ভারতে এখন কি হচ্ছে, এ ব্যাপারে আমি আরও কিছু বলতে চাই। আমরা অদূর ভবিষ্যতেই ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হয়ে উঠব: প্রধানমন্ত্রী
বিগত চার বছরে, সহজে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সূচকে ভারত ৬৫ ধাপ উন্নতি করে ৭৭তম স্থানে উঠে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী মোদী
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে গবেষণা ও উন্নয়ন অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে চলেছে: প্রধানমন্ত্রী মোদী

মাননীয়,

ইয়ুনমো সাং, বাণিজ্য, শিল্প ও শক্তি মন্ত্রী,

বিশিষ্ট বাণিজ্যিক নেতৃবৃন্দ,

 

বন্ধুগণ,

 

শুভ অপরাহ্ন। সিওলে আজ আপনাদের সঙ্গে মিলিত হতে পেরে আমি আনন্দিত। মাত্র ১২ মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যিক নেতৃবর্গের সঙ্গে এটি আমার তৃতীয় আলাপচারিতা। আমার সদিচ্ছা অনেক। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ভারতে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ যাতে বৃদ্ধি পায়, সে বিষয়ে আমি অত্যন্ত আগ্রহী। আমি যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম তখনও দক্ষিণ কোরিয়া সফর করেছি। দক্ষিণ কোরিয়া আমার কাছে অর্থনৈতিক বিকাশের আদর্শস্বরূপ।

 

বন্ধুগণ,

 

১২৫ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারত, বর্তমানে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

 

·         ভারত কৃষি প্রধান অর্থনীতির দেশ থেকে শিল্প ও পরিষেবামূলক অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে।

·         এমন একটি অর্থনীতি যা সারা বিশ্বের সঙ্গে একত্রে সংযুক্ত।

·         এমন একটি অর্থনীতি, যেটি লাল ফিতের বন্ধন থেকে বেড়িয়ে লাল কার্পেটের দিকে এগোচ্ছে।

 

ভারতে বর্তমানে সুযোগ বেড়েছে। আমরা ভারতের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে যখন কাজ করে চলেছি, তখন আমাদের সহযোগী হিসেবে চেয়েছি সম-মানসিকতাসম্পন্ন সহযোগী। এদের মধ্যে আমি দেখেছি দক্ষিণ কোরিয়া প্রকৃতই ভারতের সহযোগী হওয়ার ক্ষমতা রাখে। ভারত, দক্ষিণ কোরিয়ার ১০টি বাণিজ্যিক সহযোগী দেশের একটি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্য রপ্তানির ষষ্ঠ বৃহত্তম গন্তব্য। ২০১৮-য় আমাদের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২১.৫ বিলিয়ন ডলার। সুসংহত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বমূলক চুক্তিটিকে আরও উন্নত করতে আলাপ-আলোচনা চালানো হবে, যাতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছনো যায়। ভারতে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগের পরিমাণ ৬ বিলিয়ন ডলার।

বন্ধুগণ,

 

২০১৫ সালে আমার দক্ষিণ কোরিয়া সফরের পর আমরা ঐ দেশকে সহযোগিতার জন্য ‘ইনভেস্ট ইন্ডিয়া’র অধীনে “কোরিয়া প্লাস” সেল চালু করি। হুন্ডাই, স্যামসাং, এলজি ইলেক্ট্রনিক্স ভারতে এখন নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড। এর মধ্যে অচিরেই যুক্ত হবে কিয়া ব্র্যান্ডটি। ভারতে দক্ষিণ কোরিয়ার ৬০০টি বাণিজ্যিক সংস্থা বিনিয়োগ করেছে। আমরা দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আরও বেশি বিনিয়োগ আশা করি। এজন্য, দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য ভিসা-অন-অ্যারাইভ্যালের ব্যবস্থা করা হয় ২০১৮-র অক্টোবর থেকে। আমরা ভারতে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যিক দপ্তরগুলির আরও বেশি উপস্থিতি কামনা করি। অদূর ভবিষ্যতে ভারত ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) চালু করা হয়েছে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য করার যে র‍্যাঙ্কিং পদ্ধতি রয়েছে, তাতে ভারত ৬৫ ধাপ এগিয়ে ৭৭-এ উন্নীত হয়েছে। আগামী বছর আমরা সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য করার ক্ষেত্রে সেরা ৫০-এর মধ্যে পৌঁছনোর লক্ষ্য নিয়েছি। বর্তমানে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের দরজা পুরোপুরি খোলা। বিগত চার বছরে আমরা ২৫০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আনতে পেরেছি।

বন্ধুগণ,

 

আমরা আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারেও যথেষ্ট উদ্যোগী হয়েছি। বিগত তিন বছরে আমরা ৩০ কোটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পেরেছি তাঁদের ক্ষেত্রে যাঁদের কোনদিনই কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল না। এখন ভারতীয় পরিবারগুলির ৯৯ শতাংশের কাছেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং এই অ্যাকাউন্টগুলিতে ১২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি জমা পড়েছে। বিগত তিন বছরে ‘মুদ্রা’ যোজনায় আমরা ৯০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্ষুদ্র ঋণ ১২ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষকে দিতে পেরেছি। এর মধ্যে, ৭৪ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়েছে মহিলাদেরকে। আমরা বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং মোবাইল ফোনের সুবিধা দিয়েছি যাতে ভর্তুকি এবং পরিষেবা দেওয়া যায় তাঁদের, যাঁরা এতদিন ব্যাঙ্ক ব্যবস্থার আওতায় ছিলেন না। গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণের ক্ষেত্রেও আমরা যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছি। ভারত বর্তমানে আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার দ্বারা সম্মানিত কারণ, ভারতের বহু গ্রাম  ২০১৮-র মধ্যে বৈদ্যুতিকীকরণের আওতায় চলে এসেছে। এই উদ্যোগ এবং একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সৌর জোট গড়ে তোলার ব্যাপারে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাতে ‘গ্রিন গ্লোবাল ইকনমি’ সৃষ্টির পথিকৃৎ হয়ে যাবে ভারত।

বন্ধুগণ,

 

অর্থনৈতিক প্রগতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যোগ রয়েছে বিশ্বমানের পরিকাঠামোর – তা পরিবহণই হোক, বা বিদ্যুৎ অথবা বন্দর কিংবা জাহাজ নির্মাণ অথবা নগর পরিকাঠামো। ভারতে এগুলির বিপুল চাহিদা রয়েছে এবং পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার রয়েছে প্রযুক্তিগত ক্ষমতা।আমাদের হিসেব মতো, ভারতে ২০২২ সালের মধ্যে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ৭০০ বিলিয়ন ডলারের মতো বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। ‘সাগরমালা’ প্রকল্পের অন্তর্গত কিছু বন্দর প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে যেখানে আগামী পাঁচ বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতের ৫০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যা নগর-কেন্দ্রিক হয়ে যাবে এবং এর ফলে ভারতে স্মার্ট সলিউশন গড়ে তোলার জন্য সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভারতে পরিকাঠামোমূলক উন্নয়নে সহযোগিতা করার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরে ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল এবং রপ্তানি ঋণ-এর অধীনে প্রকল্পগুলিতে আর্থিক সহায়তাদানের জন্য ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় নির্ধারণ করেছে।

বন্ধুগণ,

 

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যুগে গবেষণা এবং উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এজন্য আমরা ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি ‘স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া’ চালু করেছি এবং এই কর্মসূচির জন্য চার বছরে ১.৪ বিলিয়ন ডলার অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে যাতে ভারতে স্টার্ট-আপ ব্যবস্থা শুরু করা যায়। প্রেসিডেন্ট মুন-এর নেতৃত্বে দক্ষিণ কোরিয়া ২০২০-র মধ্যে ৯.৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার একটি কর্মসূচির কথা জানিয়েছে যাতে, স্টার্ট-আপ উদ্যোগগুলির মূলধনের প্রয়োজন বেশি করে মেটানো যায়। আমরা স্বপ্ন দেখছি, একটি ভারত-কোরিয়া স্টার্ট-আপ কেন্দ্র গড়ে তোলার যেটি দক্ষিণ কোরিয়ার স্টার্ট-আপ উদ্যোগ এবং ভারতের মেধার মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি হাবের মতো কাজ করবে। সাউথ কোরিয়ান ন্যাশনাল আইটি ইন্ডাস্ট্রি প্রোমোশন এজেন্সি বেঙ্গালুরুতে তাদের ভারতীয় দপ্তর খুলেছে যাতে ভারতে দক্ষিণ কোরিয়ার স্টার্ট-আপ চালু করা যায়। উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও দুটি দেশ ‘ইন্ডিয়া-কোরিয়া ফিউচার স্ট্র্যাটেজি গ্রুপ’ এবং ‘ইন্ডিয়া-কোরিয়া সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন কো-অপারেশন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বন্ধুগণ,

 

আমরা, আমাদের দেশের নাগরিকদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী। দু’দেশের বাণিজ্যিক নেতৃবৃন্দ আমাদের স্বপ্ন নিজেদের মধ্যে যদি ভাগ করে না নেন, তাহলে আমাদের দু’দেশের সরকারের প্রচেষ্টার সম্পূর্ণ রূপায়ণ অসম্ভবই থেকে যাবে। আমি কোরিয়ার ভাষায় শেষ করতে চাই –

 

হুনজা খাময়োন পল্লী খাজীমন

হমকে খাময়োন মল্লী খম্নিদা

 

অর্থাৎ, তুমি দ্রুত যাবে যদি তুমি একা যাও, কিন্তু তুমি দূরে যাবে যদি একসঙ্গে যাও।

 

ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Great To See How He Supports Art': 'Fauda' Star Lior Raz On Meeting PM Modi In Israel

Media Coverage

Great To See How He Supports Art': 'Fauda' Star Lior Raz On Meeting PM Modi In Israel
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
The HPV vaccination campaign, launched from Ajmer, marks a significant step towards empowering the nation’s Nari Shakti: PM Modi in Rajasthan
February 28, 2026
Our government is committed to all-round development: PM
Today, I had the privilege of launching the nationwide HPV vaccination campaign from Ajmer, inaugurating and laying foundation stones for multiple projects and distributing appointment letters to the youth: PM
The HPV vaccination campaign has commenced from Ajmer, this campaign is a significant step towards empowering the Nari Shakti of the country: PM
The double-engine government is moving forward by taking both Rajasthan’s heritage and development together: PM
The campaign to link rivers started by our government will significantly benefit Rajasthan: PM
There is no shortage of sunlight in Rajasthan, this very sunshine is becoming a source of savings and income for the common man: PM
A very significant role is being played by the PM Surya Ghar Free Electricity Scheme, this scheme has the power to change Rajasthan's destiny: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

तीर्थराज पुष्कर और माता सावित्री की इस पावन भूमि पर, आज मुझे आप सबके बीच आने का, आपके आशीर्वाद प्राप्त करने का अवसर मिला है। इस मंच से मैं सुरसुरा के तेजाजी धाम को, पृथ्वीराज की भूमि अजमेर को प्रणाम करता हूं।

मेरे साथ बोलिए –

तीर्थराज पुष्कर की जय।

तीर्थराज पुष्कर की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

वीर तेजाजी महाराज की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

भगवान देव नारायण की जय।

वरूण अवतार भगवान झूलेलाल जी की जय।

भगवान झूलेलाल जी की जय।

मंच पर विराजमान राजस्थान के राज्यपाल हरिभाउ बागडे जी, राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री श्री भजनलाल शर्मा जी, पूर्व मुख्यमंत्री बहन वसुंधरा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी भगीरथ चौधरी जी, उपमुख्यमंत्री प्रेमचंद भैरवा जी, दिया कुमारी जी, संसद में मेरे साथी, भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष मदन राठौर जी, उपस्थित अन्य मंत्रिगण, अन्य महानुभाव और राजस्थान के मेरे प्यारे भाई और बहनों। मैं पूज्य संतों का बहुत आभारी हूं, कि हमें आशीर्वाद देने के लिए इतनी बड़ी संख्या में पूज्य संतगण यहां मौजूद हैं।

साथियों,

अजमेर आस्था और शौर्य की धरती है। यहां तीर्थ भी है और क्रांतिवीरों के पदचिन्ह भी हैं। अभी कल ही मैं इजराइल की यात्रा को पूरा करके भारत लौटा हूं। राजस्थान के सपूत मेजर दलपत सिंह के शौर्य को इजराइल के लोग आज भी गौरव से याद करते हैं। मुझे भी इजराइल की संसद में, मेजर दलपत सिंह जी के शौर्य को नमन करने का सौभाग्य मिला। राजस्थान के वीर बाकुरों की, इजराइल के हाइफा शहर को आजाद कराने में जो भूमिका थी, मुझे उसका गौरवगान करने का अवसर मिला है।

साथियों,

कुछ समय पहले ही, राजस्थान में भाजपा की डबल इंजर सरकार को दो साल पूरे हुए हैं, मुझे संतोष है कि आज राजस्थान विकास के नए पथ पर अग्रसर है। विकास के जिन वायदों के साथ भाजपा सरकार आपकी सेवा में आई थी, उन्हें तेजी के साथ पूरा कर रही है। और आज का दिन, विकास के इसी अभियान को तेज करने का दिवस है। थोड़ी देर पहले यहां राजस्थान के विकास से जुड़ी करबी 17 हजार करोड़ रूपयों की परियोजनाओं का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। सड़क, बिजली, पानी, स्वास्थ्य, शिक्षा, हर क्षेत्र में नई शक्ति जुड़ रही है। ये सारे प्रोजेक्टस राजस्थान की जनता की सुविधा बढ़ाएंगे और राजस्थान के युवाओं के लिए, रोजगार के भी अवसर पैदा करेंगे।

साथियों,

भाजपा की डबल इंजर सरकार लगातार युवा शक्ति को सशक्त कर रही है। दो साल पहले तक राजस्थान से भर्तियों में भ्रष्टाचार और पेपर लीक की ही खबरें चमकती रहती थीं, आती रहती थीं। अब राजस्थान में पेपर लीक पर लगाम लगी है, दोषियों पर सख्त कार्रवाई हो रही है। आज यहां इसी मंच से राजस्थान के 21 हजार से अधिक युवाओं को नियुक्ति पत्र भी सौंपे गए हैं। ये बहुत बड़ा बदलाव आया है। मैं इस बदलाव के लिए, नई नौकरियों के लिए, विकास के सभी कामों के लिए, राजस्थान के आप सभी लोगों को बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आज वीरांगनाओं की इस धरती से, मुझे देशभर की बेटियों के लिए एक अहम अभियान शुरू करने का अवसर मिला है। यहां अजमेर से HPV वैक्सीनेशन अभियान शुरू हुआ है। ये अभियान, देश की नारीशक्ति को सशक्त करने की दिशा में अहम कदम है।

साथियों,

हम सब जानते हैं कि परिवार में जब मां बीमार होती है, तो घर बिखर सा जाता है। अगर मां स्वस्थ है, तो परिवार हर संकट का सामना करने में सक्षम रहता है। इसी भाव से, भाजपा सरकार ने महिलाओं को संबल देने वाली अनेक योजनाएं चलाई हैं।

साथियों,

हमने 2014 से पहले का वो दौर देखा है, जिसमें शौचालय के अभाव में बहनों-बेटियों को कितनी पीड़ा, कितना अपमान झेलना पड़ता था। बच्चियां स्कूल छोड़ देती थीं, क्योंकि वहां अलग टॉयलेट की सुविधा नहीं होती थी। गरीब बेटियां सेनिटरी पैड्स नहीं ले पाती थीं। पहले जो सत्ता में रहे, उनके लिए ये छोटी बातें थीं। इसलिए इन समस्याओं की चर्चा तक नहीं होती थी। लेकिन हमारे लिए ये बहनों-बेटियों को बीमार करने वाला, उनके अपमान से जुड़ा संवेदनशील मसला था। इसलिए, हमने इनका मिशन मोड पर समाधान किया।

साथियों,

गर्भावस्था के दौरान कुपोषण माताओं के जीवन के लिए बहुत बड़ा खतरा होता था। हमने सुरक्षित मातृत्व के लिए योजना चलाई, मां को पोषक आहार मिले, इसके लिए पांच हज़ार रुपए बहनों के खाते में जमा करने की योजना शुरु की। मां धुएं में खांसती रहती थी, लेकिन उफ्फ तक नहीं करती थी। हमने कहा ये नहीं चलेगा। और इसलिए उज्जवला गैस योजना बनाई गई। ये सब इसलिए संभव हुआ, क्योंकि भाजपा सरकार, सत्ता भाव से नहीं, संवेदनशीलता के साथ काम करती है।

साथियों,

21वीं सदी का एक चौथाई हिस्सा बीत चुका है। आज का समय राजस्थान के विकास के लिए बड़ा महत्वपूर्ण है। भाजपा की डबल इंजन सरकार, राजस्थान की विरासत और विकास, दोनों को साथ लेकर चल रही है। हम सब जानते हैं, अच्छी सड़क, अच्छी रेल और हवाई सुविधा सिर्फ सफर आसान नहीं करती, वो पूरे इलाके की किस्मत बदल देती है। जब गांव-गांव तक अच्छी सड़क पहुँचती है, तो किसान अपनी फसल सही दाम पर बेच पाता है। व्यापारी आसानी से अपना सामान बाहर भेज पाते हैं। और हमारा अजमेर-पुष्कर तो, उसकी पर्यटन की ताकत कौन नहीं जानता। अच्छी कनेक्टिविटी का पर्यटन पर सबसे अच्छा असर पड़ता है। जब सफर आसान होता है, तो ज्यादा लोग घूमने आते हैं।

और साथियों,

जब पर्यटक आते हैं तो स्वाभाविक है होटल चलते हैं, ढाबे चलते हैं, कचौड़ी और दाल बाटी ज्यादा बिकती है, यहां राजस्थान के कारीगरों का बनाया सामान बिकता है, टैक्सी चलती है, गाइड को काम मिलता है। यानी एक पर्यटक कई परिवारों की रोज़ी-रोटी बन जाता है। इसी सोच के साथ हमारी सरकार, राजस्थान में आधुनिक कनेक्टिविटी पर बहुत बल दे रही है।

साथियों,

जैसे-जैसे राजस्थान में कनेक्टिविटी का विस्तार हो रहा है, वैसे-वैसे यहां निवेश के लिए भी अवसर लगातार बढ़ते जा रहे हैं। दिल्ली-मुंबई इंडस्ट्रियल कॉरिडोर के इर्द-गिर्द उद्योगों के लिए एक बहुत ही शानदार इंफ्रास्ट्रक्चर बनाया जा रहा है। यानी राजस्थान को अवसरों की भूमि बनाने के लिए, डबल इंजन सरकार हर संभव, अनेक विध काम कर रही है।

साथियों,

राजस्थान की माताएं अपने बच्चों को पालने में ही, राष्ट्र भक्ति का संस्कार देती हैं। राजस्थान की ये धरा जानती है कि देश का सम्मान क्या होता है, और इसीलिए आज राजस्थान की इस धरा पर, मैं आप लोगों से एक और बात कहने आया हूं।

साथियों,

हाल में ही, दिल्ली में, दुनिया का सबसे बड़ा AI सम्मेलन हुआ, Artificial Intelligence इसमें दुनिया के अनेक देशों के प्रधानमंत्री, अनेक देशों के राष्ट्रपति, अनेक देशों के मंत्रि, उस कार्यक्रम में आए थे। दुनिया की बड़ी-बड़ी कंपनियां, उन कंपनियों के कर्ता-धर्ता वो भी एक छत के नीचे इकट्ठे हुए थे। सबने भारत की खुले मन से प्रशंसा की। मैं जरा राजस्थान के मेरे भाई-बहनों से पूछना चाहता हूं। जब दुनिया के इतने सारे लोग, भारत की प्रशंसा करते हैं, ये सुनकर के आपको गर्व होता है की नहीं होता है? आपको गर्व होता है कि नहीं होता है? आपको अभिमान होता है कि नहीं होता है? आपका माथा ऊंचा हुआ या नहीं हुआ? आपका सीना चौड़ा हुआ कि नहीं हुआ?

साथियों,

आपको गर्व हुआ, लेकिन हताशा निराशा में डूबी, लगातार पराजय के कारण थक चुकी कांग्रेस ने क्या किया, ये आपने देखा है। दुनियाभर के मेहमानों के सामने, कांग्रेस ने देश को बदनाम करने की कोशिश की। इन्होंने विदेशी मेहमानों के सामने देश को बेइज्जत करने के लिए पूरा ड्रामा किया।

साथियों,

कांग्रेस, पूरे देश में ल्रगातार हार रही है, और गुस्से में वो इसका बदला, वो भारत को बदनाम करके ले रही है। कभी कांग्रेस, INC यानी इंडियन नेशनल कांग्रेस थी, लेकिन अब INC नहीं बची है, इंडियन नेशनल कांग्रेस नहीं बची है, आज वो INC के बजाय MMC, MMC बन गई है। MMC यानी मुस्लिम लीगी माओवादी कांग्रेस हो चुकी है।

राजस्थान के मेरे वीरों,

इतिहास गवाह है, मुस्लिम लीग भारत से नफरत करती थी, और इसलिए मुस्लिम लीग ने देश बांट दिया। आज कांग्रेस भी वही कर रही है। माओवादी भी, भारत की समृद्धि, हमारे संविधान और हमारे सफल लोकतंत्र से नफरत करते हैं, ये घात लगाकर हमला करते हैं, कांग्रेस भी घात लगाकर, देश को बदनाम करने के लिए कहीं भी घुस जाती है। कांग्रेस के ऐसे कुकर्मों को देश कभी माफ नहीं करेगा।

साथियों,

देश को बदनाम करना, देश की सेनाओं को कमजोर करना, ये कांग्रेस की पुरानी आदत रही है। आप याद कीजिए, यही कांग्रेस है, जिसने हमारी सेना के जवानों को हथियारों और वर्दी तक के लिए तरसा कर रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसने सालों तक हमारे सैनिक परिवारों को वन रैंक वन पेंशन से वंचित रखा था। ये वही कांग्रेस है, जिसके जमाने में विदेशों से होने वाले रक्षा सौदों में बड़े-बड़े घोटाले होते थे।

साथियों,

बीते 11 वर्षों में भारत की सेना ने हर मोर्चे पर आतंकियों पर, देश के दुश्मनों पर करारा प्रहार किया। हमारी सेना, हर मिशन, हर मोर्चे में विजयी रही। सर्जिकल स्ट्राइक से लेकर ऑपरेशन सिंदूर तक, वीरता का लोहा मनवाया, लेकिन कांग्रेस के नेताओं ने इसमें भी दुश्मनों के झूठ को ही आगे बढ़ाया। देश के लिए जो भी शुभ है, जो भी अच्छा है, जो भी देशवासियों का भला करने वाला है, कांग्रेस उस सबका विरोध करती है। इसलिए, देश आज कांग्रेस को सबक सिखा रहा है।

साथियों,

राजस्थान में तो आपने कांग्रेस के कुशासन को करीब से अनुभव किया है। यहां जितने दिन कांग्रेस की सरकार रही, वो भ्रष्टाचार करने और आपसी लड़ाई-झगड़े में ही उलझी रही। कांग्रेस ने हमारे किसानों को भी हमेशा धोखा दिया है। आप याद कीजिए, कांग्रेस ने दशकों तक सिंचाई की परियोजनाओं को कैसे लटकाए रखा। इसका राजस्थान के किसानों को बहुत अधिक नुकसान हुआ है। ERCP परियोजना को कांग्रेस की सरकारों ने केवल फाइलों और घोषणाओं में उलझाकर रखा। हमारी सरकार ने आते ही इस स्कीम को फाइलों से निकालकर धरातल पर उतारने का प्रयास किया है।

साथियों,

हमारी सरकार ने नदियों को जोड़ने का जो अभियान शुरु किया है, उसका बहुत अधिक फायदा राजस्थान को मिलना तय है। संशोधित पार्वती-कालीसिंध-चंबल लिंक परियोजना हो, यमुना-राजस्थान लिंक प्रोजेक्ट हो, डबल इंजन सरकार ऐसी अनेक सिंचाई परियोजनाओं का लाभ किसानों तक पहुंचाने के लिए प्रतिबद्ध है। आज भी झालावाड़, बारां, कोटा और बूंदी जिले के लिए पानी की अनेक परियोजनाओं पर काम शुरु हुआ है। हमारा प्रयास है, कि राजस्थान में भूजल का स्तर भी ऊपर उठे।

साथियों,

भाजपा सरकार, राजस्थान के सामर्थ्य को समझते हुए, योजनाएं बना रही है, उन्हें लागू कर रही है। मुझे खुशी है कि राजस्थान अब, सूरज की ताकत से समृद्धि कमाने वाली धरती बन गया है। हम सब जानते हैं, हमारे राजस्थान में धूप की कोई कमी नहीं। अब यही धूप, सामान्य मानवी के घर की बचत और कमाई का साधन बन रही है। और इसमें बहुत बड़ी भूमिका है, प्रधानमंत्री सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना की। इस योजना में राजस्थान का भाग्य बदलने की ताकत है। इस योजना में भाजपा सरकार लोगों को अपनी छत पर सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए की सहायता देती है। सरकार सीधे आपके बैंक खाते में पैसे भेजती है। आजादी के बाज सब बजट, सब योजनाएं देख लीजिए, जिसमें मध्यम वर्ग को सबसे ज्यादा लाभ होने वाला है, ऐेसी योजना कभी नजर नहीं आएगी, आज इन परिवारों को सोलर पैनल लगाने के लिए 78 हजार रुपए सीधा सरकार देती है। सबसे अधिक लाभ मध्यम वर्ग के लोग ले रहे हैं। और जिससे घर पर एक छोटा सा बिजली घर तैयार हो जाता है। दिन में सूरज की रोशनी से बिजली बनती है, घर में वही बिजली काम आती है और जो ज्यादा बिजली बनती है, वो बिजली ग्रिड में जाती है। और जिस घर में बिजली बनी होती है, उसे भी इसका लाभ मिलता है।

साथियों,

आज राजस्थान में सवा लाख से अधिक परिवार इस योजना से जुड़ चुके हैं। और इस योजना की वजह से, कई घरों का बिजली बिल लगभग जीरो आ रहा है। यानी खर्च कम हुआ है, बचत ज़्यादा हुई है।

साथियों,

विकसित राजस्थान से विकसित भारत के मंत्र पर हम लगातार काम कर रहे हैं। आज जिन योजनाओं पर काम शुरू हुआ है, वो विकसित राजस्थान की नींव को और अधिक मजबूत करेंगे। जब राजस्थान विकसित होगा, तो यहां के हर परिवार का जीवन समृद्ध होगा। आप सभी को एक बार फिर, विकास परियोजनाओं के लिए बहुत-बहुत शुभकामनाएं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

भारत माता की जय!

वंदे मातरम के 150 साल देश मना रहा है। मेरे साथ बोलिये-

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

वंदे मातरम।

बहुत-बहुत धन्यवाद।