The wonderful homes under PM Awas Yojana are being made possible because there are no middlemen: PM
It is my dream, it is our endeavour to ensure that every Indian has his own house by 2022: PM Modi
Till now, we only heard about politicians getting their own homes. Now, we are hearing about the poor getting their own homes: PM Modi

আর দু’দিন পর রাখী বন্ধন উৎসব। এখানে উপস্থিত বিপুল সংখ্যক বোনেরা এত রাখী নিয়ে এসেছেন, আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাই। সারা দেশের মা ও বোনেদের আশীর্বাদে আমার যে রক্ষা কবচ তার জন্য আমি দেশের মা ও বোনেদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

 

রাখী উৎসবের আগে গুজরাটের ১ লক্ষেরও বেশি পরিবারের বোনেদের নামে গৃহ প্রদান করা হচ্ছে। আমি মনে করি, এবারের রাখী উৎসবে আপনাদের জন্য এর চেয়ে বড় উপহার আর কিছু হতে পারতো না। যে বোনেরা আজ বাড়ি পেয়েছেন; নিজস্ব বাড়ি না থাকার যন্ত্রণা আপনারা জানেন, অন্ধকার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যেক সকালে একটি স্বপ্ন নিয়ে জেগে ওঠা আর সন্ধ্যার আগেই সেই স্বপ্ন ভেঙে যাওয়া – বস্তির জীবন তো এমনই! কিন্তু যখন নিজের বাড়ি হয়, স্বপ্নগুলিও ধীরে ধীরে সুবিন্যস্ত হয়ে ওঠে আর সেই স্বপ্নগুলিকে বাস্তবায়িত করতে পরিবারের আবালবৃদ্ধবনিতা সকলেই পরিশ্রম করেন, সেই পরিশ্রম থেকে জীবনে পরিবর্তন আসতে শুরু করে।

 

এবারের রাখী-বন্ধনের পবিত্র উৎসবের আগে এই সমস্ত মা-বোন, ১ লক্ষেরও বেশি পরিবারকে গৃহ প্রদান করে আপনাদের ভাই হিসাবে আমি অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করছি।

 

আজ আরেকটি ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পও আমি এই রাখী-বন্ধনের পবিত্র উৎসবের আগে আমাদের মা ও বোনেদের উপহার দিচ্ছি। কারণ, জল সঙ্কট মোকাবিলায় এই মা ও বোনেদেরই সবচেয়ে বেশি কষ্ট সহ্য করতে হয়। পরিবারের সকল সদস্যের জন্য জলের ব্যবস্থা তাঁদেরই করতে হয়। আর বিশুদ্ধ পানীয় জল না থাকলে বাড়ি-ঘর-জীবন রোগের আখড়া হয়ে ওঠে। বিশুদ্ধ পানীয় জল পরিবারের সদস্যদের অনেক রোগ থেকে রক্ষা করে।

 

আমি যৌবনের অনেকগুলি বছর এই আদিবাসী অঞ্চলে কাটিয়েছি। আমি যখন ধর্মপুর সিদম্বাড়িতে থাকতাম, তখন আমার মনে প্রায়ই একটা প্রশ্ন জাগত যে, এই অঞ্চলে এত বৃষ্টি হয় কিন্তু দীপাবলীর পর দু’মাসের বেশি জল থাকে না কেন? আমার মনে আছে, সেই সময়ে ধর্মপুর-সিদম্বাড়ি আদিবাসী এলাকা, উমরগাঁও থেকে শুরু করে অম্বাজী পর্যন্ত আদিবাসী এলাকায় বেশি বৃষ্টি হলেও সমস্ত জল আমাদের দিকে প্রবাহিত হয়ে দ্রুত সমুদ্রে চলে যেত। আর এই গোটা এলাকা খরাক্রান্ত হয়ে পড়ত।

 

আমি যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম, তখন হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে উমরগাঁও থেকে অম্বাজী পর্যন্ত পূর্ব গুজরাটের এই আদিবাসী অঞ্চলের প্রত্যেক গ্রামে প্রতিটি বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেছি।

 

এ নিয়ে তথ্যচিত্র দেখানো হয়েছে, এতে বলা হয়েছে – কিভাবে ১০টি প্রকল্পের মাধ্যমে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের কথা ভেবেছি। আজ এর দশম প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে। যাঁরা এই তথ্যচিত্রটি দেখেছেন, তাঁরাই আশ্চর্য হয়েছেন। সর্বোচ্চ যে জায়গায় আমরা পানীয় জল পৌঁছে দিতে যাচ্ছি, তার উচ্চতা হ’ল প্রায় ২০০তল বাড়ির সমান। অর্থাৎ অন্যভাবে বলা যায়, নদীর জল আমরা ২০০তলে পৌঁছে দেব। আর সেখান থেকে নীচে জল সরবরাহ করা হবে। এটাই প্রযুক্তির জাদু।

আমাদের দেশে এই প্রত্যন্ত গির অরণ্যে এমন একটি ভোটদান কেন্দ্র আছে, যেখানে মাত্র একজন ভোট দেন। ভোটের সময় সারা পৃথিবীতে এ নিয়ে লেখালেখি হয়, ভারতে নির্বাচন প্রক্রিয়া এমনই যে, গির অরণ্যে একজন ভোটারের জন্য একটি ভোটদান কেন্দ্র খোলা হয়। এখন থেকে এটিও খবর হবে যে, দেশের ২০০-৩০০টি পরিবার যে গ্রামে থাকে, সেখানে সংবেদনশীল সরকার ২০০তল পর্যন্ত উচ্চতায় পানীয় জল পৌঁছে দিচ্ছে। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার এটি জলজ্যান্ত উদাহরণ।

 

আগেও অনেক সরকার ক্ষমতায় এসেছে। আদিবাসী মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর পূর্ববর্তী আদিবাসী মুখ্যমন্ত্রীর গ্রামে গিয়ে দেখি, সেখানে জলের ট্যাঙ্ক থাকলে তাতে জল ছিল না। সেই গ্রামে জল পৌঁছে দেওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।

 

কেউ যদি জলসত্র চালু করেন, পথিকদের জন্য পানীয় জলের এক-দুই কলস রেখে দেন, তা হলে ঐ এলাকার মানুষ সেই ব্যক্তিকে শ্রদ্ধা ও সম্মানের চোখে দেখেন। গুজরাট ও রাজস্থানের গ্রামে গ্রামে এরকম জলসত্র চালু করার জন্য লাখা বলধারার সুনাম শোনা যায়। আজ আমি গর্বিত যে, গুজরাট সরকার এমনই গুরুত্বপূর্ণ অভিযান শুরু করেছে যাতে প্রত্যেক বাড়িতে নলের মাধ্যমে জল পৌঁছবে।

 

এই অভিযানের মাধ্যমে বোঝা যায় যে, গরিব মানুষের জীবন কেমন হবে, সেসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কতটা সচেষ্ট! আজ ঘন্টাখানেকের মধ্যে আমার গোটা গুজরাট সফরের সৌভাগ্য হয়েছে। প্রত্যেক জেলায় গিয়েছি, সেখানকার মা-বোনেদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছে। কথা বলেছি, কিন্তু আমার নজর ছিল তাঁদের বাড়ির দিকে; তাঁরা কেমন বাড়ি বানিয়েছেন – সেদিকে! আপনারাও হয়তো এটা দেখে অবাক হয়েছেন, কিভাবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এত ভাল বাড়ি তৈরি হচ্ছে! ‘কাটমানি’ দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করে তবেই এটা সম্ভব হয়েছে!

 

দিল্লি থেকে ১ টাকা মঞ্জুর হলে তাঁর সম্পূর্ণ ১০০ পয়সা এখন গরিবের ঘরে পৌঁছচ্ছে, সেজন্যেই এটা সম্ভব হচ্ছে। আর বর্তমান সরকারের সাহস আছে – টিভি, ক্যামেরা ও সাংবাদিকদের সামনে, এত অসংখ্য মানুষের সামনে আমি যে কোনও মা-কে জিজ্ঞেস করতে পারি যে, আপনাদের এই বাড়ি পেতে কাউকে ঘুষ বা দালালি দিতে হয়েছে?

 

আমরা এই চরিত্র গঠনে অবিরাম কাজ করে চলেছি আর আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি, যখন আমার মা ও বোনেরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাস নিয়ে অন্তর থেকে আনন্দের সঙ্গে বলেছেন – না, ঘুষ দিতে হয়নি। আমরা নিজেদের অধিকার সাধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই পেয়েছি। কাউকে ১ টাকাও দিতে হয়নি।

 

আপনারা এই বাড়িগুলি দেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে নির্মিত এই বাড়িগুলির গুণমান আপনারা দেখছেন। এটা এজন্যই সম্ভব হয়েছে, সরকার প্রদত্ত টাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের ঘামও এই বাড়িগুলিতে মিশে আছে। পরিবারের সদস্যরাই ঠিক করেছেন যে, তাঁদের বাড়ি নির্মাণে কেমন মানের কাঁচামাল ব্যবহৃত হবে।

 

আমরা সরকারি ঠিকাদারদের ভরসায় কাজ করিনি। আমরা প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের ওপর আস্থা রেখেছি। কারণ, কেউ যখন নিজের জন্য বাড়ি বানায়, তখন যত ভালো সম্ভব বানাবে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, গুজরাটের প্রত্যেক গ্রামে এই পরিবারগুলি খুব সুন্দর সুন্দর বাড়ি বানিয়েছে। সেজন্য আমি তাঁদের সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।

 

আমরা দেশে দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য একটি বড় অভিযান শুরু করেছি। কিন্তু তা এগিয়ে নিয়ে চলেছি গরিবদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে। ব্যাঙ্ক তো অনেক ছিল, কিন্তু সেই ব্যাঙ্কগুলিতে গরিবদের প্রবেশাধিকার ছিল না। আমরা প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনার মাধ্যমে সেই ব্যাঙ্কগুলির পরিষেবাকেই প্রত্যেক গরিবের বাড়ির সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছি।

 

আগে গ্রামের সম্পন্ন পরিবারগুলিতেই বিদ্যুৎ সংযোগ থাকত। আজ উজালা যোজনার মাধ্যমে আমরা প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার অভিযান শুরু করেছি। আর বছর দেড়েক পর ভারতে প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে।

 

প্রত্যেকের বাড়ি, প্রত্যেক বাড়িতে শৌচালয়, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, রান্নার গ্যাস – অমূল পরিবর্তনের প্রচেষ্টা চলছে।

 

আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আপনারাই আমাকে লালন-পালন করে সাধারণ ঘরের একটি ছেলেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী করে দিয়েছেন। গুজরাট আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আর আপনাদের থেকে যা শিখেছি তার পরিণামস্বরূপ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে আগামী ২০২২ সালে যখন ভারত স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি পালন করবে, তার আগেই নতুন ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার পথে এগিয়ে চলেছি। দেশের কোনও পরিবার যেন গৃহহীন না থাকে, তেমন ভারত নির্মাণের স্বপ্ন দেখছি।

এতদিন আমরা বড় বড় নেতাদের প্রাসাদ নির্মাণের খবর শুনতাম, তাঁর অনুপম সাজসজ্জার জাঁকজমকের কথা শুনতাম আর এখন খবর আসছে দরিদ্র মানুষের জন্য গৃহ নির্মাণের আর তাঁদের জাঁকজমকহীন সাজসজ্জার।

 

১ লক্ষ পরিবারের গৃহ প্রবেশের উৎসাহ নিয়েই আমি আজ ভালসাড়ে এসেছি আর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সকল পরিবারে আনন্দের শরিক হয়েছি।

 

ভাই ও বোনেরা, গত সপ্তাহ আমাদের অনেক দুঃখে কেটেছে। আমার প্রিয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। কিন্তু আমরা তাঁর নামে চালু হওয়া প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার মাধ্যমে দেশের প্রত্যেক গ্রামকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাকা সড়ক দ্বারা যুক্ত করার কাজ পূর্ণ করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি।

 

দেশে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ চলছে। এখানে আপনারা দেখেছেন, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রত্যন্ত আদিবাসী অরণ্যে বসবাসকারী মেয়েরা দক্ষতা উন্নয়নের পর কর্মসংস্থানের জন্য শংসাপত্র হাতে পেয়েছেন।

 

এভাবে দেশের সাধারণ মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে সমস্যামুক্ত করার লক্ষ্যে আমরা নিয়মিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আমার ভালসাড়ের ভাই ও বোনেরা, কিছুদিন আগেই এখানে আসার কথা ছিল কিন্তু বর্ষার জন্য দেরী হ’ল। এবার বর্ষা বড় অদ্ভূতভাবে এসেছে। কোথাও অতিবৃষ্টি আবার কোথাও অনাবৃষ্টি। গুজরাটের অনেক অঞ্চলে তো বৃষ্টিই হয়নি। কিন্তু বিগত কয়েক দিন ধরে সেসব এলাকাতেও সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। আশা করি, এ বছর ভালোই ফসল হবে।

 

আমি ভালসাড়ের প্রিয় ভাই ও বোনেদের এত দীর্ঘ সময় ধরে এখানে বসে আমার কথা শোনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।

 

মা ও বোনেদের রাখী-বন্ধনের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Budget 2026-27 lays blueprint for a future-ready digital ecosystem

Media Coverage

Budget 2026-27 lays blueprint for a future-ready digital ecosystem
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 2 ফেব্রুয়ারি 2026
February 02, 2026

Citizens Celebrate PM Modi's Roadmap to Prosperity: Budget 2026 Drives Investment, Jobs, and Sustainable Growth for Every Indian