“পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ভারতের গণতন্ত্রের পক্ষে উদ্বেগজনক”
“মোদী গ্যারান্টি দিচ্ছে যে, তৃতীয়বারের শাসনে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম আর্থিক শক্তিতে রূপান্তরিত হবে”
“ভারতের মহান ঐতিহ্য ও পরম্পরা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে শক্তি জুগিয়ে যাবে অযোধ্যার রাম মন্দির”
“সরকারের তৃতীয়বারের শাসন ভারতের আগামী ১ হাজার বছরের ভিত্তি তৈরি করবে”
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ লোকসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাবের ওপর জবাবি ভাষণ দেন।
এই চারটি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে বিকশিত ভারতের রূপরেখা তুলে ধরেন শ্রী মোদী।
এব্যাপারে আক্ষেপ প্রকাশ করে শ্রী মোদী বলেন, দেশের উন্নয়ন কোনো এক ব্যক্তির জন্য নয়, দেশের উন্নয়ন সকলের জন্যই।
রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ভারতের মহান ঐতিহ্য ও পরম্পরা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে রাম মন্দির শক্তি জুগিয়ে যাবে।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশে ৩ কোটি লাখপতি দিদি তৈরি হবে।

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ লোকসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাবের ওপর জবাবি ভাষণ দেন। 

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণ শুরুতে সংসদের নতুন ভবনে রাষ্ট্রপতিজির আগমনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই পরম্পরা সংসদের মর্যাদা বাড়িয়েছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাবের উপর সদস্যরা যেভাবে তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেছেন, সেজন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি তথ্যসমৃদ্ধ বক্তব্য পেশ করেছেন এবং তাঁর ভাষণে ভারতের অগ্রগতির মাত্রা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশ তখনই দ্রুত গতিতে এগোতে পারবে, যখন চারটি স্তম্ভ, অর্থাৎ নারী শক্তি, যুব শক্তি, গরিব এবং অন্নদাতাদের উন্নতি হবে। এই চারটি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে বিকশিত ভারতের রূপরেখা তুলে ধরেন শ্রী মোদী। 

শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ভারতের গণতন্ত্রের পক্ষে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শ্রী মোদী বলেন, একটি রাজনৈতিক দল পরিবারের হাতে চালিত হলে, সেটি তার পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার দেয়। সেখানে পরিবারের স্বার্থের দিকে লক্ষ্য রেখেই সমস্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, “দেশের সেবায় তরুণদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করার জন্য আমি আবেদন জানাচ্ছি।” পরিবারকেন্দ্রিক শাসনে বিপজ্জনক নানা দিক ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী। এব্যাপারে আক্ষেপ প্রকাশ করে শ্রী মোদী বলেন, দেশের উন্নয়ন কোনো এক ব্যক্তির জন্য নয়, দেশের উন্নয়ন সকলের জন্যই। 

ভারতীয় অর্থনীতির মজবুত ভিত্তির প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মোদী গ্যারান্টি দিচ্ছে যে, এই সরকারের তৃতীয়বারের শাসনে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম আর্থিক শক্তির দেশে রূপান্তরিত হবে।” এ প্রসঙ্গে জি২০ শীর্ষ বৈঠকে ভারত সম্পর্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধারণার কথা উল্লেখ করেন শ্রী মোদী। 

দেশের অগ্রগতিতে সরকারের ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালে তদানীন্তন সরকারের পেশ করা অন্তর্বর্তী বাজেটের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সে সময়ে দেশের অর্থমন্ত্রী জিডিপি-র নিরিখে ভারতকে বিশ্বের ১১ তম আর্থিক শক্তির দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন, আর এখন ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম আর্থিক শক্তির দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। তিনি আরও বলেন, আগামী তিন দশকের মধ্যে আমেরিকা এবং চিনের পরই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম আর্থিক শক্তির দেশ হয়ে উঠবে ভারত। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “আমি আজ দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে জানাচ্ছি যে, বর্তমান সরকারের তৃতীয়বারের শাসনেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম আর্থিক শক্তির দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে ভারত।”

শ্রী মোদী বলেন, বড় লক্ষ্যকে সামনে রেখে সাহসের সঙ্গে সরকার যেভাবে দ্রুত গতিতে কাজ করে চলেছে, তার দিকে নজর রাখছে গোটা বিশ্ব। তিনি জানান, বর্তমান সরকার গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য ৪ কোটি বাড়ি এবং শহরাঞ্চলে গরিবদের জন্য ৮০ লক্ষ পাকা বাড়ি তৈরি করেছে। গত ১০ বছরে ৪০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ রেল পথের বৈদ্যুতিকীকরণ করা হয়েছে। ১৭ কোটি অতিরিক্ত গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছে। 

কল্যাণমূলক কাজের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী সরকারের ভূমিকায় আক্ষেপ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে দেশবাসীর শক্তি ও সক্ষমতার উপর তাঁর সরকারের আস্থার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমাদের সরকারের প্রথমবারের শাসনে আমরা পূর্ববর্তী সরকারের ঘাটতিগুলি দূর করার চেষ্টা করেছি, দ্বিতীয়বারের শাসনে আমরা নতুন ভারতের ভিত্তির পথ প্রশস্ত করেছি। আর তৃতীয়বারের শাসনে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে আমরা উন্নয়নে আরও গতি আনব।” এ প্রসঙ্গে প্রথমবারের শাসনে স্বচ্ছ ভারত, উজ্জ্বলা, আয়ুষ্মান ভারত, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, ডিজিটাল ইন্ডিয়া এবং জিএসটি-র চালুর কথা উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি দেখেছে, নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম চালু করা হয়েছে, ৪০ হাজারের বেশি অচল আইনকে বাতিল করা হয়েছে, বন্দে ভারত এবং নমো ভারতের মতো ট্রেন চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, “উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম, দেশের মানুষ সময়ের মধ্যে সব প্রকল্পের কাজ শেষ হতে দেখেছেন।” শ্রী মোদী বলেন, বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রার মাধ্যমে প্রত্যেকের কাছে ন্যূনতম সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশবাসী সরকারের নিষ্ঠা ও দৃঢ়তার প্রমাণ পেয়েছেন। রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ভারতের মহান ঐতিহ্য ও পরম্পরা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে রাম মন্দির শক্তি জুগিয়ে যাবে।”

বর্তমান সরকারের তৃতীয়বারের শাসনে যেসব বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে তাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এই সরকারের তৃতীয়বারের শাসনে দেশের জন্য আগামী হাজার বছরের ভিত তৈরি করা হবে।” দেশের ১৪০ কোটি নাগরিকের সক্ষমতার উপর আস্থা প্রকাশ করে শ্রী মোদী বলেন, গত ১০ বছরে ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র সীমার উপরে তুলে আনা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের সম্পদের যথার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে দারিদ্রকে পরাস্ত করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৪০ কোটি গরিবের নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, ৪ কোটির নিজস্ব বাড়ি রয়েছে, ১১ কোটি গরিব মানুষ নলবাহিত জল সংযোগ পেয়েছেন, ৫৫ কোটি দেশবাসীকে আয়ুষ্মান কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং ৮০ কোটি দেশবাসী বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পাচ্ছেন। তিনি বলেন, “মোদী তাঁদের নিয়ে বেশি চিন্তিত, যাঁদের কথা কেউ ভাবে না।”

ভারতে নারী শক্তির ক্ষমতায়নে সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতে এখন এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে নারীদের জন্য দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়নি। তাঁরা যুদ্ধ বিমান চালাচ্ছেন এবং দেশের সীমান্তও রক্ষা করছেন।” মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির সক্ষমতার উপর আস্থা প্রকাশ করে শ্রী মোদী বলেন, এধরনের গোষ্ঠীর সংখ্যা ১০ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং এই গোষ্ঠীগুলি গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি এনেছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশে ৩ কোটি লাখপতি দিদি তৈরি হবে। 

কৃষক কল্যাণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষিখাতে আগের সরকারের বাজেট বরাদ্দ ছিল ২৫ হাজার কোটি টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। পিএম কিষান সম্মাননিধি যোজনায় কৃষকদের ২,৮০,০০০ কোটি টাকা প্রদান, পিএম ফসল বিমা যোজনায় ১,৫০,০০০ কোটি টাকা প্রদানের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

দেশের তরুণদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী স্টার্টআপ, ইউনিকর্ন, ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রভৃতির কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতিতে ভারত এখন বিশ্বের প্রথমসারির দেশ হিসেবে উঠে এসেছে এবং ভারতের তরুণদের সামনে এখন অসংখ্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাচ্ছে। মোবাইল উৎপাদনে দেশের সাফল্যের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি পর্যটন এবং অসামরিক বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রেও অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন, ভারতের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং সামাজিক সুরক্ষা সুনিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

পরিকাঠামো ক্ষেত্রে গত ১০ বছরে বাজেট বরাদ্দ ১২ লক্ষ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৪৪ লক্ষ কোটি টাকা করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। গবেষণা এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও তরুণদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি। শক্তির ক্ষেত্রে দেশকে আত্মনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে গ্রিন হাইড্রোজেন ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে লগ্নির প্রসঙ্গ টেনে আনেন প্রধানমন্ত্রী। 

তাঁর ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মূল্যবৃদ্ধি এবং ১৯৭৪ সালের ৩০ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতির কথাও উল্লেখ করেন। করোনা অতিমারি সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন শ্রী মোদী। তিনি বলেন, প্রত্যক্ষ নগদ হস্তান্তরের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ কোটি টাকার বেশি বন্টন করা হয়েছে।

দুর্নীতি নির্মূল করতে সরকারের সর্বাত্মক লড়াইয়ের অঙ্গীকারের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যারা দেশকে লুঠ করেছে, তাদের তার মূল্য দিতে হবে।” দেশের শান্তি ও সুস্থিতি রক্ষায় সরকারের প্রয়াসের প্রশংসা করে শ্রী মোদী বলেন, সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে ভারতের নীতি অনুসরণ করছে গোটা বিশ্ব। ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রশংসা করে বিচ্ছিন্নতাবাদের নিন্দা করেন প্রধানমন্ত্রী। জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন প্রক্রিয়ারও প্রশংসা করেন তিনি।

দেশের উন্নয়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার জন্য উপস্থিত সদস্যদের কাছে আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মা ভারতী এবং এর ১৪০ কোটি নাগরিকের উন্নয়নে আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই।”

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Click here to read full text speech

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
India sets sights on global renewable ammonia market, takes strides towards sustainable energy leadership

Media Coverage

India sets sights on global renewable ammonia market, takes strides towards sustainable energy leadership
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM Modi's Interview to IANS
May 27, 2024

पहले तो मैं आपकी टीम को बधाई देता हूं भाई, कि इतने कम समय में आपलोगों ने अच्छी जगह बनाई है और एक प्रकार से ग्रासरूट लेवल की जो बारीक-बारीक जानकारियां हैं। वह शायद आपके माध्यम से जल्दी पहुंचती है। तो आपकी पूरी टीम बधाई की पात्र है।

Q1 - आजकल राहुल गांधी और अरविंद केजरीवाल को पाकिस्तान से इतना endorsement क्यों मिल रहा है ? 370 ख़त्म करने के समय से लेकर आज तक हर मौक़े पर पाकिस्तान से उनके पक्ष में आवाज़ें आती हैं ?

जवाब – देखिए, चुनाव भारत का है और भारत का लोकतंत्र बहुत ही मैच्योर है, तंदरुस्त परंपराएं हैं और भारत के मतदाता भी बाहर की किसी भी हरकतों से प्रभावित होने वाले मतदाता नहीं हैं। मैं नहीं जानता हूं कि कुछ ही लोग हैं जिनको हमारे साथ दुश्मनी रखने वाले लोग क्यों पसंद करते हैं, कुछ ही लोग हैं जिनके समर्थन में आवाज वहां से क्यों उठती है। अब ये बहुत बड़ी जांच पड़ताल का यह गंभीर विषय है। मुझे नहीं लगता है कि मुझे जिस पद पर मैं बैठा हूं वहां से ऐसे विषयों पर कोई कमेंट करना चाहिए लेकिन आपकी चिंता मैं समझ सकता हूं।

 

Q 2 - आप ने भ्रष्टाचार के ख़िलाफ़ मुहिम तेज करने की बात कही है अगली सरकार जब आएगी तो आप क्या करने जा रहे हैं ? क्या जनता से लूटा हुआ पैसा जनता तक किसी योजना या विशेष नीति के जरिए वापस पहुंचेगा ?

जवाब – आपका सवाल बहुत ही रिलिवेंट है क्योंकि आप देखिए हिंदुस्तान का मानस क्या है, भारत के लोग भ्रष्टाचार से तंग आ चुके हैं। दीमक की तरह भ्रष्टाचार देश की सारी व्यवस्थाओं को खोखला कर रहा है। भ्रष्टाचार के लिए आवाज भी बहुत उठती है। जब मैं 2013-14 में चुनाव के समय भाषण करता था और मैं भ्रष्टाचार की बातें बताता था तो लोग अपना रोष व्यक्त करते थे। लोग चाहते थे कि हां कुछ होना चाहिए। अब हमने आकर सिस्टमैटिकली उन चीजों को करने पर बल दिया कि सिस्टम में ऐसे कौन से दोष हैं अगर देश पॉलिसी ड्रिवन है ब्लैक एंड व्हाइट में चीजें उपलब्ध हैं कि भई ये कर सकते हो ये नहीं कर सकते हो। ये आपकी लिमिट है इस लिमिट के बाहर जाना है तो आप नहीं कर सकते हो कोई और करेगा मैंने उस पर बल दिया। ये बात सही है..लेकिन ग्रे एरिया मिनिमल हो जाता है जब ब्लैक एंड व्हाइट में पॉलिसी होती है और उसके कारण डिसक्रिमिनेशन के लिए कोई संभावना नहीं होती है, तो हमने एक तो पॉलिसी ड्रिवन गवर्नेंस पर बल दिया। दूसरा हमने स्कीम्स के सैचुरेशन पर बल दिया कि भई 100% जो स्कीम जिसके लिए है उन लाभार्थियों को 100% ...जब 100% है तो लोगों को पता है मुझे मिलने ही वाला है तो वो करप्शन के लिए कोई जगह ढूंढेगा नहीं। करप्शन करने वाले भी कर नहीं सकते क्योंकि वो कैसे-कैसे कहेंगे, हां हो सकता है कि किसी को जनवरी में मिलने वाला मार्च में मिले या अप्रैल में मिले ये हो सकता है लेकिन उसको पता है कि मिलेगा और मेरे हिसाब से सैचुरेशन करप्शन फ्री गवर्नेंस की गारंटी देता है। सैचुरेशन सोशल जस्टिस की गारंटी देता है। सैचुरेशन सेकुलरिज्म की गारंटी देता है। ऐसे त्रिविध फायदे वाली हमारी दूसरी स्कीम, तीसरा मेरा प्रयास रहा कि मैक्सिमम टेक्नोलॉजी का उपयोग करना। टेक्नोलॉजी में भी..क्योंकि रिकॉर्ड मेंटेन होते हैं, ट्रांसपेरेंसी रहती है। अब डायरेक्ट बेनेफिट ट्रांसफर में 38 लाख करोड़ रुपए ट्रांसफर किए हमने। अगर राजीव गांधी के जमाने की बात करें कि एक रुपया जाता है 15 पैसा पहुंचता है तो 38 लाख करोड़ तो हो सकता है 25-30 लाख करोड़ रुपया ऐसे ही गबन हो जाते तो हमने टेक्नोलॉजी का भरपूर उपयोग किया है। जहां तक करप्शन का सवाल है देश में पहले क्या आवाज उठती थी कि भई करप्शन तो हुआ लेकिन उन्होंने किसी छोटे आदमी को सूली पर चढ़ा दिया। सामान्य रूप से मीडिया में भी चर्चा होती थी कि बड़े-बड़े मगरमच्छ तो छूट जाते हैं, छोटे-छोटे लोगों को पकड़कर आप चीजें निपटा देते हो। फिर एक कालखंड ऐसा आया कि हमें पूछा जाता था 19 के पहले कि आप तो बड़ी-बड़ी बातें करते थे क्यों कदम नहीं उठाते हो, क्यों अरेस्ट नहीं करते हो, क्यों लोगों को ये नहीं करते हो। हम कहते थे भई ये हमारा काम नहीं है, ये स्वतंत्र एजेंसी कर रही है और हम बदइरादे से कुछ नहीं करेंगे। जो भी होगा हमारी सूचना यही है जीरो टोलरेंस दूसरा तथ्यों के आधार पर ये एक्शन होना चाहिए, परसेप्शन के आधार पर नहीं होना चाहिए। तथ्य जुटाने में मेहनत करनी पड़ती है। अब अफसरों ने मेहनत भी की अब मगरमच्छ पकड़े जाने लगे हैं तो हमें सवाल पूछा जा रहा है कि मगरमच्छों को क्यों पकड़ते हो। ये समझ में नहीं आता है कि ये कौन सा गैंग है, खान मार्केट गैंग जो कुछ लोगों को बचाने के लिए इस प्रकार के नैरेटिव गढ़ती है। पहले आप ही कहते थे छोटों को पकड़ते हो बड़े छूट जाते हैं। जब सिस्टम ईमानदारी से काम करने लगा, बड़े लोग पकड़े जाने लगे तब आप चिल्लाने लगे हो। दूसरा पकड़ने का काम एक इंडिपेंडेंट एजेंसी करती है। उसको जेल में रखना कि बाहर रखना, उसके ऊपर केस ठीक है या नहीं है ये न्यायालय तय करता है उसमें मोदी का कोई रोल नहीं है, इलेक्टेड बॉडी का कोई रोल नहीं है लेकिन आजकल मैं हैरान हूं। दूसरा जो देश के लिए चिंता का विषय है वो भ्रष्ट लोगों का महिमामंडन है। हमारे देश में कभी भी भ्रष्टाचार में पकड़े गए लोग या किसी को आरोप भी लगा तो लोग 100 कदम दूर रहते थे। आजकल तो भ्रष्ट लोगों को कंधे पर बिठाकर नाचने की फैशन हो गई है। तीसरा प्रॉब्लम है जो लोग कल तक जिन बातों की वकालत करते थे आज अगर वही चीजें हो रही हैं तो वो उसका विरोध कर रहे हैं। पहले तो वही लोग कहते थे सोनिया जी को जेल में बंद कर दो, फलाने को जेल में बंद कर दो और अब वही लोग चिल्लाते हैं। इसलिए मैं मानता हूं आप जैसे मीडिया का काम है कि लोगों से पूछे कि बताइए छोटे लोग जेल जाने चाहिए या मगरमच्छ जेल जाने चाहिए। पूछो जरा पब्लिक को क्या ओपिनियन है, ओपिनियन बनाइए आप लोग।

 

Q3- नेहरू से लेकर राहुल गांधी तक सबने गरीबी हटाने की बात तो की लेकिन आपने आत्मनिर्भर भारत पर जोर दिया, इसे लेकर कैसे रणनीति तैयार करते हैं चाहे वो पीएम स्वनिधि योजना हो, पीएम मुद्रा योजना बनाना हो या विश्वकर्मा योजना हो मतलब एकदम ग्रासरूट लेवल से काम किया ?

जवाब – देखिए हमारे देश में जो नैरेटिव गढ़ने वाले लोग हैं उन्होंने देश का इतना नुकसान किया। पहले चीजें बाहर से आती थी तो कहते थे देखिए देश को बेच रहे हैं सब बाहर से लाते हैं। आज जब देश में बन रहा है तो कहते हैं देखिए ग्लोबलाइजेशन का जमाना है और आप लोग अपने ही देश की बातें करते हैं। मैं समझ नहीं पाता हूं कि देश को इस प्रकार से गुमराह करने वाले इन ऐलिमेंट्स से देश को कैसे बचाया जाए। दूसरी बात है अगर अमेरिका में कोई कहता है Be American By American उसपर तो हम सीना तानकर गर्व करते हैं लेकिन मोदी कहता है वोकल फॉर लोकल तो लोगों को लगता है कि ये ग्लोबलाइजेशन के खिलाफ है। तो इस प्रकार से लोगों को गुमराह करने वाली ये प्रवृत्ति चलती है। जहां तक भारत जैसा देश जिसके पास मैनपावर है, स्किल्ड मैनपावर है। अब मैं ऐसी तो गलती नहीं कर सकता कि गेहूं एक्सपोर्ट करूं और ब्रेड इम्पोर्ट करूं..मैं तो चाहूंगा मेरे देश में ही गेहूं का आटा निकले, मेरे देश में ही गेहूं का ब्रेड बने। मेरे देश के लोगों को रोजगार मिले तो मेरा आत्मनिर्भर भारत का जो मिशन है उसके पीछे मेरी पहली जो प्राथमिकता है कि मेरे देश के टैलेंट को अवसर मिले। मेरे देश के युवाओं को रोजगार मिले, मेरे देश का धन बाहर न जाए, मेरे देश में जो प्राकृतिक संसाधन हैं उनका वैल्यू एडिशन हो, मेरे देश के अंदर किसान जो काम करता है उसकी जो प्रोडक्ट है उसका वैल्यू एडिशन हो वो ग्लोबल मार्केट को कैप्चर करे और इसलिए मैंने विदेश विभाग को भी कहा है कि भई आपकी सफलता को मैं तीन आधारों से देखूंगा एक भारत से कितना सामान आप..जिस देश में हैं वहां पर खरीदा जाता है, दूसरा उस देश में बेस्ट टेक्नोलॉजी कौन सी है जो अभीतक भारत में नहीं है। वो टेक्नोलॉजी भारत में कैसे आ सकती है और तीसरा उस देश में से कितने टूरिस्ट भारत भेजते हो आप, ये मेरा क्राइटेरिया रहेगा...तो मेरे हर चीज में सेंटर में मेरा नेशन, सेंटर में मेरा भारत और नेशन फर्स्ट इस मिजाज से हम काम करते हैं।

 

Q 4 - एक तरफ आप विश्वकर्माओं के बारे में सोचते हैं, नाई, लोहार, सुनार, मोची की जरूरतों को समझते हैं उनसे मिलते हैं तो वहीं दूसरी तरफ गेमर्स से मिलते हैं, आर्टिफिशियल इंटेलीजेंस की बात करते हैं, इन्फ्लुएंसर्स से आप मिलते हैं इनकी अहमियत को भी सबके सामने रखते हैं, इतना डाइवर्सीफाई तरीके से कैसे सोच पाते हैं?

जवाब- आप देखिए, भारत विविधताओं से भरा हुआ है और कोई देश एक पिलर पर बड़ा नहीं हो सकता है। मैंने एक मिशन लिया। हर डिस्ट्रिक्ट का वन डिस्ट्रिक्ट, वन प्रोडक्ट पर बल दिया, क्यों? भारत इतना विविधता भरा देश है, हर डिस्ट्रिक्ट के पास अपनी अलग ताकत है। मैं चाहता हूं कि इसको हम लोगों के सामने लाएं और आज मैं कभी विदेश जाता हूं तो मुझे चीजें कौन सी ले जाऊंगा। वो उलझन नहीं होती है। मैं सिर्फ वन डिस्ट्रिक, वन प्रोडक्ट का कैटलॉग देखता हूं। तो मुझे लगता है यूरोप जाऊंगा तो यह लेकर जाऊंगा। अफ्रीका जाऊंगा तो यह लेकर जाऊंगा। और हर एक को लगता है एक देश में। यह एक पहलू है दूसरा हमने जी 20 समिट हिंदुस्तान के अलग-अलग हिस्से में की है। क्यों? दुनिया को पता चले कि दिल्ली, यही हिंदुस्तान नहीं है। अब आप ताजमहल देखें तो टूरिज्म पूरा नहीं होता जी मेरे देश का। मेरे देश में इतना पोटेंशियल है, मेरे देश को जानिए और समझिए और इस बार हमने जी-20 का उपयोग भारत को विश्व के अंदर भारत की पहचान बनाने के लिए किया। दुनिया की भारत के प्रति क्यूरियोसिटी बढ़े, इसमें हमने बड़ी सफलता पाई है, क्योंकि दुनिया के करीब एक लाख नीति निर्धारक ऐसे लोग जी-20 समूह की 200 से ज्यादा मीटिंग में आए। वह अलग-अलग जगह पर गए। उन्होंने इन जगहों को देखा, सुना भी नहीं था, देखा वो अपने देश के साथ कोरिलिरेट करने लगे। वो वहां जाकर बातें करने लगे। मैं देख रहा हूं जी20 के कारण लोग आजकल काफी टूरिस्टों को यहां भेज रहे हैं। जिसके कारण हमारे देश का टूरिज्म को बढ़ावा मिला।

इसी तरह आपने देखा होगा कि मैंने स्टार्टअप वालों के साथ मीटिंग की थी, मैं वार्कशॉप करता था। आज से मैं 7-8 साल पहले, 10 साल पहले शुरू- शुरू में यानी मैं 14 में आया। उसके 15-16 के भीतर-भीतर मैंने जो नए स्टार्टअप की दुनिया शुरू हुई, उनकी मैंने ऐसे वर्कशॉप की है तो मैं अलग-अलग कभी मैंने स्पोर्ट्स पर्सन्स के की, कभी मैंने कोचों के साथ की कि इतना ही नहीं मैंने फिल्म दुनिया वालों के साथ भी ऐसी मीटिंग की।

मैं जानता हूं कि वह बिरादरी हमारे विचारों से काफी दूर है। मेरी सरकार से भी दूर है, लेकिन मेरा काम था उनकी समस्याओं को समझो क्योंकि बॉलीवुड अगर ग्लोबल मार्केट में मुझे उपयोगी होता है, अगर मेरी तेलुगू फिल्में दुनिया में पॉपुलर हो सकती है, मेरी तमिल फिल्म दुनिया पॉपुलर हो सकती है। मुझे तो ग्लोबल मार्केट लेना था मेरे देश की हर चीज का। आज यूट्यूब की दुनिया पैदा हुई तो मैंने उनको बुलाया। आप देश की क्या मदद कर सकते हैं। इंफ्लुएंसर को बुलाया, क्रिएटिव वर्ल्ड, गेमिंम अब देखिए दुनिया का इतना बड़ा गेमिंग मार्केट। भारत के लोग इन्वेस्ट कर रहे हैं, पैसा लगा रहे हैं और गेमिंग की दुनिया में कमाई कोई और करता है तो मैंने सारे गेमिंग के एक्सपर्ट को बुलाया। पहले उनकी समस्याएं समझी। मैंने देश को कहा, मेरी सरकार को मुझे गेमिंग में भारतीय लीडरशिप पक्की करनी है।

इतना बड़ा फ्यूचर मार्केट है, अब तो ओलंपिक में गेमिंग आया है तो मैं उसमें जोड़ना चाहता हूं। ऐसे सभी विषयों में एक साथ काम करने के पक्ष में मैं हूं। उसी प्रकार से देश की जो मूलभूत व्यवस्थाएं हैं, आप उसको नजरअंदाज नहीं कर सकते हैं। हमें गांव का एक मोची होगा, सोनार होगा, कपड़े सिलने वाला होगा। वो भी मेरे देश की बहुत बड़ी शक्ति है। मुझे उसको भी उतना ही तवज्जो देना होगा। और इसलिए मेरी सरकार का इंटीग्रेटेड अप्रोच होता है। कॉम्प्रिहेंसिव अप्रोच होता है, होलिस्टिक अप्रोच होता है।

 

Q 5 - डिजिटल इंडिया और मेक इन इंडिया उसका विपक्ष ने मजाक भी उड़ाया था, आज ये आपकी सरकार की खास पहचान बन गए हैं और दुनिया भी इस बात का संज्ञान ले रही है, इसका एक उदहारण यूपीआई भी है।

जवाब – यह बात सही है कि हमारे देश में जो डिजिटल इंडिया मूवमेंट मैंने शुरू किया तो शुरू में आरोप क्या लगाए इन्होंने? उन्होंने लगाई कि ये जो सर्विस प्रोवाइडर हैं, उनकी भलाई के लिए हो रहा है। इनको समझ नहीं आया कि यह क्षेत्र कितना बड़ा है और 21वीं सदी एक टेक्नॉलॉजी ड्रिवन सेंचुरी है। टेक्नोलॉजी आईटी ड्रिवन है। आईटी इन्फोर्स बाय एआई। बहुत बड़े प्रभावी क्षेत्र बदलते जा रहे हैं। हमें फ्यूचरस्टीक चीजों को देखना चाहिए। आज अगर यूपीआई न होता तो कोई मुझे बताए कोविड की लड़ाई हम कैसे लड़ते? दुनिया के समृद्ध देश भी अपने लोगों को पैसे होने के बावजूद भी नहीं दे पाए। हम आराम से दे सकते हैं। आज हम 11 करोड़ किसानों को 30 सेकंड के अंदर पैसा भेज सकते हैं। अब यूपीआई अब इतनी यूजर फ्रेंडली है तो क्योंकि यह टैलेंट हमारे देश के नौजवानों में है। वो ऐसे प्रोडक्ट बना करके देते हैं कि कोई भी कॉमन मैन इसका उपयोग कर सकता है। आज मैंने ऐसे कितने लोग देखे हैं जो अपना सोशल मीडिया अनुभव कर रहे हैं। हमने छह मित्रों ने तय किया कि छह महीने तक जेब में 1 पैसा नहीं रखेंगे। अब देखते हैं क्या होता है। छह महीने पहले बिना पैसे पूरी दुनिया में हम अपना काम, कारोबार करके आ गए। हमें कोई तकलीफ नहीं हुई तो हर कसौटी पर खरा उतर रहा है। तो यूपीआई ने एक प्रकार से फिनटेक की दुनिया में बहुत बड़ा रोल प्ले किया है और इसके कारण इन दिनों भारत के साथ जुड़े हुए कई देश यूपीआई से जुड़ने को तैयार हैं क्योंकि अब फिनटेक का युग है। फिनटेक में भारत अब लीड कर रहा है और इसलिए दुर्भाग्य तो इस बात का है कि जब मैं इस विषय को चर्चा कर रहा था तब देश के बड़े-बड़े विद्वान जो पार्लियामेंट में बैठे हैं वह इसका मखौल उड़ाते थे, मजाक उड़ाते थे, उनको भारत के पोटेंशियल का अंदाजा नहीं था और टेक्नोलॉजी के सामर्थ्य का भी अंदाज नहीं था।

 

Q 6 - देश के युवा भारत का इतिहास लिखेंगे ऐसा आप कई बार बोल चुके हैं, फर्स्ट टाइम वोटर्स का पीएम मोदी से कनेक्ट के पीछे का क्या कारण है?

एक मैं उनके एस्पिरेशन को समझ पाता हूं। जो पुरानी सोच है कि वह घर में अपने पहले पांच थे तो अब 7 में जाएगा सात से नौ, ऐसा नहीं है। वह पांच से भी सीधा 100 पर जाना चाहता है। आज का यूथ हर, क्षेत्र में वह बड़ा जंप लगाना चाहता है। हमें वह लॉन्चिंग पैड क्रिएट करना चाहिए, ताकि हमारे यूथ के एस्पिरेशन को हम फुलफिल कर सकें। इसलिए यूथ को समझना चाहिए। मैं परीक्षा पर चर्चा करता हूं और मैंने देखा है कि मुझे लाखों युवकों से ऐसी बात करने का मौका मिलता है जो परीक्षा पर चर्चा की चर्चा चल रही है। लेकिन वह मेरे साथ 10 साल के बाद की बात करता है। मतलब वह एक नई जनरेशन है। अगर सरकार और सरकार की लीडरशिप इस नई जनरेशन के एस्पिरेशन को समझने में विफल हो गई तो बहुत बड़ी गैप हो जाएगी। आपने देखा होगा कोविड में मैं बार-बार चिंतित था कि मेरे यह फर्स्ट टाइम वोटर जो अभी हैं, वह कोविड के समय में 14-15 साल के थे अगर यह चार दीवारों में फंसे रहेंगे तो इनका बचपन मर जाएगा। उनकी जवानी आएगी नहीं। वह बचपन से सीधे बुढ़ापे में चला जाएगा। यह गैप कौन भरेगा? तो मैं उसके लिए चिंतित था। मैं उनसे वीडियो कॉन्फ्रेंस से बात करता था। मैं उनको समझाता था का आप यह करिए। और इसलिए हमने डेटा एकदम सस्ता कर दिया। उस समय मेरा डेटा सस्ता करने के पीछे लॉजिक था। वह ईजिली इंटरनेट का उपयोग करते हुए नई दुनिया की तरफ मुड़े और वह हुआ। उसका हमें बेनिफिट हुआ है। भारत ने कोविड की मुसीबतों को अवसर में पलटने में बहुत बड़ा रोल किया है और आज जो डिजिटल रिवॉल्यूशन आया है, फिनटेक का जो रिवॉल्यूशन आया है, वह हमने आपत्ति को अवसर में पलटा उसके कारण आया है तो मैं टेक्नोलॉजी के सामर्थ्य को समझता हूं। मैं टेक्नोलॉजी को बढ़ावा देना चाहता हूं।

प्रधानमंत्री जी बहुत-बहुत धन्यवाद आपने हमें समय दिया।

नमस्कार भैया, मेरी भी आपको बहुत-बहुत शुभकामनाएं, आप भी बहुत प्रगति करें और देश को सही जानकारियां देते रहें।