Today, be it major nations or global platforms, the confidence in India is stronger than ever: PM
The speed of development of a Viksit Bharat is remarkable: PM
Many aspirational districts have now transformed into inspirational districts of the nation: PM
Banking the unbanked, Securing the unsecured and Funding the unfunded has been our strategy: PM
We have transformed the fear of business into the ease of doing business: PM
India missed the first three industrial revolutions but is ready to move forward with the world in the fourth: PM
In India's journey towards becoming a Viksit Bharat, our government sees the private sector as a key partner: PM
25 crore Indians have risen out of poverty in just 10 years: PM

শ্রী বিনীত জৈনজি, শিল্পপতিগণ, সিইওগণ, অন্য সকল বিশিষ্টজন, ভদ্রমহোদয়া এবং ভদ্রমহোদয়গণ! আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা।

গতবার যখন আমি ইটি নাও সামিটে যোগ দিই, তখন নির্বাচন ছিল আসন্ন। সেই সময়ে আমি বিনয়ের সঙ্গে বলেছিলাম আমাদের তৃতীয় দফায় ভারত নতুন গতি নিয়ে কাজ করবে। আমি সন্তুষ্ট যে এই গতি এখন চোখে পড়ছে এবং দেশও তাকে সাহায্য করছে। নতুন সরকার গঠনের পরে বিজেপি-এনডিএ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাজ্যের মানুষের কাছ থেকে আশীর্বাদ পাচ্ছে! জুন নাসে ওড়িশার মানুষ ‘বিকশিত ভারত’-এর সংকল্পকে গতি দিয়েছে, তার পর হরিয়ানার মানুষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এবং এবার দিল্লির মানুষ বিপুল সমর্থন জানিয়েছে আমাদের। বিকশিত ভারতের লক্ষ্য পূরণে দেশের মানুষ কিভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমর্থন জানাচ্ছেন এটা তারই প্রমাণ।

 

বন্ধুগণ,

আপনারা বললেন, আমি মাত্র গত রাতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্স সফর সেরে ফিরেছি। বিশ্বের বড় বড় দেশগুলিই হোক অথবা আন্তর্জাতিক মঞ্চগুলি, ভারতের উপর তাদের আস্থার যে মাত্রা তা অভূতপূর্ব। এটা প্রতিফলিত হয়েছে, প্যারিসে এআই অ্যাকশন সামিটে আলোচনায়। বর্তমানে ভারত ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্র। কয়েকটি ক্ষেত্রে এমনকি এগিয়েও আছে। অনেক সময়ে আমি ভাবি যদি ২০১৪-য় দেশের মানুষ আমাদের আশীর্বাদ না দিতেন, একবার ভাবুন দেখি, যদি ভারতে সংস্কারের নতুন তরঙ্গ না উঠতো, আমরা কি এই রূপান্তর দেখতে পেতাম? আমি মনে করি, না, কিছুতেই না এবং আমি নিশ্চিত আপনারাও অন্য কিছু মনে করছেন না। এত পরিবর্তন হতো? আপনারা যাঁরা হিন্দি বোঝেন, তাঁরা অবশ্যই আমার কথা বুঝতে পারছেন। আগেও দেশে কাজ হতো, কিন্তু তখন ভারত দুটি জিনিসের সাক্ষী থেকেছে। উন্নয়নে কংগ্রেসী গতি এবং দুর্নীতিতে কংগ্রেসী গতি, যদি তাই চলতে থাকতো তাহলে কি হতো? দেশের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হতো। ২০১৪-য় কংগ্রেস সরকার একটা লক্ষ্য স্থির করে যে, ২০৪৪-এর মধ্যে তারা ভারতকে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি করে তুলবে অর্থাৎ তারা ৩০ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে ভাবছিলো। এটাই উন্নয়নে কংগ্রেসী গতি। এবং এখন আপনারা বিকশিত ভারতের উন্নয়নের গতি দেখতেই পারছেন। মাত্র এক দশকে ভারত বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি অর্থনীতির মধ্যে স্থান করে নিয়েছে এবং বন্ধুগণ, আমি পুরো দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠবে। শুধু অঙ্কটা করুন – ২০৪৪ বনাম আজকের গতি। আমাদের মতো একটি তরুণ দেশের এই দ্রুত গতি দরকার এবং আজ ভারত এগোচ্ছে ঠিক সেই গতিতেই!

বন্ধুগণ,

পূর্বেকার সরকারগুলি সংস্কার এড়িয়ে গেছে এবং সেটা আমাদের ভুললে চলবে না। ইটি-র মানুষরা ভুলতে পারেন কিন্তু সেটা আমি তাঁদের মনে করিয়েই দেবো। শেষপর্যন্ত যে সংস্কার অতীতে হয়েছে তা বিশ্বাস থেকে নয়, বাধ্যতা থেকে। বর্তমানে ভারতে যে সংস্কার হচ্ছে তা হচ্ছে বিশ্বাসের সঙ্গে। আগেকার মানসিকতা ছিল – এত খেটে কি হবে? সংস্কার নিয়ে ভেবে কি হবে? আমরা জিতেছি, এসো আনন্দ করি। ৫ বছর পূর্ণ করি এবং নির্বাচন আসলে সেই নিয়ে চিন্তা করি। আপনারা সকলে বাণিজ্য জগতের, আপনারা শুধুমাত্র সংখ্যা নিয়ে কাজ করেন না, আপনারা আপনাদের রণকৌশল পর্যালোচনা করেন, পুরনো পদ্ধতি বাতিল করে দেন। যদিও এক সময়ে তা লাভজনক ছিল। কোনো শিল্পই তামাদি পদ্ধতি নিয়ে এগোতে পারে না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে পূর্বেকার সরকারগুলি ঔপনিবেশিক শাসনের ভার বহন করে চলেছিল। সেইজন্য স্বাধীনতার পরেও ব্রিটিশ যুগের নীতি ও ব্যবস্থা কোনো কিছু না ভেবেই চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আমরা একটা কথা প্রায়ই শুনে থাকি, বিচার পেতে দেরি হওয়া মানে বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়া, এটা একটা পবিত্র মন্ত্রের মতো বলা হয়ে থাকে। আমরা অনেক বছর ধরে এটা শুনে আসছি। কিন্তু কেউ কি গুরুত্ব দিয়ে এটা নিয়ে ভেবেছেন? না। বছরের পর বছর ধরে এই অদক্ষতার সঙ্গে আমরা মানিয়ে নিয়েছি, ফলে আমরা পরিবর্তন যে প্রয়োজন সেটা বোঝাই বন্ধ করে দিয়েছি এবং তারপর এমন একটা পরিমণ্ডল তাদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তো এখানে আজও উপস্থিত আছেন – যেখানে ইতিবাচক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সক্রিয়ভাবেই বন্ধ করে দেওয়া হতো। অগ্রগতি রুখতেই তাঁদের সমস্ত ক্ষমতা ব্যয়িত হতো। কিন্তু গণতন্ত্রে নেতিবাচক বিষয়ে সমালোচনার পাশাপাশি ভালো জিনিস নিয়ে আলোচনা করাটাও জরুরি। তথাপি এমন একটা মানসিকতা তৈরি হয়েছে যেখানে নেতিবাচকতা প্রচার করাকেই বলা হয় গণতন্ত্র এবং যদি ইতিবাচক উন্নয়নকে তুলে ধরা হয় তাহলে সেই গণতন্ত্রকে দুর্বল বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। এই মানসিকতা থেকে মুক্ত হওয়া জরুরি। কয়েকটি উদাহরণ দিই। 

 

বন্ধুগণ,

এই সাম্প্রতিককাল পর্যন্তও ভারতের দণ্ডবিধিগুলি ছিল ১৮৬০-এর। হ্যাঁ, ১৮৬০! দেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু আমরা সেগুলি পরিবর্তনের কথা ভাবিনি। আমরা সেই ঔপনিবেশিক যুগের মানসিকতা নিয়ে থাকা অভ্যাস করে ফেলেছি। এই ১৮৬০-এর আইনগুলির কি কাজ? তাদের লক্ষ্য ছিল ভারতে ব্রিটিশ শাসনকে শক্তিশালী করা এবং ভারতীয় নাগরিকদের শাস্তি দেওয়া। যখন কোনো পদ্ধতি গড়ে ওঠে শান্তি দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে, তখন ন্যায় বিচার হওয়া কিভাবে সম্ভব? সেই কারণে সেই ব্যবস্থায় বছরের পর বছর লাগতো বিচার করতে। আমরা একটা বড় পরিবর্তন করেছি। এটা এতো সহজ ছিল না। অনেক চেষ্টা করতে হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এনেছি। সংসদ তা অনুমোদন করেছে এবং এখন যদিও মাত্র ৭-৮ মাস হলো রূপায়নের পর থেকে কিন্তু পরিবর্তনটা চোখে পড়ছে। খবরের কাগজে এটা আপনারা দেখতে পাবেন না, কিন্তু আপনারা মানুষের মধ্যে যান আপনারা বুঝতে পারবেন। ন্যায় সংহিতা চালু হওয়ার পর বিচার ব্যবস্থা কিভাবে রূপান্তরিত হয়েছে তার কয়েকটি নমুনা দিই। মাত্র ১৪ দিনে তিনটি খুনের একটি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে – এফআইআর থেকে চূড়ান্ত রায়দান পর্যন্ত! দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই রকমই আরেকটি মামলায় নাবালক খুনের ঘটনার নিষ্পত্তি হয়েছে ২০ দিনের মধ্যে। গুজরাটে গণধর্ষণের ঘটনায় ৯ অক্টোবর এফআইআর করা হয়েছিল, চার্জশিট দেওয়া হয় ২৬ অক্টোবর, আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ৫ মাসের এক শিশুর উপর অপরাধে আদালত অভিযুক্তকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এই মামলায় ডিজিটাল সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। অন্য একটি ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সন্দেহভাজনের অনুসন্ধ্যান করা হয় ই-প্রিজন মডিউলের মাধ্যমে। একইরকমভাবে একটি রাজ্যে ধর্ষণ ও খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে যাতে দেখা যায় অভিযুক্ত অন্য একটি অপরাধে অন্য রাজ্যে কারাবন্দী। দেরি না করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরকম অগুন্তি মামলা আছে, যেখানে বিচার হচ্ছে দ্রুত।

বন্ধুগণ,

সম্পত্তির অধিকার ক্ষেত্রে একটি বড় সংস্কার করা হয়েছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সমীক্ষায় দেখা গেছে অনেক দেশে সম্পত্তির অধিকার না থাকাটাই মানুষের জন্য বড় সমস্যা। সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ মানুষের সম্পত্তির আইনি নথি নেই। তবে সম্পত্তির অধিকার পেলে দারিদ্র কমে। পূর্বেকার সরকারগুলি এটা ভাবেনি পর্যন্ত। আর যদিও তারা ভেবে থাকে কে এই মাথাব্যথা ভোগ করবে, কে এই চেষ্টা করবে? যাই হোক না কেন এই ধরনের কাজ তো ইটি-র হেডলাইন হয় না, তাহলে ভেবে লাভকি? এভাবে দেশ চলে না বা দেশ গঠন করা যায় না। এই কারণেই আমরা স্বামিত্ব যোজনার সূচনা করেছি। ৩ লক্ষের বেশি গ্রামে ড্রোন সমীক্ষা চালানো হয়েছে, ২.২৫ কোটির বেশি মানুষ প্রপার্টি কার্ড পেয়েছেন এবং আজ আমি ইটি-কে একটা হেড লাইন দিচ্ছি। আমি জানি স্বামিত্ব নিয়ে লেখা ইটি-র পক্ষে সহজ নয়। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভ্যাসও তো বদলায়!

এই যোজনার কারণে দেশের গ্রামাঞ্চলে ১০০ লক্ষ কোটি টাকা সম্পত্তি মুক্ত হয়েছে। এর অর্থ গ্রামে গ্রামে এই ১০০ লক্ষ কোটি টাকার সম্পত্তি ছিলই এবং তা ছিল গরিবদের। কিন্তু তা অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবহার করা যাচ্ছিল না। যেহেতু গ্রামের মানুষের সম্পত্তির অধিকার ছিল না, তারা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাচ্ছিল না। তবে, এই বিষয়টির স্থায়ী সমাধান করা হয়েছে। আজ সারা দেশ থেকে যে রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে, তাতে এই যোজনার প্রপার্টি কার্ড মানুষের উপকার করছে। এই তো কয়েকদিন আগে রাজস্থানের এক বোনের সঙ্গে কথা বললাম যে এই কর্মসূচিতে প্রপার্টি কার্ড পেয়েছে। তার পরিবার ২০ বছর ধরে বাস করছে একটি ছোট বাড়িতে। তারা যেই প্রপার্টি কার্ড পেয়েছে, তারা ব্যাঙ্ক থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঋণ পেতে সক্ষম হয়। সেই টাকা দিয়ে সে একটি দোকান খুলেছে এবং সেখান থেকে হওয়া উপার্জনে তার পরিবার, ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষা চালাতে পারছে। এইভাবেই পরিবর্তন ঘটেছে। অন্য একটি রাজ্যে গ্রামের একজন তার প্রপার্টি কার্ড ব্যবহার করে ব্যাঙ্ক থেকে ৪.৫ লক্ষ টাকা ঋণ পেয়েছেন। সেই টাকা নিয়ে সে একটি গাড়ি কিনেছে এবং শুরু করেছে পরিবহণের ব্যবসা। আরেকটি গ্রামে প্রপার্টি কার্ড দেখিয়ে ঋণ পেয়েছে এবং ক্ষেতে আধুনিক সেচের ব্যবস্থা করেছে। এরকম অনেক উদাহরণ আছে। যেখানে গ্রামবাসী এবং দরিদ্র মানুষের জন্য নতুন উপার্জনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এটাই রিফর্ম, পারফর্ম এবং ট্রান্সফর্মের প্রকৃত কাহিনী – যে কাহিনী কোনো খবরের কাগজ বা টিভি চ্যানেলে হেড লাইন হয় না।

 

বন্ধুগণ,

স্বাধীনতার পরে আমাদের দেশে অনেক জেলা ছিল যেখানে সরকার উন্নয়ন আনতে ব্যর্থ। এটা প্রশাসনের ব্যর্থতা – বাজেটের অভাব নয়। তহবিল বরাদ্দ করা হতো, ঘোষণা করা হতো, শেয়ার মার্কেটে রিপোর্টও বেরতো সূচকের ওঠানামা নিয়ে। কিন্তু এইসব জেলাগুলিতে একটা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা উচিত ছিল, বদলে এই জেলাগুলিকে অনগ্রসর জেলা বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং তাদের ভাগ্য তাদের হাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কেউ তাদের জন্য কাজ করতে ইচ্ছুক ছিল না। এমনকি যেসমস্ত সরকারি আধিকারিক সেখানে বদলি হতেন, তাঁরাও সেটাকে ভাবতেন শাস্তিমূলক বদলি।

বন্ধুগণ,

এইসব নেতিবাচকতার মধ্যে আমি এই সমস্যাগুলির সরাসরি মুখোমুখি হই এবং সম্পূর্ণ বদলে দিই মনোভাব। আমরা সারা দেশে ১০০টির বেশি জেলাকে চিহ্নিত করেছি, যাদের এক সময়ে বলা হতো অনগ্রসর জেলা। কিন্তু আমি তাদের বলি প্রত্যাশী জেলা – অনগ্রসর নয়। আমরা এইসব জেলায় তরুণ আধিকারিকদের পাঠানো শুরু করি এবং তৃণমূল স্তরে প্রশাসনের উন্নতিতে কাজ করি। আমরা সেইসব বিষয়ে নজর দিই যেসব বিষয়ে এই জেলাগুলি পিছিয়ে। তারপর আমরা সেইসব এলাকায় বিশেষ শিবির বসিয়ে সরকারের ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচিগুলি রূপায়ণ করি। আজ এইসব প্রত্যাশী জেলাগুলির অনেকগুলিই প্রেরণাদায়ী জেলা হয়ে উঠেছে। 

আমি আসামের কয়েকটি প্রত্যাশী জেলা নিয়ে বলতে চাই – সেগুলি যেগুলিকে অনগ্রসর আখ্যা দিয়েছিল পূর্বেকার সরকারগুলি – আমি তাদের রূপান্তর তুলে ধরতে চাই। উদাহরণস্বরূপ আসামের বরপেটা জেলাই ধরুন। ২০১৮-য় প্রাথমিক স্কুলের ২৬ শতাংশতেই মাত্র ঠিকঠাক শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত ছিল। মাত্র ২৬ শতাংশ। আজ ওই জেলায় সংখ্যাটা পৌঁছেছে ১০০ শতাংশে। প্রতিটি স্কুলেই প্রত্যাশিত শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত রয়েছে। একইরকমভাবে বিহারের বেগুসরাইতে বাজেট এবং অন্যান্য সুবিধা থাকা সত্ত্বেও মাত্র ২১ শতাংশ গর্ভবতী মহিলা অতিরিক্ত পুষ্টি পাচ্ছিলেন। উত্তরপ্রদেশের চন্দাউলিতে ওই সংখ্যা এমনকি ১৪ শতাংশেরও কম। কিন্তু ওই দুটি জেলাতেই এখন সংখ্যাটি পৌঁছেছে ১০০ শতাংশে। আমরা শিশুদের টিকাকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটিয়েছি। উত্তরপ্রদেশের শ্রাবস্তিতে টিকাকরণ ৪৯ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৬ শতাংশ। তামিলনাড়ুর রামনাথাপুরমে ৬৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৩ শতাংশ। এইসব সাফল্য দেখে আমরা বুঝেছি যে তৃণমূল স্তরে রূপান্তরের এই মডেল সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। তাই ১০০টি প্রত্যাশী জেলাকে চিহ্নিত করে এবং তাদের নিয়ে কাজ করে আমরা পরবর্তী স্তরে এই কাজ শুরু করেছি। আমরা ৫০০টি প্রত্যাশী ব্লককে চিহ্নিত করেছি, যেখানে আমরা দ্রুত উন্নয়নে জোর দিচ্ছি। একবার ভাবুন তো – যখন এই ৫০০টি ব্লকের মৌলিক উন্নতি হবে, তখন সারা দেশের উন্নয়নের সূচকও বদলাবে। 

বন্ধুগণ,

এখানে আমাদের মধ্যে অনেক শিল্পপতি আছেন। আপনারা কয়েক দশকের সাক্ষী থেকেছেন এবং আপনারা দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবসা বাণিজ্য করছেন। আপনারা অনেক দিন ধরেই ভারতে একটা পছন্দের বাণিজ্য পরিবেশ চেয়েছেন। এখন ভাবুন আমরা ১০ বছর আগে কোথায় ছিলাম, আর এখন কোথায় আছি। এক দশক আগে ভারতের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা ছিল সঙ্কটে। এটি ছিল ভঙ্গুর। লক্ষ লক্ষ ভারতীয় প্রথাগত ব্যাঙ্কিং নেটওয়ার্কের বাইরে ছিল। এই তো জন ধন অ্যাকাউন্ট নিয়ে বিনীতজি যা বললেন, ভারত অন্যতম দেশ যেখানে ঋণ পাওয়া দূরুহ ছিল।

 

বন্ধুগণ,

আমরা ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে একসঙ্গে বিবিধ স্তরে কাজ করেছি। আমাদের রণকৌশল : যারা ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত নয়, তাদের ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত করা, অনিশ্চিতকে নিশ্চিত করা এবং যাদের অর্থ নেই তাদের অর্থ দেওয়া। ১০ বছর আগে বক্তব্য ছিল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি অসম্ভব। কারণ ব্যাঙ্কের যথেষ্ট শাখা নেই। কিন্তু আজ ভারতের প্রত্যেকটি গ্রামে ৫ কিলোমিটারের মধ্যে ব্যাঙ্কের একটি শাখা বা ব্যাঙ্কিং দূত আছে। কিভাবে ঋণ পাওয়ার সুবিধার উন্নতি হয়েছে তার একটি উদাহরণ মুদ্রা যোজনা। এতে ৩২ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে তাদেরকে যারা পুরনো ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় ঋণ পাওয়ার যোগ্য ছিল না। এটা একটা বড় পরিবর্তন। এমএসএমই ক্ষেত্রেও ঋণ পাওয়া এখন আরও সহজ হয়েছে। বর্তমানে স্ট্রিট ভেন্ডাররাও কোনো কিছু গচ্ছিত না রেখে ঋণ পাচ্ছেন। কৃষি ঋণ দ্বিগুণ হয়েছে। আমরা যে শুধুমাত্র বড় বড় অঙ্কের বেশি করে ঋণ দিচ্ছি তাই নয়, এটাও নিশ্চিত করছি যাতে ব্যাঙ্কগুলি লাভজনক থাকে। এক দশক আগে ইকনোমিক টাইমস ব্যাঙ্ক দুর্নীতিকে হেড লাইন করতো। অনুৎপাদক সম্পত্তির হিসেব করতো। সম্পাদকীয়তে আমাদের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার ভঙ্গুরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হতো। আর এখন কি প্রকাশিত হচ্ছে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছে! বন্ধুগণ, এটা শুধু হেড লাইনের পরিবর্তন নয়, এটা একটি ব্যবস্থার পরিবর্তন, ব্যাঙ্কিং সংস্কারের মাধ্যমে। এতে প্রমাণ হয় আমাদের অর্থনীতির স্তম্ভগুলি আগের থেকে অনেক শক্ত হচ্ছে। 

বন্ধুগণ,

গত দশকে আমরা ব্যবসা করার আতঙ্ককে ব্যবসা করার সুবিধায় পরিণত করেছি। জিএসটি নিয়ে ভারত এখন এককভাবে বৃহৎ বাজার, যা শিল্পকে উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য করেছে। আমাদের অভূতপূর্ব পরিকাঠামো উন্নয়ন লজিস্টিক খরচ কমিয়েছে, বাড়িয়েছে কার্যকারিতা। আমরা অনেক অপ্রয়োজনীয় বাধ্যবাধকতা দূর করেছি এবং এখন জনবিশ্বাস ২.০-এর মাধ্যমে আরও কিছু কমাচ্ছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সরকারের হস্তক্ষেপ কমানো উচিত। এটা পাওয়ার জন্য আমরা বিধিগুলিকে আরও সহজ করতে ডি রেগুলেশন কমিশনও গঠন করছি। 

বন্ধুগণ,

বর্তমানে ভারত আরও একটি বড় রূপান্তরের সাক্ষী থাকছে। যা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করছে। যখন প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়, ভারত তখন ঔপনিবেশিক শাসনের গভীরে ডুবছিল। দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময়ে যখন বিশ্ব নতুন নতুন উদ্ভাবন ও কারখানার সাক্ষী থাকছিল তখন ভারতের স্থানীয় শিল্পকে ধ্বংস করা হচ্ছিল। কাঁচা মাল ভারতের বাইরে রপ্তানি করা হচ্ছিল। এমনকি স্বাধীনতার পরেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। যখন বিশ্ব কম্পিউটার বিপ্লবের দিকে এগোচ্ছিল, তখন ভারতীয়দের একটি কম্পিউটার কিনতে লাইসেন্সের প্রয়োজন হতো। ভারত প্রথম তিনটি শিল্প বিপ্লবের সুযোগ নিতে পারেনি। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে আমরা বিশ্বের পাশাপাশি এগিয়ে যেতে প্রস্তুত!

 

বন্ধুগণ,

‘বিকশিত ভারত’ হয়ে ওঠার যাত্রা পথে, বেসরকারি ক্ষেত্রকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে মনে করে আমাদের সরকার। বেসরকারি অংশগ্রহণের জন্য অনেকগুলি নতুন ক্ষেত্রকে উন্মুক্ত করেছে সরকার। যেমন মহাকাশ ক্ষেত্র। বর্তমানে অনেক তরুণ উদ্যোগপতি এবং স্টার্টআপ এই মহাকাশ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। একইরকমভাবে ড্রোন ক্ষেত্রে যা একসময়ে সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ ছিল, এখন তরুণদের কাছে অনেক সুযোগ এনে দিয়েছে। আমরা বেসরকারি সংস্থার জন্য বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলনের সুযোগ দিচ্ছি, যাতে নিলাম আরও সর্বজনীন হয়। পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে দেশের সাফল্যে বড় ভূমিকা নিয়েছে বেসরকারি ক্ষেত্র এবং এখন কার্যকারিতা বাড়াতে বিদ্যুৎ বিতরণ ক্ষেত্রে বেসরকারি অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এবছরের বাজেটে সবচেয়ে বড় সংস্কারটি হলো এই, যা আগে কেউ কখনো করেনি। আমরা পরমাণু ক্ষেত্রটিকেও বেসরকারি অংশগ্রহণকারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি।

বন্ধুগণ,

আজ আমাদের রাজনীতিও কাজের ভিত্তিতে হচ্ছে। ভারতের মানুষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যারা মাটির সঙ্গে যুক্ত এবং প্রকৃত ফল দেবে তারাই থাকবে। মানুষের সমস্যা নিয়ে ভাবতে হবে একটি সরকারকে। সেটাই সুপ্রশাসনের প্রথম শর্ত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের আগে যারা নীতি তৈরি করতো তাদের প্রকৃত পরিবর্তন আনার মতো মানসিকতা এবং ইচ্ছা ছিল না। তবে আমাদের সরকার সহানুভূতির সঙ্গে মানুষের সমস্যা শুনেছে এবং দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছে দায়বদ্ধতার সঙ্গে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে গত দশকে নাগরিকদের ক্ষমতায়ন এবং তাদের মৌলিক সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কারণে ২৫ কোটি ভারতীয় দারিদ্র সীমার উপরে উঠে এসেছেন। এই বড় পরিবর্তন একটি নব্য মধ্যবিত্ত শ্রেণী সৃষ্টি করেছে। যারা এখন তাদের প্রথম দ্বিচক্রযানটি, প্রথম গাড়িটি এবং প্রথম বাড়িটি কিনতে চায়। এই মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে সাহায্য করতে আমরা এবছরের বাজেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করেছি। আমরা কর রেহাইয়ের ঊধ্বসীমা বাড়িয়ে ৭ লক্ষ টাকা থেকে ১২ লক্ষ টাকা করেছি। এই সিদ্ধান্তে মধ্যবিত্ত শ্রেণী শক্তিশালী হবে এবং দেশজুড়ে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি করবে। এটা তখনই সম্ভব যখন সরকার মানুষের প্রয়োজন মেটাতে অতিসক্রিয় এবং সংবেদনশীল হয়।

বন্ধুগণ,

‘বিকশিত ভারত’ গঠিত হবে আস্থার ভিত্তিতে – নাগরিকদের আস্থার ভিত্তিতে - নাগরিকদের সরকারের এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা। আস্থার এই উপাদানটি এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়। আমাদের সরকার মানুষের মধ্যে এই আস্থা জোরদার করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। আমরা উদ্ভাবকদের জন্য এমন একটি আস্থাবর্ধক পরিবেশ তৈরি করছি যেখানে তারা তাদের ভাবনাকে খোলাখুলিভাবে প্রয়োগ করতে পারবে। আমরা নিশ্চিত করছি যাতে ব্যবসাবাণিজ্য সুস্থায়ী এবং উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট সহায়ক নীতির উপর বিশ্বাস করতে পারে। আমার আশা, এই ইটি নাও সামিট এই আস্থা আরও বাড়াবে। এই কথাগুলি বলে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি। আপনাদের সকলকে অনেক শুভেচ্ছা। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

প্রধানমন্ত্রীর মূল ভাষণটি হিন্দিতে।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress

Media Coverage

Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
This is the New India that leaves no stone unturned for development: PM Modi
March 23, 2026
Today, India is moving forward with a new confidence; Now India faces challenges head-on: PM
From the Gulf to the Global West and from the Global South to neighbouring countries, India is a trusted partner for all: PM
What gets measured gets improved and ultimately gets transformed: PM
This is the new India, It is leaving no stone unturned for development: PM

नमस्कार!

पिछले कुछ समय में मुझे एक-दो बार टीवी9 भारतवर्ष देखने का मौका मिला है। नॉर्मली भी युद्धों और मिसाइलों पर आपका बहुत फोकस होता है और आजकल तो आपको कंटेंट की ओवरफीडिंग हो रही है। बड़े-बड़े देश टीवी9 को इतना सारा कंटेंट देने पर तुले हुए हैं, लेकिन On a Serious Note, आज विश्व जिन गंभीर परिस्थितियों से गुजर रहा है, वो अभूतपूर्व है और बेहद गंभीर है। और इन स्थितियों के बीच, आज टीवी-9 नेटवर्क ने विचारों का एक बेहद महत्वपूर्ण मंच बनाया है। आज इस समिट में आप सभी India and the world, इस विषय पर चर्चा कर रहे हैं। मैं आप सबको बधाई देता हूं। इस समिट के लिए अपनी शुभकामनाएं देता हूं। सभी अतिथियों का अभिनंदन करता हूं।

साथियों,

आज जब दुनिया, conflicts के कारण उलझी हुई है, जब इन conflicts के दुष्प्रभाव पूरी दुनिया पर दिख रहे हैं, तब India and the world की बात करना बहुत ही प्रासंगिक है। भारत आज वो देश है, जिसकी अर्थव्यवस्था तेजी से आगे बढ़ रही है। 2014 के पहले की स्थितियों को पीछे छोड़कर के आज भारत एक नए आत्मविश्वास के साथ आगे बढ़ रहा है। अब भारत चुनौतियों को टालता नहीं है बल्कि चुनौतियों से टकराता है। आप बीते 5-6 साल में देखिए, कोरोना की महामारी के बाद चुनौतियां एक के बाद एक बढ़ती ही गई हैं। ऐसा कोई साल नहीं है, जिसने भारत की, भारतीयों की परीक्षा न ली हो। लेकिन 140 करोड़ देशवासियों के एकजुट प्रयास से भारत हर आपदा का सामना करते हुए आगे बढ़ रहा है। इस समय युद्ध की परिस्थितियों में भी भारत की नीति और रणनीति देखकर, भारत का सामर्थ्य देखकर दुनिया के अनेकों देश हैरान हैं। हमारे यहां कहावत है, सांच को आंच नहीं। 28 फरवरी से दुनिया में जो उथल-पुथल मची है, इन कठोर विपरीत परिस्थितियों में भी भारत प्रगति के, विकास के, विश्वास के संकल्प के साथ आगे बढ़ रहा है। इन 23 दिनों में भारत ने अपनी Relationship Building Capacity दिखाई है, Decision Making Capacity दिखाई है और Crisis Management Capacity दिखाई है।

साथियों,

आज जब दुनिया इतने सारे खेमों में बंटी हुई है, भारत ने अभूतपूर्व और अकल्पनीय bridges बनाए हैं। Gulf से लेकर Global West तक, Global South से लेकर पड़ोसी देशों तक भारत सभी का trusted partner है। कुछ लोग पूछते हैं, हम किसके साथ हैं? तो उनको मेरा जवाब यही है कि हम भारत के साथ हैं, हम भारत के हितों के साथ हैं, शांति के साथ हैं, संवाद के साथ हैं।

साथियों,

संकट के इसी समय में जब global supply chains डगमगा रही हैं, भारत ने diversification और resilience का मॉडल पेश किया है। Energy हो, fertilizers हों या essential goods अपने नागरिकों को कम से कम परेशानी हो, इसके लिए भारत ने निरंतर प्रयास किया है और आज भी कर रहे है।

साथियों,

जब राष्ट्रनीति ही राजनीति का मुख्य आधार हो, तब देश का भविष्य सर्वोपरि होता है। लेकिन जब राजनीति में व्यक्तिगत स्वार्थ हावी हो जाता है, तब लोग देश के फ्यूचर के बजाय अपने फ्यूचर के बारे में सोचते हैं। आप ज़रा याद कीजिए 2004 से 2010 के बीच क्या हुआ था? तब कांग्रेस सरकार के समय पेट्रोल-डीजल और गैस की कीमतों का संकट आया था और तब कांग्रेस ने देश की नहीं बल्कि अपनी सत्ता की चिंता की। उस वक्त कांग्रेस ने एक लाख अड़तालीस हज़ार करोड़ रुपए के ऑयल बॉन्ड जारी किए थे और प्रधानमंत्री मनमोहन सिंह जी ने खुद कहा था कि वो आने वाली पीढ़ी पर कर्ज का बोझ डाल रहे हैं। यह जानते हुए भी कि ऑयल बॉन्ड का फैसला गलत है, जो रिमोट कंट्रोल से सरकार चला रहे थे, उन लोगों ने अपनी सत्ता बचाने के लिए यह गलत निर्णय किया क्योंकि जवाबदेही उस समय नहीं होनी थी, उस बॉन्ड पर री-पेमेंट 2020 के बाद होनी थी।

साथियों,

बीते 5-6 वर्षों में हमारी सरकार ने कांग्रेस सरकार के उस पाप को धोने का काम किया है, और इस धुलाई का खर्चा कम नहीं आया है, ऐसी लाँड्री आपने देखी नहीं होगी। 1 लाख 48 हज़ार करोड़ रुपए की जगह, देश को 3 लाख करोड़ रुपए से अधिक की पेमेंट करनी पड़ी क्योंकि इसमें ब्याज भी जुड़ गया था। यानी हमने करीब-करीब दोगुनी राशि चुकाने के लिए मजबूर हुए। आजकल कांग्रेस के जो नेता बयानों की मिसाइलें दाग रहे हैं, मिसाइल आई तो टीवी9 को मजा आएगा, उनकी इस विषय का जिक्र आते ही बोलती बंद हो जाती है।

साथियों,

पश्चिम एशिया में बनी परिस्थितियों पर मैंने आज लोकसभा में अपना वक्तव्य दिया है। दुनिया में जहां भी युद्ध हो रहे हैं, वो भारत की सीमा से दूर हैं। लेकिन आज की व्यवस्थाओं में कोई भी देश युद्धों से दुष्प्रभाव से दूर रहे, ऐसा संभव नहीं होता। अनेक देशों में तो स्थिति बहुत गंभीर हो चुकी है। और इन हालातों में हम देख रहे हैं कि राजनीतिक स्वार्थ से भरे कुछ लोग, कुछ दल, संकट के इस समय में भी अपने लिए राजनीतिक अवसर खोज रहे हैं। इसलिए मैं टीवी9 के मंच से फिर कहूंगा, यह समय संयम का है, संवेदनशीलता का है। हमने कोरोना महासंकट के दौरान भी देखा है, जब देशवासी एकजुट होकर संकट का सामना करते हैं, तो कितने सार्थक परिणाम आते हैं। इसी भाव के साथ हमें इस युद्ध से बनी परिस्थितियों का सामना करना है।

साथियों,

दुनिया की हर उथल-पुथल के बीच, भारत ने अपनी प्रगति की गति को भी बनाए रखा है। अगर मैं 28 फरवरी को युद्ध शुरू होने के बाद, बीते 23 दिनों का ही ब्यौरा दूं, तो पूरब से पश्चिम तक, उत्तर से दक्षिण तक देश में हजारों करोड़ के डेवलपमेंट प्रोजेक्ट्स का काम हुआ है। दिल्ली मेट्रो रेल के महत्वपूर्ण कॉरिडोर्स का लोकार्पण, सिलचर का हाई स्पीड कॉरिडोर का शिलान्यास, कोटा में नए एयरपोर्ट का शिलान्यास, मदुरै एयरपोर्ट को इंटरनेशनल एयरपोर्ट का दर्जा देना, ऐसे अनेक काम बीते 23 दिनों में ही हुए हैं। बीते एक महीने के दौरान ही औद्योगिक विकास को गति देने के लिए भव्य स्कीम को मंजूरी दी गई है। इसके तहत देशभर में 100 plug-and-play industrial parks विकसित किए जाएंगे। देश में Small Hydro Power Development Scheme को भी हरी झंडी दी गई है। इससे आने वाले वर्षों में 1,500 मेगावाट नई hydro power capacity जोड़ी जाएगी। इसी दौरान जल जीवन मिशन को साल 2028 तक बढ़ाने का निर्णय लिया गया है। किसानों के हित में भी अनेक बड़े निर्णय लिए गए हैं। बीते एक महीने में ही पीएम किसान सम्मान निधि के तहत 18 हजार करोड़ रुपए से अधिक सीधे किसानों के खातों में ट्रांसफर किए गए हैं। और जो हमारे MSMEs हैं, जो हमारे निर्यातक हैं, उनके लिए भी करीब 500 करोड़ रुपए के राहत पैकेज की भी घोषणा की गई है। यह सारे कदम इस बात का प्रमाण हैं कि विकसित भारत बनाने के लिए देश कितनी तेज गति से काम कर रहा है।

साथियों,

Management की दुनिया में एक सिद्धांत कहा जाता है - What gets measured, gets managed. लेकिन मैं इसमें एक बात और जोड़ना चाहता हूं, What gets measured, gets improved और ultimately, gets transformed. क्योंकि आकलन जागरूकता पैदा करता है। आकलन जवाबदेही तय करता है और सबसे महत्वपूर्ण आकलन संभावनाओं को जन्म देता है।

साथियों,

अगर आप 2014 से पहले के 10-11 साल और 2014 के बाद के 10-11 साल का आप आकलन करेंगे, तो यही पाएंगे कि कैसे इसी सिद्धांत पर चलते हुए, भारत ने हर सेक्टर को Transform किया है। जैसे पहले हाईवे बनते थे, करीब 11-12 किलोमीटर प्रति दिन की रफ्तार से, आज भारत करीब 30 किलोमीटर प्रतिदिन की स्पीड से हाईवे बना रहा है। पहले पोर्ट्स पर शिप का Turnaround Time, 5-6 दिन का होता था। आज वही काम, करीब-करीब 2 दिन से भी कम समय में पूरा हो रहा है। पहले Startup Culture के बारे में चर्चा ही नहीं होती थी। 2014 से पहले, हमारे देश में 400-500 स्टार्ट अप्स ही थे। आज भारत में 2 लाख से ज्यादा रजिस्ट्रर्ड स्टार्ट अप्स हैं। पहले मेडिकल education में सीटें भी सीमित थीं, करीब 50-55 हजार MBBS seats थीं, आज यह बढ़कर सवा लाख से ज्यादा हो चुकी हैं। पहले देश के Banking system से भी करोड़ों लोग बाहर थे। देश में सिर्फ 25 करोड़ के आसपास ही बैंक account थे। वहीं जनधन योजना के माध्यम से 55 करोड़ से ज्यादा बैंक अकाउंट खुले हैं। पहले हमारे देश में airports की संख्या भी 70 से कम थी। आज एयरपोर्ट्स की संख्या भी बढ़कर 160 से ज्यादा हो चुकी है।

साथियों,

पहले भी योजनाएं तो बनती थीं, लेकिन आज फर्क है, आज परिणाम दिखते हैं। पहले गति धीमी थी, आज भारत fastrack पर है। पहले संभावनाएं भी अंधकार में थीं, आज संकल्प सिद्धियों में बदल रहे हैं। इसलिए दुनिया को भी यह संदेश मिल रहा है कि यह नया भारत है। यह अपने विकास के लिए कोई कोर-कसर बाकी नहीं छोड़ रहा है।

साथियों,

आज हमारा प्रयास है कि अतीत में विकास का जो असंतुलन पैदा हो गया था, उसको अवसरों में बदला जाए। अब जैसे हमारा पूर्वी भारत है। हमारा पूर्वी भारत संसाधनों से समृद्ध है, दशकों तक वहां जिन्होंने सरकारें चलाई हैं, उनकी उपेक्षा ने पूर्वी भारत के विकास पर ब्रेक लगा दी थी। अब हालात बदल रहे हैं। जिस असम में कभी गोलियों की आवाज सुनाई देती थी, आज वहां सेमीकंडक्टर यूनिट बन रही है। ओडिशा में सेमीकंडक्टर से लेकर पेट्रोकेमिकल्स तक अनेक नए-नए सेक्टर का विकास हो रहा है। जिस बिहार में 6-7 दशक में गंगा जी पर एक बड़ा पुल बन पाया था एक, उस बिहार में पिछले एक दशक में 5 से ज्यादा नए पुल बनाए गए हैं। यूपी में कभी कट्टा मैन्युफैक्चरिंग की कहानियां कही जाती थीं, आज यूपी, मोबाइल फोन मैन्युफैक्चरिंग में दुनिया में अपनी पहचान बना रहा है।

साथियों,

पूर्वी भारत का एक और बड़ा राज्य पश्चिम बंगाल है। पश्चिम बंगाल, एक समय में भारत के कल्चर, एजुकेशन, इंडस्ट्री और ट्रेड का हब होता था। बीते 11 वर्षों में केंद्र सरकार ने पश्चिम बंगाल के विकास के लिए बड़ी मात्रा में निवेश किया है। लेकिन दुर्भाग्य से, आज वहां एक ऐसी निर्मम सरकार है, जो विकास पर ब्रेक लगाकर बैठी है। TV9 बांग्ला के जो दर्शक हैं, वो जानते हैं कि बंगाल में आयुष्मान योजना पर निर्मम सरकार ने ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम आवास योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। चाय बागान श्रमिकों के लिए शुरू हुई योजना के लिए ब्रेक लगाया हुआ है। यानी विकास और जनकल्याण से ज्यादा प्राथमिकता निर्मम सरकार अपने राजनीतिक स्वार्थ को दे रही है।

साथियों,

देश में इस तरह की राजनीति की शुरुआत जिस दल ने की है, वो अपने गुनाहों से बच नहीं सकती और वो पार्टी है - कांग्रेस। कांग्रेस पार्टी की राजनीति का एक ही लक्ष्य रहा है, किसी भी तरह विकास का विरोध और कांग्रेस यह तब से कर रही है, जब मैं गुजरात में था। गुजरात में वर्षों तक जनता ने हमें आशीर्वाद दिया, तो कांग्रेस ने उस जनादेश को स्वीकार नहीं किया। उन्होंने गुजरात की छवि पर सवाल उठाए, उसकी प्रगति को कटघरे में खड़ा किया और जब यही विश्वास पूरे देश में दिखाई दिया, तो कांग्रेस का विरोध भी रीजनल से नेशनल हो गया।

साथियों,

जब राजनीति में विरोध, विकास के विरोध में बदल जाए, जब आलोचना देश की उपलब्धियों पर सवाल उठाने लगे, तब यह सिर्फ सरकार का विरोध नहीं रह जाता, यह देश की प्रगति से असहज होने की मानसिकता बन जाती है। आज कांग्रेस इसी मानसिकता की गुलाम बन चुकी है। आज स्थिति यह है कि देश की हर सफलता पर प्रश्न उठाया जाता है, हर उपलब्धि में कमी खोजी जाती है और हर प्रयास के असफल होने की कामना की जाती है। कोविड के समय, देश ने अपनी वैक्सीन बनाई, तो कांग्रेस ने उस पर भी संदेह जताया। Make in India की बात हुई, तो कहा गया कि यह सफल नहीं होगा, बब्बर शेर कहकर इसका मजाक उड़ाया गया। जब देश में डिजिटल इंडिया अभियान शुरू हुआ, तो उसका मजाक उड़ाया गया। लेकिन हर बार यह कांग्रेस का दुर्भाग्य और देश का सौभाग्य रहा कि भारत ने हर चुनौती को सफलता में बदला। आज भारत दुनिया की सबसे बड़ी वैक्सीनेशन ड्राइव का उदाहरण है। भारत डिजिटल पेमेंट्स में दुनिया का अग्रणी देश है। भारत मैन्युफैक्चरिंग और स्टार्टअप्स में नई ऊंचाइयों को छू रहा है।

साथियों,

लोकतंत्र में विरोध जरूरी होता है। लेकिन विरोध और विद्वेष के बीच एक रेखा होती है। सरकार का विरोध करना लोकतांत्रिक अधिकार है। लेकिन देश को बदनाम करना, यह कांग्रेस की नीयत पर सवाल खड़ा करता है। जब विरोध इस स्तर तक पहुंच जाए कि देश की उपलब्धियां भी असहज करने लगें, तो यह राजनीति नहीं, यह दृष्टिकोण की समस्या है। अभी हमने ग्लोबल AI समिट में भी देखा है। जब पूरी दुनिया भारत में जुटी हुई थी, तो कांग्रेस के लोग कपड़े फाड़ने वहां पहुंच गए थे। इन लोगों को देश की इज्जत की कितनी परवाह है, यह इसी से पता चलता है। इसलिए आज आवश्यकता है कि देशहित को, दलहित से ऊपर रखा जाए क्योंकि अंत में राजनीति से ऊपर, राष्ट्र होता है, राष्ट्र का विकास होता है।

साथियों,

आज का यह दिन भी हमें यही प्रेरणा देता है। आज के ही दिन शहीद भगत सिंह, शहीद राजगुरु और शहीद सुखदेव ने देश के लिए सर्वोच्च बलिदान दिया था। आज ही, समाजवादी आंदोलन के प्रखर आदर्श डॉ. राम मनोहर लोहिया जी की जयंती भी है। यह वो प्रेरणाएं हैं, जिन्होंने देश को हमेशा स्व से ऊपर रखा है। देशहित को सबसे ऊपर रखने की यही प्रेरणा, भारत को विकसित भारत बनाएगी। यही प्रेरणा भारत को आत्मनिर्भर बनाएगी। मुझे पूरा विश्वास है कि टीवी9 की यह समिट भी भारत के आत्मविश्वास और दुनिया के भरोसे पर, भारतीयों पर जो भरोसा है, उस भरोसे को और सशक्त करेगी। आप सभी को मेरी तरफ से बहुत-बहुत शुभकामनाएं हैं और आपके बीच आने का अवसर दिया, आप सबसे मिलने का मौका लिया, इसलिए बहुत-बहुत धन्यवाद!

नमस्‍कार!