মহামান্য,
শিল্পপতি নেতৃবৃন্দ,
সম্মানিত অতিথিবৃন্দ,
আপনাদের সবাইকে  নমস্কার। 
আমরা সবাই একটি সাধারণ দায়বদ্ধতার মাধ্যমে যুক্ত হয়েছি, তা হল – ‘গ্লোবাল নেট জিরো’৷ এই ‘গ্লোবাল নেট জিরো’র লক্ষ্যগুলি অর্জনের জন্য সরকার ও শিল্পোদ্যোগগুলির মধ্যে অংশীদারিত্ব অপরিহার্য৷ আর এক্ষেত্রে, শিল্পক্ষেত্রে নানা উদ্ভাবন একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক৷ এই পৃথিবী গ্রহের  নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য একটি ‘লিডারশিপ গ্রুপ ফর ইন্ডাস্ট্রি ট্র্যাঞ্জিশন’ বা  শিল্পে রূপান্তরের   জন্য নেতৃত্ব গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। এটি ‘লিড-আইটি’ বা নেতৃত্বপ্রদানকারী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলি   , সংশ্লিষ্ট সরকার এবং শিল্পোদ্যোগগুলির মধ্যে অংশীদারিত্বের একটি সফল উদাহরণ।

 

২০১৯ সালে চালু করা এই ‘লিড-আইটি’ হল আমাদের যৌথ প্রয়াস যাতে শিল্পের রূপান্তরকে শক্তি প্রদান করা যায়, যাতে অপেক্ষাকৃত কম কার্বন ব্যবহারের প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করা যায়, এবং গ্লোবাল সাউথের কাছে এটিকে যত দ্রুত এবং সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়। এর প্রথম পর্যায়ে, লিড-আইটি এবং ইস্পাত, সিমেন্ট, অ্যালুমিনিয়াম, পরিবহনের মত ক্ষেত্রে রূপান্তরের পথচিত্র এবং জ্ঞান পরস্পরের সঙ্গে ভাগ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আজ ১৮টি দেশ এবং ২০টি বড়ো কোম্পানি এই গ্রুপের সদস্য।

বন্ধুগণ, 

ভারত, তার জি-২০ সভাপতিত্বের সময়, ‘সার্কুলারিটি স্ট্র্যাটেজি’ বা বৃত্তাকারে বিতরণ কৌশল নিয়ে বিশ্বব্যাপী পারস্পরিক  সহযোগিতার উপর জোর দিয়েছে। এটিকে এগিয়ে নিয়ে, আজ আমরা এই ‘লিড -আইটি’-তে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করছি। আজ আমরা লিড -আইটি ২.০ চালু করছি।

এই পর্বে তিনটি প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে। প্রথম, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ন্যায্য শিল্প স্থানান্তর, দ্বিতীয়, কম কার্বন প্রযুক্তির সহ-উন্নয়ন এবং স্থানান্তর এবং তৃতীয়, উদীয়মান অর্থনীতিতে শিল্পের পরিবর্তনের জন্য আর্থিক সহায়তা।

এই সবকিছু সম্ভব করার জন্য, ভারত-সুইডেন ‘ইন্ডাস্ট্রি ট্রানজিশন প্ল্যাটফর্ম’ বা শিল্প রূপান্তর মঞ্চও চালু করা হচ্ছে। এটি সংশ্লিষ্ট উভয় দেশের সরকার, শিল্প, প্রযুক্তি প্রদানকারী, গবেষক এবং থিঙ্ক-ট্যাঙ্ককে সংযুক্ত করবে। আমার পূর্ণ আস্থা আছে যে আমরা  একসঙ্গে নিজেদের ভবিষ্যত গঠন করব আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমরা একটি নতুন পরিবেশবান্ধব বৃদ্ধি সুনিশ্চিত করতে সফল হব।

আমি, আবারও, আমার বন্ধু এবং সহ-আয়োজক সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য  উলফ ক্রিস্টার-শোনকে এবং আজকের এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আপনাদেরকে  অনেক ধন্যবাদ.

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India to add 100 merchant ships to its fleet in 5 years: Sarbananda Sonowal

Media Coverage

India to add 100 merchant ships to its fleet in 5 years: Sarbananda Sonowal
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
২৭শে আগস্ট ‘খেলো ইন্ডিয়া ডায়ালগ’-এ তরুণদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
August 26, 2026
Khelo India Dialogue will bring together sports, youth leadership, civic responsibility, volunteering, fitness and nation-building on a common platform
Yuva Samvaad under Khelo India Dialogue to Focus on Five Key Themes: Sports, Olympic Aspirations, Youth Leadership, Viksit Bharat and Nasha Mukt Yuva

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২৭শে আগস্ট সকাল ১১টায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ‘খেলো ইন্ডিয়া ডায়লগ’-এ ভাষণ দেবেন। তরুণদের ভারতের খেলাধুলোয় যুক্ত করা, তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলি তুলে ধরা এবং যুব-নেতৃত্বাধীন এক শক্তিশালী ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন ধারণা বা পরামর্শ প্রদান করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

‘মেরা যুব ভারত’ (MY Bharat)-এর আয়োজনে এবং ‘জাতীয় ক্রীড়া দিবস ২০২৬’-এর উদযাপনের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচিটি দেশজুড়ে পরিচালিত হবে। এতে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিটি জেলার দুটি করে কলেজের তরুণরা অংশগ্রহণ করবেন। একটি সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও ক্রীড়াপ্রেমী দেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন কর্মসূচিতে তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার যে লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই কর্মসূচিটি আয়োজন করা হচ্ছে।

দেশব্যাপী আয়োজিত এই ‘খেলো ইন্ডিয়া ডায়লগ’ ক্রীড়া, যুব নেতৃত্ব, নাগরিক দায়িত্ববোধ, স্বেচ্ছাসেবা, শারীরিক সুস্থতা এবং দেশ গঠনের বিষয়গুলিকে একটি অভিন্ন মঞ্চে নিয়ে আসবে। এটি তরুণদের জন্য দেশের ক্রীড়া-সংক্রান্ত লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একটি সরাসরি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া ভারতের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক যে চলতি আলোচনা ও কর্মসূচিতে, তাদের ধারণা ও দৃষ্টিভঙ্গি যাতে অন্তর্ভুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করবে।

এই জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও তরুণ অংশগ্রহণকারী, ‘মাই ভারত’-এর স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় ক্রীড়াবিদ এবং জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে মতবিনিময় বা আলোচনার আয়োজন করা হবে। খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী তরুণদের সঙ্গে ভারতের শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও পদকজয়ীদের সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়া এই উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। কর্মসূচির একটি কেন্দ্রীয় আকর্ষণ হলো ‘যুব সংবাদ’। এখানে তরুণ অংশগ্রহণকারীদের তাদের নিজস্ব ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি ও আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই আলোচনাটি মূলত পাঁচটি মূল বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে:

• উন্নত সুযোগ-সুবিধা, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং সর্বজনীন অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারতের ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়ন।

• বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রতিভা শনাক্তকরণ, স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং ক্রীড়াবিদদের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের মাধ্যমে ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের জন্য প্রতিভাবানদের গড়ে তোলা।

• শাসন-সংক্রান্ত বিভিন্ন মঞ্চ ও ‘মাই ভারত’-এর নেতৃত্বাধীন স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচির মাধ্যমে যুব নেতৃত্ব গড়ে তোলা।

• নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি, ভবিষ্যতের উপযোগী দক্ষতা অর্জন এবং সুসংগঠিত স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচির মাধ্যমে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে যুবসমাজকে ক্ষমতাবান করে তোলা।

• খেলাধুলা ও সমবয়সী নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের লক্ষ্যে ‘নেশা মুক্ত যুব’বা মাদক-মুক্ত যুবসমাজ আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এর অংশ হিসেবে ২ আগস্ট ২০২৬-এ শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রীর ১০০-সপ্তাহব্যাপী দেশব্যাপী প্রচার অভিযানের আওতায় সাপ্তাহিক ‘জন-অংশীদারিত্ব’কর্মসূচি পরিচালিত হবে।