Empowered women are foundation of Viksit Bharat , Empowerment of women of the country is the top priority of our Government: PM
The Government is continuously working and will continue to work to reduce difficulties in their lives: PM
For our government, the dignity of a mother, her respect, her self-respect are a topmost priority: PM

বিহারের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নীতীশ কুমারজি, দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীজি এবং বিজয় কুমার সিনহাজি, অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবর্গ এবং এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিহারে আমার লক্ষ লক্ষ বোনেরা- আপনাদের সকলকে সশ্রদ্ধ অভিনন্দন জানাই।

আমার সামনে যে টিভি স্ক্রিন রয়েছে, সেখানে লক্ষ লক্ষ বোনেদের আমি দেখতে পাচ্ছি। সম্ভবত বিহারের প্রতিটি গ্রামে এটি এক উৎসবে পরিণত হয়েছে। এক অভাবনীয় উদ্যোগ। এতো মা এবং বোনেদের কাছ থেকে আশীর্বাদ পাওয়া- এর চাইতে সৌভাগ্যের আর কী হতে পারে?  

বন্ধুগণ,

এই পবিত্র মঙ্গলবারে পবিত্র এক অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে। আজ বিহারের মা ও বোনেরা নতুন এক সুবিধা পেতে চলেছেন- জীবিকা নিধি সাখ সহকারী সংঘ। প্রত্যেক গ্রামে যেসব বোনেরা কোন না কোন জীবিকার সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা সহজেই প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করতে পারবেন। এরফলে তাঁদের ব্যবসা-বাণিজ্য সহ অন্যান্য কাজকর্মে যথেষ্ঠ সুবিধা হবে। জীবিকা নিধির পুরো ব্যবস্থাপনাটি ডিজিটাল হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। অর্থাৎ কারুর কাছে যাওয়ার দরকার নেই, ফোন থাকলেই সব কাজ হয়ে যাবে। এই জীবিকা সহকারী সংঘের জন্য আমি বিহারের মা ও বোনেদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই উদ্যোগকে বাস্তবায়নের জন্য শ্রী নীতীশজি এবং বিহারে ক্ষমতাসীন এনডিএ সরকারের প্রশংসা করি।  

বন্ধুগণ,

উন্নত ভারত নারীর ক্ষমতায়নের শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। তাঁদের জীবনে সব ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারলেই মহিলাদের ক্ষমতায়ন সম্ভব। আর তাই আমরা আমাদের মা ও বোনদের জীবনযাত্রাকে সহজ করে তোলার জন্য একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তাঁদের যাতে খোলা স্থানে শৌচকর্ম করতে না হয় তার জন্য কোটি কোটি শৌচাগার নির্মাণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আমরা কোটি কোটি বাড়ি তৈরি করেছি। যেখানে সম্ভব হয়েছে, সেই বাড়িগুলির মালিকানা মহিলাদের দেওয়া হয়েছে। যখন একজন মহিলা একটি বাড়ির মালিক হন, তখন তাঁর কথার ওজন বাড়ে।

 

 

মা ও বোনরা,

বিশুদ্ধ পানীয় জলের সঙ্কট দূর করতে আমরা হর ঘর জল যোজনার সূচনা করেছি। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর করা হয়েছে। এরফলে মা ও বোনদের চিকিৎসা পেতে কোনও সমস্যা হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার আজও বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থাটিকে বজায় রেখেছে। ফলস্বরূপ প্রত্যেক মা কে তাঁর সন্তানের খাবার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে হয় না। মহিলাদের যাতে আয় বৃদ্ধি হয়, তার জন্য আমরা লাখপতি দিদি, ড্রোন দিদি এবং ব্যাঙ্ক সখির মতো নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এই উদ্যোগগুলি আমাদের মা বোনদের জন্য পবিত্র কিছু প্রকল্প। আজ আমি আপনাদের এই আশ্বাস দিচ্ছি যে বিহারে কেন্দ্রীয় সরকার যে কর্মসূচিগুলিকে কার্যকর করেছে, আগামী দিনগুলিতে সেগুলি অব্যাহত থাকবে।

বন্ধুগণ,

মাতৃশক্তির নিরিখে বিহার এক পবিত্র ভূমি। এই রাজ্যের মানুষ গঙ্গা মা, কোশী মা, গণ্ডকী মা, পুনপুন মা-র পুজো করেন। আমরা গর্ব সহকারে বলে থাকি মাতা জানকী এই অঞ্চলেরই মেয়ে। ছটি মা-কে প্রণাম জানিয়ে আমরা আশীর্বাদধন্য হই। দিনকয়েকের মধ্যেই দেশজুড়ে নবরাত্রি উদযাপিত হবে। দেশের মানুষ মা দুর্গার ৯টি রূপের আরাধনা করবেন। কিন্তু বিহার এবং পূর্বাঞ্চলে নব দুর্গার পাশাপাশি সাতবাহিনী পুজোও হয়ে থাকে। মায়ের ৭ বোনের এখানে পুজো করা হয়। এর মধ্য দিয়ে বোঝা যায় মায়েদের প্রতি বিহারের মানুষের কতো আস্থা রয়েছে। আপনারা কঠোর পরিশ্রম করেন।  স্বল্পাহারী, কিন্তু সকলের সম্মান রক্ষা করেন। আপনাদের সন্তানের ওপর যদি আঘাত নেমে আসে, তাহলে তা মেনে নেওয়া যায় না।

বন্ধুগণ,

আমাদের সরকার মায়েদের সম্মান রক্ষা করাকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। একজন মা-ই তাঁর সন্তানের জগৎ। আমরা প্রত্যেকে আমাদের মায়ের জন্য গর্ববোধ করি। বিহার এক সমৃদ্ধশালী ঐতিহ্যের জায়গা। এখানে দিনকয়েক আগে যা ঘটেছে আমি কল্পনাও করতে পারিনা। আমার বিহারের ভাই ও বোনরাও অথবা ভারতের কোনও মানুষই তা ভাবতে পারেন না। বিহারে আরজেডি এবং কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে আমার মা-কে উদ্দেশ্য করে কটু কথা বলা হয়েছে। এই অপমান শুধু আমার মা-কে অপমান করা নয়, এই অপমান দেশের প্রত্যেক মা ও বোনদের। আমি জানি, যে কষ্ট সেদিন আমি পেয়েছি তা বিহারের মানুষ বুঝতে পেরেছেন। আর তাই আজ লক্ষ লক্ষ মা ও বোন আমার সামনে উপস্থিত হয়েছেন। আমি আপনাদের একজন ছেলে। যখন এতো মা ও বোন আমার সামনে থাকেন তখন আমার মন বলে এই দুঃখ আপনাদের সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে, যাতে আপনাদের আশীর্বাদ থেকে আমি সেই দুঃখ ভোলার শক্তি পাই।  

 

মা ও বোনরা,

আপনারা সকলেই জানেন, আমি গত ৫০-৫৫ বছর ধরে সমাজ ও দেশের সেবা করছি। আমি রাজনীতিতে অনেক পরে এসেছি। তার আগে আমার পক্ষে যতটা সম্ভব হয়েছে, আমি ততটাই সমাজের জন্য করেছি। আমি একনিষ্ঠভাবে আমার পক্ষে যা যা করণীয় তা করার চেষ্টা করি- আমার দেশের জন্য, আমার দেশের মানুষের জন্য। আমার মায়ের আশীর্বাদ আমার শক্তি। ভারত মাতার সেবা করার জন্য আমার জন্মদাত্রী মা আমাকে তাঁর সমস্ত প্রত্যাশা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন।

আমার মা আমাকে আর্শীবাদ করে বলতেন, “বাবা, এই দেশের কোটি কোটি মায়ের সেবা করো, দরিদ্রদের সেবা করো।” আমার মায়ের সেই আশীর্বাদকে পাথেয় করে আমি পথে নেমেছি। আর তাই যখন আরজেডি এবং কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে আমার মা-কে উদ্দেশ্য করে অশ্রাব্য ভাষা প্রয়োগ করা হয়, তখন আমি খুব কষ্ট পাই। আপনারা জানেন, আমার মা আজ আর পৃথিবীতে নেই। ১০০ বছর বয়সে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আমার মা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, অথচ দেখুন তাঁকে উদ্দেশ্য করে কী সব বলা হচ্ছে। মা ও বোনরা, আপনাদের মুখ দেখে আমি বুঝতে পারছি, আমার মতো আপনারাও কষ্ট পাচ্ছেন। আপনাদের কারুর কারুর চোখে জল দেখে বুঝতে পারছি আপনারা কতটা ব্যথিত হয়েছেন। আচ্ছা বলুন, তো আমার মায়ের অপরাধ কোথায়, যার জন্য তাঁকে এভাবে অপমানিত হতে হবে?

বন্ধুগণ,  

একজন মা কতো ত্যাগ, কষ্ট স্বীকার করে তাঁর সন্তানদের বড় করে তোলেন। আজ আমার সামনে যেসব মা-রা বসে আছেন তাঁরাও এভাবেই তাঁদের সন্তানদের বড় করে তোলেন। শৈশবে দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করার সময় আমরা দেখেছি, আমার মা আমাদের ভাই-বোনদের কতো কষ্ট করে বড়ো করেছিলেন। বর্ষাকালে ছাদ থেকে যাতে জল না পড়ে তার জন্য তিনি নানা ব্যবস্থা নিতেন যাতে আমরা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি। তাঁর হয়তো শরীর খারাপ হয়েছে, তাও তিনি আমাদের বুঝতে দেননি। নিজের কাজ করে গেছেন। তিনি জানতেন যদি তিনি বিশ্রাম নেন, তাহলে তার সন্তানদের কষ্ট হবে। আমার বাবাকেও তাঁর কষ্টগুলো বুঝতে দিতেন না। নিজের জন্য কখনও নতুন একটা শাড়ি অবধি কেনেননি, অথচ তাঁর সন্তানরা যাতে জামা-কাপড় পায় সেটি নিশ্চিত করার জন্য একটা একটা করে পয়সা জমাতেন। আমি জানি, আমার এই গল্পের সঙ্গে দেশের কোটি কোটি মায়ের গল্প মিলেমিশে যায়। দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করা এক মা তাঁর সন্তানদের শিক্ষা, মূল্যবোধ ও সুন্দর এক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যান। আর তাই মায়েদের ঈশ্বরের চাইতেও উপরে রাখা হয়। বিহারের মানুষ প্রায়শই বলেন, ভগবান ও পূর্বপুরুষের ওপরে মায়ের স্থান। একজন মা তাঁর সন্তানকে ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন। সকলের সামনে হাসিমুখে থাকেন অথচ নিজে নীরবে কষ্ট সহ্য করেন। একজন মা ছাড়া জীবন অপূর্ণ থাকে, আর তাই মা-রা প্রকৃত অর্থেই মহান। কংগ্রেস-আরজেডি-র মঞ্চ থেকে যেভাবে আমার মা-কে অপমান করা হয়েছে, তা আসলে কোটি কোটি মা ও বোনদেরকে অপমানের সামিল।  

বন্ধুগণ,

দরিদ্র এক মায়ের ত্যাগ, তাঁর ছেলের যন্ত্রনা- এগুলি রাজ পরিবারে থাকা কারুর পক্ষে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। যাঁরা মুখে সোনার চামচ বা রূপোর চামচ নিয়ে জন্মেছেন, তাঁরা মনে করেন, দেশ এবং বিহারে শাসন ক্ষমতা পাওয়া তাঁদের জন্মগত অধিকার। তাঁরা মনে করেন, ক্ষমতার আসনে বসার অধিকার শুধুমাত্র তাঁদেরই রয়েছে। কিন্তু আপনারা, এই মহান দেশের জনসাধারণ, আপনারা দরিদ্র এক মায়ের কঠোর পরিশ্রমী ছেলেকে আশীর্বাদ করেছেন এবং প্রধান সেবকের দায়িত্ব দিয়েছেন। সমাজের উঁচুতলার মানুষদের তা সহ্য হচ্ছে না। পিছিয়ে পড়া অংশের কেউ যদি উঠে আসে, কংগ্রেস সেটি কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। তারা মনে করে সমাজের উপরতলার মানুষ হিসেবে কঠোর পরিশ্রমীদের অপমান করা তাঁদের অধিকারের মধ্যে পড়ে। আর তাই তাঁরা যাকে খুশি তাকে অপমান করেন।

মা ও বোনরা,

আপনারা নিশ্চয় শুনেছেন এবং পড়েওছেন, যেভাবে তারা আমাকে অপমান করে, তার তালিকা যথেষ্ঠ বড়। আমাকে অপমান করার সময় তাঁদের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের কেউই পিছিয়ে থাকেন না। সমাজের উঁচু তলার মানুষরা সব সময় কঠোর পরিশ্রমী মানুষগুলিকে অপমান করে। কখনও তাঁরা বলে, আমি নিচু জাতের, কখনও আমাকে বলে আমি নর্দমার কীট, অথবা কোনও কোনও সময় বলে আমি বিষধর সাপ। সম্প্রতি বিহারের নির্বাচনী প্রচারে তাঁরা আমার সম্পর্কে একটির পর একটি কটু শব্দ প্রয়োগ করেছে। এর মাধ্যমে আরও একবার সমাজের উঁচু তলার মানুষের মানসিকতা পরিস্ফুট হয়েছে। তাঁদের এই মানসিকতা এতটাই খারাপ যে তাঁরা আমার মা, যিনি এখন আর এই পৃথিবীতে নেই, যাঁর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই, তাঁকেও ছাড় দেয়নি।  

 

বন্ধুগণ,  
 
মা এবং বোনদের অপমান করার অর্থ এরা মহিলারা দুর্বল বলে মনে করে। এই মানসিকতার কারণের এরা মনে করে মহিলাদের নির্যাতন করা যায়, শোষণ করা যায়। নারী বিরোধী এই মানসিকতার মানুষগুলোই যখন ক্ষমতায় আসে তখন মা বোনরা সব থেকে বেশি কষ্টের সম্মুখীন হন। বিহারে আমার মা ও বোনদের থেকে আর কে ভালো বুঝবে? আরজেডি-র শাসনকালে রাজ্যে অপরাধ এবং অপরাধী─ দুয়ের সংখ্যাই বেড়ে চলেছিল। খুন, রাহাজানি, ধর্ষণ নিত্য নৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আরজেডি সরকার খুনি ও ধর্ষকদের রক্ষা করতো। আর এর ফল কারা ভোগ করতেন? বিহারের মহিলারা ; মা ও বোনরা। মহিলারা বাড়ির বাইরে সুরক্ষিত বোধ করতেন না। সন্ধ্যেবেলায় কাজের শেষে স্বামী বা ছেলেরা জীবিত অবস্থায় ফিরে আসবে কী না তারও কোনও নিশ্চয়তা ছিল না। সবাই আতঙ্কে দিন কাটাতেন। ভাবতেন তাঁদের গয়নাগাটি হয়তো মুক্তিপণ জোগারের জন্য বেচে দিতে হবে। কোনও কোনও মাফিয়া হয়তো ঘর থেকে তাদের তুলে নিয়ে যেত। ফলে বৈবাহিক জীবন হতো তছনছ। বিহার, অন্ধকারের সেই দিনগুলি থেকে বেড়িয়ে আসার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম চালিয়েছে। রাজ্যের মহিলারা আরজেডি-কে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা পালন করেছেন। তাঁদের জন্যই আরজেডি বার বার পরাজিত হয়েছে। আর তাই আজ আরজেডি-ই হোক বা কংগ্রেস- এরা আপনাদের ওপর খুব বিরক্ত। বিহারের মহিলারা এদের এই উদ্দেশ্যগুলি বুঝতে পারছেন। আপনাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য তারা সুযোগ খুঁজছে।

বন্ধুগণ,

আরজেডি-র মতো দলগুলি কখনই চায়না মেয়েরা সামনের সারিতে উঠে আসুক। তাই মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের বিষয়ে তারা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল। যখন দরিদ্র একটি পরিবার থেকে কোনও এক মহিলা উঠে আসেন তখন তারা হতাশ হয়। আর তাই দরিদ্র আদিবাসী পরিবার থেকে উঠে আসা মেয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুজিকে কংগ্রেস প্রতিনিয়তই অপমান করে।

বন্ধুগণ,

তাই সময় এসেছে মহিলাদের বিরুদ্ধে এই ঘৃণার রাজনীতির অবসান ঘটানো। যে ভাষা প্রয়োগ করা হয়েছে, সেই ভাষাগুলি সম্পর্কে দেশবাসীর গুরুত্ব সহকারে ভাবনাচিন্তা করা উচিত।

মা ও বোনরা,

আজ থেকে ২০ দিন পরে নবরাত্রি শুরু হবে। আর ৫০ দিন পরে আমরা ছটপুজো উদযাপন করবো। বিহারের জনসাধারণের সামনে আমি তাঁদের বলতে চাই- আপনারা মা-দের অপমান করেন, তার জন্য মোদী আপনাদের একবার ক্ষমা করবে, কিন্তু এই ভারতের মাটি কখনই একজন মায়ের অপমান সহ্য করবে না। আর তাই আরজেডি এবং কংগ্রেসের সাতবাহিনী এবং ছোটি মাইয়ার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।  

 

বন্ধুগণ,  

আমি বিহারের জনসাধারণকে একটি কথা বলতে চাই, যারা এ ধরনের অপমান করে, বিহারের একজন দায়িত্ববান পুত্র হিসেবে আপনাদের এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আরজেডি-কংগ্রস নেতারা যখনই কোথাও যাবেন, কোনও শহরে বা রাস্তায় যখন তারা ঢুকবেন, তখন সব দিক থেকে তাদের কাছে একটি দাবি পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। প্রত্যেক মা ও বোনরা তাদের কাছে প্রশ্ন রাখুন কেন তারা এ ধরনের কথা বলেছেন। প্রত্যেক মহল্লায় মহল্লায় তাদের কাছে বার্তা পৌঁছাক, “আমরা একে বরদাস্ত করবো না, আমরা মা-কে অপমান সহ্য করবো না, আমাদের সম্মানের ওপর আঘাত হানাকে আমরা মেনে নেবো না। আমরা আরজেডি-র এই পীড়ন সহ্য করবো না। আমরা মেনে নেবো না। আমরা কংগ্রেসের করা এই অপমান বরদাস্ত করবো না।”

বন্ধুগণ,

আমাদের সরকার দেশের মহিলাদের ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। মহিলাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের জন্য এনডিএ সরকার সব সময় সচেষ্ট। মা ও বোনরা, আমি আপনাদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ভবিষ্যতেও আপনাদের সেবা করে যাবো। আপনারা দয়া করে এনডিএ সরকারকে আশীর্বাদ করুন। আমি দেশের প্রত্যেক মায়ের কাছে মাথা নত করে প্রণাম জানাই। ১৫ অগাস্ট দেশের প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি রাস্তায় এক ধ্বনি অনুরণিত হয়েছিল, “ঘর ঘর তিরঙ্গা, হর ঘর তিরঙ্গা।” আর এখন আওয়াজ উঠেছে, “হর ঘর স্বদেশী, ঘর ঘর স্বদেশী।” মা ও বোনরা, ভারতকে আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে হবে। আমি তাই এই নতুন মন্ত্র অর্থাৎ “হর ঘর স্বদেশী, ঘর ঘর স্বদেশী”-র মাধ্যমে আপনাদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করছি। আমি সমস্ত দোকানদারদের অনুরোধ করছি গর্বের সঙ্গে একটি সাইনবোর্ড লাগান যেখানে লিখুন এটি স্বদেশী। আমাদের আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে হবে আর এই যাত্রাপথে মা ও বোনদের আশীর্বাদ অবশ্যই প্রয়োজন। আপনাদের আশীর্বাদ ছাড়া ভারতমাতার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অর্জন সম্ভব নয়। আপনারা জানেন, সমাজের উঁচু তলার মানুষরা কী বলেন? তাঁরা প্রশ্ন করেন, “ভারত মাতা কে”? যারা ভারতমাতাকে অপমান করে তাদের কাছে মোদীর মা-কে অপমান করা তো অনেক সোজা। আর তাই এই ধরনের ব্যক্তিদের শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

মা ও বোনরা,

আমি যখন আমার সামনে লক্ষ লক্ষ মা ও বোনকে দেখতে পাই, আপনাদের আশীর্বাদ যখন আমার ওপর বর্ষিত হয়, তখন আমার মনের কষ্ট দূর হয়ে যায়। যখন এক মা তাঁর পার্থিব শরীরকে ত্যাগ করে চলে গেছেন, যিনি কিছুই নিয়ে যাননি, যাঁর সঙ্গে রাজনীতির কোনোও যোগাযোগ নেই, অথচ তাঁকে অপমানিত হতে হচ্ছে, তখন সেই কষ্ট সত্যিই দূর হয়না। আর তাই একজন নেতা হিসেবে নয়, একজন ছেলে হিসেবে আমি আমার মা ও বোনদের কাছে আমার দুঃখের কথা জানালাম। আপনাদের আশীর্বাদই আমার শক্তি। এই শক্তির মাধ্যমে আমি অন্যায় অবিচারকে দূর করতে পারবো। আমার দেশের মা ও বোনদের সেবা করতে পারবো। এই কটি কথা বলে আপনাদের আরও একবার আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে আমি আমার বক্তব্য শেষ করলাম।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
India’s startup game-changer? ₹10,000 crore FoF 2.0 set to attract investors

Media Coverage

India’s startup game-changer? ₹10,000 crore FoF 2.0 set to attract investors
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister condoles passing of renowned photographer Shri Raghu Rai
April 26, 2026

The Prime Minister has expressed deep sorrow over the passing of eminent photographer Raghu Rai, describing him as a creative stalwart who immortalised India’s vibrancy through his lens. Shri Modi noted that Shri Raghu Rai’s work was marked by extraordinary sensitivity, depth and diversity, capturing the many facets of life across India and bringing them closer to people.The Prime Minister remarked that his contribution to the world of photography and culture is unparalleled, and his passing is an irreparable loss to the artistic community.

The Prime Minister posted on X;

“Shri Raghu Rai Ji will be remembered as a creative stalwart, who captured India’s vibrancy through his lens. His photography had extraordinary sensitivity, depth and diversity. It brought people closer to the different aspects of life in India. His passing is an irreparable loss to the world of photography and culture. My thoughts are with his family, admirers and the photography fraternity in this hour of grief. Om Shanti.”