In politics, there are no full stops; your experience and contribution will forever remain a part of the nation’s life: PM
There is much to learn from these senior leaders about staying entirely committed to the responsibilities given by society: PM
The legacy here is a continuous process that enriches our parliamentary system: PM
Parliamentary system gains immense strength from the concept of a second opinion; This second opinion is a massive contribution to our democracy that we must cherish: PM
The six years spent here are invaluable for shaping one's contribution to the nation and for self-growth: PM
The invaluable contributions of the retiring members to nation-building would continue to be felt whether they serve within the formal system or through independent social work: PM

এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আমাকে বক্তব্য রাখার যে সুযোগ আপনারা আমাকে দিয়েছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

মাননীয় সভাপতি,

এই সংসদে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রত্যেকেরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, এবং কিছু মধুর-তিক্ত অভিজ্ঞতাও আছে। কিন্তু আজ, যখন এমন এক সময়ে আমরা উপস্থিত হয়েছি, যখন দলীয় ভেদাভেদ ভুলে আমাদের সকলের মধ্যেই স্বাভাবিকভাবেই অভিন্ন এক অনুভূতি হচ্ছে। আমাদের এই সহকর্মীরা এখন অন্য কোনো বিশেষ কাজের সঙ্গে যুক্ত হবেন। যাঁরা এখান থেকে বিদায় নিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ আবার ফিরেও আসবেন, এবং কেউ কেউ যাওয়ার পর এখানকার অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়ে সামাজিক জীবনে বিশেষ অবদান রাখতে চলেছেন। যাঁরা চলে যাচ্ছেন কিন্তু আর ফিরবেন না, তাঁদেরকে আমি একটা কথা বলতে চাই,  রাজনীতিতে কিন্তু কোনো পূর্ণচ্ছেদ হয় না। ভবিষ্যৎ আপনাদের জন্যও অপেক্ষা করছে, এবং আপনাদের অভিজ্ঞতা ও অবদান দেশ সর্বদা মনে রাখবে। 

মাননীয় সভাপতি,

এই সংসদে, আমাদের যে সব মাননীয় সদস্য আজ বিদায় নিচ্ছেন—তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এমন সময়ে সংসদ থেকে বিদায় নেবেন, যখন  অধিবেশন চলবে না, তাই এই সংসদের এই অধিবেশন চলার সময়েই বিদায় জানানো হচ্ছে। তবে, এই সব বিদায়ী সাংসদরা অসামান্য অবদান রেখেছেন। শ্রদ্ধেয় দেবেগৌড়াজি, শ্রদ্ধেয় খাড়গেজি এবং শ্রদ্ধেয় শারদ পাওয়ারজি—এই প্রবীণ ব্যক্তিত্বরা, তাঁদের জীবনের অর্ধেকেরও বেশি সময় সংসদীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তাঁদের বিপুল অভিজ্ঞতা থেকে নতুন সাংসদের শেখা উচিৎ। নিষ্ঠা সহকারে সংসদে আসা, নিজেদের সাধ্যমতো অবদান রাখা এবং সমাজ তাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেই কাজের প্রতি সম্পূর্ণরূপে দায়বদ্ধ থাকা — এই প্রবীণ সদস্যদের কাছ থেকে আমাদের সকলেরই শেখা উচিৎ। আমি তাঁদের ভূমিকার আন্তরিক প্রশংসা করি, কারণ এত দীর্ঘ এক কার্যকাল তো সামান্য কোন বিষয় নয়; এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ডেপুটি চেয়ারম্যান, হরিবংশজিও বিদায় নিচ্ছেন। হরিবংশজি এই সংসদে দীর্ঘদিন কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি অত্যন্ত নম্রভাষী এবং সংসদ পরিচালনায় সকলের আস্থা অর্জনের জন্য সব সময় চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। আমি লক্ষ্য করেছি যে, সংকটের সময়ে ডেপুটি চেয়ারম্যানকে প্রায়শই বলতে হত, "দয়া করে নিজের দায়িত্ব পালন করুন।" তাঁর যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে এবং তিনি সবাইকে ভালোভাবে চেনেন। এবং যখন অধিবেশন থাকে না, আমি দেখেছি তিনি তখন দেশের প্রতিটি কোণে যুবসম্প্রদায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাদের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগিয়ে তোলেন। এটাও একটা নিরন্তর কাজ। তার কলম যথেষ্ট শক্তিশালী, একজন কঠোর পরিশ্রমী মানুষ হিসেবেও তিনি ভারতের প্রতিটি কোণে গিয়ে তাঁর কাজ করে চলেছেন।

মাননীয় সভাপতি,

মাঝে মাঝে আমরা দেখেছি এই কক্ষে প্রচুর মজা এবং বিদ্রূপ করার সুযোগ তৈরি হয়। আজকাল, সম্ভবত এই সুযোগ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে, কারণ সংবাদ মাধ্যম এখন সবসময় সজাগ সচেতন। কিন্তু আমাদের আঠাওয়ালেজিও চলে যাচ্ছেন, কিন্তু এখানকার কেউ কোনো দুঃখ পাবেন না। তিনি আগামী দিনেও মজা করে যাবেন, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত।

মাননীয় সভাপতি,

প্রতি দুই বছর পর পর, আমাদের একটি বড় দল উচ্চকক্ষ থেকে চলে যায়। তবে, প্রক্রিয়াটি হল, নতুন যারা আসেন, তারা এখানে চার বছর ধরে বসে থাকা অন্যান্য সহকর্মীদের থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। নতুন সদস্যরা তাদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পান। তাই, এক অর্থে, এই জায়গার ঐতিহ্য চলমান এক শেখার প্রক্রিয়া হিসেবে থেকে যায়, যা দারুণ সুবিধা। আমি আত্মবিশ্বাসী, যারা এবার যাচ্ছেন না, এমনকি নতুন যে মাননীয় সাংসদরা আসবেন, তারাও এই অভিজ্ঞতা থেকে  উপকৃত হবেন এবং তাদের ভূমিকা এই সংসদকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

এ বিষয়ে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস আমার আছে। মাননীয় সভাপতি,

আমরা জানি যে, জীবনে যখনই কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়, পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে বসে সেই সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু তারপরেও তারা বলেন, "আরে, এটা করো, ওদের জিজ্ঞেস করো, বয়স্কদের কাছ থেকে দ্বিতীয়বার মতামত নাও।" পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠরা বলবেন, "নিজের এলাকায় দেখো, যিনি সবথেকে অভিজ্ঞ, তাকে জিজ্ঞেস করো তিনি কী ভাবছেন।" এমনকি কেউ অসুস্থ হলেও তারা বলবেন, "আরে, এই ধরনের কাজ করো, অন্য ডাক্তারের মতামত নাও।" দ্বিতীয় মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সংসদীয় ব্যবস্থায় এই দ্বিতীয় মতামতটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। একটি কক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে, তা দ্বিতীয় মতামতের জন্য অন্য কক্ষে ফিরে আসে। যদি সিদ্ধান্তটি এই কক্ষে হয়, তবে তা দ্বিতীয় মতামতের জন্য সেই কক্ষে যায়। আর এই দ্বিতীয় মতামতটি পুরো বিতর্ক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এক নতুন মাত্রা যোগ করে, এবং আমি বিশ্বাস করি এটি আমাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার প্রক্রিয়াকে সমৃদ্ধ করে। সুতরাং, এই কক্ষের মাননীয় সাংসদদের জন্য একটি খোলামেলা একটি ব্যবস্থা রয়েছে। যদি এই কক্ষে না হয়, তবে ভালো একটি নতুন মতামত অন্য কক্ষে উঠে আসবে। আর যদি সেই কক্ষেও না হয়, তবে এই কক্ষেই আসবে। তাই এই দ্বিতীয় মতামতটি আমাদের গণতন্ত্রের জন্য একটি বিশাল অবদান, এমন একটি ঐতিহ্য যা আমাদের রক্ষা করতে হবে। আমাদের যে মাননীয় সাংসদরা অবসর নিচ্ছেন, তাঁরা নিঃসন্দেহে অবদান রেখেছেন, এবং আমি এর জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানাই।   

মাননীয় সভাপতি,

আমাদের যে সব মাননীয় সাংসদ বিদায় নিচ্ছেন, তাঁরা হয়তো অদূর ভবিষ্যতে এই সুযোগ আর পাবেন না। তবে, আপনারা পুরাতন সংসদ ভবন এবং নতুন সংসদ ভবন — দুই জায়গাতেই বসার সুযোগ পেয়েছেন। দুটি বাড়িতেই দেশের কল্যাণে অবদান রাখার সুযোগ পেয়েছেন। আপনাদের কার্যকালে, এই নতুন সংসদের নির্মাণ প্রক্রিয়ায় এবং এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগও পেয়েছেন। এটি আপনাদের জীবনে একটি বিশেষ স্মৃতি হয়ে থাকবে, অমলিন এক স্মৃতি হয়ে থাকবে।

মাননীয় সভাপতি,

আমি সকল মাননীয় সাংসদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং আমি বিশ্বাস করি যে এই সংসদ নিজেই একটি বিরাট উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা এখানে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাই। এক অর্থে, আমরা এখানে নানাধরণের শিক্ষা লাভ করি। এখানে ছয় বছর থাকার সুযোগটি কেবল নিজের জীবন গঠনে, জাতির জীবন গঠনে অবদান রাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার একটি অংশ, এর  মাধ্যমে নিজের জীবনকে গড়ে তোলার এক অমূল্য সুযোগও পাওয়া যায়। সুতরাং, মাননীয় সাংসদরা যখন এখানে আসেন, সেই সময়ে তাঁদের যে ভাবনাচিন্তা, বোঝার ক্ষমতা ছিল, এখান থেকে তাঁরা যখন চলে যান, তখন তা অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়, এবং তাঁদের অর্জিত অভিজ্ঞতা বিরাট এক শক্তিতে পরিণত হয়। এখন, যারা এখান থেকে চলে গেছেন, তাঁরা যাবার পরে জাতীয় জীবনে অবদান রেখে চলেছেন। তাঁরা হয়তো নিজ নিজ উপায়ে এই ব্যবস্থার অংশ হতে পারেন, বা নাও হতে পারেন, কিন্তু তাঁদের অমূল্য অবদান যেন অব্যাহত থাকে এবং রাষ্ট্রীয় জীবন গঠনে তাঁদের অভিজ্ঞতা যেন সব সময় কাজে লাগানো যায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। যারা বিদায় নিচ্ছেন, সেই সব মাননীয় সাংসদদের প্রতি আমার শুভকামনা রইল। এবং আবারও, আমি প্রত্যেক মাননীয় সাংসদদের ভূমিকার প্রশংসা করি, আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাই।

সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s AI moment: Sarvam turns unicorn at $1.5 billion valuation

Media Coverage

India’s AI moment: Sarvam turns unicorn at $1.5 billion valuation
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Today, the world does not suffer from a shortage of resources; it suffers from a shortage of trust: PM Modi at G7 Summit in Evian, France
June 16, 2026

राष्ट्रपति मैक्रों,
Your Excellencies,

नमस्कार!

G-7 समिट में हमारे गर्मजोशी भरे स्वागत के लिए मैं राष्ट्रपति मैक्रों का हार्दिक आभार व्यक्त करता हूँ।

Friends,

आज का विश्व पहले से कहीं अधिक inter-connected और inter-dependent है। किसी भी देश की ऊर्जा सुरक्षा, खाद्य सुरक्षा, स्वास्थ्य सुरक्षा, साइबर सुरक्षा और आर्थिक समृद्धि केवल उसकी सीमाओं के भीतर तय नहीं होती। Mobility, data, capital, technology, ये सभी हमें आपस में जोड़ते हैं।

ऐसे समय में Partnerships का महत्व स्वाभाविक रूप से बढ़ जाता है। लेकिन साझेदारियाँ तभी सफल होती हैं जब उनके केंद्र में विश्वास हो। आज सबसे महत्वपूर्ण Strategic Asset कोई mineral, technology या market नहीं, बल्कि आपसी विश्वास है।

विश्वास कि टेक्नॉलजी और supply chains को हथियार के रूप में नहीं, global good के लिए इस्तेमाल किया जाएगा। विश्वास कि विकास के अवसर कुछ देशों तक सीमित नहीं रहेंगे। विश्वास कि वैश्विक संस्थान सभी देशों की आकांक्षाओं को पूरा करने में सक्षम होंगे।

Friends,

पिछली सदी में मानवता को दो विश्व युद्धों से गुज़रना पड़ा। अनेक बलिदानों के बाद विश्व समुदाय ने शांति, स्थिरता और समृद्धि की ओर बढ़ने के लिए व्यवस्थाएं विकसित की। इन व्यवस्थाओं का आधार भी trust ही था।

किन्तु अनेक दशकों से, अनेक पीढ़ियों के योगदान से बनाए गए विश्वास को आज चोट पहुँच रही है। कोविड ने हमें आईना दिखाया कि trust और solidarity के दावे कितने खोखले थे।

Today the world does not suffer from a shortage of resources; it suffers from a shortage of trust. And the future of our partnerships depends on building this trust.

अमेरिका के राष्ट्रपति रोनल्ड रेगन ने कहा था: Trust but Verify. यह आज के समय में भी प्रासंगिक है। भावी पीढ़ियों के प्रति हमारा दायित्व है कि हम नए युग के अनुरूप trusted rules based order का निर्माण करें।

Friends,

भारत ने सदैव विश्व को एक परिवार के रूप में देखा है। हमारे सभी प्रयास “सर्वजन हिताय, सर्वजन सुखाय” यानि, welfare and happiness for all के मूल सिद्धांत पर आधारित रहे हैं।

भारत का अनुभव दिखाता है कि विकास सबसे अधिक प्रभावी तब होता है जब वह लोगों की आकांक्षाओं से जुड़ा हो। यही सिद्धांत हमारी अंतरराष्ट्रीय साझेदारियों का भी आधार है। इसी सोच के साथ भारत ने International Solar Alliance, Coalition for Disaster Resilient Infrastructure, ग्लोबल बायोफ्यूल्स एलायंस, Mission LiFE, और “एक पेड़ माँ के नाम” जैसी वैश्विक पहलों को आगे बढ़ाया है।

संकट के समय भारत ने First Responder के रूप में सभी देशों की सहायता करना अपना दायित्व समझा है। कोविड महामारी के दौरान भारत ने डेढ़ सौ से अधिक देशों को दवाइयाँ और vaccines उपलब्ध कराईं।

श्रीलंका में cyclone हो, अफगानिस्तान में भूकंप हो, मोज़ाम्बिक में floods हों, या क्यूबा और जमैका में hurricane, भारत ने सदैव "Humanity First" के सिद्धांत पर कार्य किया है। हमारी विकास साझेदारियाँ भी इसी भावना को प्रतिबिंबित करती हैं। हमारे प्रयास पार्टनर देशों में capacity building और कौशल विकास पर केन्द्रित रहे हैं।

भारत का मानना है: The true test of partnership is not what we build for others, but what we enable others to build for themselves.

Friends,

आज ग्लोबल साउथ की विश्व समुदाय से बहुत उम्मीदें हैं। किन्तु उनकी अपेक्षा सहारे की नहीं, साथ की है। वे वैश्विक विकास के लाभार्थी नहीं, उसके भागीदार बनना चाहते हैं।

हमें donor–recipient की सोच से आगे बढ़कर, equal पार्टनर्स के रूप में काम करना होगा। उनके पास-पास नहीं, साथ-साथ चलना होगा। साझेदारी को dependency के बजाय, dignity से जोड़ना होगा। इन प्रयासों से हम भावी पीढ़ियों के सतत विकास की मजबूत नींव रख सकेंगे।

Friends,

अंतरराष्ट्रीय साझेदारियाँ और वैश्विक एकजुटता तभी सार्थक बन सकती हैं, जब हम साझा चुनौतियों का मिलकर समाधान करें। भारत का दृढ विश्वास है कि विश्व के विभिन्न हिस्सों में चल रहे तनावों और युद्धों का स्थायी समाधान dialogue, diplomacy और अंतरराष्ट्रीय सहयोग के मार्ग से ही संभव है।

हम west asia में शांति प्रयासों में हुई प्रगति का स्वागत करते हैं। इस संघर्ष से west asia में हमारे मित्र देशों को जान-माल का नुकसान झेलना पड़ा है। होर्मुज़ स्ट्रेट में maritime ट्रेड में आई बाधा के कारण पूरे विश्व की अर्थव्यवस्था को नुकसान पहुंचा। भारत के कई civilians को जान गंवानी पड़ी। Global maritime ट्रेड के माध्यम से सभी देशों को आपस में जोड़ने वाले नाविकों की सुरक्षा हमारा दायित्व है। हमें यह सुनिश्चित करना होगा कि समुद्री मार्ग सुरक्षित रहें, और Seafarers बिना भय के अपना कार्य कर सकें।

Friends,

भारत इन विषयों पर सभी पार्टनर्स के साथ मिलकर काम करने के लिए पूरी तरह से तैयार है।

बहुत-बहुत धन्यवाद।