PM Modi inaugurates the Amma Two Wheeler Scheme in Chennai, pays tribute to Jayalalithaa ji
When we empower women in a family, we empower the entire house-hold: PM Modi
When we help with a woman's education, we ensure that the family is educated: PM
When we secure her future, we secure future of the entire home: PM Narendra Modi

জয়ললিতাজির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর উদ্দেশে আমি শ্রদ্ধা নিবেদন করি।আপনাদের সকলকে জানাই আমার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জয়ললিতাজি যেখানেই থাকুন না কেন,আপনাদের সুখী হতে দেখে তিনিও বিশেষ সুখী হবেন বলেই আমি মনে করি।  
  

তাঁর একটি স্বপ্নের প্রকল্প ‘আম্মা টু হুইলার’ কর্মসূচির আজ সূচনা করতেপেরে আমি আনন্দিত। আম্মার ৭০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তামিলনাডুতে ৭০ লক্ষবৃক্ষরোপণ করা হবে বলে আমি জানতে পেরেছি। এই দুটি কর্মসূচি নারী ক্ষমতায়ন এবংপ্রকৃতি সুরক্ষার কাজকে অনেকটাই এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।  

  
বন্ধুগণ,   

  
পরিবারের মহিলা সদস্যদের আমরা যখন ক্ষমতায়নের সুযোগ দান করি তখন আমরা সমগ্রপরিবারেরই ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করি। যখন কোনও মহিলাকে শিক্ষার দিক থেকে আমরা সাহায্যকরি, তখন আমরা সমগ্র পরিবারটির শিক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করি। যখন আমরা কোনও মহিলারসুস্বাস্থ্যের সুযোগ-সুবিধা প্রসারে উদ্যোগী হই, তখন সমগ্র পরিবার যাতে সুস্থ সবলথাকে সেই বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করি। একজন নারীর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার মাধ্যমেএকটি গৃহস্থ পরিবারের ভবিষ্যতকে আমরা নিশ্চয়তা দান করি। ঠিক এই লক্ষ্যেই আমরা কাজকরে চলেছি।  

  
বন্ধুগণ,   

  
সাধারণ নাগরিকদের স্বার্থে জীবনযাত্রার মানকে সহজতর করে তোলার ওপর বিশেষদৃষ্টি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে আমাদের সবকটি প্রকল্প ওকর্মসূচি। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুলভ ঋণ সহায়তা,স্বাস্থ্য পরিষেবা কিংবা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা – যাই হোক না কেন, এটাই হ’ল আমাদেরমূল মন্ত্র। এই মন্ত্রকে সম্বল করে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার কাজ করে চলেছে।   
  

প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার আওতায় ১১ কোটিরও বেশি ঋণ সহায়তা মঞ্জুর করাহয়েছে। কোনও রকম ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি ছাড়াই জনসাধারণের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ৪লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এই প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হ’ল এই যে সুফলগ্রহীতাদের ৭০ শতাংশই কিন্তু মহিলা।   

  
ভারতের নারী সমাজ যে বহু যুগের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে স্বনির্ভরকর্মসংস্থানের পথে এগিয়ে চলেছেন, কর্মসূচিটির সাফল্য একথাই প্রমাণ করে। নারীক্ষমতায়নের লক্ষ্যে আমরা আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। সাম্প্রতিক কেন্দ্রীয়বাজেটে আমরা ঘোষণা করেছি যে নতুন মহিলা কর্মীদের ক্ষেত্রে ইপিএফ বাবদ প্রদেয় অর্থতিন বছরের জন্য ১২ শতাংশের পরিবর্তে ৮ শতাংশ ধার্য করা হবে। কিন্তু নিয়োগকর্তারপ্রদেয় অর্থ ১২ শতাংশ হারেই অপরিবর্তিত থাকবে।   

স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া কর্মসূচির আওতায় মহিলা শিল্পোদ্যোগীদের দেওয়া হবে ১০লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সহায়তা। রাজ্যগুলির প্রস্তাব ও পরামর্শঅনুযায়ী কল-কারাখানা সম্পর্কিত আইনটিতেও আমরা একটি পরিবর্তন এনেছি। যার ফলে, নাইটশিফ্‌ট-এ অর্থাৎ রাতেও মহিলাদের কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। মাতৃত্বকালীন ছুটিও ১২সপ্তাহ থেকে আমরা বাড়িয়ে দিয়েছি ২৬ সপ্তাহ পর্যন্ত।  
  

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সুফল গ্রহীতাদের জন্য বাসস্থান নির্দিষ্টমহিলাদের নামেই নথিভুক্তির ব্যবস্থা রয়েছে।   
  
জন ধন যোজনাটি মহিলাদের বিশেষভাবে সাহায্য করেছে। ৩১ কোটি জন ধনঅ্যাকাউন্টের মধ্যে ১৬ কোটি অ্যাকাউন্ট গ্রহীতাই হলেন মহিলা। ২০১৪ সালে মহিলাদেরঅ্যাকাউন্ট যেখানে ছিল ২৮ শতাংশের মতো এখন তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ শতাংশ।স্বচ্ছ ভারত কর্মসূচি মহিলাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করেছে।দেশে গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রসার ৪০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮শতাংশে। সবকটি সরকারি স্কুলে ছাত্রীদের জন্য শৌচাগার নির্মাণের বিষয়টিকে আমরা একটিবিশেষ অভিযান হিসাবে গ্রহণ করেছি।  

বন্ধুগণ,  
  

জনসাধারণের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি প্রকৃতির সুরক্ষা সম্পর্কিত বেশ কিছুকর্মসূচিও কেন্দ্রীয় সরকার গ্রহণ করেছে। উজালা কর্মসূচির আওতায় বন্টন করা হয়েছে ২৯কোটি এলইডি বাল্ব। এর ফলে, বিদ্যুৎ বিলে সাশ্রয় ঘটেছে ১৫ হাজার কোটি টাকার। কার্বনডাই অক্সাইড নির্গমনের মাত্রাও তাৎপর্যপূর্ণভাবেই হ্রাস পেয়েছে।   

  
উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় বিনামূল্যে ৩ কোটি ৪০ লক্ষ রান্নার গ্যাস সংযোগদেওয়া হয়েছে এ পর্যন্ত। ধোঁয়া মুক্ত পরিবেশে রান্নাবান্নার সুযোগ লাভের মাধ্যমেউপকৃত হয়েছেন মহিলারা। কেরোসিনের ব্যবহার কম হওয়ায় পরিবেশ সুরক্ষার কাজেও সুবিধাহয়েছে। শুধুমাত্র তামিলনাডুতেই এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন ৯ লক্ষ ৫০ হাজারমহিলা।  

  
দেশের পল্লী অঞ্চলে গ্যাসের যোগান বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রসারেরকথা মনে রেখে কেন্দ্রীয় সরকার গোবর-ধন প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে। এই কর্মসূচিরলক্ষ্য হ’ল গোবর এবং কৃষি বর্জ্যকে কম্পোস্ট, বায়োগ্যাস এবং বায়ো সিএনজি-তেরূপান্তরিত করা। এরফলে, একদিকে যেমন আয় ও উপার্জন বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে তেমনইহ্রাস পাবে গ্যাসের জন্য ব্যয়ের মাত্রাও।  
  

বন্ধুগণ,  
  

কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে বর্তমানে তামিলনাডুতে রূপায়িত হচ্ছে ২৪ হাজারকোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের প্রকল্প। এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসার পরই এইপ্রকল্পগুলির কাজ শুরু হয়েছে। এগুলির মধ্যে রয়েছে – সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, অশোধিততেলের পাইপ লাইন, জাতীয় মহাসড়ক এবং বন্দর সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজকর্ম। চেন্নাইমেট্রো রেলের জন্য মঞ্জুর করা হয়েছে ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকারও বেশি।   
  

কংগ্রেস সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকাকালীন ত্রয়োদশ অর্থ কমিশনের আওতায়তামিলানাডুকে দেওয়া হয়েছিল ৮১ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এনডিএ সরকার ক্ষমতাসীনহওয়ার পর চতুর্দশ অর্থ কমিশনের আওতায় তামিলনাডুকে দেওয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৮০ হাজারকোটি টাকা। অর্থাৎ, ১২০ শতাংশ বেশি অর্থ দেওয়া হয়েছে এই রাজ্যটিকে।   
  

আগামী ২০২২ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি দরিদ্র মানুষের যাতে একটি করে নিজস্ববাসস্থান থাকে, সেই লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত তিন বছরে নির্মিতহয়েছে প্রায় ১ কোটির মতো বাসস্থান।   
  

গ্রামীণ আবাসন কর্মসূচির জন্য ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে তামিলনাডুকে দেওয়া হয় ৭০০কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ২০০ কোটি টাকার মতো অর্থ এই লক্ষ্যে দেওয়া হয়েছে এইরাজ্যটিকে। অন্যদিকে, শহরাঞ্চলের জন্য আবাস নির্মাণ প্রকল্পে তামিলনাডুকে দেওয়াহয়েছে ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।   

বন্ধুগণ,  
  

প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা রূপায়ণের ফলেও উপকৃত হয়েছেন তামিলনাডুর কৃষকসাধারণ। এই কর্মসূচির আওতায় এই রাজ্যের কৃষকদের ২,৬০০ কোটি টাকারও বেশি দাবিদাওয়ামিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।  
  

তামিলনাডুর মৎস্যচাষের আধুনিকীকরণেও সচেষ্ট রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। নীলবিপ্লব কর্মসূচির আওতায় মৎস্যজীবীদের লং লাইনার ট্রলারের জন্য আমরা আর্থিক সহায়তা দানেরব্যবস্থা করেছি। গত বছর ৭৫০-এরও বেশি সংখ্যক সাধারণ নৌকাকে লং লাইনার ট্রলারেরূপান্তরিত করতে রাজ্য সরকারকে আমরা দিয়েছি ১০০ কোটি টাকা। এর ফলে, মৎস্যজীবীদেরজীবনযাত্রা আরও সহজ হয়ে ওঠা ছাড়াও এই ধরণের ট্রলারগুলির সাহায্যে তাঁরা আরও বেশিঅর্থ উপার্জন করতে পারবেন।  
  

ভারতের রয়েছে সমুদ্র সম্পদের এক বিশাল ভাণ্ডার। সুদীর্ঘ উপকূল রেখারকল্যাণে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনাও। সাগরমালা কর্মসূচি রূপায়িত হচ্ছে কেন্দ্রীয়সরকারের পক্ষ থেকে। এর সুবাদে অন্তর্দেশীয় এবং বৈদেশিক বাণিজ্য খাতে ব্যয়েরমাত্রাও অনেকাংশে হ্রাস পাবে। ভারতের উপকূল রেখা বরাবর বসবাসকারী সাধারণ মানুষ এরফলে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। 
  

সাম্প্রতিককালে ঘোষিত কেন্দ্রীয় বাজেটে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ কর্মসূচির কথা আমরাউল্লেখ করেছি। এর আওতায় প্রতিটি দরিদ্র পরিবার চিহ্নিত হাসপাতালগুলিতে প্রতি বছর ৫লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুযোগ লাভ করবেন সম্পূর্ণ বিনা খরচে। এর ফলে, উপকৃতহবেন দেশের ৪৫ থেকে ৫০ কোটি সাধারণ মানুষ।   
  

‘প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা’ এবং ‘জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা’র আওতায়বিমার সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে ১৮ কোটিরও বেশি জনসাধারণের কাছে। ৮০০টিরও বেশিজনওষধি কেন্দ্রের মাধ্যমে অনেক স্বল্প খরচে ওষুধের যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিআমরা।  
  

জনসাধারণের জীবনযাত্রায় এক ইতিবাচক পরিবর্তন সুনিশ্চিত করে তুলতে আমরাঅঙ্গীকারবদ্ধ।  

  
আমি আরও একবার শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই জয়ললিতাজির উদ্দেশে। আপনাদের সকলকেজানাই আমার বিশেষ শুভেচ্ছা।  
 

ধন্যবাদ।  
  

আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India stands tall in shaky world economy as Fitch lifts FY26 growth view to 7.5%

Media Coverage

India stands tall in shaky world economy as Fitch lifts FY26 growth view to 7.5%
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Barak Valley will become a major logistics and trade hub for the North East: PM Modi in Silchar, Assam
March 14, 2026
Today, North-East India is the center of India’s Act East Policy; It is becoming a bridge that connects India with South-East Asia: PM
The farmers of Barak Valley and tea garden workers have made a significant contribution to Assam’s development; the Government is continuously working for farmers’ welfare: PM
We consider border villages as the nation’s first villages; the next phase of the Vibrant Village Programme was launched from Cachar district to boost development in several Barak Valley villages as well: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

प्रानोप्रिय बोराक उपत्यकार, सम्मानित नागरिकवृंद, आपनादेर शोबाई के आमार प्रोणाम जानाई।

राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री हिमंता बिस्वा सरमा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी सर्बानंद सोनोवाल जी, उपस्थित राज्य सरकार के मंत्रीगण, जनप्रतिनिधिगण और मेरे प्यारे भाईयों और बहनों।

संस्कृति, साहस और जीवंतता से भरपूर बराक वैली के आप सभी परिवारजनों के बीच आना बहुत विशेष अनुभव रहता है। सिलचर को तो बराक घाटी का गेटवे कहा जाता है। ये वो जगह है जहां इतिहास, भाषा, संस्कृति और उद्यम ने मिलकर अपनी एक विशेष पहचान बनाई है। यहां बांग्ला बोली जाती है, असमिया की गूँज सुनाई देती है और अन्य जनजातीय परंपराएं भी फुलती-फलती हैं। यहां इतनी विविधता को अपनी ताकत बनाकर आप सभी भाईचारे के साथ, सद्भाव के साथ, इस पूरे क्षेत्र का विकास कर रहे हैं। ये बराक वैली का बहुत बड़ा सामर्थ्य है

साथियों,

बराक नदी के उपजाऊ मैंदानों ने, यहां के चाय बागानों ने, यहां के किसानों को, यहां के ट्रेड रूट्स को, एजुकेशन सेंटर्स को हमेशा प्रोत्साहित किया है। ये क्षेत्र असम ही नहीं, पूरे नॉर्थ ईस्ट और पश्चिम बंगाल को भी कनेक्ट करता है। बराक घाटी के इसी महत्व को 21वीं सदी में और अधिक सशक्त करने के लिए मैं आज आपके बीच आया हूं, आपके आशीर्वाद लेने आया हूं। थोड़ी देर पहले यहां बराक वैली की कनेक्टिविटी से जुड़े, नॉर्थ ईस्ट की कनेक्टिविटी से जुड़े, हजारों करोड़ रूपये के प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। रोड़ हो, रेल हो, एग्रीकल्चर कॉलेज हो, ऐसे हर प्रोजेक्ट्स से बराक वैली नॉर्थ ईस्ट का एक बड़ा लॉजिस्टिक और ट्रेड हब बनने जा रहा है। इससे यहां के नौजवानों के लिए रोजगार के, स्वरोजगार के अनगिनत, अनगिनत अवसर बनने जा रहे हैं। मैं आप सभी को इन सभी विकास परियोजाओं के लिए बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आजादी के अनेक दशकों तक कांग्रेस की सरकारों ने नॉर्थ ईस्ट को दिल्ली से और दिल से, दोनों से ही दूर रखा। कांग्रेस ने नॉर्थ ईस्ट को एक प्रकार से भुला दिया था। लेकिन बीजेपी की डबल इंजन सरकार ने नॉर्थ ईस्ट को ऐसे कनेक्ट किया है कि आज हर तरफ इसकी चर्चा है। आज नॉर्थ ईस्ट भारत की एक्ट ईस्ट पॉलिसी का केंद्र है, दक्षिण पूर्व एशिया के साथ भारत को जोड़ने वाला सेतु बन रहा है।

लेकिन साथियों,

जैसे कांग्रेस ने नॉर्थ ईस्ट को अपने हाल पर छोड़ दिया था, ठीक वैसे ही बराक वैली को भी बेहाल करने में कांग्रेस की बहुत बड़ी भूमिका रही है। जब देश आज़ाद हुआ, तो कांग्रेस ने ऐसी बाउंड्री खींचने दी, जिससे बराक घाटी का समंदर से संपर्क ही कट गया। जो बराक वैली कभी ट्रेड रूट के रूप में, एक औद्योगिक केंद्र के रूप में जानी जाती थी, उस बराक वैली से उसकी ताकत ही छीन ली गई। आज़ादी के बाद भी दशकों तक कांग्रेस की सरकारें रहीं, लेकिन बराक घाटी के विकास के लिए कुछ खास नहीं हुआ।

साथियों,

बीजेपी की डबल इंजन सरकार, इस स्थिति को बदल रही है। हम बराक घाटी को फिर से व्यापार कारोबार का बड़ा हब बनाने के लिए निरंतर काम कर रहे हैं। आज इस दिशा में एक बहुत बड़ा और अत्यंत महत्वपूर्ण कदम उठाया जा रहा है। आज करीब 24 हजार करोड़ रुपए के शिलांग-सिलचर हाई-स्पीड कॉरिडोर का भूमि पूजन हुआ है, 24 हजार करोड़ रुपए, कितने? कितने? 24 हजार करोड़ रुपए। कितने? कितने? कितने? ये जरा कांग्रेस वालों को पूछना, जरा कागज पेन देना और उनको कहना कि जरा कागज पर 24 हजार करोड़ लिखो तो, कितने, कितने जीरो लगते हैं, आएगा नहीं उनको। ये कांग्रेस वालों के दिमाग का ताला जहां बंद हो जाता है ना, वहां हमारा काम शुरू हो जाता है। यह नॉर्थ-ईस्ट का पहला Access Controlled High-Speed Corridor होगा।

साथियों,

ये सिर्फ एक हाईवे प्रोजेक्ट नहीं है, ये नॉर्थ ईस्ट के लोगों के दशकों पुराने इंतजार का अंत हो रहा है। इस कॉरिडोर से सिलचर, मिजोरम, मणिपुर और त्रिपुरा, ये सब राज्य कनेक्ट होने वाले हैं। इन तीनों राज्यों से आगे बांग्लादेश और म्यांमार हैं और फिर आगे दक्षिण-पूर्व एशिया का विशाल बाजार है। यानी बराक घाटी, एक बहुत उज्जवल भविष्य की तरफ जुड़ने का आज शिलान्यास कर रही है। इसका फायदा असम सहित पूरे नॉर्थ ईस्ट के किसानों को होगा, यहां के नौजवानों को होगा। इतनी अच्छी कनेक्टिविटी वाले ये सारा क्षेत्र बनने से, इस पूरे क्षेत्र में इंडस्ट्री को बल मिलेगा, टूरिज्म को फायदा होगा और सबसे बड़ी बात, हिन्दुस्तान का कोना-कोना आसानी से आप लोगों से जुड़ जाने वाला है।

साथियों,

आप सभी यहां सिलचर में ट्रैफिक को लेकर भी काफी परेशान रहे हैं। अब सिलचर फ्लाईओवर से ये समस्या भी कम हो जाएगी। सिल्चर मेडिकल कॉलेज, NIT सिल्चर और असम यूनिवर्सिटी में पढ़ाई कर रहे युवा साथियों के लिए, ये बहुत अच्छी सुविधा हो गई है। इससे आने-जाने में उनका बहुत ही कीमती समय बचने वाला है।

साथियों,

डबल इंजन की बीजेपी सरकार, असम की रेल कनेक्टिविटी पर भी बहुत अधिक काम कर रही है। खासतौर पर रेलवे का बिजलीकरण हमारी बहुत बड़ी प्राथमिकता रहा है। अब असम का ढाई हजार किलोमीटर से अधिक का रेल नेटवर्क, अब इलेक्ट्रिफाई हो चुका है। अब यहां भी तेज़ गति से ट्रेनें चल पाएंगी, इससे बराक वैली के स्वच्छ वातावरण को भी फायदा मिलेगा।

साथियों,

बराक वैली के किसानों और यहां के चाय-बागानों में काम करने वाले श्रमिकों का असम के विकास में बहुत बड़ा योगदान है। डबल इंजन सरकार किसानों के कल्याण के लिए निरंतर कदम उठा रही है। कल ही, गुवाहाटी से मैंने पीएम किसान सम्मान निधि की अगली किश्त जारी की है। अब तक पीएम किसान सम्मान निधि का देश के किसानों को लाखों करोड़ रूपया, और अकेले हमारे असम के किसानों को 20 हजार करोड़ रुपए से ज्यादा पैसा असम के किसानों को मिल चुका है। अब आप सोचिये, हमने 10 साल में यहां के किसानों की जेब में, 20 हजार करोड़ रुपया उनकी जेब में दिया है। ये कांग्रेस वालों ने 10 साल राज किया, प्रधानमंत्री तो असम से चुनकर के गए थे, उसके बावजूद भी एक फूटी कौड़ी नहीं दी, एक फूटी कौड़ी किसानों को नहीं दी, हमने 20 हजार करोड़ रूपया दिया है। कल बराक वैली के हज़ारों किसानों के खाते में भी, ये आखिरी किस्त भी पहुंची है, ये वाली किस्त पहुंची है और फिर जब चुनाव के बाद आएगा समय, तब भी पहुंचेगी। ये पैसा खेती से जुड़ी छोटी-छोटी जरूरतों को पूरा करने में, मेरे गांव के छोटे-छोटे किसान भाई-बहनों को बहुत बड़ी मदद कर रहा है।

साथियों,

बराक वैली अब अपनी फसलों के लिए ही नहीं, बल्कि कृषि से जुड़ी पढ़ाई और रिसर्च के लिए भी जानी जाएगी। पत्थरकांडी में बराक घाटी के पहले एग्रीकल्चर कॉलेज का निर्माण कार्य आज से शुरु हो रहा है। इससे किसानों को तो फायदा होगा ही, यहां के नौजवानों को कृषि स्टार्टअप्स के लिए सहयोग, समर्थन और प्रोत्साहन मिलेगा।

साथियों,

भाजपा का मंत्र है- जो विकास की दौड़ में पीछे रह गया, उसे प्राथमिकता देना। कांग्रेस की सरकारें बॉर्डर एरिया को, देश के अंतिम गांव मानती थीं। हम बॉर्डर के गांवों को देश के पहले गांव मानते हैं। और इसलिए, बॉर्डर एरिया के विकास के लिए, कछार जिले से ही वाइब्रेंट विलेज प्रोग्राम का अगला चरण शुरु किया था। इससे बराक वैली के अनेक गांवों में भी सुधार होना तय हो गया है।

साथियों,

यहां बड़ी संख्या में चाय-बागानों में कार्य करने वाले साथी भी हैं। असम सरकार ने, चाय-बगानों से जुड़े हजारों परिवारों को, उनकी जमीन का अधिकार देने का ऐतिहासिक काम किया है, वो इन परिवारों के भविष्य को बदलने की एक बड़ी शुरुआत है। जमीन के पट्टे मिलने से, इन परिवारों को सुरक्षा मिली है, उन्हें सम्मान का जीवन मिलना सुनिश्चित हुआ है।

साथियों,

आप जरा वहां से दूर रहिए, अब जगह नहीं है, आगे नहीं आ सकते हैं। देखिए वहां से जरा दूर रखिये उनको, अब आगे नहीं आ सकते भईया, अरे हमारे असम के भाई-बहन तो बड़े समझदार हैं। आपका से प्यार, आपका आशीर्वाद, ये इतनी बड़ी ताकत है, कृपा करके आप।

साथियों,

मैं हेमंता जी की सरकार को बधाई देता हूं, चाय-बागानों में करीब 200 सालों से सेवा दे रही अनेक पीढ़ियों के संघर्ष को आपने आज सम्मान दिया है। देखिए मेरी इस बात पर बादल भी गरजने लग गए। मुझे खुशी है कि जिनको पहले की सरकारों ने अपने हाल पर छोड़ दिया था, उनकी सुध बीजेपी सरकार ने ली है।

साथियों,

ये सिर्फ भूमि पर कानूनी अधिकार का ही मामला नहीं है। इससे ये लाखों परिवार, केंद्र और राज्य सरकार की अनेक कल्याणकारी योजनाओं से भी तेज़ी से जुड़ेंगे। पक्के घर की योजना हो, बिजली, पानी और गैस की योजनाएं हों, इन सब स्कीम्स का पूरा फायदा अब इन परिवारों को मिलना संभव होगा।

साथियों,

बीते सालों में बीजेपी सरकार ने चाय-बागानों में अनेक स्कूल खोले हैं, बच्चों को स्कॉलरशिप्स दिए हैं। सरकारी नौकरियों के लिए भी रास्ते खोले गए हैं। ऐसे प्रयासों से चाय-बागानों के युवाओं के लिए सुनहरे भविष्य के द्वार खुल रहे हैं।

साथियों,

बीजेपी की डबल इंजन सरकार के लिए शिक्षा, कौशल विकास और स्वास्थ्य सुविधाएं बहुत बड़ी प्राथमिकताएं रही हैं। असम ने तो शिक्षा और स्वास्थ्य को लेकर कांग्रेस की उपेक्षा को बहुत लंबे समय तक भुगता है। आज असम शिक्षा और स्वास्थ्य का बहुत बड़ा हब बनकर सामने आ रहा है। इसका बहुत अधिक फायदा बराक वैली को मिला है। आज यहां शिक्षा और स्वास्थ्य से जुड़े अनेक बड़े संस्थान बन चुके हैं।

साथियों,

कांग्रेस ने असम के युवाओं को सिर्फ हिंसा और आतंकवाद के कुचक्र में ही उलझाए रखा था। कांग्रेस ने असम को फूट डालो और राज करो की नीति की प्रयोगशाला बनाया। आज असम के युवाओं के सामने अवसरों का खुला आसमान है। आज असम भारत के सेमीकंडक्टर सेक्टर का अहम हिस्सा बन रहा है। यहां नेक्स्ट जेनरेशन टेक्नॉलॉजी से जुड़ा इकोसिस्टम और टैलेंट तैयार हो रहा है। यहां IIT और IIM जैसे संस्थान बन रहे हैं। मेडिकल कॉलेज, एम्स और कैंसर अस्पतालों का सशक्त नेटवर्क बन रहा है। शांति और प्रगति का ये नया दौर, अनेक बलिदानों और अनेक प्रयासों से आया है। अब ऐसी हर ताकत को मुंहतोड़ जवाब देना है, जो असम को पुराने दौर में धकेलने की कोशिश करती है।

साथियों,

आज मैं सिलचर से असम को सावधान-सतर्क भी करना चाहता हूं। आपने कांग्रेस को असम से बाहर किया। आज देश का हर राज्य कांग्रेस को सबक सिखा रहा है। कांग्रेस एक के बाद एक चुनाव हार रही है। अब निकट भविष्य में, कांग्रेस खुद के पराजय के इतिहास की सेंचूरी मारने वाला है। हार की हताशा से भरी कांग्रेस ने देश के खिलाफ ही मोर्चा खोल दिया है। कांग्रेस के नेता देश को बदनाम करने में जुट गए हैं, आपने देखा है, दिल्ली में इतनी बड़ी AI समिट हुई। आज पूरी दुनिया जब आर्टिफिशियल इंटेलिजेंस, AI को लेकर बहुत ही उत्सुक है। दिल्ली में सफलतापूर्वक विश्व की एक नई आशा पैदा करने वाला AI समिट हुआ। दुनियाभर के नेता, दुनियाभर की टेक्नॉलॉजी कंपनियां, टेक्नॉलॉजी के बड़े-बड़े लीडर दिल्ली आए थे। कांग्रेस ने इस समिट को बदनाम करने के लिए कपड़ा फाड़ प्रदर्शन किया। अब कांग्रेस के पास खुद के कपड़े फाड़ने के सिवा कुछ नहीं बचा है। पूरे देश ने कांग्रेस के इस भौंडे और भद्दे प्रदर्शन की आलोचना की। लेकिन दिल्ली में जो कांग्रेस का शाही परिवार है, वो इस कांड को भी अपना मेडल बता रहा है, देश को बदनाम करने वालों की वाहवाही कर रहा है। ऐसी कांग्रेस, जो देश की विरोधी हो, वो किसी राज्य का भला नहीं कर सकती, वो असम के युवाओं का कभी भला नहीं सोच सकती।

साथियों,

आजकल दुनिया में चारों तरफ और हमारे तो अड़ोस पड़ोस में ही युद्ध के हालात और आप सब भलिभांति युद्ध कि क्या भयानकता है, वो रोजमर्रा देख रहे हो। युद्ध से जो स्थितियां बनी हैं, हमारी सरकार उनसे निपटने के लिए, हमारे देश के नागरिकों को कम से कम मुसीबत आए इसलिए हो सके उतने सारे प्रयास कर रही है। हमारा प्रयास है कि देश के नागरिकों पर युद्ध का कम से कम प्रभाव पड़े। इस समय कांग्रेस से उम्मीद थी कि वो एक जिम्मेदार राजनीतिक दल की भूमिका निभाए, लेकिन कांग्रेस देश हित के इस महत्वपूर्ण काम में भी फिर एक बार फेल हो गई। कांग्रेस पूरी कोशिश कर रही है कि देश में पैनिक क्रिएट हो, देश मुश्किल में फंस जाए। और उसके बाद कांग्रेस भर-भर कर मोदी को गाली दे।

साथियों,

कांग्रेस के लिए और कांग्रेस असम के लिए, देश के लिए कांग्रेस का कोई विजन ही नहीं है, इसलिए, इन्होंने अफवाहों को, झूठ-प्रपंच को ही, और जैसे झूठे रील बनाने की इंडस्ट्री खोलकर रखी है, उसी को हथियार बना दिया है। दुनिया में जो ताकतें भारत के तेज़ विकास को नहीं पचा पा रहीं हैं, जिन विदेशी ताकतों को देश की प्रगति रास नहीं आ रही, कांग्रेस देश का दुर्भाग्य देखिए, कांग्रेस उनके हाथ की कठपुतली बनती जा रही है। इसलिए, असम के हर नागरिक को, हर नौजवान को कांग्रेस से सावधान रहना है।

साथियों,

असम हो, बराक वैली हो, अब ये विकास के पथ पर बढ़ चुका है। बराक वैली, अपनी भाषा, अपने साहित्य, अपनी संस्कृति के लिए जानी जाती है। वो दिन दूर नहीं, जब बराक वैली को विकास के नए सेंटर के रूप में पहचान मिलेगी।

साथियों,

आप इतनी बड़ी तादाद में हमें आशीर्वाद देने आए हैं। जो राजनीति के भविष्य की रेखाएं अंकित करने वाले लोग हैं, वो भांति-भांति की जो संभावनाएं तलाशते रहते हैं, वे आज बराक वैली का ये दृश्य, कल बोड़ो समुदाय का वो दृश्य, टी गार्डन वालों के समूह का दृश्य, ये साफ-साफ बता रहा है कि, इस चुनाव का नतीजा भी क्या होने वाला है। और आप इतनी बड़ी तादाद में आशीर्वाद देने के लिए आए हैं, मैं आपका हृदय से आभारत व्यक्त करता हूं और आप सभी को फिर से विकास परियोजनाओं की बहुत-बहुत बधाई देता हूं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!