Foundation stone of Bengaluru Suburban Rail project, redevelopment of Bengaluru Cantt. and Yesvantpur Junction railway station, two sections of Bengaluru Ring Road project, multiple road upgradation projects and Multimodal Logistics Park at Bengaluru laid
PM dedicates to the Nation India’s first Air Conditioned Railway Station, 100 percent electrification of the Konkan railway line and other railway projects
“Bengaluru is the city of dreams for lakhs of youth of the country, the city is a reflection of the spirit of Ek Bharat Shrestha Bharat”
“‘Double-engine’ government is working on every possible means to enhance the ease of life of the people of Bengaluru”
“In the last 8 years the government has worked on complete transformation of rail connectivity”
“I will work hard to fulfil the dreams of the people of Bengaluru in the next 40 months which have been pending for the last 40 years”
“Indian Railways is getting faster, cleaner, modern, safe and citizen-friendly”
“Indian Railways is now trying to provide those facilities and the ambience which was once found only in airports and air travel”
“Bengaluru has shown what Indian youth can do if the government provides facilities and minimizes interference in the lives of citizens”
“I believe whether the undertaking is government or private, both are the assets of the country, so the level playing field should be given to everyone equally”

দেশের লক্ষ লক্ষ তরুণের কাছে বেঙ্গালুরু হল এক স্বপ্ন নগরী। ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর প্রতিফলন ঘটেছে এই শহরটির মধ্যে। বেঙ্গালুরুর উন্নয়ন তাই লক্ষ লক্ষ স্বপ্নের বাস্তবায়ন। গত ৮ বছর ধরে এই বাস্তবায়ন প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

সোমবার কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনাকালে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বেঙ্গালুরু শহরটিকে যানজট থেকে মুক্তি দিতে রেল, সড়ক, মেট্রো, আন্ডারপাস এবং ফ্লাইওভার নির্মাণ ও সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে উন্নয়ন প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বেঙ্গালুরুর শহরতলির এলাকাগুলির সঙ্গে উন্নততর যোগাযোগ গড়ে তুলতে সরকার সর্বতোভাবে প্রচেষ্ট। এর আগে দীর্ঘ ৪০টি বছর নষ্ট হয়েছে শুধু আলোচনার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা এই কাজই আমি আগামী ৪০ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ করার জন্য কষ্টসাধ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে এই সমস্ত প্রকল্পের রূপায়ণ ফাইলবন্দী অবস্থায় পড়েছিল। কিন্তু বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একযোগে এই কাজ সম্পূর্ণ করতে দৃঢ় সংকল্প। প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন বেঙ্গালুরুর দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ করে তুলবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেঙ্গালুরু শহরের সঙ্গে শহরতলির রেল সংযোগ ছাড়াও বেঙ্গালুরুর প্রস্তাবিত রিং রোড প্রকল্পটিও শহরের যান যন্ত্রনা অনেকাংশ লাঘব করবে। বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান তথা পর্যটন কেন্দ্রগুলির মধ্যেও দ্রুত সংযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এরফলে ধর্মশালা মন্দির, সূর্য মন্দির, যোগ জলপ্রপাত ইত্যাদিতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধার প্রসার ঘটবে। গত ৮ বছরে রেল সংযোগ ব্যবস্থার আশু পরিবর্তনের জন্য সরকার কাজ করে চলেছে। তার আগে রেলপথে ভ্রমণ এবং আজকের দিনে রেল সফর সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা বলে সকলেই স্বীকার করবেন। গত কয়েক বছরে কর্ণাটকে ১২০০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ রেললাইন নতুন করে পাতা হয়েছে অথবা সেগুলির আরও প্রসার ঘটানো হয়েছে। বিমান বন্দর এবং আকাশপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় তা সম্ভব হয়ে উঠবে রেল সফরের ক্ষেত্রেও। বেঙ্গালুরুর আধুনিক রেল স্টেশনটি এরই সাক্ষ্য বহন করে। বেঙ্গালুরু ক্যান্টনমেন্ট এবং যশবন্তপুর জংশনের কাজেরও আজ থেকে সূচনা হল।

শ্রী মোদী বলেন, বেঙ্গালুরুর সাফল্যের কাহিনী ২১ শতকে ভারতকে আত্মনির্ভর হতে উৎসাহিত করবে। করোনা অতিমারীর ফলে বেঙ্গালুরুর তরুণ ও যুবকরা সমগ্র বিশ্বকে সংকট মুক্তির পথ দেখিয়েছে। সরকারি সুযোগ-সুবিধার প্রসার ঘটানো হলে নাগরিক জীবনে কোনরকমের সমস্যার সৃষ্টি না করেই ভারতের তরুণরা কর্মপ্রচেষ্টাকে কোন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে তা প্রমাণ করেছে বেঙ্গালুরু। ২১ শতকের ভারত সম্পদ সৃষ্টি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং উদ্ভাবন প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করছে। কৃষির পরই কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একটি বৃহৎ ক্ষেত্র হল ক্ষুদ্র, মাঝারি ও অনুশিল্প ক্ষেত্র। এই ক্ষেত্রটির সংজ্ঞাই আমরা বদলে দিতে পেরেছি। দেশের কোটি কোটি মানুষ আজ এই ক্ষেত্রটির সঙ্গে যুক্ত। প্রসঙ্গত উদ্ভাবন প্রচেষ্টা এবং কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে দেশের স্টার্টআপ ক্ষেত্রের গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ৮ বছরে অসংখ্য স্টার্টআপ সংস্থা দেশে গড়ে উঠেছে। মাত্র ৮ বছরের মধ্যে এই ধরণের সংস্থার সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কার প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আমাদের লক্ষ্য ও সংকল্প পূরণ সম্ভব। প্রতিরক্ষা ও মহাকাশকে আধুনিকীকরণের মধ্য দিয়ে আমরা উন্নীত করেছি উন্নয়নের এক নতুন মাত্রায়। ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরো আজ সারা ভারতের গর্ব। দেশের তরুণদের নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার জন্য সমস্ত মঞ্চই আজ প্রস্তুত। সবকা প্রয়াস-এর মধ্য দিয়ে অমৃতকালে আরও বেশি মাত্রায় আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে দেশ উৎসাহ ও উদ্দীপনা লাভ করব বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

সোমবার কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনাকালে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বেঙ্গালুরু শহরটিকে যানজট থেকে মুক্তি দিতে রেল, সড়ক, মেট্রো, আন্ডারপাস এবং ফ্লাইওভার নির্মাণ ও সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে উন্নয়ন প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বেঙ্গালুরুর শহরতলির এলাকাগুলির সঙ্গে উন্নততর যোগাযোগ গড়ে তুলতে সরকার সর্বতোভাবে প্রচেষ্ট। এর আগে দীর্ঘ ৪০টি বছর নষ্ট হয়েছে শুধু আলোচনার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা এই কাজই আমি আগামী ৪০ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ করার জন্য কষ্টসাধ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে এই সমস্ত প্রকল্পের রূপায়ণ ফাইলবন্দী অবস্থায় পড়েছিল। কিন্তু বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একযোগে এই কাজ সম্পূর্ণ করতে দৃঢ় সংকল্প। প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন বেঙ্গালুরুর দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ করে তুলবে।

শ্রী মোদী বলেন, বেঙ্গালুরুর সাফল্যের কাহিনী ২১ শতকে ভারতকে আত্মনির্ভর হতে উৎসাহিত করবে। করোনা অতিমারীর ফলে বেঙ্গালুরুর তরুণ ও যুবকরা সমগ্র বিশ্বকে সংকট মুক্তির পথ দেখিয়েছে। সরকারি সুযোগ-সুবিধার প্রসার ঘটানো হলে নাগরিক জীবনে কোনরকমের সমস্যার সৃষ্টি না করেই ভারতের তরুণরা কর্মপ্রচেষ্টাকে কোন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে তা প্রমাণ করেছে বেঙ্গালুরু। ২১ শতকের ভারত সম্পদ সৃষ্টি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং উদ্ভাবন প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করছে। কৃষির পরই কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একটি বৃহৎ ক্ষেত্র হল ক্ষুদ্র, মাঝারি ও অনুশিল্প ক্ষেত্র। এই ক্ষেত্রটির সংজ্ঞাই আমরা বদলে দিতে পেরেছি। দেশের কোটি কোটি মানুষ আজ এই ক্ষেত্রটির সঙ্গে যুক্ত। প্রসঙ্গত উদ্ভাবন প্রচেষ্টা এবং কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে দেশের স্টার্টআপ ক্ষেত্রের গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ৮ বছরে অসংখ্য স্টার্টআপ সংস্থা দেশে গড়ে উঠেছে। মাত্র ৮ বছরের মধ্যে এই ধরণের সংস্থার সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজারে।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কার প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আমাদের লক্ষ্য ও সংকল্প পূরণ সম্ভব। প্রতিরক্ষা ও মহাকাশকে আধুনিকীকরণের মধ্য দিয়ে আমরা উন্নীত করেছি উন্নয়নের এক নতুন মাত্রায়। ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরো আজ সারা ভারতের গর্ব। দেশের তরুণদের নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার জন্য সমস্ত মঞ্চই আজ প্রস্তুত। সবকা প্রয়াস-এর মধ্য দিয়ে অমৃতকালে আরও বেশি মাত্রায় আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে দেশ উৎসাহ ও উদ্দীপনা লাভ করব বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
BJP manifesto 2024: Super app, bullet train and other key promises that formed party's vision for Indian Railways

Media Coverage

BJP manifesto 2024: Super app, bullet train and other key promises that formed party's vision for Indian Railways
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Today, Congress party is roaming around like the ‘Sultan’ of a ‘Tukde-Tukde’ gang: PM Modi in Mysuru
April 14, 2024
BJP's manifesto is a picture of the future and bigger changes: PM Modi in Mysuru
Today, Congress party is roaming around like the ‘Sultan’ of a ‘Tukde-Tukde’ gang: PM Modi in Mysuru
India will be world's biggest Innovation hub, creating affordable medicines, technology, and vehicles: PM Modi in Mysuru

नीमागेल्ला नन्ना नमस्कारागलु।

आज चैत्र नवरात्र के पावन अवसर पर मुझे ताई चामुंडेश्वरी के आशीर्वाद लेने का अवसर मिल रहा है। मैं ताई चामुंडेश्वरी, ताई भुवनेश्वरी और ताई कावेरी के चरणों में प्रणाम करता हूँ। मैं सबसे पहले आदरणीय देवगौड़ा जी का हृदय से आभार व्यक्त करता हूं। आज भारत के राजनीति पटल पर सबसे सीनियर मोस्ट राजनेता हैं। और उनके आशीर्वाद प्राप्त करना ये भी एक बहुत बड़ा सौभाग्य है। उन्होंने आज जो बातें बताईं, काफी कुछ मैं समझ पाता था, लेकिन हृदय में उनका बहुत आभारी हूं। 

साथियों

मैसुरु और कर्नाटका की धरती पर शक्ति का आशीर्वाद मिलना यानि पूरे कर्नाटका का आशीर्वाद मिलना। इतनी बड़ी संख्या में आपकी उपस्थिति, कर्नाटका की मेरी माताओं-बहनों की उपस्थिति ये साफ बता रही है कि कर्नाटका के मन में क्या है! पूरा कर्नाटका कह रहा है- फिर एक बार, मोदी सरकार! फिर एक बार, मोदी सरकार! फिर एक बार, मोदी सरकार!

साथियों,

आज का दिन इस लोकसभा चुनाव और अगले five years के लिए एक बहुत अहम दिन है। आज ही बीजेपी ने अपना ‘संकल्प-पत्र’ जारी किया है। ये संकल्प-पत्र, मोदी की गारंटी है। और देवगौड़ा जी ने अभी उल्लेख किया है। ये मोदी की गारंटी है कि हर गरीब को अपना घर देने के लिए Three crore नए घर बनाएंगे। ये मोदी की गारंटी है कि हर गरीब को अगले Five year तक फ्री राशन मिलता रहेगा। ये मोदी की गारंटी है कि- Seventy Year की आयु के ऊपर के हर senior citizen को आयुष्मान योजना के तहत फ्री चिकित्सा मिलेगी। ये मोदी की गारंटी है कि हम Three crore महिलाओं को लखपति दीदी बनाएँगे। ये गारंटी कर्नाटका के हर व्यक्ति का, हर गरीब का जीवन बेहतर बनाएँगी।

साथियों,

आज जब हम Ten Year पहले के समय को याद करते हैं, तो हमें लगता है कि हम कितना आगे आ गए। डिजिटल इंडिया ने हमारे जीवन को तेजी से बदला है। बीजेपी का संकल्प-पत्र, अब भविष्य के और बड़े परिवर्तनों की तस्वीर है। ये नए भारत की तस्वीर है। पहले भारत खस्ताहाल सड़कों के लिए जाना जाता था। अब एक्सप्रेसवेज़ भारत की पहचान हैं। आने वाले समय में भारत एक्सप्रेसवेज, वॉटरवेज और एयरवेज के वर्ल्ड क्लास नेटवर्क के निर्माण से विश्व को हैरान करेगा। 10 साल पहले भारत टेक्नालजी के लिए दूसरे देशों की ओर देखता था। आज भारत चंद्रयान भी भेज रहा है, और सेमीकंडक्टर भी बनाने जा रहा है। अब भारत विश्व का बड़ा Innovation Hub बनकर उभरेगा। यानी हम पूरे विश्व के लिए सस्ती मेडिसिन्स, सस्ती टेक्नोलॉजी और सस्ती गाडियां बनाएंगे। भारत वर्ल्ड का research and development, R&D हब बनेगा। और इसमें वैज्ञानिक रिसर्च के लिए एक लाख करोड़ रुपये के फंड की भी बड़ी भूमिका होगी। कर्नाटका देश का IT और technology hub है। यहाँ के युवाओं को इसका बहुत बड़ा लाभ मिलेगा।

साथियों,

हमने संकल्प-पत्र में स्थानीय भाषाओं को प्रमोट करने की बात कही है। हमारी कन्नड़ा देश की इतनी समृद्ध भाषा है। बीजेपी के इस मिशन से कन्नड़ा का विस्तार होगा और उसे बड़ी पहचान मिलेगी। साथ ही हमने विरासत के विकास की गारंटी भी दी है। हमारे कर्नाटका के मैसुरु, हम्पी और बादामी जैसी जो हेरिटेज साइट्स हैं, हम उनको वर्ल्ड टूरिज़्म मैप पर प्रमोट करेंगे। इससे कर्नाटका में टूरिज्म और रोजगार के नए अवसर सृजित होंगे।

साथियों,

इन सारे लक्ष्यों की प्राप्ति के लिए भाजपा जरूरी है, NDA जरूरी है। NDA जो कहता है वो करके दिखाता है। आर्टिकल-370 हो, तीन तलाक के खिलाफ कानून हो, महिलाओं के लिए आरक्षण हो या राम मंदिर का भव्य निर्माण, भाजपा का संकल्प, मोदी की गारंटी होता है। और मोदी की गारंटी को सबसे बड़ी ताकत कहां से मिलती है? सबसे बड़ी ताकत आपके एक वोट से मिलती है। आपका हर वोट मोदी की ताकत बढ़ाता है। आपका हर एक वोट मोदी की ऊर्जा बढ़ाता है।

साथियों,

कर्नाटका में तो NDA के पास एचडी देवेगौड़ा जी जैसे वरिष्ठ नेता का मार्गदर्शन है। हमारे पास येदुरप्पा जी जैसे समर्पित और अनुभवी नेता हैं। हमारे HD कुमारास्वामी जी का सक्रिय सहयोग है। इनका ये अनुभव कर्नाटका के विकास के लिए बहुत काम आएगा।

साथियों,

कर्नाटका उस महान परंपरा का वाहक है, जो देश की एकता और अखंडता के लिए अपना सब कुछ बलिदान करना सिखाता है। यहाँ सुत्तुरू मठ के संतों की परंपरा है। राष्ट्रकवि कुवेम्पु के एकता के स्वर हैं। फील्ड मार्शल करियप्पा का गौरव है। और मैसुरु के राजा कृष्णराज वोडेयर के द्वारा किए गए विकास कार्य आज भी देश के लिए एक प्रेरणा हैं। ये वो धरती है जहां कोडगु की माताएं अपने बच्चों को राष्ट्रसेवा के लिए सेना में भेजने के सपना देखती है। लेकिन दूसरी तरफ कांग्रेस पार्टी भी है। कांग्रेस पार्टी आज टुकड़े-टुकड़े गैंग की सुल्तान बनकर घूम रही है। देश को बांटने, तोड़ने और कमजोर करने के काँग्रेस पार्टी के खतरनाक इरादे आज भी वैसे ही हैं। आर्टिकल 370 के सवाल पर काँग्रेस के राष्ट्रीय अध्यक्ष ने कहा कि कश्मीर का दूसरे राज्यों से क्या संबंध? और, अब तो काँग्रेस देश से घृणा की सारी सीमाएं पार कर चुकी है। कर्नाटका की जनता साक्षी है कि जो भारत के खिलाफ बोलता है, कांग्रेस उसे पुरस्कार में चुनाव का टिकट दे देती है। और आपने हाल में एक और दृश्य देखा होगा, काँग्रेस की चुनावी रैली में एक व्यक्ति ने ‘भारत माता की जय’ के नारे लगवाए। इसके लिए उसे मंच पर बैठे नेताओं से परमीशन लेनी पड़ी। क्या भारत माता की जय बोलने के लिए परमीशन लेनी पड़े। क्या ऐसी कांग्रेस को देश माफ करेगा। ऐसी कांग्रेस को कर्नाटका माफ करेगा। ऐसी कांग्रेस को मैसुरू माफ करेगा। पहले वंदेमातरम् का विरोध, और अब ‘भारत माता की जय’ कहने तक से चिढ़!  ये काँग्रेस के पतन की पराकाष्ठा है।

साथियों,

आज काँग्रेस पार्टी सत्ता के लिए आग का खेल खेल रही है। आज आप देश की दिशा देखिए, और काँग्रेस की भाषा देखिए! आज विश्व में भारत का कद और सम्मान बढ़ रहा है। बढ़ रहा है कि नहीं बढ़ रहा है। दुनिया में भारत का नाम हो रहा है कि नहीं हो रहा है। भारत का गौरव बढ़ रहा है कि नहीं बढ़ रहा है। हर भारतीय को दुनिया गर्व से देखती है कि नहीं देखती है। तो काँग्रेस के नेता विदेशों में जाकर देश को नीचा दिखाने के कोई मौके छोड़ते नहीं हैं। देश अपने दुश्मनों को अब मुंहतोड़ जवाब देता है, तो काँग्रेस सेना से सर्जिकल स्ट्राइक के सबूत मांगती है। आतंकी गतिविधियों में शामिल जिस संगठन पर बैन लगता है। काँग्रेस उसी के पॉलिटिकल विंग के साथ काम कर रहा है। कर्नाटका में तुष्टीकरण का खुला खेल चल रहा है। पर्व-त्योहारों पर रोक लगाने की कोशिश हो रही है। धार्मिक झंडे उतरवाए जा रहे हैं। आप मुझे बताइये, क्या वोटबैंक का यही खेल खेलने वालों के हाथ में देश की बागडोर दी जा सकती है। दी जा सकती है।

साथियों, 

हमारा मैसुरु तो कर्नाटका की कल्चरल कैपिटल है। मैसुरु का दशहरा तो पूरे विश्व में प्रसिद्ध है। 22 जनवरी को अयोध्या में 500 का सपना पूरा हुआ। पूरा देश इस अवसर पर एक हो गया। लेकिन, काँग्रेस के लोगों ने, उनके साथी दलों ने राममंदिर की प्राण-प्रतिष्ठा जैसे पवित्र समारोह तक पर विषवमन किया! निमंत्रण को ठुकरा दिया। जितना हो सका, इन्होंने हमारी आस्था का अपमान किया। कांग्रेस और इंडी अलायंस ने राममंदिर प्राण-प्रतिष्ठा का बॉयकॉट कर दिया। इंडी अलांयस के लोग सनातन को समाप्त करना चाहते हैं। हिन्दू धर्म की शक्ति का विनाश करना चाहते हैं। लेकिन, जब तक मोदी है, जब तक मोदी के साथ आपके आशीर्वाद हैं, ये नफरती ताक़तें कभी भी सफल नहीं होंगी, ये मोदी की गारंटी है।

साथियों,

Twenty twenty-four का लोकसभा चुनाव अगले five years नहीं, बल्कि twenty forty-seven के विकसित भारत का भविष्य तय करेगा। इसीलिए, मोदी देश के विकास के लिए अपना हर पल लगा रहा है। पल-पल आपके नाम। पल-पल देख के नाम। twenty-four बाय seven, twenty-four बाय seven for Twenty Forty-Seven.  मेरा ten years का रिपोर्ट कार्ड भी आपके सामने है। मैं कर्नाटका की बात करूं तो कर्नाटका के चार करोड़ से ज्यादा लोगों को मुफ्त राशन मिल रहा है। Four lakh fifty thousand गरीब परिवारों को कर्नाटका में पीएम आवास मिले हैं। One crore fifty lakh से ज्यादा गरीबों को मुफ्त इलाज की गारंटी मिली है। नेशनल हाइवे के नेटवर्क का भी यहाँ बड़ा विस्तार किया गया है। मैसुरु से बेंगलुरु के बीच एक्सप्रेसवे ने इस क्षेत्र को नई गति दी है। आज देश के साथ-साथ कर्नाटका में भी वंदेभारत ट्रेनें दौड़ रही हैं। जल जीवन मिशन के तहत Eight Thousand से अधिक गांवों में लोगों को नल से जल मिलने लगा है। ये नतीजे बताते हैं कि अगर नीयत सही, तो नतीजे भी सही! आने वाले Five Years में विकास के काम, गरीब कल्याण की ये योजनाएँ शत प्रतिशत लोगों तक पहुंचेगी, ये मोदी की गारंटी है।

साथियों,

मोदी ने अपने Ten year साल का हिसाब देना अपना कर्तव्य माना है। क्या आपने कभी काँग्रेस को उसके sixty years का हिसाब देते देखा है? नहीं न? क्योंकि, काँग्रेस केवल समस्याएँ पैदा करना जानती है, धोखा देना जानती है। कर्नाटका के लोग इसी पीड़ा में फंसे हुये हैं। कर्नाटका काँग्रेस पार्टी की लूट का ATM स्टेट बन चुका है। खाली लूट के कारण सरकारी खजाना खाली हो चुका है। विकास और गरीब कल्याण की योजनाओं को बंद किया जा रहा है। वादा किसानों को मुफ्त बिजली का था, लेकिन किसानों को पंपसेट चलाने तक की बिजली नहीं मिल रही। युवाओं की, छात्रों की स्कॉलर्शिप तक में कटौती हो रही है। किसानों को किसान सम्मान निधि में राज्य सरकार की ओर से मिल रहे four thousands रुपए बंद कर दिये गए हैं। देश का IT hub बेंगलुरु पानी के घनघोर संकट से जूझ रहा है। पानी के टैंकर की कालाबाजारी हो रही है। इन सबके बीच, काँग्रेस पार्टी को चुनाव लड़वाने के लिए hundreds of crores रुपये ब्लैक मनी कर्नाटका से देशभर में भेजा जा रहा है। ये काँग्रेस के शासन का मॉडल है। जो अपराध इन्होंने कर्नाटका के साथ किया है, इसकी सजा उन्हें Twenty Six  अप्रैल को देनी है। 26 अप्रैल को देनी है।

साथियों,

मैसूरु से NDA के उम्मीदवार श्री यदुवीर कृष्णदत्त चामराज वोडेयर, चामराजनागर से श्री एस बालाराज, हासन लोकसभा से एनडीए के श्री प्रज्जवल रेवन्ना और मंड्या से मेरे मित्र श्री एच डी कुमार स्वामी,  आने वाली 26 अप्रैल को इनके लिए आपका हर वोट मोदी को मजबूती देगा। देश का भविष्य तय करेगा। मैसुरु की धरती से मेरी आप सभी से एक और अपील है। मेरा एक काम करोगे। जरा हाथ ऊपर बताकर के बताइये, करोगे। कर्नाटका के घर-घर जाना, हर किसी को मिलना और मोदी जी का प्रणाम जरूर पहुंचा देना। पहुंचा देंगे। पहुंचा देंगे।

मेरे साथ बोलिए

भारत माता की जय

भारत माता की जय

भारत माता की जय

बहुत बहुत धन्यवाद।