This year’s Union Budget gives a strong push to agriculture and rural transformation : PM
Government has continuously strengthened the agriculture sector ,major efforts have reduced the risks for farmers and provided them with basic economic security: PM
If we scale high-value agriculture together, it will transform agriculture into a globally competitive sector: PM
As export-oriented production increases, employment will be created in rural areas through processing and value addition: PM
Fisheries can become a major platform for export growth, a high-value, high-impact sector of rural prosperity: PM
The government is developing digital public infrastructure for agriculture through AgriStack: PM
Technology delivers results when systems adopt it, institutions integrate it, and entrepreneurs build innovations on it: PM

নমস্কার!

বাজেট ওয়েবিনার সিরিজের তৃতীয় ওয়েবিনারে, আমি আপনাদের সকলকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। এর আগে, প্রযুক্তি, সংস্কার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে দুটি ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ, আলোচনাটি গ্রামীণ অর্থনীতি এবং কৃষির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির উপর কেন্দ্রীভূত। আপনারা সকলেই আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অসামান্য অবদান রেখেছেন এবং আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে আপনাদের ইনপুট বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে এবং খুবই কার্যকর হয়েছে। কিন্তু এখন যেহেতু বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে, তাই দেশ যাতে তার পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জন করে তা নিশ্চিত করা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের অভিজ্ঞতা, আপনাদের পরামর্শ এবং সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের জন্য বাজেটের সুবিধা সর্বাধিক করার সহজ উপায়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজেটে বরাদ্দকৃত প্রতিটি পয়সা কীভাবে সম্পূর্ণ এবং দ্রুত ব্যবহার করা যেতে পারে? এই ওয়েবিনারে আপনাদের পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বন্ধুগণ,
আপনারা সকলেই জানেন যে কৃষি, কৃষিকাজ এবং কারুশিল্প আমাদের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ। কৃষি ভারতের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন যাত্রার একটি কৌশলগত স্তম্ভও, এবং এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে, আমাদের সরকার ক্রমাগত কৃষিক্ষেত্রকে শক্তিশালী করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির অধীনে প্রায় ১০ কোটি কৃষক ৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি পেয়েছেন। ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের সংস্কার কৃষকদের দেড় গুণ পর্যন্ত রিটার্ন নিশ্চিত করেছে। প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ কভারেজ ৭৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা প্রকল্পের অধীনে, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই প্রচেষ্টাগুলি কৃষকদের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করেছে এবং তাদের মৌলিক অর্থনৈতিক সুরক্ষা প্রদান করেছে। এটি কৃষিক্ষেত্রের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। আজ, খাদ্যশস্য এবং ডাল থেকে শুরু করে তৈলবীজ পর্যন্ত, দেশ রেকর্ড উৎপাদন অর্জন করছে। কিন্তু এখন, একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় প্রান্তিক শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, ২৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে, কৃষিতে নতুন শক্তি সঞ্চার করাও সমানভাবে প্রয়োজনীয়। এই বছরের বাজেট এই দিকে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। আমি নিশ্চিত যে এই ওয়েবিনার থেকে উঠে আসা আলোচনা এবং পরামর্শগুলি বাজেটের বিধানগুলিকে দ্রুত বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করবে।
বন্ধুগণ,
আজ, বিশ্ব বাজার উন্মুক্ত হচ্ছে, এবং বিশ্বব্যাপী চাহিদা পরিবর্তিত হচ্ছে। এই ওয়েবিনারে, আমাদের কৃষিকে কীভাবে রপ্তানিমুখী করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা অপরিহার্য। আমাদের জলবায়ু বৈচিত্র্যময়, এবং আমাদের অবশ্যই সেগুলির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে হবে। আমরা কৃষি-জলবায়ু অঞ্চলগুলি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এই বছরের বাজেট এই ক্ষেত্রে অসংখ্য নতুন সুযোগ তৈরির প্রেক্ষিত রচিত হয়েছে, যা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি শক্তি বৃদ্ধির দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করে।এই বাজেট উচ্চমূল্যের কৃষির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে। নারকেল, কাজু, কোকো এবং চন্দনের মতো পণ্যের জন্য আঞ্চলিক-নির্দিষ্ট প্রচার অভিযানের প্রস্তাব করা হয়েছে। আপনারা জানেন যে আমাদের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি, বিশেষ করে কেরালা এবং তামিলনাড়ুতে প্রচুর নারকেল উৎপাদন হয়। কিন্তু এখন, সেই গাছগুলি বৃদ্ধ হয়ে গেছে এবং তাদের উৎপাদনশীলতা হারিয়ে ফেলেছে। কেরালা এবং তামিলনাড়ুর কৃষকদের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদানের জন্য, এবার নারকেলের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে, যা আগামী দিনে কৃষকদের উপকৃত করবে।

বন্ধুগণ,
উত্তর-পূর্বের দিকে তাকালে, খুব কম লোকই জানেন যে "আগরবাতি" শব্দটি আগর গাছের কাঠ থেকে এসেছে। হিমালয় সন্নিহিত রাজ্যগুলিতে, এই বাজেটে নাতিশীতোষ্ণ বাদাম ফসলের প্রচার করা হচ্ছে। যখন রপ্তানিমুখী উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, তখন গ্রামীণ এলাকায় প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এই দিকে একটি সমন্বিত পদক্ষেপ অপরিহার্য, এবং সমস্ত অংশীদারদের একসঙ্গে আলোচনা করতে হবে। যদি আমরা সম্মিলিতভাবে উচ্চ-মূল্যের কৃষিকে সংস্কার করি, তাহলে এটি কৃষিকে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে রূপান্তরিত করতে পারে। কৃষি-বিশেষজ্ঞ, শিল্পপতি এবং কৃষকরা কীভাবে একত্রিত হতে পারে? কৃষকদের কীভাবে বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করা যেতে পারে? গুণমান, ব্র্যান্ডিং এবং মানদণ্ডের জন্য লক্ষ্য কীভাবে নির্ধারণ করা যেতে পারে? এই সমস্ত দিকগুলি প্রচার করা এই ওয়েবিনারের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। আমি আরও একটি বিষয়ের উপর জোর দিতে চাই। আজ, বিশ্ব আরও স্বাস্থ্য সচেতন। সামগ্রিক স্বাস্থ্য- পরিষেবায়  জৈব খাদ্যের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। ভারতে, আমাদের রাসায়নিক-মুক্ত কৃষিকাজ এবং প্রাকৃতিক চাষের উপর জোর দিতে হবে।এই প্রাকৃতিক কৃষিকাজ এবং রাসায়নিক-মুক্ত পণ্য বিশ্ব বাজারের লক্ষ্যে একটি মহাসড়ক হয়ে উঠতে পারে। এর জন্য, সরকার কর্তৃক শংসায়ন এবং পরীক্ষাগার সুবিধার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে এই বিষয়ে আপনাদের মতবিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বন্ধুগণ,
রপ্তানি বৃদ্ধির একটি প্রধান কারণ হল মৎস্য ক্ষেত্রের সম্ভাবনা বৃদ্ধি। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস উৎপাদনকারী দেশ। আজ, আমাদের জলাধার, পুকুর এবং জলাশয়গুলি একসঙ্গে দৈনিক প্রায় ৪ লক্ষ টন মাছ উৎপাদন করে।তবে আরও অতিরিক্ত ২০ লক্ষ টন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। কল্পনা করুন, যদি আমরা বর্তমান ৪ লক্ষ টনের সঙ্গে ২০ লক্ষ টন যোগ করি, তাহলে তা আমাদের দরিদ্র জেলেদের জীবন কতটা বদলে যাবে। আমাদের গ্রামীণ আয়ে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ রয়েছে। বিশ্বব্যাপী যথেষ্ট চাহিদা থাকায় মৎস্য রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য একটি প্রধান প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠতে পারে। এই ওয়েবিনার থেকে যদি বাস্তবসম্মত পরামর্শ আসে, যেমন জলাধারের সম্ভাবনার সঠিক মানচিত্র, ক্লাস্টার পরিকল্পনা এবং মৎস্য বিভাগ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয়, তাহলে তা চমৎকার হবে। বৈজ্ঞানিক নিয়ম মেনে তৈরি পশুপালন কেন্দ্র, হ্যাচারি,  খাদ্য, প্রক্রিয়াকরণ, ব্র্যান্ডিং, রপ্তানি এবং প্রয়োজনীয় সরবরাহ - সবকিছুর জন্যই নতুন ব্যবসায়িক মডেল প্রয়োজন। গ্রামীণ সমৃদ্ধির জন্য মৎস্য ক্ষেত্রকে একটি উচ্চ-মূল্যবান, উচ্চ-প্রভাবশালী ক্ষেত্রে রূপান্তরিত করার এটি একটি সুযোগ এবং আমাদের সকলকে এই লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
বন্ধুগণ,
পশুপালন গ্রামীণ অর্থনীতির একটি উচ্চ-বৃদ্ধির স্তম্ভ। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম দুধ উৎপাদনকারী এবং ডিম উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই প্রবৃদ্ধিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য, আমাদের প্রজননের গুণমান, রোগ প্রতিরোধ এবং বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার উপর মনোযোগ দিতে হবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পশুপালনের স্বাস্থ্য। আমি যখন "এক পৃথিবী এক স্বাস্থ্য"-র কথা বলি, তখন এর মধ্যে উদ্ভিদ এবং প্রাণীর স্বাস্থ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে। ভারত এখন টিকা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। পশুদের পা-মুখ রোগ থেকে রক্ষা করার জন্য ১২৫ কোটিরও বেশি ডোজ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় গোকুল মিশনের অধীনে, প্রযুক্তি সম্প্রসারিত হচ্ছে। পশুপালনে নিযুক্ত কৃষকরা এখন কিষাণ ক্রেডিট কার্ড থেকে উপকৃত হচ্ছেন। বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার জন্য, পশুপালন পরিকাঠামো উন্নয়ন তহবিল চালু করা হয়েছে। আপনারা আরও জানেন যে আমরা গোবর্ধন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। গ্রামগুলিকে পরিষ্কার রাখার জন্য এই প্রকল্পের অধীনে পশুর বর্জ্য এবং গ্রামের বর্জ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। দুধ যেমন আয় তৈরি করে, তেমনি গোবর (গোবর)ও আয় তৈরি করতে পারে। গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে গোবর্ধন শক্তি সুরক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। এটি একটি বহুমুখী সুবিধা এবং গ্রামের জন্য খুবই কার্যকর। আমি সমস্ত রাজ্য সরকারকে এই প্রকল্পটিকে অগ্রাধিকার এবং প্রচার করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
বন্ধুগণ,
অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা শিখেছি যে কৃষকদের জন্য একটি মাত্র ফসলের উপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ। এটি আয়ের বিকল্পগুলিকে সীমিত করে। তাই, আমরা ফসল বৈচিত্র্যের উপর জোর দিচ্ছি। এছাড়াও, জাতীয় ভোজ্য তেল ও ডাল মিশন এবং জাতীয় প্রাকৃতিক কৃষি মিশন কৃষিক্ষেত্রকে শক্তিশালী করছে।
বন্ধুগণ,
আপনারা এটাও জানেন যে কৃষি একটি রাজ্যের বিষয়, এবং রাজ্যগুলির কৃষি বাজেট উল্লেখযোগ্য। আমাদের অবশ্যই রাজ্যগুলিকে তাঁদের দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করতে হবে। আমরা কীভাবে তাঁদের সাহায্য করতে পারি? আমাদের পরামর্শগুলি কীভাবে তাঁদের জন্য কার্যকর হতে পারে? গ্রাম এবং কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা প্রতিটি টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। আমাদের জেলা স্তর পর্যন্ত বাজেটের বিধানগুলিকে শক্তিশালী করতে হবে। তবেই নতুন নীতিগুলি সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের উপকার করতে পারবে।

বন্ধুগণ,
এটি প্রযুক্তির শতাব্দী, তাই আমাদের সরকার কৃষিতে প্রযুক্তি সংস্কৃতি আনার উপর জোর দিচ্ছে। ‘ই-ন্যাম’-এর মাধ্যমে, বাজারের অ্যাক্সেসকে গণতন্ত্রায়িত করা হয়েছে। সরকার ‘অ্যাগ্রিস্ট্যাক’- এর মাধ্যমে কৃষির জন্য ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো তৈরি করছে। এর অধীনে, ডিজিটাল পরিচয়, অর্থাৎ, কৃষক আইডি তৈরি করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত, প্রায় ৯ কোটি কৃষক আইডি তৈরি করা হয়েছে এবং প্রায় ৩০ কোটি জমি ডিজিটালভাবে জরিপ করা হয়েছে। ‘ভারত- বিস্তার’-এর মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক মঞ্চগুলি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং কৃষকদের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনছে।
কিন্তু বন্ধুগণ,
,
প্রযুক্তি তখনই সঠিক ফল দেয় যখন ব্যবস্থাগুলি এটিকে যথাযথভাবে গ্রহণ করে, প্রতিষ্ঠানগুলি যখন এটিকে সংহত করে এবং উদ্যোক্তারা এর উপর উদ্ভাবন তৈরি করে। এই ওয়েবিনারে, আপনাকে অবশ্যই এই সম্পর্কিত জোরালো পরামর্শ উপস্থাপন করতে হবে। আমরা কীভাবে প্রযুক্তিকে কার্যকরভাবে একীভূত করতে পারি? এই ওয়েবিনার থেকে উদ্ভূত পরামর্শগুলি এই লক্ষ্যে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বন্ধুগণ,
আমাদের সরকার গ্রামীণ সমৃদ্ধি গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, স্বামীত্ব যোজনা, প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক প্রকল্প এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে আর্থিক সহায়তার মতো প্রকল্পগুলি গ্রামীণ অর্থনীতিকে ক্রমাগত শক্তিশালী করেছে। আমাদের লক্ষপতি দিদি অভিযানের সাফল্যকেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে। এখন পর্যন্ত, আমরা সারা দেশে ৩ কোটি গ্রামীণ মহিলাকে "লক্ষপতি দিদি" হিসেবে গড়ে তুলতে সফল হয়েছি। ২০২৯ সালের মধ্যে, আমরা আরও ৩ কোটি মহিলাকে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছি, যার ফলে মোট ৬ কোটি ‘লক্ষপতি দিদি’ হবে। এই লক্ষ্য কীভাবে দ্রুত অর্জন করা যায়? এক্ষেত্রে আপনাদের পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
বন্ধুগণ,
দেশে ফসল সংরক্ষণের জন্য একটি বিশাল প্রচার অভিযান চলছে। লক্ষ লক্ষ গুদাম তৈরি করা হচ্ছে। সংরক্ষণের বাইরে, কৃষি-উদ্যোক্তাদের প্রক্রিয়াকরণ, সরবরাহ শৃঙ্খল, কৃষি-প্রযুক্তি, কৃষি-ফিনটেক এবং রপ্তানিতে উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আমি নিশ্চিত যে আজকের আলোচনা গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুন শক্তিতে উজ্জীবিত করবে। এই ওয়েবিনারের জন্য আপনাদের সকলকে আমার শুভেচ্ছা, এবং আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে তৃণমূল স্তরের ধারণাগুলি এই বাজেটকে সফল করতে এবং প্রতিটি গ্রামে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তোমাদের সকলের জন্য শুভকামনা।
অনেক ধন্যবাদ। নমস্কার!

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Isro’s GSLV-F17 successfully places EOS-05 Earth observation satellite in geosynchronous orbit

Media Coverage

Isro’s GSLV-F17 successfully places EOS-05 Earth observation satellite in geosynchronous orbit
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister Narendra Modi lauds ISRO for successful launch of GSLV-F17 carrying EOS-05
September 04, 2026

Prime Minister Shri Narendra Modi today hailed yet another outstanding achievement by ISRO, calling it a proud moment for the nation.

The Prime Minister stated that the successful launch of GSLV-F17 carrying EOS-05, India’s first-ever imaging satellite from Geosynchronous orbit, is a reflection of the excellence, innovation, and growing capabilities that define India’s space sector.

Shri Modi further noted that the growing partnership between ISRO and the Indian industry is adding new strength and scale to the space programme, expanding India’s capabilities across the entire space ecosystem.

In a post on X, the Prime Minister shared:

"Yet another outstanding achievement by ISRO and a proud moment for our nation.

The successful launch of GSLV-F17 carrying EOS-05, India’s first-ever imaging satellite from Geosynchronous orbit is a reflection of the excellence, innovation and growing capabilities that define India’s space sector.
The growing partnership between ISRO and Indian industry is adding new strength and scale to our space programme and expanding India’s capabilities across the entire space ecosystem."