This year’s Union Budget lays the roadmap for Viksit Bharat, driven by technology, reforms and finance: PM
We have simplified processes, improved the Ease of Doing Business, expanded technology-led governance, and strengthened institutions; and even today, the country is riding the 'Reform Express': PM
In the past decade, we have had a very strong focus on infrastructure: PM
In the past decade, we have continued to maintain a very strong focus on infrastructure: PM
We have made a conscious decision that India's development will only be achieved by creating solid assets such as Highways, Railways, Ports, Digital Networks, and Power Systems: PM
These assets will continue to generate productivity for many decades to come. For this reason, Public Capital Expenditure is being continuously increased: PM
When Government, Industry, and Knowledge Partners move forward together, then Reforms change into Results, only then do announcements become achievements, on the ground: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট-পরবর্তী প্রথম ওয়েবিনারে ভাষণ দিয়েছেন। এই ওয়েবিনারের মূল ভাবনা ছিল - ‘প্রযুক্তিগত সংস্কার এবং বিকশিত ভারতের জন্য অর্থ’। শ্রী মোদী বাজেটকে স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্যিক এক নথির পরিবর্তে নীতি প্রণয়নের পরিকল্পনা গ্রহণকারী এক ব্যবস্থা বলে বর্ণনা করেন। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য সামগ্রিক উদ্যোগের আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পরিকাঠামোর সম্প্রসারণ, ঋণদানের প্রক্রিয়ার সরলীকরণ, সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য করা এবং প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলির মধ্য দিয়ে বাজেটের প্রস্তাবগুলিকে বাস্তবায়িত করতে হবে। পাশাপাশি, নাগরিকদের জীবনযাপন সহজতর করে তোলা এবং তাঁদের জন্য নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করতে হবে। “বাজেটের সিদ্ধান্ত এই বিষয়গুলির ওপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা করা হয়েছে যার মধ্য দিয়ে অর্থনীতির স্থায়ী শক্তি অর্জিত হবে।”

শ্রী মোদী বলেন, কোনো বাজেটকেই একটি বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ বলে বিবেচনা করা উচিত নয়। কারণ, দেশ গঠন একটি নিরন্তর প্রক্রিয়া। “প্রত্যেক বাজেট একটি মঞ্চ গড়ে তোলে, যেখান থেকে আরও বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ে তোলাই সেই বৃহৎ লক্ষ্য। তাই, প্রতিটি সংস্কার, প্রতিটি বরাদ্দ এবং প্রতিটি পরিবর্তনকে দীর্ঘ এই যাত্রাপথের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে বিবেচনা করতে হবে।” 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাজেট-পরবর্তী এই ওয়েবিনারগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের আলোচনাকে শুধুমাত্র মতবিনিময়ের একটি প্রয়াস বলে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, বরং একটি কার্যকর চিন্তন শিবির হিসেবে ভাবতে হবে। “অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে প্রাপ্ত পরামর্শ এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বাস্তবসম্মত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশল নির্ধারণে এবং সমস্যার সমাধানে সহায়ক হবে।” এছাড়াও তিনি বলেন, যখন শিল্প ও শিক্ষা জগৎ, বিশ্লেষক ও নীতি-নির্ধারকরা একসঙ্গে ভাবনাচিন্তা করেন, তখন বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন যথাযথভাবে হয়, ফলে সঠিক ফল পাওয়া যায়। এই ধরনের ওয়েবিনারগুলি আয়োজন করার এটি অন্যতম কারণ।

শ্রী মোদী বলেন, একবিংশ শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ অতিক্রান্ত। এই সময়কালে বিভিন্ন পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে। দেশ এখন তার উন্নয়ন যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। অর্থনীতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। গত দশকগুলিতে ভারত অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়েছে। এই উন্নয়ন হঠাৎ করে হয়নি, নির্দিষ্ট অভিমুখে বিভিন্ন সংস্কার বাস্তবায়নের ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে। “সরকার বিভিন্ন পন্থাপদ্ধতির সরলীকরণ করেছে, সহজে ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা সুযোগ-সুবিধার মানোন্নয়ন ঘটিয়েছে, প্রযুক্তি-ভিত্তিক প্রশাসনিক ব্যবস্থার সম্প্রসারণ করেছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করেছে। এর ফলে আজ দেশের রিফর্ম এক্সপ্রেস আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন নীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্তগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের উন্নয়নযাত্রার বর্তমান অধ্যায়ে উৎকর্ষ প্রদানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। “সংস্কারের মূল্যায়ন শুধুমাত্র সেগুলির ঘোষণার ওপর ভিত্তি করে করা যাবে না, বরং তৃণমূল স্তরে তার প্রভাব বিবেচনা করেই সেগুলি করতে হবে। কৃত্রিম মেধা, ব্লকচেন এবং ডেটা অ্যানালিটিক্সের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং জন-পরিষেবা প্রদানে স্বচ্ছতা আনতে হবে।” তিনি বলেন, অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের প্রভাবের ওপর নজরদারি চালাতে হবে। 

 

দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনশীল সম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। “গত ১১ বছরে এই পরিমাণ ২ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১২ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এই বিনিয়োগ থেকে বেসরকারি ক্ষেত্রগুলিকে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে। পরিকাঠামো ও উদ্ভাবন ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণকে বাড়াতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী শিল্প ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে নতুন উদ্যমে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি পরিকাঠামো, আর্থিক ক্ষেত্রে আরও বেশি উদ্ভাবনমূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং নতুন নতুন ক্ষেত্রে শক্তিশালী অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য ঐ প্রকল্পগুলির গুণমান যাতে বৃদ্ধি পায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। এক্ষেত্রে প্রকল্পে ব্যয় করা অর্থের থেকে কতটা লাভ পাওয়া যাবে, সেই বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি, প্রকল্পের বাস্তবায়নে যাতে বিলম্ব না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

আর্থিক পরিকাঠামোর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির সরলীকরণ ঘটিয়েছে। এর ফলে, বিনিয়োগ-বান্ধব এক পরিবেশ গড়ে উঠবে। বন্ড মার্কেটে নানা পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে সেগুলি আরও সক্রিয় হয়ে উঠবে। বন্ড কেনা-বেচার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন বাস্তবায়িত হবে। “বিদেশি পুঁজিকে আকৃষ্ট করা এবং বিভিন্ন ঝুঁকি যথাযথভাবে দূর করার ক্ষেত্রে নতুন নতুন ব্যবস্থাপনা চালু করার পাশাপাশি, পরিস্থিতির যথাযথ পূর্বাভাস যাতে করা যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি পৃথিবীর ভালো ভালো পদক্ষেপগুলি থেকে স্টেকহোল্ডারদের অভিজ্ঞতা অর্জনের পরামর্শ দেন। এর ফলে বন্ডের বাজার শক্তিশালী হবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে।

 

দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন এবং সুস্থায়ী বিদেশি লগ্নি আকৃষ্ট করতে প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগের পরিকাঠামোর আরও সরলীকরণের প্রস্তাব দেন। বন্ড বাজারকে কিভাবে আরও সক্রিয় করা যায়, বন্ড কেনা-বেচার প্রক্রিয়ার সরলীকরণ এবং বিভিন্ন প্রকল্পকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে ঐ প্রকল্পগুলিতে ব্যয় করা অর্থের থেকে কতটা লাভ পাওয়া যাচ্ছে, সেদিকটিকেও বিবেচনায় রাখতে হবে। “এই পদক্ষেপগুলির মধ্য দিয়ে যথাযথ পূর্বাভাসযোগ্য এবং বিনিয়োগ-বান্ধব এক ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে, যেখানে সহজেই বিভিন্ন ঝুঁকির মোকাবিলা করা যাবে।”

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, যে কোনো নীতিই একটি কাঠামো গড়ে তোলে। কিন্তু, সেই কাঠামোর সাফল্য নির্ভর করে যখন অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক স্টেকহোল্ডার সেই ব্যবস্থায় সক্রিয় থাকেন। শিল্পমহলকে নতুন করে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনের অংশগ্রহণ করতে তিনি আহ্বান জানান। পাশাপাশি, বিভিন্ন সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান এবং বাজারের আস্থাকে শক্তিশালী করতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে সহায়তার কথাও বলেন তিনি। “যখন সরকার, শিল্পমহল এবং অংশীদাররা একযোগে এগিয়ে চলে, তখন সংস্কার সফলভাবে ঈপ্সিত ফল নিয়ে আসে। বাজেটের ঘোষণাগুলি এই যৌথ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে অভীষ্ট ফলাফল নিশ্চিত করে।”

প্রধানমন্ত্রী ‘সংস্কারের জন্য অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার একটি সনদ’ প্রস্তুতের পরামর্শ দেন। এখানে সরকার, শিল্পমহল, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাজগতের মধ্যে অভিন্ন এক লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাজেট-পরবর্তী এই ওয়েবিনারগুলি বাজেটের বিষয়বস্তু কি, তা আলোচনা করার জন্য নয়, বরং বাজেটের প্রস্তাবগুলিকে কিভাবে দ্রুত ও সহজে বাস্তবায়িত করা যায়, সেটিকে নিশ্চিত করতে হবে।

 

শ্রী মোদী আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বাজার, শিল্পমহল, পেশাদার ব্যক্তিত্ব এবং উদ্ভাবক সহ প্রত্যেক স্টেকহোল্ডারকে এবারের বাজেটে নতুন নতুন যে সুযোগ তৈরি হচ্ছে তা গ্রহণ করার পরামর্শ দেন। তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই বিভিন্ন প্রকল্প আরও ভালোভাবে কার্যকর হবে। এক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী সকলের পরামর্শ ও সহযোগিতায় আরও ভালো ফল নিশ্চিত করবে। সকলকে সংস্কারের ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে উন্নত ভারত গড়ে তোলার যে স্বপ্ন আমরা দেখছি, তা দ্রুত বাস্তবায়িত হবে। 

আজকের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রক্রিয়ার সরলীকরণের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বাজেটের আগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাজেট-পরবর্তী ওয়েবিনারগুলি বাজেটের প্রস্তাবগুলি কত দ্রুত ও সহজে কার্যকর করা যায়, তা নির্ধারণ করবে। শ্রী মোদী পরিশেষে বলেন, অংশগ্রহণকারী সকলে যৌথভাবে বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করলেই একটি প্রাণবন্ত অর্থনীতির দরজা উন্মুক্ত হবে। 

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Twelve years on, Jan Dhan Yojana stands as the world’s largest financial inclusion drive

Media Coverage

Twelve years on, Jan Dhan Yojana stands as the world’s largest financial inclusion drive
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister pays homage to Mahatma Ayyankali on his birth anniversary
August 28, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi, has paid homage to Mahatma Ayyankali on his birth anniversary, today. Shri Modi remembered Mahatma Ayyankali as a great pioneer of social justice, who dedicated his life to the empowerment and welfare of the marginalised. The Prime Minister highlighted his efforts to secure educational opportunities for the marginalised, improve the lives of agricultural workers and serve the poor.

The Prime Minister posted on X:

Paying homage to Mahatma Ayyankali on his birth anniversary!

He is remembered as a great pioneer of social justice. His efforts to secure educational opportunities for the marginalised, improve the lives of agricultural workers and serve the poor remain very inspiring. His life gives strength to all those working for social empowerment.