The Jeevika Nidhi Credit Cooperative Society initiative will be further strengthened through its integration with the Mukhyamantri Mahila Rojgar Yojana: PM
Mukhyamantri Mahila Rojgar Yojana has further strengthened the Central Government’s Lakhpati Didi campaign: PM
When a government formulates policies with women at the center, the benefits also extend to other segments of society: PM
The transformative impact of the Ujjwala Yojana is now being recognized across the world: PM
Under the Swasth Nari, Sashakt Parivar campaign, more than 4.25 lakh health camps are being organized to screen for serious health conditions: PM
When a woman progresses, the entire society moves forward: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সিং – এর মাধ্যমে বিহারে মুখ্যমন্ত্রী রোজগার যোজনার সূচনা করেছেন। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী সকলকে নবরাত্রির শুভেচ্ছা জানান। উৎসবের এই লগ্নে মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনা চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগে ইতিমধ্যেই ৭৫ লক্ষ মহিলা যোগ দিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা করে পৌঁছে গেছে। 
শ্রী মোদী বলেন, এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় তাঁর মনে দুটি ভাবনা আসছে। প্রথমত, আজকের দিনটি বিহারের মহিলা ও কন্যাদের কাছে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। কোনও মহিলা যখন চাকরি পান বা স্বনিযুক্ত হন, তখন তাঁর স্বপ্নগুলি নতুন ডানা মেলে, সমাজে তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। দ্বিতীয়ত, যদি তাঁর সরকার ১১ বছর আগে জন ধন যোজনা চালু না করত, যদি ৩০ কোটিরও বেশি মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় ব্যাঙ্কে তাঁদের অ্যাকাউন্ট না খুলতেন এবং মোবাইলের সঙ্গে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সংযোগসাধন না করতেন, তা হলে আজ তাঁদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানো সম্ভব হ’ত না। এই পরিকাঠামো না থাকলে টাকা মাঝপথে গায়েব হয়ে যেত, সুবিধাপ্রাপকদের প্রতিও অবিচার হ’ত। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন ভাই তখনই সবচেয়ে খুশি হয়, যখন সে দেখে, তার বোন সুখে আছে, সুস্বাস্থ্যের মধ্যে আছে এবং তার পরিবার অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল অবস্থায় আছে। বোনেদের কল্যাণের জন্য ভাইরা সবকিছু করতে পারে। আজ বিহারের মহিলাদের সুখ, সমৃদ্ধি ও মর্যাদার জন্য তিনি ও নীতিশ কুমার দুই ভাই হিসেবে একইভাবে কাজ করছেন। তাঁদের অঙ্গীকারের প্রমাণ হ’ল আজকের এই কর্মসূচি। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনার খসড়া প্রথমবার দেখেই তাঁর ভালো লেগেছিল। এই প্রকল্পে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন মহিলা সুবিধাপ্রাপক থাকবেন। ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তাঁদের ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থ সাহায্য করা হবে। বিহারের মহিলারা এখন এই অর্থ দিয়ে মুদিখানার সামগ্রী, বাসনপত্র, প্রসাধনী, খেলনা বা গৃহস্থালীর দ্রব্যের ব্যবসা করতে পারেন। তাঁরা পশুচারণ বা পোলট্রির ব্যবসাও শুরু করতে পারেন। এইসব কিছুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ তাঁদের দেওয়া হবে। বিহারে ইতিমধ্যেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির এক মজবুত নেটওয়ার্ক রয়েছে। এতে প্রায় ১১ লক্ষ গোষ্ঠী রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ মাসের গোড়ার দিকে তিনি জীবিকা নিধি ঋণ সমবায় সমিতির সূচনা করেছেন। এর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনাকে যুক্ত করা হবে। শুরু থেকেই এই প্রকল্প বিহার জুড়ে আলোড়ন ফেলবে। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনা কেন্দ্রীয় সরকারের লাখপতি দিদি কর্মসূচিকেও আরও মজবুত করবে। কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশে ৩ কোটি লাখপতি দিদি তৈরির লক্ষ্য রেখেছে। ইতিমধ্যে ২ কোটিরও বেশি মহিলা এই মাইলফলক অর্জন করেছেন। বিহারেও লক্ষ লক্ষ মহিলা লাখপতি দিদি হয়ে উঠবেন বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় সরকারই যেভাবে এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে, তাতে আগামী দিনে দেশের সবচেয়ে বেশি লাখপতি দিদি বিহারেই থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

শ্রী মোদী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের মুদ্রা যোজনা, ড্রোন দিদি, বীমা সখী, ব্যাঙ্ক দিদি – এইসব কর্মসূচিই মহিলাদের চাকরি ও স্বনিযুক্তির নতুন নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে। এই সবকিছুর পেছনে একটাই লক্ষ্য, তা হ’ল – মহিলাদের যত বেশি সম্ভব সুযোগ-সুবিধা দিয়ে তাঁদের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করা। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ দেশের মহিলা ও কন্যাদের সামনে নতুন নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। আজ বিপুল সংখ্যক মহিলা সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশে যোগ দিচ্ছেন, মহিলারা এখন ফাইটার জেট-ও চালাচ্ছেন। কিন্তু, বিহার যখন বিরোধীদের শাসনে ছিল, সেই লন্ঠন শাসনের কথা মানুষ যাতে ভুলে না যান, সেই অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেই সময়ে বিহারের মহিলারা বিশৃঙ্খলতা ও দুর্নীতির শিকার হতেন। বিহারের প্রধান রাস্তাগুলি ভাঙাচোরা ছিল। বহু জায়গায় সেতু ছিল না। পরিকাঠামোর এই দুর্বলতার জন্য সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হ’ত মহিলাদের। বন্যার সময়ে কষ্ট আরও বাড়ত। গর্ভবতী মহিলারা সময় মতো হাসপাতালে পৌঁছতে পারতেন না। রোগের চিকিৎসার যথাযথ সুযোগও পেতেন না তাঁরা। তাঁর সরকার মহিলাদের এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের করে এনেছে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। 
বিহারে সম্প্রতি হওয়া একটি প্রদর্শনীর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐ প্রদর্শনীতে পুরনো খবরের কাগজের শিরোনাম প্রদর্শিত হয়েছিল। বিরোধীদের শাসনে বিহারে কেমন ভয়ের পরিবেশ ছিল, তা ঐ শিরোনামগুলি থেকেই বোঝা যায়। কোনও পরিবার সেই সময়ে সুরক্ষিত ছিল না, নকশাল হিংসা সেই সময়ে চরমে পৌঁছেছিল। মহিলাদের ঐ সময়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছিল। গরীব পরিবার থেকে শুরু করে ডাক্তার বা আইএএস, বিরোধী নেতাদের নির্যাতন থেকে কেউ-ই রেহাই পাননি।
শ্রী নীতিশ কুমারের নেতৃত্বে বিহারে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর সবচেয়ে বেশি সুফল মহিলারা পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিহারের মেয়েরা আজ বাড়ি থেকে বেরোতে ভয় পান না। অনেক রাত পর্যন্ত তাঁরা কর্মস্থলে কাজ করতে পারেন। বিহার যাতে অতীতের সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে আর ফিরে না যায়, তার সমবেত শপথ নেওয়ার অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনও সরকার যখন মহিলাদের কেন্দ্রে রেখে নীতি প্রণয়ন করে, তখন তার সুফল সমাজের অন্যান্য শ্রেণীর কাছেও পৌঁছয়। এই প্রসঙ্গে তিনি উজ্জ্বলা যোজনার উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এক সময়ে গ্রামীণ এলাকায় রান্নার গ্যাসের সংযোগ পাওয়াকে দিবাস্বপ্ন বলে মনে করা হ’ত। গরীব মা, বোন এবং মেয়েরা তাঁদের সারা জীবন রান্নাঘরের ধোঁয়ার মধ্যে কাটাতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁদের ফুসফুসের অসুখ হয়েছে। কেউ কেউ আবার দৃষ্টিশক্তি পর্যন্ত হারিয়েছেন। বহু মহিলার সারা জীবন কেটেছে শুধু জ্বালানীর কাঠ সংগ্রহ করে। বৃষ্টির সময়ে কাঠে আগুন জ্বলতো না। অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের খালি পেটে রাত কাটাতে হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এইসব যন্ত্রণার কথা কোনও বইতে লেখা থাকে না। বিহারের জীবনই এর প্রমাণ। তাঁদের সরকার যখন মহিলাদের কেন্দ্রে রেখে নীতি প্রণয়ন করতে শুরু করে, তখন থেকে এই ছবিটা বদলায়। কোটি কোটি বাড়িতে রান্নার গ্যাসের সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়। আজ বিহারের কোটি কোটি মহিলা ধোঁয়াহীন গ্যাসের স্টোভে রান্না করছেন এবং ফুসফুস ও চোখের অসুখ থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
শ্রী মোদী বলেন, কোভিড-১৯ অতিমারীর সময়ে সরকার বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করে। গরীব মানুষের উপকার হচ্ছে দেখে এই উদ্যোগ চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনার আওতায় শুধুমাত্র বিহারেই ৮.৫ কোটিরও বেশি মানুষ বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতে যে কোনও সম্পত্তি প্রথাগতভাবে পুরুষদের নামেই নথিভুক্ত হয়ে থাকে। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা চালুর সময়ে এই প্রকল্পের বাড়ি মহিলাদের নামে নথিভুক্তির সংস্থান আনা হয়। বিহারে ৫০ লক্ষেরও বেশি আবাস যোজনার বাড়ি রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মহিলাদের নাম অন্যতম মালিক হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। 
শ্রী মোদী বলেন, কোনও মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়লে, গোতা পরিবারের উপর তার প্রভাব পড়ে। একটা সময় ছিল, যখন মহিলারা নীরবে রোগের যন্ত্রণা সহ্য করতেন। তাঁরা নিজেদের চিকিৎসার জন্য পরিবারের অর্থ নিঃশেষ করতে চাইতেন না। আয়ুষ্মান ভারত যোজনা এর অবসান ঘটিয়েছে। এই যোজনার আওতায় বিহারের লক্ষ লক্ষ মহিলা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনার আওতায় সন্তানসম্ভবা মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাগরিকদের, বিশেষত মহিলাদের সুস্বাস্থ্য সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলির একটি। মহিলাদের স্বাস্থ্যের উপর নজর রেখে গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা জয়ন্তীতে সুস্থ নারী, মজবুত পরিবার অভিযানের সূচনা হয়েছে। এই অভিযানের আওতায় গ্রাম – শহর জুড়ে ৪ লক্ষ ২৫ হাজারেরও বেশি স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। এইসব শিবিরে রক্তাল্পতা, রক্তচাপ, মধুমেহ এবং ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের চিকিৎসা হচ্ছে। ১ কোটিরও বেশি মহিলা ইতিমধ্যেই এইসব শিবিরে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছেন। বিহারের প্রতিটি মহিলাকে শিবিরে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ নেওয়ার অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন উৎসবের মরশুম চলছে। নবরাত্রি উদযাপিত হচ্ছে, সামনেই রয়েছে দীপাবলি, ছট পুজো খুব একটা দূরে নেই। মহিলাদের এই সময়ে সারক্ষণ ভাবতে হয়, কিভাবে তাঁরা সংসার খরচ সামলাবেন। তাঁদের কাজ সহজ করতে তাঁদের সরকার ২২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশ জুড়ে জিএসটি-র হার কমিয়ে দিয়েছে। এরফলে, দাঁতের মাজন, সাবান, শ্যাম্পু, ঘি, খাদ্য দ্রব্য সবকিছুই কম দামে পাওয়া যাবে। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সামগ্রী, জাপাকাপড়, জুতোরও দাম কমেছে। এর ফলে, মহিলাদের সংসার খরচ ও রান্নার খরচ কমবে। এই উৎসবের মরশুমে মহিলাদের মুখে হাসি ফোটানো তাঁদের দায়িত্ব ছিল। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার সেই দায়িত্ব পালন করেছে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন উৎসবের মরশুম চলছে। নবরাত্রি উদযাপিত হচ্ছে, সামনেই রয়েছে দীপাবলি, ছট পুজো খুব একটা দূরে নেই। মহিলাদের এই সময়ে সারক্ষণ ভাবতে হয়, কিভাবে তাঁরা সংসার খরচ সামলাবেন। তাঁদের কাজ সহজ করতে তাঁদের সরকার ২২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশ জুড়ে জিএসটি-র হার কমিয়ে দিয়েছে। এরফলে, দাঁতের মাজন, সাবান, শ্যাম্পু, ঘি, খাদ্য দ্রব্য সবকিছুই কম দামে পাওয়া যাবে। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সামগ্রী, জাপাকাপড়, জুতোরও দাম কমেছে। এর ফলে, মহিলাদের সংসার খরচ ও রান্নার খরচ কমবে। এই উৎসবের মরশুমে মহিলাদের মুখে হাসি ফোটানো তাঁদের দায়িত্ব ছিল। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার সেই দায়িত্ব পালন করেছে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিহারের মহিলাদের যখনই সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তখনই তাঁরা সাহস ও দৃঢ় সংকল্পের মধ্য দিয়ে সমাজে রূপান্তরমূলক পরিবর্তন এনেছেন, সমাজের অগ্রগতিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনার সূচনা উপলক্ষ্যে তিনি আবারও বিহারের মানুষকে অভিনন্দন জানান। 
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নীতিশ কুমার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী রাজীব রঞ্জন সিং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
'Hope for productive monsoon session': PM Modi highlights India's gains ahead of Parliament proceedings

Media Coverage

'Hope for productive monsoon session': PM Modi highlights India's gains ahead of Parliament proceedings
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister expresses anguish over the loss of lives due to tunnel collapse in Namchi, Sikkim
July 21, 2026
PM announces ex-gratia from PMNRF

Prime Minister Shri Narendra Modi today expressed anguish over the loss of lives due to the collapse of an under-construction tunnel in Namchi, Sikkim. He extended his deepest condolences to the bereaved families and prayed that those injured recover at the earliest.

The Prime Minister announced that an ex-gratia of Rs. 2 lakh from PMNRF would be given to the next of kin of each deceased. Shri Modi stated that the injured would be given Rs. 50,000.

In a post on X, the Prime Minister shared:

"Anguished by the loss of lives due to the collapse of an under-construction tunnel in Namchi, Sikkim. I extend my deepest condolences to the bereaved families. I pray that those injured recover at the earliest.

An ex-gratia of Rs. 2 lakh from PMNRF would be given to the next of kin of each deceased. The injured would be given Rs. 50,000: PM @narendramodi"