PM launches ‘Mission Mausam’, releases IMD Vision-2047 document
PM unveils a commemorative postage stamp and coin on the occasion
These 150 years of IMD mark not only its service to crores of Indians but also a remarkable journey of modern science and technology in India: PM
Research and innovation define the spirit of new India, with IMD's infrastructure and technology advancing significantly over the past decade: PM
'Mission Mausam' aims to make India a climate-smart nation, reflecting our commitment to a sustainable and future-ready India: PM
With our meteorological advancements, we've strengthened disaster management, benefiting the world: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লির ভারত মন্ডপমে ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের সার্ধশত প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সমাবেশে তিনি বলেন, ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের দেড়শো বছর পূর্তি কেবলমাত্র একটি দপ্তরের যাত্রাকেই সূচিত করে না, একইসঙ্গে ভারতে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গর্বিত যাত্রারও প্রতিনিধিত্ব করে। এই দেড়শো বছর ধরে ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর লক্ষ লক্ষ ভারতবাসীর সেবা করেছে এবং ভারতের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। এই উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকQAকিট এবং স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করা হচ্ছে। ২০৪৭ সালে ভারত যখন স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করবে, তখনকার জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠতে একটি ভিশন ডকুমেন্টও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের ভবিষ্যৎ রূপরেখা বিধৃত রয়েছে। 

দেড়শো বছরের এই যাত্রার সঙ্গে দেশের যুবসমাজকে সংযুক্ত করতে ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর জাতীয় আবহাওয়া অলিম্পিয়াডের আয়োজন করেছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছে। তাদের মধ্যে আবহাওয়া নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। উদযাপন স্থলের প্রদর্শনীতে তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে তাঁর আলাপচারিতার স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী যুবসমাজকে অভিনন্দন জানান। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৮৭৫ সালের ১৫ জানুয়ারি ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর স্থাপিত হয়েছিল। এই সময়টা মকর সংক্রান্তির খুব কাছাকাছি। ভারতীয় ঐতিহ্যে মকর সংক্রান্তির গুরুত্ব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই লগ্নটি সূর্যের উত্তরায়ণকে সূচিত করে। উত্তর গোলার্ধে সূর্যালোক ক্রমশ বাড়তে থাকে, চাষের প্রস্তুতি শুরু হয়। দেশের উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম – সর্বত্র বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে মকর সংক্রান্তি উদযাপন করা হয়। মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে তিনি নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানান। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলির অগ্রগতির মধ্য দিয়ে বিজ্ঞানচেতনার প্রতিফলন ঘটে। বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে গবেষণা ও উদ্ভাবন, নতুন ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। গত এক দশকে ভারতীয় অবহাওয়া দপ্তরের পরিকাঠামো ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব প্রসার ঘটেছে। ডপলার ওয়েদার রেডার, স্বয়ংক্রিয় অবহাওয়া কেন্দ্র, রানওয়ে আবহাওয়া নজরদারি পদ্ধতি, জেলাওয়াড়ি বৃষ্টি নজরদারি কেন্দ্র – সব কিছুরই উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে। মহাকাশ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি থেকে আবহাওয়া বিদ্যা ব্যাপক ভাবে উপকৃত হয়েছে। কুমেরুতে মৈত্রী ও ভারতী নামে ভারতের দুটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি জানান, গত বছর অর্ক এবং অরুণিকা নামে দুটি সুপার কম্পিউটার স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে, ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের নির্ভরযোগ্যতা আরও বেড়েছে। ‘মিশন মৌসম’-এর সূচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি সুস্থিত ভবিষ্যতের জন্য ভারতের প্রস্তুতির অঙ্গীকার। ভারত সমস্ত ধরনের আবহাওয়ার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। জলবায়ু স্মার্ট জাতি হিসেবে ভারত নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চলেছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল নতুন উচ্চতা স্পর্শ করার মধ্যেই নয়, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কিভাবে আরও সহজ করা যায়, তার মধ্যেই বিজ্ঞানের প্রাসঙ্গিকতা নিহিত রয়েছে। আবহাওয়ার সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর এই মাপকাঠিতে এগিয়ে গেছে। জনসংখ্যার ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষের কাছে এখন আবহাওয়ার প্রাথমিক সতর্কীকরণ পৌঁছে যায়। যে কেউ যেকোন সময়ে বিগত এবং আগামী ১০ দিনের আবহাওয়ার তথ্য পেতে পারেন। হোয়াটসঅ্যাপেও আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া যায়। ‘মেঘদূত মোবাইল অ্যাপ’-এ সমস্ত স্থানীয় ভাষায় আবহাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। ১০ বছর আগে মাত্র ১০ শতাংশ কৃষক ও গবাদিপশুর মালিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস ব্যবহার করতেন, আজ তা ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। মোবাইল ফোনে বজ্রপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। আগে লক্ষ লক্ষ মৎস্যজীবীরা যখন সমুদ্রে যেতেন, তখন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অসীম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাতেন, কিন্তু এখন ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের সহায়তায় মৎস্যজীবীরা সঠিক সময় মতো সতর্কবার্তা পান। সময়মতো আবহাওয়ার সঠিক পূর্বাভাস কৃষি ও সমুদ্র অর্থনীতির মতো ক্ষেত্রগুলিকে মজবুত করে তোলে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিপর্যয় মোকাবিলার সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষয়-ক্ষতি কমানোর জন্য আবহাওয়া বিদ্যার দক্ষতা বাড়াতেই হবে। একথা বুঝেই ভারত ক্রমাগত আবহাওয়া সংক্রান্ত দক্ষতা বাড়িয়েছে। একসময় বিপর্যয়ের যে অভিঘাত অবশ্যম্ভাবী মনে করা হতো, আজ তা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। ১৯৯৮ সালে কচ্ছের কান্ডলার ঘূর্ণিঝড়, ১৯৯৯ সালে ওড়িশার সুপার সাইক্লোনের ধ্বংসলীলার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে হাজার হাজার প্রাণহানি হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিককালে বেশকিছু ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় সত্বেও ভারতে প্রাণহানির সংখ্যা কম করা সম্ভব হয়েছে। এই সাফল্যের কৃতিত্ব ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের। বিজ্ঞানের সঙ্গে যথাযথ প্রস্তুতির মেলবন্ধন ঘটায় কোটি কোটি টাকার সম্পত্তিহানি এড়ানো গেছে, অর্থনীতিতে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে।  

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অগ্রগতি এবং বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার সম্পূর্ণ সদ্ব্যবহারই একটি দেশের ভাবমূর্তি গড়ে দেয়। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের অগ্রগতি বিপর্যয় মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়িয়েছে, এর উপকার পেয়েছে সারা বিশ্ব। ভারতের হড়পা বান সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কাকে তথ্য সরবরাহ করে। ‘বিশ্ব বন্ধু’ হিসেবে ভারত বরাবরই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়ে অন্য দেশগুলিকে সাহায্য করতে এগিয়ে গেছে, এতে বিশ্বে ভারতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। এই সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের বিজ্ঞানীদের প্রশংসা করেন। 

ভারতের আবহাওয়া সংক্রান্ত দক্ষতার সমৃদ্ধ ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবহাওয়া মানুষের বিবর্তনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে বিশ্বজুড়ে মানুষ ক্রমাগত আবহাওয়া এবং পরিবেশকে বোঝার চেষ্টা করে গেছে। ভারতের বেদ, সংহিতা এবং সূর্য সিদ্ধান্তের মতো প্রাচীন গ্রন্থে প্রথাগত জ্ঞান লিপিবদ্ধ রয়েছে। একে পরিমার্জিত করে এর গভীর অধ্যয়ন করা হয়েছে। তামিলনাড়ুর সঙ্গম সাহিত্য এবং উত্তরের ঘাঘভাদ্দরি লোকসাহিত্যে আবহাওয়া সংক্রান্ত বিষদ তথ্য রয়েছে। আবহাওয়া বিজ্ঞানকে একটি পৃথক শাখা হিসেবে বিবেচনা না করে এটিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনা, জলবায়ু অধ্যয়ন, প্রাণীর আচরণ বিচার এবং সামাজিক অভিজ্ঞতার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কৃষি পরাশর এবং বৃহৎ সংহিতার উল্লেখ করে বলেন, এখানে মেঘ সৃষ্টি, মেঘের প্রকারভেদ এবং গ্রহগুলির অবস্থান নিয়ে গাণিতিক সূত্রের উল্লেখ রয়েছে। এর থেকে বোঝা যায়, বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ ও নিম্নভাগের চাপ এবং তাপমাত্রা মেঘের বৈশিষ্ট্য ও বৃষ্টির ওপর প্রভাব ফেলতো। আধুনিক প্রযুক্তি ছাড়াই প্রাচীন পন্ডিতরা এই নিয়ে সুগভীর গবেষণা করেছিলেন। প্রামাণ্য প্রথাগত জ্ঞানের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটিয়ে এই বিষয়ে আরও গবেষণার আহ্বান জানান তিনি। এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কয়েক বছর আগে তাঁর প্রকাশ করা একটি বইয়ের উল্লেখ করেন। ‘প্রিমর্ডান কাচি নেভিগেশন টেকনিকস অ্যান্ড ভয়েজেস’ শীর্ষক এই বইতে গুজরাটের নাবিকদের শতাব্দীপ্রাচীন সামুদ্রিক জ্ঞান নথিভুক্ত রয়েছে বলে তিনি জানান। ভারতের আদিবাসী সম্প্রদায়ের সমৃদ্ধ জ্ঞানের ঐতিহ্যের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতি এবং প্রাণীদের আচরণ নিয়ে আদিবাসী সমাজের গভীর উপলব্ধি রয়েছে। আধুনিক বৈজ্ঞানিক অনুশীলনের সঙ্গে এই প্রাচীন জ্ঞানের সংযুক্তি ঘটিয়ে বৃহত্তর অন্নেষণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস যত নির্ভুল হবে, ততই তাদের গুরুত্ব বাড়বে। বিভিন্ন ক্ষেত্র, শিল্পমহল, এমনকি প্রাত্যহিক জীবনেও আবহাওয়ার বিভাগের তথ্যের চাহিদা বাড়বে। ভবিষ্যতের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মোকাবিলায় সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানান। নতুন আবিষ্কারের লক্ষ্যে কাজ করতে বিজ্ঞানী, গবেষক এবং ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগকে উদ্বুদ্ধ করেন তিনি। ভারত বিশ্বব্যাপী পরিষেবা ও নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। দেড়শো বছরের যাত্রার জন্য ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান তিনি। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস যত নির্ভুল হবে, ততই তাদের গুরুত্ব বাড়বে। বিভিন্ন ক্ষেত্র, শিল্পমহল, এমনকি প্রাত্যহিক জীবনেও আবহাওয়ার বিভাগের তথ্যের চাহিদা বাড়বে। ভবিষ্যতের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মোকাবিলায় সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানান। নতুন আবিষ্কারের লক্ষ্যে কাজ করতে বিজ্ঞানী, গবেষক এবং ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগকে উদ্বুদ্ধ করেন তিনি। ভারত বিশ্বব্যাপী পরিষেবা ও নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। দেড়শো বছরের যাত্রার জন্য ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান তিনি। 

 

স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় ভূ-বিজ্ঞান প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব অধ্যাপক সেলেস্তে সাউলো প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Great To See How He Supports Art': 'Fauda' Star Lior Raz On Meeting PM Modi In Israel

Media Coverage

Great To See How He Supports Art': 'Fauda' Star Lior Raz On Meeting PM Modi In Israel
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The HPV vaccination campaign, launched from Ajmer, marks a significant step towards empowering the nation’s Nari Shakti: PM Modi in Rajasthan
February 28, 2026
Our government is committed to all-round development: PM
Today, I had the privilege of launching the nationwide HPV vaccination campaign from Ajmer, inaugurating and laying foundation stones for multiple projects and distributing appointment letters to the youth: PM
The HPV vaccination campaign has commenced from Ajmer, this campaign is a significant step towards empowering the Nari Shakti of the country: PM
The double-engine government is moving forward by taking both Rajasthan’s heritage and development together: PM
The campaign to link rivers started by our government will significantly benefit Rajasthan: PM
There is no shortage of sunlight in Rajasthan, this very sunshine is becoming a source of savings and income for the common man: PM
A very significant role is being played by the PM Surya Ghar Free Electricity Scheme, this scheme has the power to change Rajasthan's destiny: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

तीर्थराज पुष्कर और माता सावित्री की इस पावन भूमि पर, आज मुझे आप सबके बीच आने का, आपके आशीर्वाद प्राप्त करने का अवसर मिला है। इस मंच से मैं सुरसुरा के तेजाजी धाम को, पृथ्वीराज की भूमि अजमेर को प्रणाम करता हूं।

मेरे साथ बोलिए –

तीर्थराज पुष्कर की जय।

तीर्थराज पुष्कर की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

वरूण अवतार भगवान झूलेलाल जी की जय।

भगवान झूलेलाल जी की जय।

मंच पर विराजमान राजस्थान के राज्यपाल हरिभाउ बागडे जी, राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भजनलाल शर्मा जी, पूर्व मुख्यमंत्री बहन वसुंधरा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी भगीरथ चौधरी जी, उपमुख्यमंत्री प्रेमचंद भैरवा जी, दिया कुमारी जी, संसद में मेरे साथी, भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष मदन राठौर जी, उपस्थित अन्य मंत्रिगण, अन्य महानुभाव और राजस्थान के मेरे प्यारे भाई और बहनों। मैं पूज्य संतों का बहुत आभारी हूं, कि हमें आशीर्वाद देने के लिए इतनी बड़ी संख्या में पूज्य संतगण यहां मौजूद हैं।

साथियों,

अजमेर आस्था और शौर्य की धरती है। यहां तीर्थ भी है और क्रांतिवीरों के पदचिन्ह भी हैं। अभी कल ही मैं इजराइल की यात्रा को पूरा करके भारत लौटा हूं। राजस्थान के सपूत मेजर दलपत सिंह के शौर्य को इजराइल के लोग आज भी गौरव से याद करते हैं। मुझे भी इजराइल की संसद में, मेजर दलपत सिंह जी के शौर्य को नमन करने का सौभाग्य मिला। राजस्थान के वीर बाकुरों की, इजराइल के हाइफा शहर को आजाद कराने में जो भूमिका थी, मुझे उसका गौरवगान करने का अवसर मिला है।

साथियों,

कुछ समय पहले ही, राजस्थान में भाजपा की डबल इंजर सरकार को दो साल पूरे हुए हैं, मुझे संतोष है कि आज राजस्थान विकास के नए पथ पर अग्रसर है। विकास के जिन वायदों के साथ भाजपा सरकार आपकी सेवा में आई थी, उन्हें तेजी के साथ पूरा कर रही है। और आज का दिन, विकास के इसी अभियान को तेज करने का दिवस है। थोड़ी देर पहले यहां राजस्थान के विकास से जुड़ी करबी 17 हजार करोड़ रूपयों की परियोजनाओं का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। सड़क, बिजली, पानी, स्वास्थ्य, शिक्षा, हर क्षेत्र में नई शक्ति जुड़ रही है। ये सारे प्रोजेक्टस राजस्थान की जनता की सुविधा बढ़ाएंगे और राजस्थान के युवाओं के लिए, रोजगार के भी अवसर पैदा करेंगे।

साथियों,

भाजपा की डबल इंजर सरकार लगातार युवा शक्ति को सशक्त कर रही है। दो साल पहले तक राजस्थान से भर्तियों में भ्रष्टाचार और पेपर लीक की ही खबरें चमकती रहती थीं, आती रहती थीं। अब राजस्थान में पेपर लीक पर लगाम लगी है, दोषियों पर सख्त कार्रवाई हो रही है। आज यहां इसी मंच से राजस्थान के 21 हजार से अधिक युवाओं को नियुक्ति पत्र भी सौंपे गए हैं। ये बहुत बड़ा बदलाव आया है। मैं इस बदलाव के लिए, नई नौकरियों के लिए, विकास के सभी कामों के लिए, राजस्थान के आप सभी लोगों को बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आज वीरांगनाओं की इस धरती से, मुझे देशभर की बेटियों के लिए एक अहम अभियान शुरू करने का अवसर मिला है। यहां अजमेर से HPV वैक्सीनेशन अभियान शुरू हुआ है। ये अभियान, देश की नारीशक्ति को सशक्त करने की दिशा में अहम कदम है।

साथियों,

हम सब जानते हैं कि परिवार में जब मां बीमार होती है, तो घर बिखर सा जाता है। अगर मां स्वस्थ है, तो परिवार हर संकट का सामना करने में सक्षम रहता है। इसी भाव से, भाजपा सरकार ने महिलाओं को संबल देने वाली अनेक योजनाएं चलाई हैं।

साथियों,

हमने 2014 से पहले का वो दौर देखा है, जिसमें शौचालय के अभाव में बहनों-बेटियों को कितनी पीड़ा, कितना अपमान झेलना पड़ता था। बच्चियां स्कूल छोड़ देती थीं, क्योंकि वहां अलग टॉयलेट की सुविधा नहीं होती थी। गरीब बेटियां सेनिटरी पैड्स नहीं ले पाती थीं। पहले जो सत्ता में रहे, उनके लिए ये छोटी बातें थीं। इसलिए इन समस्याओं की चर्चा तक नहीं होती थी। लेकिन हमारे लिए ये बहनों-बेटियों को बीमार करने वाला, उनके अपमान से जुड़ा संवेदनशील मसला था। इसलिए, हमने इनका मिशन मोड पर समाधान किया।

साथियों,

गर्भावस्था के दौरान कुपोषण माताओं के जीवन के लिए बहुत बड़ा खतरा होता था। हमने सुरक्षित मातृत्व के लिए योजना चलाई, मां को पोषक आहार मिले, इसके लिए पांच हज़ार रुपए बहनों के खाते में जमा करने की योजना शुरु की। मां धुएं में खांसती रहती थी, लेकिन उफ्फ तक नहीं करती थी। हमने कहा ये नहीं चलेगा। और इसलिए उज्जवला गैस योजना बनाई गई। ये सब इसलिए संभव हुआ, क्योंकि भाजपा सरकार, सत्ता भाव से नहीं, संवेदनशीलता के साथ काम करती है।

साथियों,

21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। आज का समय राजस्थान के विकास के लिए बड़ा महत्वपूर्ण है। भाजपा की डबल इंजन सरकार, राजस्थान की विरासत और विकास, दोनों को साथ लेकर चल रही है। हम सब जानते हैं, अच्छी सड़क, अच्छी रेल और हवाई सुविधा सिर्फ सफर आसान नहीं करती, वो पूरे इलाके की किस्मत बदल देती है। जब गांव-गांव तक अच्छी सड़क पहुँचती है, तो किसान अपनी फसल सही दाम पर बेच पाता है। व्यापारी आसानी से अपना सामान बाहर भेज पाते हैं। और हमारा अजमेर-पुष्कर तो, उसकी पर्यटन की ताकत कौन नहीं जानता। अच्छी कनेक्टिविटी का पर्यटन पर सबसे अच्छा असर पड़ता है। जब सफर आसान होता है, तो ज्यादा लोग घूमने आते हैं।

और साथियों,

जब पर्यटक आते हैं तो स्वाभाविक है होटल चलते हैं, ढाबे चलते हैं, कचौड़ी और दाल बाटी ज्यादा बिकती है, यहां राजस्थान के कारीगरों का बनाया सामान बिकता है, टैक्सी चलती है, गाइड को काम मिलता है। यानी एक पर्यटक कई परिवारों की रोज़ी-रोटी बन जाता है। इसी सोच के साथ हमारी सरकार, राजस्थान में आधुनिक कनेक्टिविटी पर बहुत बल दे रही है।

साथियों,

जैसे-जैसे राजस्थान में कनेक्टिविटी का विस्तार हो रहा है, वैसे-वैसे यहां निवेश के लिए भी अवसर लगातार बढ़ते जा रहे हैं। दिल्ली-मुंबई इंडस्ट्रियल कॉरिडोर के इर्द-गिर्द उद्योगों के लिए एक बहुत ही शानदार इंफ्रास्ट्रक्चर बनाया जा रहा है। यानी राजस्थान को अवसरों की भूमि बनाने के लिए, डबल इंजन सरकार हर संभव, अनेक विध काम कर रही है।

साथियों,

राजस्थान की माताएं अपने बच्चों को पालने में ही, राष्ट्र भक्ति का संस्कार देती हैं। राजस्थान की ये धरा जानती है कि देश का सम्मान क्या होता है, और इसीलिए आज राजस्थान की इस धरा पर, मैं आप लोगों से एक और बात कहने आया हूं।

साथियों,

हाल में ही, दिल्ली में, दुनिया का सबसे बड़ा AI सम्मेलन हुआ, Artificial Intelligence इसमें दुनिया के अनेक देशों के प्रधानमंत्री, अनेक देशों के राष्ट्रपति, अनेक देशों के मंत्रि, उस कार्यक्रम में आए थे। दुनिया की बड़ी-बड़ी कंपनियां, उन कंपनियों के कर्ता-धर्ता वो भी एक छत के नीचे इकट्ठे हुए थे। सबने भारत की खुले मन से प्रशंसा की। मैं जरा राजस्थान के मेरे भाई-बहनों से पूछना चाहता हूं। जब दुनिया के इतने सारे लोग, भारत की प्रशंसा करते हैं, ये सुनकर के आपको गर्व होता है की नहीं होता है? आपको गर्व होता है कि नहीं होता है? आपको अभिमान होता है कि नहीं होता है? आपका माथा ऊंचा हुआ या नहीं हुआ? आपका सीना चौड़ा हुआ कि नहीं हुआ?

साथियों,

आपको गर्व हुआ, लेकिन हताशा निराशा में डूबी, लगातार पराजय के कारण थक चुकी कांग्रेस ने क्या किया, ये आपने देखा है। दुनियाभर के मेहमानों के सामने, कांग्रेस ने देश को बदनाम करने की कोशिश की। इन्होंने विदेशी मेहमानों के सामने देश को बेइज्जत करने के लिए पूरा ड्रामा किया।

साथियों,

कांग्रेस, पूरे देश में ल्रगातार हार रही है, और गुस्से में वो इसका बदला, वो भारत को बदनाम करके ले रही है। कभी कांग्रेस, INC यानी इंडियन नेशनल कांग्रेस थी, लेकिन अब INC नहीं बची है, इंडियन नेशनल कांग्रेस नहीं बची है, आज वो INC के बजाय MMC, MMC बन गई है। MMC यानी मुस्लिम लीगी माओवादी कांग्रेस हो चुकी है।

राजस्थान के मेरे वीरों,

इतिहास गवाह है, मुस्लिम लीग भारत से नफरत करती थी, और इसलिए मुस्लिम लीग ने देश बांट दिया। आज कांग्रेस भी वही कर रही है। माओवादी भी, भारत की समृद्धि, हमारे संविधान और हमारे सफल लोकतंत्र से नफरत करते हैं, ये घात लगाकर हमला करते हैं, कांग्रेस भी घात लगाकर, देश को बदनाम करने के लिए कहीं भी घुस जाती है। कांग्रेस के ऐसे कुकर्मों को देश कभी माफ नहीं करेगा।

साथियों,

देश को बदनाम करना, देश की सेनाओं को कमजोर करना, ये कांग्रेस की पुरानी आदत रही है। आप याद कीजिए, यही कांग्रेस है, जिसने हमारी सेना के जवानों को हथियारों और वर्दी तक के लिए तरसा कर रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसने सालों तक हमारे सैनिक परिवारों को वन रैंक वन पेंशन से वंचित रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसके जमाने में विदेशों से होने वाले रक्षा सौदों में बड़े-बड़े घोटाले होते थे।

साथियों,

बीते 11 वर्षों में भारत की सेना ने हर मोर्चे पर आतंकियों पर, देश के दुश्मनों पर करारा प्रहार किया। हमारी सेना, हर मिशन, हर मोर्चे में विजयी रही। सर्जिकल स्ट्राइक से लेकर ऑपरेशन सिंदूर तक, वीरता का लोहा मनवाया, लेकिन कांग्रेस के नेताओं ने इसमें भी दुश्मनों के झूठ को ही आगे बढ़ाया। देश के लिए जो भी शुभ है, जो भी अच्छा है, जो भी देशवासियों का भला करने वाला है, कांग्रेस उस सबका विरोध करती है। इसलिए, देश आज कांग्रेस को सबक सिखा रहा है।

साथियों,

राजस्थान में तो आपने कांग्रेस के कुशासन को करीब से अनुभव किया है। यहां जितने दिन कांग्रेस की सरकार रही, वो भ्रष्टाचार करने और आपसी लड़ाई-झगड़े में ही उलझी रही। कांग्रेस ने हमारे किसानों को भी हमेशा धोखा दिया है। आप याद कीजिए, कांग्रेस ने दशकों तक सिंचाई की परियोजनाओं को कैसे लटकाए रखा। इसका राजस्थान के किसानों को बहुत अधिक नुकसान हुआ है। ERCP परियोजना को कांग्रेस की सरकारों ने केवल फाइलों और घोषणाओं में उलझाकर रखा। हमारी सरकार ने आते ही इस स्कीम को फाइलों से निकालकर धरातल पर उतारने का प्रयास किया है।

साथियों,

हमारी सरकार ने नदियों को जोड़ने का जो अभियान शुरु किया है, उसका बहुत अधिक फायदा राजस्थान को मिलना तय है। संशोधित पार्वती-कालीसिंध-चंबल लिंक परियोजना हो, यमुना-राजस्थान लिंक प्रोजेक्ट हो, डबल इंजन सरकार ऐसी अनेक सिंचाई परियोजनाओं का लाभ किसानों तक पहुंचाने के लिए प्रतिबद्ध है। आज भी झालावाड़, बारां, कोटा और बूंदी जिले के लिए पानी की अनेक परियोजनाओं पर काम शुरु हुआ है। हमारा प्रयास है, कि राजस्थान में भूजल का स्तर भी ऊपर उठे।

साथियों,

भाजपा सरकार, राजस्थान के सामर्थ्य को समझते हुए, योजनाएं बना रही है, उन्हें लागू कर रही है। मुझे खुशी है कि राजस्थान अब, सूरज की ताकत से समृद्धि कमाने वाली धरती बन गया है। हम सब जानते हैं, हमारे राजस्थान में धूप की कोई कमी नहीं। अब यही धूप, सामान्य मानवी के घर की बचत और कमाई का साधन बन रही है। और इसमें बहुत बड़ी भूमिका है, प्रधानमंत्री सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना की। इस योजना में राजस्थान का भाग्य बदलने की ताकत है। इस योजना में भाजपा सरकार लोगों को अपनी छत पर सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए की सहायता देती है। सरकार सीधे आपके बैंक खाते में पैसे भेजती है। आजादी के बाज सब बजट, सब योजनाएं देख लीजिए, जिसमें मध्यम वर्ग को सबसे ज्यादा लाभ होने वाला है, ऐेसी योजना कभी नजर नहीं आएगी, आज इन परिवारों को सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए सीधा सरकार देती है। सबसे अधिक लाभ मध्यम वर्ग के लोग ले रहे हैं। और जिससे घर पर एक छोटा सा बिजली घर तैयार हो जाता है। दिन में सूरज की रोशनी से बिजली बनती है, घर में वही बिजली काम आती है और जो ज्यादा बिजली बनती है, वो बिजली ग्रिड में जाती है। और जिस घर में बिजली बनी होती है, उसे भी इसका लाभ मिलता है।

साथियों,

आज राजस्थान में सवा लाख से अधिक परिवार इस योजना से जुड़ चुके हैं। और इस योजना की वजह से, कई घरों का बिजली बिल लगभग जीरो आ रहा है। यानी खर्च कम हुआ है, बचत ज़्यादा हुई है।

साथियों,

विकसित राजस्थान से विकसित भारत के मंत्र पर हम लगातार काम कर रहे हैं। आज जिन योजनाओं पर काम शुरू हुआ है, वो विकसित राजस्थान की नींव को और अधिक मजबूत करेंगे। जब राजस्थान विकसित होगा, तो यहां के हर परिवार का जीवन समृद्ध होगा। आप सभी को एक बार फिर, विकास परियोजनाओं के लिए बहुत-बहुत शुभकामनाएं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम के 150 साल देश मना रहा है। मेरे साथ बोलिये-

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

बहुत-बहुत धन्यवाद।