প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এনডিএ সরকারের কাজকর্ম ভূয়সী প্রশংসা ও সাধুবাদ অর্জন করেছে বহির্বিশ্বের। যে সমস্ত নীতি বর্তমানে এ দেশে অনুসরণ করা হচ্ছে তা যে ভারতের পরিবর্তনের চাকাতে গতি সঞ্চার করেছে তা তারা স্বীকার করে নিয়েছে এক বাক্যে।

বিশ্ব ব্যাঙ্ক আশা প্রকাশ করেছে যে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ভারতের প্রত্যাশিত বৃদ্ধির হার ৬.৪ শতাংশ, যা কিনা ২০১৪-১৫ আর্থিক সময়কালের ৫.৬ শতাংশেরও শীর্ষে রয়েছে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এই ঘটনা ‘মোদীর কারণেই সম্ভব হয়ে উঠেছে’বলে ব্যাখ্যা করেছে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক আরও বলেছে যে তেলের মূল্য পরিস্থিতি ক্রমশ নিচের দিকে নামতে থাকা সত্ত্বেও সরকার গৃহীত বিভিন্ন নীতির সুবাদে ভারতে বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে বাধ্য।



এই ধরনের ইতিবাচক কথাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট মিঃ জিম ইয়ং কিম-এর কন্ঠে। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘প্রখর চিন্তাভাবনা ও নেতৃত্ব’ ভারতের জনসাধারণের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে সম্ভব করে তুলেছে।আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে ভারতের জন ধন যোজনারও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল কর্তৃপক্ষের মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংস্কারমূলক কর্মসূচি এবং বিশ্বের তেলের বাজারে মূল্য ক্রমশ নিম্নগতি থাকায় ভারতীয় অর্থনীতির বিকাশের হার প্রত্যাশার সীমা ছাড়িয়ে যাবে। এমনকি, তা চিনকেও অতিক্রম করে যেতে পারে বলে তাদের ধারণা ও বিশ্বাস। ভারতের এই সমস্ত সংস্কারমূলক কর্মসূচি বিনিয়োগকারীদের মনে আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে এনেছে বলে মনে করে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিকাশ সম্পর্কিত সংস্থা, ওইসিডি, এক মত প্রকাশের মাধ্যমে জানিয়েছে যে ভারতের অর্থনৈতিক কর্মসূচি ভারতীয় অর্থনীতিকে এক দৃঢ়, নিরন্তর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের পথে চালিত করবে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সংস্কারমুখী উৎসাহ ও কর্মপ্রচেষ্টাই যে এর মূলে সে কথাও উল্লেখ করতে ভোলেনি এই সংস্থাটি।

আন্তর্জাতিক সংস্থা মুডি বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং-এ ভারতের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গিকে পূর্বের ‘স্থিতিশীল’ থেকে ‘ইতিবাচক’-এ উন্নীত করেছে। এর ফলে, বিনিয়োগকারীদের মনে এ দেশের লগ্নি সম্পর্কে যথেষ্ট আশা ও বিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বছরের অন্তর্বর্তী এক প্রতিবেদনে মুডি জানিয়েছে যে ভারতের বিকাশের হার বর্তমান এবং আগামী বছরে ৭ শতাংশের বেশি থাকবে।

এইভাবেই সংস্কারের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদীর উৎসাহমূলক কর্মসূচি এবং সচল ও গতিশীল রূপান্তর প্রক্রিয়া দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সমগ্র বিশ্বের যার ফলে, সকলেই এখন ভারত এবং ভারতের অর্থনীতি সম্পর্কে যথেষ্টই আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
Union Cabinet approves amendment in FDI policy on space sector, upto 100% in making components for satellites

Media Coverage

Union Cabinet approves amendment in FDI policy on space sector, upto 100% in making components for satellites
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...

৫ মে ২০১৭ তারিখ দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতার একটি দৃঢ় অনুপ্রেরণা লাভ করার দিন হিসেবে ইতিহাসে খোদাই করা - ওই দিন দক্ষিণ এশিয়ায় স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, যেটা ভারত প্রতিশ্রুতি পূরণের দুই বছর আগে করেছে।

দক্ষিণ এশিয়া উপগ্রহের সাথে, দক্ষিণ এশীয় দেশগুলিও স্পেসে তাদের সহযোগিতায় প্রসারিত করেছে!

ইতিহাস সৃষ্টির সাক্ষীতে, ভারত, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলংকার নেতারা ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দক্ষিণ এশিয়ায় স্যাটেলাইটটি অর্জন করতে পারে এমন সম্ভাব্য চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, প্রত্যন্ত এলাকায় উন্নততর শাসন, কার্যকর যোগাযোগ, উন্নততর ব্যাঙ্কিং এবং শিক্ষা নিশ্চিত করবে, যথাযথ আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং টেল-মেডিসিনের সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে এটিকে ভাল চিকিত্সা নিশ্চিত করবে।

শ্রী মোদী উল্লেখ করেছেন, "যখন আমরা হা মেলাবো এবং পারস্পরিক জ্ঞান, প্রযুক্তি এবং প্রবৃদ্ধি শেয়ার করবো, তখন আমরা আমাদের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি বাড়িয়ে তুলতে পারবো"।