India has entered the third decade of the 21st century with new energy and enthusiasm: PM Modi
This third decade of 21st century has started with a strong foundation of expectations and aspirations: PM Modi
Congress and its allies taking out rallies against those persecuted in Pakistan: PM

শ্রদ্ধেয় শ্রী সিদ্ধলিঙ্গেশ্বর স্বামীজি, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পাজি, আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সহকর্মী সদানন্দ গৌড়, শ্রী প্রহ্লাদ যোশি, , কর্ণাটক সরকারের মন্ত্রীগণ, শ্রদ্ধেয় সাধুসমাজ, ভদ্রমহিলা এবং ভদ্রমহোদয়গণ, এখানে উপস্থিত সবাইকে নমস্কার। তুমকুরুতে ডাঃ শিবকুমার স্বামীজীর ভূমি সিদ্ধগঙ্গা মঠে এসে আমি খুব আনন্দিত। সবার আগে, আপনাদের সবার জন্য নববর্ষের শুভেচ্ছা।

আপনাদের ২০২০ সালের শুভেচ্ছা জানাই!

আমার সৌভাগ্য যে, আপনাদের সবার মাঝে ২০২০ সালটি এই পবিত্র ভূখণ্ড তুমকুরুর মাটিতে শুরু করছি। আমি আশা করি, সিদ্ধগঙ্গা মঠের এই পবিত্র শক্তি সকল দেশবাসীর জীবনকে সজীব করে তুলবে।

বন্ধুরা, আমি আজ বহু বছর পরে এখানে এসে এক আশ্চর্য শূণ্যতা অনুভব করছি। আমরা সকলেই পূজ্য স্বামী শ্রী শ্রী শিবকুমারজির শারীরিক অনুপস্থিতি অনুভব করি। তাঁকে দেখলেই জীবন কেমন প্রাণশক্তিতে ভরে উঠতো সে অভিজ্ঞতা আমার আছে। তাঁর প্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব থেকে এই পবিত্র স্থানটি অনেক দশক ধরে সমাজকে দিক-নির্দেশ করে আসছে। বিশেষ করে, একটি শিক্ষিত এবং সমান সুযোগের সমাজ গঠনের গঙ্গা এখান থেকে নিরন্তর প্রবাহিত হয়েছে। তাঁর জীবদ্দশায়, স্বামীজি তাঁর জীবনে যত মানুষকে প্রভাবিত করেছিলেন, তা খুব কমই দেখা যায়।

আমার সৌভাগ্য যে, আমি শ্রী শ্রী শিবকুমারজির স্মরণে নির্মিত যাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সুযোগ পেয়েছি। এই যাদুঘরটি কেবল মানুষকেই অনুপ্রাণিত করবে না, এটি সমাজ ও জাতীয় স্তরে আমাদের পথপ্রদর্শনের কাজ করবে। আমি আবার পূজনীয় স্বামীজীকে স্মরণ করে তাঁর চরণে প্রণাম জানাই।

বন্ধুরা, আমি এখানে এমন এক সময় এসেছি যখন আর একজন বড় সাধু কর্ণাটকের মাটির মায়া ত্যাগ করে তিরোধানে গেছেন। পেজওয়ার মঠের প্রধান বিশ্বেশ তীর্থ স্বামীর মৃত্যুতে ভারতীয় সমাজে একটা শূণ্যতা সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের আধ্যাত্মিক এবং সামাজিক জীবনের স্তম্ভগুলি আমাদের কাছ থেকে চলে গেলে একটি বড় শূণ্যতা তৈরি হয়। শারীরিক জীবনের এই গতি আমরা থামাতে পারি না, তবে আমরা অবশ্যই এই সাধুদের দেখানো পথটিকে শক্তিশালী করতে পারি, মানবতার সেবা এবং মা ভারতীর সেবায় নিজেদের উত্সর্গ করতে পারি।

বন্ধুরা, এটিও গুরুত্বপূর্ণ কারণ ভারত একুশ শতকের তৃতীয় দশকে নতুন শক্তি এবং নতুন উত্সাহ নিয়ে প্রবেশ করেছে। আপনি মনে রাখবেন গত দশকটি কেমন পরিস্থিতিতে শুরু হয়েছিল। তবে একবিংশ শতাব্দীর এই তৃতীয় দশকটি প্রত্যাশা, আকাঙ্ক্ষার শক্ত ভিত্তি নিয়ে শুরু হয়েছে।

এই আকাঙ্ক্ষা নতুন ভারতের জন্য। এই আকাঙ্ক্ষা তরুণ স্বপ্নের। এটিই দেশের ভগিনী-কন্যাদের আকাঙ্ক্ষা। এই আকাঙ্ক্ষাটি দেশের দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, বঞ্চিত, দরিদ্র, পিছিয়ে পড়া, আদিবাসীদের জন্য। এই আকাঙ্ক্ষা কী? ভারতকে সমৃদ্ধশালী, সক্ষম ও সর্বহিতকারী বিশ্বশক্তি হিসাবে দেখাতে হবে। বিশ্বের মানচিত্রে ভারতকে তার প্রকৃত মর্যাদার স্থানে প্রতিস্থাপিত করতে হবে।

বন্ধুরা, এই আকাঙ্ক্ষা পূরণে, দেশের মানুষ একটি জাতি হিসাবে বড় পরিবর্তনগুলিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এখন তা প্রত্যেক ভারতীয়ের মানসিকতায় পরিণত হয়েছে যে আমাদের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সমস্যাগুলি সমাধান করতে হবে। সমাজ থেকে উদ্ভূত এই বার্তা আমাদের সরকারকে অনুপ্রাণিত করে, উৎসাহ দেয়। এই কারণেই ২০১৪ সাল থেকে দেশটি সাধারণ ভারতীয় জীবনে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে নজিরবিহীন প্রচেষ্টা করেছে।

গতবছর আমাদের সেই প্রচেষ্টাগুলিতে একটি সমাজ হিসাবে, একটি জাতি হিসাবে শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। আজ দেশটি উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্ম মুক্ত হয়েছে। দেশের দরিদ্র বোনদের ধোয়ামুক্ত করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়েছে। দেশের প্রতিটি কৃষক পরিবারকে প্রত্যক্ষ সাহায্য, কৃষক শ্রমিক, শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সামাজিক সুরক্ষা এবং পেনশন ব্যবস্থার সাথে সংযুক্ত করার সংকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতি ও অনুশীলনের পরিবর্তনের সংকল্পও বাস্তবায়িত হচ্ছে। জম্মু ও কাশ্মীরের জীবন থেকে সন্ত্রাস ও অনিশ্চয়তা দূর করতে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করায় জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখের জনগণের নেতৃত্বে উন্নয়নের নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। এবং এসবের মাঝে, ভগবান রামের জন্মভূমিতে একটি সুন্দর মন্দির নির্মানের পথও সম্পূর্ণ শান্তি ও সহযোগিতার মাধ্যমে প্রশস্ত হয়েছে।

 

বন্ধুরা, কয়েক সপ্তাহ আগে, আমাদের সংসদ, আমাদের গণতন্ত্রের বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান, নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের ঐতিহাসিক কাজটিও করেছে। তবে কংগ্রেস ও তাঁদের সহযোগী দলগুলি, তাঁদের তৈরি রাজনৈতিক বাস্তুব্যবস্থা ভারতের সংসদের বিরুদ্ধেই উঠে দাঁড়িয়েছে। তাঁরা আমাদের যেমন ঘৃণা করেন, সেই একই স্বর এখন দেশের সংসদের বিরুদ্ধে শোনা যাচ্ছে। এরা ভারতের সংসদের বিরুদ্ধেই আন্দোলন শুরু করে দিয়েছে। এরা পাকিস্তান থেকে শরণার্থী হয়ে আসা দলিত-পীড়িতএবং শোষিতদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে।

বন্ধুরা, পাকিস্তানের জন্ম ধর্মের ভিত্তিতে হয়েছিল। ধর্মের ভিত্তিতে দেশবিভাগ হয়েছিল। আর দেশ বিভাগের সময় থেকেই পাকিস্তানে অন্যান্য ধর্মের লোকদের উপর অত্যাচার শুরু হয়েছিল। সময়ের সাথে সাথে পাকিস্তানে হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, পার্সী ও জৈনধর্মের মানুষদের উপর নিপীড়ন বেড়েছে। এই জাতীয় হাজার হাজার মানুষকে বাড়িঘর ছেড়ে শরণার্থী হয়ে ভারতে আসতে হয়েছিল।

পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচার হয়েছে, শিখদের উপর অত্যাচার হয়েছে, জৈন ও খ্রিস্টানদের উপর অত্যাচার হয়েছে, কিন্তু কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কথা বলেনি। আজ প্রত্যেক দেশবাসীর মনে একটি প্রশ্ন আছে যে যারা পাকিস্তান থেকে এদেশে এসেছেন নিজেদের জীবন বাঁচাতে, তাঁদের কন্যাদের মর্যাদা বাঁচাতে এসেছেন, এখন তাঁদের বিরুদ্ধে মিছিল করা হচ্ছে, কিন্তু যে পাকিস্তানে তাঁদের উপর এই অত্যাচার হয়েছে, তার বিরুদ্ধে এদের মুখে তালা লাগানো কেন?

পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের সহায়তা করা, তাঁদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব ছিল। আমাদের দায়িত্ব পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু  দলিত, নিপীড়িত এবং শোষিতদের তাঁদের ভাগ্যের হাতে ছেড়ে না দিয়ে, তাদের পাশে দাঁড়ানো। আমাদের দায়িত্ব পাকিস্তান থেকে আসা  শিখ নিপীড়িত এবং শোষিতদের তাঁদের ভাগ্যের হাতে ছেড়ে না দিয়ে, তাদের সাহায্য করা। আমাদের দায়িত্ব পাকিস্তান থেকে আসা  খ্রিস্টান, পার্সী ও জৈনধর্মের, দলিত, নিপীড়িত এবং শোষিতদের তাঁদের ভাগ্যের হাতে ছেড়ে না দিয়ে, তাদের পাশে দাঁড়ানো।

বন্ধুরা, আজ যারা ভারতের পার্লামেন্টের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন, আমি তাদের বলতে চাই যে আজ প্রয়োজন ছিল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাকিস্তানের এই নিন্দনীয় কুকীর্তি তুলে ধরা। আপনাদের যদি আন্দোলন করতেই হয় তবে গত ৭০ বছরে সংখ্যালঘুদের উপর পাকিস্তানের শোষণের বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠান।

যদি আপনাকে স্লোগান তুলতে হয় তবে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের উপর যেভাবে নির্যাতন চালানো হচ্ছে তার প্রতিবাদে স্লোগান দিন। যদি আপনাদের মিছিল বের করতে হয় তবে পাকিস্তান থেকে শরণার্থী হয়ে আসা হিন্দু-দলিত-নির্যাতিত-শোষিতদের সমর্থনে মিছিল করুন। যদি ধর্ণা দিতে হয় তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ধর্ণা দিন।                     

বন্ধুরা, আমাদের সরকার কয়েক দশক পুরানো সমস্যাগুলির মোকাবেলায় দিনরাত কাজ করে চলেছে। দেশের মানুষের জীবনকে সহজ করে তোলা আমাদের অগ্রাধিকার। দেশের প্রতিটি দরিদ্র পরিবারের মাথার উপর ছাদ সুনিশ্চিত করা,  প্রতিটি বাড়িতে রান্নার গ্যাস সংযোগ, প্রতিটি বাড়িতে নলের মাধ্যমে পানীয় জল সরবরাহ, প্রত্যেক মানুষের জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা,  প্রত্যেক নাগরিকের বিমা সুরক্ষা, প্রতিটি গ্রামে ব্রডব্যান্ড সংযোগ, এমন অনেক লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।

২০১৪-তে যখন আমি আপনাদের স্বচ্ছ ভারত অভিযানে অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি, আপনারা সম্পূর্ণ সামর্থ্য দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছিলেন। আপনার মতো কোটি কোটি সহযোগীর সহযোগিতায় ভারতবাসী গান্ধীজির দেড়শতম জন্মবার্ষিকীতে উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্ম থেকে নিজেদের মুক্তি দিয়েছেন।

আজ আমি ৩টি সংকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের সাধু সমাজের সক্রিয় সমর্থন চাই। প্রথমত, আমাদের আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রাচীন সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করতে মানুষকে সচেতন করতে হবে। দ্বিতীয়ত,  প্রকৃতি এবং পরিবেশ রক্ষা করা। এবং তৃতীয়, জল সংরক্ষণ, জল সঞ্চয়ের জন্য জনসচেতনতায় সহযোগিতা।

বন্ধুরা, ভারত সর্বদা সাধু, ঋষি, গুরুদের সঠিক পথের আলোকবর্তিকা রূপে দেখেছে। নতুন ভারতেও সিদ্ধগঙ্গা মঠ, আধ্যাত্মিকতা এবং আস্থার সঙ্গে যুক্ত দেশের প্রত্যেক নেতৃত্বের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনাদের ও সকল সাধুগণের আশীর্বাদ আমাদের উপর বজায় থাকুক, আপনার আশীর্বাদ সঙ্গে নিয়ে আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলি পালন করে যাবো, এই ইচ্ছা রেখে আমি আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ করছি।

আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ!

ভারত মাতার জয় হোক!

ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature

Media Coverage

IIT Delhi tops India in QS Rankings 2027; 52 Indian institutions feature
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of Prime Minister addresses the Indian Community in Paris
June 18, 2026

नमस्ते!

बों जू!

ऐसा लग रहा है, आप सब छुट्टी के मूड में हैं।

साथियों,

ये पेरिस शहर, Lights का शहर है, रंगों का शहर है, यहां Art है, Ideas हैं, और innovation की प्रेरणा भी है। इस शहर को भारत के अलग-अलग राज्यों से आए आप सभी लोग और भी खूबसूरत बना देते हैं। नए नए रंगों से भर देते हैं।

कोई तमिल है, कोई पंजाबी है, कोई गुजराती है, तो कोई मराठी है, और कोई बंगाली है। भारत के हर कोने का प्रतिनिधित्व यहां दिखाई देता है।

साथियों,

मैं जब 14 जून को नीस पहुंचा था तो सबसे पहले भारत इनोवेट्स कार्यक्रम में शामिल हुआ था। आज जब मैं फ्रांस से वापसी की तैयारी में हूं तो लग रहा है जैसे भारत कनेक्ट्स कार्यक्रम में आ गया हूं।

फ्रांस में रहने वाले आप लोगों ने 21वीं सदी के भारत-फ्रांस रिश्तों को जिस तरह कनेक्ट किया है, वो हमारी Strategic Partnership की बहुत बड़ी ताकत बन रही है। मैं आप सभी के लिए भारत से 140 करोड़ देशवासियों की शुभकामनाएं लेकर आया हूं। इस आत्मीय स्वागत के लिए, मैं आप सभी का हृदय से आभार व्यक्त करता हूं।

साथियों,

आज मैं ऐसे समय में फ्रांस आया हूं जब कुछ ही दिन पहले हमारी सरकार के 12 वर्ष पूरे हुए हैं। चुने हुए प्रधानमंत्री के रूप निरंतर 12 साल तक देश की सेवा करना मेरे जीवन का बहुत बड़ा सौभाग्य रहा है। यह भारत के लोकतंत्र की शक्ति है जिसने एक चायवाले को यहां तक पहुंचा दिया।

साथियों,

बीते 12 वर्ष, 140 करोड़ भारतीयों के अद्भुत सामर्थ्य के रहे हैं। 12 साल के इस कालखंड में भारत का GDP दोगुना हुआ है। Airports की संख्या दोगुनी हुई है। Universities की संख्या भी दोगुनी हो गई है। Highway Construction की स्पीड तीन गुना बढ़ गई। और Metro Network, चार गुणा बड़ा हो गया है।

मैं आपको कुछ और फैक्ट्स दूंगा, उससे आप अंदाजा लगा पाएंगे कि भारत किस स्पीड और कितने बड़े स्केल पर काम कर रहा है। पिछले 12 वर्षों में भारत का Defence Export 35 गुणा यानि Thirty Five Times बढ़ गया है।

औऱ एक फैक्ट सुनिए भारत में मोबाइल मैन्यूफैक्टरिंग यूनिट्स में, 100 गुणा की बढ़ोतरी हुई है। 100 times. भारत अब दुनिया का दूसरा सबसे बड़ा mobile phone manufacturer है। इसी गति, इसी प्रगति का नतीजा है कि आज भारत दुनिया की Fastest Growing Major Economy है।

साथियों,

आज भारत की कहानी सिर्फ Economic Progress की कहानी नहीं है। सिर्फ यहाँ अटक नहीं जाती है। ये Social Transformation की भी कहानी है।

पिछले 12 साल में देश में 25 करोड़ लोग गरीबी से बाहर निकले हैं। यानि एक ऐसी प्रगति जिसका लाभ समाज के अंतिम व्यक्ति तक पहुंच रहा है। फ्रांस में जितने घर हैं, उससे भी अधिक पक्के घर बीते 12 वर्ष में हमने जरूरतमंदों के लिए बनाए हैं।

अब हर परिवार के पास, गरीब से गरीब क्यों न हो, Bank Account है। Financial Inclusion एक सरकारी कार्यक्रम नहीं, बल्कि सामाजिक परिवर्तन का अभियान बना है।

साथियों,

इन 12 वर्षों की उपलब्धियों में, एक उपलब्धि ऐसी भी है जिसे किसी आंकड़े से, या अंकों से, नहीं मापा जा सकता। वह है 140 करोड़ भारतीयों का आत्मविश्वास।

आज का भारत और आज के भारत का युवा बहुत बड़े सपने देख रहा है। भारत का किसान नई संभावनाओं के साथ आगे बढ़ रहा है। भारत की महिलाएं नए नेतृत्व का परिचय दे रही हैं। इसलिए ये सिर्फ Achievements के 12 साल नहीं हैं, ये भारत की एस्पिरेशन्स को नई बुलंदी देने का कालखंड रहा है।

साथियों,

एक समय था जब दूर-दराज के गांवों तक आधुनिक सुविधाएं पहुंचाना वाकई बहुत मुश्किल भरा था। आज उन्हीं गांवों में बिजली भी है, इंटरनेट भी है, और डिजिटल सेवाओं की पूरी दुनिया भी है। आज एक क्लिक पर, कभी भी, कहीं भी बैंकिंग सेवाएं उपलब्ध हैं।

आज मोबाइल फोन, भारत के नागरिकों को अनेक सुविधाओं से कनेक्ट कर रहा है। हमारे किसान, हमारे मछुआरे, हमारे dairy farmers, हमारी महिलाएं, हमारे स्टूडेंट्स, सभी टेक्नोलॉजी के माध्यम से सशक्त हो रहे हैं, और अपने लिए नए अवसर बना रहे हैं।

साथियों,

आपने 125 करोड़ से अधिक Aadhaar IDs के बारे में सुना है। लेकिन आज भारत सिर्फ पहचान को डिजिटल नहीं बना रहा। आज करीब 90 करोड़ भारतीयों की Unique Digital Health IDs बनाई जा चुकी हैं। जिससे मेडिकल रिकॉर्ड सुरक्षित और accessible बन गए हैं। इससे हेल्थकेयर डिलीवरी और अधिक आसान और efficient हो रही है।

साथियों,

इन उपलब्धियों की सबसे बड़ी विशेषता यह है कि इनमें से अधिकांश चीजें कुछ वर्ष पहले तक कल्पना जैसी लगती थीं। कौन सोच सकता था कि गांव-गांव तक हाई-स्पीड इंटरनेट पहुंचेगा ? कौन सोच सकता था कि दूर-सुदूर के गांवों में भी QR code जीवन का हिस्सा बन जायेगा ? गांव में कोई बहन, ड्रोन से खेती करने में मदद करेगी, ये भी असंभव लगता था।

लेकिन आज यह सब, भारत के करोड़ों लोगों के जीवन का सामान्य हिस्सा बनता जा रहा है। और आपको गर्व होगा साथियों, यही नए भारत की पहचान है।

जो कभी सपना था, वह आज सच्चाई है। जो कभी नामुमकिन लगता था, वो आज मुमकिन हुआ है, औऱ ये करने के पीछे सबसे बड़ी ताकत क्या है? किसकी वजह से ये सब संभव हुआ है? यह मोदी के कारण नहीं, वो ताकत है- भारत का लोकतंत्र, भारत की डेमोक्रेसी। इस डेमोक्रेसी में सबका साथ है, सबका विकास है।

साथियों,

आज से 50 या 100 साल बाद जब भारत के इस कालखंड की समीक्षा होगी, तो ये बात उभरकर सामने आएगी कि इस कालखंड को भारत की Aspirations ने ड्राइव किया। यह भारत के एस्पिरेशन्स का नया युग है।

जहां बिजली पहुंची है, वहां लोग सिर्फ बिजली नहीं चाहते, वे Smart Living चाहते हैं। जहां ट्रेन पहुंची है, वहां लोग High-Speed Connectivity चाहते हैं। जहां हाईवे बने हैं, वहां लोग World-Class Expressways चाहते हैं। जहां इंटरनेट पहुंचा है, वहां लोग AI और Digital Innovation में नेतृत्व चाहते हैं।

यानि आज भारत के लोग अपने जीवन को भी Next Level पर ले जाना चाहते हैं, और भारत को भी Next Level पर ले जाना उनका मकसद है, उनका संकल्प है, उनके सपने है।

और साथियों,

यही Aspirations आज भारत की विकास यात्रा की सबसे बड़ी शक्ति हैं। मैं आपको भारत की Space Journey का उदाहरण दूंगा।

भारत ने चंद्रयान को चंद्रमा के South Pole पर उतारा। दुनिया ने इसे एक बहुत बड़ी उपलब्धि माना। लेकिन भारत इसे अपनी मंजिल मानकर रुका नहीं। आज देश गगनयान की तैयारी कर रहा है। भारत अंतरिक्ष में अपना Space Station बनाने की दिशा में आगे बढ़ रहा है।

हमारे Space Startups Global Space Economy में अपनी जगह बनाने के लिए पुरजोश काम कर रहे हैं, आगे बढ़ रहे हैं।

साथियों,

Green Energy के क्षेत्र में भी भारत की यही एस्पिरेशंस दिखाई देती है। Solar Power में भारत की उपलब्धियों की दुनिया भर में लगातार चर्चा हो रही हैं। लेकिन भारत अगली छलांग की तैयारी कर रहा है।

Green Hydrogen में बड़े निवेश हो रहे हैं। Advanced Nuclear Energy पर तेजी से काम हो रहा है। आपने भारत के Fast Breeder nuclear Reactor से जुड़ी प्रोग्रेस के बारे में भी सुना ज़रूर होगा। ये भारत के न्यूक्लियर एनर्जी लैंडस्केप में क्रांतिकारी परिवर्तन करने का बहुत बड़ा अचीवमेंट हमारे सीसेन्टिस्टों ने किया है।

साथियों,

आज का भारत भविष्य का पूरा Ecosystem बना रहा है। भारत एक साथ हर उस क्षेत्र में निवेश कर रहा है, जो आने वाले दशकों की दिशा तय करेगा।

अभी आपने कुछ दिन पहले ही देखा है नीस में भारत इनोवेट्स का एक आयोजन किया। ये इवेंट भारत के डीप टेक सामर्थ्य को दुनिया तक पहुंचाने का एक और माध्यम था। इसमें भारत के 120 Deep-Tech Startups उपस्थित थे। Bharat Innovates में करीब एक हजार चार सौ B2B Meetings हुईं है। कई Startups के लिए Investment Commitments आगे बढ़ीं, Commercial Orders के लिए रास्ते खुले। French और European Universities तथा Incubators के साथ Engagements बढ़ रही हैं।

Student Exchanges, Joint Research, और Innovation Support के नए रास्ते बने। इसलिए Bharat Innovates सिर्फ एक Summit नहीं रहा। यह Innovation Diplomacy का एक नया मॉडल बना है।

और आज ही पेरिस में VivaTech इवेंट के जरिए, इस यात्रा को हमने और आगे बढ़ाया। नीस में हमने Ideas को Capital से जोड़ा और पेरिस में Indian Innovation को Global Scale से जोड़ा। आज दुनिया देख रही है भारत केवल भविष्य के लिए तैयार नहीं हो रहा है। भारत भविष्य को आकार दे रहा है।

साथियों,

एक समय था, जब देशों के बीच रिश्ते केवल व्यापार से तय होते थे। आज व्यापार के साथ-साथ Trust यानि भरोसा भी उतना ही महत्वपूर्ण हो गया है।

हर देश Reliable Supply Chains चाहता है। हर देश Stable Partnerships चाहता है। हर देश ऐसे साथियों की तलाश में है, जिन पर लंबे समय तक भरोसा किया जा सके। और ऐसे समय में, भारत विश्व में एक Trusted Partner के रूप में उभर रहा है।

एवियां में G7 बैठक के दौरान मैंने trust based partnerships बनाने पर ज़ोर दिया। ग्लोबल साउथ के देशों के साथ equal पार्टनर्स के रूप में आगे बढ़ने का आह्वान किया। भारत का G7 समिट में संदेश था Global Governance तभी प्रभावी होगी जब वह Inclusive होगी। Global Growth तभी Sustainable होगी जब वह शेयर्ड होगी। और Global Technology तभी मानवता के लिए उपयोगी होगी जब वह Trusted होगी।

साथियों,

भारत और दुनिया के बीच व्यापारिक रिश्तों में नई ऊर्जा नज़र आ रही है। फ्रांस के साथ भारत का ट्रेड लगतार बढ़ रहा है। पिछले कुछ वर्षों में भारत ने दुनिया के अनेक देशों के साथ Free Trade Agreements किए हैं। यूरोपियन यूनियन हो, यूनाइटेड किंगडम हो दुनिया के हर देश, हर रीजन के साथ भारत समझौते कर रहा है।

अगले महीने से भारत और UK के बीच ट्रेड एग्रीमेंट भी लागू हो जाएगा। यह एग्रीमेंट भारत के farmers, workers और innovators को अनेक नए अवसर प्रदान करेगा।

साथियों,

आज दुनिया Uncertainty और Disruption के दौर से गुजर रही है। ऐसे समय में भारत और फ्रांस की साझेदारी विश्वास, स्थिरता और सहयोग का एक मजबूत स्तंभ बन रहा है।

इस वर्ष हमने भारत और फ्रांस के संबंधों को Special Global Strategic Partnership का दर्जा दिया था। नीस में मेरे मित्र President Macron और मैंने हमारे संबंधों को force for global good बनाने पर चर्चा की। Defence से लेकर space और नुक्लियर तक AI और क्रिटीकल मिनरल्स से लेकर high speed railway तक, हर क्षेत्र में हम मिलकर आगे बढ़ेंगे।

साथियों,

Solar energy हो, या AI के क्षेत्र में सहयोग हो, भारत और फ्रांस मिलकर ऐसे समाधान विकसित कर रहे हैं जो पूरी मानवता के हित में हैं। पिछले वर्ष पेरिस में और इस वर्ष दिल्ली में हमने AI Summit को Co-chair किया।

अब हम साथ मिलकर अगले वर्ष “तृष्णा” satellite को लॉन्च करने जा रहें हैं। यह “तृष्णा” satellite जो विश्व में फूड और वाटर सिक्युरिटी सुनिश्चित करने में योगदान देगा।

और साथियों,

यह सभी गवर्नमेंट टू गवर्नमेंट पहलो में आप सभी का योगदान बहुत महत्वपूर्ण है। ये आप हैं जो भारत और यूरोप के बीच सबसे मजबूत सेतु हैं। आप दोनों समाजों को समझते हैं। दोनों बाजारों को समझते हैं। आने वाले समय में Talent, Trade, Technology, Tourism और Investment के नए अवसरों को आगे बढ़ाने में आपकी भूमिका लगातार बढ़ने वाली हैं।

साथियों,

भारत और फ्रांस के रिश्तों को साझा इतिहास, साझा मूल्यों और साझा विश्वास ने आगे बढ़ाया है। विश्व युद्धों के दौरान फ्रांस की धरती पर बलिदान देने वाले भारतीय सैनिकों की स्मृतियां आज भी हमें जोड़ती हैं।

मुझे पहले नव शापेल में श्रद्धांजलि देने का अवसर मिला, पिछले वर्ष प्रेसिडेंट मैक्रों के साथ मार्सेय के वॉर मेमोरियल जाने का अवसर भी मिला। ये हमारी साझा विरासत है।

फ्रांस, भारतीयों के योगदान को संजोता भी है और सराहता भी है। भारतीय मूल की नूर इनायत खान हों, जिन्होंने फ्रांस की Resistance के लिए अपना जीवन बलिदान किया, या महाराजा रणजीत सिंह के साथ काम करने वाले जनरल जां फ्रांस्वा अलार हों ये सभी भारत और फ्रांस की साझा विरासत के प्रतीक हैं।

भारत के राज्य पुडुचेरी में भी फ्रेंच विरासत की झलक दिखाई देती है। वहां का Architecture, वहां की कला-संस्कृति और खान-पान सभी में हमारे संबंधों की महेक है।

साथियों,

इस समय फ्रांस समेत पूरी दुनिया में International Yoga Day की तैयारी भी चल रही है। इस अवसर पर मैं, फ्रांस में योग को आगे बढ़ाने वाले श्रीमान महेश घाट्राड्याल जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धांजलि देता हूं। मैं पद्म पुरस्कार से सम्मानित, शार्लोत शोपां जी को भी प्रणाम करता हूं। जिन्होंने सौ वर्ष की आयु में भी, योग के माध्यम से फ़्रांस को भारत की विरासत से जोड़ा है। उनका जीवन यह सिद्ध करता है: Yoga does not add years to life, it adds life to years.

साथियों,

मैं फ्रेद नेग्री जी को भी आदरपूर्वक श्रद्धापूर्वक याद करता हूं। भारतीय विरासत को संरक्षित करने में उनका योगदान अतुल्य रहा है।

साथियों,

भारत और फ्रांस को कनेक्ट करने वाली एक और चीज है, और वो है फुटबॉल। इस वक्त यहां फुटबॉल फीवर पूरे जोर पर है। फ्रांस में इसकी दीवानगी, चप्पे-चप्पे पर दिखती है। लेकिन भारत में भी फुटबॉल का क्रेज़ सिर चढ़कर बोलता है।

खासतौर पर फ्रांस की टीम के फैन्स भारत में बहुत अधिक हैं। फ़्रांस ने इस वर्ल्ड कप की शुरुआत एक जोरदार जीत से शुरू की है। मैं फ्रांस की टीम को बहुत-बहुत शुभकामनाएं देता हूं।

साथियों,

जाने से पहले, आप सभी के लिए कुछ और अच्छी खबरें भी लेकर के आया हूँ। वो आपके लिए हैं। पिछले वर्ष, मार्सेय में कॉन्सुलेट खोला गया, इससे काफी अधिक सुविधा मिल रही है। कुछ हफ्ते पहले, Indian Nationals के लिए French Airports पर Visa-free Transit की व्यवस्था शुरू हो गई है।

Students और Professionals की Mobility बढ़ाना हो, या Educational Qualifications की Mutual Recognition की बात हो, या फिर French Universities के भारत में Campus खोलना हो, इन सभी पर हम मिलकर आगे बढ़ रहें हैं।

अब फ्रांस में UPI के उपयोग का दायरा भी और बढ़ने जा रहा है। यानि भारत-फ्रांस कनेक्ट भी Instant और आपसी Payment भी Instant!

साथियों,

इन सभी पहलों से, हम भारत और फ़्रांस को और करीब ला रहें हैं। और मैं फिर कहूंगा इस साझेदारी की नींव, इस रिश्ते की असली ताकत आप सभी हैं। आप सब मेरे देशवासी हैं।

आज जब भारत तेज़ी से विकसित भारत के लक्ष्य की ओर बढ़ रहा है, तो मैं आप सभी से भारत के साथ और गहराई से जुडने का आग्रह करूंगा। इससे भारत की विकास यात्रा को नई शक्ति मिलेगी, और आपको अपनी पुरखों की धरती की सेवा करने का अवसर भी मिलेगा।

इन्हीं शब्दों के साथ आप सभी के प्रेम आपके उत्साह और इस आत्मीय स्वागत के लिए मैं एक बार फिर आप सभी का आभार व्यक्त करता हूं।

भारत माता की जय!

बहुत बहुत धन्यवाद।