“Budget For Viksit Bharat ensures inclusive growth, benefiting every segment of society and paving the way for a developed India”
“The government has announced the Employment Linked Incentive scheme. This will create crores of new jobs”
“This Budget brings a new scale to education and skill development”
“We will create entrepreneurs in every city, every village and every home”
“In the last 10 years, the government has ensured that the poor and the middle class continue to get tax relief”
“Budget opens up new avenues for StartUps and innovation ecosystem”
“Budget focuses on farmers in a big way”
“Today's budget has brought new opportunities, new energy, new employment and self-employment opportunities. It has brought better growth and a bright future”
“Today's budget will act as a catalyst in making India the third largest economic power in the world and will lay a solid foundation for a developed India”

এবারের বাজেট প্রস্তাব যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি, তা দেশকে উন্নয়নের এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করতে পারবে। এর জন্য আমি সকল দেশবাসীকে জানাই আমার অভিনন্দন। একইসঙ্গে, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমনজি এবং তাঁর টিমের সকল সদস্যের জন্যও রইল আমার বিশেষ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বন্ধুগণ,

এই বাজেট সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেরই ক্ষমতায়নের পক্ষে যথেষ্ট বলে আমি মনে করি। দেশের গ্রামগুলিতে সমৃদ্ধি এবং সেইসঙ্গে দরিদ্র ও কৃষক সাধারণের অবস্থার উন্নয়নও ঘটাবে এবারের এই বাজেট প্রস্তাব। গত ১০ বছরে ২৫ কোটি মানুষকে আমরা দারিদ্র্যসীমার বাইরে নিয়ে আসতে পেরেছি। নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্ষমতায়ন প্রচেষ্টায় এবারের বাজেট বিশেষভাবে সহায়ক হবে বলেই আমার আশা। কারণ, তা শিক্ষা এবং দক্ষতা বিকাশের ওপরও বিশেষ জোর দিয়ে নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা প্রসারের ওপর গুরুত্বদান করেছে। মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে তা নতুন করে শক্তিও যোগাবে। এমনকি, আদিবাসী সমাজের ক্ষমতায়নেও তা এক বলিষ্ঠ পরিকল্পনার সূত্র হয়ে উঠবে বলে আমার বিশ্বাস। সেইসঙ্গে উপকৃত হবেন দলিত জনসাধারণ এবং অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষরা। অর্থনৈতিক কর্মপ্রচেষ্টায় মহিলাদেরও উৎসাহিত করা হবে এই বাজেট প্রস্তাবগুলির মাধ্যমে এবং তা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং ক্ষুদ্র, মাঝারি ও অণু শিল্পক্ষেত্রগুলির অগ্রগতির রাস্তা খুলে দেবে। নির্মাণ ও উৎপাদন এবং পরিকাঠামোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এই বাজেট দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে যেমন উৎসাহিত করবে, অন্যদিকে তেমনই তার ধারা নিরন্তর করে তোলার কাজেও তা সহায়ক হয়ে উঠবে।

বন্ধুগণ,

কর্মসংস্থান এবং স্বনিযুক্তির নজিরবিহীন সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে আমাদের সরকার এক বিশেষ দিকচিহ্ন নির্ধারণ করে দিয়েছে। আজকের এই বাজেট আমাদের সেই প্রতিশ্রুতি পালনের অঙ্গীকারকেও আরও উৎসাহিত করবে। পিএলআই কর্মসূচির সাফল্য দেশ তথা বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করছেন। বর্তমানে এই বাজেটে কর্মসংস্থান-ভিত্তিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ কর্মসূচির কথা সরকার ঘোষণা করেছে যা সারা দেশে কোটি কোটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ উন্মুক্ত করে দেবে। এই কর্মসূচির আওতায় এই প্রথম যে সমস্ত তরুণ ও যুবকরা কর্মে নিযুক্ত হবেন, তাঁদের প্রথম বেতনটি দেওয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে। দক্ষতা বিকাশের জন্য সহায়তাই হোক কিংবা উচ্চতর শিক্ষালাভের জন্য অথবা ইন্টার্নশিপের জন্য কর্মসূচিই হোক, তাতে উপকৃত হবেন ১ কোটি তরুণ ও যুবক। এর ফলে, গ্রাম-ভারতের তরুণ ও যুবকরা দেশের শীর্ষ সংস্থাগুলিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ লাভ করবেন এবং সেইসঙ্গে আরও নতুন নতুন সুযোগের দ্বারও উন্মুক্ত হবে তাঁদের সামনে। দেশের প্রতিটি শহর, গ্রাম এবং পরিবারে শিল্পোদ্যোগ প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করতে আমরা আগ্রহী। এই লক্ষ্যে ‘মুদ্রা’ ঋণের আওতায় ঋণদানের মাত্রা ১০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লক্ষ টাকা করা হবে। ফলে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বিশেষত মহিলা, দলিত এবং অনগ্রসর শ্রেণী ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষরা তাঁদের স্বনিযুক্তি প্রচেষ্টায় বিশেষভাবে উৎসাহিত হবেন। 

বন্ধুগণ,

একইসঙ্গে ভারতকে আমরা বিশ্বের একটি উৎপাদন গন্তব্য রূপে গড়ে তুলতে পারব। দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারি ও অণু শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে সাধারণ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। শুধু তাই নয়, দরিদ্র সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের যথেষ্ট সুযোগও সম্প্রসারিত হয় এই সংস্থাগুলিতে। এই লক্ষ্যে ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তোলা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।

বন্ধুগণ,

স্টার্ট-আপ এবং উদ্ভাবনের উপযোগী পরিবেশ ও পরিস্থিতি গড়ে তুলতে নতুন নতুন সুযোগ সম্প্রসারণের কথাও বলা হয়েছে এ বছরের বাজেট প্রস্তাবে। ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনই হোক বা ‘অ্যাঞ্জেল কর’ অবলুপ্তির সিদ্ধান্তই হোক, সবকিছুই কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে আমি মনে করি।

বন্ধুগণ,

মূলধনী খাতে রেকর্ড সংখ্যক বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে বলেই আমার বিশ্বাস। নতুন নতুন অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে সারা দেশজুড়ে। ফলে সম্প্রসারিত হবে নতুন নতুন কাজের সুযোগও।

বন্ধুগণ,

প্রতিরক্ষা সাজসরঞ্জাম রপ্তানির মাত্রাও দেশে এখন এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রকে স্বনির্ভর করে তুলতে এবারের বাজেট প্রস্তাবে বেশ কিছু ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে বিশ্বের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নানাভাবে যুক্ত। যার ফলে পর্যটন ক্ষেত্রেও সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন সম্ভাবনার। দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য পর্যটন সম্পর্কিত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারিত হয়েছে। তাই, পর্যটন কেন্দ্রকে আরও উন্নত করে তোলার ওপরও এবারের বাজেটে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

বন্ধুগণ,

গত ১০ বছরে এনডিএ সরকার দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কর লাঘবের জন্য নিরন্তরভাবে চেষ্টা চালিয়ে গেছে। এবারের বাজেটে আয়করের মাত্রা কমিয়ে আনা এবং স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন বৃদ্ধির ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, টিডিএস সম্পর্কিত নিয়মনীতিকেও আরও সরল করে তোলা হয়েছে যার ফলে করদাতারা আরও বেশি করে অর্থ সঞ্চয় করতে পারবেন।

বন্ধুগণ,

দেশের সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য পূর্ব ভারতের সুসংবদ্ধ উন্নয়ন একান্তই জরুরি। আমাদের এই অভিযান পূর্ব ভারতের উন্নয়ন থেকে নতুন উৎসাহ ও শক্তি অর্জন করবে বলেই আমার বিশ্বাস। কারণ, আমাদের অন্যতম চিন্তাদর্শ হল ‘পূর্বোদয়’। মহাসড়ক নির্মাণ, জল প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোকে আমরা আরও সম্প্রসারিত করব পূর্ব ভারতে এবং এর মধ্য দিয়েই আমাদের উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে। 

বন্ধুগণ,

দেশের কৃষক সাধারণের স্বার্থ রক্ষার ওপরও এবারের বাজেটে যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্যশস্য মজুত প্রকল্পের আওতায় আমরা এখন গুচ্ছ সবজি উৎপাদনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আমাদের এই উদ্যোগের ফলে ক্ষুদ্র কৃষকরা যাতে উৎপাদিত ফল, শাক-সবজি এবং তাঁদের অন্যান্য পণ্যও বাজারজাত করে আরও ভালো মূল্য পেতে পারেন, তার সুযোগ সম্প্রসারিত হবে। শুধু তাই নয়, এর ফলে পরিবারের সকল মানুষের পুষ্টিবিধানের কাজেও তা সহায়ক হয়ে উঠবে। কৃষিক্ষেত্রে স্বনির্ভর হয়ে ওঠা বর্তমান ভারতের পক্ষে একান্ত জরুরি একটি বিষয়। তাই, ডাল ও তৈলবীজের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করতে সহায়তার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে এবারের বাজেট প্রস্তাবে।

বন্ধুগণ,

দারিদ্র্য নির্মূলকরণের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের ক্ষমতায়ন প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে এবারের বাজেট। প্রস্তাব করা হয়েছে দরিদ্র সাধারণ মানুষের জন্য ৩ কোটি নতুন বাসস্থান নির্মাণের। জনজাতীয় উন্নত গ্রাম অভিযানের আওতায় ৫ কোটি আদিবাসী পরিবারে সম্প্রসারিত হবে প্রাথমিক সুযোগ-সুবিধা। এছাড়াও, গ্রাম সড়ক যোজনার বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২৫ হাজার নতুন গ্রামকে সকল আবহাওয়ার উপযোগী সড়ক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। যার ফলে উপকৃত হবে দেশের প্রতিটি রাজ্যের দূরদুরান্তের গ্রামগুলিও।

বন্ধুগণ,

আজকের এই বাজেট নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধার দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়ার পাশাপাশি আমাদের কর্মপ্রচেষ্টায় নতুনভাবে শক্তি যোগাবে যা থেকে সৃষ্টি হবে অসংখ্য কর্মসংস্থানের এবং সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হবে স্বনিযুক্তি প্রচেষ্টারও। এর ফলে একদিকে যেমন দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে দেশবাসীর জন্য গড়ে উঠবে এক উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক একটি শক্তি রূপে ভারতকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এবারের বাজেট এক অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে বলেই আমার বিশ্বাস। এক কথায় বলতে গেলে, এক উন্নত দেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তা হয়ে উঠবে এক নতুন ভিত্তিভূমি।

সকল দেশবাসীকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা!

প্রধানমন্ত্রীর মূল ভাষণটি ছিল হিন্দিতে

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress

Media Coverage

Govt directs faster processing of city gas projects, hikes commercial LPG allocation to ease supply stress
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
This is the New India that leaves no stone unturned for development: PM Modi
March 23, 2026
Today, India is moving forward with a new confidence; Now India faces challenges head-on: PM
From the Gulf to the Global West and from the Global South to neighbouring countries, India is a trusted partner for all: PM
What gets measured gets improved and ultimately gets transformed: PM
This is the new India, It is leaving no stone unturned for development: PM

नमस्कार!

पिछले कुछ समय में मुझे एक-दो बार टीवी9 भारतवर्ष देखने का मौका मिला है। नॉर्मली भी युद्धों और मिसाइलों पर आपका बहुत फोकस होता है और आजकल तो आपको कंटेंट की ओवरफीडिंग हो रही है। बड़े-बड़े देश टीवी9 को इतना सारा कंटेंट देने पर तुले हुए हैं, लेकिन On a Serious Note, आज विश्व जिन गंभीर परिस्थितियों से गुजर रहा है, वो अभूतपूर्व है और बेहद गंभीर है। और इन स्थितियों के बीच, आज टीवी-9 नेटवर्क ने विचारों का एक बेहद महत्वपूर्ण मंच बनाया है। आज इस समिट में आप सभी India and the world, इस विषय पर चर्चा कर रहे हैं। मैं आप सबको बधाई देता हूं। इस समिट के लिए अपनी शुभकामनाएं देता हूं। सभी अतिथियों का अभिनंदन करता हूं।

साथियों,

आज जब दुनिया, conflicts के कारण उलझी हुई है, जब इन conflicts के दुष्प्रभाव पूरी दुनिया पर दिख रहे हैं, तब India and the world की बात करना बहुत ही प्रासंगिक है। भारत आज वो देश है, जिसकी अर्थव्यवस्था तेजी से आगे बढ़ रही है। 2014 के पहले की स्थितियों को पीछे छोड़कर के आज भारत एक नए आत्मविश्वास के साथ आगे बढ़ रहा है। अब भारत चुनौतियों को टालता नहीं है बल्कि चुनौतियों से टकराता है। आप बीते 5-6 साल में देखिए, कोरोना की महामारी के बाद चुनौतियां एक के बाद एक बढ़ती ही गई हैं। ऐसा कोई साल नहीं है, जिसने भारत की, भारतीयों की परीक्षा न ली हो। लेकिन 140 करोड़ देशवासियों के एकजुट प्रयास से भारत हर आपदा का सामना करते हुए आगे बढ़ रहा है। इस समय युद्ध की परिस्थितियों में भी भारत की नीति और रणनीति देखकर, भारत का सामर्थ्य देखकर दुनिया के अनेकों देश हैरान हैं। हमारे यहां कहावत है, सांच को आंच नहीं। 28 फरवरी से दुनिया में जो उथल-पुथल मची है, इन कठोर विपरीत परिस्थितियों में भी भारत प्रगति के, विकास के, विश्वास के संकल्प के साथ आगे बढ़ रहा है। इन 23 दिनों में भारत ने अपनी Relationship Building Capacity दिखाई है, Decision Making Capacity दिखाई है और Crisis Management Capacity दिखाई है।

साथियों,

आज जब दुनिया इतने सारे खेमों में बंटी हुई है, भारत ने अभूतपूर्व और अकल्पनीय bridges बनाए हैं। Gulf से लेकर Global West तक, Global South से लेकर पड़ोसी देशों तक भारत सभी का trusted partner है। कुछ लोग पूछते हैं, हम किसके साथ हैं? तो उनको मेरा जवाब यही है कि हम भारत के साथ हैं, हम भारत के हितों के साथ हैं, शांति के साथ हैं, संवाद के साथ हैं।

साथियों,

संकट के इसी समय में जब global supply chains डगमगा रही हैं, भारत ने diversification और resilience का मॉडल पेश किया है। Energy हो, fertilizers हों या essential goods अपने नागरिकों को कम से कम परेशानी हो, इसके लिए भारत ने निरंतर प्रयास किया है और आज भी कर रहे है।

साथियों,

जब राष्ट्रनीति ही राजनीति का मुख्य आधार हो, तब देश का भविष्य सर्वोपरि होता है। लेकिन जब राजनीति में व्यक्तिगत स्वार्थ हावी हो जाता है, तब लोग देश के फ्यूचर के बजाय अपने फ्यूचर के बारे में सोचते हैं। आप ज़रा याद कीजिए 2004 से 2010 के बीच क्या हुआ था? तब कांग्रेस सरकार के समय पेट्रोल-डीजल और गैस की कीमतों का संकट आया था और तब कांग्रेस ने देश की नहीं बल्कि अपनी सत्ता की चिंता की। उस वक्त कांग्रेस ने एक लाख अड़तालीस हज़ार करोड़ रुपए के ऑयल बॉन्ड जारी किए थे और प्रधानमंत्री मनमोहन सिंह जी ने खुद कहा था कि वो आने वाली पीढ़ी पर कर्ज का बोझ डाल रहे हैं। यह जानते हुए भी कि ऑयल बॉन्ड का फैसला गलत है, जो रिमोट कंट्रोल से सरकार चला रहे थे, उन लोगों ने अपनी सत्ता बचाने के लिए यह गलत निर्णय किया क्योंकि जवाबदेही उस समय नहीं होनी थी, उस बॉन्ड पर री-पेमेंट 2020 के बाद होनी थी।

साथियों,

बीते 5-6 वर्षों में हमारी सरकार ने कांग्रेस सरकार के उस पाप को धोने का काम किया है, और इस धुलाई का खर्चा कम नहीं आया है, ऐसी लाँड्री आपने देखी नहीं होगी। 1 लाख 48 हज़ार करोड़ रुपए की जगह, देश को 3 लाख करोड़ रुपए से अधिक की पेमेंट करनी पड़ी क्योंकि इसमें ब्याज भी जुड़ गया था। यानी हमने करीब-करीब दोगुनी राशि चुकाने के लिए मजबूर हुए। आजकल कांग्रेस के जो नेता बयानों की मिसाइलें दाग रहे हैं, मिसाइल आई तो टीवी9 को मजा आएगा, उनकी इस विषय का जिक्र आते ही बोलती बंद हो जाती है।

साथियों,

पश्चिम एशिया में बनी परिस्थितियों पर मैंने आज लोकसभा में अपना वक्तव्य दिया है। दुनिया में जहां भी युद्ध हो रहे हैं, वो भारत की सीमा से दूर हैं। लेकिन आज की व्यवस्थाओं में कोई भी देश युद्धों से दुष्प्रभाव से दूर रहे, ऐसा संभव नहीं होता। अनेक देशों में तो स्थिति बहुत गंभीर हो चुकी है। और इन हालातों में हम देख रहे हैं कि राजनीतिक स्वार्थ से भरे कुछ लोग, कुछ दल, संकट के इस समय में भी अपने लिए राजनीतिक अवसर खोज रहे हैं। इसलिए मैं टीवी9 के मंच से फिर कहूंगा, यह समय संयम का है, संवेदनशीलता का है। हमने कोरोना महासंकट के दौरान भी देखा है, जब देशवासी एकजुट होकर संकट का सामना करते हैं, तो कितने सार्थक परिणाम आते हैं। इसी भाव के साथ हमें इस युद्ध से बनी परिस्थितियों का सामना करना है।

साथियों,

दुनिया की हर उथल-पुथल के बीच, भारत ने अपनी प्रगति की गति को भी बनाए रखा है। अगर मैं 28 फरवरी को युद्ध शुरू होने के बाद, बीते 23 दिनों का ही ब्यौरा दूं, तो पूरब से पश्चिम तक, उत्तर से दक्षिण तक देश में हजारों करोड़ के डेवलपमेंट प्रोजेक्ट्स का काम हुआ है। दिल्ली मेट्रो रेल के महत्वपूर्ण कॉरिडोर्स का लोकार्पण, सिलचर का हाई स्पीड कॉरिडोर का शिलान्यास, कोटा में नए एयरपोर्ट का शिलान्यास, मदुरै एयरपोर्ट को इंटरनेशनल एयरपोर्ट का दर्जा देना, ऐसे अनेक काम बीते 23 दिनों में ही हुए हैं। बीते एक महीने के दौरान ही औद्योगिक विकास को गति देने के लिए भव्य स्कीम को मंजूरी दी गई है। इसके तहत देशभर में 100 plug-and-play industrial parks विकसित किए जाएंगे। देश में Small Hydro Power Development Scheme को भी हरी झंडी दी गई है। इससे आने वाले वर्षों में 1,500 मेगावाट नई hydro power capacity जोड़ी जाएगी। इसी दौरान जल जीवन मिशन को साल 2028 तक बढ़ाने का निर्णय लिया गया है। किसानों के हित में भी अनेक बड़े निर्णय लिए गए हैं। बीते एक महीने में ही पीएम किसान सम्मान निधि के तहत 18 हजार करोड़ रुपए से अधिक सीधे किसानों के खातों में ट्रांसफर किए गए हैं। और जो हमारे MSMEs हैं, जो हमारे निर्यातक हैं, उनके लिए भी करीब 500 करोड़ रुपए के राहत पैकेज की भी घोषणा की गई है। यह सारे कदम इस बात का प्रमाण हैं कि विकसित भारत बनाने के लिए देश कितनी तेज गति से काम कर रहा है।

साथियों,

Management की दुनिया में एक सिद्धांत कहा जाता है - What gets measured, gets managed. लेकिन मैं इसमें एक बात और जोड़ना चाहता हूं, What gets measured, gets improved और ultimately, gets transformed. क्योंकि आकलन जागरूकता पैदा करता है। आकलन जवाबदेही तय करता है और सबसे महत्वपूर्ण आकलन संभावनाओं को जन्म देता है।

साथियों,

अगर आप 2014 से पहले के 10-11 साल और 2014 के बाद के 10-11 साल का आप आकलन करेंगे, तो यही पाएंगे कि कैसे इसी सिद्धांत पर चलते हुए, भारत ने हर सेक्टर को Transform किया है। जैसे पहले हाईवे बनते थे, करीब 11-12 किलोमीटर प्रति दिन की रफ्तार से, आज भारत करीब 30 किलोमीटर प्रतिदिन की स्पीड से हाईवे बना रहा है। पहले पोर्ट्स पर शिप का Turnaround Time, 5-6 दिन का होता था। आज वही काम, करीब-करीब 2 दिन से भी कम समय में पूरा हो रहा है। पहले Startup Culture के बारे में चर्चा ही नहीं होती थी। 2014 से पहले, हमारे देश में 400-500 स्टार्ट अप्स ही थे। आज भारत में 2 लाख से ज्यादा रजिस्ट्रर्ड स्टार्ट अप्स हैं। पहले मेडिकल education में सीटें भी सीमित थीं, करीब 50-55 हजार MBBS seats थीं, आज यह बढ़कर सवा लाख से ज्यादा हो चुकी हैं। पहले देश के Banking system से भी करोड़ों लोग बाहर थे। देश में सिर्फ 25 करोड़ के आसपास ही बैंक account थे। वहीं जनधन योजना के माध्यम से 55 करोड़ से ज्यादा बैंक अकाउंट खुले हैं। पहले हमारे देश में airports की संख्या भी 70 से कम थी। आज एयरपोर्ट्स की संख्या भी बढ़कर 160 से ज्यादा हो चुकी है।

साथियों,

पहले भी योजनाएं तो बनती थीं, लेकिन आज फर्क है, आज परिणाम दिखते हैं। पहले गति धीमी थी, आज भारत fastrack पर है। पहले संभावनाएं भी अंधकार में थीं, आज संकल्प सिद्धियों में बदल रहे हैं। इसलिए दुनिया को भी यह संदेश मिल रहा है कि यह नया भारत है। यह अपने विकास के लिए कोई कोर-कसर बाकी नहीं छोड़ रहा है।

साथियों,

आज हमारा प्रयास है कि अतीत में विकास का जो असंतुलन पैदा हो गया था, उसको अवसरों में बदला जाए। अब जैसे हमारा पूर्वी भारत है। हमारा पूर्वी भारत संसाधनों से समृद्ध है, दशकों तक वहां जिन्होंने सरकारें चलाई हैं, उनकी उपेक्षा ने पूर्वी भारत के विकास पर ब्रेक लगा दी थी। अब हालात बदल रहे हैं। जिस असम में कभी गोलियों की आवाज सुनाई देती थी, आज वहां सेमीकंडक्टर यूनिट बन रही है। ओडिशा में सेमीकंडक्टर से लेकर पेट्रोकेमिकल्स तक अनेक नए-नए सेक्टर का विकास हो रहा है। जिस बिहार में 6-7 दशक में गंगा जी पर एक बड़ा पुल बन पाया था एक, उस बिहार में पिछले एक दशक में 5 से ज्यादा नए पुल बनाए गए हैं। यूपी में कभी कट्टा मैन्युफैक्चरिंग की कहानियां कही जाती थीं, आज यूपी, मोबाइल फोन मैन्युफैक्चरिंग में दुनिया में अपनी पहचान बना रहा है।

साथियों,

पूर्वी भारत का एक और बड़ा राज्य पश्चिम बंगाल है। पश्चिम बंगाल, एक समय में भारत के कल्चर, एजुकेशन, इंडस्ट्री और ट्रेड का हब होता था। बीते 11 वर्षों में केंद्र सरकार ने पश्चिम बंगाल के विकास के लिए बड़ी मात्रा में निवेश किया है। लेकिन दुर्भाग्य से, आज वहां एक ऐसी निर्मम सरकार है, जो विकास पर ब्रेक लगाकर बैठी है। TV9 बांग्ला के जो दर्शक हैं, वो जानते हैं कि बंगाल में आयुष्मान योजना पर निर्मम सरकार ने ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम सूर्यघर मुफ्त बिजली योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। पीएम आवास योजना पर ब्रेक लगाया हुआ है। चाय बागान श्रमिकों के लिए शुरू हुई योजना के लिए ब्रेक लगाया हुआ है। यानी विकास और जनकल्याण से ज्यादा प्राथमिकता निर्मम सरकार अपने राजनीतिक स्वार्थ को दे रही है।

साथियों,

देश में इस तरह की राजनीति की शुरुआत जिस दल ने की है, वो अपने गुनाहों से बच नहीं सकती और वो पार्टी है - कांग्रेस। कांग्रेस पार्टी की राजनीति का एक ही लक्ष्य रहा है, किसी भी तरह विकास का विरोध और कांग्रेस यह तब से कर रही है, जब मैं गुजरात में था। गुजरात में वर्षों तक जनता ने हमें आशीर्वाद दिया, तो कांग्रेस ने उस जनादेश को स्वीकार नहीं किया। उन्होंने गुजरात की छवि पर सवाल उठाए, उसकी प्रगति को कटघरे में खड़ा किया और जब यही विश्वास पूरे देश में दिखाई दिया, तो कांग्रेस का विरोध भी रीजनल से नेशनल हो गया।

साथियों,

जब राजनीति में विरोध, विकास के विरोध में बदल जाए, जब आलोचना देश की उपलब्धियों पर सवाल उठाने लगे, तब यह सिर्फ सरकार का विरोध नहीं रह जाता, यह देश की प्रगति से असहज होने की मानसिकता बन जाती है। आज कांग्रेस इसी मानसिकता की गुलाम बन चुकी है। आज स्थिति यह है कि देश की हर सफलता पर प्रश्न उठाया जाता है, हर उपलब्धि में कमी खोजी जाती है और हर प्रयास के असफल होने की कामना की जाती है। कोविड के समय, देश ने अपनी वैक्सीन बनाई, तो कांग्रेस ने उस पर भी संदेह जताया। Make in India की बात हुई, तो कहा गया कि यह सफल नहीं होगा, बब्बर शेर कहकर इसका मजाक उड़ाया गया। जब देश में डिजिटल इंडिया अभियान शुरू हुआ, तो उसका मजाक उड़ाया गया। लेकिन हर बार यह कांग्रेस का दुर्भाग्य और देश का सौभाग्य रहा कि भारत ने हर चुनौती को सफलता में बदला। आज भारत दुनिया की सबसे बड़ी वैक्सीनेशन ड्राइव का उदाहरण है। भारत डिजिटल पेमेंट्स में दुनिया का अग्रणी देश है। भारत मैन्युफैक्चरिंग और स्टार्टअप्स में नई ऊंचाइयों को छू रहा है।

साथियों,

लोकतंत्र में विरोध जरूरी होता है। लेकिन विरोध और विद्वेष के बीच एक रेखा होती है। सरकार का विरोध करना लोकतांत्रिक अधिकार है। लेकिन देश को बदनाम करना, यह कांग्रेस की नीयत पर सवाल खड़ा करता है। जब विरोध इस स्तर तक पहुंच जाए कि देश की उपलब्धियां भी असहज करने लगें, तो यह राजनीति नहीं, यह दृष्टिकोण की समस्या है। अभी हमने ग्लोबल AI समिट में भी देखा है। जब पूरी दुनिया भारत में जुटी हुई थी, तो कांग्रेस के लोग कपड़े फाड़ने वहां पहुंच गए थे। इन लोगों को देश की इज्जत की कितनी परवाह है, यह इसी से पता चलता है। इसलिए आज आवश्यकता है कि देशहित को, दलहित से ऊपर रखा जाए क्योंकि अंत में राजनीति से ऊपर, राष्ट्र होता है, राष्ट्र का विकास होता है।

साथियों,

आज का यह दिन भी हमें यही प्रेरणा देता है। आज के ही दिन शहीद भगत सिंह, शहीद राजगुरु और शहीद सुखदेव ने देश के लिए सर्वोच्च बलिदान दिया था। आज ही, समाजवादी आंदोलन के प्रखर आदर्श डॉ. राम मनोहर लोहिया जी की जयंती भी है। यह वो प्रेरणाएं हैं, जिन्होंने देश को हमेशा स्व से ऊपर रखा है। देशहित को सबसे ऊपर रखने की यही प्रेरणा, भारत को विकसित भारत बनाएगी। यही प्रेरणा भारत को आत्मनिर्भर बनाएगी। मुझे पूरा विश्वास है कि टीवी9 की यह समिट भी भारत के आत्मविश्वास और दुनिया के भरोसे पर, भारतीयों पर जो भरोसा है, उस भरोसे को और सशक्त करेगी। आप सभी को मेरी तरफ से बहुत-बहुत शुभकामनाएं हैं और आपके बीच आने का अवसर दिया, आप सबसे मिलने का मौका लिया, इसलिए बहुत-बहुत धन्यवाद!

नमस्‍कार!