PM inaugurates, lays foundation stones for various development initiatives worth over ₹8140 crores
Seeing the heights Uttarakhand has reached today, it is natural for every person who once struggled for the creation of this beautiful state to feel happy: PM
This is indeed the defining era of Uttarakhand’s rise and progress: PM
Devbhoomi Uttarakhand is the heartbeat of India's spiritual life: PM
The true identity of Uttarakhand lies in its spiritual strength: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ দেরাদুনে উত্তরাখণ্ড রাজ্য প্রতিষ্ঠার রৌপ্য জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ৮,১৪০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ প্রয়াস নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে  রাজ্যবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান শ্রী মোদী।


 উত্তরাখণ্ডের সঙ্গে তাঁর একাত্মতা ও বন্ধনের কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী  বলেন, তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রার সময় এখানকার পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত মানুষের লড়াই, কঠোর শ্রম এবং দৃঢ়তা তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তিনি বলেন, একসময় এই রাজ্যের বাজেট অল্প ছিল। আয়ের উৎসেরও ঘাটতি ছিল, কেন্দ্রীয় সহায়তার মাধ্যমে অধিকাংশ প্রয়োজনীয়তা মেটানো হত। এখন সেই ছবি পুরোপুরি বদলে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। 

বিগত ২৫ বছরে এখানকার পরিকাঠামো, শিক্ষা, শিল্প, পর্যটন, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ এবং গ্রামোন্নয়নের মতো ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৫ বছর আগে উত্তরাখণ্ডের বাজেট ছিল মাত্র ৪০০০ কোটি টাকা। এখন তা ১ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, আগে এখানে ৬ মাসে মাত্র ৪০০০ বিমান যাত্রী আসতেন। এখন দিনে ৪০০০-এর বেশি বিমান যাত্রী আসেন বলে জানান তিনি। 

 

আজ বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাসের কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন ও ক্রীড়ার সঙ্গে যুক্ত এই প্রকল্পগুলি এই অঞ্চলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। 

শ্রী মোদী বলেন, দেবভূমি উত্তরাখণ্ড হল ভারতের আধ্যাত্মিক জীবনের হৃদস্পন্দন। এই প্রসঙ্গে তিনি গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী, কেদারনাথ, বদ্রিনাথ, জগেশ্বর এবং আদি কৈলাশের কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন যে, এই পবিত্র তীর্থস্থানগুলিতে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পূণ্যার্থী ছুটে আসেন এবং এতে উত্তরাখণ্ডের অর্থনীতিও সমৃদ্ধ হয়। 

উত্তরাখণ্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে শ্রী মোদী বলেন, বর্তমানে এই রাজ্যে ২ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ চলছে। ঋষিকেশ-কর্ণপ্রয়াগ রেল প্রকল্পের কাজ চলছে এবং দিল্লি-দেরাদুন এক্সপ্রেসওয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। প্রধানমন্ত্রী  বলেন, উত্তরাখণ্ডের আধ্যাত্মিক শক্তির মধ্যেই এর প্রকৃত সত্তা নিহিত রয়েছে। যদি উত্তরাখণ্ড দৃঢ় সংকল্প হয়, তবে আগামী বছরগুলিতে এই রাজ্য নিজেকে “বিশ্বের আধ্যাত্মিক রাজধানী” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে। রাজ্যের মন্দির, আশ্রম, ধ্যান ও যোগাসন কেন্দ্রগুলিকে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর জোর দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ-বিদেশের মানুষ সুস্থতার জন্য উত্তরাখণ্ডে ছুটে আসেন এবং এখানকার আর্য়ুবেদিক ওষুধের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। বিগত ২৫ বছরে সুগন্ধী গাছপালা, ভেষজ উদ্ভিদ, যোগ এবং  পর্যটনের ক্ষেত্রে  উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফল চাষ এবং বাগিচা চাষের ক্ষেত্রে উত্তরাখণ্ডের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। 

 

পর্যটনের ক্ষেত্রেও উত্তরাখণ্ডের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন শ্রী মোদী। তিনি বলেন, ৩ বছর আগে আদি কৈলাশ যাত্রায় ২০০০-এর কম তীর্থযাত্রী অংশ নিয়েছিলেন। এখন সেই সংখ্যা ৩০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই বছর কেদারনাথ দর্শনে এসেছেন প্রায় ১৭ লক্ষ পূণ্যার্থী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বছর ধরে পর্যটকরা উত্তরাখণ্ডে ভিড় করেন এবং পর্যটনকেই উত্তরাখণ্ডের শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি। 

তাঁর ভাষণে আত্মনির্ভর ভারত এবং ভোকাল ফর লোকালের মাধ্যমে স্বনির্ভরতা অর্জনের কথাও উঠে আসে। তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, উত্তরাখণ্ড সরকার ভোকাল ফর লোকাল প্রচারাভিযানকে জোরদার করেছে, যার ফলে এখানকার ১৫টি কৃষিপণ্য জিআই ট্যাগ পেয়েছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নের পথে বহু বাধা এসেছে। কিন্তু উন্নয়নের গতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ে দেন শ্রী মোদী। বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে উত্তরাখণ্ড সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। আগামী বছরগুলিতে এই রাজ্যের উন্নয়ন এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে বলে আশাপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২৫ বছরে উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নে অঙ্গীকার গ্রহণের জন্য এখানকার মানুষের কাছে আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী। শ্রী মোদী বলেন, উন্নয়নের প্রতিটি পদক্ষেপে উত্তরাখণ্ড সরকারের পাশে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকার। 

 

উত্তরাখণ্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে শ্রী মোদী বলেন, বর্তমানে এই রাজ্যে ২ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ চলছে। ঋষিকেশ-কর্ণপ্রয়াগ রেল প্রকল্পের কাজ চলছে এবং দিল্লি-দেরাদুন এক্সপ্রেসওয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। প্রধানমন্ত্রী  বলেন, উত্তরাখণ্ডের আধ্যাত্মিক শক্তির মধ্যেই এর প্রকৃত সত্তা নিহিত রয়েছে। যদি উত্তরাখণ্ড দৃঢ় সংকল্প হয়, তবে আগামী বছরগুলিতে এই রাজ্য নিজেকে “বিশ্বের আধ্যাত্মিক রাজধানী” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে। রাজ্যের মন্দির, আশ্রম, ধ্যান ও যোগাসন কেন্দ্রগুলিকে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর জোর দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ-বিদেশের মানুষ সুস্থতার জন্য উত্তরাখণ্ডে ছুটে আসেন এবং এখানকার আর্য়ুবেদিক ওষুধের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। বিগত ২৫ বছরে সুগন্ধী গাছপালা, ভেষজ উদ্ভিদ, যোগ এবং  পর্যটনের ক্ষেত্রে  উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফল চাষ এবং বাগিচা চাষের ক্ষেত্রে উত্তরাখণ্ডের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। 

 

পর্যটনের ক্ষেত্রেও উত্তরাখণ্ডের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন শ্রী মোদী। তিনি বলেন, ৩ বছর আগে আদি কৈলাশ যাত্রায় ২০০০-এর কম তীর্থযাত্রী অংশ নিয়েছিলেন। এখন সেই সংখ্যা ৩০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই বছর কেদারনাথ দর্শনে এসেছেন প্রায় ১৭ লক্ষ পূণ্যার্থী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বছর ধরে পর্যটকরা উত্তরাখণ্ডে ভিড় করেন এবং পর্যটনকেই উত্তরাখণ্ডের শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি। 

তাঁর ভাষণে আত্মনির্ভর ভারত এবং ভোকাল ফর লোকালের মাধ্যমে স্বনির্ভরতা অর্জনের কথাও উঠে আসে। তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, উত্তরাখণ্ড সরকার ভোকাল ফর লোকাল প্রচারাভিযানকে জোরদার করেছে, যার ফলে এখানকার ১৫টি কৃষিপণ্য জিআই ট্যাগ পেয়েছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নের পথে বহু বাধা এসেছে। কিন্তু উন্নয়নের গতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ে দেন শ্রী মোদী। বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে উত্তরাখণ্ড সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। আগামী বছরগুলিতে এই রাজ্যের উন্নয়ন এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে বলে আশাপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২৫ বছরে উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নে অঙ্গীকার গ্রহণের জন্য এখানকার মানুষের কাছে আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী। শ্রী মোদী বলেন, উন্নয়নের প্রতিটি পদক্ষেপে উত্তরাখণ্ড সরকারের পাশে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকার। 

 

অনুষ্ঠানে উত্তরাখণ্ডের রাজ্যপাল লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) গুরমিত সিং, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী পুষ্কর সিং ধামি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী অজয় টামটা সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আজ ৯৩০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। অন্যদিকে ৭,২১০ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 

 

অনুষ্ঠানে উত্তরাখণ্ডের রাজ্যপাল লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) গুরমিত সিং, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী পুষ্কর সিং ধামি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী অজয় টামটা সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আজ ৯৩০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। অন্যদিকে ৭,২১০ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Republic Day sales see fastest growth in five years on GST cuts, wedding demand

Media Coverage

Republic Day sales see fastest growth in five years on GST cuts, wedding demand
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 27 জানুয়ারি 2026
January 27, 2026

India Rising: Historic EU Ties, Modern Infrastructure, and Empowered Citizens Mark PM Modi's Vision