथ 3 प्रतिशत के आसपास है। G-7 की इकोनमीज औसतन डेढ़ परसेंट के आसपास हैं, 1.5 परसेंट। इन परिस्थितियों में भारत high growth और low inflation का मॉडल बना हुआ है। एक समय था, जब हमारे देश में खास करके इकोनॉमिस्ट high Inflation को लेकर चिंता जताते थे। आज वही Inflation Low होने की बात करते हैं।

साथियों,

भारत की ये उपलब्धियां सामान्य बात नहीं है। ये सिर्फ आंकड़ों की बात नहीं है, ये एक फंडामेंटल चेंज है, जो बीते दशक में भारत लेकर आया है। ये फंडामेंटल चेंज रज़ीलियन्स का है, ये चेंज समस्याओं के समाधान की प्रवृत्ति का है, ये चेंज आशंकाओं के बादलों को हटाकर, आकांक्षाओं के विस्तार का है, और इसी वजह से आज का भारत खुद भी ट्रांसफॉर्म हो रहा है, और आने वाले कल को भी ट्रांसफॉर्म कर रहा है।

साथियों,

आज जब हम यहां transforming tomorrow की चर्चा कर रहे हैं, हमें ये भी समझना होगा कि ट्रांसफॉर्मेशन का जो विश्वास पैदा हुआ है, उसका आधार वर्तमान में हो रहे कार्यों की, आज हो रहे कार्यों की एक मजबूत नींव है। आज के Reform और आज की Performance, हमारे कल के Transformation का रास्ता बना रहे हैं। मैं आपको एक उदाहरण दूंगा कि हम किस सोच के साथ काम कर रहे हैं।

साथियों,

आप भी जानते हैं कि भारत के सामर्थ्य का एक बड़ा हिस्सा एक लंबे समय तक untapped रहा है। जब देश के इस untapped potential को ज्यादा से ज्यादा अवसर मिलेंगे, जब वो पूरी ऊर्जा के साथ, बिना किसी रुकावट के देश के विकास में भागीदार बनेंगे, तो देश का कायाकल्प होना तय है। आप सोचिए, हमारा पूर्वी भारत, हमारा नॉर्थ ईस्ट, हमारे गांव, हमारे टीयर टू और टीय़र थ्री सिटीज, हमारे देश की नारीशक्ति, भारत की इनोवेटिव यूथ पावर, भारत की सामुद्रिक शक्ति, ब्लू इकोनॉमी, भारत का स्पेस सेक्टर, कितना कुछ है, जिसके फुल पोटेंशियल का इस्तेमाल पहले के दशकों में हो ही नहीं पाया। अब आज भारत इन Untapped पोटेंशियल को Tap करने के विजन के साथ आगे बढ़ रहा है। आज पूर्वी भारत में आधुनिक इंफ्रास्ट्रक्चर, कनेक्टिविटी और इंडस्ट्री पर अभूतपूर्व निवेश हो रहा है। आज हमारे गांव, हमारे छोटे शहर भी आधुनिक सुविधाओं से लैस हो रहे हैं। हमारे छोटे शहर, Startups और MSMEs के नए केंद्र बन रहे हैं। हमारे गाँवों में किसान FPO बनाकर सीधे market से जुड़ें, और कुछ तो FPO’s ग्लोबल मार्केट से जुड़ रहे हैं।

साथियों,

भारत की नारीशक्ति तो आज कमाल कर रही हैं। हमारी बेटियां आज हर फील्ड में छा रही हैं। ये ट्रांसफॉर्मेशन अब सिर्फ महिला सशक्तिकरण तक सीमित नहीं है, ये समाज की सोच और सामर्थ्य, दोनों को transform कर रहा है।

साथियों,

जब नए अवसर बनते हैं, जब रुकावटें हटती हैं, तो आसमान में उड़ने के लिए नए पंख भी लग जाते हैं। इसका एक उदाहरण भारत का स्पेस सेक्टर भी है। पहले स्पेस सेक्टर सरकारी नियंत्रण में ही था। लेकिन हमने स्पेस सेक्टर में रिफॉर्म किया, उसे प्राइवेट सेक्टर के लिए Open किया, और इसके नतीजे आज देश देख रहा है। अभी 10-11 दिन पहले मैंने हैदराबाद में Skyroot के Infinity Campus का उद्घाटन किया है। Skyroot भारत की प्राइवेट स्पेस कंपनी है। ये कंपनी हर महीने एक रॉकेट बनाने की क्षमता पर काम कर रही है। ये कंपनी, flight-ready विक्रम-वन बना रही है। सरकार ने प्लेटफॉर्म दिया, और भारत का नौजवान उस पर नया भविष्य बना रहा है, और यही तो असली ट्रांसफॉर्मेशन है।

साथियों,

भारत में आए एक और बदलाव की चर्चा मैं यहां करना ज़रूरी समझता हूं। एक समय था, जब भारत में रिफॉर्म्स, रिएक्शनरी होते थे। यानि बड़े निर्णयों के पीछे या तो कोई राजनीतिक स्वार्थ होता था या फिर किसी क्राइसिस को मैनेज करना होता था। लेकिन आज नेशनल गोल्स को देखते हुए रिफॉर्म्स होते हैं, टारगेट तय है। आप देखिए, देश के हर सेक्टर में कुछ ना कुछ बेहतर हो रहा है, हमारी गति Constant है, हमारी Direction Consistent है, और हमारा intent, Nation First का है। 2025 का तो ये पूरा साल ऐसे ही रिफॉर्म्स का साल रहा है। सबसे बड़ा रिफॉर्म नेक्स्ट जेनरेशन जीएसटी का था। और इन रिफॉर्म्स का असर क्या हुआ, वो सारे देश ने देखा है। इसी साल डायरेक्ट टैक्स सिस्टम में भी बहुत बड़ा रिफॉर्म हुआ है। 12 लाख रुपए तक की इनकम पर ज़ीरो टैक्स, ये एक ऐसा कदम रहा, जिसके बारे में एक दशक पहले तक सोचना भी असंभव था।

साथियों,

Reform के इसी सिलसिले को आगे बढ़ाते हुए, अभी तीन-चार दिन पहले ही Small Company की डेफिनीशन में बदलाव किया गया है। इससे हजारों कंपनियाँ अब आसान नियमों, तेज़ प्रक्रियाओं और बेहतर सुविधाओं के दायरे में आ गई हैं। हमने करीब 200 प्रोडक्ट कैटगरीज़ को mandatory क्वालिटी कंट्रोल ऑर्डर से बाहर भी कर दिया गया है।

साथियों,

आज के भारत की ये यात्रा, सिर्फ विकास की नहीं है। ये सोच में बदलाव की भी यात्रा है, ये मनोवैज्ञानिक पुनर्जागरण, साइकोलॉजिकल रेनसां की भी यात्रा है। आप भी जानते हैं, कोई भी देश बिना आत्मविश्वास के आगे नहीं बढ़ सकता। दुर्भाग्य से लंबी गुलामी ने भारत के इसी आत्मविश्वास को हिला दिया था। और इसकी वजह थी, गुलामी की मानसिकता। गुलामी की ये मानसिकता, विकसित भारत के लक्ष्य की प्राप्ति में एक बहुत बड़ी रुकावट है। और इसलिए, आज का भारत गुलामी की मानसिकता से मुक्ति पाने के लिए काम कर रहा है।

साथियों,

अंग्रेज़ों को अच्छी तरह से पता था कि भारत पर लंबे समय तक राज करना है, तो उन्हें भारतीयों से उनके आत्मविश्वास को छीनना होगा, भारतीयों में हीन भावना का संचार करना होगा। और उस दौर में अंग्रेजों ने यही किया भी। इसलिए, भारतीय पारिवारिक संरचना को दकियानूसी बताया गया, भारतीय पोशाक को Unprofessional करार दिया गया, भारतीय त्योहार-संस्कृति को Irrational कहा गया, योग-आयुर्वेद को Unscientific बता दिया गया, भारतीय अविष्कारों का उपहास उड़ाया गया और ये बातें कई-कई दशकों तक लगातार दोहराई गई, पीढ़ी दर पीढ़ी ये चलता गया, वही पढ़ा, वही पढ़ाया गया। और ऐसे ही भारतीयों का आत्मविश्वास चकनाचूर हो गया।

साथियों,

गुलामी की इस मानसिकता का कितना व्यापक असर हुआ है, मैं इसके कुछ उदाहरण आपको देना चाहता हूं। आज भारत, दुनिया की सबसे तेज़ी से ग्रो करने वाली मेजर इकॉनॉमी है, कोई भारत को ग्लोबल ग्रोथ इंजन बताता है, कोई, Global powerhouse कहता है, एक से बढ़कर एक बातें आज हो रही हैं।

लेकिन साथियों,

आज भारत की जो तेज़ ग्रोथ हो रही है, क्या कहीं पर आपने पढ़ा? क्या कहीं पर आपने सुना? इसको कोई, हिंदू रेट ऑफ ग्रोथ कहता है क्या? दुनिया की तेज इकॉनमी, तेज ग्रोथ, कोई कहता है क्या? हिंदू रेट ऑफ ग्रोथ कब कहा गया? जब भारत, दो-तीन परसेंट की ग्रोथ के लिए तरस गया था। आपको क्या लगता है, किसी देश की इकोनॉमिक ग्रोथ को उसमें रहने वाले लोगों की आस्था से जोड़ना, उनकी पहचान से जोड़ना, क्या ये अनायास ही हुआ होगा क्या? जी नहीं, ये गुलामी की मानसिकता का प्रतिबिंब था। एक पूरे समाज, एक पूरी परंपरा को, अन-प्रोडक्टिविटी का, गरीबी का पर्याय बना दिया गया। यानी ये सिद्ध करने का प्रयास किया गया कि, भारत की धीमी विकास दर का कारण, हमारी हिंदू सभ्यता और हिंदू संस्कृति है। और हद देखिए, आज जो तथाकथित बुद्धिजीवी हर चीज में, हर बात में सांप्रदायिकता खोजते रहते हैं, उनको हिंदू रेट ऑफ ग्रोथ में सांप्रदायिकता नज़र नहीं आई। ये टर्म, उनके दौर में किताबों का, रिसर्च पेपर्स का हिस्सा बना दिया गया।

साथियों,

गुलामी की मानसिकता ने भारत में मैन्युफेक्चरिंग इकोसिस्टम को कैसे तबाह कर दिया, और हम इसको कैसे रिवाइव कर रहे हैं, मैं इसके भी कुछ उदाहरण दूंगा। भारत गुलामी के कालखंड में भी अस्त्र-शस्त्र का एक बड़ा निर्माता था। हमारे यहां ऑर्डिनेंस फैक्ट्रीज़ का एक सशक्त नेटवर्क था। भारत से हथियार निर्यात होते थे। विश्व युद्धों में भी भारत में बने हथियारों का बोल-बाला था। लेकिन आज़ादी के बाद, हमारा डिफेंस मैन्युफेक्चरिंग इकोसिस्टम तबाह कर दिया गया। गुलामी की मानसिकता ऐसी हावी हुई कि सरकार में बैठे लोग भारत में बने हथियारों को कमजोर आंकने लगे, और इस मानसिकता ने भारत को दुनिया के सबसे बड़े डिफेंस importers के रूप में से एक बना दिया।

साथियों,

गुलामी की मानसिकता ने शिप बिल्डिंग इंडस्ट्री के साथ भी यही किया। भारत सदियों तक शिप बिल्डिंग का एक बड़ा सेंटर था। यहां तक कि 5-6 दशक पहले तक, यानी 50-60 साल पहले, भारत का फोर्टी परसेंट ट्रेड, भारतीय जहाजों पर होता था। लेकिन गुलामी की मानसिकता ने विदेशी जहाज़ों को प्राथमिकता देनी शुरु की। नतीजा सबके सामने है, जो देश कभी समुद्री ताकत था, वो अपने Ninety five परसेंट व्यापार के लिए विदेशी जहाज़ों पर निर्भर हो गया है। और इस वजह से आज भारत हर साल करीब 75 बिलियन डॉलर, यानी लगभग 6 लाख करोड़ रुपए विदेशी शिपिंग कंपनियों को दे रहा है।

साथियों,

शिप बिल्डिंग हो, डिफेंस मैन्यूफैक्चरिंग हो, आज हर सेक्टर में गुलामी की मानसिकता को पीछे छोड़कर नए गौरव को हासिल करने का प्रयास किया जा रहा है।

साथियों,

गुलामी की मानसिकता ने एक बहुत बड़ा नुकसान, भारत में गवर्नेंस की अप्रोच को भी किया है। लंबे समय तक सरकारी सिस्टम का अपने नागरिकों पर अविश्वास रहा। आपको याद होगा, पहले अपने ही डॉक्यूमेंट्स को किसी सरकारी अधिकारी से अटेस्ट कराना पड़ता था। जब तक वो ठप्पा नहीं मारता है, सब झूठ माना जाता था। आपका परिश्रम किया हुआ सर्टिफिकेट। हमने ये अविश्वास का भाव तोड़ा और सेल्फ एटेस्टेशन को ही पर्याप्त माना। मेरे देश का नागरिक कहता है कि भई ये मैं कह रहा हूं, मैं उस पर भरोसा करता हूं।

साथियों,

हमारे देश में ऐसे-ऐसे प्रावधान चल रहे थे, जहां ज़रा-जरा सी गलतियों को भी गंभीर अपराध माना जाता था। हम जन-विश्वास कानून लेकर आए, और ऐसे सैकड़ों प्रावधानों को डी-क्रिमिनलाइज किया है।

साथियों,

पहले बैंक से हजार रुपए का भी लोन लेना होता था, तो बैंक गारंटी मांगता था, क्योंकि अविश्वास बहुत अधिक था। हमने मुद्रा योजना से अविश्वास के इस कुचक्र को तोड़ा। इसके तहत अभी तक 37 lakh crore, 37 लाख करोड़ रुपए की गारंटी फ्री लोन हम दे चुके हैं देशवासियों को। इस पैसे से, उन परिवारों के नौजवानों को भी आंत्रप्रन्योर बनने का विश्वास मिला है। आज रेहड़ी-पटरी वालों को भी, ठेले वाले को भी बिना गारंटी बैंक से पैसा दिया जा रहा है।

साथियों,

हमारे देश में हमेशा से ये माना गया कि सरकार को अगर कुछ दे दिया, तो फिर वहां तो वन वे ट्रैफिक है, एक बार दिया तो दिया, फिर वापस नहीं आता है, गया, गया, यही सबका अनुभव है। लेकिन जब सरकार और जनता के बीच विश्वास मजबूत होता है, तो काम कैसे होता है? अगर कल अच्छी करनी है ना, तो मन आज अच्छा करना पड़ता है। अगर मन अच्छा है तो कल भी अच्छा होता है। और इसलिए हम एक और अभियान लेकर आए, आपको सुनकर के ताज्जुब होगा और अभी अखबारों में उसकी, अखबारों वालों की नजर नहीं गई है उस पर, मुझे पता नहीं जाएगी की नहीं जाएगी, आज के बाद हो सकता है चली जाए।

आपको ये जानकर हैरानी होगी कि आज देश के बैंकों में, हमारे ही देश के नागरिकों का 78 thousand crore रुपया, 78 हजार करोड़ रुपए Unclaimed पड़ा है बैंको में, पता नहीं कौन है, किसका है, कहां है। इस पैसे को कोई पूछने वाला नहीं है। इसी तरह इन्श्योरेंश कंपनियों के पास करीब 14 हजार करोड़ रुपए पड़े हैं। म्यूचुअल फंड कंपनियों के पास करीब 3 हजार करोड़ रुपए पड़े हैं। 9 हजार करोड़ रुपए डिविडेंड का पड़ा है। और ये सब Unclaimed पड़ा हुआ है, कोई मालिक नहीं उसका। ये पैसा, गरीब और मध्यम वर्गीय परिवारों का है, और इसलिए, जिसके हैं वो तो भूल चुका है। हमारी सरकार अब उनको ढूंढ रही है देशभर में, अरे भई बताओ, तुम्हारा तो पैसा नहीं था, तुम्हारे मां बाप का तो नहीं था, कोई छोड़कर तो नहीं चला गया, हम जा रहे हैं। हमारी सरकार उसके हकदार तक पहुंचने में जुटी है। और इसके लिए सरकार ने स्पेशल कैंप लगाना शुरू किया है, लोगों को समझा रहे हैं, कि भई देखिए कोई है तो अता पता। आपके पैसे कहीं हैं क्या, गए हैं क्या? अब तक करीब 500 districts में हम ऐसे कैंप लगाकर हजारों करोड़ रुपए असली हकदारों को दे चुके हैं जी। पैसे पड़े थे, कोई पूछने वाला नहीं था, लेकिन ये मोदी है, ढूंढ रहा है, अरे यार तेरा है ले जा।

साथियों,

ये सिर्फ asset की वापसी का मामला नहीं है, ये विश्वास का मामला है। ये जनता के विश्वास को निरंतर हासिल करने की प्रतिबद्धता है और जनता का विश्वास, यही हमारी सबसे बड़ी पूंजी है। अगर गुलामी की मानसिकता होती तो सरकारी मानसी साहबी होता और ऐसे अभियान कभी नहीं चलते हैं।

साथियों,

हमें अपने देश को पूरी तरह से, हर क्षेत्र में गुलामी की मानसिकता से पूर्ण रूप से मुक्त करना है। अभी कुछ दिन पहले मैंने देश से एक अपील की है। मैं आने वाले 10 साल का एक टाइम-फ्रेम लेकर, देशवासियों को मेरे साथ, मेरी बातों को ये कुछ करने के लिए प्यार से आग्रह कर रहा हूं, हाथ जोड़कर विनती कर रहा हूं। 140 करोड़ देशवसियों की मदद के बिना ये मैं कर नहीं पाऊंगा, और इसलिए मैं देशवासियों से बार-बार हाथ जोड़कर कह रहा हूं, और 10 साल के इस टाइम फ्रैम में मैं क्या मांग रहा हूं? मैकाले की जिस नीति ने भारत में मानसिक गुलामी के बीज बोए थे, उसको 2035 में 200 साल पूरे हो रहे हैं, Two hundred year हो रहे हैं। यानी 10 साल बाकी हैं। और इसलिए, इन्हीं दस वर्षों में हम सभी को मिलकर के, अपने देश को गुलामी की मानसिकता से मुक्त करके रहना चाहिए।

साथियों,

मैं अक्सर कहता हूं, हम लीक पकड़कर चलने वाले लोग नहीं हैं। बेहतर कल के लिए, हमें अपनी लकीर बड़ी करनी ही होगी। हमें देश की भविष्य की आवश्यकताओं को समझते हुए, वर्तमान में उसके हल तलाशने होंगे। आजकल आप देखते हैं कि मैं मेक इन इंडिया और आत्मनिर्भर भारत अभियान पर लगातार चर्चा करता हूं। शोभना जी ने भी अपने भाषण में उसका उल्लेख किया। अगर ऐसे अभियान 4-5 दशक पहले शुरू हो गए होते, तो आज भारत की तस्वीर कुछ और होती। लेकिन तब जो सरकारें थीं उनकी प्राथमिकताएं कुछ और थीं। आपको वो सेमीकंडक्टर वाला किस्सा भी पता ही है, करीब 50-60 साल पहले, 5-6 दशक पहले एक कंपनी, भारत में सेमीकंडक्टर प्लांट लगाने के लिए आई थी, लेकिन यहां उसको तवज्जो नहीं दी गई, और देश सेमीकंडक्टर मैन्युफैक्चरिंग में इतना पिछड़ गया।

साथियों,

यही हाल एनर्जी सेक्टर की भी है। आज भारत हर साल करीब-करीब 125 लाख करोड़ रुपए के पेट्रोल-डीजल-गैस का इंपोर्ट करता है, 125 लाख करोड़ रुपया। हमारे देश में सूर्य भगवान की इतनी बड़ी कृपा है, लेकिन फिर भी 2014 तक भारत में सोलर एनर्जी जनरेशन कपैसिटी सिर्फ 3 गीगावॉट थी, 3 गीगावॉट थी। 2014 तक की मैं बात कर रहा हूं, जब तक की आपने मुझे यहां लाकर के बिठाया नहीं। 3 गीगावॉट, पिछले 10 वर्षों में अब ये बढ़कर 130 गीगावॉट के आसपास पहुंच चुकी है। और इसमें भी भारत ने twenty two गीगावॉट कैपेसिटी, सिर्फ और सिर्फ rooftop solar से ही जोड़ी है। 22 गीगावाट एनर्जी रूफटॉप सोलर से।

साथियों,

पीएम सूर्य घर मुफ्त बिजली योजना ने, एनर्जी सिक्योरिटी के इस अभियान में देश के लोगों को सीधी भागीदारी करने का मौका दे दिया है। मैं काशी का सांसद हूं, प्रधानमंत्री के नाते जो काम है, लेकिन सांसद के नाते भी कुछ काम करने होते हैं। मैं जरा काशी के सांसद के नाते आपको कुछ बताना चाहता हूं। और आपके हिंदी अखबार की तो ताकत है, तो उसको तो जरूर काम आएगा। काशी में 26 हजार से ज्यादा घरों में पीएम सूर्य घर मुफ्त बिजली योजना के सोलर प्लांट लगे हैं। इससे हर रोज, डेली तीन लाख यूनिट से अधिक बिजली पैदा हो रही है, और लोगों के करीब पांच करोड़ रुपए हर महीने बच रहे हैं। यानी साल भर के साठ करोड़ रुपये।

साथियों,

इतनी सोलर पावर बनने से, हर साल करीब नब्बे हज़ार, ninety thousand मीट्रिक टन कार्बन एमिशन कम हो रहा है। इतने कार्बन एमिशन को खपाने के लिए, हमें चालीस लाख से ज्यादा पेड़ लगाने पड़ते। और मैं फिर कहूंगा, ये जो मैंने आंकडे दिए हैं ना, ये सिर्फ काशी के हैं, बनारस के हैं, मैं देश की बात नहीं बता रहा हूं आपको। आप कल्पना कर सकते हैं कि, पीएम सूर्य घर मुफ्त बिजली योजना, ये देश को कितना बड़ा फायदा हो रहा है। आज की एक योजना, भविष्य को Transform करने की कितनी ताकत रखती है, ये उसका Example है।

वैसे साथियों,

अभी आपने मोबाइल मैन्यूफैक्चरिंग के भी आंकड़े देखे होंगे। 2014 से पहले तक हम अपनी ज़रूरत के 75 परसेंट मोबाइल फोन इंपोर्ट करते थे, 75 परसेंट। और अब, भारत का मोबाइल फोन इंपोर्ट लगभग ज़ीरो हो गया है। अब हम बहुत बड़े मोबाइल फोन एक्सपोर्टर बन रहे हैं। 2014 के बाद हमने एक reform किया, देश ने Perform किया और उसके Transformative नतीजे आज दुनिया देख रही है।

साथियों,

Transforming tomorrow की ये यात्रा, ऐसी ही अनेक योजनाओं, अनेक नीतियों, अनेक निर्णयों, जनआकांक्षाओं और जनभागीदारी की यात्रा है। ये निरंतरता की यात्रा है। ये सिर्फ एक समिट की चर्चा तक सीमित नहीं है, भारत के लिए तो ये राष्ट्रीय संकल्प है। इस संकल्प में सबका साथ जरूरी है, सबका प्रयास जरूरी है। सामूहिक प्रयास हमें परिवर्तन की इस ऊंचाई को छूने के लिए अवसर देंगे ही देंगे।

साथियों,

एक बार फिर, मैं शोभना जी का, हिन्दुस्तान टाइम्स का बहुत आभारी हूं, कि आपने मुझे अवसर दिया आपके बीच आने का और जो बातें कभी-कभी बताई उसको आपने किया और मैं तो मानता हूं शायद देश के फोटोग्राफरों के लिए एक नई ताकत बनेगा ये। इसी प्रकार से अनेक नए कार्यक्रम भी आप आगे के लिए सोच सकते हैं। मेरी मदद लगे तो जरूर मुझे बताना, आईडिया देने का मैं कोई रॉयल्टी नहीं लेता हूं। मुफ्त का कारोबार है और मारवाड़ी परिवार है, तो मौका छोड़ेगा ही नहीं। बहुत-बहुत धन्यवाद आप सबका, नमस्कार।