Today is a day of new hope and new achievement for the entire Hadoti region including Kota, Bundi, Baran and Jhalawar: PM
This modern airport, to be built at a cost of ₹1,500 crore, will give new momentum to the development of the entire region in the coming time: PM
When this airport becomes operational, travel will be easier and trade will grow rapidly across the entire area, including Kota : PM
Kota is today advancing rapidly in the field of connectivity: PM
Under the Amrit Bharat Station Scheme, both major railway stations of Kota are being equipped with modern facilities: PM
The Delhi-Mumbai Expressway, which passes through Kota and Bundi, is opening a new gateway for the development of the entire region: PM

কোটা এবং সমগ্র হাদোতি অঞ্চলের আমার প্রিয় বন্ধুগণ, আবারও নমস্কার।

গত সপ্তাহেই আমার রাজস্থান ভ্রমণের সুযোগ হয়েছিল। আজমিরের পবিত্র ভূমি থেকে, আমরা হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। সেই একই অনুষ্ঠানে রাজস্থানের ২১,০০০-এরও বেশি তরুণ-তরুণীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। আর এখন, আজমির সফরের মাত্র কয়েকদিন পরে, আজ আমি কোটার সঙ্গে সংযুক্ত এই গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর প্রকল্পের উদ্বোধন করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। এক সপ্তাহের মধ্যেই, রাজস্থানের এই দুটি প্রধান উন্নয়ন কর্মসূচি একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠায়। তারা দেখায় যে রাজস্থান আজ কত দ্রুত এগিয়ে চলেছে। তা সে পরিকাঠামো হোক, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ হোক, কৃষক ও মহিলাদের জন্য প্রকল্প হোক, অথবা প্রতিটি ক্ষেত্রে উদ্যোগ হোক - রাজস্থান জুড়ে কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।

বন্ধুগণ,

আজ কোটা, বুন্দি, বরন, ঝালাওয়ার এবং সমগ্র হাদোতি অঞ্চলের জন্য নতুন আশা এবং সাফল্যের দিন। প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই আধুনিক বিমানবন্দর আগামী বছরগুলিতে সমগ্র অঞ্চলের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আমি কোটা এবং হাদোতির জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।

বন্ধুগণ,

আমার মনে আছে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে যখন আমি কোটায় আসি, তখন আমি কোটার জনগণের কাছে একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম যে, বিমানবন্দরটি কেবল স্বপ্নই থাকবে না, বরং বাস্তবে পরিণত হবে। আজ, আমি খুশি যে কোটা বিমানবন্দর নির্মাণের মুহূর্তটি এসে গেছে। এখন পর্যন্ত কোটার মানুষকে বিমান ধরতে জয়পুর বা যোধপুরে ভ্রমণ করতে হত। এতে অনেক সময় ব্যয় হত এবং অসুবিধা হত। সেই পরিস্থিতি এখন বদলে যেতে চলেছে। এই বিমানবন্দরটি চালু হয়ে গেলে, ভ্রমণ সহজ হবে এবং কোটা এবং আশেপাশের অঞ্চলে বাণিজ্য দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

বন্ধুগণ,

কোটা কেবল শিক্ষার কেন্দ্র নয়, শক্তির একটি প্রধান কেন্দ্রও। এটি একটি অনন্য অঞ্চল যেখানে প্রায় সকল উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় - পারমাণবিক, কয়লাভিত্তিক, গ্যাস এবং জল। হাদোতির ভূমি তার ঐতিহ্যের জন্য সমানভাবে বিখ্যাত। কোটা কচোরির স্বাদ, কোটা ডোরিয়া শাড়ির সৌন্দর্য এবং কোটার পাথর ও বেলেপাথরের চাকচিক্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এখানকার ধনেপাতা, বুন্দির বাসমতি চাল - এদের সুবাস আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছায়। এই অঞ্চলটি তার কঠোর পরিশ্রম, উৎপাদন এবং অপরিসীম সম্ভাবনার জন্য পরিচিত। এখন, কোটায় এই নতুন বিমানবন্দর এই সম্ভাবনাগুলিকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।

বন্ধুগণ,

কোটা এবং হাদোতির ভূমিও উদ্যোগ এবং বিশ্বাসের একটি মহান কেন্দ্র। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে, দেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তরা এখানে পবিত্র মথুরাধীশ জি পীঠ, কেশব রায় পাটন তীর্থস্থান, খাদে গণেশ জি মহারাজ এবং গোদাবরী বালাজি ধাম পরিদর্শন করতে আসছেন। গড়দিয়া মহাদেব থেকে চম্বলের দৃশ্য সকলকে মুগ্ধ করে। মুকুন্দ্র পাহাড় এবং রামগড় বিশধারীর মতো বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এই অঞ্চলকে বন্যপ্রাণী পর্যটনের একটি প্রধান কেন্দ্র করে তুলেছে। বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে, দেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা এখানে আসবেন, যার ফলে যুবসমাজ, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় অর্থনীতি সরাসরি উপকৃত হবে।

বন্ধুগণ,

কোটা ইতিমধ্যেই যোগাযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায়, কোটার দুটি প্রধান রেলওয়ে স্টেশনকেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত করা হচ্ছে। কোটা এবং বুন্দির মধ্য দিয়ে যাওয়া দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়ে সমগ্র অঞ্চলের জন্য উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচন করছে। এখন, দিল্লি, ভদোদরা এবং মুম্বাইয়ের মতো বড় শহরগুলি মাত্র কয়েক ঘন্টা দূরে। উন্নত সড়ক ও রেল যোগাযোগের মাধ্যমে, এখানে নতুন শিল্প স্থাপন করা হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষিভিত্তিক শিল্পের জন্য, এই অঞ্চলটি একটি প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠবে। রেল ও সড়কের পরে, বিমান যোগাযোগের এই নতুন অধ্যায় কোটার উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে। কোটা বিমানবন্দর সমগ্র হাদোতি অঞ্চল এবং নিকটবর্তী জেলাগুলির জন্য অগ্রগতির নতুন সুযোগ নিয়ে আসবে।

বন্ধুগণ,

আমি এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য কোটার সংসদ সদস্য শ্রী ওম বিড়লা জি'র নিরন্তর প্রচেষ্টার প্রশংসা করতে চাই। কোটার জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং তাদের নতুন সুযোগ প্রদান করার জন্য তিনি নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যান। বিমানবন্দর হোক, আইআইআইটি-এর নতুন ক্যাম্পাস হোক, অথবা রাস্তা সম্প্রসারণ হোক, তিনি কোটার উন্নয়নের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। তাঁর প্রচেষ্টার কারণেই কোটা এবং সমগ্র অঞ্চল উন্নয়নের নতুন গতি প্রত্যক্ষ করছে।

বন্ধুগণ,

ওম বিড়লাজি কেবল একজন চমৎকার সংসদ সদস্যই নন, লোকসভার একজন অসাধারণ স্পিকারও। তিনি সংবিধানের প্রতি সম্পূর্ণ নিবেদিতপ্রাণ এবং সংসদীয় ঐতিহ্যের প্রতি গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আজ, তিনি দল ও বিরোধী দলের ঊর্ধ্বে দাঁড়িয়ে নিরপেক্ষতাকে ধারণ করেন। যখন আমি তাকে সংসদে দেখি, তখন আমার প্রায়শই মনে হয় যে সম্ভবত শিক্ষার শহরের প্রতিনিধিত্ব লোকসভার অধ্যক্ষ হিসেবে তাঁর ভূমিকাকে প্রভাবিত করেছে - তিনি পরিবারের একজন ভালো কর্তার মতো নেতৃত্ব দেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলেন। তিনি সকল সংসদ সদস্যের অনুভূতি এবং অনুরোধকে সম্মান করেন। তিনি এমন একজন অধ্যক্ষ যিনি স্বাভাবিকভাবেই সাংসদদের সবচেয়ে বেশি সম্মান করেন। এমনকি যখন কিছু অহংকারী এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ব্যক্তি মাঝে মাঝে ঝামেলা তৈরি করেন, তখনও তিনি মর্যাদার সঙ্গে সবকিছু পরিচালনা করেন, কখনও কাউকে অপমান করেন না, ধৈর্য সহকারে কঠোর শব্দ সহ্য করেন এবং সর্বদা উষ্ণতামাখা হাসিমুখে কথা বলেন। সম্ভবত এটিই একটি কারণ যার ফলে তিনি সংসদে সর্বজনীনভাবে প্রশংসিত হন।

বন্ধুগণ,

যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়, উন্নয়নের গতিও বৃদ্ধি পায়। গত ১১ বছরে, দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত নতুন বিমানবন্দরগুলি উন্নয়নকে নতুন গতি দিয়েছে। ২০১৪ সালের আগে, দেশে প্রায় ৭০টি বিমানবন্দর ছিল। আজ, এই সংখ্যা বেড়ে ১৬০-এরও বেশি হয়েছে। এই নতুন বিমানবন্দরগুলি বিমান ভ্রমণকে সহজ করেছে, পর্যটনকে বাড়িয়েছে, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে এবং আঞ্চলিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করেছে। এমনকি দিল্লির আশেপাশেও বেশ কয়েকটি নতুন বিমানবন্দর তৈরি হয়েছে - হিসার, হিন্ডন, জেওয়ার। যখন নতুন বিমানবন্দর এবং টার্মিনাল তৈরি হয়, তখন নতুন উদ্যোগ এবং কোম্পানিগুলি ছোট শহরগুলিতেও পৌঁছায়। আমি নিশ্চিত যে কোটার নতুন বিমানবন্দরটি আগামী সময়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নে একইভাবে নতুন গতিপ্রদান করবে।

বন্ধুগণ,

যখন রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার একসঙ্গে কাজ করে, যখন উদ্দেশ্য স্পষ্ট এবং দৃঢ় সংকল্প থাকে, তখন উন্নয়নের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। আজ রাজস্থানে ঠিক তাই ঘটছে। একটি উন্নত রাজস্থানের এই শক্তিশালী ভিত্তি একটি উন্নত ভারতের সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করছে। আমি সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত যে আমরা একসঙ্গে সমৃদ্ধ, শক্তিশালী এবং সুযোগে পূর্ণ একটি রাজস্থান গড়ে তুলতে সফল হব। এই বিশ্বাস নিয়ে, এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে আমি আপনাদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। অনেক ধন্যবাদ। বন্দে মাতরম।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Follower to leader: India's AI application shifts reshape tech landscape

Media Coverage

Follower to leader: India's AI application shifts reshape tech landscape
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM to visit Uttarakhand and UP on 14 April
April 13, 2026
PM to inaugurate Delhi–Dehradun Economic Corridor
Corridor to reduce travel time between Delhi and Dehradun from over 6 hours to around 2.5 hours
Corridor has been designed with several features aimed at significantly reducing man-animal conflict
Project include a 12 km long wildlife elevated corridor which is one of the longest in Asia
PM to also visit and undertake review of the Wildlife Corridor

Prime Minister Shri Narendra Modi, will visit Uttarakhand and Uttar Pradesh on 14 April 2026. At around 11:15 AM, the Prime Minister will visit Saharanpur in Uttar Pradesh to undertake a review of the Wildlife Corridor on the elevated section of the Delhi-Dehradun Economic Corridor. At around 11:40 AM, the Prime Minister will perform Darshan and Pooja at Jai Maa Daat Kali Temple near Dehradun. Thereafter, at around 12:30 PM, Prime Minister will inaugurate the Delhi-Dehradun Economic Corridor at a public function in Dehradun and will also address the gathering on the occasion.

The 213 km long six-lane access-controlled Delhi-Dehradun Economic Corridor has been developed at a cost of over ₹12,000 crore. The corridor traverses through the states of Delhi, Uttar Pradesh and Uttarakhand, and will reduce travel time between Delhi and Dehradun from over six hours at present to around two and a half hours.

Implementation of the project also includes the construction of 10 interchanges, three Railway Over Bridges (ROBs), four major bridges and 12 wayside amenities to enable seamless high-speed connectivity. The corridor is equipped with an Advanced Traffic Management System (ATMS) to provide a safer and more efficient travel experience for commuters.

Keeping in view the ecological sensitivity, rich biodiversity and wildlife in the region, the corridor has been designed with several features aimed at significantly reducing man-animal conflict. To ensure the free movement of wild animals, the project incorporates several dedicated wildlife protection features. These include a 12 km long wildlife elevated corridor, which is one of the longest in Asia. The corridor also includes eight animal passes, two elephant underpasses of 200 metres each, and a 370 metre long tunnel near the Daat Kali temple.

The Delhi-Dehradun Economic Corridor will play a pivotal role in strengthening regional economic growth by enhancing connectivity between major tourism and economic centres as well as opening new avenues for trade and development across the region. The project reflects the vision of the Prime Minister to develop next-generation infrastructure that combines high-speed connectivity with environmental sustainability and improved quality of life for citizens.