কোচি জল পথ মেট্রো জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ
তিরুবনন্তপুরমে ডিজিটাল সায়েন্স পার্ক ও বিভিন্ন রেল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
“কেরলের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস কোচিতে জল পথে মেট্রো এবং অন্যান্য যে উদ্যোগগুলি আজ বাস্তবায়িত হয়েছে তা রাজ্যের উন্নয়ন যাত্রাকে মজবুত করবে”
“কেরলবাসীর কঠোর পরিশ্রম এবং ভদ্র ব্যবহার তাঁদের বিশেষ পরিচিতি দেয়”
“বিশ্ব মানচিত্রের ভারতের স্থান উজ্জ্বল”
“ভারত যে গতিতে ও মানে উন্নত হচ্ছে তা অভূতপূর্ব”
“যোগাযোগ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ এবং কেবলমাত্র পরিষেবার সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে তা নয়, দূরত্ব কমাতে এবং জাতপাত ও ধনি দরিদ্রের ভেদাভেদ দূর করে বিভিন্ন সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটাতেও সক্ষম হচ্ছে”
“জি২০ বৈঠক এবং কর্মসূচিগুলি কেরলকে বিশ্বে আরও পরিচিতি দিচ্ছে”
“এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত নীতিতে দেশ গঠনের জন্য নিয়োজিত দেশবাসীর প্রচেষ্টার প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে মন কি বাত-এর শততম পর্ব”
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তিরুবনন্তপুরম থেকে কাসারগোড় পর্যন্ত কেরলের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সূচনা করেন।
তিনি বলেন, কেরল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে উন্নয়ন করা যায় সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে সক্ষম

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী কেরালার তিরুবনন্তপুরম সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেছেন। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে তিনি কোচি জল পথ মেট্রো জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তিরুবনন্তপুরমে ডিজিটাল সায়েন্স পার্ক ও বিভিন্ন রেল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তিরুবনন্তপুরম থেকে কাসারগোড় পর্যন্ত কেরলের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিশু-র শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রকল্প রাজ্যে উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মান বাড়াতে সহায়ক হয়ে উঠবে। তিনি কেরলবাসীকে বিভিন্ন উন্নয়নী প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হওয়ায় অভিনন্দন জানান।

কেরলবাসীর শিক্ষা ও সচেতনতার মানের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানকার মানুষের কঠোর পরিশ্রম এবং ভদ্র ব্যবহার তাঁদের বিশেষ পরিচিতি দেয়। তিনি বলেন, কেরল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে উন্নয়ন করা যায় সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে সক্ষম। কঠিন সময়ে ভারতের উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতি বর্তমানে সমগ্র বিশ্বে সমাদৃত হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রের বর্তমান সরকার যেভাবে দেশের জনগণের উন্নয়নে দ্রুত এবং যথাযথ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা ভারতের প্রতি বিশ্বের আস্থা বাড়াতে বিশেষভাবে সহায়ক হচ্ছে। ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়নে অভূতপূর্ব বিনিয়োগ করা হচ্ছে। যুবক-যুবতীদের দক্ষতা উন্নয়নেও বিনিয়োগ হচ্ছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ও বাণিজ্যের সরলীকরণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা পরিষেবা প্রদানমূলক মনোভাব নিয়ে কাজ করছি। কেরলের উন্নয়ন হলেই দেশ দেশ দ্রুত গতিতে উন্নতি করবে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ৯ বছরে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পরিকাঠামো সংক্রান্ত কাজগুলি সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ বছরের বাজেটেও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আরও ১০ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব রয়েছে। “জন পরিবহণ এবং লজিস্টিক ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। ভারতীয় রেলের স্বর্ণযুগে প্রবেশ করছি আমরা- বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে রেল বাজেটের জন্য গড়ে যা বরাদ্দ হত বর্তমানে তা ৫ গুণ বাড়ানো হয়েছে।”

কেরলে বিগত ৯ বছরে রেলের ক্ষেত্রে যে উন্নয়ন কাজ হয়েছে সেদিকে আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রেলের বৈদ্যুতিকরণ, রেল লাইন নির্মাণ, লাইন ডাবল করার কাজ থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। কেরলের তিনটি প্রধান রেল স্টেশন পুনর্নির্মাণের কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব বন্দে ভারত ট্রেনগুলি সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও পর্যটনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিকে যুক্ত করে। কেরলের প্রথম বন্দে ভারত ট্রেন উত্তর কেরলের সঙ্গে দক্ষিণ কেরলকে সংযুক্ত করবে। কোল্লাম, কোট্টায়াম, এরনাকুলাম, ত্রিশূর এবং কন্নুরের মতো ধর্মীয় স্থানগুলিতে এই ট্রেনের মাধ্যমে সহজে মানুষ যাতায়াত করতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিরুবনন্তপুরম-সোরানুর শাখায় সেমি হাইস্পীড ট্রেন চালানোর কাজ শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকাঠামো ক্ষেত্রে স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী মেড ইন ইন্ডিয়া সমাধানের দিকে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সেমি হাইস্পীড ট্রেন, রো রো ফেরি, রোপওয়ের মতো যোগাযোগ ব্যবস্থার উদাহরণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভারতে তৈরি বন্দে ভারত এবং মেট্রোর কোচগুলি এক্ষেত্রে বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

প্রধানমন্ত্রী কোচি জলপথে মেট্রোর উল্লেখ করে বলেন, এটি একটি মেড ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প। তিনি কোচি শিপ ইয়ার্ডকে বন্দর উন্নয়নের জন্য অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কোচি জলপথে মেট্রো জনগণের জন্য সহজে এবং সস্তায় পরিবহণের ব্যবস্থা করবে।

প্রধানমন্ত্রী যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ডিজিটাল যোগাযোগও দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, তিরুবনন্তপুরমের ডিজিটাল সায়েন্স পার্ক ডিজিটাল ভারতকে বিশেষ জায়গা দেবে।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ কেবলমাত্র পরিষেবার সম্ভাবনা বাড়ায় তা নয়, দূরত্ব কমায় এবং জাত-পাত, ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ সরিয়ে বিভিন্ন সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটায়। তিনি বলেন, বর্তমানে ভারতে যেভাবে সার্বিক উন্নয়ন লক্ষ্য করা যাচ্ছে তা ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর চিন্তাভাবনাকে আরও মজবুত করে তুলছে।

প্রধানমন্ত্রী কেরলের রাগি পট্টু-র মতো বিশেষ শ্রী-অন্নের উল্লেখ করেন। তিনি স্থানীয় পণ্য সামগ্রীর জন্য সকলকে সরব হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমাদের পণ্য সামগ্রী যখন বিশ্ব বাজারে পৌঁছাবে তখন বিকশিত ভারতের পথ আরও প্রশস্ত হবে।”

মন কি বাত অনুষ্ঠানে নাগরিকদের সাফল্য প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি নিয়মিত কেরলের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তৈরি সামগ্রীগুলির উল্লেখ করে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মন কি বাত’ রবিবার তার শততম পর্ব উদযাপন করবে। এই পর্বটি দেশের সেইসব নাগরিক যাঁরা এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারতের লক্ষ্যে দেশ গঠনে ব্রতী রয়েছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়েছে।

কেরলের রাজ্যপাল শ্রী আরিফ মহম্মদ খান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী পিনারাই বিজয়ন, কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শ্রী ভি মুরলীধরণ, তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শ্রী শশী থারুর এবং কেরল সরকারের মন্ত্রীরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রেক্ষাপট

প্রধানমন্ত্রী আজ ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার মূল্যের বিভিন্ন প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। তিনি কোচি জল পথে মেট্রোটিও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। কোচি শহরের সঙ্গে ১০টি দ্বীপের যোগাযোগ বাড়াতে সহায়ক হবে এই প্রকল্প। এছাড়া দিন্দিগুল-পালানি-পালাক্কড়’এর মধ্যে রেললাইনে বৈদ্যুতিকরণের কাজেরও সূচনা করেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী তিরুবনন্তপুরমে ডিজিটাল সায়েন্স পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। ১ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হবে। প্রথম দফার জন্য আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
Credit card spends rise 27% to Rs 18.26 trillion in FY24: RBI data

Media Coverage

Credit card spends rise 27% to Rs 18.26 trillion in FY24: RBI data
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Our government is dedicated to tribal welfare in Chhattisgarh: PM Modi in Surguja
April 24, 2024
Our government is dedicated to tribal welfare in Chhattisgarh: PM Modi
Congress, in its greed for power, has destroyed India through consistent misgovernance and negligence: PM Modi
Congress' anti-Constitutional tendencies aim to provide religious reservations for vote-bank politics: PM Modi
Congress simply aims to loot the 'hard-earned money' of the 'common people' to fill their coffers: PM Modi
Congress will set a dangerous precedent by implementing an 'Inheritance Tax': PM Modi

मां महामाया माई की जय!

मां महामाया माई की जय!

हमर बहिनी, भाई, दद्दा अउ जम्मो संगवारी मन ला, मोर जय जोहार। 

भाजपा ने जब मुझे पीएम पद का उम्मीदवार बनाया था, तब अंबिकापुर में ही आपने लाल किला बनाया था। और जो कांग्रेस का इकोसिस्टम है आए दिन मोदी पर हमला करने के लिए जगह ढ़ूंढते रहते हैं। उस पूरी टोली ने उस समय मुझपर बहुत हमला बोल दिया था। ये लाल किला कैसे बनाया जा सकता है, अभी तो प्रधानमंत्री का चुनाव बाकि है, अभी ये लाल किले का दृश्य बना के वहां से सभा कर रहे हैं, कैसे कर रहे हैं। यानि तूफान मचा दिया था और बात का बवंडर बना दिया था। लेकिन आप की सोच थी वही  मोदी लाल किले में पहुंचा और राष्ट्र के नाम संदेश दिया। आज अंबिकापुर, ये क्षेत्र फिर वही आशीर्वाद दे रहा है- फिर एक बार...मोदी सरकार ! फिर एक बार...मोदी सरकार ! फिर एक बार...मोदी सरकार !

साथियों, 

कुछ महीने पहले मैंने आपसे छत्तीसगढ़ से कांग्रेस का भ्रष्टाचारी पंजा हटाने के लिए आशीर्वाद मांगा था। आपने मेरी बात का मान रखा। और इस भ्रष्टाचारी पंजे को साफ कर दिया। आज देखिए, आप सबके आशीर्वाद से सरगुजा की संतान, आदिवासी समाज की संतान, आज छत्तीसगढ़ के मुख्यमंत्री के रूप में छत्तीसगढ़ के सपनों को साकार कर रहा है। और मेरा अनन्य साथी भाई विष्णु जी, विकास के लिए बहुत तेजी से काम कर रहे हैं। आप देखिए, अभी समय ही कितना हुआ है। लेकिन इन्होंने इतने कम समय में रॉकेट की गति से सरकार चलाई है। इन्होंने धान किसानों को दी गारंटी पूरी कर दी। अब तेंदु पत्ता संग्राहकों को भी ज्यादा पैसा मिल रहा है, तेंदू पत्ता की खरीद भी तेज़ी से हो रही है। यहां की माताओं-बहनों को महतारी वंदन योजना से भी लाभ हुआ है। छत्तीसगढ़ में जिस तरह कांग्रेस के घोटालेबाज़ों पर एक्शन हो रहा है, वो पूरा देश देख रहा है।

साथियों, 

मैं आज आपसे विकसित भारत-विकसित छत्तीसगढ़ के लिए आशीर्वाद मांगने के लिए आया हूं। जब मैं विकसित भारत कहता हूं, तो कांग्रेस वालों का और दुनिया में बैठी कुछ ताकतों का माथा गरम हो जाता है। अगर भारत शक्तिशाली हो गया, तो कुछ ताकतों का खेल बिगड़ जाएगा। आज अगर भारत आत्मनिर्भर बन गया, तो कुछ ताकतों की दुकान बंद हो जाएगी। इसलिए वो भारत में कांग्रेस और इंडी-गठबंधन की कमज़ोर सरकार चाहते हैं। ऐसी कांग्रेस सरकार जो आपस में लड़ती रहे, जो घोटाले करती रहे। 

साथियों,

कांग्रेस का इतिहास सत्ता के लालच में देश को तबाह करने का रहा है। देश में आतंकवाद फैला किसके कारण फैला? किसके कारण फैला? किसके कारण फैला? कांग्रेस की नीतियों के कारण फैला। देश में नक्सलवाद कैसे बढ़ा? किसके कारण बढ़ा? किसके कारण बढ़ा? कांग्रेस का कुशासन और लापरवाही यही कारण है कि देश बर्बाद होता गया। आज भाजपा सरकार, आतंकवाद और नक्सलवाद के विरुद्ध कड़ी कार्रवाई कर रही है। लेकिन कांग्रेस क्या कर रही है? कांग्रेस, हिंसा फैलाने वालों का समर्थन कर रही है, जो निर्दोषों को मारते हैं, जीना हराम कर देते हैं, पुलिस पर हमला करते हैं, सुरक्षा बलों पर हमला करते हैं। अगर वे मारे जाएं, तो कांग्रेस वाले उन्हें शहीद कहते हैं। अगर आप उन्हें शहीद कहते हो तो शहीदों का अपमान करते हो। इसी कांग्रेस की सबसे बड़ी नेता, आतंकवादियों के मारे जाने पर आंसू बहाती हैं। ऐसी ही करतूतों के कारण कांग्रेस देश का भरोसा खो चुकी है।

भाइयों और बहनों, 

आज जब मैं सरगुजा आया हूं, तो कांग्रेस की मुस्लिम लीगी सोच को देश के सामने रखना चाहता हूं। जब उनका मेनिफेस्टो आया उसी दिन मैंने कह दिया था। उसी दिन मैंने कहा था कि कांग्रेस के मोनिफेस्टो पर मुस्लिम लीग की छाप है। 

साथियों, 

जब संविधान बन रहा था, काफी चर्चा विचार के बाद, देश के बुद्धिमान लोगों के चिंतन मनन के बाद, बाबासाहेब अम्बेडकर के नेतृत्व में तय किया गया था कि भारत में धर्म के आधार पर आरक्षण नहीं होगा। आरक्षण होगा तो मेरे दलित और आदिवासी भाई-बहनों के नाम पर होगा। लेकिन धर्म के नाम पर आरक्षण नहीं होगा। लेकिन वोट बैंक की भूखी कांग्रेस ने कभी इन महापुरुषों की परवाह नहीं की। संविधान की पवित्रता की परवाह नहीं की, बाबासाहेब अम्बेडकर के शब्दों की परवाह नहीं की। कांग्रेस ने बरसों पहले आंध्र प्रदेश में धर्म के आधार पर आरक्षण देने का प्रयास किया था। फिर कांग्रेस ने इसको पूरे देश में लागू करने की योजना बनाई। इन लोग ने धर्म के आधार पर 15 प्रतिशत आरक्षण की बात कही। ये भी कहा कि SC/ST/OBC का जो कोटा है उसी में से कम करके, उसी में से चोरी करके, धर्म के आधार पर कुछ लोगों को आरक्षण दिया जाए। 2009 के अपने घोषणापत्र में कांग्रेस ने यही इरादा जताया। 2014 के घोषणापत्र में भी इन्होंने साफ-साफ कहा था कि वो इस मामले को कभी भी छोड़ेंगे नहीं। मतलब धर्म के आधार पर आरक्षण देंगे, दलितों का, आदिवासियों का आरक्षण कट करना पड़े तो करेंगे। कई साल पहले कांग्रेस ने कर्नाटका में धर्म के आधार पर आरक्षण लागू भी कर दिया था। जब वहां बीजेपी सरकार आई तो हमने संविधान के विरुद्ध, बाबासाहेब अम्बेडर की भावना के विरुद्ध कांग्रेस ने जो निर्णय किया था, उसको उखाड़ करके फेंक दिया और दलितों, आदिवासियों और पिछड़ों को उनका अधिकार वापस दिया। लेकिन कर्नाटक की कांग्रेस सरकार उसने एक और पाप किया मुस्लिम समुदाय की सभी जातियों को ओबीसी कोटा में शामिल कर दिया है। और ओबीसी बना दिया। यानि हमारे ओबीसी समाज को जो लाभ मिलता था, उसका बड़ा हिस्सा कट गया और वो भी वहां चला गया, यानि कांग्रेस ने समाजिक न्याय का अपमान किया, समाजिक न्याय की हत्या की। कांग्रेस ने भारत के सेक्युलरिज्म की हत्या की। कर्नाटक अपना यही मॉडल पूरे देश में लागू करना चाहती है। कांग्रेस संविधान बदलकर, SC/ST/OBC का हक अपने वोट बैंक को देना चाहती है।

भाइयों और बहनों,

ये सिर्फ आपके आरक्षण को ही लूटना नहीं चाहते, उनके तो और बहुत कारनामे हैं इसलिए हमारे दलित, आदिवासी और ओबीसी भाई-बहनों  को कहना चाहता हूं कि कांग्रेस के इरादे नेक नहीं है, संविधान और सामाजिक न्याय के अनुरूप नहीं है , भारत की बिन सांप्रदायिकता के अनुरूप नहीं है। अगर आपके आरक्षण की कोई रक्षा कर सकता है, तो सिर्फ और सिर्फ भारतीय जनता पार्टी कर सकती है। इसलिए आप भारतीय जनता पार्टी को भारी समर्थन दीजिए। ताकि कांग्रेस की एक न चले, किसी राज्य में भी वह कोई हरकत ना कर सके। इतनी ताकत आप मुझे दीजिए। ताकि मैं आपकी रक्षा कर सकूं। 

साथियों!

कांग्रेस की नजर! सिर्फ आपके आरक्षण पर ही है ऐसा नहीं है। बल्कि कांग्रेस की नज़र आपकी कमाई पर, आपके मकान-दुकान, खेत-खलिहान पर भी है। कांग्रेस के शहज़ादे का कहना है कि ये देश के हर घर, हर अलमारी, हर परिवार की संपत्ति का एक्स-रे करेंगे। हमारी माताओं-बहनों के पास जो थोड़े बहुत गहने-ज़ेवर होते हैं, कांग्रेस उनकी भी जांच कराएगी। यहां सरगुजा में तो हमारी आदिवासी बहनें, चंदवा पहनती हैं, हंसुली पहनती हैं, हमारी बहनें मंगलसूत्र पहनती हैं। कांग्रेस ये सब आपसे छीनकर, वे कहते हैं कि बराबर-बराबर डिस्ट्रिब्यूट कर देंगे। वो आपको मालूम हैं ना कि वे किसको देंगे। आपसे लूटकर के किसको देंगे मालूम है ना, मुझे कहने की जरूरत है क्या। क्या ये पाप करने देंगे आप और कहती है कांग्रेस सत्ता में आने के बाद वे ऐसे क्रांतिकारी कदम उठाएगी। अरे ये सपने मन देखो देश की जनता आपको ये मौका नहीं देगी। 

साथियों, 

कांग्रेस पार्टी के खतरनाक इरादे एक के बाद एक खुलकर सामने आ रहे हैं। शाही परिवार के शहजादे के सलाहकार, शाही परिवार के शहजादे के पिताजी के भी सलाहकार, उन्होंने  ने कुछ समय पहले कहा था और ये परिवार उन्हीं की बात मानता है कि उन्होंने कहा था कि हमारे देश का मिडिल क्लास यानि मध्यम वर्गीय लोग जो हैं, जो मेहनत करके कमाते हैं। उन्होंने कहा कि उनपर ज्यादा टैक्स लगाना चाहिए। इन्होंने पब्लिकली कहा है। अब ये लोग इससे भी एक कदम और आगे बढ़ गए हैं। अब कांग्रेस का कहना है कि वो Inheritance Tax लगाएगी, माता-पिता से मिलने वाली विरासत पर भी टैक्स लगाएगी। आप जो अपनी मेहनत से संपत्ति जुटाते हैं, वो आपके बच्चों को नहीं मिलेगी, बल्कि कांग्रेस सरकार का पंजा उसे भी आपसे छीन लेगा। यानि कांग्रेस का मंत्र है- कांग्रेस की लूट जिंदगी के साथ भी और जिंदगी के बाद भी। जब तक आप जीवित रहेंगे, कांग्रेस आपको ज्यादा टैक्स से मारेगी। और जब आप जीवित नहीं रहेंगे, तो वो आप पर Inheritance Tax का बोझ लाद देगी। जिन लोगों ने पूरी कांग्रेस पार्टी को पैतृक संपत्ति मानकर अपने बच्चों को दे दी, वो लोग नहीं चाहते कि एक सामान्य भारतीय अपने बच्चों को अपनी संपत्ति दे। 

भाईयों-बहनों, 

हमारा देश संस्कारों से संस्कृति से उपभोक्तावादी देश नहीं है। हम संचय करने में विश्वास करते हैं। संवर्धन करने में विश्वास करते हैं। संरक्षित करने में विश्वास करते हैं। आज अगर हमारी प्रकृति बची है, पर्यावरण बचा है। तो हमारे इन संस्कारों के कारण बचा है। हमारे घर में बूढ़े मां बाप होंगे, दादा-दादी होंगे। उनके पास से छोटा सा भी गहना होगा ना? अच्छी एक चीज होगी। तो संभाल करके रखेगी खुद भी पहनेगी नहीं, वो सोचती है कि जब मेरी पोती की शादी होगी तो मैं उसको यह दूंगी। मेरी नाती की शादी होगी, तो मैं उसको दूंगी। यानि तीन पीढ़ी का सोच करके वह खुद अपना हक भी नहीं भोगती,  बचा के रखती है, ताकि अपने नाती, नातिन को भी दे सके। यह मेरे देश का स्वभाव है। मेरे देश के लोग कर्ज कर करके जिंदगी जीने के शौकीन लोग नहीं हैं। मेहनत करके जरूरत के हिसाब से खर्च करते हैं। और बचाने के स्वभाव के हैं। भारत के मूलभूत चिंतन पर, भारत के मूलभूत संस्कार पर कांग्रेस पार्टी कड़ा प्रहार करने जा रही है। और उन्होंने कल यह बयान क्यों दिया है उसका एक कारण है। यह उनकी सोच बहुत पुरानी है। और जब आप पुरानी चीज खोजोगे ना? और ये जो फैक्ट चेक करने वाले हैं ना मोदी की बाल की खाल उधेड़ने में लगे रहते हैं, कांग्रेस की हर चीज देखिए। आपको हर चीज में ये बू आएगी। मोदी की बाल की खाल उधेड़ने में टाइम मत खराब करो। लेकिन मैं कहना चाहता हूं। यह कल तूफान उनके यहां क्यों मच गया,  जब मैंने कहा कि अर्बन नक्सल शहरी माओवादियों ने कांग्रेस पर कब्जा कर लिया तो उनको लगा कि कुछ अमेरिका को भी खुश करने के लिए करना चाहिए कि मोदी ने इतना बड़ा आरोप लगाया, तो बैलेंस करने के लिए वह उधर की तरफ बढ़ने का नाटक कर रहे हैं। लेकिन वह आपकी संपत्ति को लूटना चाहते हैं। आपके संतानों का हक आज ही लूट लेना चाहते हैं। क्या आपको यह मंजूर है कि आपको मंजूर है जरा पूरी ताकत से बताइए उनके कान में भी सुनाई दे। यह मंजूर है। देश ये चलने देगा। आपको लूटने देगा। आपके बच्चों की संपत्ति लूटने देगा।

साथियों,

जितने साल देश में कांग्रेस की सरकार रही, आपके हक का पैसा लूटा जाता रहा। लेकिन भाजपा सरकार आने के बाद अब आपके हक का पैसा आप लोगों पर खर्च हो रहा है। इस पैसे से छत्तीसगढ़ के करीब 13 लाख परिवारों को पक्के घर मिले। इसी पैसे से, यहां लाखों परिवारों को मुफ्त राशन मिल रहा है। इसी पैसे से 5 लाख रुपए तक का मुफ्त इलाज मिल रहा है। मोदी ने ये भी गारंटी दी है कि 4 जून के बाद छत्तीसगढ़ के हर परिवार में जो बुजुर्ग माता-पिता हैं, जिनकी आयु 70 साल हो गई है। आज आप बीमार होते हैं तो आपकी बेटे और बेटी को खर्च करना पड़ता है। अगर 70 साल की उम्र हो गई है और आप किसी पर बोझ नहीं बनना चाहते तो ये मोदी आपका बेटा है। आपका इलाज मोदी करेगा। आपके इलाज का खर्च मोदी करेगा। सरगुजा के ही करीब 1 लाख किसानों के बैंक खाते में किसान निधि के सवा 2 सौ करोड़ रुपए जमा हो चुके हैं और ये आगे भी होते रहेंगे।

साथियों, 

सरगुजा में करीब 400 बसाहटें ऐसी हैं जहां पहाड़ी कोरवा परिवार रहते हैं। पण्डो, माझी-मझवार जैसी अनेक अति पिछड़ी जनजातियां यहां रहती हैं, छत्तीसगढ़ और दूसरे राज्यों में रहती हैं। हमने पहली बार ऐसी सभी जनजातियों के लिए, 24 हज़ार करोड़ रुपए की पीएम-जनमन योजना भी बनाई है। इस योजना के तहत पक्के घर, बिजली, पानी, शिक्षा, स्वास्थ्य, कौशल विकास, ऐसी सभी सुविधाएं पिछड़ी जनजातियों के गांव पहुंचेंगी। 

साथियों, 

10 वर्षों में भांति-भांति की चुनौतियों के बावजूद, यहां रेल, सड़क, अस्तपताल, मोबाइल टावर, ऐसे अनेक काम हुए हैं। यहां एयरपोर्ट की बरसों पुरानी मांग पूरी की गई है। आपने देखा है, अंबिकापुर से दिल्ली के ट्रेन चली तो कितनी सुविधा हुई है।

साथियों,

10 साल में हमने गरीब कल्याण, आदिवासी कल्याण के लिए इतना कुछ किया। लेकिन ये तो सिर्फ ट्रेलर है। आने वाले 5 साल में बहुत कुछ करना है। सरगुजा तो ही स्वर्गजा यानि स्वर्ग की बेटी है। यहां प्राकृतिक सौंदर्य भी है, कला-संस्कृति भी है, बड़े मंदिर भी हैं। हमें इस क्षेत्र को बहुत आगे लेकर जाना है। इसलिए, आपको हर बूथ पर कमल खिलाना है। 24 के इस चुनाव में आप का ये सेवक नरेन्द्र मोदी को आपका आशीर्वाद चाहिए, मैं आपसे आशीर्वाद मांगने आया हूं। आपको केवल एक सांसद ही नहीं चुनना, बल्कि देश का उज्ज्वल भविष्य भी चुनना है। अपनी आने वाली पीढ़ियों का भविष्य चुनना है। इसलिए राष्ट्र निर्माण का मौका बिल्कुल ना गंवाएं। सर्दी हो शादी ब्याह का मौसम हो, खेत में कोई काम निकला हो। रिश्तेदार के यहां जाने की जरूरत पड़ गई हो, इन सबके बावजूद भी कुछ समय आपके सेवक मोदी के लिए निकालिए। भारत के लोकतंत्र और उज्ज्वल भविष्य के लिए निकालिए। आपके बच्चों की गारंटी के लिए निकालिए और मतदान अवश्य करें। अपने बूथ में सारे रिकॉर्ड तोड़नेवाला मतदान हो। इसके लिए मैं आपसे प्रार्थना करता हूं। और आग्राह है पहले जलपान फिर मतदान। हर बूथ में मतदान का उत्सव होना चाहिए, लोकतंत्र का उत्सव होना चाहिए। गाजे-बाजे के साथ लोकतंत्र जिंदाबाद, लोकतंत्र जिंदाबाद करते करते मतदान करना चाहिए। और मैं आप को वादा करता हूं। 

भाइयों-बहनों  

मेरे लिए आपका एक-एक वोट, वोट नहीं है, ईश्वर रूपी जनता जनार्दन का आर्शीवाद है। ये आशीर्वाद परमात्मा से कम नहीं है। ये आशीर्वाद ईश्वर से कम नहीं है। इसलिए भारतीय जनता पार्टी को दिया गया एक-एक वोट, कमल के फूल को दिया गया एक-एक वोट, विकसित भारत बनाएगा ये मोदी की गारंटी है। कमल के निशान पर आप बटन दबाएंगे, कमल के फूल पर आप वोट देंगे तो वो सीधा मोदी के खाते में जाएगा। वो सीधा मोदी को मिलेगा।      

भाइयों और बहनों, 

7 मई को चिंतामणि महाराज जी को भारी मतों से जिताना है। मेरा एक और आग्रह है। आप घर-घर जाइएगा और कहिएगा मोदी जी ने जोहार कहा है, कहेंगे। मेरे साथ बोलिए...  भारत माता की जय! 

भारत माता की जय! 

भारत माता की जय!