দু-তিন মাসের মধ্যে ১ লক্ষ প্রথম সারির কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
২৬টি রাজ্যে ১১১টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ছয়টি কাস্টমাইজড ক্র্যাশ কোর্স চালু করা হয়েছে
ভাইরাস আমাদের মধ্যে এখনও রয়েছে, আর যতক্ষণ পর্যন্ত এটি থাকবে, এর রূপান্তরণের সম্ভাবনা বজায় থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
করোনাকালে প্রমাণ করে দিয়েছে যে দক্ষতা, পূর্ণদক্ষতা এবং দক্ষতা উন্নয়নের মন্ত্রটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী
অতিমারী বিশ্বের প্রতিটি দেশ, প্রতিষ্ঠান, সমাজ, পরিবার এবং ব্যক্তি বিশেষের শক্তির পরীক্ষা নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
২১ জুন থেকে ৪৫ বছরের বেশি বয়সীদের পাশাপাশি ৪৫এর কম বয়সীদেরও টিকা দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ ডিসপেনসারিতে মোতায়েন করা আশাকর্মী, এএনএম, অঙ্গনওয়াড়ী এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশংসা করেছেন

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘কোভিড-১৯ প্রথম সারির কর্মীদের জন্য কাস্টমাইজড ক্র্যাশ কোর্স কর্মসূচি’র সূচনা করেছেন। ২৬টি রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা ১১১টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১ লক্ষ প্রথম সারির কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় দক্ষতা উন্নয়ন ও শিল্পোদ্যোগ মন্ত্রী, বিভিন্ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী, বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের ব্যক্তিত্বরা এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচির সূচনার গুরুত্বের কথা তুলে ধরে জানান, এটি করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী ফের আর একবার এই সংক্রণের বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং এর মিউটেশনের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউ যখন আছড়ে পরেছে তখন একাধিক সমস্যার চিত্র সকলের সামনে উঠে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সমস্যা মোকাবিলায় সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। ১ লক্ষেরও বেশি প্রথম সারির যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া তারই এক অঙ্গ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে অতিমারী বিশ্বের প্রতিটি দেশ, প্রতিষ্ঠান, সমাজ, পরিবার এবং ব্যক্তি বিশেষের শক্তির পরীক্ষা নিয়েছে। একইসঙ্গে বিজ্ঞান, সরকার, সমাজ, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি হিসেবে সকলের সক্ষমতা প্রসারিত করতে সতর্ক করে দিয়েছে। ভারত এই সমস্যাকে মোকাবিলা করেছে এবং পিপিই কিট, নমুনা পরীক্ষা, কোভিড সেবা ও চিকিৎসা সম্পর্কিত অন্যান্য পরিকাঠামোগত অবস্থানগুলির পরিবর্তনে প্রয়াস চালিয়ে গেছে। শ্রী মোদী উল্লেখ করেন, দূর-দূরান্তের হাসপাতালগুলিতে ভেন্টিলেটর এবং অক্সিজেন কনসেনট্রেটর সরবরাহ করা হয়েছে। যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে ১৫০০টিরও বেশি অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করা হচ্ছে। এই সমস্ত প্রয়াসের মধ্যেও দক্ষ ও লোকবলের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এরজন্য এবং করোনা যোদ্ধাদের বর্তমান শক্তিকে সমর্থন জানাতে ১ লক্ষ যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রশিক্ষণ ২-৩ মাসের মধ্যেই শেষ হবে।

শ্রী মোদী আরও বলেন, দেশের শীর্ষ বিশেষজ্ঞরা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির দাবি অনুযায়ী এই ৬টি পাঠ্যক্রমের  পরিকল্পনা করেছে। কোভিড যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে মূলত- বাড়িতে চিকিৎসা সহায়তা, প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা, অত্যাধুনিক চিকিৎসা সহায়তা, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা, নমুনা সংগ্রহে সহায়তা এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম- এই ৬টি বিষয়ে। এরমধ্যে শিক্ষানবীশদের নতুন প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এই ধরণের কাজের জন্য যাদের আংশিক প্রশিক্ষণ রয়েছে তাদের দক্ষতার উন্নতি ঘটানো হবে। এই অভিযানে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে প্রথম সারির যোদ্ধাদেরকে নতুন শক্তি সঞ্চার করবে এবং যুবকদের কাজের সুযোগ তৈরি হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে প্রমাণ করে দিয়েছে যে দক্ষতা, পূর্ণদক্ষতা এবং দক্ষতা উন্নয়নের মন্ত্রটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দেশে এই প্রথম পৃথকভাবে 'স্কিল ইন্ডিয়া মিশন' চালু করা হয়েছে। দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রক গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র সারা দেশজুড়ে চালু করা হয়েছে। আজ স্কিল ইন্ডিয়া মিশন প্রতি বছর দেশের প্রয়োজন অনুসারে লক্ষ লক্ষ যুবককে প্রশিক্ষণ প্রদানে সহায়তা করেছে। গত বছর থেকে দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রক অতিমারী পরিস্থিতির মধ্যেও সারা দেশে লক্ষ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনসংখ্যা অনুসারে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে চিকিৎসক, নার্স এবং প্যারামেডিক্সের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রয়োজন। নতুন এইমস, নতুন মেডিকেল কলেজ এবং নতুন নার্সিং কলেজ চালু করতে বিগত ৭ বছরে সরকার নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে গেছে। একইভাবে চিকিৎসা শিক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিতে সংস্কারের পক্ষে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। 

শ্রী মোদী বলেন, আশাকর্মীরা এএনএম, অঙ্গনওয়াড়ী এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মতো স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে পেশাদাররা দেশের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অন্যতম শক্ত স্তম্ভ।তাদের গ্রামীণ ডিসপেনসারিতে মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁরা বিশ্বের এই বৃহত্তম টিকাকরণ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রধানমন্ত্রী সেইসব স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং পার্বত্য উপজাতি অঞ্চলে গ্রামে গ্রামে সংক্রমণ প্রসার রোধে তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। 

শ্রী মোদী বলেন, ২১ জুন থেকে শুরু হওয়া প্রচারাভিযানের বিষয়ে একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ওইদিন থেকে ৪৫ বছরের বেশি বয়সীদের পাশাপাশি ৪৫এর কম বয়সীদেরও টিকা দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় সরকার করোনা বিধি অনুসরণ করার সময় প্রতিটি নাগরিককে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রধানমন্ত্রী এদিন প্রশিক্ষণার্থীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের এই দক্ষতা দেশবাসীর জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে। 

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
PM Modi gets 'full marks' from former India cricketer as Chennai set to host historic Big Bash League opener

Media Coverage

PM Modi gets 'full marks' from former India cricketer as Chennai set to host historic Big Bash League opener
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
India-New Zealand relations are at a turning point: PM Modi at the India-New Zealand Business Event
July 11, 2026

Your Excellency, Prime Minister क्रिस्टोफर लक्सन,

भारत और न्यूज़ीलैंड के business leaders,

नमस्कार

किया ओरा

ऑकलैंड में आप सबके बीच आकर मुझे बहुत प्रसन्नता हो रही है। मैं प्रधानमंत्री लक्सन का, उनके सकारात्मक विचारों और भारत के प्रति उनकी गहरी प्रतिबद्धता के लिए विशेष आभार व्यक्त करता हूँ।

आप सभी की उपस्थिति न्यूज़ीलैंड की innovation, enterprise और future-oriented सोच का प्रतीक है। भारत की ओर से, मैं 140 करोड़ लोगों की aspirations और ambitions का संदेश लेकर आया हूँ।

Friends,

यह बैठक ऐसे समय में हो रही है जब भारत और न्यूज़ीलैंड के संबंध एक turning point पर हैं। आज हम अपने संबंधों को Strategic Partnership के सूत्र में बांध रहे हैं। यह केवल एक diplomatic milestone नहीं है। यह हमारे साझा भविष्य का एक नया संकल्प है।

इस वर्ष दोनों देशों के बीच नौ महीनों के रिकॉर्ड समय में Free Trade Agreement किया गया। यह आप सभी के लिए market access, investment, services, technology और talent mobility के नए अवसर लेकर आएगा। मुझे विश्वास है कि नए जोश और उत्साह के साथ काम करते हुए हम 2030 तक द्विपक्षीय व्यापार को दोगुना बढ़ाएंगे।

न्यूज़ीलैंड द्वारा अगले पंद्रह वर्षों में भारत में बीस बिलियन डॉलर का investment commitment किया गया है। यह केवल निवेश का ही नहीं, बल्कि भारत की विकास यात्रा में सहभागी बनने का भी commitment है।

Friends,

आज भारत दुनिया की fastest-growing major economy है। हमारी बढ़ती मिडल क्लास, large scale digital adoption और इंफ्रास्ट्रक्चर push, भारत को एक unique growth story बनाते हैं।

भारत में हमने reform, perform और transform को governance का आधार बनाया है। आज भारत में policy stability है, political stability है, और growth की continuity है।

इसलिए आज विश्व को हमारा संदेश है: India is not only a market; India is a launchpad for global growth.

भारत में बन रहे इन अवसरों का लाभ उठाने के लिए मैं कुछ उदाहरण आपके सामने रखना चाहूँगा। भारत में manufacturing को बढ़ावा देने के लिए हमने Production Linked Incentive scheme शुरू की है। इसके अंतर्गत food processing से लेकर textiles जैसे 14 sectors में लगभग बीस बिलियन डॉलर का सपोर्ट दिया जा रहा है। मैं आप सभी को इस manufacturing momentum का हिस्सा बनने के लिए आमंत्रित करता हूँ।

भारत में airports, regional connectivity, air cargo और टुरिज़म तेज़ी से बढ़ रहे हैं। भारत आज दुनिया का तीसरा सबसे बड़ा domestic aviation market है। हम मिलकर cargo corridors, flight connectivity और joint tourism packages बना सकते हैं।

Kiwi, apples, honey और seafood के लिए perishable cargo solutions विकसित किए जा सकते हैं। न्यूज़ीलैंड के पास horticulture, dairy science, और forestry में विशाल एक्स्पर्टीज़ है। भारत के पास consumer market, food parks और agri-tech talent की ताकत है। हम मिलकर farm-to-market value chains और global export platforms बना सकते हैं।

Fin Tech में आज भारत global leader है। आज दुनिया की पचास प्रतिशत real time digital payments भारत में होती हैं। हम digital payments के साथ साथ green bonds और blended finance में आगे बढ़ सकते हैं।

हमने space sector को private participation के लिए खोल दिया है। आज भारत में 400 से अधिक space start-ups है और अब तो एक यूनिकॉर्न भी बन गई है। दोनों देशों की कम्पनियां भारत के space ecosystem के साथ मिलकर small satellites, remote sensing और ocean monitoring में काम कर सकती हैं।

भारत में Smart Cities Mission के अंतर्गत 100 cities में 8,000 से अधिक projects पर काम हो रहा है। हम मिलकर urban mobility, water management, waste management जैसे क्षेत्रों में काम कर सकते हैं।

Friends,

मैं माओरी business leaders का विशेष अभिनंदन करता हूँ। भारत की सभ्यता और माओरी tradition, दोनों में प्रकृति, समुदाय और सस्टेनेबिलिटी के प्रति गहरा सम्मान है। हमारे FTA में भी माओरी बिजनेसस के लिए अवसरों को विशेष स्थान दिया गया है। हमारी इन साझा मूल्यों को जोड़कर हम inclusive and sustainable trade का नया model बना सकते हैं।

Friends,

मेरा सुझाव है कि हम मिलकर एक बहुत ही ambitious Business Roadmap बनाएं। अपनी strengths को जोड़ते हुए हम कम से कम पाँच flagship प्रोजेक्ट्स की पहचान करें, और उन्हें समयबद्ध तरीके से पूरा करने के लिए review मेकनिज़म बनाएं। तभी हम अपने संबंधों के पूरे potential को realise कर सकेंगे, और दोनों देशों के लोगों की आकांक्षाओं और अपेक्षाओं पर खरे उतर सकेंगे।

मैं आप सभी को इस यात्रा में कंधे से कंधा मिलाकर चलने के लिए आमंत्रित करता हूँ।

Let us make our partnership a platform for prosperity, a bridge for innovation, and a force for global good.

और मैं चाहता हूँ की भारत और नई ज़ीलैण्ड मिल कर के एक नयी शक्ति के रूप में उभरें।

और मेरा एक और आग्रह है। जैसे अभी आपने बताया कि खेल के हमारे संबंधों के सौ साल हो रहे हैं। यह बड़ा महत्वपूर्ण इवेंट है।

इसको तो हम मनाएंगे ही मनाएंगे। लेकिन क्या हम यह सोच सकते हैं, की 35 से कम उम्र के Businessmen, ऐसा एक बड़ा डेलीगेशन भारत आएं, और भारत से भी 35 से नीचे की उम्र का एक बिज़नेस डेलीगेशन New Zealand आये?

ताकि हम एक नयी पीढ़ी को हम तैयार करें ? इसी एक शुभकामना के साथ आप सब का बहुत-बहुत धन्यवाद।