The Somnath Temple stands as a beacon of unwavering faith, divinity and a sacred symbol of India’s eternal soul: PM
The restoration of the Somnath Temple on this exact day 75 years ago was no ordinary occasion; If India attained independence in 1947, then the consecration of Somnath in 1951 proclaimed the independent spirit of India: PM
The Somnath Amrit Mahotsav will serve as India's guiding inspiration for the next thousand years: PM
Looters tried to destroy the magnificence of the Somnath temple;Thinking of Somnath as nothing but a physical edifice, they kept striking against it; The temple was broken repeatedly, yet it was rebuilt time and again, standing tall after every fall: PM
Not only was the Somnath temple reconstructed, but the country also washed away the blemish of centuries: PM
Somnath serves as a reminder that a nation can sustain its strength over time only if it remains connected to its roots: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী অংশ নিলেন সোমনাথ অমৃত মহোৎসবে, গুজরাটে সোমনাথ মন্দিরে সংস্কারের ৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে। 

৭৫ তম অভিষেক বার্ষিকী উপলক্ষে সোমনাথ মন্দির প্রাঙ্গণে মহাসমাবেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, এই অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি ভারতের চিরন্তন সচেতনতা এবং সভ্যতাকেন্দ্রিক দৃঢ়তার ঘোষণা। এই সমাবেশ প্রত্যক্ষ করল জাতীয় গর্বের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ঐশ্বরিক ভক্তিকে। উচ্চারিত হল বৈদিক মন্ত্র। পরিবেশিত হল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাগর তরঙ্গের গর্জন উদযাপন করল পবিত্র স্থানের মাহাত্ম্যকে।

প্রাচীন শাস্ত্রের জ্ঞান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিভাবে সৃষ্টি জন্ম নেয় ঈশ্বর থেকে এবং পরে মিশে যায় সেখানেই। শ্রী মোদী তাঁর ব্যক্তিগত ভক্তি ভাগ করে নিয়ে জানান তিনি দাদা সোমনাথের ভক্ত হিসেবে অসংখ্যবার এই মন্দিরে এসেছেন। শ্রী মোদী বলেন,“আমি অসংখ্যবার তাঁকে প্রণাম করেছি। কিন্তু আজ যখন আমি এখানে আসছি, তখন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাত্রা আমাকে আনন্দময় অভিজ্ঞতা দিচ্ছিল।”

সোমনাথ স্বাভিমান পর্বের সময়ে কয়েক মাস আগে তাঁর সফরের কথা উল্লেখ করে দুটি উদযাপন খুব তাড়াতাড়ি দেখার অনন্য গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন,“সোমনাথের গর্ব প্রথমবার ধ্বংসের হাজার হাজার বছর পরেও রয়ে গেছে ধ্বংস প্রতিরোধী হিসেবে। কিন্তু আজ এই নতুন আকারে প্রাণ প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছরে আমরা হাজার বছরের অমর যাত্রার সাক্ষী থাকার সুযোগ পেয়েছি। ”

১৯৫১ সালের অভিষেকের ঐতিহাসিক গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন এটা কোনও সাধারণ ঘটনা ছিল না। শ্রী মোদী বলেন,“যদি ভারত ১৯৪৭ –এ স্বাধীন হয়ে থাকে, তাহলে ১৯৫১-য় সোমনাথের প্রাণ প্রতিষ্ঠা ভারতের স্বাধীন চেতনা ঘোষণা করেছিল।”

১৯৫১-য় মন্দির সংস্কারের গভীর গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৫০০ স্বাধীন করদ রাজ্যের রাজনৈতিক একীকরণ এবং সোমনাথকে পুনর্নির্মাণ করতে তাঁর নিষ্ঠার মধ্যে এক তুলনা টানেন। শ্রী মোদী বলেন,“যখন দেশ বিদেশী শৃঙ্খল থেকে নিজেকে মুক্ত করল একই সঙ্গে সোমনাথের সংস্কার সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিল ভারত শুধুমাত্র স্বাধীন নয়, এটি তার প্রাচীন মর্যাদাকে আবার দাবি করছে।”

অনুষ্ঠানের বহুস্তরীয় গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে জানান, তিনি শুধুমাত্র ৭৫ বছরের পূর্বাপর দৃশ্যের সাক্ষী থাকছেন না। তিনি দেখছেন ধ্বংসের পর সৃষ্টির সংকল্প, যা সোমনাথ পূর্ণ করেছে। এই পবিত্র জায়গায় মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের চিরন্তন জয় প্রতিভাত হয়েছে বলে তিনি বর্ণনা করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকল্যাণে আধ্যাত্মিক চেতনা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে যে শিক্ষা দিয়েছে তার কথা বলেন। সোমনাথের দৃঢ়তায় ভারতের অদম্য মনোবল প্রকাশিত হয় বলে তিনি জানান। শতাব্দীর পর শতাব্দী ভয়ঙ্কর আক্রমণের মুখেও যাকে ধ্বংস করা যায় না, যাকে পরাজিত করা যায় না।

উদযাপনের ভবিষ্যৎ প্রভাবের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান সোমনাথ অমৃত মহোৎসব শুধু অতীতের উদযাপন নয়, আগামী হাজার বছরের জন্য ভারতের অনুপ্রেরণা। এই শুভ মুহূর্তে তিনি সকল দেশবাসী এবং কোটি কোটি ভগবান সোমনাথের ভক্তকে অভিনন্দন জানান।

জাতীয় ইতিহাসে এই দিনটি আরেকটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। যা নিয়ে তিনি বলেন, ১৯৯৮-এর ১১মে ভারতের পোখরান পারমাণবিক পরীক্ষার বার্ষিকী আজকের দিনটি। ১১ মে তিনটি পারমাণবিক পরীক্ষা হয়েছিল যার থেকে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের ক্ষমতা প্রদর্শিত হয়েছিল, জানান প্রধানমন্ত্রী। এর পরে ১৩ মে যে পরীক্ষা হয়েছিল তা ভারতের অদম্য রাজনৈতিক সংকল্পের প্রমাণ। সেই সময়ে সমগ্র বিশ্বের চাপ ছিল ভারতের ওপর কিন্তু অটলজির নেতৃত্বে তৎকালীন সরকার আমাদের জন্য দেখিয়েছিল, আগে দেশ বিশ্বের কোনও শক্তি ভারতকে নত করতে পারবে না বা চাপে দমাতে পারবে না জানিয়ে দেন শ্রী মোদী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পোখরান পারমাণবিক পরীক্ষাকে বলা হত অপারেশন শক্তি। গভীর সাংস্কৃতিক কারণে শিবের সঙ্গে শক্তির পুজো আমাদের ঐতিহ্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্ধনারীশ্বর শিব দেখায় শিব এবং শক্তিকে আলাদা করা যায় না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের চন্দ্রযান যখন সফলভাবে চাঁদে নামে তখন সেই জায়গার নাম দেওয়া হয় এই দর্শন মেনেই। প্রাচীন প্রজ্ঞার সঙ্গে আধুনিক সাফল্যের সঙ্গমে আনন্দ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই জ্যোতির্লিঙ্গকে সোমনাথ বলে ডাকা হয়। যে নাম নেওয়া হয়েছে চাঁদের থেকে এটা কত আনন্দের।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শিবশক্তিকে একসঙ্গে পুজো করার দর্শন এখন ভারতের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিকে প্রকাশ করে। বর্তমানে আমরা দেখছি এই সংকল্প পূরণ হয়েছে শিব এবং শক্তির পুজো দেশের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির অনুপ্রেরণাও হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপারেশন শক্তির বার্ষিকী উপলক্ষে তিনি সকল দেশবাসীকে অভিনন্দন জানান।

এই মন্দিরের হাজার বছরের ধ্বংস এবং পুনরুদ্ধারের কাহিনী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সেই অদম্য মনোবলের কথা জানান যা ইতিহাসকে মূর্ত করে তুলেছে। গজনীর মামুদ এবং আলাউদ্দীন খিলজির দ্বারা বারবার আক্রান্ত হয়েও এই মন্দির বার বার পুনর্নির্মিত হয়েছে ভক্ত শাসক রাজা ভোজ, প্রথম ভীম দেব, কুমার পাল, প্রথম মহীপাল এবং রাও খাঙ্গারের দ্বারা। এরা প্রত্যেকেই অপ্রতিরোধ্য স্বর্গীয় আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। যারা এটা ভেঙে ছিল তারা শুধু পাথর দেখেছিল। কিন্তু তারা বোঝেনি আমাদের সভ্যতার বৌদ্ধিক এবং আধ্যাত্মিক শক্তিকে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের সংস্কৃতির পুনরুদ্ধারকে সামনে নিয়ে এসে প্রধানমন্ত্রী লাকুলিশা এবং সোম শর্মার মতো নক্ষত্রসম সাধুদের অবদানকে স্বীকার করেন, যাঁরা এই অঞ্চলের পবিত্র ঐতিহ্যকে রক্ষা করেছিলেন। তিনি বলেন, ভাব বৃহস্পতি, পশুপতাচার্য এবং আরও অনেক জ্ঞানী ব্যক্তি এই এলাকার আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে বহন করে নিয়ে গেছেন বিশাল দেব এবং ত্রিপুরাত্মক যাঁরা এই অঞ্চলের চেতনাকে রক্ষা করেছিলেন সেই বৌদ্ধিক ব্যক্তিত্বদের স্বীকৃতি জানান প্রধানমন্ত্রী। সম্মানের পরিধি বাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী একের পর এক বীর হামিরজি গহিল, বীর ভেগদাজিভিল, পুণ্য শ্লোক, আহিল্যাবাঈ হোলকারজি, বরোদার গায়কোয়াড়, জামসাহেব মহারাজা দিগ্বিজয় সিং জির মতো মহান ব্যক্তিত্বদের নাম উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী, যাঁরা সোমনাথের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি বিশেষ করে সোমনাথ সংস্কারের আধুনিক স্থপতিদের যেমন সর্দার প্যাটেল, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, কে এম মুন্সিজি এমন সব স্বর্গীয় প্রাণের প্রতি প্রণাম জানান। তাঁদের ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রেরণা পাওয়া বর্তমানের দায়িত্ব। তাঁদের অনুপ্রেরণা শুধুমাত্র আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায় তাই নয়, আগামী প্রজন্মের হাতে সেই দায়িত্ব তুলে দিতে অনুপ্রেরণা জোগায়।

ভারতের বিশাল সাংস্কৃতি্ক ঐতিহ্যের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক স্থানগুলি হাজার হাজার বছর ধরে দেশের পরিচিতি। স্বাধীনতার পরে ভারতে একটি দুঃখজনক পরিস্থিতির উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্য জায়গায় যেখানে যে দেশের ঐতিহ্য নষ্ট করেছে আক্রমণকারীরা পরে তারা একসঙ্গে সেটি সংস্কার করেছে। আমাদের প্রথম পর্বের নেতারা এই লক্ষ্যে বিশাল প্রয়াস নিয়ে ছিলেন তবে তাঁরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিরোধিতারও সম্মুখীন হয়েছিলেন। তবে সর্দার সাহেবের অদম্য সংকল্পে দেশ বহু শতাব্দীর লজ্জা ধুয়ে দিয়েছিল।

দেশের সংস্কৃতির পুনরুদ্ধারকে সামনে নিয়ে এসে প্রধানমন্ত্রী লাকুলিশা এবং সোম শর্মার মতো নক্ষত্রসম সাধুদের অবদানকে স্বীকার করেন, যাঁরা এই অঞ্চলের পবিত্র ঐতিহ্যকে রক্ষা করেছিলেন। তিনি বলেন, ভাব বৃহস্পতি, পশুপতাচার্য এবং আরও অনেক জ্ঞানী ব্যক্তি এই এলাকার আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে বহন করে নিয়ে গেছেন বিশাল দেব এবং ত্রিপুরাত্মক যাঁরা এই অঞ্চলের চেতনাকে রক্ষা করেছিলেন সেই বৌদ্ধিক ব্যক্তিত্বদের স্বীকৃতি জানান প্রধানমন্ত্রী। সম্মানের পরিধি বাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী একের পর এক বীর হামিরজি গহিল, বীর ভেগদাজিভিল, পুণ্য শ্লোক, আহিল্যাবাঈ হোলকারজি, বরোদার গায়কোয়াড়, জামসাহেব মহারাজা দিগ্বিজয় সিং জির মতো মহান ব্যক্তিত্বদের নাম উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী, যাঁরা সোমনাথের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি বিশেষ করে সোমনাথ সংস্কারের আধুনিক স্থপতিদের যেমন সর্দার প্যাটেল, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, কে এম মুন্সিজি এমন সব স্বর্গীয় প্রাণের প্রতি প্রণাম জানান। তাঁদের ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রেরণা পাওয়া বর্তমানের দায়িত্ব। তাঁদের অনুপ্রেরণা শুধুমাত্র আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায় তাই নয়, আগামী প্রজন্মের হাতে সেই দায়িত্ব তুলে দিতে অনুপ্রেরণা জোগায়।

ভারতের বিশাল সাংস্কৃতি্ক ঐতিহ্যের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক স্থানগুলি হাজার হাজার বছর ধরে দেশের পরিচিতি। স্বাধীনতার পরে ভারতে একটি দুঃখজনক পরিস্থিতির উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্য জায়গায় যেখানে যে দেশের ঐতিহ্য নষ্ট করেছে আক্রমণকারীরা পরে তারা একসঙ্গে সেটি সংস্কার করেছে। আমাদের প্রথম পর্বের নেতারা এই লক্ষ্যে বিশাল প্রয়াস নিয়ে ছিলেন তবে তাঁরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিরোধিতারও সম্মুখীন হয়েছিলেন। তবে সর্দার সাহেবের অদম্য সংকল্পে দেশ বহু শতাব্দীর লজ্জা ধুয়ে দিয়েছিল।

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আহ্বান জানিয়ে সবশেষে প্রধানমন্ত্রী সমাবেশকে মনে করিয়ে দেন যে ৭৫ বছর আগে সোমনাথের অভিষেকের পরে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ সেই যাত্রা আমাদের সামনে আরও প্রসারিত হয়ে গেছে। একে আমাদের আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু শিকড় থাকতে হবে ঐতিহ্যে।     

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Tractor sales grew 28% in July on better monsoon, rural demand

Media Coverage

Tractor sales grew 28% in July on better monsoon, rural demand
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Text of PM’s interaction with India's CWG champions
August 10, 2026

प्रधानमंत्री – मेरे यहां, मुझे यहां लगभग 12-13 साल हो गए इसी मकान में, अगर मैंने regularly और हर बार किसी को रिसिव किया है, किसी को मैं मिला हूं, तो खिलाड़ी हैं। पिछले 10-12 साल हो गए, आप लोगों के पुरुषार्थ के कारण, भारत को लगातार विजय दिलाने के आपके प्रयासों के कारण और उत्तरोत्तर सफलता में नई ऊंचाईयां पार करने की परंपरा के कारण, जो काम शायद हम स्कूलों में जाकर कहें कि नहीं नहीं भई खेलना चाहिए, ये करना चाहिए, वो काम स्कूलों में जाकर के हम कर सकते थे, उससे ज्यादा आपका मेडल उनको inspire करता है।

प्रधानमंत्री – तुमने मुझे वादा किया था पिछली बार कि तुम्हारी दोनों बेटियां खिलाड़ी बन जाएंगी?

खिलाड़ी - हाँ जी अभी वे उमर की छोटी हैं, अगले कॉमनवेल्थ में एक घर में तीन मेडल लाकर दिखाएंगी।

प्रधानमंत्री – पक्का।

खिलाड़ी – हाँ जी।

खिलाड़ी – जब मैं दौड़ रहा था, जब मेरा इवेंट था 29 को, तो उस दिन गुरुपूर्णिमा थी, तो उस दिन मेरे गुरू को मैंने एक गिफ्ट दे दिया।

प्रधानमंत्री – बड़ी शान बढ़ाई आपने। इतनी आंसू टपक रहे थे, मुझे लगता है कि आंसू के हर बूंद से जैसे गोल्ड मेडल टपक रहा है।

खिलाड़ी – मैं बहुत ज्यादा खुशी थी, इमोशनल भी थे उसी दिन, खुशी ज्यादा था और मैं इसलिए रोई थी कि मेरा पेरिस आलंपिक में मेरा 1 Kg में मेडल रह गई थी और एक प्लेयर्स की लाइफ में क्या क्या हमको फेस करना पड़ता है। तो ये 4 साल के अंदर में कितना क्या क्या कुछ मैंने फेस किया था, हर टाइम injury ही चल रहे थे और family problem, वो सब हो रहा था। तो बहुत मुश्किल से मैं ये 4 साल फेस किया था। तो वो सब जब पोडियम में जब मैं खड़ी थी सर और हमारी जो फ्लैग ऊपर जाते हैं और हमारे नेशनल एंथम जब बजते हैं तो सर हम रुक नहीं सकते सर, अपना आप आंसू निकलते हैं।

प्रधानमंत्री – बहुत बहुत बढ़िया

प्रधानमंत्री – आपके इस अचीवमेंट को सिर्फ आपका अचीवमेंट मानता हूं, ऐसा नहीं है, ये आपका विजय आने वाली पीढ़ियों के लिए बहुत बड़ी प्रेरणा बन जाता है।

खिलाड़ी – सब डर रहे थे हमसे कि इंडिया के साथ फाइट आ गई, अब तो हम पहली फाइट ही हार जायेंगे, हमारा मेडल भी नहीं आयेगा।

प्रधानमंत्री – यानी मान के चलते हैं।

खिलाड़ी – हाँ सर।

प्रधानमंत्री – क्या हुआ, वो restaurant वालों से झगड़ा कर रही थी?

खिलाड़ी – हम लोगों का जो इतना अच्छा परफॉर्मेंस था, लास्ट डे था और सब जीत के गए थे और पूरा इंडिया के लोग थे। तो थोड़ा सा मुझे बुरा लग रहा। तो मैंने उनको अच्छे से बोला रिक्वेस्ट किया था सर, फिर उन्होंने मान भी लिया, अभी चेंज भी हो गया सर।

प्रधानमंत्री – इस विजय की परिस्थिति खुशी, आनंद, अपने साथियों के साथ और गेम पूरे हो चुके हैं। तो हसी मजाक मस्ती का मूड ऐसे समय उस मैप पर नजर जाना और उसको रजिस्टर करना और तुरंत सिर्फ मेडल लेते समय देश खड़ा हो जाता है ऐसा नहीं, भीतर से देश का भाव मैं सच बताता हूँ ये वीडियो सामान्य नहीं है आपका, लंबे समय तक लोगों को याद रहेगा। ये बॉक्सिंग वालों से भी दुनिया के खिलाड़ी अब डरने लगे हैं।

खिलाड़ी – जरूर सर, पुरे सभी डरे हुए थे। एक के बाद एक गोल्ड मेडल गोल्ड मेडल आ रहे थे और मतलब पूरा लास्ट में ऐसे धमाका जैसा हो गया बिल्कुल। जिस तरीके से हम लोगों को सपोर्ट मिल रहा है, हमें बैक टू बैक कंपटीशन मिल रहा है वो एक बहुत बड़ी बात है और हमारे जितने भी यंग एथलीट है वो लोग सभी जैसे खेलो इंडिया स्कीम से आए हुए हैं और ये एक बहुत बड़ा changes ला रहा है पूरे स्पोर्ट्स में ही।

प्रधानमंत्री – अगर आप लोग खेलो इंडिया की प्रतिष्ठा बढ़ाते हैं और प्रतिष्ठा सिर्फ वहां जाकर के रिबिन काटने से नहीं होगी। आप वैसे ही खेलेंगे जैसे एक छोटा विद्यार्थी, एक छोटा नौजवान, छोटा खिलाड़ी खेलता है। यह बहुत बड़ा कंट्रीब्यूशन करेगा। क्योंकि अभी तो हमें बहुत आगे जाना है, बहुत मेडल लाना है। कारगिल विजय दिवस पर किसकी विजय हुई थी?

खिलाड़ी – उस दिन कारगिल डे था वैसे और जिस दिन मैंने पाकिस्तान के साथ फाइट किया था सर, वो उसी दिन का था। तो मैं एक इंडियन आर्मी से हूं, तो मैंने उस दिन मैं पहले से बहुत वो था कि सर पाकिस्तान को हराना है। तो मैंने वो पाकिस्तान एक तरफ मैंने 5-0 से हराया, तो मैंने हमारा इंडियन आर्मी का कारगिल हीरोज़ को मैंने डेडिकेट किया किया था सर।

प्रधानमंत्री – आपको यह याद रहना और आप स्वयं फौज से हैं तो, मैं जरूर मानता हूं कि देश के वीर जवानों को आपने जो भाव प्रकट किया ना कि, मैं कारगिल के विजेताओं को मेरा मेडल समर्पित करता हूं। उसने उस विजय पर चार चांद लगा दिए और जिसको पराजित करना था उसी को किया आपने।

खिलाड़ी – वो पाकिस्तान की बात चल रही है, मुझे किस्सा याद आ गया सर। 2015 वर्ल्ड मिलिट्री गेम थे और मेरी पाकिस्तान के साथ पहली फाइट आ गई थी और वर्ल्ड मिलिट्री गेम थे तो मिलिट्री वाले के फोन आए कि भई पाकिस्तान से नहीं हारना है। तो फिर मैं फर्स्ट राउंड 4-1 से जीत गया। सेकंड राउंड 3-2 से जीत गया, पर दोनों के सर लग गए आपस में, तो दोनों के लग गए कट और फाइट तो मैं जीत गया।

प्रधानमंत्री – हाँ

खिलाड़ी – उसके बाद फिर दोनों चले गए हॉस्पिटल में टांके लगवाने के लिए। फिर 2014 में आप फर्स्ट टाइम प्रधानमंत्री जी बने थे और जो हमारे साथ आर्मी का कोच गया हुआ था उसका नाम नरेंद्र राणा था और फिर वो कई देर तक सोच के मेरे को बोला कि भाईजान एक बात बोलूं, मैं हां बोलो, बोला भाईजान आपका नाम नरेंद्र है। आपके कोच का नाम नरेंद्र है, आपके प्रधानमंत्री का नाम नरेंद्र है, तो मुझे नरेंद्र नाम से नफरत हो गई है।

प्रधानमंत्री – सिर्फ आपने मेडल की संख्या बढ़ाई ऐसा नहीं है। आपने एक पीढ़ी को तैयार किया।

खिलाड़ी – मेरे मन में भी धक-धक धक-धक हो रहा है सर।

प्रधानमंत्री – आप चिंता मत कीजिए।

खिलाड़ी – पर..

प्रधानमंत्री – आप चाहें तो आपको बोलने में भी मेडल मिलने वाला है।

खिलाड़ी – मेरे फ्रेंड सर्कल में किसी ने बोला था कि मैं उनको कुछ बोलती थी भई तुम्हारे अच्छे के लिए तुम करो। तो अक्सर मुझे वो बोलते थे कि तू के मोदी ते मिल रही है?

प्रधानमंत्री – हाँ

खिलाड़ी – हरियाणवी में बोल देते हैं सर कि क्या तू मोदी से मिली हुई है, कि तेरी बात माने। तो आज मैं आपसे मिली हूं सर। मैं उनको बोल पाऊंगी कि हां मैं मोदी जी से मिली हूं।

खिलाड़ी – कॉमनवेंल्थ गेम्स में मैंने सिल्वर मेडल जीता, फिर मैंने क्रेडिट साहब को दिया, सपना तो था एक बार मेडल जीत के लेके आने के लिए, बट ट्रेनिंग का सेंटर नहीं था, मैंने SAI आने के बाद मैं बहुत ट्रेनिंग करके मेडल जीत पा रहा, इसलिए बहुत खुशी से मैंने सर को क्रेडिट दिया था क्योंकि बहुत इंप्रूव हुआ।

प्रधानमंत्री – मेरे लिए बहुत बड़ा सम्मान का विषय है, मेहनत आपने की और मुझे याद किया, मैं आपका बहुत आभारी हूं दोस्त।

प्रधानमंत्री – वाराणसी में खेल तुम प्रैक्टिस कर रही थी ना?

खिलाड़ी – जी सर।

प्रधानमंत्री – कैसा बना है स्टेडियम?

खिलाड़ी – सर अच्छा बना है, वहां पर मैं 10-12 दिन के लिए ट्रेनिंग करने गई थी, क्योंकि मैं मंदिर गई थी तो वहां पर ही ट्रेनिंग करके आई थी। और मैं वहां पे मतलब सेटल भी होना चाहती हूं क्योंकि मुझे काशी विश्वनाथ बहुत अच्छा लगता है सर।

प्रधानमंत्री – भोपाल में ट्रेनिंग कर रही थी ना?

खिलाड़ी – जी सर।

प्रधानमंत्री – तो उज्जैन जाते थे कि नहीं?

खिलाड़ी – जी सर उज्जैन भी गई थी सर।

प्रधानमंत्री – अच्छा महाकाल के पास भी गई।

खिलाड़ी – जी सर।

प्रधानमंत्री – काशी विश्वनाथ के पास हो आई एक बार।

खिलाड़ी – जी सर।

प्रधानमंत्री – सावन महीना तो अभी है।

खिलाड़ी – वहां घर जाके फिर उसके बाद जाऊंगी सर।

प्रधानमंत्री – ठीक है।

खिलाड़ी – साई ने भी सर बहुत सपोर्ट किया है मुझे। इसके कारण ही मैं यहां तक पहुंची हूं सर। और मैं खेलो इंडिया स्कीम में भी थी 2018 में जो फर्स्ट खेलो इंडिया हुआ था, उसमें मेरा सिल्वर मेडल था, वहां पे भी मैंने आपको देखा था ओपनिंग सेरेमनी में, तो उसमें मेरा मेडल था, तो मेरे को स्कीम भी मिल गया और मैं यहां तक पहुंची हूं सर।

प्रधानमंत्री – स्पोर्ट्स व्यवस्था एक बात है, लेकिन देश मेडल तब प्राप्त करता है जब देश में स्पोर्ट्स कल्चर बनता है। दोस्तों आपने बहुत बड़ा काम किया है। देश का नाम रोशन किया है। आपको मैं बहुत बधाई देता हूं और आप विश्वास कीजिए आगे भी आप विजयी होंगे और फिर से एक बार यहीं पर हम मिलेंगे। बहुत-बहुत धन्यवाद। बहुत-बहुत शुभकामनाएं।

प्रधानमंत्री – ये लगातार तीसरी बार देश को मेडल दिलवाया है।

खिलाड़ी – थैंक यू सर।

प्रधानमंत्री – बहुत आशीर्वाद बेटा।

खिलाड़ी – और थैंक यू सो मच मैं सर के हाथ से लड्डू खा रही मेरा कल बर्थडे था तो आज सर के हाथ से…

प्रधानमंत्री – बहुत बधाई वाह।

प्रधानमंत्री – मुस्कुराओ यार ।

प्रधानमंत्री – जो खेलेगा वो खिलेगा।