Constructive criticism is something I greatly look forward to: PM
New India is not about the voice of a select few. It is about the voice of each and every of the 130 crore Indians: PM
PM Modi calls for using language as a tool to unite India

মিঃ মেমন ম্যাথু, মিঃ জেকভ ম্যাথু, মিঃ জয়ন্ত জেকভ ম্যাথু, মিঃ প্রকাশ জাভড়েকর, ডঃ শশী থারুর, মাননীয় অতিথিবৃন্দ, নমস্কারম

মালয়ালা মনোরমা সংবাদ আলোচনা চক্র ২০১৯এ বক্তব্য রাখতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি কেরলের পবিত্র ভূমি এবং তার অনন্য সংস্কৃতিকে প্রণাম জানাই। এই আধ্যাত্মিক এবং সামাজিকভাবে আলোকপ্রাপ্ত ভূমি ভারতবর্ষকে আদি শঙ্কর, মহাত্মা আয়ানকালি, শ্রী নারায়ন গুরু, চাত্তাম্বি স্বামিগল, পন্ডিত কারুপ্পান, সন্ত কুরিয়াকোস ইলিয়াস চাভারা, সন্ত আলফনসো এবং আরও অনেক মহান মানুষদের উপহার দিয়েছে। কেরলের ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমার অনেকবার এখানে আসার সুযোগ হয়েছে। জনগণের আর্শিবাদ পাওয়ার পর আমি প্রথমেই গুরুভায়ুর শ্রীকৃষ্ণ মন্দির দর্শন করি।

বন্ধুগণ,

মালয়ালা মনোরমা সংবাদ আলোচনা চক্রে আমার ভাষণ দেওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট কৌতুহলের সৃষ্টি করেছে। সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় বহু পরিচিত ব্যক্তিরা সেইসব আলোচনা চক্রেই অংশগ্রহণ করেন যেখানে তাঁদের চিন্তাভাবনার সমর্থক পাওয়া যায়। কারণ এই ধরণের ব্যক্তিরা এইরকম পরিবেশেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আমি অবশ্যই এরকম পরিবেশ পছন্দ করি। কিন্তু একইসঙ্গে আমি বিশ্বাস করি একজনের ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা ছাড়াও অন্য ধারার চিন্তার মানুষ এবং সংগঠনের সঙ্গে তাঁর নিরন্তর মতবিনিময় করা উচিত।

আমাদের সবকিছুতে সহমতে পৌঁছানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু একজনের জীবনের নানা ক্ষেত্রে অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে হবে। এখানে এই আলোচনাচক্রে আমার চিন্তার সঙ্গে অনেকেরই চিন্তা মিলবেনা, কিন্তু ভিন্ন চিন্তাধারার মানুষের থেকে গঠনমূলক সমালোচনা শুনতে আমি খুবই উৎসাহি।

বন্ধুগণ,

আমি জানি যে ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মালয়ালি জনগণের মধ্যে মালয়ালা মনোরমা জায়গা করে নিয়েছে। এর সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে কেরালা মানুষ অনের বেশি তথ্য পেয়ে থাকেন। এই পত্রিকা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। যেসব যুবক-যুবতীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য তৈরি হন তারা আপনাদের ইয়ার বুক পড়ে থাকেন। সেই কারণে সব প্রজন্মের কাছেই আপনারা পরিচিত। আমি এই পত্রিকার সব সম্পাদক, প্রতিবেদক এবং কর্মীদের আমার প্রণাম জানাই।

বন্ধুগণ,

এই আলোচনা চক্রের আয়োজকরা দারুন একটি বিষয় নির্বাচন করেছেন- নতুন ভারত। সমালোচকরা আপনাদের এখন জিজ্ঞেস করবেন, আপনারাও কি এখন মোদিজীর ভাষায় কথা বলবেন? আমার আশা এর জবাব আপনাদের কাছে আছে। কিন্তু যেহেতু আপনারা আমার পছন্দের একটি বিষয় নির্বাচন করেছেন তাই আমিও এই সুযোগে আপনাদের সঙ্গে নতুন ভারতের বিষয়ে আমার চিন্তাভাবনা ভাগ করে নেব।

বন্ধুগণ,

আমি সবসময়ই বলে আসছি, আমরা এগোতেও পারি- নাও পারি, আমরা পরিবর্তনের জন্য তৈরি হতেও পারি- নাও হতে পারি, ভারতবর্ষে কিন্তু দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। আর এই পরিবর্তন ভালোর জন্য হচ্ছে। নতুন ভারত রয়েছে ব্যক্তিগত উৎসাহে, সমষ্টিগত উদ্যোগে এবং জাতীয় প্রগতির অংশিদার হওয়ার মধ্যে। নতুন ভারত গণতন্ত্রে অংশগ্রহণ, নাগরিককেন্দ্রিক প্রশাসন এবং জনমুখী ব্যবস্হায় বিশ্বাসী। এই ভারত জনগণের এবং সরকারের আবেদনে সারা দেয়।

সুধি, বহু বছর ধরে উৎসাহ শব্দটি খারাপ অর্থে বোঝাত। আপনার পরিচিতি থাকলেই আপনি সুযোগ পাবেন। আপনি কোনো পরিচিত গোষ্ঠীর লোক হলেই সফল হবেন। বড় শহর, নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং বিখ্যাত পরিবার- এগুলির ওপরেই সবকিছু নির্ভর করতো। প্রতিটি মানুষের উচ্চাশা আটকে যেত লাইসেন্স রাজ এবং পারমিট রাজের মতো আর্থিক সংস্কৃতির মধ্যে। কিন্তু আজ এগুলির পরিবর্তন হচ্ছে। আমরা আজ স্পন্দনশীল নতুন উদ্যোগের মধ্যে নতুন ভারতকে দেখতে পাচ্ছি। হাজার হাজার মেধাবী তরুণ সম্প্রদায় দারুন সব কাজ করছেন এবং এর থেকে তাদের নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণের উৎসাহ প্রতিফলিত হচ্ছে। আমরা ক্রীড়া ক্ষেত্রেও এই একই উৎসাহ দেখতে পাচ্ছি।

আগে যেসব বিষয়ে আমাদের উপস্হিতি ছিলনা বললেই চলে সেগুলিতে ভারত দারুন কাজ করছে। সেটি নতুন উদ্যোগের ক্ষেত্রে, ক্রীড়া ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য । এই শক্তি কোথা থেকে আসছে ? ছোট ছোট শহর এবং গ্রাম যাদের নাম বেশিরভাগ লোকই শোনেনি, সেখানকার সাহসী তরুণদের থেকে এই উৎসাহ আসছে। এঁরা কোন প্রতিষ্ঠিত পরিবারের সদস্য নয়, বা এদের প্রচুর টাকাপয়সাও নেই। এদের যা আছে, তা হল উৎসাহ ও অধ্যাবসায়। এদের এই উৎসাহই শ্রেষ্ঠত্বের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। আর ভারতবর্ষ তাতেই গর্বিত হয়। আমার কাছে এটাই হল নতুন ভারত। যে ভারতের কোন যুবক-যুবতীর পদবী কাজে লাগেনা। তারা তাদের পরিচিতি আদায় করে নিজেদের ক্ষমতার মধ্যে দিয়ে। এই ভারতে দূর্নীতির কোন স্হান নেই। এখানে যোগ্যতাই হচ্ছে সাফল্যের মাপকাঠি।

বন্ধুগণ,

নতুন ভারতে শুধু মুষ্টিমেয় কয়েকজনই কথা বলবেন না। ১৩০ কোটি ভারতবাসীর প্রত্যেকের বক্তব্য এখানে রয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের প্রত্যেকের বক্তব্য শোনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ আমরা দেখছি প্রত্যেক ভারতীয়, জাতির জন্য কিছু করতে অথবা কোন কিছু ছেড়ে দিতে চান। যেমন উদাহরণ হিসেবে বলা যায় সম্প্রতি একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বিষয়ে পদক্ষেপের কথা। এটা কিন্তু নরেন্দ্র মোদীর ভাবনা বা উদ্যোগ নয়। ভারতের জনগণ নিজে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমরা যখন গান্ধীজীর স্বার্ধ জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করব, তখন একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক মুক্ত ভারত গড়ব। আমাদের দেশকে নতুন ব্যবস্হায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের কোন সুযোগ ছাড়া উচিত নয়।

বন্ধুগণ,

ভারতের উন্নতির জন্য সরকারে ক্ষমতায় থাকায় আমরা ব্যক্তিগত চাহিদা এবং সমষ্টিগত উদ্যোগের সবদিক গুলিই বিবেচনা করব। জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণ, পাঁচ বছরে ১ কোটি ২৫ লক্ষ গৃহ নির্মাণ, সমস্ত গ্রামে বিদ্যুতায়ন, ঘরে ঘরে জল সরবরাহ, স্বাস্হ্য পরিষেবা, শিক্ষার পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সহজ জীবনযাত্রা অর্থাৎ ‘ইজ অফ লিভিং’এর জন্য সঠিক পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে এই সরকার দারুন কাজ করে চলেছে। আমরা দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলেছি। ৩৬ কোটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগীদের জন্য ২০ কোটি ঋণ দেওয়া হয়েছে, ধোঁয়াহীন রান্নাঘরের জন্য ৮ কোটির বেশি গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হয়েছে, রাস্তা নির্মাণের হার দ্বিগুন করা হয়েছে।

এগুলি কয়েকটা উদাহরণ মাত্র। যেটা আমর খুব ভালো লাগে তা হল, নতুন ভারতে জনগণ ব্যক্তিস্বার্থের ওপরে উঠে সমাজের স্বার্থের কথা এখন বিবেচনা করছে। তা না হলে জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্ট হওয়ার সত্ত্বেও জন-ধন অ্যাকাউন্টে দরিদ্রতম মানুষরা কিভাবে ১ লক্ষ কোটি অর্থ সঞ্চয় করেন ? আমাদের মধ্যবিত্তরা কেন গ্যাসের জন্য তাঁদের ভর্তুকি ছেড়ে দেন? একবার মাত্র অনুরোধ করলে প্রবীণ নাগরিকরা কেন তাঁদের রেলের টিকিটে ছাড়ের সুযোগ ছেড়ে দিচ্ছেন?

এটা হয়তো ১০০ বছর আগে মহাত্মা গান্ধী যে বিশ্বাসের মতবাদের কথা বলেছিলেন, তারই প্রকাশ। আজ ভারতের পরিবর্তনের জন্য এটাই বোধহয় আন্তরিক চাহিদা যা প্রত্যেকে পালন করে চলেছেন। কর-দাতাদের সংখ্যা বৃদ্ধি কোন আশ্চর্যের ব্যাপার নয়। জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

বন্ধুগণ,

আজ আপনারা অনেক নতুন নতুন পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন, যা আগে ভাবাই যেতনা। হরিয়ানার মতো রাজ্যে স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ অবিশ্বাস্য ছিল। কিন্তু এখন আপনি হরিয়ানার যেকোন গ্রাম যান, দেখবেন মানুষ স্বচ্ছভাবে নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করছেন। রেল স্টেশনে ওয়াইফাই ব্যবহার করা এখন খুব স্বাভাবিক হয়ে গেছে।

কে ভেবেছিলেন যে এমনও হতে পারে?এর আগে রেল স্টেশন মানেই ছিল মালপত্র এবং যাত্রীতে ঠাসা। কিন্তু এখন দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর শহরগুলিতেও দেখা যায় স্কুল অথবা কলেজের পরে ছাত্রছাত্রীরা স্টেশনে যাচ্ছেন ওয়াইফাই এবং এক্সেল ব্যবহার করতে। ব্যবস্হা একই আছে, মানুষও এক আছে, কিন্তু তৃণমূল-স্তরে প্রচুর পরিবর্তন হয়েছে।

বন্ধুগণ,

ভারতের চিন্তাভাবনা কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা খুব অল্প কথায় বলে দেওয়া যায়। পাঁচ বছর আগে লোকে জিজ্ঞেস করত- আমরা কি পারব? আমরা কি জঞ্জালমুক্ত হতে পারব? আমরা কি নীতি পঙ্গুত্ত্ব দূর করতে পারব? আমরা দুর্নীতিকে বিদায় করতে পারব? আজ জনগণ বলছেন- হ্যাঁ, আমরা পারি। আমরা স্বচ্ছ ভারত গড়তে পারি। আমরা দুর্নীতিমুক্ত জাতি গড়তে পারি। আমরা সুপ্রশাসনকে জন-আন্দোলনের রূপ দিতে পারি। এই শব্দ ‘পারি’ যা আগে নেতিবাচক প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত থাকতো, এখন তা তরুণ জাতির আত্মার মধ্যে প্রতিফলিত হচ্ছে।

বন্ধুগণ,

আমি আপনাদের সঙ্গে আমাদের সরকার নতুন ভারত গড়তে কিভাবে কাজ করছে তার একটা উদাহরণ দিই। আপনারা জানেন আমাদের সরকার অত্যন্ত দ্রুত গতিতে গরিব মানুষদের জন্য দেড় কোটি গৃহ নির্মাণ করেছেন। আগের সরকারের থেকে এটি একটি বিরাট উন্নতি। অনেক লোক আমার কাছে জানতে চেয়েছেন এই কর্মসূচি এবং তহবিল তো আগেও ছিল, তাহলে আপনি কি এমন আলাদা কাজ করলেন? তাদের এই প্রশ্ন করার অধিকার রয়েছে।

প্রথমে বলি আমরা কোন ঘর তৈরি করছি না। আমরা বাড়ি বানাচ্ছি। এই কারণে চারটি দেওয়াল তৈরি করার ধারনা থেকে আমাদের সরে আসতে হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল কোনো বাড়তি খরচ না করে কম সময়ে আরও বেশি সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্হা করা।

আমাদের সরকার যে বাড়িগুলি নির্মাণ করছেন তাদের গঠন শৈলিতে কোনও নির্দিষ্ট পন্হা অবলম্বন করা হচ্ছেনা। আমরা স্হানীয় চাহিদা অনুযায়ী মানুষের ইচ্ছে মোতাবেক এই বাড়িগুলি নির্মাণ করছি। সমস্ত সুযোগ-সুবিধার জন্য আমরা সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিকে এক জায়গায় নিয়ে এসেছি। যার ফলে বাড়িগুলিতে বিদ্যুৎ, গ্যাসের সংযোগ, শৌচালয় এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের সংস্হান থাকছে।

আমরা মানুষের চাহিদা শুনে বাড়ির এলাকা খালি বাড়াইনি, নির্মাণকাজে অর্থ বরাদ্দও বৃদ্ধি করেছি। এই প্রক্রিয়ায় মহিলা সহ আমরা স্হানীয় কারিগর এবং শ্রমিকদের যুক্ত করেছি। অতিরিক্ত খরচ না করে কম সময়ে বাড়ি নির্মাণের জন্য আমরা প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। বাড়ি নির্মাণের বিভিন্ন ধাপের ছবি অনলাইন ব্যবস্হার মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়ে থাকে। সরাসরি অর্থ পাঠানোর ফলে মাঝপথে কোনো টাকা নয়ছয় হচ্ছেনা এবং সুবিধাভোগীরা সন্তুষ্ট হচ্ছেন। এখন আপনারা ভাবুন ওই সমস্যাগুলি থাকলে এই সাফল্য আসতো কি না। এককভাবে প্রযুক্তি অথবা বিভিন্ন প্রকল্প এক জায়গায় না নিয়ে আসলে এই সমস্যার সমাধান হতো না। সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ফলেই এই সার্বিক ফলাফল। আর এটাই হল আমাদের সরকারের সাফল্য।

বন্ধুগণ,

নতুন ভারতে আমরা শুধু দেশে যাঁরা থাকেন তাঁদের কথাই ভাববো না, প্রবাসীদের বিষয়েও আমরা চিন্তাভাবনা করব। বিদেশে বসবাসরত ভারতীয়রা আমাদের গর্ব। আমাদের আর্থিক বৃদ্ধিতে তাঁদের অবদান রয়েছে। বিদেশের মাটিতে যখনই কোনো ভারতীয় সমস্যায় পড়েছেন, আমরা সেই সমস্যার সমাধান করার জন্য এগিয়ে এসেছি। পশ্চিম এশিয়ার নানা জায়গায় যখন ভারতীয় নার্সরা অপহৃত হয়েছেন, তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা সব রকমের চেষ্টা করেছি। এই নার্সরা বেশিরভাগই দক্ষিণ ভারতীয়। যখন কেরলের সন্তান ফাদার টম অপহৃত হয়েছিলেন, তখন একইভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। অনেক লোক ইয়েমেন থেকে ফিরে এসেছেন।

আমি পশ্চিম এশিয়ার অনেকগুলি দেশ সফর করেছি। সেইসময় আমার লক্ষ্য ছিল সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে সময় কাটানো। আমি সম্প্রতি বাহরিন সফর করেছি। এই দেশ আমাদের খুব ভালো বন্ধু। এখানে অনেক ভারতীয় থাকেন। অথচ আমার আগে কোন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সেখানে যাননি। এই সম্মানটি আমার জন্য তুলে রাখা ছিল। এই সফরের সময় একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল সেখানকার রাজ পরিবার ২৫০ জন ভারতীয় কারাবন্দীকে মুক্তি দিয়েছেন। ওমান এবং সৌদি আরবও এ ধরণের ক্ষমা প্রদর্শন করেছে। এবছরের গোড়ায় সৌদি আরব ভারতীয়দের জন্য হজের কোটা বাড়িয়েছে।

বন্ধুগণ,

আমার সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমরশাহির সফরে সেদেশে রূপে কার্ড চালু হয়েছে। বাহরিনেও খুব শীঘ্রই রুপে কার্ড চালু হবে। ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেনের পাশাপাশি এরফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত লক্ষ লক্ষ মানুষের বাড়িতে টাকা পাঠাতে সুবিধা হবে। আজ আমি গর্বিত যে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগের থেকে আরও ভালো হয়েছে জেনে। এটা বললে অত্যুক্তি হবেনা, এরফলে সাধারণ নাগরিকরাই লাভবান হবেন এবং এরজন্য ধন্যবাদ তাঁদেরই প্রাপ্য।

বন্ধুগণ,

আমরা আজ মাধ্যম জগতের মধ্যেও নতুন ভারতের প্রতিফলন পাচ্ছি। ভারতের মাধ্যম জগৎ বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং তা প্রসারিত হচ্ছে। খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন, টিভি চ্যানেল, ওয়েবসাইট প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অবকাশে আমি মনে করিয়ে দিচ্ছি স্বচ্ছ ভারত, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা, জল সংরক্ষণ, ফিট ইন্ডিয়া এবং এই ধরণের বিভিন্ন আন্দোলনে সংবাদ মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। তারা নিজেদের উদ্যোগেই এই আন্দোলনগুলিতে জনমত বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোগী হয়েছে।

বন্ধুগণ,

যুগ যুগ ধরে ভাষা একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এর সাহায্যে সময় এবং দূরত্বের বাধা অতিক্রম করে জনপ্রিয় ধারণাগুলি সফর করে। বিশ্বের মধ্যে ভারতবর্ষেই বোধহয় এতগুলি ভাষা রয়েছে। কিন্তু ভাষা কৃত্রিম পাঁচিল তুলে স্বার্থপরভাবে দেশকে বিভক্ত করে। আজ তাই আমার একটি বিনম্র পরামর্শ রয়েছে। আমরা কি ভাষার শক্তির মাধ্যমে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারিনা?

মাধ্যম জগৎ বিভিন্ন ভাষাভাষি মানুষের মধ্যে দূরত্ব ঘুঁচিয়ে তাদের কাছাকাছি নিয়ে আসতে পারে। এটা যত শক্ত বলে মনে হয়, ততটা শক্ত নয়। আমরা একটি শব্দকে দেশের ১০-১২টি ভাষায় কি বলা হয়, তা প্রকাশ করতে পারি। যখন একজন আরেকটি ভারতীয় ভাষা জানবেন তখন তিনি এক সুতোয় বাঁধা পড়বেন যা ভারতীয় সংস্কৃতির একতার প্রতিফলন। এরফলে মানুষের বিভিন্ন ভাষার বিষয়ে উৎসাহ বাড়বে। ভাবুনতো, হরিয়ানায় একদল লোক মালায়লাম শিখছেন অথবা কর্ণাটকে একদল লোক বাংলা শিখছেন। এই পদক্ষেপ নিলে বিরাট দূরত্ব ঘুঁচে যাবে। আমরা কি এই পদক্ষেপ নিতে পারি?

বন্ধুগণ,

যেসমস্ত মহান সাধুরা এই দেশে এসেছেন, আমাদের প্রতিষ্ঠাকর্তারা, যারা আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন তাঁদের অনেক স্বপ্ন ছিল। একবিংশ শতাব্দিতে আমাদের দায়িত্ব তাঁদের সেই স্বপ্ন পূরণ করা এবং নতুন ভারত গঠন করা। যারফলে তাঁরা গর্বিত হবেন।

আমি আশাবাদী আমরা এই লক্ষ্যপূরণ করতে পারবো। আগামীদিনে এরকম আরও সাফল্য আসবে।

আরও একবার আমি মালয়ালা মনোরমা গোষ্ঠীকে আমার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Government eases defence export SOP to help local manufacturers tap global market

Media Coverage

Government eases defence export SOP to help local manufacturers tap global market
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister extends greetings on National Sports Day
August 29, 2026

The Prime Minister, Shri Narendra Modi has extended his greetings to all sports lovers on National Sports Day. Shri Modi said that the dedication, passion and determination of sportspersons make the entire nation proud.

The Prime Minister also paid homage to the legendary Major Dhyan Chand Ji, whose brilliance and contribution to Indian hockey continue to inspire generations.

Shri Modi posted on X:

“To every sports lover…your dedication, passion and determination make everyone proud.

We also pay homage to the legendary Major Dhyan Chand Ji, whose brilliance inspires generations.

#NationalSportsDay”