প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আগামীকাল গুজরাটের সুরাটে নির্মীয়মান বুলেট ট্রেন স্টেশন পরিদর্শন করবেন এবং মুম্বাই – আহমেদাবাদ উচ্চগতিসম্পন্ন রেল করিডরের কাজের পর্যালোচনা করবেন।
প্রায় ৫০৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই করিডরের ৩৫২ কিলোমিটার রয়েছে গুজরাট এবং দাদরা ও নগর হাভেলীর মধ্যে, ১৫৬ কিলোমিটার রয়েছে মহারাষ্ট্রে। এই করিডর সবরমতী, আহমেদাবাদ, আনন্দ, ভদোদরা, ভারুচ, সুরাট, বিলিমোরা, ভাপি, বয়সার, ভিরার, থানে এবং মুম্বাইয়ের মতো বড় শহরগুলিকে সংযোগ করবে। ভারতের পরিবহণ পরিকাঠামোয় এটি এক রূপান্তরমূলক পদক্ষেপ।
আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অত্যাধুনিক কারিগরি কৌশলে তৈরি এই করিডরের ৪৬৫ কিলোমিটারেই (সম্পূর্ণ রুটের প্রায় ৮৫ শতাংশ) ভায়াডাক্ট থাকছে। এরফলে, জমির সমস্যা ন্যূনতম হবে, সুরক্ষাও বাড়বে। এ পর্যন্ত ৩২৬ কিলোমিটার পথে ভায়াডাক্টের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে, ২৫টির মধ্যে ১৭টি নদীর উপর সেতু নির্মাণের কাজও সম্পন্ন।
বুলেট ট্রেন মুম্বাই ও আহমেদাবাদের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ২ ঘন্টা কমিয়ে আনবে। দ্রুততর, সহজতর এবং আরও আরামপ্রদ এই যাত্রা আন্তঃশহর পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিপ্লব এনে দেবে। সম্পূর্ণ করিডর বরাবর ব্যবসা, পর্যটন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক বৃদ্ধি হবে, সুগম হবে আঞ্চলিক উন্নয়নের পথ।
প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সুরাট – বিলিমোরা শাখার কাজ শেষ হওয়ার মুখে। সুরাট স্টেশনের নকশায় শহরের বিশ্ববিখ্যাত হীরা শিল্পকে তুলে ধরা হয়েছে। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে বিশেষ নজর দিয়ে সেখানে সুপ্রশস্ত প্রতীক্ষালাউঞ্জ, বিশ্রামাগার ও খুচরো বিপণীর নির্মাণ করা হয়েছে। এরসঙ্গে, সুরাট মেট্রো শহরের বাস পরিষেবা এবং ভারতীয় রেল নেটওয়ার্কেরও সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে।


