The Delhi-Dehradun Economic Corridor, being inaugurated today, is a world-class infrastructure project that will deepen connectivity, boost the economy and tourism: PM
With the completion of 25 years since its formation, Uttarakhand has now entered its 26th year; Today, with the inauguration of the Delhi-Dehradun Expressway, another major milestone has been added: PM
The Dehradun-Delhi Economic Corridor will transform the entire region: PM
The Corridor will save time, travel will become cheaper and faster, people will spend less on petrol and diesel, and fares and freight costs will decrease;it will also facilitate employment: PM
Our mountains, these forest areas, this heritage of Devbhoomi, these are very, very sacred places; It is our duty to keep such places clean: PM
Plastic bottles, heaps of garbage in these areas hurt the sanctity of Devbhoomi ; it is very essential that we keep these sites of Devbhoomi, our pilgrimage sites, clean and beautiful: PM

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ দিল্লি-দেরাদুন আর্থিক করিডোরের উদ্বোধন করেন। এটি উত্তরাখণ্ড এবং গোটা অঞ্চলের উন্নয়নের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হল। দেরাদুনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈশাখী, বোহাগ বিহু এবং পুথান্ডু উৎসব উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন যে, এই উদ্বোধনটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ভারত জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

 

'দেবভূমি'-র এই পবিত্র ভূমির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, যমুনোত্রী, গঙ্গোত্রী, কেদারনাথ এবং বদ্রিনাথ — এই চার ধাম নিয়ে তৈরি 'চার ধাম যাত্রা' আগামী দিনগুলিতে শুরু হতে চলেছে। দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ গভীর ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে এই মুহূর্তটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন। তিনি পঞ্চ বদ্রি, পঞ্চ কেদার, পঞ্চ প্রয়াগ এবং এই অঞ্চলের দেবদেবীর উদ্দেশে প্রার্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "এত বিশাল পরিসরের একটি প্রকল্প সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে মা দাঁত কালীর আশীর্বাদ আমাদের জন্য এক অসীম শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করেছে।"

 

ড. বি.আর. আম্বেদকরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর পক্ষ থেকে 'বাবাসাহেব'-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আম্বেদকরের আজীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গত এক দশকে বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন নীতির মূল লক্ষ্যই ছিল, সাংবিধানিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখা। এর দৃষ্টান্ত হিসেবে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার এবং দেশের বহু জেলায় মাওবাদ ও নকশালবাদের অবসান ঘটানোর কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর সাংবিধানিক আকাঙ্ক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে উত্তরাখণ্ড সমগ্র দেশের সামনে এক নতুন দিশা দেখিয়েছে।"

 

একটি রাজ্য হিসেবে উত্তরাখণ্ডের যাত্রাপথের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেছিলেন যে, বর্তমান শতাব্দীর তৃতীয় দশকটি হবে 'উত্তরাখণ্ডের দশক'। তিনি আরও বলেন যে, বর্তমান সরকারের নীতিসমূহ এবং রাজ্যের মানুষের কঠোর পরিশ্রমের সুবাদে, এই নবীন রাজ্যটি তার উন্নয়নের ধারায় প্রতিনিয়ত নতুন নতুন মাত্রা যুক্ত করে চলেছে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "এই এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তরাখণ্ডের সামগ্রিক অগ্রগতিতে এক নতুন গতির সঞ্চার করবে।"

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, একটি দেশের ভবিষ্যৎ মূলত তার সড়কপথ, মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, আকাশপথ, রেলপথ এবং জলপথের মাধ্যমেই রচিত হয়। দেশে পরিকাঠামো উন্নয়নে অভূতপূর্ব গতির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন যে, ২০১৪ সালের আগে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বার্ষিক ব্যয় ২ লক্ষ কোটি টাকারও কম ছিল। বর্তমানে তা ছয় গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে বছরে ১২ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সাথে বলেন, "শুধুমাত্র উত্তরাখণ্ডেই এখন ২.২৫ লক্ষ কোটিরও বেশি টাকার বিভিন্ন পরিকাঠামো প্রকল্পের কাজ চলছে।"

 

দিল্লি-পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ-উত্তরাখণ্ড অঞ্চলের সাম্প্রতিক উন্নয়নমূলক কাজগুলির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, অতি অল্প সময়ের মধ্যেই দিল্লি মেট্রোর সম্প্রসারণ, মিরাটে মেট্রো পরিষেবার সূচনা, দিল্লি-মিরাট ‘নমো ভারত রেল’-এর উদ্বোধন এবং নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এমআরও পরিষেবার কাজ শুরু হয়েছে। শ্রী মোদীর কথায়, "একবার কল্পনা করে দেখুন, দেশ জুড়ে কী বিশাল পরিসরে পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে; এই ছোট্ট একটি অঞ্চলে যা ঘটছে, তা হল সেই বিরাট কর্মযজ্ঞেরই একটি ক্ষুদ্র ঝলক মাত্র।"

 

দিল্লি-দেরাদুন অর্থনৈতিক করিডরের যুগান্তকারী সুফলগুলির বিস্তারিত বিবরণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের বহুমুখী প্রভাবের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন যে, এই এক্সপ্রেসওয়েটি যাত্রীদের যাতায়াতের সময় ও খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেবে, যার ফলে জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং পণ্য পরিবহনের খরচও হ্রাস পাবে। এই করিডরের নির্মাণকাজে ইতিমধ্যেই ১২,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং এর ফলে প্রকল্পটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে; হাজার হাজার প্রকৌশলী, শ্রমিক এবং পরিবহন কর্মীর জীবিকার সংস্থান হয়েছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন যে, কৃষক ও পশুপালকরাও এই করিডরের সুফল পাবেন। কারণ এর ফলে তাঁদের উৎপাদিত পণ্য আরও দ্রুততার সঙ্গে বড় বড় বাজারগুলিতে পৌঁছে যাবে। তিনি আরও বলেন যে, গাজিয়াবাদ, বাগপত, বারৌত, শামলি এবং সাহারানপুরের ওপর দিয়ে বিস্তৃত এই করিডরটি উত্তরপ্রদেশের এই শহরগুলাতেও নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "এটি শুধুমাত্র একটি সড়কপথ নয়; এটি গোটা অঞ্চলে বাণিজ্য, শিল্প, পণ্যের গুদামজাতকরণ এবং লজিস্টিক বা পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।"

 

এই নতুন এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশের বিপুল সম্ভাবনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, এর ফলে দেরাদুন, হরিদ্বার, ঋষিকেশ, মুসৌরি এবং ‘চার ধাম’ – এই তীর্থক্ষেত্রগুলিতে যাতায়াত করা আরও সহজ হয়ে উঠবে। তিনি আরও জানান যে, উত্তরাখণ্ড ক্রমশ শীতকালীন পর্যটন, শীতকালীন খেলাধুলা এবং ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’ বা বিবাহ অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। উত্তরাখণ্ডের অর্থনীতির জন্য সারা বছর ধরে পর্যটনের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান যে, শীতকালীন তীর্থযাত্রায় এক উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। আদি কৈলাস এবং ওম পর্বতে দর্শনার্থীর সংখ্যা মাত্র কয়েকশ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৩৬,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে; অন্যদিকে, 'শীতকালীন চার ধাম যাত্রা'-য় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০২৪ সালের ৮০,০০০ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ১.৫ লক্ষেরও বেশি হয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, "যখন পর্যটনের প্রসার ঘটে, তখন সবাই উপকৃত হয়— হোটেল, ধাবা, ট্যাক্সি, হোম-স্টে— পুরো স্থানীয় অর্থনীতিই এক নতুন গতি পায়।"

 

প্রকৃতি ও সংস্কৃতির সাথে উন্নয়নের ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী একটি এক্সপ্রেসওয়ের অংশ হিসেবে প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি 'উন্নত বন্যপ্রাণী করিডর' নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরেন। এই করিডরটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যাতে হাতি সহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর চলাচলে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে। তিনি 'দেবভূমি'-র পাহাড় ও অরণ্যে আগত পর্যটক এবং তীর্থযাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তাঁরা এই পবিত্র স্থানগুলিকে পরিচ্ছন্ন এবং প্লাস্টিক-বর্জ্যমুক্ত রাখেন। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "আমাদের প্রচেষ্টা হলো, যেখানে পরিকাঠামো মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকবে, ঠিক সেখানেই এই অঞ্চলের বন্যপ্রাণী এবং প্রাকৃতিক ঐতিহ্যকেও অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।"

 

আগামী বছর হরিদ্বারে হতে যাওয়া কুম্ভমেলার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছে আহ্বান জানান যে, এই আয়োজনটি যেন অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ, দিব্য এবং পরিচ্ছন্ন হয়। 

 

নারী ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, নারীদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বিষয়ে সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, চার দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার পর সংসদ 'নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম' অনুমোদন করেছে। এতে লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলিতে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। তিনি ঘোষণা করেন যে, এই প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ১৬ এপ্রিল থেকে সংসদে একটি বিশেষ আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। 'দেবভূমি'-র পুণ্যভূমি থেকে সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে আহ্বান জানিয়ে এই সংশোধনীকে সমর্থন করার অনুরোধ জানান, যাতে ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচন থেকেই এই আইনটি কার্যকর করা যায়।

 

তাঁর ভাষণের শেষ পর্বে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, 'বিকশিত ভারত'-এর যে স্বপ্ন, তাতে অবশ্যই অগ্রগতি, প্রকৃতি এবং সংস্কৃতিকে সমান গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধনের উপলক্ষে তিনি দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং গোটা দেশের মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "দেশপ্রেম, নিষ্ঠা এবং উন্নয়নের প্রতিটি মাত্রাকে একসূত্রে গেঁথে তোলার মাধ্যমেই আমরা একটি প্রকৃত উন্নত ভারত গড়ে তুলব।"

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India's Economic Journey: From Licence Raj To Pragmatic Governance

Media Coverage

India's Economic Journey: From Licence Raj To Pragmatic Governance
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 27 অগাস্ট 2026
August 27, 2026

Make in India Goes Global: Engineering Boom, Rice Triumph & EU FTA Breakthrough Under PM Modi