India’s youth are playing a vital role in accelerating the journey towards a Viksit Bharat: PM
Rozgar Mela reflects our Government’s commitment to empowering the Yuva Shakti with new opportunities: PM
The world is excited by India’s youth and technological progress and today the global community wants to partner in India’s development journey: PM
Sectors like clean energy, critical minerals, green hydrogen, and sustainable manufacturing are advancing rapidly and partnerships in these areas are creating new opportunities: PM Modi
Every Indian is moving forward with the resolve of building a Viksit Bharat by 2047: PM Modi at Rozgar Mela
Today, Rapid transformation is clearly visible even in rural areas; Enhanced connectivity has opened new avenues for farmers, small traders, and students: PM
Viksit Bharat will be built by the efforts of such youth who view their work as a means of national service: PM Modi

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ সকাল ১১টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১৯তম 'রোজগার মেলা'-য় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থায় নবনিযুক্ত তরুণ-তরুণীদের হাতে ৫১,০০০-এরও বেশি নিয়োগপত্র তুলে দেন। সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণে তিনি এই দিনটিকে সারা দেশের হাজার হাজার তরুণের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন হিসেবে বর্ণনা করেন। সরকারি চাকরিতে নবনিযুক্তদের স্বাগত জানিয়ে তিনি রেল, ব্যাংকিং, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা - সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের উন্নয়নে আগামীদিনে তাঁদের অবদানের কথা বিশেষভাবে তুলে ধরেন। শ্রী মোদী বলেন, “আগামী বছরগুলোতে আপনারা সবাই একটি 'বিকশিত ভারত' গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।”

এই নিয়োগপ্রাপ্তদের কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠাপূর্ণ প্রস্তুতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন যে, কোনো ব্যক্তিগত সাফল্যই এককভাবে অর্জিত হয় না। তিনি সেইসব পরিবার ও অভিভাবকদেরও শুভকামনা জানান, যাঁদের সমর্থন এই যাত্রাপথে অপরিহার্য ছিল।

সম্প্রতি সমাপ্ত পাঁচ-দেশব্যাপী এক কূটনৈতিক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিত্বকারী বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষকর্তারা ভারতের তরুণ সমাজ এবং দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির বিষয়ে যে গভীর উৎসাহ ও উদ্দীপনা প্রকাশ করেছেন, তা এই সফরে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দেখতে পাওয়া গেছে। তিনি এমন এক বিশ্বের কথা বর্ণনা করেন, যা ভারতের উত্থান ও অগ্রযাত্রায় অংশ নিতে অত্যন্ত আগ্রহী। শ্রী মোদী মন্তব্য করেন, “বিশ্ব ভারতের উন্নয়ন যাত্রার অংশ হতে চায়।”

এই সফরের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ফলাফলগুলো বিশদভাবে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সফর করা প্রতিটি দেশের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পাদিত চুক্তি এবং আলোচনার রূপরেখা তুলে ধরেন। এর মধ্যে ছিল নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর, জলসম্পদ, কৃষি এবং উন্নত উৎপাদন শিল্প নিয়ে আলোচনা; সুইডেনের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল উদ্ভাবন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা, নরওয়ের সঙ্গে সবুজ প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর (ইউএই) সঙ্গে কৌশলগত শক্তি ও প্রযুক্তি অংশীদারিত্ব বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং ইতালির সঙ্গে প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক চুক্তি সম্পাদন। প্রধানমন্ত্রী মোদী স্পষ্টভাবে জানান যে, ভারতের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বগুলো এমনভাবে সুপরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্যই হলো দেশের তরুণ সমাজের কল্যাণ সাধন করা। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভারতের তরুণরা যেন কর্মসংস্থান এবং বিশ্বমঞ্চে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পায়।”

প্রতিটি চুক্তির সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যক্ষ সম্পর্কটি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, প্রতিটি নতুন বিনিয়োগ, প্রতিটি প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব এবং প্রতিটি শিল্প-সহযোগিতা শেষ পর্যন্ত ভারতের তরুণ সমাজের জন্য নতুন নতুন সুযোগের সৃষ্টি করে। তিনি এই সহযোগিতামূলক উদ্যোগগুলোর সুদূরপ্রসারী গুরুত্বের বিষয়টিও বিশেষভাবে তুলে ধরেন। শ্রী মোদী বলেন, “আগামী ২৫ বছর ধরে আন্তর্জাতিক উন্নয়নের নির্ধারক শিল্পগুলোকে রূপ দেবে এই ক্ষেত্রগুলো।” 

একটি বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলের অংশীদার হিসেবে ভারতের ক্রমবর্ধমান মর্যাদার একটি মূর্ত উদাহরণ হিসেবে এএসএমএল-টাটা ইলেকট্রনিক্স চুক্তিটির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, বিশ্বের হাতেগোনা যে কয়েকটি দেশের সঙ্গে ডাচ সেমিকন্ডাক্টর জায়ান্টটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, ভারত তাদেরই অন্যতম। তিনি আরও বলেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্ষেত্রে সুইডেনের সঙ্গে অংশীদারিত্ব এবং সুপারকম্পিউটিংয়ের ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর (ইউএই) সঙ্গে সহযোগিতা একইভাবে ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে আরও জোরদার করবে। শ্রী মোদী বলেন, “শুধুমাত্র এই একটি চুক্তিই ভারতে হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।”

বিপুল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে পরিচ্ছন্ন শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, সবুজ হাইড্রোজেন এবং টেকসই উৎপাদনের দ্রুত অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবুজ রূপান্তর এবং টেকসই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সুইডেন, নরওয়ে ও ইতালির সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা ভবিষ্যতে পরিচ্ছন্ন উৎপাদন শিল্পে ভারতকে একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “এই অংশীদারিত্বগুলো একটি নতুন অর্থনীতির এবং নতুন সুযোগের দ্বার উন্মোচন করছে।”

বন্দর, জাহাজ চলাচল এবং সামুদ্রিক পরিকাঠামো সংক্রান্ত চুক্তিগুলোর কাজে যে গতি সঞ্চার হয়েছে, সেদিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও নরওয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্ব ভারতের জাহাজ নির্মাণ ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করবে। এটি সরাসরি দেশের প্রকৌশলী, কারিগরি কর্মী এবং দক্ষ শ্রমিকদের জন্য সুযোগের পরিধিকে প্রসারিত করবে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের প্রকৌশলী, কারিগরি কর্মী এবং দক্ষ শ্রমিকদের জন্য নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন প্রতিটি নতুন অংশীদারিত্ব একইসঙ্গে ভারতের স্টার্টআপ, গবেষক এবং তরুণ পেশাজীবীদের জন্য আন্তর্জাতিক সংযোগের পরিধিকে বিস্তৃত করে। তিনি এমন এক বিশ্বের কথা তুলে ধরেন, যা বর্তমানে সেইসব দেশকে শ্রদ্ধা জানায় যারা উদ্ভাবন করে, নির্মাণ করে এবং বৃহৎ পরিসরে তা বাস্তবায়ন করে। তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন যে, ভারত এই তিনটি ক্ষেত্রেই সমানতালে এগিয়ে চলেছে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “এই রূপান্তরের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ভারতের যুবসমাজ - অর্থাৎ আপনারা সবাই।”

এই মুহূর্তটিকে বৃহত্তর জাতীয় লক্ষ্যের সঙ্গে একসূত্রে গেঁথে প্রধানমন্ত্রী ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি ‘উন্নত ভারত’ (বিকশিত ভারত) গড়ে তোলার সম্মিলিত সংকল্পের কথা ব্যক্ত করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রত্যক্ষ ফলাফল হিসেবেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের বিনিয়োগ লক্ষ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “এই বিনিয়োগ দেশের যুবসমাজের জন্য লক্ষ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে।”

ভারতের উদীয়মান সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার বিশাল পরিসরের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ অভ্যন্তরীণ সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি আরও জানান যে, দশটি বৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ইউনিট শীঘ্রই আন্তর্জাতিকমঞ্চে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নেবে এবং ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক তরুণ ভারতীয় সেখানে কর্মসংস্থান পেয়েছেন। শ্রী মোদী বলেন, “ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ইউনিটগুলো বিশ্বমঞ্চে নিজেদের স্বতন্ত্র ছাপ রাখবে”। 

প্রায় ৭৫,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগে ভারতের ক্রমবর্ধমান জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ মেরামত এবং ওভারহলিং ব্যবস্থার দপ্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী একটি পূর্ণাঙ্গ ‘এমআরও’ ব্যবস্থা বিকাশের বিষয়টিও তুলে ধরেন। রক্ষণাবেক্ষণ, ওভারহলিং এবং মেরামতের সুবিধাসমূহ নিয়ে গঠিত এই ব্যবস্থাটি ভারতের বিমান চলাচল ক্ষেত্রকে আমূল বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বহন করে। শ্রী মোদী বলেন,“ভারতের যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে”।

একটি প্রধান ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে ভারতের উত্থানের বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী 'উৎপাদন-সংযুক্ত উৎসাহ প্রকল্প' -কে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি করা চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। শ্রী মোদী বলেন, "পিএলআই প্রকল্পের সুবাদেই দেশে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।"

সরকারি ও বেসরকারি - উভয় ক্ষেত্রই যে যৌথভাবে এই বহুমুখী উদ্যোগগুলোতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে, সেই বিষয়টির ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত সরকারি কর্মচারীদের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে নিজেদের ভূমিকার ব্যাপারে সর্বদা সচেতন থাকার আহ্বান জানান। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "ব্যবসা করার সহজ পরিবেশ সৃষ্টি করা দেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।"

কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের চালিকাশক্তি হিসেবে পরিকাঠামোর মৌলিক ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, যখন গ্রাম, ছোট শহর এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো উন্নয়নের মূল ধারার সঙ্গে একীভূত হয় তখনই জাতীয় অগ্রগতির প্রকৃত সুফল পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। শ্রী মোদী বলেন, "যখন গ্রাম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখনই দেশের অগ্রগতির সুফল আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।"

গত বারো বছরে রেলওয়ে, মহাসড়ক, বিমানবন্দর, লজিস্টিকস, বন্দর এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্ক - এমন বহুমুখী ক্ষেত্রে যে বিশাল পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, এই 'কানেক্টিভিটি' বা সংযোগ ব্যবস্থা কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং শিক্ষার্থী - সকলের জন্যই নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। এই রূপান্তরের ছোঁয়া এখন ভারতের গ্রামগুলোকেও দৃশ্যত নতুনভাবে সাজিয়ে তুলছে। শ্রী মোদী বলেন, "এমনকি গ্রামগুলোতেও এখন পরিবর্তনের হাওয়া দৃশ্যত এবং দ্রুতগতিতে বইছে।"

কোটি কোটি ভারতীয় পরিবারে এখন স্থায়ী বাসস্থান, বাড়িতেই শৌচাগার, বিদ্যুৎ এবং ট্যাপের মাধ্যমে পানীয় জল - পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে সেকথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মৌলিক পরিবর্তনগুলোর তাৎপর্য কেবল দৈনন্দিন সুবিধাপ্রাপ্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আরও অনেক গভীরে প্রোথিত। শ্রী মোদী বলেন, "এই পরিবর্তনগুলোর প্রভাব কেবলই কিছু সুযোগ-সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।"  

গ্রামীণ সড়ক, উন্নত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল সংযোগ - কীভাবে এই প্রতিটি বিষয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতিকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে, কীভাবে এগুলি বাজারের নাগাল পাওয়া সহজ করেছে, ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলোকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে এবং গ্রামগুলোকে নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করেছে - তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত উন্নয়নগুলো সম্মিলিতভাবে ভারতের অর্থনীতির গতি ত্বরান্বিত করেছে এবং লক্ষ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। শ্রী মোদী বলেন, “এই সমস্ত কিছুরই কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।”

উৎপাদন, প্রযুক্তি, স্টার্টআপ, ডিজিটাল পরিষেবা, রেলওয়ে, প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশ - এই প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারতের তরুণদের জন্য বর্তমানে যে সুযোগগুলো উন্মুক্ত হয়েছে, তা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। সর্বাধিক সংখ্যক তরুণ-তরুণী যেন এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারে এবং তাদের মেধার পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারে সে বিষয়টি সরকার নিশ্চিত করবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের তরুণদের সামনে আজ তাদের স্বপ্ন পূরণের যে সুযোগ রয়েছে, তা আগে কখনোই ছিল না।”

আইটিআই-গুলোর আধুনিকীকরণ, ‘ন্যাশনাল স্কিল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’-গুলোর শক্তিশালীকরণ এবং ‘পিএম সেতু’ উদ্যোগের সূচনা - সহ দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্প-সংযুক্ত শিক্ষা এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তিতে সরকারের বর্তমান বিনিয়োগের রূপরেখা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত পরিবর্তনশীল অর্থনীতির গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য নিরবচ্ছিন্ন প্রস্তুতির গুরুত্বের ওপর জোর দেন। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্প-সংযুক্ত শিক্ষা এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ওপর ক্রমাগত গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।”

সারা দেশ জুড়ে স্ব-কর্মসংস্থান এবং উদ্যোগী হওয়ার এক নতুন সংস্কৃতির উত্থানকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ‘স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম’-এ পরিণত হয়েছে, যেখানে ২ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি স্বীকৃত স্টার্টআপ রয়েছে। তিনি বলেন এই রূপান্তর এখন আর কেবল মহানগরগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। শ্রী মোদী বলেন “এই পরিবর্তন এখন আর কেবল বড় শহরগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।”

দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের শহরগুলোর তরুণরা যে বিপুল সংখ্যায় স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনের জগতে প্রবেশ করছে এবং এই আন্দোলন যে জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে - তা গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগের জোয়ারে ভারতের মহিলাদের ক্রমবর্ধমান ও নির্ণায়ক ভূমিকার ওপর বিশেষ আলোকপাত করেন। ‘মুদ্রা যোজনা’-র মাধ্যমে কোটি কোটি নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন এবং ‘পিএম স্বনিধি’-র মতো প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে অর্জিত আত্মনির্ভরশীলতাকে স্বীকৃতি জানিয়ে শ্রী মোদী বলেন, “আজ গ্রাম ও ছোট শহরগুলোতে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক সংখ্যক মহিলা সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে নতুন নতুন উদ্যোগ বা ব্যবসা শুরু করছেন।” প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্তদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, যেকোনো প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে তার কর্মীদের মাঝেই, আর যে ব্যবস্থায় তাঁরা যোগ দিচ্ছেন, তা কোটি কোটি নাগরিকের জীবনের সঙ্গে অত্যন্ত নিবিড় ও প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তিনি বলেন, একটি সরকারি চাকরি হলো সবার আগে মানুষের জীবনকে সহজতর করে তোলার একটি মাধ্যম। শ্রী মোদী বলেন, “আপনারা যে বিভাগেই কর্মরত থাকুন না কেন, আপনাদের আচরণ, সহমর্মিতা এবং কাজের ধরণ - সবকিছুরই গুরুত্ব হবে অপরিসীম।”

নবনিযুক্তদের প্রতি দেশের আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি তরুণ 'কর্মযোগী'কে তাদের পদকে একটি দায়িত্ব হিসেবে দেখার, ভারতের জনগণের ক্রমবর্ধমান আকাঙ্ক্ষাগুলো অনুধাবন করার এবং সেই অনুযায়ী নিজেদের কাজের ধারা বিন্যস্ত করার আহ্বান জানান। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “এখন আপনাদের কাজের মাধ্যমেই সেই আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করা আপনাদের দায়িত্ব।”

নতুন সরকারি কর্মচারীদের আজীবন শিক্ষার প্রতি এবং নতুন প্রযুক্তি, পদ্ধতি ও পরিবর্তনশীল চাহিদার সঙ্গে ক্রমাগত মানিয়ে নেওয়ার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী 'iGOT কর্মযোগী প্ল্যাটফর্ম' এবং 'কর্মযোগী প্রারম্ভ' মডিউলটির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি এগুলিকে এমন শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে অভিহিত করেন, যা তাদের নিজেদের দায়িত্বগুলো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অনুধাবন ও পালন করতে সহায়তা করবে। শ্রী মোদী বলেন, “এর সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করার জন্য আমি আপনাদের প্রতি আহ্বান জানাই।”

কর্মক্ষেত্রে ঝাঁপিয়ে পড়ার এক অনুপ্রেরণাদায়ক আহ্বানের মধ্য দিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী। আজ যারা নিয়োগপত্র গ্রহণ করছেন সেই তরুণদের অন্তরের উদ্দীপনা ও বিদ্যমান শক্তির বলে বলীয়ান হয়ে ভারতের যুবসমাজ বিশ্বজুড়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের স্বতন্ত্র ছাপ রেখে চলবে বলে তিনি আস্থা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন এই উদ্দীপনাই তাদের জনসেবামূলক কাজকে প্রাণবন্ত করে তুলবে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন,“নিজেদের কাজকে দেশসেবারই একটি মাধ্যম হিসেবে যারা গণ্য করেন সেইসব তরুণদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই 'বিকশিত ভারত' গড়ে উঠবে,।”

এই নবনিযুক্তরা ভারতের উন্নয়ন যাত্রায় এক নতুন গতিসঞ্চার করবেন এবং তাদের কাজ ও সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই 'বিকশিত ভারত' গড়ার সংকল্প পূর্ণ হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আবারও আস্থা প্রকাশ করেন। তিনি নিয়োগপত্র গ্রহণকারী সকল তরুণ-তরুণীকে তাঁর উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
New Smart Drug RK-251 Developed as Replacement for Chemotherapy

Media Coverage

New Smart Drug RK-251 Developed as Replacement for Chemotherapy
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The world is seeing India as a bright spot of growth and hope: PM Modi at Economic Times World Leaders Forum 2026
August 21, 2026
The world sees India as a bright spot for growth and hope: PM
Today, India is implementing next-generation reforms at the policy level and undertaking reforms at governance level: PM
Increasing production was met with punishment earlier but today, our government is providing incentives for boosting production
India has political stability and continuity in its policies: PM
Earlier, the approach of regulations was, 'prohibited unless permitted’; We are changing this approach and taking it towards 'permitted unless prohibited’: PM
The relationship between the government and citizens should be based on trust, not suspicion: PM
Today, we are shaping policies that are pro-people, pro-growth and pro-development: PM

World Leaders Forum का ये प्रतिष्ठित मंच, Business और Industry की दुनिया के सभी जाने माने दिग्गज, पॉलिसी मेकर्स, अन्य महानुभाव, देवियों और सज्जनों।

आप सबके बीच आकर के खुश होना बहुत स्वाभाविक भी है। इस साल समिट का फोकस Shared Future पर है। पिछले कुछ वर्षों में दुनिया ने अनेक उतार-चढ़ाव देखे हैं। और इन अनुभवों ने एक बात बहुत स्पष्ट कर दी है, कोई चाहे या ना चाहे, हर देश का भविष्य, उसका फ्यूचर, एक-दूसरे से जुड़ा हुआ ही है, Isolation में कुछ संभव नहीं है। इसीलिए Shared Futures की ये theme, आज और भी अधिक प्रासंगिक हो गई है। और भारत तो हमेशा से इसी भावना को लेकर चला है। जी-20 की अध्यक्षता में इसलिए ही भारत का मंत्र रहा, One Earth, One Family, One Future. Shared Future की ये भावना और इसके साथ जुड़ा दायित्वबोध, 21वीं सदी के इस विश्व की अनेक समस्याओं का समाधान देता है।

साथियों,

आज दुनिया में growth को लेकर के कई तरह की चिंताएं हैं। दुनिया ने बड़ा भयंकर एक रूप देखा है इन दिनों। Resources का वेपनाइजेशन हो रहा है। अविश्वास का वातावरण विश्व के लिए अनेक नई चुनौतियां लेकर के आ रहा है। लेकिन ऐसे समय में भी, दुनिया भारत को growth और hope के bright spot के रूप में देख रही है। भारत ने पिछले 10-12 साल में अपनी 25 करोड़ आबादी को गरीबी से बाहर निकाला है। इतना ही नहीं, अगर आने वाले दिनों की चर्चा करें, तो IMF का forecast है कि भारत दुनिया की fastest growing major economy बना रहेगा। और भारत निरंतर वो कदम उठा रहा है, जो उसके विकास को गति दे रहे हैं।

Friends,

अभी पिछले हफ्ते ही, 15 अगस्त को मैंने लाल किले से सप्त-धारा की सप्त-शक्तियों की बात की है। मैन्यूफैक्चरिंग, टेक्नोलॉजी और इनोवेशन, फूड प्रोसेसिंग, ग्रीन और ब्लू इकोनॉमी समेत, मैंने ऐसे सात सेक्टर्स की बात की है, जिन पर भारत का आज बहुत ज्यादा फोकस है। और इसलिए भारत आज, Policy level पर, नेक्स्ट जनरेशन reforms कर रहा है, ताकि हमारा future सुरक्षित हो। Governance पर reforms कर रहा है, Ease of Living के लिए reforms कर रहा है। पिछली बार जब मैं इसी मंच के माध्यम से आपसे जुड़ा था, तब भी मैंने कहा था, ये Reforms हमारे लिए Compulsion नहीं है। ये हमारा commitment है, ये हमारा conviction है।

साथियों,

2014 में, जब हमारी सरकार बनी, तो उसके बाद से ही रिफॉर्म्स ने कैसे देश की दिशा और दशा बदली है, मैं इसका एक बहुत दिलचस्प उदाहरण आपको देना चाहता हूं। यहां मौजूद शायद ही किसी को PLP के बारे में पता होगा, कोई है, जिसको PLP के बारे में पता है? अपना हाथ उठाएं। यहां इतने मीडिया के दिग्गज बैठे हैं, PLP आपको पता है? और आप सुनकर के हैरान हो जाएंगे। PLP यानी प्रोडक्शन लिंक्ड पनिशमेंट, इसके बारे में किसी को पता नहीं है। और एक दूसरा टर्म आपने जरूर सुना है PLI, ये ज्यादातर लोगों को पता होगा। PLI- यानी प्रोडक्शन लिंक्ड इंसेंटिव।

साथियों,

ये दोनों टर्म, भारत के दो अलग-अलग Time Period को डिफाइन करते हैं। आजकल Explainer का जमाना है, तो मैं आपको Explain करता हूं।

साथियों,

आज की युवा पीढ़ी को ये सुनकर हैरानी होगी, कि हमारे देश में एक समय ऐसा भी था, कि अगर कोई कंपनी तय लिमिट से ज्यादा प्रॉडक्शन कर दे, तो उसे पनिशमेंट दिया जाता था। ये पहले की लाइसेंस राज वाली सरकारों का, PLP यानी प्रोडक्शन लिंक्ड पनिशमेंट मॉडल था। ऐसे भी उदाहरण रहे हैं कि अगर किसी फैक्ट्री ने ज्यादा डिमांड देखते हुए ज्यादा प्रॉडक्शन कर दिया, तो उसे नोटिस भेज दिया जाता था। मजबूरी में वो कंपनी अपना प्रॉडक्ट मार्केट में बेचने के बजाय, उसे खुद ही नष्ट कर देती थी।

साथियों,

आज जो लोग Make In India और आत्मनिर्भर भारत अभियान का मजाक उड़ाते हैं, उनके पुरखों की सोच यही थी, PLP यानी प्रोडक्शन लिंक्ड पनिशमेंट। ऐसा करने के पीछे एक विशेष तरह की विकृत मानसिकता काम करती थी। ऐसी मानसिकता वाले लोग हमेशा चाहते थे कि जरूरी चीजों की किल्लत बनी रहे। देश के नागरिकों को अभाव में रखना उनकी पॉलिसी थी। वो चाहते थे कि जनता उनके सामने हाथ जोड़े, हाथ फैलाए, आप समझ गए मैं किन लोगों की बात कर रहा हूं। लोगों से हाथ जुड़वाने के बाद उपकार करना, उन सरकारों का तरीका था, इसलिए वो प्रोडक्शन लिंक्ड पनिशमेंट मॉडल पर चलते थे। आप कल्पना कर सकते हैं, ऐसे करके उन लोगों ने Employment Generation के बेसिक principal का गला घोंट दिया था। और हैरानी ये, इन लोगों के दरबारियों ने again I repeat, इन लोगों के दरबारियों ने, कभी इसके खिलाफ कोई आवाज नहीं उठाई।

साथियों,

हर reform की शुरुआत सबसे पहले, आपके सोचने के तरीके, आपके मानसिक, किस रेंज में आप काम कर रहे हैं, इस सोच के reform से ही होती है। जहां पहले production बढ़ाने पर पनिशमेंट मिलता था, वहीं आज हमारी सरकार production बढ़ाने पर incentive दे रही है। और आज PLI स्कीम की सक्सेस दुनिया देख रही है। सिर्फ इस एक योजना की वजह से, मैं सारी योजनाओं की बात नहीं करता हूं, एक की बात करता हूं, करीब ढाई लाख करोड़ रुपए का actual investment हुआ है। 22 लाख करोड़ रुपए से ज्यादा का production और sales हुई है। 15 लाख करोड़ रुपए से ज्यादा का exports हुआ है, और 14 लाख से ज्यादा direct और indirect jobs बनी हैं। और मैं फिर याद दिलाउंगा, ये आंकड़े सिर्फ एक स्कीम के हैं। आप सोचिए, पहले का लाइसेंस राज वाली सरकार का पनिशमेंट मॉडल जहां बेरोजगारी बढ़ाता था, वहीं आज का हमारा incentive मॉडल लाखों नई जॉब्स क्रिएट कर रहा है।

साथियों,

आज भारत में ये तेज विकास, ये तेज रिफॉर्म इसलिए हो रहे हैं, क्योंकि भारत में और जिसका अभी सत्य ने उल्लेख किया, political stability है, हमारी policy में continuity है। पहले देश में रिफॉर्म्स की बात करने वाले घोषणा तो कर देते थे, बाद में भूल जाते थे। लेकिन हमने रिफॉर्म्स को लेकर एक क्लियर रोडमैप बनाया। इस रोडमैप की प्रमुख दिशा रही है- गवर्नेंस लेवेल के रिफॉर्म्स हों! इसके लिए, आज 21वीं सदी के भारत में, हम सिर्फ regulations नहीं बदल रहे हैं, हम regulation की पूरी philosophy बदल रहे हैं। पहले regulations की अप्रोच थी- “Prohibited unless permitted.” यानी जब तक सरकार इजाजत ना दे, तब तक आप वो काम नहीं कर सकते। हम इस approach को बदलकर, “Permitted unless prohibited” की तरफ ले जा रहे हैं। यानी, जो काम कानून ने स्पष्ट रूप से मना नहीं किया है, उसके लिए हर कदम पर permission की कोई जरूरत नहीं होनी चाहिए। और इसके पीछे सोच बहुत सीधी है, सरकार और नागरिक के रिश्ते का आधार, Suspicion नहीं, trust होना चाहिए।

साथियों,

यही सोच आपको Jan Vishwas बिल में भी दिखाई देती है। मैं मानता हूं, हर procedural गलती को criminal offence मान लेना ठीक नहीं है। इसीलिए अनेक offences को decriminalise किया गया है। कई मामलों में जेल की जगह केवल आर्थिक penalty का प्रावधान किया गया है। Government और enterprise के रिश्ते में, हम इसी reform mindset को आगे बढ़ा रहे हैं। बीते वर्षों में 40 हजार से ज्यादा compliances हटाए गए हैं, 40 thousand. डेढ़ हजार से ज्यादा, 15 hundred, डेढ़ हजार से ज्यादा, पुराने और बेकार हो चुके कानून हमने खत्म किए, और जब इन सारे reforms को एक साथ देखते हैं, तो अंदाजा होता है, हमारी industries और businesses के कंधों से कितना बड़ा बोझ कम हुआ है।

साथियों,

गवर्नेंस रिफॉर्म्स की इस प्रक्रिया, उस पर हम निरंतर काम कर रहे है। अभी संसद के मॉनसून सत्र में हमने ‘बैंकर्स बुक एविडेंस बिल’ पारित किया है। और वो भी तब जब विपक्ष ने संसद में लगातार गतिरोध बनाया हुआ था। हमने देश की सेवा करने का काम रूकने नहीं दिया। अब इस कानून ने 19वीं सदी के अंग्रेजी कानून को रिप्लेस किया है। अब बैंकों के डिजिटल रिकॉर्ड्स की स्वीकार्यता को कानूनी मान्यता दी गई है। इससे कानूनी उलझनें कम होंगी, सिस्टम में पारदर्शिता होगी, Ease of Doing Business बढ़ेगा।

साथियों,

गवर्नेंस में रिफॉर्म का एक मतलब ये भी है कि सिस्टम ऐसे बनें, जिसमें एक-एक मानव जीवन और उसके समय के प्रति संवेदनशीलता हो। मैं रेलवे का उदाहरण देता हूं। हमारी रेलवेज में भी इसी अप्रोच के साथ काम हुआ है। आज साढ़े 6 हजार से ज्यादा रेलवे स्टेशनों पर इलेक्ट्रॉनिक इंटरलॉकिंग की व्यवस्था है। 10 हजार से ज्यादा लेवल क्रॉसिंग गेट्स को भी इंटरलॉकिंग से जोड़ा जा चुका है। इससे ह्यूमन एरर से होने वाले हादसों की आशंका बहुत कम हुई है।

साथियों,

जब 2014 में हमारी सरकार आई, तो करीब 9 हजार फाटक ऐसे थे जो Un-Manned थे। इन्हें हटाना कोई रॉकेट साइंस नहीं था। Un-Manned क्रॉसिंग्स की वजह से हजारों लोगों को अपनी जान गंवानी पड़ी, लेकिन पहले की सरकारों को इससे बहुत फर्क नहीं पड़ता था। हमने मिशन मोड में, गत दस वर्ष में, इन Un-Manned क्रॉसिंग्स को समाप्त कर दिया। हमने रोड ओवर ब्रिज और रोड अंडर ब्रिज बनाने की गति भी कई गुना बढ़ा दी। और इसी का नतीजा है कि 2014 के पहले के मुकाबले ट्रेन दुर्घटनाओं की संख्या में Ninety Percent तक की कमी आई है, 90, Ninety Percent. 12 साल पहले जहां एक साल में करीब डेढ़ सौ रेल दुर्घटनाएं होती थीं, वहीं अब इनकी संख्या घटकर 15-20 रह गई है। और हम इसे और कम से कम करने का प्रयास लगातार कर रहे हैं।

साथियों,

Railways में स्वच्छता भी गवर्नेंस रिफॉर्म का एक बड़ा उदाहरण है। एक समय था, जब रेल पटरियों पर गंदगी और human waste एक बड़ी समस्या हुआ करती थी। आज स्थिति पूरी तरह बदल गई है। 2014 से पहले हमारी ट्रेनों में जहां लगभग 12 हजार बायो-टॉयलेट्स लगाए गए थे, वहीं 2014 के बाद ट्रेनों में 3 लाख 60 हजार से ज्यादा बायो-टॉयलेट्स लगाए गए हैं। यानी, 97 प्रतिशत से ज्यादा बायो-टॉयलेट्स पिछले 12 वर्षों में लगे हैं। ये बदलाव सिर्फ सफाई का नहीं, यात्रियों की गरिमा, स्वच्छता और आधुनिक भारत के निर्माण की दिशा में गवर्नेंस का एक नया मॉडल है। ये करोड़ों यात्रियों को बेहतर अनुभव देने का अभियान भी है।

साथियों,

गवर्नेंस की क्वालिटी का एक और पैमाना, और वो पैमाना है - समय। जो प्रोजेक्ट शुरू हो, वो समय पर पूरा हो। और जो सर्विस लोगों को मिले, वो भी समय की कसौटी पर खरी उतरे। दिल्ली-मेरठ नमो भारत रैपिड रेल सिस्टम इसका बहुत अच्छा उदाहरण है। इस कॉरिडोर पर 160 किलोमीटर प्रति घंटे की रफ्तार से ट्रेनें चल रही हैं। ये हमारे देश में पहले कभी सोचा नहीं जा सकता था। अब तक 4 करोड़ से ज्यादा यात्री इसमें ट्रैवल कर चुके हैं। और इसका एक और अहम फैक्टर है, जिसकी चर्चा नहीं होती है। दिल्ली मेरठ नमो भारत रैपिड रेल की पंक्चुअलिटी 99.9 परसेंट है। वरना हम तो हर चीज में कहते हैं, लेट हो तो कहते थे, ये तो इंडियन टाइम है। वक्त बदला है, ये मैं छोटी-छोटी चीजें इसलिए बताता हूं, कि हमें अंदाज आए कि कितने बड़े व्यापक स्तर पर काम हो रहा है। इसी तरह, Delhi Metro की पंक्चुअलिटी। Delhi Metro की पंक्चुअलिटी 99.9 परसेंट है। और ये punctuality, New York, Hong Kong और Paris जैसे शहरों की Metro से करीब-करीब बराबर हो चुकी है। ये सिर्फ समय पर चलती हुई Metro और नमो रेपिड रेल की कहानी नहीं है, ये समय के साथ बदलते हुए भारत की पहचान है। मैं जानता हूं कि अभी भी, और र्मैं कोई इतने से संतोष मानकर बैठने वाला व्यक्ति नहीं हूं, अभी भी इस दिशा में हमें बहुत कुछ करना है, बहुत कुछ बाकी है, लेकिन हम लगातार कर रहे हैं। लेकिन एक शुरूआत तो हुई है और ये शुरुआत सराहनीय है।

साथियों,

हमारे रिफॉर्म्स रोडमैप का एक और बड़ा आयाम है- पॉलिसी लेवल पर होने वाले रिफॉर्म्स! आज हम ऐसी policies बना रहे हैं, जो pro-people हों, Pro-growth हों, pro development हों! पॉलिसीज़ देश और देश के लोगों की जरूरत के हिसाब से होनी चाहिए न कि पॉलिसीज़ बनाकर देश को उनके हिसाब से चलने को मजबूर होना पड़े! मैं आपको एक और Interesting उदाहरण देना चाहता हूं। कुछ साल पहले तक हमारे यहाँ देश का नक्शा बनाना भी गैर-कानूनी था, मैप बनाए तो गैर कानूनी था, आप जेल चले जाएंगे। बिना परमिशन के आप देश में मैपिंग का काम भी नहीं कर सकते थे। आप सोचिए, विदेशी सैटेलाइट टेक्नोलॉजी के जरिए भारत के किसी भी कोने को मैप कर सकती थी, लेकिन भारत में भारतीयों पर भारत का मैप बनाने पर पाबंदी लगी हुई थी।

साथियों,

आज टेक्नोलॉजी के इस दौर में, इस एक पाबंदी से कितने स्टार्टअप्स की हत्या हो सकती थी! कितने ideas implement होने से वंचित रह सकते थे! हमने इस व्यवस्था को भी बदला। हमने Geospatial डेटा का Deregulation किया और आज Geospatial डेटा कितने ही स्टार्टअप्स का आधार बन रहा है।

साथियों,

आज आप लगातार ड्रोन्स की उपयोगिता बढ़ते हुए देख रहे हैं। एग्रीकल्चर में, डिफेंस में, डिलिवरी में, शूटिंग में, कंटेंट क्रिएशन में, ये सब संभव ही नहीं होता, अगर सरकार ने इससे जुड़े नियमों में Reform नहीं किए होते। पहले देश में ड्रोन फ्लाइंग पूरी तरह नियमों में, बंधनों में जकड़ी हुई थी। हमने उसे बंधनों से आजाद किया, और आज भारत की ड्रोन इंडस्ट्री, एक अभूतपूर्व उड़ान के साथ आगे बढ़ रही है।

साथियों,

पहले border areas को लेकर सरकारों की सोच थी कि बॉर्डर पर roads और infrastructure बढ़ेगा, तो उसका फायदा दुश्मन भी उठा सकता है। हमने इस सोच को बदला। हमने कहा, Border infrastructure कमजोरी नहीं, देश की ताकत है। और इसीलिए आज border areas में roads, bridges और tunnels का network तेजी से बढ़ रहा है। सिर्फ 2024 और 2025 में ही, BRO के 250 infrastructure projects देश को समर्पित किए गए हैं। सोच बदली, तो border infrastructure की तस्वीर भी बदल गई।

साथियों,

एक उदाहरण न्यूक्लियर रिफॉर्म्स का भी है। एक ऐसे समय में, जब विकास पूरी तरह से energy dependent है, बंदिशों और प्रतिबंधों के कारण, देश अपने न्यूक्लियर potential का इस्तेमाल नहीं कर पा रहा था। हमने शांति बिल के जरिए इसमें भी बड़ा रिफॉर्म किया है। आज भारत में न्यूक्लियर एनर्जी में प्राइवेट सेक्टर के लिए रास्ता खुल चुका है। इसी तरह, हमने एक बड़ा पॉलिसी रिफॉर्म डिफेंस सेक्टर में भी किया। 200 साल के पहले जो व्यवस्था चली आ रही थी, उसे बदलकर हमने 40 से ज्यादा ordnance फैक्ट्रीज़ को मर्ज करके 7 फैक्ट्रीज़ बना दी। और उसका परिणाम हमें देखने को मिल रहा है। आज भारत अपनी रक्षा जरूरतों के लिए भी आत्मनिर्भर बन रहा है, और 2014 की तुलना में, हमारा डिफेंस एक्सपोर्ट 55 गुना बढ़ा है। और इसलिए, कई बार रिफॉर्म्स हमारे जीवन में इस तरह घुल-मिल जाते हैं कि हमारा उनकी तरफ ध्यान ही नहीं जाता। आप सोचिए, आपका कोई सामान्य दिन आज कैसे बीतता है। आप सुबह उठते हैं, फोन पर घर का सामान ऑर्डर कर देते हैं, और जब तक ऑफिस के लिए रेडी होते हैं, वो सारा सामान आपके घर आकर के पहुंच जाता है। आपकी गली के स्ट्रीट वेंडर से लेकर, आपकी गाड़ी के शो रूम तक, आपकी सारी पेमेंट्स, सिर्फ एक क्यूआर कोड स्कैन करके हो जाती है। अगर आपकी बेटी, किसी दूसरे शहर में पढ़ती है, तो आप फोन से उसे पैसे भेज सकते हैं, और वो पैसा, कुछ सेकंड्स में उसके पास भी पहुंच जाता है। कई बार तो बिटिया क्यूआर ही शेयर कर देती है कि ‘पापा-मां मैंने ये ड्रेस ले ली है, इसकी पेमेंट कर दीजिए, और आप उसकी शॉपिंग अपने घर बैठे-बैठे करवा देते हैं। ये चीजें Remarkable हैं, लेकिन अब ये कोई भारत के लोगों को कम से कम हैरानी नहीं होती, बाहर के लोग आते हैं, उनको आश्चर्य होता है, अच्छा ऐसे होता है। भारत के लोगों का रूटीन हो गया है। ये भारत के सामान्य मानवी के जीवन का हिस्सा बन चुका है। आप सोचिए, 2014 से पहले ऐसी कितनी ही बातें क्या पॉसिबल थीं?

साथियों,

भारत ने बीते 10-12 सालों में Ease of Living से जुड़े जो रिफॉर्म्स किए हैं, उसकी वजह से लोगों का, खासतौर पर हमारे मिडिल क्लास का जो जीवन बदला है, वो दुनिया के कई विकसित देशों में आज भी एक सपना ही है।

साथियों,

आज दुनिया का सबसे सस्ता डेटा भारत में है, हम सस्ते और अच्छे स्मार्टफोन्स बना रहे हैं। अभी सत्या ने उसका वर्णन किया। भारत दुनिया के fastest 5G rollouts करने वाले देशों में से एक है। हमने आधार को बैंकिंग, मोबाइल कनेक्टिविटी और सर्विसेज से जोड़कर, ई-के.वाई.सी और Digital Authentication जैसी सर्विसेज को पॉसिबल किया है। आज आपको अगर बैंक अकाउंट खोलना है, तो उसके लिए बैंक जाने तक की जरूरत नहीं है। सरकार ने बैंक को ही, आपके पास पहुंचा दिया है। आज चाहे कोई बिल जमा करना हो, कोई टिकट करानी हो, किसी सरकारी दफ्तर में जाने की जरूरत नहीं पड़ती, ये सारा काम ऑनलाइन हो जाता है। इनकम टैक्स की फाइलिंग का काम आसान हुआ है। ऐसी व्यवस्था बनी है कि फॉर्म में मैक्सिमम जानकारियां पहले से भरी होती हैं। आप ये इन्फॉर्मेशन वेरिफाई करते हैं, कुछ जोड़ना है तो जोड़ देते हैं, और सबमिट करते हैं, आपका काम पूरा हो जाता है। पहले जो रिफंड आने में महीनों लगते थे, अब वो भी कुछ ही दिनों में आ जाता है।

साथियों,

आज ई-संजीवनी की मदद से, शायद इसकी चर्चा अभी बहुत कम होती है, ई-संजीवनी की मदद से, गांव के दूर दराज के लोग भी, कहीं से भी डॉक्टर्स के साथ सीधी अपनी चर्चा करके अपने उपचार का रास्ता लेते हैं। और इससे जिन लोगों को अस्पताल जाने के लिए कई किलोमीटर का सफर करना पड़ता था, आज डॉक्टर उनके घर पर, उनकी स्क्रीन पर उपलब्ध है। अब तक ये आंकड़ा भी आपको जरूर आश्चर्य करेगा। यानी भारत ने टेक्नोलॉजी को किस प्रकार से अडाप्ट किया है, सामान्य मानवीय के जीवन को कैसे सरल किया है। अब तक ईं-संजीवनी के तहत करीब-करीब 50 करोड़ टेली-कंसल्टेशंस हो चुकी हैं।

साथियों,

आज भारत में Travel Experience बदल रहा है, भारत के नागरिकों की यात्राएं पूरी तरह बदल गई हैं। यहां इस हॉल में ऐसा व्यक्ति खोजना मुश्किल होगा, जिसने एयरपोर्ट पर डिजी यात्रा का इस्तेमाल ना किया हो। ऐसे ही आजकल बहुत सारा काम Seamless तरीके से हो रहा है। हाइवे पर फास्ट टैग चल रहे हैं, ताकि आप बिना रुके टोल देकर आगे बढ़ सकें। Ease of Living का सही अर्थ यही है। समय की बचत हो रही है, जीवन आसान हो रहा है, और करोड़ों लोग अपनी प्रगति पर फोकस कर पा रहे हैं।

साथियों,

Politics में अक्सर वही फैसले headlines बनते हैं, जिनका असर आज दिखाई दे, यानी उसकी उमर 24 घंटे हो। पहले की सरकारों ने इलेक्शन सामने देख कर भी घोषणाएं करने का फॉर्मूला अपनाया। लेकिन ऐसी घोषणाओं से देश नहीं बदला। देश बदलने वाले फैसले वो होते हैं, जिनका प्रभाव जमीन पर दिखे, जो वर्तमान और भविष्य, दोनों को ध्यान में रखकर के लिए गए होने चाहिए।

साथियों,

पीएम कुसुम योजना और पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना इसका बहुत बड़ा यूनीक Example है। कुसुम योजना से किसानों को बिजली की चिंता से मुक्ति मिली है। और सूर्यघर योजना से मिडिल क्लास को बहुत फायदा हुआ है।

साथियों,

मैं ये जानता हूं कि अगर मैंने ये अनाउंस कर दिया होता कि आज से लाखों-लाख परिवारों के लिए बिजली मुफ्त है, तो सारा मीडिया, सारी स्क्रीन्स, सारे न्यूजपेपर्स, बड़ी-बड़ी हेडलाइन बनाकर के खबर दे देते कि मोदी जी ने आज अनाउंस कर दिया है। लेकिन हमने कुछ दूसरे अप्रोच से काम शुरू किया। हमने हर घर की छत पर एक सूरज उगाने की ठान ली, और आज देश के 50 लाख से ज्यादा परिवार, पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना से जुड़े हैं। सरकार ने 22 हजार करोड़ रुपए से ज्यादा इन परिवारों को दिए हैं, ये सोलर सिस्टम लगाने के लिए, ताकि उनकी छत पर सोलर प्लांट लगाकर सोलर पावर पैदा की जा सके। अब ये परिवार, एक्स्ट्रा बिजली को, बिजली ग्रिड में बेचकर, पैसे भी कमा रहे हैं। खुद का बिल तो जीरो हुआ, कमाई भी होने लगी। इस योजना से लोगों के सपनों को भी विस्तार मिल रहा है। बिजली बिल कम हुआ है, तो अब घर में फ्रिज, कूलर, वाशिंग मशीन, टीवी जैसी चीजें लोग खरीदकर रखने लगे हैं। अब ये डर नहीं होता कि बिजली कटौती की वजह से दूध फट जाएगा, अब चिंता नहीं रहती है। अब स्कूल जाने वाले बच्चे रातभर चैन से सो पाते हैं। मैं फिर कहता हूं- इलेक्शन हो या ना हो, लेकिन ये सूर्यघर और उसकी रोशनी बनी रहेगी, इस प्लांट का फायदा, सालों तक देश के परिवारों को होता रहेगा।

साथियों,

आने वाले समय में Ease of Living और Ease of Doing Business का और विस्तार होगा। देश के Youth के लिए, नारीशक्ति के लिए, Farmers के लिए, गरीब और Middle Class के लिए, हमारी सरकार लगातार काम करती रहेगी, हमारी Reform Express और अधिक गति से आगे बढ़ने वाली है। विकसित भारत का लक्ष्य पूरा करने के लिए, हम पूरी प्रतिबद्धता के साथ काम करते रहेंगे। और मैं, मेरे लिए भारत का future अगर सुनिश्चित हो गया ना, तो दुनिया के future में भी स्थिरता लाने का बहुत बड़ा काम इसी धरती से होने वाला है। इस आत्मविश्वास के साथ भारत जितना स्टेबल होगा, भारत का future जितना सुरक्षित होगा, विश्व को सुरक्षत्व का एहसास देने की ताकत यहीं से पैदा होने वाली है। इस सामर्थ्य के साथ, इसी संकल्प के साथ, मैं एक बार फिर, आज के इस कार्यक्रम में मुझे आमंत्रित करने के लिए, Economic Times की पूरी टीम का हृदय से बहुत-बहुत धन्यवाद करता हूं। वन्दे मातरम् !