Rashtra Prerna Sthal symbolises a vision that has guided India towards self-respect, unity and service: PM
Sabka Prayas will realise the resolve of a Viksit Bharat: PM
We have given Antyodaya a new dimension of saturation, that is, fulfillment: PM

ভারতমাতার জয়! 
ভারতমাতার জয়!
ভারতমাতার জয়!
উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল, রাজ্যের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথজি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার বরিষ্ঠ সহকর্মী, লক্ষ্ণৌ-এর সাংসদ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংজি, উত্তরপ্রদেশে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি এবং আমার মন্ত্রী পরিষদের সহকর্মী শ্রী পঙ্কজ চৌধুরিজি, রাজ্যের দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য ও ব্রজেশ পাঠকজি, উপস্থিত অন্যান্য মন্ত্রীরা, জনপ্রতিনিধিরা, ভদ্রমহোদয়া ও ভদ্রমহোদয়গণ,

আজ লক্ষ্ণৌ-এর এই ভূমিতে অনুপ্রেরণার নতুন এক উৎসস্থল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার আগে আমি দেশ-বিদেশের সকলকে খ্রিস্টমাসের শুভেচ্ছা জানাই। আজ কোটি কোটি খ্রিস্টান পরিবার ভারতেও এই দিনটি উদযাপন করছেন। আমরা চাই খ্রিস্টমাস উৎসব প্রত্যেকের জীবনে আনন্দ নিয়ে আসুক।

বন্ধুগণ,

২৫ ডিসেম্বর বিরল এক সমাপতনের সাক্ষী। দেশের দুই মহান সন্তানের জন্মদিন আজ – ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ীজি এবং ভারতরত্ন মহমনা মদন মোহন মালব্যজি। এই দুই মহান ব্যক্তিত্ব ভারতের পরিচিতি, ঐক্য ও গর্ববোধকে রক্ষা করার জন্য ব্রতী হয়েছিলেন। তাঁরা দেশ গড়ার কাজে চিরস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন।

বন্ধুগণ,

আজ ২৫ ডিসেম্বর মহারাজ বিজলী পাসিজিরও জন্মদিন। লক্ষ্ণৌ-এর বিখ্যাত বিজলী পাসি দুর্গ এখান থেকে খুব একটা দূরে নয়। মহারাজা বিজলী পাসির শৌর্য, সুপ্রশাসন এবং সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নের কারণে পাসি সম্প্রদায় তাঁকে নিয়ে গর্ববোধ করে। অটল বিহারী বাজপেয়ী নিজে ২০০০ সালে মহারাজা বিজলী পাসির স্মরণে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিলেন। এটিও অদ্ভুত এক সমাপতন।

বন্ধুগণ,

এই পবিত্র দিনে আমি পূজনীয় মহমনা মদন মোহন মালব্য, অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং মহারাজ বিজলী পাসিকে প্রণাম জানাই। তাঁদের সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি।

বন্ধুগণ,

কিছুক্ষণ আগে এখানে রাষ্ট্র প্রেরণা স্থল উদ্বোধন করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। ভারতকে আত্মসম্মান, একতা এবং পরিষেবা প্রদানের আদর্শে যাঁরা উদ্বুদ্ধ করেছেন, তাঁদের স্মরণে এই রাষ্ট্র প্রেরণা স্থল নির্মিত হয়েছে। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়, অটল বিহারী বাজপেয়ীর সুউচ্চ প্রতিকৃতি থেকে আমরা অনুপ্রাণিত হই। অটলজি একবার লিখেছিলেন : 

 

কিছুক্ষণ আগে এখানে রাষ্ট্র প্রেরণা স্থল উদ্বোধন করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। ভারতকে আত্মসম্মান, একতা এবং পরিষেবা প্রদানের আদর্শে যাঁরা উদ্বুদ্ধ করেছেন, তাঁদের স্মরণে এই রাষ্ট্র প্রেরণা স্থল নির্মিত হয়েছে। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়, অটল বিহারী বাজপেয়ীর সুউচ্চ প্রতিকৃতি থেকে আমরা অনুপ্রাণিত হই। অটলজি একবার লিখেছিলেন : 
‘নীরবতা থেকে মুখরিত মধুবন, অন্যের কল্যাণে নিজের দেহ ও মনকে উৎসর্গ করে, জীবন দিয়ে অপরিমেয় অঞ্জলীদানের জন্য, একজনকে জ্বলে-পুড়ে শেষ হয়ে আত্মপ্রকাশ করতে হবে। তাহলেই আমরা একযোগে এগিয়ে যেতে পারব।’

এই রাষ্ট্র প্রেরণাস্থল আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে বার্তা দেবে। এই পদক্ষেপগুলি দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত। উন্নত ভারত গড়ে তোলার জন্য আমাদের যৌথ উদ্যোগ নিতে হবে। আমি উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্ণৌকে এবং সমগ্র দেশকে অনুপ্রেরণার এই আধুনিক কেন্দ্রটির জন্য অভিনন্দন জানাই। এইমাত্র যেমনটা বলেছি, ভিডিওতেও যা দেখানো হল, এই প্রেরণাস্থল ৩০ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে। এক সময় এই জায়গাটিতে জঞ্জালের পাহাড় ছিল। দীর্ঘদিন ধরে এই পাহাড়টি এখানে ছিল। গত তিন বছরের বেশি সময়ে পুরো জঞ্জাল পরিষ্কার করা হয়েছে। এই উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত সকলকে অর্থাৎ, প্রত্যেক কর্মী, শিল্পী, প্রকল্পটির পরিকল্পনাকারী এবং যোগীজি ও তাঁর দলের সদস্যদের আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

বন্ধুগণ,

ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশকে পথ দেখানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ভারতের দুটি সংবিধান, দুটি পতাকা এবং দু’জন প্রধানমন্ত্রীর ধারণাকে তিনি বাতিল করেছিলেন। স্বাধীনতার পরেও জম্মু-কাশ্মীরে এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকায় ভারতের ঐক্য ও সংহতির ক্ষেত্রে তা বিরাট এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ৩৭০ অনুচ্ছেদের সেই প্রাচীরকে আমাদের সরকার ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপি তার জন্য গর্বিত। আজ ভারতের সংবিধান জম্মু-কাশ্মীরেও সমানভাবে কার্যকর।

বন্ধুগণ,

স্বাধীন ভারতের প্রথম শিল্পমন্ত্রী ডঃ মুখোপাধ্যায় দেশের অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করে তোলার জন্য ভিত গড়ে তুলেছিলেন। ভারতের শিল্পায়নের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে তিনিই দেশের প্রথম শিল্পনীতি উপহার দেন। আজ আমরা সেই মন্ত্রকে অনুসরণ করে স্বনির্ভর হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন এক উচ্চতায় এগিয়ে চলেছি। বর্তমানে সারা বিশ্বে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ পণ্যসামগ্রী পৌঁছে যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের দিকে তাকান! একদিকে যেমন ‘এক জেলা এক পণ্য’ অভিযানের মাধ্যমে ক্ষুদ্র শিল্পকে শক্তিশালী করে তোলা হচ্ছে, অন্যদিকে এই রাজ্যে একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা করিডর গড়ে তোলা হয়েছে। অপারেশন সিঁদুরের সময় সারা বিশ্ব ব্রাহমোস ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতা প্রত্যক্ষ করেছে। আজ এই ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্ণৌ-এ তৈরি হচ্ছে। সেদিন আর বেশি দেরি নেই যখন উত্তরপ্রদেশের এই প্রতিরক্ষা করিডর সারা বিশ্বের কাছে প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ পরিচিতি লাভ করবে।

বন্ধুগণ,

বহু দশক আগে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়জি অন্ত্যোদয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, ভারতের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই বাস্তবায়িত হবে যখন সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মানুষদের মুখেও হাসি ফুটবে। দীনদয়ালজি সামগ্রিক মানবতাবাদের দর্শনের প্রচার করেছেন, যেখানে দেহ, মন, বুদ্ধি এবং আত্মার সার্বিক বিকাশ ঘটবে। মোদী দীনদয়ালজির স্বপ্ন পূরণে সঙ্কল্পবদ্ধ। আমরা সরকারি প্রকল্পের সুযোগ যাতে প্রত্যেক সুবিধাপ্রাপকের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে অন্ত্যোদয়ের ধারণাকে কাজে লাগিয়েছি। যখন কোনো প্রকল্পের সুযোগ প্রত্যেক সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছবে, তখন কোনো বৈষম্যের স্থান সেখানে হবে না। সেটিই হবে সুপ্রশাসনের, প্রকৃত সামাজিক ন্যায়ের এবং প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ উদাহরণ। আজ কোনরকমের বৈষম্য ছাড়া এই প্রথমবার দেশের কোটি কোটি মানুষের জন্য পাকা বাড়ি তৈরি হচ্ছে, শৌচালয় তৈরি হচ্ছে, জলের কল, বিদ্যুৎ এবং রান্নার গ্যাসের সংযোগের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যখন কোটি কোটি মানুষ বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী ও চিকিৎসা পরিষেবা পান, যখন সমাজের প্রান্তিক মানুষের কাছে সব ধরনের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখনই পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ন্যায়ভাবনার প্রকৃত বাস্তবায়ন ঘটে। 

বন্ধুগণ,

গত এক দশক ধরে কোটি কোটি ভারতবাসী দারিদ্র্যকে পরাজিত করে এর নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়েছেন। যাঁরা এতদিন পিছিয়ে ছিলেন, তাঁদের কল্যাণে বিজেপি সরকার অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্যই এটি সম্ভব হয়েছে। 

বন্ধুগণ,

২০১৪-র আগে সরকারের সামাজিক সুরক্ষার বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ছিলেন ২৫ কোটি মানুষ। মাত্র ২৫ কোটি মানুষ! আজ এই সুরক্ষা বলয়ে ৯৫ কোটি ভারতবাসীকে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। উত্তরপ্রদেশেও বহু মানুষ এইসব প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। আপনাদের একটি উদাহরণ দিই - এক সময় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সুবিধা গুটিকয়েক মানুষ পেতেন। বীমা প্রকল্পের সুবিধাও সমাজের উচ্চস্তরের মানুষের কাছে সীমাবদ্ধ ছিল। বীমার সুবিধা যাতে সমাজের প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার উদ্যোগী হয়। এই ভাবনায় প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনার সূত্রপাত। সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে ২ লক্ষ টাকার জীবন বীমা প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ২৫ কোটিরও বেশি দরিদ্র মানুষ এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। দুর্ঘটনাজনিত বীমার জন্য প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনার সূচনা হয়েছে। ৫৫ কোটি দরিদ্র মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। এই মানুষগুলিই এক সময়ে বীমার সুবিধা পাওয়ার কথা কল্পনাও করতে পারতেন না। 

 

বন্ধুগণ,

আপনারা শুনে আশ্চর্য হবেন, এই প্রকল্পগুলি থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা বীমা বাবদ সুবিধাপ্রাপকদের দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, সাধারণ দরিদ্র পরিবারগুলি মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারছেন। এক কথায় বলায় যায়, সঙ্কটের সময়কালে এই অর্থ দরিদ্র পরিবারগুলিকে সহায়তা করেছে। 

বন্ধুগণ,

আজ অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকী। এই দিনটি সুশাসন দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশে ‘গরিবি হটাও’ স্লোগানটিকে সুশাসনের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হত। কিন্তু, তিনি প্রকৃত অর্থে সুশাসনকে তৃণমূলস্তরে পৌঁছে দিয়েছিলেন। আজ ডিজিটাল পরিচিতি নিয়ে বহুল আলোচনা হয়। এই ডিজিটাল ব্যবস্থার সূচনা করেছিল অটল বিহারী বাজপেয়ীর সরকার। আধার কার্ড বর্তমানে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছে। এই কার্ডের কাজ শুরু হয়েছিল সেই সময় থেকেই। টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাপনার বিপ্লবেও অটল বিহারী বাজপেয়ীর কৃতিত্ব রয়েছে। তাঁর সরকারের গৃহীত নীতিই দেশের প্রত্যেক বাড়িতে টেলিফোন এবং ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছে দিতে সাহায্য করেছে। আজ বিশ্বের সবথেকে বেশি মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ভারতেই রয়েছে।

বন্ধুগণ,

অটল বিহারী বাজপেয়ীজি আজ যেখানেই থাকুন না কেন, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল উৎপাদক রাষ্ট্র হিসেবে ভারত পরিচিতি লাভ করায় তিনি নিশ্চয়ই আনন্দিত। গত ১১ বছর ধরে গৃহীত উদ্যোগের কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে। তিনি উত্তরপ্রদেশ থেকে সাংসদ হয়েছিলেন। আজ ভারতের এই রাজ্যে সবথেকে বেশি মোবাইল ফোন তৈরি করা হয়। 

বন্ধুগণ,

অটল বিহারী বাজপেয়ীর দূরদর্শিতার কারণে একবিংশ শতাব্দীর ভারতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। তাঁর সরকারের সময়কালে দেশের প্রতিটি গ্রামে সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করা হয়। সোনালী চতুর্ভুজের কাজও সেই সময়েই শুরু হয়েছিল। এই প্রকল্পের আওতায় মহাসড়কগুলির সম্প্রসারণ করা হয়।

বন্ধুগণ,

২০০০ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার আওতায় দেশজুড়ে প্রায় ৮ লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। গত ১০-১১ বছরে ৪ লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা নির্মিত হয়েছে।

বন্ধুগণ,

আজ আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, সারা ভারতে দুর্নিবার গতিতে কিভাবে এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করা হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ এখন এক্সপ্রেসওয়ে রাজ্য হিসেবে এক অনন্য পরিচিতি লাভ করেছে। অটল বিহারী বাজপেয়ীর সময়কালেই দিল্লি মেট্রো প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। আজ দেশের ২০টিরও বেশি শহরে মেট্রো প্রকল্প সম্প্রসারিত হয়েছে। এর ফলে, লক্ষ লক্ষ মানুষের সহজ জীবনযাত্রা নিশ্চিত হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের সুশাসনের ঐতিহ্য বর্তমানে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিতে বিজেপি সরকার এক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। 

বন্ধুগণ,

তিন মহামানব – ডঃ মুখোপাধ্যায়, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় এবং অটল বিহারী বাজপেয়ীর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, তাঁদের দূরদর্শীতার জন্যই ‘বিকশিত ভারত’-এর শক্তিশালী ভিত গঠন করা সম্ভব হয়েছে। আজ যে প্রতিকৃতিগুলি এখানে নির্মিত হয়েছে তা আমাদের নতুন উদ্যমে কাজ করার শক্তি যোগাবে। কিন্তু আমরা কখনই ভুলে যাব না, স্বাধীনতার পর ভারতে একটি প্রবণতা দেখা দিয়েছিল, যেখানে বলা হত যে কোনো ভালো কাজই হচ্ছে নির্দিষ্ট একটি পরিবারের কারনে। বইপত্রে, সরকারি প্রকল্পে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে, লেন, রাস্তা অথবা সর্বসাধারণের জন্য জায়গায় ঐ একটি নির্দিষ্ট পরিবারকে গৌরবান্বিত করার প্রয়াস দেখা যেত। নামকরণ, প্রতিকৃতি নির্মাণ, সবকিছুই তাদের নিয়ে আবর্তিত হত। ঐ একটি পরিবারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করে পুরনো সেই প্রবণতার থেকে বিজেপি সকলকে সরিয়ে নিয়ে এসেছে। আমাদের সরকার ভারতমাতার যে সকল সন্তান দেশসেবার কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাঁদের সকলের ভূমিকাকে সম্মান জানায়। এই প্রসঙ্গে আমি আপনাদের কাছে কিছু উদাহরণ তুলে ধরব। আজ দিল্লিতে কর্তব্য পথে আপনারা নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর মূর্তি দেখতে পাবেন। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে নেতাজী যেখানে ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা উত্তোলন করেছিলেন, সেটি তাঁরই নামে নামাঙ্কিত করা হয়েছে। 

 

বন্ধুগণ,

বাবাসাহেব আম্বেদকরের আদর্শকে মুছে দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা কেউ কখনও ভুলবেন না। দিল্লিতে কংগ্রেসের শাসক পরিবার এই অন্যায় কাজটি করেছিল। উত্তরপ্রদেশেও সমাজবাদী পার্টি সেই একই কাজ করতে উদ্যোগী হয়েছিল। কিন্তু বিজেপি বাবাসাহেবের আদর্শকে কেউ মুছে দিক, সেটি হতে দেবে না। আজ দিল্লি থেকে লন্ডন পর্যন্ত বাবাসাহেব আম্বেদকরের পঞ্চতীর্থ রক্ষিত হচ্ছে। সেখানে তাঁর আদর্শকে উদযাপন করা হচ্ছে। 

বন্ধুগণ,

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আমাদের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। দেশ শত শত রাজন্যশাসিত রাজ্যে বিভক্ত ছিল। স্বাধীনতার পর তাঁর কাজ এবং উদ্যোগকে মুছে ফেলার চেষ্টা চালানো হয়। সর্দার সাহেব যে সম্মান পাওয়ার যোগ্য, বিজেপি তাঁর সেই সম্মান ফিরিয়ে এনেছে। বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি বিজেপি তৈরি করেছে। তাঁর সম্মানে ‘একতা নগর’ নামে একটি অনুপ্রেরণামূলক অঞ্চল গড়ে তোলা হয়েছে। এখন দেশ প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর ‘জাতীয় একতা দিবস’ হিসেবে পালন করছে।

বন্ধুগণ,

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আদিবাসী সমাজের অবদানকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। আমাদের সরকার ভগবান বিরসা মুন্ডার জন্য একটি বৃহৎ স্মারক গড়ে তুলেছে। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে শহীদ বীর নারায়ণ সিং আদিবাসী সংগ্রহশালা ছত্তিশগড়ে উদ্বোধন করা হয়েছে। 

বন্ধুগণ,

দেশজুড়ে এরকম বহু উদাহরণ রয়েছে। উত্তরপ্রদেশে মহারাজা সুহেল দেবের কথা ভাবুন। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাঁর নামে একটি স্মারক তৈরি করা হয়। নিষাদ রাজ এবং প্রভু শ্রীরাম তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ফিরে পেয়েছেন। রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিং থেকে শুরু করে চৌরিচৌরার শহীদদের – বিজেপি সরকার এঁদের সকলকে স্মরণ করে এবং ভারতমাতার এই সন্তানদের অবদানকে স্বীকৃতি দেয়।

বন্ধুগণ,

পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির একটি আলাদা চরিত্র আছে। এর মূলে রয়েছে নিরাপত্তাহীনতা। আর তাই, পরিবারতন্ত্রের রাজনীতিবিদরা অন্যদের বাধ্য করেন এমন কিছু কাজ করার জন্য যাতে তাঁদের নিজের পরিবার আলাদা পরিচিতি লাভ করে। তাঁদের গৃহীত উদ্যোগগুলি যাতে চলতে থাকে, সেটিও তাঁরা নিশ্চিত করতে চায়। তাঁদের এই মানসিকতার মাধ্যমেই ভারতে রাজনীতিতে অস্পৃশ্যতার ভাবনাটি কার্যকর হয়। একবার ভাবুন, স্বাধীন ভারতে অনেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু, রাজধানী দিল্লিতে যে সংগ্রহশালাটি রয়েছে, সেখানে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের কোনো ঠাঁই ছিল না। এনডিএ নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারই এই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। আজ যখন আপনারা দিল্লি যাবেন, সেখানে সুবিশাল প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহশালা আপনাকে স্বাগত জানাবে। এখানে স্বাধীন ভারতের প্রত্যেক প্রধানমন্ত্রী স্থান পেয়েছেন। তিনি স্বল্প সময়ের জন্য শাসন করলেও তাঁকে সম্মান দেওয়া হয়েছে। 

 

বন্ধুগণ,

কংগ্রেস এবং তার সহযোগী দলগুলি বিজেপি-কে রাজনৈতিকভাবে অস্পৃশ্য করে রাখত। কিন্তু, বিজেপি যে মূল্যবোধের শিক্ষা আমাদের দিয়েছে তাতে আমরা প্রত্যেককে সম্মান করি। গত ১১ বছরে বিজেপি এবং এনডিএ নরসিমহা রাও এবং প্রণব মুখোপাধ্যায়কে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছে। মুলায়ম সিং যাদব, তরুণ গগৈ-এর মতো বহু নেতাকে আমাদের সরকার জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করে সম্মান জানিয়েছে। কংগ্রেস বা সমাজবাদী পার্টির কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ আশা করতে পারেন না। তাদের শাসনকালে বিজেপি নেতৃবৃন্দ নানা অবমাননাকর পরিস্থিতির শিকার হতেন।

বন্ধুগণ,

বিজেপি-র ডবল ইঞ্জিন সরকারের থেকে উত্তরপ্রদেশ প্রভূত লাভবান হয়েছে। একবিংশ শতাব্দীর ভারতে উত্তরপ্রদেশ একটি অনন্য পরিচিতি লাভ করেছে। আমি উত্তরপ্রদেশের সাংসদ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, উত্তরপ্রদেশের কঠোর পরিশ্রমী নাগরিকরা নতুন ভবিষ্যৎ গড়বেন। একটি সময় ছিল যখন উত্তরপ্রদেশের খারাপ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হত। আজ এই রাজ্য উন্নয়নের কারণে আলোচিত হচ্ছে। দেশের পর্যটন মানচিত্রে উত্তরপ্রদেশ দ্রুত নিজের জায়গা করে নিচ্ছে। অযোধ্যার সুবিশাল রামমন্দির এবং কাশী বিশ্বনাথ ধাম আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশের নতুন পরিচিতি নিয়ে এসেছে। রাষ্ট্র প্রেরণা স্থলের মতো আধুনিক যুগের এই উন্নয়নমূলক উদ্যোগ রাজ্যের নতুন পরিচিতি তৈরি করবে। 

বন্ধুগণ,

সুশাসন, সমৃদ্ধি, সামাজিক ন্যায়ের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এই আশা রেখে আমি আরও একবার রাষ্ট্র প্রেরণা স্থলের জন্য আপনাদের প্রত্যেককে অভিনন্দন জানাই। আমি বলব ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, আর আপনারা বলে উঠবেন, অমর রহে, অমর রহে। আমি বলব পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়জি, আর আপনারা বলবেন, অমর রহে, অমর রহে। আমি বলব অটল বিহারী বাজপেয়ীজি, আর আপনারা বলে উঠবেন, অমর রহে, অমর রহে। 

শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি - অমর রহে, অমর রহে।
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি - অমর রহে, অমর রহে।
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি - অমর রহে, অমর রহে।

পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়জি - অমর রহে, অমর রহে।
পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়জি - অমর রহে, অমর রহে।
পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়জি - অমর রহে, অমর রহে।

অটল বিহারী বাজপেয়ীজি - অমর রহে, অমর রহে।
অটল বিহারী বাজপেয়ীজি - অমর রহে, অমর রহে।
অটল বিহারী বাজপেয়ীজি - অমর রহে, অমর রহে।

ভারতমাতার জয়!

বন্দে মাতরম!
বন্দে মাতরম!

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
PM Modi Remains World's Most Popular Leader With 68% Approval Rating: Survey

Media Coverage

PM Modi Remains World's Most Popular Leader With 68% Approval Rating: Survey
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM to visit Uttar Pradesh on 28th March
March 26, 2026
PM to inaugurate Phase I of Noida International Airport developed with an investment of around ₹11,200 crore
Noida International Airport planned as a Multi-Modal Transport Hub with seamless integration across road, rail, metro, and regional transit systems
Airport also incorporates a Multi-Modal Cargo Hub, designed to handle over 2.5 lakh metric tonnes annually, expandable to around 18 lakh metric tonnes
Airport to initially have a passenger handling capacity of 12 million passengers per annum (MPPA), with scalability up to 70 MPPA

Prime Minister Shri Narendra Modi will visit Uttar Pradesh on 28 March 2026. At around 11:30 AM, he will undertake a walkthrough of the Terminal Building of Noida International Airport at Jewar, Gautam Buddha Nagar. Thereafter, at around 12 noon, Prime Minister will inaugurate Phase I of Noida International Airport and address a public gathering on the occasion.

The inauguration of Noida International Airport marks a significant milestone in India’s journey towards becoming a global aviation hub. The airport, envisioned as a major international gateway for the National Capital Region (NCR), represents a major step in strengthening the country’s airport infrastructure and enhancing regional and international connectivity. Noida International Airport has been developed as the second international airport for the Delhi NCR region, complementing Indira Gandhi International Airport. Together, the two airports will function as an integrated aviation system, easing congestion, expanding passenger capacity, and positioning Delhi NCR among leading global aviation hubs.

Noida International Airport is among the largest greenfield airport projects in India. Phase I of Noida International Airport has been developed at a total investment of around ₹11,200 crore under a Public–Private Partnership (PPP) model. The airport will initially have a passenger handling capacity of 12 million passengers per annum (MPPA), with scalability up to 70 MPPA upon full development. It features a 3,900-meter runway capable of handling wide-body aircraft, along with modern navigation systems including Instrument Landing System (ILS) and advanced airfield lighting to support efficient, all-weather, round-the-clock operations.

The airport also incorporates a robust cargo ecosystem, including a Multi-Modal Cargo Hub, featuring an Integrated Cargo Terminal and logistics zones. The cargo facility is designed to handle over 2.5 lakh metric tonnes annually, expandable to around 18 lakh metric tonnes, and includes a dedicated 40-acre Maintenance, Repair, and Overhaul (MRO) facility.

Designed as a sustainable and future-ready infrastructure project, Noida International Airport aims to operate as a net-zero emissions facility, integrating energy-efficient systems and environmentally responsible practices. Its architectural design draws inspiration from Indian heritage, incorporating elements reminiscent of traditional ghats and havelis, thereby blending cultural aesthetics with modern infrastructure.

Strategically located along the Yamuna Expressway, Noida International Airport is planned as a multi-modal transport hub with seamless integration across road, rail, metro, and regional transit systems, ensuring efficient connectivity for passengers and cargo.