ਪ੍ਰਧਾਨ ਮੰਤਰੀ ਸ਼੍ਰੀ ਨਰੇਂਦਰ ਮੋਦੀ ਨੇ ਪੱਛਮੀ ਬੰਗਾਲ ਦੇ ਹੁਗਲੀ ਵਿੱਚ ਪੱਛਮੀਬੰਗ ਦਿਵਸ ਸਮਾਗਮਾਂ ਵਿੱਚ ਹਿੱਸਾ ਲਿਆ
ਪ੍ਰਧਾਨ ਮੰਤਰੀ ਨੇ ਰੇਲਵੇ, ਖੇਤੀਬਾੜੀ, ਪੇਂਡੂ ਵਿਕਾਸ, ਮੱਛੀ ਪਾਲਣ ਅਤੇ ਪਸ਼ੂ ਪਾਲਣ ਖੇਤਰਾਂ ਨਾਲ ਸਬੰਧਿਤ ਵੱਖ-ਵੱਖ ਵਿਕਾਸ ਪ੍ਰੋਜੈਕਟਾਂ ਦੀ ਸ਼ੁਰੂਆਤ ਕੀਤੀ, ਰਾਸ਼ਟਰ ਨੂੰ ਸਮਰਪਿਤ ਕੀਤੇ ਅਤੇ ਨੀਂਹ ਪੱਥਰ ਰੱਖੇ
ਪੱਛਮੀ ਬੰਗਾਲ ਦਿਵਸ ਦਾ ਇਹ ਸਮਾਂ, ਇਹ ਤਾਰੀਖ਼ ਬਹੁਤ ਖ਼ਾਸ ਹੈ; ਆਜ਼ਾਦੀ ਤੋਂ ਬਾਅਦ ਬੰਗਾਲ ਦੇ ਰੋਸ਼ਣ ਭਵਿੱਖ ਲਈ ਜੋ ਸੁਪਨੇ ਦੇਖੇ ਗਏ ਸਨ, ਬੰਗਾਲ ਦੀਆਂ ਮਹਾਨ ਸ਼ਖ਼ਸੀਅਤਾਂ ਨੇ ਜਿਸ ਦ੍ਰਿਸ਼ਟੀਕੋਣ ਦੀ ਕਲਪਨਾ ਕੀਤੀ ਸੀ, ਅੱਜ ਇੱਕ ਤਰ੍ਹਾਂ ਨਾਲ ਪਹਿਲੀ ਵਾਰ ਬੰਗਾਲ ਦਿਵਸ 'ਤੇ ਅਸੀਂ ਇਨ੍ਹਾਂ ਸੁਪਨਿਆਂ ਨੂੰ ਹਕੀਕਤ ਵਿੱਚ ਬਦਲਦੇ ਦੇਖ ਰਹੇ ਹਾਂ: ਪ੍ਰਧਾਨ ਮੰਤਰੀ
ਇਹ ਇਤਿਹਾਸਕ ਦਿਨ ਪੱਛਮੀ ਬੰਗਾਲ ਦੇ ਵਿਕਾਸ ਲਈ ਪ੍ਰੇਰਨਾ ਬਣੇ, ਅਸੀਂ ਇੱਕ ਨਵੇਂ ਅਤੇ ਮਾਣਮੱਤੇ ਇਤਿਹਾਸ ਦੀ ਸਿਰਜਣਾ ਕਰੀਏ: ਪ੍ਰਧਾਨ ਮੰਤਰੀ
ਅੱਜ ਸੈਂਕੜੇ ਕਰੋੜ ਰੁਪਏ ਦੇ ਵਿਕਾਸ ਪ੍ਰੋਜੈਕਟਾਂ ਦਾ ਉਦਘਾਟਨ ਅਤੇ ਨੀਂਹ ਪੱਥਰ ਰੱਖਿਆ ਗਿਆ ਹੈ, ਰੇਲ, ਸੜਕ, ਖੇਤੀਬਾੜੀ ਅਤੇ ਮੱਛੀ ਪਾਲਣ ਨਾਲ ਸਬੰਧਿਤ ਇਹ ਪ੍ਰੋਜੈਕਟ ਬੰਗਾਲ ਦੇ ਵਿਕਾਸ ਨੂੰ ਨਵੀਂ ਗਤੀ ਦੇਣਗੇ, ਰਾਜ ਦੀ ਪੇਂਡੂ ਆਰਥਿਕਤਾ ਨੂੰ ਮਜ਼ਬੂਤ ਕਰਨਗੇ: ਪ੍ਰਧਾਨ ਮੰਤਰੀ
ਬੰਗਾਲ ਨੇ ਖ਼ੂਨ-ਖ਼ਰਾਬਾ ਸਹਿਣ ਕੀਤਾ, ਬੰਗਾਲ ਨੇ ਆਪਣੇ ਲੋਕਾਂ ਨੂੰ ਗੁਆਇਆ; ਇਸ ਨੇ ਆਪਣੀ ਮਾਤ-ਭੂਮੀ ਦੇ ਟੁਕੜੇ ਹੁੰਦੇ ਦੇਖੇ, ਪਰ ਬੰਗਾਲ ਨੇ ਆਪਣੀ ਪਛਾਣ ਅਤੇ ਆਤਮ-ਬੋਧ ਨੂੰ ਖ਼ਤਮ ਨਹੀਂ ਹੋਣ ਦਿੱਤਾ: ਪ੍ਰਧਾਨ ਮੰਤਰੀ
ਪੱਛਮੀ ਬੰਗਾਲ ਦਿਵਸ 'ਤੇ ਅਸੀਂ ਸਿਰਫ਼ ਇੱਕ ਤਾਰੀਖ਼ ਨੂੰ ਯਾਦ ਨਹੀਂ ਕਰ ਰਹੇ, ਅਸੀਂ ਪੂਰੇ ਇਤਿਹਾਸ ਨੂੰ ਯਾਦ ਕਰ ਰਹੇ ਹਾਂ, ਅਸੀਂ ਬੰਗਾਲ ਦੀ ਹਜ਼ਾਰਾਂ ਸਾਲ ਪੁਰਾਣੀ ਪਰੰਪਰਾ ਨੂੰ ਸ਼ਰਧਾ ਦੇ ਫੁੱਲ ਭੇਟ ਕਰ ਰਹੇ ਹਾਂ: ਪ੍ਰਧਾਨ ਮੰਤਰੀ

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ 'পশ্চিমবঙ্গ দিবস' উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। রাজ্যের এই উদযাপন অনুষ্ঠানটি হয় হুগলির তারকেশ্বরে। এই স্থানটি ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত এবং ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এবারের পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মূল বিষয়বস্তু হলো - "পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন"; যা রাজ্যের সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি, সামাজিক সংহতি এবং উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।

অনুষ্ঠান চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সূচনা ও উদ্বোধন করেন এবং সেগুলিকে জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। রেল, কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, মৎস্যচাষ এবং পশুপালনের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রের এই উদ্যোগগুলি পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করবে, জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে, কৃষকদের কল্যাণ সাধন করবে এবং রাজ্যের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করবে।

প্রধানমন্ত্রী 'প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি' (পিএম-কিষাণ)-র ২৩তম কিস্তির অর্থ প্রদানেও ছাড়পত্র দেন। এই কিস্তির আওতায় সারা দেশের ৯.৪৪ কোটিরও বেশি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১৮,৮৮০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ হস্তান্তর করা হবে।

সাম্প্রতিক নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যে নিজের প্রথম সফরে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন। পশ্চিমবঙ্গ ও দেশের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শ্রী মোদী এই উপলক্ষটিকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করেন, যা রাজ্যজুড়ে নতুন আশা, আত্মবিশ্বাস ও অগ্রগতির বার্তাকে তুলে ধরে। শ্রী মোদী বলেন, "পশ্চিমবঙ্গ অগ্রগতি ও দেশ গঠনের পথে এক নতুন যাত্রা শুরু করেছে।"

প্রধানমন্ত্রী 'স্বচ্ছতা সে স্বাগত' (পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে অভ্যর্থনা) উদ্যোগে অংশগ্রহণের জন্য নাগরিকদের অভিনন্দন জানান এবং বলেন যে, পরিচ্ছন্নতাকে দৈনন্দিন জীবন ও সুস্থায়ী উন্নয়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তোলা উচিত। পশ্চিমবঙ্গ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে শ্রী মোদী বলেন, স্বাধীনতা ও দেশভাগের প্রাক্কালে উত্তাল সময়ে বাংলার সাংস্কৃতিক পরিচিতি, ঐতিহ্য এবং ভারতের মানচিত্রে রাজ্যের অবস্থান রক্ষায় যে আত্মত্যাগ করা হয়েছিল, এই দিনটি সেই কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি সেই সব দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব, সমাজনেতা, বিদ্বজ্জন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থ ও আশা-আকাঙ্ক্ষা রক্ষায় কাজ করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির অবদানের কথা স্মরণ করেন, যিনি দেশভাগের সময় বাংলার একটি অংশকে ভারতের অধীনে রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, পণ্ডিত, সমাজ সংস্কারক এবং শিল্পপতিরা যে সমর্থন জুগিয়েছিলেন, তিনি সেকথাও উল্লেখ করেন। শ্রী মোদী বলেন, "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মতো মহান ব্যক্তিত্বদের গড়ে তোলা পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য আজও দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি এই ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও উদযাপন করা প্রয়োজন।"

শ্রী মোদী বলেন, নতুন সরকার কয়েক দশক ধরে জমে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা শুরু করেছে এবং উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করে চলেছে। তিনি বলেন, রাজ্যের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে এবং দীর্ঘকাল ধরে ঝুলে থাকা প্রকল্পগুলিকে পুনরায় সচল করা হচ্ছে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "এই অনুষ্ঠানে রেল, সড়ক, কৃষি ও মৎস্যচাষ সংক্রান্ত শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এই উদ্যোগগুলি গ্রামীণ পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করবে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাবে, স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে এবং কর্মসংস্থান ও অগ্রগতির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।"

প্রধানমন্ত্রী মোদী সারা দেশের ৯ কোটিরও বেশি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি 'পিএম-কিষাণ'-এর ২৩তম কিস্তির অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি সুবিধাপ্রাপক সমস্ত কৃষক পরিবারের প্রতি শুভেচ্ছা জানান। রাজ্যের ইতিহাস থেকে প্রেরণা গ্রহণের জন্য নাগরিকদের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সাংস্কৃতিক, বৌদ্ধিক ও অর্থনৈতিক শক্তি রয়েছে।

শ্রী মোদী বলেন, "পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল ইতিহাস স্মরণের দিন নয়, বরং উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতি নতুন করে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার দিনও হওয়া উচিত। একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজ্যের মানুষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।"

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে, নির্বাচনের সময় পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পূরণ করা হচ্ছে। তিনি ঘোষণা করেন যে, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য দরিদ্র পরিবার এখন 'আয়ুষ্মান ভারত' স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা পাবে। এছাড়াও তিনি 'অন্নপূর্ণা প্রকল্প' চালু করা, 'জল জীবন মিশন'-এর মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সুবিধা বৃদ্ধি, সরকারি চাকরিতে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা শিথিল করা এবং মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে বাস পরিষেবার বাস্তবায়নের বিষয়গুলি তুলে ধরেন। শ্রী মোদী আরও বলেন, "যেসব জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বছরের পর বছর ধরে থমকে ছিল, সেগুলি এখন 'জনসংযোগ শিবির'-এর মাধ্যমে সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে; এর ফলে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত হচ্ছে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য দূর হচ্ছে।"

পরিকাঠামো উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে শ্রী মোদী বলেন যে, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বেশ কয়েকটি প্রকল্পের কাজ এখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে, চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ে কলকাতা মেট্রোর 'অরেঞ্জ লাইন'-এর কাজ সম্পন্ন করা, হাওড়ায় নতুন বিভাগীয় রেল হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, পূর্ব মেদিনীপুরে রোড ওভারব্রিজ নির্মাণ এবং সাঁকরাইল-সাঁতরাগাছি রেল সংযোগ প্রকল্প। কৃষকদের কল্যাণের বিষয়ে আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে 'প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা' চালুর বিষয়টিকে স্বাগত জানান; এই প্রকল্প কৃষকদের ফসলের ক্ষতিজনিত ঝুঁকি থেকে আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করবে। তিনি 'ডিজিটাল এগ্রিকালচার মিশন'-এর আওতায় রাজ্যকে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও ঘোষণা করেন। এর ফলে কৃষকদের নথিভুক্তি, জমির ডিজিটাল রেকর্ড এবং কৃষি সংক্রান্ত পরিষেবা ও সুবিধাগুলি আরও ভালোভাবে প্রদান করা সম্ভব হবে। শ্রী মোদী জানান, "'পিএম ধন-ধান্য কৃষি যোজনা'-র অধীনে পশ্চিমবঙ্গের চারটি জেলা – পুরুলিয়া, দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার এবং ঝাড়গ্রাম – কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, সংরক্ষণ পরিকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং ঋণ প্রাপ্তির সুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়তা পাবে।"

রাজ্যের অর্থনীতিতে মৎস্যচাষের গুরুত্ব স্বীকার করে শ্রী মোদী দক্ষিণ ২৪ পরগনায় 'ফ্রেজারগঞ্জ ফিশিং হারবার'-এর সম্প্রসারণ এবং বীরভূমে একটি আধুনিক মাছের বাজার গড়ে তোলার বিষয়গুলি তুলে ধরেন; আশা করা হচ্ছে যে, এর ফলে মানুষের জীবিকা উন্নত হবে এবং মৎস্য ক্ষেত্র আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী সারা দেশের কৃষকদের সরকারের 'ক্ষেত বাঁচাও অভিযান'-এ অংশগ্রহণের আহ্বান জানান; এই অভিযানের লক্ষ্য হল, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতির প্রচলন করা। ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলার সরকারি লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে, ‘পূর্বোদয়’ উদ্যোগের আওতায় পূর্ব ভারতের উন্নয়ন এই মিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং আঞ্চলিক ও জাতীয় অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শ্রী মোদী বলেন যে, সুস্থিতিশীল উন্নয়নের পাশাপাশি শান্তি, সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা করা জরুরি; এবং সম্মিলিত অগ্রগতির লক্ষ্যে কাজ করার পাশাপাশি বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সামাজিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে হবে।

ভাষণের শেষে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের সর্বস্তরের মানুষকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করে বলেন যে, স্বামী বিবেকানন্দ ও শ্রী অরবিন্দের এই পুণ্যভূমি যোগব্যায়াম, সুস্থতা ও মানব ঐক্যের বার্তার মাধ্যমে আবারও বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করবে।

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
'PM Modi Is One Of Our Greatest Friends': Netanyahu Says Israel Is 'Investing Heavily' In India Ties

Media Coverage

'PM Modi Is One Of Our Greatest Friends': Netanyahu Says Israel Is 'Investing Heavily' In India Ties
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 04 অগাস্ট 2026
August 04, 2026

From Auto PLI to Ramsar Sites: How India is Winning on Every Front Under PM Modi