শ্রী নারায়ণ গুরুর আদর্শ সমগ্র মানবতার এক বড় সম্পদ: প্রধানমন্ত্রী
ভারত অসাধারণ সাধু, ঋষি এবং সমাজ সংস্কারকদের দ্বারা আশীর্বাদপ্রাপ্ত, যারা সমাজে রূপান্তরমূলক পরিবর্তন এনেছেন: প্রধানমন্ত্রী
শ্রী নারায়ণ গুরু বৈষম্যমুক্ত সমাজে বিশ্বাস করতেন। আজ আমাদের দেশ যাবতীয় বৈষম্যকে নির্মূল করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে: প্রধানমন্ত্রী
স্কিল ইন্ডিয়ার মতো মিশন দেশের যুব সমাজকে স্বনির্ভর করে তুলছে: প্রধানমন্ত্রী
ভারতের ক্ষমতায়নের জন্য অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রতিরক্ষা – সর্বক্ষেত্রে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আজ দেশ সেই পথেই চলছে: প্রধানমন্ত্রী

নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আজ ভারতের দুই শ্রেষ্ঠ ধর্মগুরু ও নৈতিক নেতা শ্রী নারায়ণ গুরু ও মহাত্মা গান্ধীর ঐতিহাসিক আলোচনার শতবর্ষ উদযাপনে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের ইতিহাস এই অভূতপূর্ব ঘটনাকে প্রত্যক্ষ করছে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন ও দিশাকে এই ঐতিহাসিক ঘটনা নতুন লক্ষ্যপথ দিয়েছিল। শ্রী নারায়ণ গুরু ও মহাত্মা গান্ধীর মধ্যে ১০০ বছর আগের এই আলোচনা আজও অনুরূপ অনুপ্রেরণাদায়ক ও প্রাসঙ্গিক হয়ে রয়েছে। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রী নারায়ণ গুরু আলোকবর্তিকা হিসেবে সমাজের উন্নতিকল্পে কাজ করেছেন। সমাজের নিপীড়িত, অবহেলিত, অত্যাচারিত মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের উপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজও তিনি যে কোনও সিদ্ধান্ত , এইসব সম্প্রদায়ের উন্নতির কথা ভেবেই নেন। ১০০ বছর আগে ঔপনিবেশিক শাসনের সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে গুরুদেব’কে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে মানুষ কথা বলতে ভয় পেতেন। কিন্তু চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অকুতোভয় এবং অত্যাচারে অবিচলিত শ্রী নারায়ণ গুরুর নির্ভীক পদক্ষেপ  সত্য, সেবা এবং ভালোবাসার প্রতি ছিল ন্যায়নিষ্ঠ। শ্রী নারায়ণ গুরুর বিশ্বাস সামাজিক সাম্য ও ঐক্যের ভিত রচনা করেছে বলে তিনি জানান। শ্রী মোদী বলেন, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ – পথেরও তা অনুপ্রেরণা-স্বরূপ। সমাজের একেবারে প্রান্তিক স্তরে থাকা মানুষের ক্ষমতায়ন তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার বলে শ্রী মোদী জানান।
 

 ২০১৩ সালে কেদারনাথে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে যখন শিবগিরি মঠের অনেকে আটকে পড়েন, তাঁদের উদ্ধারে তাঁর উপর দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছিল, তিনি তখন ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিবগিরি মঠের সাধু-সন্তরা তাঁর উপর যে বিশ্বাস ও আস্থা দেখিয়েছেন, তার থেকে অধিক কোনও আধ্যাত্মিক সন্তোষের তুলনা মেলা ভার। 
কাশীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ভারকালা’কে দক্ষিণের কাশী বলা হয়ে থাকে। তবে, উত্তর বা দক্ষিণের যে কোনও কাশীই হোক না কেন, যে কোনও কাশীই তাঁর কাছে সমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ এবং সাধু-সন্তদের পরম্পরাকে ঐকান্তিকভাবে জানতে পেরে তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করেন। যে কোনও বিপর্যয়ের মুখেই দেশের কোন না কোন প্রান্তে এমন এক মহান ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটে, যিনি সমাজের নতুন পথের দিশা দেখান। কেউ সমাজের আধ্যাত্মিক উন্নয়নের শরিক হন, আবার কেউ বা সমাজ সংস্কারের পথে ব্রতী হন। শ্রী নারায়ণ গুরু ছিলেন এরকমই এক মহান সাধক। তাঁর নিবৃত্তি পঞ্চকাম এবং আত্মোপদেশ সত্যকাম  প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর কাছে অদ্বৈত ও আধ্যাত্মিক অধ্যয়নের পথ-নির্দেশিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, শ্রী নারায়ণ গুরু আধ্যাত্মবাদের রূপান্তর ঘটিয়ে তাকে সমাজ সংস্কার ও জনকল্যাণের এক মাধ্যম করে তুলেছিলেন। তাঁর এইসব কাজকর্ম থেকে মহাত্মা গান্ধীও অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন,শ্রী নারায়ণ গুরুর সঙ্গে আলোচনায় গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব উপকৃত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, শ্রী নারায়ণ গুরু আমাদের বুঝতে শিখিয়েছিলেন যে, ভুল আমাদের  মূল ঐতিহ্যের মধ্যে নিহিত নয়, বরং আমাদের আধ্যাত্মিকতা প্রকৃত আত্মিকরণের মধ্যেই তা লুকিয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষকে নারায়ণ হিসেবে সেবা করা এবং শিবজ্ঞানে পুজো করার কথা বলেছিলেন তিনি। 
শ্রী নারায়ণ গুরুর মূল মন্ত্র ছিল ‘ওরু জাতি, ওরু মাথম, ওরু দৈব্যম, মনুষ্যনু’ অর্থাৎ এক জাতি, এক ধর্ম এবং মানবজাতির এক ঈশ্বর। এর মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয় মানবতার বৃহত্তর ঐক্যের কথা। শ্রী মোদী বলেন, এই দর্শনই ভারতীয় সভ্যতার মূল ভিত্তি রচনা করে দিয়েছে। ভারত এই দর্শনকে আজ বৈশ্বিক কল্যাণের এক বৃহৎ ভাবাদর্শ হিসেবে বিস্তার করে চলেছে। সাম্প্রতিককালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরের যোগ দিবসের থিম ছিল ‘এক ধরিত্রী এক স্বাস্থ্যের জন্য যোগ’। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের কল্যাণের কথা বলা হয়। ‘এক পৃথিবী, এক স্বাস্থ্য’ মানবকল্যাণে ভারত এই বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সুস্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘এক সূর্য, এক পৃথিবী, এক গ্রিড’ – এই বৈশ্বিক আন্দোলনকে চালিত করছে ভারত। ২০২৩ সালে জি-২০ শিখর সম্মেলনে ভারতের পৌরোহিত্যকালীন ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ’ – এই থিমকে তুলে ধরা হয়। শ্রী নারায়ণ স্বামীর মতো সাধুদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত ‘বসুধৈব কুটুম্বকম্‌’ – এর ইতিবাচক বার্তা সরকারের যাবতীয় প্রয়াসের সঙ্গে নিহিত বলে তিনি জানিয়েছেন।
 

শ্রী মোদী বলেন, শ্রী নারায়ণ গুরু বৈষম্যমুক্ত সমাজে বিশ্বাস করতেন। আজ আমাদের দেশ  যাবতীয় বৈষম্যকে নির্মূল করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। ১০-১১ বছর পূর্বের পরিস্থিতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার কয়েক দশক পরও দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে কঠিন পরিস্থিতিতে জীবনযাপন করতে হ’ত। লক্ষ লক্ষ মানুষের কোনও আশ্রয় ছিল না। অসংখ্য গ্রামে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছতো না। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল অবস্থার ফলে সাধারণ রোগেরও কোনও চিকিৎসা হ’ত না এবং কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে মানুষের বেঁচে থাকাটাই ছিল কঠিন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলিত ও আদিবাসী মহিলারা ন্যূনতম মানবিক সম্মান ও মর্যাদাও পেতেন না। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই পরিস্থিতি চলেছে। এর থেকে যে উত্তরণ সম্ভব, সে ব্যাপারে মানুষ সন্ধিহান ছিলেন। শ্রী মোদী বলেন, সেবা কর্মকে তাঁর সরকার লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে। এর ফলস্বরূপ, পিএম আবাস যোজনায় লক্ষ লক্ষ দরিদ্র, দলিত, অবহেলিত মানুষ স্থায়ী আস্তানা পেয়েছেন। প্রত্যেক দরিদ্রের জন্য সুনিশ্চিত গৃহের সরকারি লক্ষ্যের কথা পুনরায় ব্যক্ত করেছেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রকল্প। কারণ তা রান্নার গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং শৌচ ব্যবস্থা সম্বলিত। জল জীবন মিশনের কথা বলতে গিয়ে শ্রী মোদী বলেন, প্রতিটি গৃহে নলবাহিত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। যে সমস্ত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় অতীতে কখনও সরকারি পরিষেবাই পৌঁছত না, তাঁরাও এখন উন্নয়ন সম্পর্কে সুনিশ্চিত। তিনি বলেন, প্রান্তিক আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য চালু পিএম জনমন যোজনায় এই সমস্ত এলাকাগুলিতে রূপান্তর প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। সমাজের প্রান্তিক সীমায় থাকা মানুষেরাও এখন নতুন আশা ও বিশ্বাসে অনুরণিত হচ্ছেন বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। 
শ্রী মোদী বলেন, শ্রী নারায়ণ গুরু সর্বদাই মহিলাদের ক্ষমতায়নের কথা বলতেন। সরকার মহিলা চালিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে বলে তিনি জানান। স্বাধীনতার কয়েক দশক পরেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের প্রবেশাধিকার ছিল না। কিন্তু তাঁর সরকার এই সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে দিয়ে মহিলারা যাতে সমস্ত ক্ষেত্রে সক্ষম হয়ে উঠতে পারেন, সেই পথ করে দিয়েছে। এর ফলস্বরূপ, ক্রীড়া থেকে শুরু করে মহাকাশ সমস্ত ক্ষেত্রেই মহিলারা আজ নিজেদের সাফল্যে দেশকে গর্বিত করছেন। সামাজিক কল্যাণে সরকারের নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছ ভারত মিশন, পরিবেশগত অভিযান, অমৃত সরোবর গঠন, মিলেট সচেতনতা অভিযান চালু করেছে। ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সক্রিয় যোগদানে দেশ এগিয়ে চলেছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রী নারায়ণ গুরু মনে করতেন, অবেহেলিত প্রান্তিক মানুষদের সামাজিক উত্থানের পথ হ’ল শিক্ষা। এই লক্ষ্যেই শিবগিরিতে গুরুজী মা সরস্বতীকে নিবেদিত সারদা মঠ স্থাপন করেছিলেন। শ্রী মোদী সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, গুরুদেবের এই প্রয়াস ছড়িয়ে দিতে মানবকল্যাণে দেশ জুড়ে গুরুদেব সেন্টার এবং শ্রী নারায়ণ কালচারাল মিশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু দশক পর নতুন জাতীয় শিক্ষা নীতি রূপায়িত হয়েছে। এই শিক্ষা নীতি কেবলমাত্র শিক্ষার আধুনিকীকরণের জন্যই নয়, শিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলতে এবং মাতৃভাষাকে শিক্ষাদানের মাধ্যম করে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। এতে উপকৃত হচ্ছেন সমাজের প্রান্তিক মানুষেরা। শ্রী মোদী বলেন, বিগত এক দশকে যে নতুন নতুন আইআইটি, আইআইএম, এইমস্‌ দেশ জুড়ে গড়ে উঠেছে, যা স্বাধীনতার পর প্রথম ৬০ বছরের সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গেছে। তিনি বলেন, শিক্ষাকে এখন দক্ষতা অর্জন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। দক্ষ ভারত মিশন যুবসম্প্রদায়কে স্বনির্ভর করে তুলছে। দেশের শিল্প অগ্রগতির উপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি ক্ষেত্রে বৃহৎ সংস্কার আনা হয়েছে। মুদ্রা যোজনা, স্ট্যান্ডআপ ইন্ডিয়ার মতো প্রকল্প দলিত, পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায় ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের কল্যাণে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা পালন করছে। 
 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের তৃতীয় অর্থনীতির দেশ হয়ে ওঠার পথে ভারত দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। অপারেশন সিঁদুর – এর মধ্য দিয়ে ভারতের শক্তিকে বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে বলে তিনি জানান। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের আপোষহীন নীতি বিশ্বমঞ্চে সাড়া জাগিয়েছে। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, ভারতের নাগরিকদের রক্তপাত ঘটালে সন্ত্রাসবাদীদের কোথাও নিরাপদ আশ্রয় হবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থের দিকে তাকিয়ে তাঁর সরকার সমস্ত সিদ্ধান্ত নেয়। সামরিক চাহিদা মেটাতে বিদেশের উপর নির্ভরশীলতা দ্রুত কমিয়ে আনা হচ্ছে। ভারত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যে কতটা স্বনির্ভর হয়ে উঠেছে অপারেশন সিঁদুর তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ। দেশজ অস্ত্রের আঘাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী শত্রুপক্ষকে কেবল ২২ মিনিটের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেছে। ভারতের তৈরি অস্ত্র সামগ্রী বিশ্ব জুড়ে স্বীকৃতি পাচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
 

রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষা পূরণের উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রী নারায়ণ গুরুর শিক্ষাকে সমস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এবং সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। শ্রী নারায়ণ গুরুর জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন তীর্থস্থানগুলিকে যুক্ত করতে শিবগিরি সার্কিট গড়ে তোলার কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। দেশের অমৃতকালের যাত্রাপথে শ্রী নারায়ণ গুরুর শিক্ষা  পথ-প্রদর্শক হবে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন পূরণ করতে বদ্ধপরিকর। পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী শিবগিরি মঠের সমস্ত সাধু-সন্তদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, সকলে শ্রী নারায়ণ গুরুর আশীর্বাদধন্য হন। 
 

কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক, মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ বিষয়ক মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রী জর্জ কুরিয়েন এবং শ্রী নারায়ণ ধর্ম সঙ্গম ট্রাস্টের শ্রদ্ধেয় সাধুরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

 

কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক, মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ বিষয়ক মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রী জর্জ কুরিয়েন এবং শ্রী নারায়ণ ধর্ম সঙ্গম ট্রাস্টের শ্রদ্ধেয় সাধুরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s maternal mortality drops nearly 80% since 1990: Global study

Media Coverage

India’s maternal mortality drops nearly 80% since 1990: Global study
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সোশ্যাল মিডিয়া কর্নার 29 মার্চ 2026
March 29, 2026

Citizens Praise PM Modi for The Visionary Shift: Empowering Every Citizen in an Uncertain World