শেয়ার
 
Comments
Energy is the key driver of Socio-Economic growth: PM Modi
India has taken a lead in addressing these issues of energy access, says PM Modi
Energy justice is also a key objective for me, and a top priority for India: PM Modi

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টারের ভারতের ত্রয়োদশ ফ্ল্যাগশিপ হাইড্রো কার্বন সম্মেলন পেট্রোটেক ২০১৯ – এর উদ্বোধন করেন।

 

উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী আর্থ-সামাজিক বিকাশের মূল চালিকাশক্তি হিসাবে শক্তি ক্ষেত্রের  গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, অর্থ ব্যবস্থার দ্রুত বিকাশে মূল্য স্থিতিশীলতা, ধারাবাহিক শক্তি সরবরাহ ও সুলভে শক্তির যোগানের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। এই সমস্ত বিষয়গুলি সমাজের দরিদ্র ও বঞ্চিত শ্রেণীর মানুষকে অর্থ-ব্যবস্থার সুফল পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।

 

পশ্চিমী দেশগুলির তুলনায় পূবের দেশগুলিতে শক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খনিজ তেল বিপ্লবের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহৎ তৈল ও গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ হয়ে উঠেছিল। সুস্থায়ী উন্নয়নের উদ্দেশ্যগুলি দ্রুত অর্জনের ক্ষেত্রে স্বল্প মূল্যে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগের মধ্যে যথাযথ ভারসাম্য আনা প্রয়োজন বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শক্তি উৎপাদক ও গ্রাহক উভয়ের স্বার্থ বজায় রাখতে শক্তি সম্পদের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ বর্তমান সময়ের চাহিদা। তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের জন্য এক স্বচ্ছ ও নমনীয় বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবপক্ষকে আরও প্রয়াসী হতে হবে। এভাবেই মানবজাতির শক্তির চাহিদা সম্পূর্ণ মেটানো সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যাগুলি মোকাবিলায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে একজোট হওয়ার বার্তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শ্রী মোদী বলেন, প্যারিসে আয়োজিত কনফারেন্স অফ পার্টিস বা সিওপি – ২১ – এ যে লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়েছে, তা অর্জন করা সম্ভব। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় ভারত তার অঙ্গীকারগুলি পূরণের লক্ষ্যে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে।

শক্তি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গীর ক্ষেত্রে ডঃ সুলতান আল জাবের-কে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রযুক্তি ও প্রক্রিয়ার সহায়তায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লব সমগ্র শিল্প পরিচালনা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। দেশীয় শিল্প সংস্থাগুলি তাদের কর্মদক্ষতা ও নিরাপত্তা বাড়াতে এবং খরচ কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।

 

পরিচ্ছন্ন, সুলভ, নিরবচ্ছিন্ন ও সমানুপাতিক হারে শক্তির পাবার অধিকার সকলেরই রয়েছে বলে উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, দেশ এখন শক্তি সরবরাহের এক নতুন যুগে প্রবেশ করতে চলেছে। বিশ্বে এখনও ১০০ কোটিরও বেশি মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছয়নি। এমনকি, অসংখ্য মানুষ পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি থেকে এখনও বঞ্চিত। সকলের কাছে শক্তি পৌঁছে দিতে ভারত অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছে।

 

তিনি আরও বলেন, ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বিকাশশীল অর্থনীতি। ২০৩০ সাল নাগাদ ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠবে। একই সময়ে বিদ্যুতের গ্রাহকের দিক থেকে ভারত তৃতীয় বৃহত্তম দেশ হয়ে উঠবে। দেশে শক্তির চাহিদা ২০৪০ সাল নাগাদ দ্বিগুণেরও বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে, বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির কাছে ভারত এক লাভজনক বাজারে পরিণত হয়ে উঠতে চলেছে।

২০১৬-র ডিসেম্বরে আয়োজিত দ্বাদশ পেট্রোটেক সম্মেলনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সম্মেলনে তিনি ভারতের ভবিষ্যৎ শক্তি ক্ষেত্র প্রসঙ্গে চারটি স্তম্ভের কথা উল্লেখ করেছিলেন। এগুলি ছিল – সকলকে বিদ্যুতের যোগান, শক্তি ক্ষেত্রে দক্ষতা, সুস্থায়ী শক্তি উৎপাদন এবং শক্তি নিরাপত্তা। সকলের কাছে শক্তি পৌঁছে দেওয়ার ন্যায়-বিচার এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমানে দেশে এই বিষয়টিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই উদ্দেশ্য পূরণে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক নীতি প্রণয়ন ও তার রূপায়ণ করছে। সরকারের এই উদ্যোগগুলির ফলাফল এখন পাওয়া যাচ্ছে। দেশের সমস্ত গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে ন্যায়-বিচার তখনই পূর্ণ হবে, যখন সাধারণ মানুষ তাঁদের সমবেত ক্ষমতার ওপর আস্থা রাখবেন।

 

দেশে ‘নীল শিখা বিপ্লব’ চলছে ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী জানান, রান্নার গ্যাসের সংযোগ পাঁচ বছর আগের ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে এখন ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। বিগত পাঁচ বছরে তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রে একাধিক সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম তৈল পরিশোধন ক্ষমতাসম্পন্ন দেশ হয়ে উঠেছে। দেশে তৈল পরিশোধনের ক্ষমতা ২০৩০ সাল নাগাদ আরও প্রায় ২০ কোটি মেট্রিক টন বাড়বে।

 

ভারত গ্যাস-ভিত্তিক অর্থনীতি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে দ্রুত এগিয়ে চলেছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে ১৬ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি গ্যাস পাইপ লাইন বসানো হয়েছে। এমনকি, আরও ১১ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ গ্যাস পাইপ লাইন বসানোর কাজ চলছে। তিনি আরও জানান, দশম পর্যায়ে ৪০০টি জেলায় নগর-কেন্দ্রিক গ্যাস বন্টন নিলাম প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এর ফলে, দেশের জনসংখ্যার ৭০ শতাংশের কাছে নগর-কেন্দ্রিক গ্যাস বন্টন ব্যবস্থার সুবিধা পৌঁছে যাবে।

 

পেট্রোটেক সম্মেলনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত এ ধরণের সম্মেলনে সমগ্র শক্তি ক্ষেত্র যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে, তার সমাধানসূত্র খুঁজে বের করার ব্যাপারে এক মঞ্চ হিসাবে কাজ করে। এছাড়াও, এ ধরণের মঞ্চ থেকে তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত নতুন নতুন নীতি ও প্রযুক্তির বিষয়ে আলোকপাত করা হয়, যা বাজার স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলে এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও উৎসাহ যোগায়।

Click here to read full text of speech

'মন কি বাত' অনুষ্ঠানের জন্য আপনার আইডিয়া ও পরামর্শ শেয়ার করুন এখনই!
Modi Govt's #7YearsOfSeva
Explore More
আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনপ্রিয় ভাষণ

আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
Govt allows Covid vaccines at home to differently-abled and those with restricted mobility

Media Coverage

Govt allows Covid vaccines at home to differently-abled and those with restricted mobility
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM to deliver video address at ‘Global Citizen Live’ on 25th September
September 24, 2021
শেয়ার
 
Comments

Prime Minister Shri Narendra Modi will deliver a video address at the event ‘Global Citizen Live’ on the evening of 25th September, 2021.

‘Global Citizen’ is a global advocacy organization that is working to end extreme poverty. ‘Global Citizen Live’ is a 24-hour event which will be held across 25th and 26th September and will involve live events in major cities including Mumbai, New York, Paris, Rio De Janeiro, Sydney, Los Angeles, Lagos and Seoul. The event will be broadcast in 120 countries and over multiple social media channels.