Witnesses First Blast of the Strategic Shinkun La Tunnel Project
“Kargil Vijay Diwas reminds us that the sacrifices made for the nation are immortal”
“In Kargil, we not only won the war, we presented an incredible example of truth, restraint and strength”
“Today Jammu and Kashmir is talking about a new future, talking about big dreams”
“Shinkun La tunnel will open doors of new possibilities for the development and better future of Ladakh”
“In the last 5 years, Ladakh’s Budget has increased from 1100 crore to 6000 crore”
“Purpose of Agnipath Scheme is to keep forces young and continuously battle-ready”
“The truth is that the Agnipath scheme will increase the strength of the country and the country will also get capable youth”
“The victory of Kargil was not the victory of any government or any party. This victory belongs to the country”

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ লাদাখে ২৫ তম কার্গিল বিজয় দিবস  অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে যুদ্ধে জীবন উৎসর্গীকৃত বীর সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি শ্রদ্ধাঞ্জলি সমারোহে অংশগ্রহণ করেন। কার্গিল যুদ্ধ নিয়ে এনসিও-দের গৌরব গাঁথা শোনেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্মৃতিস্থল: অমর সংস্মরণ পরিদর্শন করেন। এছাড়াও তিনি বীর ভূমিতেও যান।
প্রধানমন্ত্রী আজ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লাদাখে সিংকুন লা টানেল প্রকল্প নির্মাণের কাজের শুভারম্ভ প্রত্যক্ষ করেন। সিংকুন লা টালেন প্রকল্পটি ৪.১ কিলোমিটার লম্বা দ্বৈত টিউব টানেল ১৫,৮০০ ফিট উচ্চতায় নিমু-পাদুম-দারচা সড়কে নির্মিত হবে। এটি সারা বছরের আবহাওয়ার উপযুক্ত লেহ্ যাওয়ার পথ তৈরি করে দেবে।
শ্রদ্ধাঞ্জলি সমারোহে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কার্গিল বিজয় দিবসে ২৫ তম বার্ষিকী প্রত্যক্ষ করছে লাদাখের গৌরবময় ভূমি। কার্গিল দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় দেশের জন্য আত্মবলিদান চিরস্মরণীয়। তিনি বলেন, মাস, বছর, দশক, শতক অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও দেশের সীমান্ত রক্ষায় যাঁরা আত্মবলিদান করেছেন, তাঁরা দেশবাসীর মনের মণিকোঠায় চির অম্লান হয়ে থাকবেন। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তিশালী বীর যোদ্ধাদের প্রতি দেশ চির ঋণী ও চির কৃতজ্ঞ থাকবে। 

কার্গিল যুদ্ধের দিনগুলিকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেসময় তিনি যোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর স্পষ্ট স্মরণে আছে অত উচ্চতাতেও আমাদের সৈনিকরা কী অপরিসীম বীর বিক্রমে কঠিন যুদ্ধ চালাচ্ছিলেন। “মাতৃভূমি রক্ষায় দেশের যেসব বীর সন্তানরা সর্বোচ্চ বলিদান দিয়েছেন, তাঁদের আমি কুর্নিশ জানাই” বলেন প্রধানমন্ত্রী। 
তিনি বলেন, কার্গিল যুদ্ধে কেবলমাত্র যুদ্ধ জয়লাভই নয়, তার মধ্যে দিয়ে আমরা সত্য, সংযম এবং শক্তির এক অবিশ্বাস্য উদাহরণ তুলে ধরেছি। ভারত যখন শান্তি রক্ষায় সর্বতো প্রয়াস চালাচ্ছে, সেইসময় পাকিস্তানের প্রবঞ্চনার প্রতি আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সত্য দ্বারাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মিথ্যাচার এবং সন্ত্রাস তাদের নতজানু করেছে। 
সন্ত্রাসকে ধিক্কার জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতেও বার বার পাকিস্তানকে পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে। তা সত্বেও পাকিস্তান অতীত থেকে শিক্ষা নেয়নি এবং সবসময়ই প্রাসঙ্গিক হয়ে থাকতে সন্ত্রাস এবং ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী জোরের সঙ্গে বলেন, সন্ত্রাসবাদীদের জঘন্য উদ্দেশ্য কখনোই পূর্ণ হবে না। যাবতীয় সন্ত্রাসের প্রয়াসকে আমাদের বীর যোদ্ধারা পরাস্ত্র করবেন বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।

প্রধানমন্ত্রী পুণরায় বলেন, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে উন্নয়নের পথে যাবতীয় বাধা ভারত কাটিয়ে উঠবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, আর কিছুদিনের মধ্যেই ৫ আগষ্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপের ৫ বছর পূর্ণ হবে। আজকের জম্মু-কাশ্মীর স্বপ্নদর্শী নতুন ভবিষ্যতের কথা বলছে বলে তিনি জানান। প্রধানমন্ত্রী এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অগ্রগতির দৃষ্টান্ত তুলে ধরে জি-২০ বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। সরকারি দৃষ্টিভঙ্গির উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিকাঠামো উন্নয়ন ও পর্যটনের প্রসার হচ্ছে, খুলছে সিনেমা হলগুলি এবং সাড়ে তিন দশক পর তাজিয়া শোভাযাত্রা বের হচ্ছে। পৃথিবীর এই স্বর্গ ভূমি দ্রুত শান্তি এবং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে বলে তিনি জানান।
লাদাখে যেসব উন্নয়নের কাজ হচ্ছে, তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিংকুন লা টানেলের মধ্যে দিয়ে এই কেন্দ্রশাসিত এলাকাটি সারা বছরের জন্য প্রত্যেক মরশুমেই সমগ্র দেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই টানেলের উন্নয়ন নতুন সম্ভাবনা এবং লাদাখের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দরজা খুলে দেবে এবং লাদাখের জনসাধারণের জীবনযাত্রা অনেক সহজ হয়ে যাবে। এলাকার চরম আবহাওয়ায় মানুষকে যে কষ্টসঙ্কুল জীবন অতিবাহিত করতে হয়, তা আগামীদিনে অনেক লাঘব হবে যাবে বলে তিনি জানান।

লাদাখের জনসাধারণের প্রতি সরকারের অগ্রাধিকারের দিকটির আলোকপাত করেন প্রধানমন্ত্রী। কোভিড অতিমারির সময় ইরান থেকে কার্গিল এলাকার মানুষদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন যাতে সুনিশ্চিত করা যায়, তা তিনি ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করেছিলেন বলেও জানান। তিনি বলেন, কার্গিলে তাদের ফেরত পাঠানোর আগে জয়সলমীরে একটি কোয়ারেন্টাইন জোনে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছিল। গত ৫ বছরে লাদাখের জন্য বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বৃদ্ধি করে ১১০০ কোটি টাকা থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সড়ক, বিদ্যুৎ, জল, শিক্ষা, বিদ্যুৎ সরবরাহ, কর্মসংস্থান প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই লাদাখ রূপান্তর প্রত্যক্ষ করছে এবং এই প্রথম সর্বাত্মক উন্নয়নের প্রয়োগ দেখছে এই এলাকা।
জল জীবন মিশনের আওতায় লাদাখের ৯০ শতাংশ বাড়িতে পরিশ্রুত পাণীয় জল পৌঁছেছে। লাখাখের তরুণ-তরুণীদের উন্নত উচ্চশিক্ষায় সিন্ধু কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠছে। সমগ্র লাদাখ এলাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ট গড়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়াও ১ নম্বর জাতীয় সড়ক সবসময়ের আবহাওয়ার উপযোগী যোগাযোগ গড়ে তুলতে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ জোজিলা টানেলের কাজও এগিয়ে চলেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। নব ভারতের দিশা এবং সক্ষমতাকে ফুটিয়ে তুলতে শিলা টানেল সহ ৩৩০ টিরও বেশি প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ করেছে সীমান্ত সড়ক সংগঠন। 
সামরিক প্রযুক্তির আধুনিকীকরণে গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত বিশ্ব প্রেক্ষাপটের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতেও প্রতিরক্ষা বাহিনীর আধুনিকীকরণের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তাতে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। যদিও গত ১০ বছরে প্রতিরক্ষা সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে করে আমাদের বাহিনী আরও বেশি সক্ষম ও স্বয়ম্ভর হয়ে উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামরিক সরঞ্জামের বেশিরভাগ অংশই ভারতীয় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলি থেকে কেনা হয়। প্রতিরক্ষা গবেষণা উন্নয়ন বাজেটে এক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ সরঞ্জাম কেনার সংস্থান রাখা হয়েছে বেসরকারি ক্ষেত্র থেকে। তিনি বলেন, এরফলে ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা ছাপিয়ে গেছে এবং ভারত অতীতের সামরিক অস্ত্র আমদানিকারী দেশের তকমা ঘুচিয়ে বর্তমানে সামরিক অস্ত্র রফতানিকারী দেশ হিসেবে নিজেদের সাক্ষর রাখছে। প্রায় ৫ হাজারেরও বেশি অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জামের আমদানিকে আমাদের বাহিনী বন্ধ করে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সংস্কারের ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগ্নিপথ প্রকল্প এরকমই একটি উল্লেখযোগ্য সংস্কারের দিক। বিশ্ব গড় বয়ঃসীমার থেকে ভারতীয় জওয়ানদের বয়ঃসীমা বেশি হওয়ায় দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার দিকটি অতীতে উপেক্ষিত ছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগ্নিপথ প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে এই বিষয়টির সমাধানের পথে হাঁটা হয়েছে। তিনি বলেন, অগ্নিপথের উদ্দেশ্যই হল আমাদের বাহিনীকে তারুণ্যে ভরপুর এবং সবসময়ের জন্য যুদ্ধ প্রস্তুত করে গড়ে তোলা। বিমান বাহিনীর আধুনিকীকরণের প্রতি অতীতের অনীহার কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগ্নিপথ প্রকল্প দেশের শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং দেশের সক্ষম যুব সম্প্রদায়কো কাজে লাগাতে পারবে। বেসরকারি ক্ষেত্র এবং আধাসামরিক বাহিনীতে অগ্নিবীরদের যাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তারও ঘোষণা করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। 
পেনশনের বোঝার হাত থেকে রক্ষা পেতে অগ্নিবীর প্রকল্প নিয়ে আসা হয়েছে, এই জাতীয় প্রচারকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যাঁরা সৈনিক হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন, ৩০ বছর পর তাঁদের পেনশনের প্রশ্ন দেখা দেব। ফলে, এই প্রকল্পকে কোনোভাবেই পেনশনের বোঝার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কারণ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী দেশের সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত। রাজনীতির থেকেও তা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের যুব সম্প্রদায়কে যারা ভুল পথে চালিত করছেন, অতীতেও তাদের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি কোনো শ্রদ্ধা ছিল না। অতীতে সরকার এক পদ এক পেনশনের যে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারই এই প্রকল্প রূপায়ণ করেছে এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মীদের ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৭ দশক পরেও যারা একটি যু্দ্ধস্মারক তৈরি করেনি, সীমান্তে মজুত সৈন্যদের জন্য যারা বুলেট প্রুফ জ্যাকেট দেয়নি, কার্গিল বিজয় দিবসকে যারা উপেক্ষা করে গেছেন, এরাই সেই লোক। 
ভাষণ শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কার্গিলের জয় কোনো একটি সরকার বা রাজনৈতিক দলের জয় নয়। এই জয় দেশের ঐতিহ্য। এটি দেশের আত্মসম্মান এবং গর্বের উৎসব বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। কার্গিল বিজয়ের ২৫ বছর পূর্তিতে সমগ্র দেশবাসীর পক্ষ থেকে তিনি বীর সেনাদের কুর্নিশ জানিয়েছেন।
লাদাখের লেঃ গভর্ণর ব্রিগেডিয়ার(ডঃ) বি ডি শর্মা, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী শ্রী সঞ্জয় শেঠ, চীফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহ্বান এবং তিন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Great To See How He Supports Art': 'Fauda' Star Lior Raz On Meeting PM Modi In Israel

Media Coverage

Great To See How He Supports Art': 'Fauda' Star Lior Raz On Meeting PM Modi In Israel
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The HPV vaccination campaign, launched from Ajmer, marks a significant step towards empowering the nation’s Nari Shakti: PM Modi in Rajasthan
February 28, 2026
Our government is committed to all-round development: PM
Today, I had the privilege of launching the nationwide HPV vaccination campaign from Ajmer, inaugurating and laying foundation stones for multiple projects and distributing appointment letters to the youth: PM
The HPV vaccination campaign has commenced from Ajmer, this campaign is a significant step towards empowering the Nari Shakti of the country: PM
The double-engine government is moving forward by taking both Rajasthan’s heritage and development together: PM
The campaign to link rivers started by our government will significantly benefit Rajasthan: PM
There is no shortage of sunlight in Rajasthan, this very sunshine is becoming a source of savings and income for the common man: PM
A very significant role is being played by the PM Surya Ghar Free Electricity Scheme, this scheme has the power to change Rajasthan's destiny: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

तीर्थराज पुष्कर और माता सावित्री की इस पावन भूमि पर, आज मुझे आप सबके बीच आने का, आपके आशीर्वाद प्राप्त करने का अवसर मिला है। इस मंच से मैं सुरसुरा के तेजाजी धाम को, पृथ्वीराज की भूमि अजमेर को प्रणाम करता हूं।

मेरे साथ बोलिए –

तीर्थराज पुष्कर की जय।

तीर्थराज पुष्कर की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

वरूण अवतार भगवान झूलेलाल जी की जय।

भगवान झूलेलाल जी की जय।

मंच पर विराजमान राजस्थान के राज्यपाल हरिभाउ बागडे जी, राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भजनलाल शर्मा जी, पूर्व मुख्यमंत्री बहन वसुंधरा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी भगीरथ चौधरी जी, उपमुख्यमंत्री प्रेमचंद भैरवा जी, दिया कुमारी जी, संसद में मेरे साथी, भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष मदन राठौर जी, उपस्थित अन्य मंत्रिगण, अन्य महानुभाव और राजस्थान के मेरे प्यारे भाई और बहनों। मैं पूज्य संतों का बहुत आभारी हूं, कि हमें आशीर्वाद देने के लिए इतनी बड़ी संख्या में पूज्य संतगण यहां मौजूद हैं।

साथियों,

अजमेर आस्था और शौर्य की धरती है। यहां तीर्थ भी है और क्रांतिवीरों के पदचिन्ह भी हैं। अभी कल ही मैं इजराइल की यात्रा को पूरा करके भारत लौटा हूं। राजस्थान के सपूत मेजर दलपत सिंह के शौर्य को इजराइल के लोग आज भी गौरव से याद करते हैं। मुझे भी इजराइल की संसद में, मेजर दलपत सिंह जी के शौर्य को नमन करने का सौभाग्य मिला। राजस्थान के वीर बाकुरों की, इजराइल के हाइफा शहर को आजाद कराने में जो भूमिका थी, मुझे उसका गौरवगान करने का अवसर मिला है।

साथियों,

कुछ समय पहले ही, राजस्थान में भाजपा की डबल इंजर सरकार को दो साल पूरे हुए हैं, मुझे संतोष है कि आज राजस्थान विकास के नए पथ पर अग्रसर है। विकास के जिन वायदों के साथ भाजपा सरकार आपकी सेवा में आई थी, उन्हें तेजी के साथ पूरा कर रही है। और आज का दिन, विकास के इसी अभियान को तेज करने का दिवस है। थोड़ी देर पहले यहां राजस्थान के विकास से जुड़ी करबी 17 हजार करोड़ रूपयों की परियोजनाओं का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। सड़क, बिजली, पानी, स्वास्थ्य, शिक्षा, हर क्षेत्र में नई शक्ति जुड़ रही है। ये सारे प्रोजेक्टस राजस्थान की जनता की सुविधा बढ़ाएंगे और राजस्थान के युवाओं के लिए, रोजगार के भी अवसर पैदा करेंगे।

साथियों,

भाजपा की डबल इंजर सरकार लगातार युवा शक्ति को सशक्त कर रही है। दो साल पहले तक राजस्थान से भर्तियों में भ्रष्टाचार और पेपर लीक की ही खबरें चमकती रहती थीं, आती रहती थीं। अब राजस्थान में पेपर लीक पर लगाम लगी है, दोषियों पर सख्त कार्रवाई हो रही है। आज यहां इसी मंच से राजस्थान के 21 हजार से अधिक युवाओं को नियुक्ति पत्र भी सौंपे गए हैं। ये बहुत बड़ा बदलाव आया है। मैं इस बदलाव के लिए, नई नौकरियों के लिए, विकास के सभी कामों के लिए, राजस्थान के आप सभी लोगों को बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आज वीरांगनाओं की इस धरती से, मुझे देशभर की बेटियों के लिए एक अहम अभियान शुरू करने का अवसर मिला है। यहां अजमेर से HPV वैक्सीनेशन अभियान शुरू हुआ है। ये अभियान, देश की नारीशक्ति को सशक्त करने की दिशा में अहम कदम है।

साथियों,

हम सब जानते हैं कि परिवार में जब मां बीमार होती है, तो घर बिखर सा जाता है। अगर मां स्वस्थ है, तो परिवार हर संकट का सामना करने में सक्षम रहता है। इसी भाव से, भाजपा सरकार ने महिलाओं को संबल देने वाली अनेक योजनाएं चलाई हैं।

साथियों,

हमने 2014 से पहले का वो दौर देखा है, जिसमें शौचालय के अभाव में बहनों-बेटियों को कितनी पीड़ा, कितना अपमान झेलना पड़ता था। बच्चियां स्कूल छोड़ देती थीं, क्योंकि वहां अलग टॉयलेट की सुविधा नहीं होती थी। गरीब बेटियां सेनिटरी पैड्स नहीं ले पाती थीं। पहले जो सत्ता में रहे, उनके लिए ये छोटी बातें थीं। इसलिए इन समस्याओं की चर्चा तक नहीं होती थी। लेकिन हमारे लिए ये बहनों-बेटियों को बीमार करने वाला, उनके अपमान से जुड़ा संवेदनशील मसला था। इसलिए, हमने इनका मिशन मोड पर समाधान किया।

साथियों,

गर्भावस्था के दौरान कुपोषण माताओं के जीवन के लिए बहुत बड़ा खतरा होता था। हमने सुरक्षित मातृत्व के लिए योजना चलाई, मां को पोषक आहार मिले, इसके लिए पांच हज़ार रुपए बहनों के खाते में जमा करने की योजना शुरु की। मां धुएं में खांसती रहती थी, लेकिन उफ्फ तक नहीं करती थी। हमने कहा ये नहीं चलेगा। और इसलिए उज्जवला गैस योजना बनाई गई। ये सब इसलिए संभव हुआ, क्योंकि भाजपा सरकार, सत्ता भाव से नहीं, संवेदनशीलता के साथ काम करती है।

साथियों,

21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। आज का समय राजस्थान के विकास के लिए बड़ा महत्वपूर्ण है। भाजपा की डबल इंजन सरकार, राजस्थान की विरासत और विकास, दोनों को साथ लेकर चल रही है। हम सब जानते हैं, अच्छी सड़क, अच्छी रेल और हवाई सुविधा सिर्फ सफर आसान नहीं करती, वो पूरे इलाके की किस्मत बदल देती है। जब गांव-गांव तक अच्छी सड़क पहुँचती है, तो किसान अपनी फसल सही दाम पर बेच पाता है। व्यापारी आसानी से अपना सामान बाहर भेज पाते हैं। और हमारा अजमेर-पुष्कर तो, उसकी पर्यटन की ताकत कौन नहीं जानता। अच्छी कनेक्टिविटी का पर्यटन पर सबसे अच्छा असर पड़ता है। जब सफर आसान होता है, तो ज्यादा लोग घूमने आते हैं।

और साथियों,

जब पर्यटक आते हैं तो स्वाभाविक है होटल चलते हैं, ढाबे चलते हैं, कचौड़ी और दाल बाटी ज्यादा बिकती है, यहां राजस्थान के कारीगरों का बनाया सामान बिकता है, टैक्सी चलती है, गाइड को काम मिलता है। यानी एक पर्यटक कई परिवारों की रोज़ी-रोटी बन जाता है। इसी सोच के साथ हमारी सरकार, राजस्थान में आधुनिक कनेक्टिविटी पर बहुत बल दे रही है।

साथियों,

जैसे-जैसे राजस्थान में कनेक्टिविटी का विस्तार हो रहा है, वैसे-वैसे यहां निवेश के लिए भी अवसर लगातार बढ़ते जा रहे हैं। दिल्ली-मुंबई इंडस्ट्रियल कॉरिडोर के इर्द-गिर्द उद्योगों के लिए एक बहुत ही शानदार इंफ्रास्ट्रक्चर बनाया जा रहा है। यानी राजस्थान को अवसरों की भूमि बनाने के लिए, डबल इंजन सरकार हर संभव, अनेक विध काम कर रही है।

साथियों,

राजस्थान की माताएं अपने बच्चों को पालने में ही, राष्ट्र भक्ति का संस्कार देती हैं। राजस्थान की ये धरा जानती है कि देश का सम्मान क्या होता है, और इसीलिए आज राजस्थान की इस धरा पर, मैं आप लोगों से एक और बात कहने आया हूं।

साथियों,

हाल में ही, दिल्ली में, दुनिया का सबसे बड़ा AI सम्मेलन हुआ, Artificial Intelligence इसमें दुनिया के अनेक देशों के प्रधानमंत्री, अनेक देशों के राष्ट्रपति, अनेक देशों के मंत्रि, उस कार्यक्रम में आए थे। दुनिया की बड़ी-बड़ी कंपनियां, उन कंपनियों के कर्ता-धर्ता वो भी एक छत के नीचे इकट्ठे हुए थे। सबने भारत की खुले मन से प्रशंसा की। मैं जरा राजस्थान के मेरे भाई-बहनों से पूछना चाहता हूं। जब दुनिया के इतने सारे लोग, भारत की प्रशंसा करते हैं, ये सुनकर के आपको गर्व होता है की नहीं होता है? आपको गर्व होता है कि नहीं होता है? आपको अभिमान होता है कि नहीं होता है? आपका माथा ऊंचा हुआ या नहीं हुआ? आपका सीना चौड़ा हुआ कि नहीं हुआ?

साथियों,

आपको गर्व हुआ, लेकिन हताशा निराशा में डूबी, लगातार पराजय के कारण थक चुकी कांग्रेस ने क्या किया, ये आपने देखा है। दुनियाभर के मेहमानों के सामने, कांग्रेस ने देश को बदनाम करने की कोशिश की। इन्होंने विदेशी मेहमानों के सामने देश को बेइज्जत करने के लिए पूरा ड्रामा किया।

साथियों,

कांग्रेस, पूरे देश में ल्रगातार हार रही है, और गुस्से में वो इसका बदला, वो भारत को बदनाम करके ले रही है। कभी कांग्रेस, INC यानी इंडियन नेशनल कांग्रेस थी, लेकिन अब INC नहीं बची है, इंडियन नेशनल कांग्रेस नहीं बची है, आज वो INC के बजाय MMC, MMC बन गई है। MMC यानी मुस्लिम लीगी माओवादी कांग्रेस हो चुकी है।

राजस्थान के मेरे वीरों,

इतिहास गवाह है, मुस्लिम लीग भारत से नफरत करती थी, और इसलिए मुस्लिम लीग ने देश बांट दिया। आज कांग्रेस भी वही कर रही है। माओवादी भी, भारत की समृद्धि, हमारे संविधान और हमारे सफल लोकतंत्र से नफरत करते हैं, ये घात लगाकर हमला करते हैं, कांग्रेस भी घात लगाकर, देश को बदनाम करने के लिए कहीं भी घुस जाती है। कांग्रेस के ऐसे कुकर्मों को देश कभी माफ नहीं करेगा।

साथियों,

देश को बदनाम करना, देश की सेनाओं को कमजोर करना, ये कांग्रेस की पुरानी आदत रही है। आप याद कीजिए, यही कांग्रेस है, जिसने हमारी सेना के जवानों को हथियारों और वर्दी तक के लिए तरसा कर रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसने सालों तक हमारे सैनिक परिवारों को वन रैंक वन पेंशन से वंचित रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसके जमाने में विदेशों से होने वाले रक्षा सौदों में बड़े-बड़े घोटाले होते थे।

साथियों,

बीते 11 वर्षों में भारत की सेना ने हर मोर्चे पर आतंकियों पर, देश के दुश्मनों पर करारा प्रहार किया। हमारी सेना, हर मिशन, हर मोर्चे में विजयी रही। सर्जिकल स्ट्राइक से लेकर ऑपरेशन सिंदूर तक, वीरता का लोहा मनवाया, लेकिन कांग्रेस के नेताओं ने इसमें भी दुश्मनों के झूठ को ही आगे बढ़ाया। देश के लिए जो भी शुभ है, जो भी अच्छा है, जो भी देशवासियों का भला करने वाला है, कांग्रेस उस सबका विरोध करती है। इसलिए, देश आज कांग्रेस को सबक सिखा रहा है।

साथियों,

राजस्थान में तो आपने कांग्रेस के कुशासन को करीब से अनुभव किया है। यहां जितने दिन कांग्रेस की सरकार रही, वो भ्रष्टाचार करने और आपसी लड़ाई-झगड़े में ही उलझी रही। कांग्रेस ने हमारे किसानों को भी हमेशा धोखा दिया है। आप याद कीजिए, कांग्रेस ने दशकों तक सिंचाई की परियोजनाओं को कैसे लटकाए रखा। इसका राजस्थान के किसानों को बहुत अधिक नुकसान हुआ है। ERCP परियोजना को कांग्रेस की सरकारों ने केवल फाइलों और घोषणाओं में उलझाकर रखा। हमारी सरकार ने आते ही इस स्कीम को फाइलों से निकालकर धरातल पर उतारने का प्रयास किया है।

साथियों,

हमारी सरकार ने नदियों को जोड़ने का जो अभियान शुरु किया है, उसका बहुत अधिक फायदा राजस्थान को मिलना तय है। संशोधित पार्वती-कालीसिंध-चंबल लिंक परियोजना हो, यमुना-राजस्थान लिंक प्रोजेक्ट हो, डबल इंजन सरकार ऐसी अनेक सिंचाई परियोजनाओं का लाभ किसानों तक पहुंचाने के लिए प्रतिबद्ध है। आज भी झालावाड़, बारां, कोटा और बूंदी जिले के लिए पानी की अनेक परियोजनाओं पर काम शुरु हुआ है। हमारा प्रयास है, कि राजस्थान में भूजल का स्तर भी ऊपर उठे।

साथियों,

भाजपा सरकार, राजस्थान के सामर्थ्य को समझते हुए, योजनाएं बना रही है, उन्हें लागू कर रही है। मुझे खुशी है कि राजस्थान अब, सूरज की ताकत से समृद्धि कमाने वाली धरती बन गया है। हम सब जानते हैं, हमारे राजस्थान में धूप की कोई कमी नहीं। अब यही धूप, सामान्य मानवी के घर की बचत और कमाई का साधन बन रही है। और इसमें बहुत बड़ी भूमिका है, प्रधानमंत्री सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना की। इस योजना में राजस्थान का भाग्य बदलने की ताकत है। इस योजना में भाजपा सरकार लोगों को अपनी छत पर सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए की सहायता देती है। सरकार सीधे आपके बैंक खाते में पैसे भेजती है। आजादी के बाज सब बजट, सब योजनाएं देख लीजिए, जिसमें मध्यम वर्ग को सबसे ज्यादा लाभ होने वाला है, ऐेसी योजना कभी नजर नहीं आएगी, आज इन परिवारों को सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए सीधा सरकार देती है। सबसे अधिक लाभ मध्यम वर्ग के लोग ले रहे हैं। और जिससे घर पर एक छोटा सा बिजली घर तैयार हो जाता है। दिन में सूरज की रोशनी से बिजली बनती है, घर में वही बिजली काम आती है और जो ज्यादा बिजली बनती है, वो बिजली ग्रिड में जाती है। और जिस घर में बिजली बनी होती है, उसे भी इसका लाभ मिलता है।

साथियों,

आज राजस्थान में सवा लाख से अधिक परिवार इस योजना से जुड़ चुके हैं। और इस योजना की वजह से, कई घरों का बिजली बिल लगभग जीरो आ रहा है। यानी खर्च कम हुआ है, बचत ज़्यादा हुई है।

साथियों,

विकसित राजस्थान से विकसित भारत के मंत्र पर हम लगातार काम कर रहे हैं। आज जिन योजनाओं पर काम शुरू हुआ है, वो विकसित राजस्थान की नींव को और अधिक मजबूत करेंगे। जब राजस्थान विकसित होगा, तो यहां के हर परिवार का जीवन समृद्ध होगा। आप सभी को एक बार फिर, विकास परियोजनाओं के लिए बहुत-बहुत शुभकामनाएं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम के 150 साल देश मना रहा है। मेरे साथ बोलिये-

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

बहुत-बहुत धन्यवाद।