The situation in West Asia is concerning at this time: PM
In the past two-three weeks, Mr. Jaishankar and Mr. Hardeep Puri have provided the necessary information to the House on this matter: PM
This crisis has been going on now for more than three weeks, It is having a very adverse impact on the global economy and on people's lives, the entire world is urging all parties for the earliest resolution of this crisis: PM
This region is important to us for yet another reason ,as nearly one crore Indians live and work in the Gulf countries: PM
Among the commercial ships that sail in these seas, the number of Indian crew members is also very high: PM
Due to these several reasons, India's concerns are naturally high, it is essential that a unanimous and united voice from India's Parliament on this crisis reaches the world: PM
India has extensive trade relations with countries at war and affected by war, The region where the war is taking place is also an important route for our trade with other countries of the world: PM
A large quantity of essential items such as crude oil, gas, and fertilizers come to India through the Strait of Hormuz, Since the war began, the movement of ships through the Strait of Hormuz has become highly challenging: PM
Despite this, our government has been trying to ensure that the supply of petrol, diesel and gas is not affected much and common families of the country face minimum inconvenience, This has been our focus: PM
India has always stood for peace in the interest of humanity, Dialogue and diplomacy are the only solutions to this problem: PM
Our efforts are aimed at reducing tensions and ending this conflict: PM
Putting anyone's life at risk in this war is not in the interest of humanity, India's efforts are to encourage all parties to reach a peaceful resolution as soon as possible: PM

মাননীয় অধ্যক্ষ,

 আমি এই সম্মানজনক কক্ষে এসেছি পশ্চিম এশিয়ার চলতি সংঘর্ষ এবং ভারতের জন্য এটি কি সমস্যা সৃষ্টি করেছে, সেই নিয়ে বলতে। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ২-৩ সপ্তাহে শ্রী জয়শঙ্কর জি এবং শ্রী হরদীপ পুরী জি এই বিষয়ে সভাকে প্রয়োজনীয় তথ্য। জানিয়েছেন । এখন এই সংকট তিন সপ্তাহের বেশি পেরিয়ে গেছে। ফলে. বিশ্ব অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনে তার কুপ্রভাব চোখে পড়ছে। সমগ্র বিশ্ব দুই পক্ষের কাছেই দ্রুত এই সংকট সমাধানের আবেদন জানাচ্ছে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

এই যুদ্ধ ভারতের জন্য অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা এবং মানবিক ক্ষেত্রে। যাঁরা যুদ্ধরত এবং যারা যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের সঙ্গে ভারতের বড়সড় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে। যে অঞ্চলে এই যুদ্ধ হচ্ছে, সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা আমাদের জন্য বিশ্বের অন্য অংশের সঙ্গে ব্যবসা করার স্বার্থে। সবচেয়ে যেটি গুরুত্বপূর্ণ তা হল, আমাদের অশোধিত তেল এবং গ্যাসের বেশিভাগটাই আসে এই অঞ্চল থেকে। আরও একটি কারণেও এই অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ, প্রায় ১০ মিলিয়ন ভারতীয় থাকেন এবং কাজ করেন উপসাগরীয় দেশগুলিতে। বিশাল সংখ্যায় ভারতীয় নাবিকরাও এই অঞ্চল দিয়ে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজে কাজ করেন। এইসব কারণে ভারতের উদ্বেগ স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত বেশি। সেইজন্যই জরুরি ভারতের সংসদ থেকে ঐক্যবদ্ধ এবং এক সুরে বিশ্বের কাছে এই সংকট সম্পর্কে বার্তা পৌঁছে দেওয়া।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

যখন থেকে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, ওই অঞ্চলে বসবাসকারী প্রত্যেক ভারতীয়কে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আমি নিজে দুবার কথা বলেছি ফোনে বেশিরভাগ পস্চিম এশীয় দেশের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। তাঁরা সকলেই ভারতীয়দের পূর্ণ সুরক্ষা্ সম্পর্কে আশ্বাস দিয়েছেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই সময় একজন প্রাণ হারিয়েছেন, কয়েকজন আহত হয়েছেন। এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে তাদের পরিবারকে যথাসম্ভব সাহায্য করা হচ্ছে। আহতরা পাচ্ছেন সেরা চিকিৎসা।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

ওই অঞ্চলে আমাদের দূতাবাসগুলি ভারতীয়দের সাহায্য করতে সবসময় তৎপর। শ্রমিক, পর্যটক যেই হোক না কেন, প্রত্যেককেই যথাসম্ভব সাহায্য করা হচ্ছে। আমাদের দূতাবাসগুলি নিয়মিত অ্যাডভাইসরি জারি করছে। এখানে ভারতে এবং অন্য ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলিতে 24 x7 কন্ট্রোলরুম এবং এমারজেন্সি হেল্প লাইন শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে ঠিক সময়ে তথ্য দেওয়া হচ্ছে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

সংকটের সময়ে দেশে-বিদেশে ভারতীয়দের সুরক্ষাই আমাদের অগ্রাধিকার। যুদ্ধ শুরু হওয়া থেকে ৩ লক্ষ ৭৫০০০ -এর বেশি ভারতীয়কে ভারতে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শুধু ইরান থেকেই প্রায় এক হাজার ভারতীয় নিরাপদে দেশে ফিরেছেয যারমধ্যে আছে মেডিকেল পড়ুয়া ৭০০ ছাত্র। উপসাগরীয় দেশগুলিতে হাজার হাজার ছাত্র ভারতীয় স্কুলে পড়াশুনা করে। সেইসব স্কুলে ১০ ও ১২ ক্লাস পরীক্ষা বাতিল করেছে সিবিএসই। এই ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা চালু রাখতে সিবিএসই যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে। এতে বোঝা যায়, সরকার সংবেদনশীল, সতর্ক এবং সবরকম সম্ভাব্য সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

ভারত হরমুজ প্রণালী দিয়ে অশোধিত তেল, গ্যাস এবং সার বিপুল পরিমাণে আমদানি করে। যুদ্ধ শুরু হওয়া থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। তা সত্ত্বেও আমাদের সরকার পেট্রল, ডিজেল এবং গ্যাস সরবরাহ যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে কাজ করেছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল সাধারণ পরিবারের অসুবিধা যথাসম্ভব কমানো। আমরা সকলে জানি প্রয়োজনীয় এলপিজি-র ৬০ শতাংশ আমদানি করতে হয় ভারতকে। সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারনে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে গৃহস্থের এলপিজি ব্যবহারে এবং তারজন্য উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। দেশজুড়ে পেট্রল, ডিজেলের সুষ্ঠু সরবরাহ বজায় রাখতে নিরন্তর প্রয়াস চালানো হচ্ছে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

এই পরিস্থিতিতে শক্তি নিরাপত্তা নিয়ে গত এক দশকে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। গত ১১ বছরে ভারত তার শক্তি আমদানির বৈচিত্র্যকরণ করেছে। আগে ২৭টি দেশ থেকে অশোধিত তেল, এলএনজি এবং এলপিজি আনা হত, তা এখন আনা হয় ৪১টি দেশ থেকে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

গত এক দশকে ভারত সংকটের সময়ের কথা ভেবে অশোধিত তেলের ভাণ্ডারে অগ্রাধিকা্র দিয়েছে। ভারতের ভাঁড়ারে আছে ৫.৩ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি পেট্রোলিয়াম। এই পরিমাণকে ৬.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি করতে কাজ চলছে। আমাদের তেল কোম্পানিগুলির যে ভাঁড়ার, সেটা আলাদা। গত ১১ বছরে আমাদের শোধন ক্ষমতা অনেকটাই বেড়েছে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

সরকার বিভিন্ন দেশের সরবরাহকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। যেখান থেকে হোক তেল এবং গ্যাস আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভারত সরকার উপসাগর এবং আশপাশের এলাকায় জাহাজ চলাচলের পথের ওপর নজর রাখছে। আমাদের লক্ষ্য যেসব জাহাজ তেল, গ্যাস, সার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস বহন করছে, তারা যেন নিরাপদে ভারতে পৌঁছোয়। আমাদের সমুদ্র পথ সুরক্ষিত রাখতে বিশ্বে আমাদের অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে আমরা নিয়মিত কথা্ চালাচ্ছি। ওইসব প্রয়াসের ফলে হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা বেশ কয়েকটি জাহাজ সম্প্রতি নিরাপদে পৌঁছেছে ভারতে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

এই সংকটের সময়ে দেশের আর একটি প্রস্তুতি খুব কাজে লেগেছে।গত ১০-১১ বছরে ইথানল উৎপাদন এবং ব্লেন্ডিং-এর অভূতপূর্ব কাজ হয়েছে। এক দশক আগে ভারতের মাত্র ১.৫ শতাংশের মতো ইথানল ব্লেন্ডিং-এর ক্ষমতা ছিল। বর্তমানে আমরা পেট্রলে ২০ শতাংশ ইথানল ব্লেন্ডিং করার খুব কাছাকাছি। এরফলে, বছরে প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল আমদানি কমেছে। একইরকমভাব রেলের বৈদ্যুতিকীকরণে অনেক উপকার হয়েছে। ওই বৈদ্যুতিকীকরণ ছাড়া প্রতি বছর প্রায় ১.৮ মিলিয়ন লিটার অতিরিক্ত ডিজেল লাগত। আমরা মেট্রো নেটওয়ার্কেরও প্রসার ঘটিয়েছি। ২০১৪-য় ভারতের মেট্রো নেটওয়ার্ক ছিল ২৫০ কিলোমিটারের কম। এখন এটি বেড়ে হয়েছে প্রায় ১১০০ কিলোমিটার। আমরা বৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর খুব জোর দিচ্ছি। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে ১৫,০০০ ইলেকট্রিক বাস দিয়েছে। যেভাবে বর্তমানে বিকল্প জ্বালানী নিয়ে কাজ হচ্ছে, তাতে বলা যায় ভারতের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

আমরা জানি, অর্থনীতির মেরুদণ্ড শক্তি এবং সারা বিশ্বের শক্তির চাহিদা মেটানোর বড় উৎস পস্চিম এশিয়া। তাই স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ব অর্থনীতি বর্তমান সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লাগাতার চেষ্টা চলছে, যাতে ভারতে এর প্রভাব কম পড়ে। সরকার স্বল্প মেয়াদী, মাঝারি মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাবের কথা ভেবে স্পষ্ট রণনীতি নিয়েছে। ভারতের অর্থনৈতিক ভিত মজবুত, যা অনেকটাই দেশকে সাহায্য করেছে। আমরা প্রত্যেক ক্ষেত্রের সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছি, যেখানে প্রয়োজন সাহায্য করছি। ভারত সরকার একটি আন্তঃমন্ত্রক গোষ্ঠীও তৈরি করেছে যেটি প্রতিদিন বৈঠকে বসে রফতানি, আমদানীর অসুবিধাগুলির সমীক্ষা করে, এবং তার সমাধানে প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় কাজ করে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সরকার এবং শিল্প জগতের মিলিত প্রয়াসে আমরা এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারবো আরও কার্যকরীভাবে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

একটি বড় প্রশ্ন, এই যুদ্ধে কৃষির ওপর কি প্রভাব পড়বে। আমাদের কৃষকরা আমাদের শস্য ভাণ্ডার পূর্ণ করে রেখেছে, তাই ভারতের মজুত খাদ্যের পরিমাণ যথেষ্ট। আমাদের চেষ্টা খরিফ মরশুমে যাতে ঠিকমতো চাষ হয়, তা নিশ্চিত করা। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সরকার তৎপরতার সঙ্গে সারের বাড়তি ব্যবস্থা করেছে্। অতীতেও আমাদের সরকারের প্রয়াস ছিল, যাতে বিশ্ব সংকটের চাপ কৃষকদের ওপর না পড়ে। কোভিডের সময় এবং যুদ্ধে বিশ্ব সরবরাহশৃঙ্খল বিঘ্নিত হয়েছিল। বিশ্ববাজারে এক ব্যাগ ইউরিয়ার দাম পৌঁছেছিল ৩ হাজার টাকায়। কিন্তু, ভারতীয় কৃষকদের তা দেওয়া হয়েছিল ৩০০ টাকার কমে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

এই ধরনের সংকট থেকে কৃষকদের বাঁচাতে সাম্প্রতিককালে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত এক দশকে দেশে ৬টি ইউরিয়া কারখানা চালু হয়েছে। বছরে উৎপাদন বেড়েছে ৭.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি। ডিএপি এবং এনপিকেএস-এর মতো সারের ঘরোয়া উৎপাদনও বেড়েছে প্রায় ৫ মিনিয়ন মেট্রিক টন। শুধু তাই নয়, সার আমদানিও তেল এবং গ্যাসের মতো বিভিন্ন উপায়ে করা হচ্ছে। ডিএপি এবং এনপিকেএস আমদানিও করা হচ্ছে বিভিন্ন পথে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

সরকার কৃষকদের মেড ইন ইন্ডিয়া ন্যানো ইউরিয়া নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। কৃষকদের প্রাকৃতিক চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পিএম কুসুম কর্মসূচিতে ২.২ মিলিয়নের বেশি সোলার পাম্প দেওয়া হয়েছে কৃষকদের। ডিজেলের ওপর নির্ভরতা কমানো হয়েছে। এই সভার মাধ্যমে আমি দেশের কৃষকদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, সরকার সবরকম সম্ভাব্য সহায়তা দিয়ে যাবে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

এই যুদ্ধের আর একটি বড় চ্যালেঞ্জ ভারতে গ্রীষ্মকাল শুরু হচ্ছে. তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগামী মাসগুলোয় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলিতে যথেষ্ট কয়লা আছে। এই

নিয়ে টানা ২ বছর ভারত ১ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলন করেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে সরবরাহ পুরো ব্যবস্থার নিয়মিত তদারকি করা হয়। আমাদের প্রস্তুতিতে সাহায্য করেছে পুনর্নবিকরণযোগ্য শক্তি। গত ১ দশকে এই ক্ষেত্রে ভারত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। আমাদের অর্ধেক বিদ্যুৎ আসছে বিকল্প উৎস থেকে। পুনর্নবিকরণযোগ্য শক্তির উৎপাদন ক্ষমতা ২৫০ গিগাওয়াট পার হয়ে গেছে. গত ১১ বছরে সৌরশক্তির ক্ষমতা ৩ গিগাওয়াট থেকে বেড়ে ১৪০ গিগাওয়াট হয়েছে। প্রায় ৪ মিলিয়ন রুফটপ সোলার ইনস্টলেশন বসানো হয়েছে। পিএম সূর্যঘর, ফ্রি ইলেকট্রিসিটি স্কীম গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য করেছে। গোবরধন কর্মসূচিতে ২০০ কমপ্রেসড বায়োগ্যাস কারখানা কাজ করছে। অমৃতকাল এনার্জি ট্রানজিশান উদ্যোগের মাধ্যমে পরমাণুশক্তির প্রসার ঘটাচ্ছে সরকার। মাত্র কয়েকদিন আগে ছোট হাইড্রো পাওয়ার তৈরির কর্মসূচি অনুমোদিত হয়েছে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

কূটনীতির দিক দিয়ে ভারতের ভূমিকা স্পষ্ট। শুরু থেকে আমরা আমাদের উদ্বেগ জানিয়ে আসছি। পশ্চিম এশিয়ার নেতাদের সঙ্গে আমি নিজে কথা বলেছি। আমি সকলের কাছে আবেদন জানিয়েছি, উত্তেজনা কমিয়ে সংঘর্ষ থামানোর জন্য। সাধারণ মানুষ, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পরিবহন পরিকাঠামোর ওপর আক্রমণের বিরোধী ভারত। হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বাধা সৃষ্টি এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়। কূটনীতির মাধ্যমে ভারত এই যুদ্ধের পরিস্থিতিতেও ভারতীয় জাহাজদের সুরক্ষিত পারাপার নিশ্চিত করেছে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

ভারত সবসময় মানবিকতা এবং শান্তির পক্ষে সওয়াল করেছে। আমি আবার বলছি, আলোচনা এবং কূটনীতি একমাত্র সমাধান। আমাদের সকলের লক্ষ্য উত্তেজনা কমিয়ে সংঘর্ঘ বন্ধ করা।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

এই সংকটের সময় কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নেয়। সেইজন্য সকল আইন প্রবর্তনকারী সংস্থাগুলিকে সতর্ক থাকতে হবে।

মাননীয় অধ্যক্ষ,

এই যুদ্ধ এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে. যা দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে। সেইজন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে। আমরা এই ধরনের সমস্যা ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করেছি কোভিড সংকটে। এখন আমাদের সেইভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে। এই সভার মাধ্যমে সকল রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন রাখছি এইরকম সময়ে কালোবাজারি, মজুতদারি রুখতে কঠোর নজরদারি করার জন্য এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। প্রত্যেক সরকার এবং দেশের প্রত্যেক নাগরিক যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে যে কোনো চ্যালেঞ্জকে আমরা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারি।

আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Government's foodgrain stocks hit 604 lakh tonnes, nearly three times buffer requirement

Media Coverage

Government's foodgrain stocks hit 604 lakh tonnes, nearly three times buffer requirement
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 7 মে 2026
May 07, 2026

Justice Delivered Under PM Modi: How Operation Sindoor Redefined India’s Response to Terror

Aatmanirbhar Bharat in Action: Record Exports, Defence Exports, Food Security & Green Mobility Under the Leadership of PM Modi