Launches Boeing Sukanya Program aiming to support entry of girl children into country’s growing aviation sector
Boeing campus will become one of the most cutting-edge examples of the Prime Minister's self-reliant India initiative: Ms Stephanie Pope, COO, Boeing Company
“BIETC will serve as a hub for innovation and drive advancements in aviation”
“Bengaluru links aspirations to innovations and achievements”
“Boeing’s new facility is a clear indication of Karnataka’s rise as a new aviation hub”
“15 percent of India’s pilots are women which is 3 times more than the global average”
“Success of Chandrayaan has infused scientific temper among the youth of India”
“Rapidly growing aviation sector is giving impetus to India's overall growth and employment generation”
“Building a developed India in the next 25 years has now become the resolve of 140 crore Indians”
“India’s policy approach to encourage ‘Make in India’ is a Win-Win situation for every investor”

কর্ণাটকের রাজ্যপাল থাওয়ার চাঁদ গেহলতজি, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াজি, কর্ণাটক বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা আর অশোকজি, ভারতে বোয়িং কোম্পানির সিওও স্টেফানি পোপ, অন্যান্য শিল্প সহযোগীবৃন্দ, ভদ্রমহিলা এবং ভদ্রমহোদয়গণ!

বেঙ্গালুরুতে আগত মাননীয় সকল বিদেশী অতিথিবৃন্দকে আমি আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানাই। উদ্ভাবন প্রচেষ্টার সঙ্গে আশা-আকাঙ্খা ও সাফল্যের যোগসূত্রের একটি বিশেষ স্থানই হল বেঙ্গালুরু। এখানে ভারতের প্রযুক্তিগত সম্ভাবনার সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটে বিশ্বের চাহিদার। বেঙ্গালুরুতে নতুন বিশ্ব প্রযুক্তি ক্যাম্পাসটি এই শহরটির পরিচিতিকে আরও জোরদার করে তুলবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমেরিকার বাইরে এই ক্যাম্পাসটি হল বোয়িং কোম্পানির বৃহত্তম একটি কেন্দ্র। এটি ভারতকেই শুধুমাত্র নতুন ভাবে শক্তি যোগাবে না, একই সঙ্গে তা বিশ্বের বিমান পরিবহণের বিপণন ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করে তুলবে। কিন্তু বন্ধুরা, এই সুযোগ-সুবিধার এখানেই শেষ নয়, বিশ্বের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, উদ্ভাবন ও গবেষণা পদ্ধতি, নক্সা এবং সেই সঙ্গে চাহিদা পূরণে ভারতের অঙ্গীকারবদ্ধতার সঙ্গেও তা সামঞ্জস্যপূর্ণ। 'মেক ইন ইন্ডিয়া' কর্মসূচির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমাদের স্থির সংকল্পের পথে তা বিশেষ উৎসাহব্যঞ্জক। কারণ আমাদের নীতি হল, একই সঙ্গে 'মেক ইন ইন্ডিয়া' এবং 'মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড'। এই ক্যাম্পাসটির স্থাপন এক কথায় ভারতের মেধাশক্তির ওপর বিশ্ববাসীর আস্থা ও বিশ্বাসকেই প্রমাণিত করে। অদূর ভবিষ্যতে ভারত যে সেই সময়কার উপযোগী একটি বিমান তৈরির নক্সা তৈরিতে সাফল্য লাভ করবে আমাদের এই বিশ্বাসের এক বিশেষ উদযাপনের মুহূর্ত হল আজকের এই দিনটি। এই উপলক্ষে আমি আন্তরিক ভাবে অভিনন্দন জানাই বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত পরিচালন কর্তৃপক্ষ এবং সকল সহযোগী অংশীদারদের। সকলকেই জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। 

 

বন্ধুগণ,

কর্ণাটকবাসীদের কাছেও আজ একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিন। গত বছর এশিয়ার বৃহত্তম হেলিকপ্টার উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে এই কর্ণাটকেই। এখন আবার এই রাজ্যটি বিশ্ব প্রযুক্তির এই ক্যাম্পাসটি উপহার পেতে চলেছে। কর্ণাটক কিভাবে একটি বড় ধরণের বিমান পরিবহণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে, আজকের দিনটি তারই প্রমাণ। আমি আজ বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানাবো ভারতের তরুণ ও যুবসমাজকে। কারণ, আজকের এই ক্যাম্পাসটি থেকে তাঁরা বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে নতুন নতুন দক্ষতা অর্জনের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। 

বন্ধুগণ,

আমাদের প্রচেষ্টার মূলে রয়েছে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণে উৎসাহদান। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আমাদের সংকল্পের বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা বিশ্ববাসীর কাছে একথা তুলে ধরেছিলাম যে মহিলা পরিচালিত উন্নয়নের যুগ এখন উপস্থিত। মহাকাশ ও বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধার প্রসারে আমরা সচেষ্ট হয়েছি। যুদ্ধ বিমান চালক অথবা অসামরিক বিমান চালক সর্বত্রই মহিলা পাইলটদের নিযুক্তির ক্ষেত্রে ভারত এখন বিশ্বে অগ্রণী একটি দেশ। আমি বিশেষ গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করতে পারি যে ভারতে বিমান চালকদের মোট সংখ্যার ১৫ শতাংশই অধিকার করে রয়েছেন ভারতীয় মহিলারা, যা কিনা এই ক্ষেত্রটিতে সারা পৃথিবীর সার্বিক গড়ের তুলনায় তিন গুণ বেশি। সম্প্রতি আমরা বোয়িং সুকন্যা কর্মসূচি নামে যে উদ্যোগটি গ্রহণ করেছি, তা ভারতের বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে দেশের কন্যাসন্তানদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রকে আরও প্রসারিত করবে। এমনকি, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমাদের যে কন্যাসন্তানরা অর্থনৈতিক দিক থেকে দুর্বল পরিবারের সদস্য হলেও তাদের স্বপ্নের প্রকৃত বাস্তবায়ন ঘটতে চলেছে। কারণ, দরিদ্র পরিবারগুলির মেয়েরাও সুযোগ লাভ করবেন বিমান চালক হয়ে ওঠার। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিমান চালক হয়ে ওঠার উপযোগী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও আমরা করেছি। 

 

বন্ধুগণ,

সাম্প্রতিক মাসগুলিতে আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে চন্দ্রায়নের ক্ষেত্রে ভারত এক অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করেছে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশ যে ক্ষেত্রটিতে এখনও এগিয়ে আসার সাহস দেখাতে পারেনি, ভারত কিন্তু তাই করে দেখিয়েছে। আমাদের এই সাফল্য দেশের যুব সমাজের মধ্যে বৈজ্ঞানিক বোধ ও মানসিকতা গড়ে তুলতেও যথেষ্ট সাহায্য করেছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং গণিত চর্চার ক্ষেত্রে ভারত এখন হয়ে উঠেছে বিশ্বের এক অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। আমার সাম্প্রতিক এক বিদেশ সফর কালে ভারতের মেয়েরা এক্ষেত্রে কতটা আগ্রহী সে সম্পর্কে একজন বিশিষ্ট বিশ্ব নেতা আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন। উত্তরে আমি যখন তাঁকে জানালাম যে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিত চর্চার ক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এখন ভারতে বেশি করে আগ্রহ দেখাচ্ছেন, তখন তিনি বিস্মিত হলেন। আমাদের বোয়িং সুকন্যা কর্মসূচিটি ভারতের কন্যা সন্তানদের অফুরন্ত সম্ভাবনাকে আরও ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করবে। 

বন্ধুগণ,

আপনারা সকলেই লক্ষ্য করেছেন যে ভারতেরও একটি বিমান পরিবহণ বাজার রয়েছে। গত এক বছরে ভারতের এই বিশেষ ক্ষেত্রটি এক বড় ধরণের রূপান্তর প্রচেষ্টার অধ্যায় অতিক্রম করে এসেছে। বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রটির সঙ্গে যুক্ত সকল সহযোগী অংশীদারদের মধ্যেও এখন তাই নতুন উৎসাহ উদ্দীপনার জোয়ার এসেছে। নির্মাণ ও উৎপাদন শিল্প থেকে পরিষেবা সর্বত্রই ভারতের নতুন নতুন সম্ভাবনার খোঁজ তাঁরা পেয়েছেন। গর্বের কথা ভারত আজ প্রকৃত অর্থেই বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম একটি বিমান পরিবহণ শিল্পের মর্যাদা লাভ করেছে। এদেশের বিমান যাত্রীর সংখ্যা এক দশকের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। আমাদের উড়ান কর্মসূচিটি এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে এই রূপান্তর প্রচেষ্টায়। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী কয়েক দশকের মধ্যে ভারতের বিমান যাত্রীর সংখ্যা ক্রমান্নয়ে আরও বৃদ্ধি পেতে চলেছে। উত্তরোত্তর এই চাহিদা বৃদ্ধির কথা লক্ষ্য করে ভারতীয় বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলি শত শত নতুন বিমানের বরাদ দিয়েছে। এই ভাবেই বিশ্বের বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে ভারত দেশবাসীর মধ্যে নতুন ভাবে উৎসাহ সঞ্চার করতে পেরেছে। 

 

বন্ধুগণ, ভারতের বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে আমাদের সার্বিক উৎসাহ উদ্দীপনার বিষয়টি এখন লক্ষ্য করার মতো। এক্ষেত্রে প্রশ্ন হল যে গত ১০ বছরের মধ্যে এমন কি ঘটনা ঘটল যাতে বিশ্বের বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে ভারত এই ধরণের এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হল। এই প্রশ্নের উত্তর নিহিত রয়েছে আমাদের অঙ্গীকার ও দায়বদ্ধতার মধ্যে। কারণ, দেশবাসীর আশা-আকাঙ্খাকে আমরা বিশেষ অগ্রাধিকারের সঙ্গে বিবেচনা করেছি। সেই সঙ্গে আমরা সচেষ্ট রয়েছি দেশের নাগরিকদের জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও সরল করে তোলার দিকে। একদা দেশের বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রটির অবস্থা এতটাই করুণ ছিল যে আমাদের কাছে তার মোকাবিলা করা হয়ে উঠেছিল এক চ্যালেঞ্জ বিশেষ। দেশের সম্ভাবনাকে কিভাবে বাস্তবে রূপান্তরিত করা যায় সে সম্পর্কে আমাদের চিন্তা-ভাবনার পথে প্রতিবন্ধকতা ছিল প্রচুর। এই পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে আমরা যোগাযোগ পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ প্রচেষ্টাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দান করি। ভারত যাতে ভবিষ্যতে বিশ্ব বাজারে অংশগ্রহণের জন্য সংযোগ ও যোগাযোগের পথ প্রশস্ত করে তুলতে পারে সেই লক্ষ্যে আমাদের দৃষ্টি ছিল নিবদ্ধ। ২০১৪ সালে ভারতে চালু বিমান বন্দরের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭০টি। কিন্তু বর্তমানে এই সংখ্যা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০টিতে। নতুন নতুন বিমান বন্দর স্থাপন ছাড়াও পুরানো বিমান বন্দরগুলির কাজকর্মে দক্ষতাও আমরা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়িয়ে তুলেছি। 

বন্ধুগণ,

ভারতে বিমান বন্দর পরিকাঠামোর সম্প্রসারণের সাথে সাথে আকাশপথে মাল পরিবহণের মাত্রাও কিন্তু বৃদ্ধি পেয়েছে দ্রুততার সঙ্গে। ফলে, দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বিমানযোগে মাল পরিবহণের কাজ এখন অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। এমনকি, এই মালপত্র পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্ববাজারেও। ভারতের বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রটি দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ায় দেশের সার্বিক অগ্রগতি শুধু নিশ্চিত হয়নি, সেই সঙ্গে তা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সহায়ক হয়েছে। 

বন্ধুগণ, 

ভারত তার বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রের ক্রমবৃদ্ধির সাথে সাথে নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রেও বিশেষ উদ্যোগী হয়ে উঠেছে। বিমানের জ্বালানী খাতে ব্যয়ের মাত্রা কমিয়ে আনতে রাজ্য সরকারগুলিকে আমরা উৎসাহিত করেছি এই জ্বালানীর ওপর করের মাত্রা হ্রাস করার জন্য। গিফট সিটিতে আন্তর্জাতিক আর্থিক পরিষেবা কেন্দ্রও স্থাপন করা হয়েছে। যার ফলে, দেশের সার্বিক বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রটি বিশেষ ভাবে উপকৃত হয়েছে। 

 

বন্ধুগণ,

লালকেল্লার প্রাকার থেকে আমি উচ্চারণ করেছিলাম এমন একটি কথা যার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল - "এখনই হল সেই সময় - এক প্রকৃত সময়"। ভারতের এই দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার এটি হল এক বিশেষ সময় বোয়িং সহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির। ১৪০ কোটি ভারতবাসীর অঙ্গীকারই হল আগামী ২৫ বছরের মধ্যে এক উন্নত ভারত গঠনের স্বপ্নকে সফল করে তোলার। গত ৯ বছরে ২৫ কোটি ভারতবাসীকে দারিদ্র সীমার ঊর্ধ্বে নিয়ে আসার কাজে আমরা সফল হয়েছি। ফলে, উদ্ভব ঘটেছে এক নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর। আমাদের দেশে সকলের আয় ও উপার্জনও উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি, দেশের পর্যটন শিল্পও সম্প্রসারিত হচ্ছে দ্রুততার সঙ্গে। ফলে, আপনাদের সকলের জন্য নতুন নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনার দ্বার এখন ক্রমশ উন্মুক্ত হচ্ছে। 

বন্ধুগণ, 

এই সমস্ত সুযোগ ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশে বিমান উৎপাদনের উপযোগী পরিবেশ ও পরিস্থিতি আমরা গড়ে তুলতে চলেছি। ক্ষুদ্র, মাঝারি ও অণুশিল্প ক্ষেত্রটিও ক্রমে প্রসারিত হচ্ছে। আমাদের দেশে গঠিত হয়েছে এক স্থায়ী সরকার এবং নীতিগত পদক্ষেপকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। এসমস্ত কিছু আমাদের মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে আরও বেশি করে উৎসাহিত করেছে। দেশের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎসাহ-উদ্দীপনার জোয়ার এসেছে নতুন ভাবে। আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি যে ভারতের আশা-আকাঙ্খা এবং আপনাদের শিল্প প্রসারমুখী কর্ম প্রচেষ্টা এক শক্তিশালী অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতে চলেছে। আপনাদের সকলকে আমি আরও একবার জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, কারণ আপনারা এই ধরণের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের পাশাপাশি দিব্যাঙ্গজনদের জন্য যথেষ্ট কার্যকর উদ্যোগের স্বাক্ষর রেখেছেন। দেশবাসীর সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে আমি অনুভব ও উপলব্ধি করেছি যে একটি পদ্ধতিগত ব্যবস্থাই শুধুমাত্র গড়ে উঠছে তা নয়, একই সঙ্গে তার সঙ্গে রয়েছে আবেগের এক বিশেষ স্পর্শ। বোয়িং কর্তৃপক্ষের স্থির সংকল্প ও আত্মবিশ্বাস ছাড়া আবেগের এই সম্পর্ক কখনোই গড়ে উঠতো না। এজন্য সমগ্র বোয়িং টিমকে আমি বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানাই। 

আপনাদের সকলকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India stands tall in shaky world economy as Fitch lifts FY26 growth view to 7.5%

Media Coverage

India stands tall in shaky world economy as Fitch lifts FY26 growth view to 7.5%
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Barak Valley will become a major logistics and trade hub for the North East: PM Modi in Silchar, Assam
March 14, 2026
Today, North-East India is the center of India’s Act East Policy; It is becoming a bridge that connects India with South-East Asia: PM
The farmers of Barak Valley and tea garden workers have made a significant contribution to Assam’s development; the Government is continuously working for farmers’ welfare: PM
We consider border villages as the nation’s first villages; the next phase of the Vibrant Village Programme was launched from Cachar district to boost development in several Barak Valley villages as well: PM

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

भारत माता की जय।

प्रानोप्रिय बोराक उपत्यकार, सम्मानित नागरिकवृंद, आपनादेर शोबाई के आमार प्रोणाम जानाई।

राज्य के लोकप्रिय मुख्यमंत्री हिमंता बिस्वा सरमा जी, केंद्रीय मंत्रिमंडल में मेरे साथी सर्बानंद सोनोवाल जी, उपस्थित राज्य सरकार के मंत्रीगण, जनप्रतिनिधिगण और मेरे प्यारे भाईयों और बहनों।

संस्कृति, साहस और जीवंतता से भरपूर बराक वैली के आप सभी परिवारजनों के बीच आना बहुत विशेष अनुभव रहता है। सिलचर को तो बराक घाटी का गेटवे कहा जाता है। ये वो जगह है जहां इतिहास, भाषा, संस्कृति और उद्यम ने मिलकर अपनी एक विशेष पहचान बनाई है। यहां बांग्ला बोली जाती है, असमिया की गूँज सुनाई देती है और अन्य जनजातीय परंपराएं भी फुलती-फलती हैं। यहां इतनी विविधता को अपनी ताकत बनाकर आप सभी भाईचारे के साथ, सद्भाव के साथ, इस पूरे क्षेत्र का विकास कर रहे हैं। ये बराक वैली का बहुत बड़ा सामर्थ्य है

साथियों,

बराक नदी के उपजाऊ मैंदानों ने, यहां के चाय बागानों ने, यहां के किसानों को, यहां के ट्रेड रूट्स को, एजुकेशन सेंटर्स को हमेशा प्रोत्साहित किया है। ये क्षेत्र असम ही नहीं, पूरे नॉर्थ ईस्ट और पश्चिम बंगाल को भी कनेक्ट करता है। बराक घाटी के इसी महत्व को 21वीं सदी में और अधिक सशक्त करने के लिए मैं आज आपके बीच आया हूं, आपके आशीर्वाद लेने आया हूं। थोड़ी देर पहले यहां बराक वैली की कनेक्टिविटी से जुड़े, नॉर्थ ईस्ट की कनेक्टिविटी से जुड़े, हजारों करोड़ रूपये के प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और लोकार्पण हुआ है। रोड़ हो, रेल हो, एग्रीकल्चर कॉलेज हो, ऐसे हर प्रोजेक्ट्स से बराक वैली नॉर्थ ईस्ट का एक बड़ा लॉजिस्टिक और ट्रेड हब बनने जा रहा है। इससे यहां के नौजवानों के लिए रोजगार के, स्वरोजगार के अनगिनत, अनगिनत अवसर बनने जा रहे हैं। मैं आप सभी को इन सभी विकास परियोजाओं के लिए बहुत-बहुत बधाई देता हूं।

साथियों,

आजादी के अनेक दशकों तक कांग्रेस की सरकारों ने नॉर्थ ईस्ट को दिल्ली से और दिल से, दोनों से ही दूर रखा। कांग्रेस ने नॉर्थ ईस्ट को एक प्रकार से भुला दिया था। लेकिन बीजेपी की डबल इंजन सरकार ने नॉर्थ ईस्ट को ऐसे कनेक्ट किया है कि आज हर तरफ इसकी चर्चा है। आज नॉर्थ ईस्ट भारत की एक्ट ईस्ट पॉलिसी का केंद्र है, दक्षिण पूर्व एशिया के साथ भारत को जोड़ने वाला सेतु बन रहा है।

लेकिन साथियों,

जैसे कांग्रेस ने नॉर्थ ईस्ट को अपने हाल पर छोड़ दिया था, ठीक वैसे ही बराक वैली को भी बेहाल करने में कांग्रेस की बहुत बड़ी भूमिका रही है। जब देश आज़ाद हुआ, तो कांग्रेस ने ऐसी बाउंड्री खींचने दी, जिससे बराक घाटी का समंदर से संपर्क ही कट गया। जो बराक वैली कभी ट्रेड रूट के रूप में, एक औद्योगिक केंद्र के रूप में जानी जाती थी, उस बराक वैली से उसकी ताकत ही छीन ली गई। आज़ादी के बाद भी दशकों तक कांग्रेस की सरकारें रहीं, लेकिन बराक घाटी के विकास के लिए कुछ खास नहीं हुआ।

साथियों,

बीजेपी की डबल इंजन सरकार, इस स्थिति को बदल रही है। हम बराक घाटी को फिर से व्यापार कारोबार का बड़ा हब बनाने के लिए निरंतर काम कर रहे हैं। आज इस दिशा में एक बहुत बड़ा और अत्यंत महत्वपूर्ण कदम उठाया जा रहा है। आज करीब 24 हजार करोड़ रुपए के शिलांग-सिलचर हाई-स्पीड कॉरिडोर का भूमि पूजन हुआ है, 24 हजार करोड़ रुपए, कितने? कितने? 24 हजार करोड़ रुपए। कितने? कितने? कितने? ये जरा कांग्रेस वालों को पूछना, जरा कागज पेन देना और उनको कहना कि जरा कागज पर 24 हजार करोड़ लिखो तो, कितने, कितने जीरो लगते हैं, आएगा नहीं उनको। ये कांग्रेस वालों के दिमाग का ताला जहां बंद हो जाता है ना, वहां हमारा काम शुरू हो जाता है। यह नॉर्थ-ईस्ट का पहला Access Controlled High-Speed Corridor होगा।

साथियों,

ये सिर्फ एक हाईवे प्रोजेक्ट नहीं है, ये नॉर्थ ईस्ट के लोगों के दशकों पुराने इंतजार का अंत हो रहा है। इस कॉरिडोर से सिलचर, मिजोरम, मणिपुर और त्रिपुरा, ये सब राज्य कनेक्ट होने वाले हैं। इन तीनों राज्यों से आगे बांग्लादेश और म्यांमार हैं और फिर आगे दक्षिण-पूर्व एशिया का विशाल बाजार है। यानी बराक घाटी, एक बहुत उज्जवल भविष्य की तरफ जुड़ने का आज शिलान्यास कर रही है। इसका फायदा असम सहित पूरे नॉर्थ ईस्ट के किसानों को होगा, यहां के नौजवानों को होगा। इतनी अच्छी कनेक्टिविटी वाले ये सारा क्षेत्र बनने से, इस पूरे क्षेत्र में इंडस्ट्री को बल मिलेगा, टूरिज्म को फायदा होगा और सबसे बड़ी बात, हिन्दुस्तान का कोना-कोना आसानी से आप लोगों से जुड़ जाने वाला है।

साथियों,

आप सभी यहां सिलचर में ट्रैफिक को लेकर भी काफी परेशान रहे हैं। अब सिलचर फ्लाईओवर से ये समस्या भी कम हो जाएगी। सिल्चर मेडिकल कॉलेज, NIT सिल्चर और असम यूनिवर्सिटी में पढ़ाई कर रहे युवा साथियों के लिए, ये बहुत अच्छी सुविधा हो गई है। इससे आने-जाने में उनका बहुत ही कीमती समय बचने वाला है।

साथियों,

डबल इंजन की बीजेपी सरकार, असम की रेल कनेक्टिविटी पर भी बहुत अधिक काम कर रही है। खासतौर पर रेलवे का बिजलीकरण हमारी बहुत बड़ी प्राथमिकता रहा है। अब असम का ढाई हजार किलोमीटर से अधिक का रेल नेटवर्क, अब इलेक्ट्रिफाई हो चुका है। अब यहां भी तेज़ गति से ट्रेनें चल पाएंगी, इससे बराक वैली के स्वच्छ वातावरण को भी फायदा मिलेगा।

साथियों,

बराक वैली के किसानों और यहां के चाय-बागानों में काम करने वाले श्रमिकों का असम के विकास में बहुत बड़ा योगदान है। डबल इंजन सरकार किसानों के कल्याण के लिए निरंतर कदम उठा रही है। कल ही, गुवाहाटी से मैंने पीएम किसान सम्मान निधि की अगली किश्त जारी की है। अब तक पीएम किसान सम्मान निधि का देश के किसानों को लाखों करोड़ रूपया, और अकेले हमारे असम के किसानों को 20 हजार करोड़ रुपए से ज्यादा पैसा असम के किसानों को मिल चुका है। अब आप सोचिये, हमने 10 साल में यहां के किसानों की जेब में, 20 हजार करोड़ रुपया उनकी जेब में दिया है। ये कांग्रेस वालों ने 10 साल राज किया, प्रधानमंत्री तो असम से चुनकर के गए थे, उसके बावजूद भी एक फूटी कौड़ी नहीं दी, एक फूटी कौड़ी किसानों को नहीं दी, हमने 20 हजार करोड़ रूपया दिया है। कल बराक वैली के हज़ारों किसानों के खाते में भी, ये आखिरी किस्त भी पहुंची है, ये वाली किस्त पहुंची है और फिर जब चुनाव के बाद आएगा समय, तब भी पहुंचेगी। ये पैसा खेती से जुड़ी छोटी-छोटी जरूरतों को पूरा करने में, मेरे गांव के छोटे-छोटे किसान भाई-बहनों को बहुत बड़ी मदद कर रहा है।

साथियों,

बराक वैली अब अपनी फसलों के लिए ही नहीं, बल्कि कृषि से जुड़ी पढ़ाई और रिसर्च के लिए भी जानी जाएगी। पत्थरकांडी में बराक घाटी के पहले एग्रीकल्चर कॉलेज का निर्माण कार्य आज से शुरु हो रहा है। इससे किसानों को तो फायदा होगा ही, यहां के नौजवानों को कृषि स्टार्टअप्स के लिए सहयोग, समर्थन और प्रोत्साहन मिलेगा।

साथियों,

भाजपा का मंत्र है- जो विकास की दौड़ में पीछे रह गया, उसे प्राथमिकता देना। कांग्रेस की सरकारें बॉर्डर एरिया को, देश के अंतिम गांव मानती थीं। हम बॉर्डर के गांवों को देश के पहले गांव मानते हैं। और इसलिए, बॉर्डर एरिया के विकास के लिए, कछार जिले से ही वाइब्रेंट विलेज प्रोग्राम का अगला चरण शुरु किया था। इससे बराक वैली के अनेक गांवों में भी सुधार होना तय हो गया है।

साथियों,

यहां बड़ी संख्या में चाय-बागानों में कार्य करने वाले साथी भी हैं। असम सरकार ने, चाय-बगानों से जुड़े हजारों परिवारों को, उनकी जमीन का अधिकार देने का ऐतिहासिक काम किया है, वो इन परिवारों के भविष्य को बदलने की एक बड़ी शुरुआत है। जमीन के पट्टे मिलने से, इन परिवारों को सुरक्षा मिली है, उन्हें सम्मान का जीवन मिलना सुनिश्चित हुआ है।

साथियों,

आप जरा वहां से दूर रहिए, अब जगह नहीं है, आगे नहीं आ सकते हैं। देखिए वहां से जरा दूर रखिये उनको, अब आगे नहीं आ सकते भईया, अरे हमारे असम के भाई-बहन तो बड़े समझदार हैं। आपका से प्यार, आपका आशीर्वाद, ये इतनी बड़ी ताकत है, कृपा करके आप।

साथियों,

मैं हेमंता जी की सरकार को बधाई देता हूं, चाय-बागानों में करीब 200 सालों से सेवा दे रही अनेक पीढ़ियों के संघर्ष को आपने आज सम्मान दिया है। देखिए मेरी इस बात पर बादल भी गरजने लग गए। मुझे खुशी है कि जिनको पहले की सरकारों ने अपने हाल पर छोड़ दिया था, उनकी सुध बीजेपी सरकार ने ली है।

साथियों,

ये सिर्फ भूमि पर कानूनी अधिकार का ही मामला नहीं है। इससे ये लाखों परिवार, केंद्र और राज्य सरकार की अनेक कल्याणकारी योजनाओं से भी तेज़ी से जुड़ेंगे। पक्के घर की योजना हो, बिजली, पानी और गैस की योजनाएं हों, इन सब स्कीम्स का पूरा फायदा अब इन परिवारों को मिलना संभव होगा।

साथियों,

बीते सालों में बीजेपी सरकार ने चाय-बागानों में अनेक स्कूल खोले हैं, बच्चों को स्कॉलरशिप्स दिए हैं। सरकारी नौकरियों के लिए भी रास्ते खोले गए हैं। ऐसे प्रयासों से चाय-बागानों के युवाओं के लिए सुनहरे भविष्य के द्वार खुल रहे हैं।

साथियों,

बीजेपी की डबल इंजन सरकार के लिए शिक्षा, कौशल विकास और स्वास्थ्य सुविधाएं बहुत बड़ी प्राथमिकताएं रही हैं। असम ने तो शिक्षा और स्वास्थ्य को लेकर कांग्रेस की उपेक्षा को बहुत लंबे समय तक भुगता है। आज असम शिक्षा और स्वास्थ्य का बहुत बड़ा हब बनकर सामने आ रहा है। इसका बहुत अधिक फायदा बराक वैली को मिला है। आज यहां शिक्षा और स्वास्थ्य से जुड़े अनेक बड़े संस्थान बन चुके हैं।

साथियों,

कांग्रेस ने असम के युवाओं को सिर्फ हिंसा और आतंकवाद के कुचक्र में ही उलझाए रखा था। कांग्रेस ने असम को फूट डालो और राज करो की नीति की प्रयोगशाला बनाया। आज असम के युवाओं के सामने अवसरों का खुला आसमान है। आज असम भारत के सेमीकंडक्टर सेक्टर का अहम हिस्सा बन रहा है। यहां नेक्स्ट जेनरेशन टेक्नॉलॉजी से जुड़ा इकोसिस्टम और टैलेंट तैयार हो रहा है। यहां IIT और IIM जैसे संस्थान बन रहे हैं। मेडिकल कॉलेज, एम्स और कैंसर अस्पतालों का सशक्त नेटवर्क बन रहा है। शांति और प्रगति का ये नया दौर, अनेक बलिदानों और अनेक प्रयासों से आया है। अब ऐसी हर ताकत को मुंहतोड़ जवाब देना है, जो असम को पुराने दौर में धकेलने की कोशिश करती है।

साथियों,

आज मैं सिलचर से असम को सावधान-सतर्क भी करना चाहता हूं। आपने कांग्रेस को असम से बाहर किया। आज देश का हर राज्य कांग्रेस को सबक सिखा रहा है। कांग्रेस एक के बाद एक चुनाव हार रही है। अब निकट भविष्य में, कांग्रेस खुद के पराजय के इतिहास की सेंचूरी मारने वाला है। हार की हताशा से भरी कांग्रेस ने देश के खिलाफ ही मोर्चा खोल दिया है। कांग्रेस के नेता देश को बदनाम करने में जुट गए हैं, आपने देखा है, दिल्ली में इतनी बड़ी AI समिट हुई। आज पूरी दुनिया जब आर्टिफिशियल इंटेलिजेंस, AI को लेकर बहुत ही उत्सुक है। दिल्ली में सफलतापूर्वक विश्व की एक नई आशा पैदा करने वाला AI समिट हुआ। दुनियाभर के नेता, दुनियाभर की टेक्नॉलॉजी कंपनियां, टेक्नॉलॉजी के बड़े-बड़े लीडर दिल्ली आए थे। कांग्रेस ने इस समिट को बदनाम करने के लिए कपड़ा फाड़ प्रदर्शन किया। अब कांग्रेस के पास खुद के कपड़े फाड़ने के सिवा कुछ नहीं बचा है। पूरे देश ने कांग्रेस के इस भौंडे और भद्दे प्रदर्शन की आलोचना की। लेकिन दिल्ली में जो कांग्रेस का शाही परिवार है, वो इस कांड को भी अपना मेडल बता रहा है, देश को बदनाम करने वालों की वाहवाही कर रहा है। ऐसी कांग्रेस, जो देश की विरोधी हो, वो किसी राज्य का भला नहीं कर सकती, वो असम के युवाओं का कभी भला नहीं सोच सकती।

साथियों,

आजकल दुनिया में चारों तरफ और हमारे तो अड़ोस पड़ोस में ही युद्ध के हालात और आप सब भलिभांति युद्ध कि क्या भयानकता है, वो रोजमर्रा देख रहे हो। युद्ध से जो स्थितियां बनी हैं, हमारी सरकार उनसे निपटने के लिए, हमारे देश के नागरिकों को कम से कम मुसीबत आए इसलिए हो सके उतने सारे प्रयास कर रही है। हमारा प्रयास है कि देश के नागरिकों पर युद्ध का कम से कम प्रभाव पड़े। इस समय कांग्रेस से उम्मीद थी कि वो एक जिम्मेदार राजनीतिक दल की भूमिका निभाए, लेकिन कांग्रेस देश हित के इस महत्वपूर्ण काम में भी फिर एक बार फेल हो गई। कांग्रेस पूरी कोशिश कर रही है कि देश में पैनिक क्रिएट हो, देश मुश्किल में फंस जाए। और उसके बाद कांग्रेस भर-भर कर मोदी को गाली दे।

साथियों,

कांग्रेस के लिए और कांग्रेस असम के लिए, देश के लिए कांग्रेस का कोई विजन ही नहीं है, इसलिए, इन्होंने अफवाहों को, झूठ-प्रपंच को ही, और जैसे झूठे रील बनाने की इंडस्ट्री खोलकर रखी है, उसी को हथियार बना दिया है। दुनिया में जो ताकतें भारत के तेज़ विकास को नहीं पचा पा रहीं हैं, जिन विदेशी ताकतों को देश की प्रगति रास नहीं आ रही, कांग्रेस देश का दुर्भाग्य देखिए, कांग्रेस उनके हाथ की कठपुतली बनती जा रही है। इसलिए, असम के हर नागरिक को, हर नौजवान को कांग्रेस से सावधान रहना है।

साथियों,

असम हो, बराक वैली हो, अब ये विकास के पथ पर बढ़ चुका है। बराक वैली, अपनी भाषा, अपने साहित्य, अपनी संस्कृति के लिए जानी जाती है। वो दिन दूर नहीं, जब बराक वैली को विकास के नए सेंटर के रूप में पहचान मिलेगी।

साथियों,

आप इतनी बड़ी तादाद में हमें आशीर्वाद देने आए हैं। जो राजनीति के भविष्य की रेखाएं अंकित करने वाले लोग हैं, वो भांति-भांति की जो संभावनाएं तलाशते रहते हैं, वे आज बराक वैली का ये दृश्य, कल बोड़ो समुदाय का वो दृश्य, टी गार्डन वालों के समूह का दृश्य, ये साफ-साफ बता रहा है कि, इस चुनाव का नतीजा भी क्या होने वाला है। और आप इतनी बड़ी तादाद में आशीर्वाद देने के लिए आए हैं, मैं आपका हृदय से आभारत व्यक्त करता हूं और आप सभी को फिर से विकास परियोजनाओं की बहुत-बहुत बधाई देता हूं। मेरे साथ बोलिये-

भारत माता की जय!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!

वंदे मातरम्!