Woman power in Manipur has always been a source of inspiration for the country: PM Modi
India’s growth story shall never be complete until the eastern part of our country progresses at par with the western part: PM Narendra Modi

খুরুমজারি,  

ইক-হইগিসরকার-বুথাজা-বিরিবা মনিপুরগি প্রজা পুম-নামাকু থাগত-চারি   

সবার আগেমনিপুরের জনগণকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা|  

মুখ্যমন্ত্রীশ্রী এন. বীরেন সিংহজি ’ র নেতৃত্বেরাজ্য সরকার কাল এক বছর পূর্ণ করেছে| শাসন কীভাবে চালাতে হয়, উন্নয়নের প্রকল্পেকীভাবে কাজ হয়, স্থায়িত্বের অর্থ কী, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলো সম্মিলিতভাবে যদিকাজ করে, তাহলে এর কী প্রভাব পড়ে — আজ মনিপুরেরঅসাধারণ ছবি এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর প্রদর্শন করছে|  

আপনাদেরচোখের ঔজ্জ্বল্য, আপনাদের খুশি এটা বলছে যে, রাজ্য সরকার কতটুকু ভালো কাজ করছে|যেভাবে বিশাল সংখ্যায় আপনারা দূর-দূরান্ত থেকে আমাকে আশির্বাদ দেওয়ার জন্য এসেছেন,তার জন্য আমরা সবাই অনেক কৃতজ্ঞ|   

আমিমনিপুরের জনগণের, এখানকার প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের গত এক বছরে করা কাজের জন্য,তাদের অভিজ্ঞতার জন্য হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি|  

আমার মনেআছে, গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে যখন আমি এখানে এসেছিলাম, তখন আমি বলেছিলাম যে, পনেরোবছরে যা কংগ্রেস সরকার করতে পারেনি, তা আমাদের রাজ্য সরকার পনেরো মাসে করে দেখাবে|পনেরো মাস পূর্ণ হতে এখনও তিন মাস বাকি রয়েছে| কিন্তু মনিপুরের পরিবর্তনস্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে| আগের সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তে সমাজে যেসব নেতিবাচক বিষয়এসে গিয়েছিল, সেগুলোকে বীরেনজি ’ র সরকারবদলে দিয়েছে| আইন-শৃঙ্খলাই হোক, দুর্নীতি ও স্বচ্ছতা হোক অথবা পরিকাঠামোর সঙ্গেযুক্ত কাজ হোক — সমস্ত দিক দিয়ে মনিপুরের সরকার দ্রুতকাজ করে চলেছে|  

বন্ধুগণ,  

মনিপুরেরউন্নয়নের জন্য আজ আমি প্রায় সাড়ে সাতশ কোটি টাকার প্রকল্প শুরু করার অথবা জাতিরউদ্দেশে উত্সর্গীকৃত করার সৌভাগ্য পেয়েছি| এইসব প্রকল্পগুলো প্রত্যক্ষভাবে এখানকারতরুণ-তরুণীদের স্বপ্ন, তাদের প্রতিভা, তাদের কর্মসংস্থান, মহিলাদের ক্ষমতায়ন ওএলাকার কানেক্টিভিটির সঙ্গে সম্পর্কিত| আমার বিশ্বাস যে, এইসব প্রকল্পগুলো রাজ্যেরউন্নয়নকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে|  

ভাইও বোনেরা,  

খেলাধুলা আজশুধুমাত্র মনোরঞ্জন আর সুস্থ থাকার বিষয় হিসেবেই রয়ে যায়নি| খেলাধুলা এখন একউদ্যোগও| আজ তা এক সম্পূর্ণ সময়ের পেশাও| আমাদের সরকারের প্রয়াস হচ্ছে, দেশেরতরুণ-তরুণীদের আধুনিক প্রশিক্ষণের সঙ্গে সমস্ত সুবিধা প্রদান করা| বিশেষ করেউত্তর-পূর্বাঞ্চলের লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীর সামর্থ্য ও তাদের প্রতিভাকে অনুধাবন করেকেন্দ্রীয় সরকার ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়ে জাতীয় ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করারসিদ্ধান্ত নিয়েছিল| আমি আনন্দিত যে, এই বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এখানে দু ’ টিকোর্স শুরুও হয়ে গেছে| আজ যে ক্যাম্পাসের শিলান্যাস আমি করেছি, এর কাজ শেষ হওয়ারপর এখানে তরুণ-তরুণীদের ক্রীড়া প্রতিভাকে সামনে নিয়ে আসা, একে প্রশিক্ষণ দেওয়ায়আরও বেশি সুবিধা হবে|  

ভাইও বোনেরা,  

আমাদেরসরকার দেশকে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সুপার পাওয়ার করার জন্য সংকল্প নিয়ে চলেছে| সম্প্রতিআমরা ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নের জন্য  ‘ খেলোইন্ডিয়া ’  নামের এক জাতীয় কর্মসূচি শুরুকরেছি| খেলো ইন্ডিয়া কর্মসূচির অধীনে প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বাছাই করাএক হাজার প্রতিভাবান অ্যাথলেট-এর ওপর পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করা হবে| আমিমনিপুরের তরুণ-তরুণীদেরও আহ্বান করবো যে, যতটুকু সম্ভব এই যোজনার সুযোগ গ্রহণকরুন| আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, স্কুলের পর্যায়ে প্রতিভাকে বাছাই করে তাকে আরও এগিয়েনিয়ে যাওয়া| সম্প্রতি এই কর্মসূচির অধীনে খেলো ইন্ডিয়া গেমসের আয়োজন করা হয়েছিল|আমি আনন্দিত যে, তাতেও মনিপুর নিজের প্রতিভার নজির রেখেছে এবং পদক তালিকায় পঞ্চমস্থান দখল করেছে| মনিপুর দেশের বড় রাজ্যগুলোকে পেছনে ফেলে দিয়ে ১৩টি স্বর্ণপদক সহ৩৪টি পদক জয় করেছে| এর জন্য এখানকার যুব সমাজকে আমি অনেক অনেক অভিনন্দন জানাচ্ছি|শুধুমাত্র মনিপুরই নয়, এই গেমসে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাকি রাজ্যগুলোর ছেলেমেয়েরাওঅসাধারণ প্রদর্শন করেছে|  

বন্ধুগণ,  

আজ এখানেখেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত আরও একটি বড় প্রকল্পের উদ্বোধন হয়েছে| মনিপুরের প্রথমমাল্টি স্পোর্টস কমপ্লেক্স এখন এখানকার তরুণ-তরুণীর জন্য তুলে দেওয়া হলো| এইমাল্টি স্পোর্টস কমপ্লেক্সে শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ দেওয়াই হবে না, এখানে ভালোটুর্নামেন্টেরও আয়োজন করা যাবে|  

ভাইও বোনেরা,  

মনিপুরদেশের এমন এক রাজ্য, যে খেলাধুলার মধ্য দিয়ে মহিলা ক্ষমতায়নকে সত্যি করে দেখিয়েছে|এখানকার মহিলা খেলোয়াড়গণ অলিম্পিক থেকে শুরু করে কমনওয়েলথ ক্রীড়া পর্যন্ত দেশেরনাম উজ্জ্বল করেছেন| ফুটবল, কুস্তি, মুষ্টিযুদ্ধ, ভারোত্তলন ও তীরন্দাজির মতো খেলায়এই রাজ্য মেরি কম, মীরাবাই চানু, বমবাইলা দেবী লেইশরাম ও সরিতা দেবীর মতো অনেকচ্যাম্পিয়ান দিয়েছে| এই রাজ্যের মহিলাদের ক্ষমতায়ন সবসময়ই গোটা দেশের কাছে একঅনুপ্রেরণার উত্স হয়ে রয়েছে| আজ এই অনুষ্ঠানে আমি মহান বিপ্লবী ও জাতির কন্যা রানীগাইদিনলিউকে অভিবাদন জানাচ্ছি| আজ তাঁর নামে একটি পার্কের উদ্বোধন করারও সুযোগ আমিপেয়েছি|  

বন্ধুগণ,  

নারীক্ষমতায়নের প্রধান ভিত্তি হচ্ছে মেয়েদের শিক্ষা| কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় সরকারদেশজুড়ে  ‘ বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও ’ কর্মসূচির সূচনা করেছে| এই কর্মসূচি ইতিবাচক ফল নিয়ে এসেছে| আমি আনন্দিত যে,পাহাড়ি ও উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে মেয়েরা পড়াশুনার জন্য যেসব সমস্যার সম্মুখীনহয়, তা কমানোর জন্য রাজ্য সরকার কাজ করে চলেছে| রাজ্য সরকার উপজাতি এলাকাগুলোতেমেয়েদের জন্য নতুন হোস্টেল নির্মাণের কাজ হাতে নিয়েছে| আজ আমি এ ধরনের একটিহোস্টেলের উদ্বোধন করেছি| মনিপুরের মহিলারা কৃষি থেকে হস্তকারু শিল্প পর্যন্তবিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে যুক্ত| মহিলারা যাতে তাঁদের পণ্যের বিক্রি করারক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়েন, তার জন্য সম্পূর্ণরূপে মহিলাদের পরিচালিতবাজার তৈরি করা হচ্ছে| শ্রী বীরেন জি ’ রনেতৃত্বাধীন সরকার গোটা রাজ্যেই এই ধরনের বাজার তৈরি করছে| এ ধরনের একটি বাজারেরউদ্বোধন আমি করেছি| সরকারের ই-মার্কেটকেও যাতে জনপ্রিয় করে তোলা যায়, তার জন্যপদক্ষেপ গ্রহণ করতে আমি শ্রী বীরেন জি ’ কে অনুরোধজানাবো| সরকারের কাছে পণ্য বিক্রি করার জন্যও এটা একটা মঞ্চ| তা থেকে মনিপুরেরমহিলারা প্রচুর সুবিধা পেতে পারেন| আজ আমি রাজ্যে ১০০০টি অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারেরওউদ্বোধন করেছি| এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মা ও তাদের শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নয়নেরজন্য এক মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে|  

তাছাড়াসম্প্রতি নারী দিবসে যে জাতীয় পুষ্টি মিশনের সূচনা হয়েছে, তা থেকেও তারা লাভবানহবেন| এই প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে, পুষ্টিকর খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও টিকা দেওয়ারক্ষেত্রে একটা লক্ষ্যপূর্ণ পদ্ধতি গ্রহণ করা|    

যেসবচিকিত্সক, শিক্ষক ও নার্সদের পোস্টিং পাহাড়ি জেলাগুলোর প্রত্যন্ত ও দূরবর্তীএলাকায় রয়েছে, সেই জায়গায় যথাযথভাবে থাকার সুযোগ না থাকায় তারা অনেক কষ্টেরমুখোমুখি হচ্ছেন| এই সমস্যা দূর করতে পাহাড়ি ও প্রত্যন্ত এলাকার ১৯টি জায়গায় আমিচিকিত্সক, ডাক্তার ও নার্সদের থাকার সুবিধার জন্য আবাসন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তরস্থাপন করেছি| আমি নিশ্চিন্ত যে, এই উদ্যোগের ফলে এ ধরনের অঞ্চলের মানুষদেরউত্সর্গীকৃত সেবা প্রদানে স্বাস্থ্যকর্মীরা উদ্দীপিত হবেন|  

বন্ধুগণ,  

উত্তর-পূর্বাঞ্চলনিয়ে আমাদের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে  ‘ পরিবহনেরমাধ্যমে রূপান্তর ’ | আমাদের দৃষ্টি হচ্ছে যোগাযোগেরওপর| হেলিকপ্টার পরিষেবার মাধ্যমে মনিপুরের প্রত্যন্ত এলাকাকে সংযুক্ত করার জন্যকাজ চলছে| বিভিন্ন ধরনের সড়ক প্রকল্প নিয়েও কাজ করছে সরকার| আমিও আজ একটিগুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছি|  

পর্যটনেরক্ষেত্রে তুলে ধরার মতো মনিপুরের অনেক বিষয় রয়েছে:- বন ও বন্যপ্রাণী, নীল পাহাড়,সতেজ সবুজ উপত্যকা, ছবির মতো সুন্দর চা-বাগান এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি| এইঅঞ্চলের ইংরেজি বলা উচ্চ শিক্ষিত যুব-অংশ মনিপুরকে এক আদর্শ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেগড়ে তোলার জন্য একেবারেই সঠিক| যদি তা সঠিকভাবে করা যায়, তাহলে পর্যটনের ক্ষেত্রটিএই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থানের বিষয় হয়ে উঠতে পারে|   

আমি ইম্ফলেরকাছাকাছি জনপ্রিয় পাহাড় চেইরাওচিং-এ ইকো-ট্যুরিজমের জন্যও শিলান্যাস করেছি| কেভট্যুরিজম প্রজেক্টের জন্যও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছে|  

বন্ধুগণ,  

আমি সবসময়বলে এসেছি, দেশের পশ্চিম অংশের সঙ্গে সমান তালে যতক্ষণ পর্যন্ত না পূর্ব অংশেরউন্নতি হচ্ছে, ততক্ষণ ভারতের উন্নয়ন সম্পূর্ণ হতে পারবে না| ভারতের প্রবৃদ্ধির একনতুন চালিকা শক্তি হতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চল| উত্তর-পূর্বাঞ্চল যাতে দেশের বাকিঅংশের সঙ্গে সমান তালে এগিয়ে যেতে পারে, তার জন্য এই অঞ্চলের বিশেষ চাহিদারদিকগুলো আমরা দেখছি|  

বিভিন্নমন্ত্রক তাদের চলতি প্রকল্পগুলোতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য বিশেষ ব্যবস্হা গ্রহণকরছে| সবগুলো মন্ত্রককে এই অঞ্চলের জন্য তাদের বাজেটে ১০ শতাংশ অর্থ রাখার জন্যবাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং এর সম্পূর্ণ ব্যবহারই আমার সরকারের প্রধান প্রচেষ্টা|আমি আমার মন্ত্রিসভার সহযোগীদের বলেছি, বাধ্যতামূলকভাবে নিয়মিত এই অঞ্চল পরিদর্শনকরার জন্য এবং বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ সঠিকভাবে করতে সেগুলোর পর্যালোচনা করারজন্য| এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীগণের এ ধরনের ২০০ টি ’ রবেশি সফর হয়েছে| গত চার বছরে আমি ২৫ বারের বেশি উত্তর-পূর্বাঞ্চল সফর করেছি|  

এই অঞ্চলেরপরিকাঠামোর উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ জোর দিয়েছে| গত তিন বছরেউত্তর-পূর্বাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্কের উন্নয়নের জন্য বার্ষিক গড়ে ৫,৩০০ কোটি টাকাব্যয় করা হয়েছে| যা এর আগের পাঁচ বছরের ব্যয়ের তুলনায় আড়াইগুণ বেশি| মনিপুরেরজিরিবাম স্টেশন ২০১৬ সালে ব্রডগেজ রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে| আমি ২০১৬ সালের মেমাসে জিরিবামগামী প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেনের সূচনা করেছিলাম| আজ উত্তর-পূর্বাঞ্চলেরআটটি রাজ্যের মধ্যে সাতটি রাজ্যই রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে| উত্তর-পূর্বাঞ্চলেরইম্ফল সহ সবগুলো রাজ্যের রাজধানীকে রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য কাজচলছে|  

জিরিবাম-ইম্ফলনতুন লাইন প্রজেক্টে ১৪১ মিটার উচ্চতার পৃথিবীর সর্বোচ্চ ব্রিজ তৈরি হচ্ছে| এইলাইনেই ১১.৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সুরঙ্গের কাজও হচ্ছে, এটাও একটা মাইলফলক|  

২০১৪ সালেরশুরুতে রাজ্যের ঘোষিত জাতীয় মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ছিল মাত্র ১২০০ কিলোমিটার| কিন্তু গতচার বছরে আমরা আরও ৪৬০ কিলোমিটার সড়ককে জাতীয় মহাসড়ক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি, যাঅন্তত ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি| পরবর্তী তিন-চার বছরে কেন্দ্রীয় সরকার মনিপুরের জাতীয়মহাসড়ক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়নের জন্য প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকাবিনিয়োগ করতে যাচ্ছে|  

জাতীয়মহাসড়ক নির্মাণ করা ছাড়াও  ‘ প্রধানমন্ত্রীগ্রামীণ সড়ক যোজনায় ’  আমরা গ্রামীণ বসতিগুলোকে প্রধানসড়কগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করার দিকেও দৃষ্টি দিচ্ছি| কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্পেরঅধীনে গত চার বছরে এই রাজ্যের জন্য ১০০০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দিয়েছে| এই সময়েরমধ্যে আমরা ১৫০টি বসতিকে যুক্ত করেছি| এইসব প্রচেষ্টা হচ্ছে রাজ্যের সড়ক সংযোগেরউন্নয়নে আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন|  

কেন্দ্রীয় সরকার ‘ উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষ পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ’ নামে একটি নতুন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে| নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতেপরিকাঠামো নির্মাণের শুন্যস্থান পূরণ করবে এই প্রকল্প|  

বন্ধুগণ,  

গুয়াহাটিতে২০১৪ সালে পুলিশের মহানির্দেশকদের বার্ষিক সম্মেলনে আমি বিরাট সংখ্যায় পুলিশনিয়োগের জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছিলাম| সে অনুযায়ী দিল্লি পুলিশের কসমোপলিটানচরিত্র রক্ষার জন্য আমরা উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে পুলিশকর্মীদের সংখ্যা বাড়ানোর জন্যপদক্ষেপ গ্রহণ করেছি| আমি এই বিষয়টা জানাতে পেরে আনন্দিত যে, ২০১৬ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলথেকে ১৩৬ জন মহিলা সহ ৪৩৮জন প্রার্থী দিল্লি পুলিশে যোগ দিয়েছেন| এর মধ্যে মনিপুররাজ্য থেকে রয়েছেন ৪৯ জন|  

সম্প্রতি,ভারত সরকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য দশটি ইন্ডিয়া রিজার্ভ ব্যাটালিয়নের অনুমোদনদিয়েছে, যার মধ্যে মনিপুরের দুটি ব্যাটালিয়ন রয়েছে| এই দুটি ব্যাটালিয়ন রাজ্যের২০০০-এর মত যুবককে প্রত্যক্ষভাবে কাজের সুযোগ প্রদান করবে|  

আমরানাগরিক-কেন্দ্রিক এক প্রশাসনকে গঠন করেছি এবং আমরা জনগণের সঙ্গে নিয়মিতভাবে ওগঠনমূলক মত-বিনিময়ের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছি| মনিপুরের ইতিহাসে এ ধরনেরমত-বিনিময় কখনও শোনা যায়নি| “মিয়ামগি নুমিত” এবং “হিল লিডার্স ডে” হচ্ছে এইদৃষ্টিভঙ্গিরই প্রচেষ্টা| আমি জানতে পেরেছি, এ ধরনের ২৪টি মত-বিনিময় অনুষ্ঠানহয়েছে, যেখানে ১৯ হাজারেরও বেশি মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করতে পেরেছেন|  

আমাকে বলাহয়েছে যে, রাজ্য সরকার জনগণের অভিযোগকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে|মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে শুল্কবিহীন নম্বর সহ একটি অভিযোগ কেন্দ্র খোলা হয়েছে|   

সরকারের  ‘ গোটু হিলস ’  উদ্যোগটি এক স্বাগত পদক্ষেপ|সরকারকে জনগণের আরও কাছে নিয়ে যেতে মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত মন্ত্রিসভাকে নিয়ে সবগুলোপাহাড়ি জেলায় সফর করছেন|  

মনিপুর যখনকোনো কিছু করার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়, তখন কোনো শক্তিই তা বাস্তবায়িত হওয়া থেকেঠেকাতে পারে না| এই মনিপুর ভূমিতেই ১৯৪৪ সালে নেতাজি বসু ’ রআই.এন.এ. স্বাধীনতার তূর্যনিনাদ জানিয়েছিল| যা জাতিকে উদ্দীপিত করেছিল এবংস্বাধীনতার সংগ্রামকে প্রয়োজনীয় শক্তি প্রদান করেছিল|  

আজ মনিপুরনব-ভারতের উদয়ের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণকরেছে| উন্নয়নের রাজনীতি ও সুপ্রশাসন বলতে সত্যিকার অর্থে কী বুঝায়, মনিপুর তা গতএক বছরে প্রদর্শন করেছে|  

বন্ধুগণ,  

এক বছর আগেযে ভালবাসা আপনারা আমাকে দিয়েছেন, তার জন্যই আমরা এইসব কাজ করতে পারছি|  

আমি আপনাদেরআশ্বস্ত করতে চাই যে, শ্রীযুক্ত এন. বীরেন সিংহজি ’ রটিমকে আমার পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ সহায়তা দিয়ে যাবো|  

আমি আরওএকবার একবছর পূর্ণ করার জন্য রাজ্য সরকারকে, উন্নয়নের এই প্রকল্পগুলোর জন্যরাজ্যের মানুষদের বিশেষ করে এখানকার নব-যুবদের আমি অনেক অনেক অভিনন্দন জানাচ্ছি|  

আরও একবারআপনাদের সবাইকে অনেক-অনেক ধন্যবাদ!!!  

ময়ামাবু  

থাগত-চারি  

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India-UK free trade deal to take effect on July 15, opening 99% of exports to tariff-free access

Media Coverage

India-UK free trade deal to take effect on July 15, opening 99% of exports to tariff-free access
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister highlights efforts to preserve and promote India’s cultural heritage
June 18, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi has highlighted efforts to preserve and promote India’s cultural heritage and said that India’s cultural heritage is being preserved, celebrated and carried forward with renewed vigour.

The Prime Minister stated that guided by the vision of ‘Virasat Bhi, Vikas Bhi’, efforts ranging from the repatriation of antiquities to strengthening spiritual and pilgrimage infrastructure are reconnecting people with India’s timeless traditions.

In a post on X, he said;

“India’s cultural heritage is being preserved, celebrated and carried forward with renewed vigour.

Guided by the vision of ‘Virasat Bhi, Vikas Bhi’, efforts ranging from the repatriation of antiquities to strengthening spiritual and pilgrimage infrastructure are reconnecting people with India’s timeless traditions.

#12YearsOfVikasBhiVirasatBhi”