Germany is among India’s most important partners both bilaterally and in the global context: PM
There is tremendous potential in India-Germany economic collaboration, says PM Modi
Through our ‘Make in India’ initiative, we are committed to transform India as a major player in the global value chain: PM Modi
India has emerged as the fastest growing major economy the last three years with GDP growth rate of over 7%: PM
Our emphasis has been on reducing Government and enhancing Governance: PM Narendra Modi
India has one of the most liberal FDI Policy regimes in the world: Prime Minister

মাননীয়াডঃ অ্যাঞ্জেলা মার্কেল,

বিশ্ববাণিজ্য সংগঠনগুলির নেতৃবৃন্দ,

ভদ্রমহিলাও ভদ্রমহোদয়গণ !

আপনাদেরসকলের সঙ্গে মিলিত হতে পেরে আমি বিশেষভাবে আনন্দিত। চ্যান্সেলর মার্কেলের মতো একজনঅভিজ্ঞ নেত্রীর উপস্থিতিতে আপনাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাওয়া আমার এই আনন্দকেআরও বহুগুণে বাড়িয়ে তুলেছে। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের কোন সুযোগই আমি সাধারণত হাতছাড়াকরি না। ২০১৫-র এপ্রিলে হ্যানোভার মেলা উপলক্ষে আমার সফরকালে তাঁর সঙ্গেআলাপ-আলোচনার কথা আমি বিশেষভাবে স্মরণ করি। ঐ মেলায় ভারত ছিল অংশগ্রহণকারী একসহযোগী দেশ। এর পরেই, ২০১৫-র অক্টোবর মাসে চ্যান্সেলর মার্কেল এসেছিলেন ভারত সফরে।ভারত ও জার্মানির সিইও-দের সঙ্গে কয়েক দফার আলোচনা-বৈঠকে আমরা দু’জনেই মিলিতহয়েছিলাম। আজ আবার এই প্রেক্ষাগৃহে বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনার পরিবেশ আমি লক্ষ্য করছি।দেখতে পাচ্ছি, বেশ কিছু ভারতীয় সিইও-ও আজ উপস্থিত রয়েছেন এখানে।

বন্ধুগণ!

দ্বিপাক্ষিকতথা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জার্মানি হল ভারতের ঘনিষ্ঠতম সহযোগী দেশগুলির অন্যতম।ভারতের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় জার্মান সংস্থাগুলি অংশগ্রহণ করায় আমি বিশেষভাবে খুশি।একইভাবে, জার্মানিতে ভারতীয় শিল্প সংস্থাগুলির উপস্থিতি লক্ষ্য করার মতো। ভারতেবিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জার্মানি রয়েছে সপ্তম স্থানে। জার্মানি থেকে বিদেশিবিনিয়োগের প্রধান প্রধান ক্ষেত্রগুলি হল ইঞ্জিনিয়ারিং উৎপাদন, রাসায়নিক ও পরিষেবা।৬০০টির মতো ভারত-জার্মান যৌথ উদ্যোগ বর্তমানে একযোগে কাজ করে চলেছে ভারতে। প্রায় ২লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে এই ক্ষেত্রগুলিতে। তাসত্ত্বেওভারত-জার্মানি অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে প্রচুর। কারণ, আমাদের অর্থনৈতিকঅংশীদারিত্বের পূর্ণ সম্ভাবনাকে আমরা এখনও পুরোপুরিভাবে কাজে লাগাতে পারিনি। তাই,এই লক্ষ্য পূরণে জার্মান সংস্থাগুলিকে স্বাগত জানাতে ভারত সর্বদাই প্রস্তুত। শুধুতাই নয়, জার্মানির শিল্প সংস্থাগুলিকে সর্বতোভাবে সহায়তা করার জন্য আমরা গড়েতুলেছি এক ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে অনেকগুলি বিষয়েরই সমাধান সম্ভব।এই কাজে আমরা সচেষ্ট রয়েছি আন্তরিকতার সঙ্গেই কারণ, জার্মানির অংশগ্রহণকে আমরাবিশেষ মূল্যবান বলে মনে করি।

বন্ধুগণ!

ভারতকেবিশ্বের এক বিশেষ নির্মাণ তথা উৎপাদন কেন্দ্র রূপে গড়ে তোলার কাজে নিযুক্ত রয়েছিআমরা। উৎপাদন সংক্রান্ত কাজের উপযোগী এক সুপরিবেশ আমরা ইতিমধ্যেই সেখানে গড়ে তুলতেপেরেছি। এছাড়াও, ভারতের রয়েছে :

আন্তর্জাতিকদিক থেকে এক ব্যয়সাশ্রয়ী নির্মাণ তথা উৎপাদন পরিবেশ;

জ্ঞানও শক্তিতে ভরপুর এক দক্ষ ও বিশাল পেশাদারিত্ব;

বিশ্বমানেরইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা এবং গবেষণা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিশেষ সুযোগ-সুবিধা;

জিডিপি-রঊর্ধ্বমুখী হার এবং অভ্যন্তরীণ বিপণনের ক্ষেত্রে ক্রয় ক্ষমতার ক্রম উত্থান;

বিশ্বেরসর্বাপেক্ষা উদার প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ নীতি অনুসরণের এক বিশেষ সময়কাল;

বাণিজ্যিকপরিবেশকে সহজতর করে তোলার লক্ষ্যে সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ও কর্মপ্রচেষ্টা।

ভারতেরএই সমস্ত বিশেষ বিশেষ শক্তির কারণেই ইউনিডো-র মতে ভারত ইতিমধ্যেই বিশ্বের ষষ্ঠবৃহত্তম উৎপাদনকারক এক রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছে। এই পরিস্থিতিকে উন্নততরকরে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে চলেছি।

‘মেকইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের মূল্য শৃঙ্খলে এক বিশেষ ভূমিকা পালনেরলক্ষ্যে ভারতের রূপান্তর সাধনের কাজে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং আর্থিক দিক দিয়ে সমাজের বলশালী অংশের সঙ্গে নিচেরতলাগুলির ব্যবধান কমিয়ে আনা। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির এক বিশেষ প্রভাবইতিমধ্যেই আমরা লক্ষ্য করেছি।

‘মেকইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির এই সাফল্যে জার্মানি এক বড় ভূমিকা পালন করছে। হ্যানোভারমেলায় এক সহযোগী দেশ হিসেবে ভারতের অংশগ্রহণ ভারত-জার্মানি সহযোগিতার ক্ষেত্রেবিশেষ উৎসাহ যুগিয়েছে। হ্যানোভার মেলায় সহযোগিতার কয়েকটি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র আমরাপারস্পরিক সম্মতিতে চিহ্নিত করেছি। এগুলি হল – নির্মাণ ও উৎপাদন, বিজ্ঞান ওপ্রযুক্তি, দক্ষতা বিকাশ, রেল, নদী সংস্কার, পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি, শিক্ষাইত্যাদি। এছাড়াও, ২০১৫-র সেপ্টেম্বর মাস থেকে আমরা কৌশলগত দিক থেকে বিপণনব্যবস্থাকে সহায়তার লক্ষ্যে এক কর্মসূচিও রূপায়ণ করে চলেছি । আমরা এর নামদিয়েছে ‘এমআইআইএম’ (মেক ইন ইন্ডিয়া মিট্‌লস্ট্যান্ড)। এটি মূলত ভারতীয় বাজারে প্রবেশও অন্তর্ভুক্তির জন্য জার্মানির মিট্‌লস্ট্যান্ড সংস্থাগুলিকে সাহায্য ও সহযোগিতারলক্ষ্যে এক বিশেষ উদ্যোগ ।

এমআইআইএমকর্মসূচিতে বাণিজ্যিক সহায়তাদানের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু পরিষেবা যোগানের ব্যবস্থারয়েছে। আমাদের এই উদ্যোগ ভারত সম্পর্কে জার্মান শিল্প সংস্থাগুলির আগ্রহ আরওবাড়িয়ে তুলেছে।

এরসুফলগুলি হল এই যে অল্প সময়ের মধ্যেই :

৮৩টিশিল্প সংস্থা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে;

৭৩টিসংস্থা সরকারিভাবে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে;

৪৭টিসংস্থা বিনিয়োগ কর্মসূচি রূপায়ণের কাজে ইতিমধ্যেই অনেকটা এগিয়ে গেছে। ভারত ওজার্মানির মধ্যে আরেকটি সফল কর্মসূচি বর্তমানে রূপায়িত হচ্ছে তা হল –ইন্দো-জার্মান ম্যানেজার্স প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এই কর্মসূচিটি হল বিশেষভাবে ভারতেরক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলির বাণিজ্যিক কর্মকর্তাদের জন্য এক উন্নতপ্রশিক্ষণসূচি। এই কর্মসূচি রূপায়ণের ফলে :

একদিকেযেমন বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্যদিকে তেমনই গড়ে উঠেছে নতুন নতুন যৌথ উদ্যোগ।এছাড়াও, দুটি দেশের বি২বি সংযোগ ও যোগাযোগের মাত্রাও তাতে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধিপেয়েছে।

৫০০-রওবেশি ভারতীয় ম্যানেজার ইতিমধ্যেই উপকৃত হয়েছেন এই কর্মসূচিটির আওতায়।

এছাড়াও,ইতিমধ্যে সৃষ্টি হয়েছে এক বিশেষ পরিবেশের। এর কয়েকটি দৃষ্টান্ত হল : বশ, সিমেন্স,বিএএসএফ এবং এসএপি শুধুমাত্র ভারতেই সুনির্দিষ্ট গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ শুরুকরেছে।

মার্সিডিজবেন্‌জ ইন্ডিয়া জুলাই, ২০১৫-তে তার দ্বিতীয় উৎপাদন সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা কেন্দ্রগড়ে তুলেছে চাকান-এ। এর ফলে, প্রকল্পের উৎপাদন ক্ষমতা বছরে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েদাঁড়াবে ২০ হাজারের মতো।

আমাদেরএই উদ্যোগের ফলশ্রুতিতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সুনাম ও স্বীকৃতি আমরা আদায় করতেপেরেছি। তারই কিছু আমি এখানে তুলে ধরতে আগ্রহী।

বিশ্বেরঅর্থনৈতিক পরিস্থিতি যখন এক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে চলেছে, তখনও ভারত রয়েছে একউজ্জ্বল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে;

৭শতাংশেরও বেশি জিডিপি-র হার বৃদ্ধির নিরিখে গত তিন বছরের মধ্যে ভারত আত্মপ্রকাশকরেছে দ্রুততম গতিতে বৃদ্ধি পাওয়া এক প্রধান বিশ্ব অর্থনীতি হিসেবে;

বিশ্বঅর্থনৈতিক ফোরামের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামুখিনতার সূচক অনুযায়ী, গত দু’বছরে ভারতঅতিক্রম করে এসেছে ৩২টি স্থান – যে কোন দেশের পক্ষে এটি হল সর্বোচ্চ;

বিশ্বব্যাঙ্কের সার্বিক সাফল্যের নিরিখে ভারত অতিক্রম করে এসেছে ১৯টি স্থান;

ডব্ল্যুআইপিও-র২০১৬-র বিশ্ব উদ্ভাবন সূচকের নিরিখে ভারত পার হয়ে এসেছে ১৬টি ধাপ;

আঙ্কট্যাড-এরতালিকা অনুযায়ী প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শীর্ষ স্থানীয় ১০টি গন্তব্যেরতৃতীয় স্থানটি অধিকার করে রয়েছে ভারত;

কয়েকটিদৃষ্টান্তের আমি উল্লেখ করলাম মাত্র। আমরা বর্তমানে সরকারি হস্তক্ষেপের মাত্রাকমিয়ে এনে জোর দিচ্ছি সুপ্রশাসন তথা পরিচালনের ওপর। এখানেও আমি কয়েকটি দৃষ্টান্ততুলে ধরতে আগ্রহী :

ডিজিটালঅর্থনীতির পথে আমরা দ্রুত এগিয়ে চলেছি;

এযাবৎকালেরমধ্যে ভারতের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সংস্কারগুলির মধ্যে অন্যতম হলজিএসটি যা আগামী মাস থেকে চালু হতে চলেছে;

গতদু’বছরে ব্যক্তিগত তথা কর্পোরেট ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত কম হারের এক কর ব্যবস্থা আমরাগড়ে তুলেছি;

নতুননতুন বিনিয়োগ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলির ক্ষেত্রে কর্পোরেট করের হার আমরা ৩০ শতাংশথেকে কমিয়ে এনেছি ২৫ শতাংশে;

বাণিজ্যিককাজকর্ম সহজতর করে তোলার লক্ষ্যে ৭ হাজারেরও বেশি সংস্কার কর্মসূচি আমরা রূপায়ণকরেছি;

৩৬টিশিল্প সংস্থাকে পরিবেশগত ছাড়পত্রের আওতার বাইরে আমরা নিয়ে এসেছি;

একইভাবে,৫০টি পণ্যকে আমরা রেখেছি প্রতিরক্ষা উৎপাদন তালিকার বাইরে;

শিল্পলাইসেন্সের বৈধতার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ১৫ বছর পর্যন্ত;

১৯টিবন্দর এবং ১৭টি বিমান পণ্য পরিবহণ কেন্দ্রে কাস্টম্‌স সংক্রান্ত ছাড়পত্র দেওয়ারব্যবস্থা চালু হয়েছে সপ্তাহের সাতদিন, ২৪ ঘন্টাই;

ডিআইএন,প্যান, ট্যান এবং সিআইএন বন্টনের মাধ্যমে যে কোন সংস্থার অন্তর্ভুক্তি এখন মাত্রএকদিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ করা সম্ভব;

বিদ্যুৎসংযোগের ব্যবস্থা করা হয় মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই;

বিশ্বব্যাঙ্কের ‘বিদ্যুৎ সংযোগ’ সম্পর্কিত মাপকাঠিতে ১১১টি স্থান অতিক্রম করে এসেছেভারত।

দেশেরবিভিন্ন রাজ্যে যে হাজার হাজার সংস্কার কর্মসূচির কাজ চলছে, এই উদাহরণগুলি তারকয়েকটি মাত্র। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সাথে সাথে রাজ্যগুলিও এই ধরনের সংস্কার কর্মসূচিচালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারই কয়েকটি দৃষ্টান্ত আমি এখানেতুলে ধরতে চাই :

এখানেআমি কয়েকটি রাজ্যের কথা উল্লেখ করলেও, প্রতিযোগিতামুখিনতার কারণে এই সংস্কারপ্রচেষ্টা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে।

সংস্কারকর্মসূচিগুলির মধ্যে রয়েছে –

আর্থিকলেনদেন এবং অনুমোদনের ১০০ শতাংশের ক্ষেত্রেই ‘এক জানালা’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছেদেশের ১৬টি রাজ্যে;

১৩টিরাজ্যে পুরোপুরি চালু হয়েছে ই-ফাইলিং-এর মাধ্যমে কর সংক্রান্ত রিটার্ন পেশ করারপদ্ধতি;

১৩টিরাজ্যে স্বয়ংক্রিয় অনলাইন পদ্ধতিতে চালু হয়েছে গৃহ নির্মাণ সংক্রান্ত পরিকল্পনাঅনুমোদনের ব্যবস্থা;

বাণিজ্যিকবিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১১টি রাজ্যে রূপায়িত হয়েছে ই-ফাইলিং পদ্ধতি;

১৩টিরাজ্যে জেলা পর্যায়ে স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ বিশেষ বাণিজ্যিক আদালত।

বন্ধুগণ!

বিশ্বেরযে সমস্ত স্থানে সর্বাপেক্ষা উদার প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ নীতি অনুসৃত হচ্ছে,ভারত হল তার অন্যতম। এখানে ৯০ শতাংশেরও বেশি বিদেশি বিনিয়োগ পরিচালিত হচ্ছেস্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায়। গত সপ্তাহে আমরা সরকারিভাবে বিদেশি বিনিয়োগ উন্নয়ন পর্ষদতুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ সংক্রান্তপ্রস্তাবগুলি পরীক্ষা করে দেখার জন্য এর সূচনা হয় ১৯৯০ সালে। আমাদের লক্ষ্য হলভারতীয় অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণকে আরও বেশি করে উৎসাহদান । আমাদের এইদৃষ্টিভঙ্গির কারণে ভারতের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ সম্পর্কিত চিন্তাভাবনাকে যথেষ্টইতিবাচক বলে মনে করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা।

গততিন বছরে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ব্যাপকভাবে। ২০১৬-১৭অর্থ বছরে এর মাত্রা পৌঁছে গেছে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

বন্ধুগণ!

ভারতহল এক বিশাল দেশ। সুতরাং, উন্নয়নের প্রশ্নে এখানে কোন কিছুই যথেষ্ট বা পর্যাপ্তনয়। আমাদের স্বপ্ন রয়েছে অনেক এবং কোন স্বপ্নই আকারে বা আয়তনে ছোট নয়। কিন্তু একনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই এই স্বপ্ন পূরণের কাজে আমাদের সফল হতে হবে। আর এখানেইরয়েছে আপনাদের জন্য এক বিশেষ সুযোগ।

লক্ষলক্ষ বাসস্থান নির্মাণ থেকে শুরু করে শত শত স্মার্ট নগরী গড়ে তোলা; রেল নেটওয়ার্কএবং স্টেশনগুলির আধুনিকীকরণ থেকে শুরু করে উচ্চগতির রেল চলাচলের উপযোগী করিডরস্থাপন; পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন থেকে শুরু করে সংবহন ও বন্টন নেটওয়ার্কগড়ে তোলা – এই সমস্ত ক্ষেত্রে রয়েছে আপনাদের জন্য অংশগ্রহণের এক বিরাট সুযোগ।এছাড়াও, জাতীয় মহাসড়ক, সেতু নির্মাণ, শহরাঞ্চলের জনপরিবহণ ব্যবস্থা, বিদ্যালয়,হাসপাতাল এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণ সংস্থাগুলিতে অংশগ্রহণের সুযোগও দিন দিন বৃদ্ধিপেয়ে চলেছে।

‘ডিজিটালভারত’ এবং ‘দক্ষ ভারত’ অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোরউদ্দেশ্যে তাঁদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেও আমরা সচেষ্ট রয়েছি। দেশের যুবশক্তিকেপুরোপুরিভাবে কাজে লাগানোর জন্য আমরা সূচনা করেছি ‘স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া’ এবং‘স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির।

চ্যান্সেলরমার্কেল এবং বন্ধুগণ !

২০১৫-রএপ্রিল মাসে যখন আমি বক্তব্য রেখেছিলাম, তখন সবেমাত্র সূচনা হয়েছে আমাদের সংস্কারপ্রক্রিয়ার। বর্তমানে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই বলতে পারি যে এর বেশ কিছুটালক্ষ্য পূরণের কাজ আমরা সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। তবে, এর থেকেও অনেক বেশি কিছু করারলক্ষ্যে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই কাজ আমরা করে যেতে চাই দ্রুততার সঙ্গে এবং আরওভালভাবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে এই সমস্ত সংস্কার কর্মসূচি উপলব্ধি করা এবংতাকে সমর্থন জানানোর জন্য এক প্রাতিষ্ঠানিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন। আমাদেরদুটি দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের জন্য এই ব্যবস্থা একান্তজরুরি। পরিশেষে, আরও বেশি সংখ্যক জার্মান সংস্থা ও সহযোগীদের আমি আমন্ত্রণ জানাইআমাদের দেশ ভারতে।

আমাদেরলক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন মিলিতভাবে গড়ে তুলতে পারে এক বিশেষ বাণিজ্যিকসুযোগ-সুবিধার পরিবেশ । অতীতে ভারত কোনদিন বাণিজ্যিক দিক থেকে এইভাবেপ্রস্তুত হয়ে উঠতে পারেনি। সেই কাজের সূচনা করেছি আমরা। আমাদের গণতান্ত্রিকমূল্যবোধ এবং সদা সতর্ক এক বিচার ব্যবস্থা আপনাদের বিনিয়োগ সুরক্ষিত রাখারবিষয়টিকে নিশ্চিত করে তুলবে।

আপনাদেরএই প্রচেষ্টাকে সফল করে তুলতে আমরা একযোগে কাজ করে যাব – এই আশ্বাস আমি এখানে দিয়েযেতে চাই।

ধন্যবাদ!

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
One of the world’s first canal-top solar projects placed a 750-meter solar array above an Indian irrigation canal, generating clean power while saving an estimated 9 million liters of water each year

Media Coverage

One of the world’s first canal-top solar projects placed a 750-meter solar array above an Indian irrigation canal, generating clean power while saving an estimated 9 million liters of water each year
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM addresses an energy-packed public rally in Jalandhar, Punjab
July 17, 2026
The party ruling Punjab neither has honest intent nor clean governance: PM Modi's sharp criticism
Punjab’s farmers, youth and entrepreneurs can make the state one of India's strongest growth engines. For that, Punjab needs a double-engine BJP government: PM’s promise
Punjab's youth have extraordinary talent. From the sports goods capital of Jalandhar, I want to tell every young person that this is the time to seize new opportunities: PM
BJP-governed states are delivering faster development, better welfare and stronger support for farmers and employees: PM notes in Punjab

PM Modi addressed a massive public rally in Jalandhar, Punjab, where he highlighted the transformation of India's railway infrastructure, outlined the BJP's vision for a Viksit Punjab and called for a double-engine government to unlock the state's full potential. He also spoke about the growing opportunities for Punjab's youth through India's emerging sports economy.

The PM said Indian Railways, which serves millions of poor and middle-class families every day, had long suffered neglect under previous governments. He noted that while earlier governments limited themselves to announcing new trains, the BJP government has focused on modernising railway infrastructure across the country. He said the newly inaugurated Jalandhar Cantt station, alongside other stations, reflects the vision of a Viksit Bharat while also celebrating Punjab's cultural heritage. He added that these stations are becoming centres of commerce by creating opportunities for local artisans, Vishwakarma beneficiaries and women SHGs. He also recalled that the BJP government renamed Adampur Airport after Shri Guru Ravidass Maharaj Ji and Chandigarh International Airport after Shaheed Bhagat Singh, honouring India's great icons.

PM Modi strongly criticised the Punjab government over law and order, corruption and misgovernance. He said rising gang wars, extortion, attacks on police stations and the growing drug menace have put Punjab's future at risk. He alleged that corruption and criminal cases involving leaders of the ruling party have eroded public trust, while funds provided by the Centre for roads, irrigation, markets and welfare have not been utilised effectively. He further stated that central schemes were being rebranded instead of being implemented honestly, adding that even the Ayushman Bharat scheme had been subjected to political branding.

Calling for a double-engine government in Punjab, the PM said the state has immense potential through its farmers, youth and entrepreneurs. Drawing comparisons with BJP-governed states, he said double-engine governments have accelerated development, strengthened welfare delivery and ensured better support for farmers and employees. He alleged that promises made to women in Punjab remain unfulfilled, while Congress and other regional parties remain occupied with internal politics instead of serving the people. He said only the BJP can bring lasting development, attract fresh investment, generate employment and make Punjab a stronger and more self-reliant state.

Addressing the youth, he noted Jalandhar's globally recognised sports manufacturing ecosystem and said it is at the heart of India's emerging sports economy. He said initiatives such as ‘Khelo India’ are creating new opportunities across sports manufacturing, coaching, sports science, sports medicine, universities, centres of excellence and sports startups. Referring to his recent visits to Australia and New Zealand, he said several agreements had been signed to strengthen India's sports ecosystem and encouraged Punjab's youth to seize these opportunities and make the country proud on the global stage.