PM Modi inaugurates the Amma Two Wheeler Scheme in Chennai, pays tribute to Jayalalithaa ji
When we empower women in a family, we empower the entire house-hold: PM Modi
When we help with a woman's education, we ensure that the family is educated: PM
When we secure her future, we secure future of the entire home: PM Narendra Modi

জয়ললিতাজির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর উদ্দেশে আমি শ্রদ্ধা নিবেদন করি।আপনাদের সকলকে জানাই আমার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জয়ললিতাজি যেখানেই থাকুন না কেন,আপনাদের সুখী হতে দেখে তিনিও বিশেষ সুখী হবেন বলেই আমি মনে করি।  
  

তাঁর একটি স্বপ্নের প্রকল্প ‘আম্মা টু হুইলার’ কর্মসূচির আজ সূচনা করতেপেরে আমি আনন্দিত। আম্মার ৭০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তামিলনাডুতে ৭০ লক্ষবৃক্ষরোপণ করা হবে বলে আমি জানতে পেরেছি। এই দুটি কর্মসূচি নারী ক্ষমতায়ন এবংপ্রকৃতি সুরক্ষার কাজকে অনেকটাই এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।  

  
বন্ধুগণ,   

  
পরিবারের মহিলা সদস্যদের আমরা যখন ক্ষমতায়নের সুযোগ দান করি তখন আমরা সমগ্রপরিবারেরই ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করি। যখন কোনও মহিলাকে শিক্ষার দিক থেকে আমরা সাহায্যকরি, তখন আমরা সমগ্র পরিবারটির শিক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করি। যখন আমরা কোনও মহিলারসুস্বাস্থ্যের সুযোগ-সুবিধা প্রসারে উদ্যোগী হই, তখন সমগ্র পরিবার যাতে সুস্থ সবলথাকে সেই বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করি। একজন নারীর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার মাধ্যমেএকটি গৃহস্থ পরিবারের ভবিষ্যতকে আমরা নিশ্চয়তা দান করি। ঠিক এই লক্ষ্যেই আমরা কাজকরে চলেছি।  

  
বন্ধুগণ,   

  
সাধারণ নাগরিকদের স্বার্থে জীবনযাত্রার মানকে সহজতর করে তোলার ওপর বিশেষদৃষ্টি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে আমাদের সবকটি প্রকল্প ওকর্মসূচি। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুলভ ঋণ সহায়তা,স্বাস্থ্য পরিষেবা কিংবা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা – যাই হোক না কেন, এটাই হ’ল আমাদেরমূল মন্ত্র। এই মন্ত্রকে সম্বল করে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার কাজ করে চলেছে।   
  

প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার আওতায় ১১ কোটিরও বেশি ঋণ সহায়তা মঞ্জুর করাহয়েছে। কোনও রকম ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি ছাড়াই জনসাধারণের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ৪লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এই প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হ’ল এই যে সুফলগ্রহীতাদের ৭০ শতাংশই কিন্তু মহিলা।   

  
ভারতের নারী সমাজ যে বহু যুগের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে স্বনির্ভরকর্মসংস্থানের পথে এগিয়ে চলেছেন, কর্মসূচিটির সাফল্য একথাই প্রমাণ করে। নারীক্ষমতায়নের লক্ষ্যে আমরা আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। সাম্প্রতিক কেন্দ্রীয়বাজেটে আমরা ঘোষণা করেছি যে নতুন মহিলা কর্মীদের ক্ষেত্রে ইপিএফ বাবদ প্রদেয় অর্থতিন বছরের জন্য ১২ শতাংশের পরিবর্তে ৮ শতাংশ ধার্য করা হবে। কিন্তু নিয়োগকর্তারপ্রদেয় অর্থ ১২ শতাংশ হারেই অপরিবর্তিত থাকবে।   

স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া কর্মসূচির আওতায় মহিলা শিল্পোদ্যোগীদের দেওয়া হবে ১০লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সহায়তা। রাজ্যগুলির প্রস্তাব ও পরামর্শঅনুযায়ী কল-কারাখানা সম্পর্কিত আইনটিতেও আমরা একটি পরিবর্তন এনেছি। যার ফলে, নাইটশিফ্‌ট-এ অর্থাৎ রাতেও মহিলাদের কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। মাতৃত্বকালীন ছুটিও ১২সপ্তাহ থেকে আমরা বাড়িয়ে দিয়েছি ২৬ সপ্তাহ পর্যন্ত।  
  

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সুফল গ্রহীতাদের জন্য বাসস্থান নির্দিষ্টমহিলাদের নামেই নথিভুক্তির ব্যবস্থা রয়েছে।   
  
জন ধন যোজনাটি মহিলাদের বিশেষভাবে সাহায্য করেছে। ৩১ কোটি জন ধনঅ্যাকাউন্টের মধ্যে ১৬ কোটি অ্যাকাউন্ট গ্রহীতাই হলেন মহিলা। ২০১৪ সালে মহিলাদেরঅ্যাকাউন্ট যেখানে ছিল ২৮ শতাংশের মতো এখন তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ শতাংশ।স্বচ্ছ ভারত কর্মসূচি মহিলাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করেছে।দেশে গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রসার ৪০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮শতাংশে। সবকটি সরকারি স্কুলে ছাত্রীদের জন্য শৌচাগার নির্মাণের বিষয়টিকে আমরা একটিবিশেষ অভিযান হিসাবে গ্রহণ করেছি।  

বন্ধুগণ,  
  

জনসাধারণের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি প্রকৃতির সুরক্ষা সম্পর্কিত বেশ কিছুকর্মসূচিও কেন্দ্রীয় সরকার গ্রহণ করেছে। উজালা কর্মসূচির আওতায় বন্টন করা হয়েছে ২৯কোটি এলইডি বাল্ব। এর ফলে, বিদ্যুৎ বিলে সাশ্রয় ঘটেছে ১৫ হাজার কোটি টাকার। কার্বনডাই অক্সাইড নির্গমনের মাত্রাও তাৎপর্যপূর্ণভাবেই হ্রাস পেয়েছে।   

  
উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় বিনামূল্যে ৩ কোটি ৪০ লক্ষ রান্নার গ্যাস সংযোগদেওয়া হয়েছে এ পর্যন্ত। ধোঁয়া মুক্ত পরিবেশে রান্নাবান্নার সুযোগ লাভের মাধ্যমেউপকৃত হয়েছেন মহিলারা। কেরোসিনের ব্যবহার কম হওয়ায় পরিবেশ সুরক্ষার কাজেও সুবিধাহয়েছে। শুধুমাত্র তামিলনাডুতেই এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন ৯ লক্ষ ৫০ হাজারমহিলা।  

  
দেশের পল্লী অঞ্চলে গ্যাসের যোগান বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রসারেরকথা মনে রেখে কেন্দ্রীয় সরকার গোবর-ধন প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে। এই কর্মসূচিরলক্ষ্য হ’ল গোবর এবং কৃষি বর্জ্যকে কম্পোস্ট, বায়োগ্যাস এবং বায়ো সিএনজি-তেরূপান্তরিত করা। এরফলে, একদিকে যেমন আয় ও উপার্জন বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে তেমনইহ্রাস পাবে গ্যাসের জন্য ব্যয়ের মাত্রাও।  
  

বন্ধুগণ,  
  

কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে বর্তমানে তামিলনাডুতে রূপায়িত হচ্ছে ২৪ হাজারকোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের প্রকল্প। এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসার পরই এইপ্রকল্পগুলির কাজ শুরু হয়েছে। এগুলির মধ্যে রয়েছে – সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, অশোধিততেলের পাইপ লাইন, জাতীয় মহাসড়ক এবং বন্দর সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজকর্ম। চেন্নাইমেট্রো রেলের জন্য মঞ্জুর করা হয়েছে ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকারও বেশি।   
  

কংগ্রেস সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকাকালীন ত্রয়োদশ অর্থ কমিশনের আওতায়তামিলানাডুকে দেওয়া হয়েছিল ৮১ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এনডিএ সরকার ক্ষমতাসীনহওয়ার পর চতুর্দশ অর্থ কমিশনের আওতায় তামিলনাডুকে দেওয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৮০ হাজারকোটি টাকা। অর্থাৎ, ১২০ শতাংশ বেশি অর্থ দেওয়া হয়েছে এই রাজ্যটিকে।   
  

আগামী ২০২২ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি দরিদ্র মানুষের যাতে একটি করে নিজস্ববাসস্থান থাকে, সেই লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত তিন বছরে নির্মিতহয়েছে প্রায় ১ কোটির মতো বাসস্থান।   
  

গ্রামীণ আবাসন কর্মসূচির জন্য ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে তামিলনাডুকে দেওয়া হয় ৭০০কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ২০০ কোটি টাকার মতো অর্থ এই লক্ষ্যে দেওয়া হয়েছে এইরাজ্যটিকে। অন্যদিকে, শহরাঞ্চলের জন্য আবাস নির্মাণ প্রকল্পে তামিলনাডুকে দেওয়াহয়েছে ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।   

বন্ধুগণ,  
  

প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা রূপায়ণের ফলেও উপকৃত হয়েছেন তামিলনাডুর কৃষকসাধারণ। এই কর্মসূচির আওতায় এই রাজ্যের কৃষকদের ২,৬০০ কোটি টাকারও বেশি দাবিদাওয়ামিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।  
  

তামিলনাডুর মৎস্যচাষের আধুনিকীকরণেও সচেষ্ট রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। নীলবিপ্লব কর্মসূচির আওতায় মৎস্যজীবীদের লং লাইনার ট্রলারের জন্য আমরা আর্থিক সহায়তা দানেরব্যবস্থা করেছি। গত বছর ৭৫০-এরও বেশি সংখ্যক সাধারণ নৌকাকে লং লাইনার ট্রলারেরূপান্তরিত করতে রাজ্য সরকারকে আমরা দিয়েছি ১০০ কোটি টাকা। এর ফলে, মৎস্যজীবীদেরজীবনযাত্রা আরও সহজ হয়ে ওঠা ছাড়াও এই ধরণের ট্রলারগুলির সাহায্যে তাঁরা আরও বেশিঅর্থ উপার্জন করতে পারবেন।  
  

ভারতের রয়েছে সমুদ্র সম্পদের এক বিশাল ভাণ্ডার। সুদীর্ঘ উপকূল রেখারকল্যাণে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনাও। সাগরমালা কর্মসূচি রূপায়িত হচ্ছে কেন্দ্রীয়সরকারের পক্ষ থেকে। এর সুবাদে অন্তর্দেশীয় এবং বৈদেশিক বাণিজ্য খাতে ব্যয়েরমাত্রাও অনেকাংশে হ্রাস পাবে। ভারতের উপকূল রেখা বরাবর বসবাসকারী সাধারণ মানুষ এরফলে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। 
  

সাম্প্রতিককালে ঘোষিত কেন্দ্রীয় বাজেটে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ কর্মসূচির কথা আমরাউল্লেখ করেছি। এর আওতায় প্রতিটি দরিদ্র পরিবার চিহ্নিত হাসপাতালগুলিতে প্রতি বছর ৫লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুযোগ লাভ করবেন সম্পূর্ণ বিনা খরচে। এর ফলে, উপকৃতহবেন দেশের ৪৫ থেকে ৫০ কোটি সাধারণ মানুষ।   
  

‘প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনা’ এবং ‘জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা’র আওতায়বিমার সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে ১৮ কোটিরও বেশি জনসাধারণের কাছে। ৮০০টিরও বেশিজনওষধি কেন্দ্রের মাধ্যমে অনেক স্বল্প খরচে ওষুধের যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিআমরা।  
  

জনসাধারণের জীবনযাত্রায় এক ইতিবাচক পরিবর্তন সুনিশ্চিত করে তুলতে আমরাঅঙ্গীকারবদ্ধ।  

  
আমি আরও একবার শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই জয়ললিতাজির উদ্দেশে। আপনাদের সকলকেজানাই আমার বিশেষ শুভেচ্ছা।  
 

ধন্যবাদ।  
  

আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
BJP manifesto 2024: Super app, bullet train and other key promises that formed party's vision for Indian Railways

Media Coverage

BJP manifesto 2024: Super app, bullet train and other key promises that formed party's vision for Indian Railways
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Today, Congress party is roaming around like the ‘Sultan’ of a ‘Tukde-Tukde’ gang: PM Modi in Mysuru
April 14, 2024
BJP's manifesto is a picture of the future and bigger changes: PM Modi in Mysuru
Today, Congress party is roaming around like the ‘Sultan’ of a ‘Tukde-Tukde’ gang: PM Modi in Mysuru
India will be world's biggest Innovation hub, creating affordable medicines, technology, and vehicles: PM Modi in Mysuru

नीमागेल्ला नन्ना नमस्कारागलु।

आज चैत्र नवरात्र के पावन अवसर पर मुझे ताई चामुंडेश्वरी के आशीर्वाद लेने का अवसर मिल रहा है। मैं ताई चामुंडेश्वरी, ताई भुवनेश्वरी और ताई कावेरी के चरणों में प्रणाम करता हूँ। मैं सबसे पहले आदरणीय देवगौड़ा जी का हृदय से आभार व्यक्त करता हूं। आज भारत के राजनीति पटल पर सबसे सीनियर मोस्ट राजनेता हैं। और उनके आशीर्वाद प्राप्त करना ये भी एक बहुत बड़ा सौभाग्य है। उन्होंने आज जो बातें बताईं, काफी कुछ मैं समझ पाता था, लेकिन हृदय में उनका बहुत आभारी हूं। 

साथियों

मैसुरु और कर्नाटका की धरती पर शक्ति का आशीर्वाद मिलना यानि पूरे कर्नाटका का आशीर्वाद मिलना। इतनी बड़ी संख्या में आपकी उपस्थिति, कर्नाटका की मेरी माताओं-बहनों की उपस्थिति ये साफ बता रही है कि कर्नाटका के मन में क्या है! पूरा कर्नाटका कह रहा है- फिर एक बार, मोदी सरकार! फिर एक बार, मोदी सरकार! फिर एक बार, मोदी सरकार!

साथियों,

आज का दिन इस लोकसभा चुनाव और अगले five years के लिए एक बहुत अहम दिन है। आज ही बीजेपी ने अपना ‘संकल्प-पत्र’ जारी किया है। ये संकल्प-पत्र, मोदी की गारंटी है। और देवगौड़ा जी ने अभी उल्लेख किया है। ये मोदी की गारंटी है कि हर गरीब को अपना घर देने के लिए Three crore नए घर बनाएंगे। ये मोदी की गारंटी है कि हर गरीब को अगले Five year तक फ्री राशन मिलता रहेगा। ये मोदी की गारंटी है कि- Seventy Year की आयु के ऊपर के हर senior citizen को आयुष्मान योजना के तहत फ्री चिकित्सा मिलेगी। ये मोदी की गारंटी है कि हम Three crore महिलाओं को लखपति दीदी बनाएँगे। ये गारंटी कर्नाटका के हर व्यक्ति का, हर गरीब का जीवन बेहतर बनाएँगी।

साथियों,

आज जब हम Ten Year पहले के समय को याद करते हैं, तो हमें लगता है कि हम कितना आगे आ गए। डिजिटल इंडिया ने हमारे जीवन को तेजी से बदला है। बीजेपी का संकल्प-पत्र, अब भविष्य के और बड़े परिवर्तनों की तस्वीर है। ये नए भारत की तस्वीर है। पहले भारत खस्ताहाल सड़कों के लिए जाना जाता था। अब एक्सप्रेसवेज़ भारत की पहचान हैं। आने वाले समय में भारत एक्सप्रेसवेज, वॉटरवेज और एयरवेज के वर्ल्ड क्लास नेटवर्क के निर्माण से विश्व को हैरान करेगा। 10 साल पहले भारत टेक्नालजी के लिए दूसरे देशों की ओर देखता था। आज भारत चंद्रयान भी भेज रहा है, और सेमीकंडक्टर भी बनाने जा रहा है। अब भारत विश्व का बड़ा Innovation Hub बनकर उभरेगा। यानी हम पूरे विश्व के लिए सस्ती मेडिसिन्स, सस्ती टेक्नोलॉजी और सस्ती गाडियां बनाएंगे। भारत वर्ल्ड का research and development, R&D हब बनेगा। और इसमें वैज्ञानिक रिसर्च के लिए एक लाख करोड़ रुपये के फंड की भी बड़ी भूमिका होगी। कर्नाटका देश का IT और technology hub है। यहाँ के युवाओं को इसका बहुत बड़ा लाभ मिलेगा।

साथियों,

हमने संकल्प-पत्र में स्थानीय भाषाओं को प्रमोट करने की बात कही है। हमारी कन्नड़ा देश की इतनी समृद्ध भाषा है। बीजेपी के इस मिशन से कन्नड़ा का विस्तार होगा और उसे बड़ी पहचान मिलेगी। साथ ही हमने विरासत के विकास की गारंटी भी दी है। हमारे कर्नाटका के मैसुरु, हम्पी और बादामी जैसी जो हेरिटेज साइट्स हैं, हम उनको वर्ल्ड टूरिज़्म मैप पर प्रमोट करेंगे। इससे कर्नाटका में टूरिज्म और रोजगार के नए अवसर सृजित होंगे।

साथियों,

इन सारे लक्ष्यों की प्राप्ति के लिए भाजपा जरूरी है, NDA जरूरी है। NDA जो कहता है वो करके दिखाता है। आर्टिकल-370 हो, तीन तलाक के खिलाफ कानून हो, महिलाओं के लिए आरक्षण हो या राम मंदिर का भव्य निर्माण, भाजपा का संकल्प, मोदी की गारंटी होता है। और मोदी की गारंटी को सबसे बड़ी ताकत कहां से मिलती है? सबसे बड़ी ताकत आपके एक वोट से मिलती है। आपका हर वोट मोदी की ताकत बढ़ाता है। आपका हर एक वोट मोदी की ऊर्जा बढ़ाता है।

साथियों,

कर्नाटका में तो NDA के पास एचडी देवेगौड़ा जी जैसे वरिष्ठ नेता का मार्गदर्शन है। हमारे पास येदुरप्पा जी जैसे समर्पित और अनुभवी नेता हैं। हमारे HD कुमारास्वामी जी का सक्रिय सहयोग है। इनका ये अनुभव कर्नाटका के विकास के लिए बहुत काम आएगा।

साथियों,

कर्नाटका उस महान परंपरा का वाहक है, जो देश की एकता और अखंडता के लिए अपना सब कुछ बलिदान करना सिखाता है। यहाँ सुत्तुरू मठ के संतों की परंपरा है। राष्ट्रकवि कुवेम्पु के एकता के स्वर हैं। फील्ड मार्शल करियप्पा का गौरव है। और मैसुरु के राजा कृष्णराज वोडेयर के द्वारा किए गए विकास कार्य आज भी देश के लिए एक प्रेरणा हैं। ये वो धरती है जहां कोडगु की माताएं अपने बच्चों को राष्ट्रसेवा के लिए सेना में भेजने के सपना देखती है। लेकिन दूसरी तरफ कांग्रेस पार्टी भी है। कांग्रेस पार्टी आज टुकड़े-टुकड़े गैंग की सुल्तान बनकर घूम रही है। देश को बांटने, तोड़ने और कमजोर करने के काँग्रेस पार्टी के खतरनाक इरादे आज भी वैसे ही हैं। आर्टिकल 370 के सवाल पर काँग्रेस के राष्ट्रीय अध्यक्ष ने कहा कि कश्मीर का दूसरे राज्यों से क्या संबंध? और, अब तो काँग्रेस देश से घृणा की सारी सीमाएं पार कर चुकी है। कर्नाटका की जनता साक्षी है कि जो भारत के खिलाफ बोलता है, कांग्रेस उसे पुरस्कार में चुनाव का टिकट दे देती है। और आपने हाल में एक और दृश्य देखा होगा, काँग्रेस की चुनावी रैली में एक व्यक्ति ने ‘भारत माता की जय’ के नारे लगवाए। इसके लिए उसे मंच पर बैठे नेताओं से परमीशन लेनी पड़ी। क्या भारत माता की जय बोलने के लिए परमीशन लेनी पड़े। क्या ऐसी कांग्रेस को देश माफ करेगा। ऐसी कांग्रेस को कर्नाटका माफ करेगा। ऐसी कांग्रेस को मैसुरू माफ करेगा। पहले वंदेमातरम् का विरोध, और अब ‘भारत माता की जय’ कहने तक से चिढ़!  ये काँग्रेस के पतन की पराकाष्ठा है।

साथियों,

आज काँग्रेस पार्टी सत्ता के लिए आग का खेल खेल रही है। आज आप देश की दिशा देखिए, और काँग्रेस की भाषा देखिए! आज विश्व में भारत का कद और सम्मान बढ़ रहा है। बढ़ रहा है कि नहीं बढ़ रहा है। दुनिया में भारत का नाम हो रहा है कि नहीं हो रहा है। भारत का गौरव बढ़ रहा है कि नहीं बढ़ रहा है। हर भारतीय को दुनिया गर्व से देखती है कि नहीं देखती है। तो काँग्रेस के नेता विदेशों में जाकर देश को नीचा दिखाने के कोई मौके छोड़ते नहीं हैं। देश अपने दुश्मनों को अब मुंहतोड़ जवाब देता है, तो काँग्रेस सेना से सर्जिकल स्ट्राइक के सबूत मांगती है। आतंकी गतिविधियों में शामिल जिस संगठन पर बैन लगता है। काँग्रेस उसी के पॉलिटिकल विंग के साथ काम कर रहा है। कर्नाटका में तुष्टीकरण का खुला खेल चल रहा है। पर्व-त्योहारों पर रोक लगाने की कोशिश हो रही है। धार्मिक झंडे उतरवाए जा रहे हैं। आप मुझे बताइये, क्या वोटबैंक का यही खेल खेलने वालों के हाथ में देश की बागडोर दी जा सकती है। दी जा सकती है।

साथियों, 

हमारा मैसुरु तो कर्नाटका की कल्चरल कैपिटल है। मैसुरु का दशहरा तो पूरे विश्व में प्रसिद्ध है। 22 जनवरी को अयोध्या में 500 का सपना पूरा हुआ। पूरा देश इस अवसर पर एक हो गया। लेकिन, काँग्रेस के लोगों ने, उनके साथी दलों ने राममंदिर की प्राण-प्रतिष्ठा जैसे पवित्र समारोह तक पर विषवमन किया! निमंत्रण को ठुकरा दिया। जितना हो सका, इन्होंने हमारी आस्था का अपमान किया। कांग्रेस और इंडी अलायंस ने राममंदिर प्राण-प्रतिष्ठा का बॉयकॉट कर दिया। इंडी अलांयस के लोग सनातन को समाप्त करना चाहते हैं। हिन्दू धर्म की शक्ति का विनाश करना चाहते हैं। लेकिन, जब तक मोदी है, जब तक मोदी के साथ आपके आशीर्वाद हैं, ये नफरती ताक़तें कभी भी सफल नहीं होंगी, ये मोदी की गारंटी है।

साथियों,

Twenty twenty-four का लोकसभा चुनाव अगले five years नहीं, बल्कि twenty forty-seven के विकसित भारत का भविष्य तय करेगा। इसीलिए, मोदी देश के विकास के लिए अपना हर पल लगा रहा है। पल-पल आपके नाम। पल-पल देख के नाम। twenty-four बाय seven, twenty-four बाय seven for Twenty Forty-Seven.  मेरा ten years का रिपोर्ट कार्ड भी आपके सामने है। मैं कर्नाटका की बात करूं तो कर्नाटका के चार करोड़ से ज्यादा लोगों को मुफ्त राशन मिल रहा है। Four lakh fifty thousand गरीब परिवारों को कर्नाटका में पीएम आवास मिले हैं। One crore fifty lakh से ज्यादा गरीबों को मुफ्त इलाज की गारंटी मिली है। नेशनल हाइवे के नेटवर्क का भी यहाँ बड़ा विस्तार किया गया है। मैसुरु से बेंगलुरु के बीच एक्सप्रेसवे ने इस क्षेत्र को नई गति दी है। आज देश के साथ-साथ कर्नाटका में भी वंदेभारत ट्रेनें दौड़ रही हैं। जल जीवन मिशन के तहत Eight Thousand से अधिक गांवों में लोगों को नल से जल मिलने लगा है। ये नतीजे बताते हैं कि अगर नीयत सही, तो नतीजे भी सही! आने वाले Five Years में विकास के काम, गरीब कल्याण की ये योजनाएँ शत प्रतिशत लोगों तक पहुंचेगी, ये मोदी की गारंटी है।

साथियों,

मोदी ने अपने Ten year साल का हिसाब देना अपना कर्तव्य माना है। क्या आपने कभी काँग्रेस को उसके sixty years का हिसाब देते देखा है? नहीं न? क्योंकि, काँग्रेस केवल समस्याएँ पैदा करना जानती है, धोखा देना जानती है। कर्नाटका के लोग इसी पीड़ा में फंसे हुये हैं। कर्नाटका काँग्रेस पार्टी की लूट का ATM स्टेट बन चुका है। खाली लूट के कारण सरकारी खजाना खाली हो चुका है। विकास और गरीब कल्याण की योजनाओं को बंद किया जा रहा है। वादा किसानों को मुफ्त बिजली का था, लेकिन किसानों को पंपसेट चलाने तक की बिजली नहीं मिल रही। युवाओं की, छात्रों की स्कॉलर्शिप तक में कटौती हो रही है। किसानों को किसान सम्मान निधि में राज्य सरकार की ओर से मिल रहे four thousands रुपए बंद कर दिये गए हैं। देश का IT hub बेंगलुरु पानी के घनघोर संकट से जूझ रहा है। पानी के टैंकर की कालाबाजारी हो रही है। इन सबके बीच, काँग्रेस पार्टी को चुनाव लड़वाने के लिए hundreds of crores रुपये ब्लैक मनी कर्नाटका से देशभर में भेजा जा रहा है। ये काँग्रेस के शासन का मॉडल है। जो अपराध इन्होंने कर्नाटका के साथ किया है, इसकी सजा उन्हें Twenty Six  अप्रैल को देनी है। 26 अप्रैल को देनी है।

साथियों,

मैसूरु से NDA के उम्मीदवार श्री यदुवीर कृष्णदत्त चामराज वोडेयर, चामराजनागर से श्री एस बालाराज, हासन लोकसभा से एनडीए के श्री प्रज्जवल रेवन्ना और मंड्या से मेरे मित्र श्री एच डी कुमार स्वामी,  आने वाली 26 अप्रैल को इनके लिए आपका हर वोट मोदी को मजबूती देगा। देश का भविष्य तय करेगा। मैसुरु की धरती से मेरी आप सभी से एक और अपील है। मेरा एक काम करोगे। जरा हाथ ऊपर बताकर के बताइये, करोगे। कर्नाटका के घर-घर जाना, हर किसी को मिलना और मोदी जी का प्रणाम जरूर पहुंचा देना। पहुंचा देंगे। पहुंचा देंगे।

मेरे साथ बोलिए

भारत माता की जय

भारत माता की जय

भारत माता की जय

बहुत बहुत धन्यवाद।