প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আগামীকাল ২৯শে সেপ্টেম্বর নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে পুনর্জাগরণের জন্য শিক্ষা ক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদান বিষয়ে একটি সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। এতে সারা দেশের ৩৫০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য/অধিকর্তারা অংশগ্রহণ করবেন। ইউজিসি, এআইসিটিই, আইসিএসএসআর, আইজিএনসিএ, আইজিএনওইউ, জেএনইউ এবং এসজিটি বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
এই সম্মেলনের মূল সুর হিসাবে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অ্যাকাডেমিক পর্যায়ে ফলাফল ও শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে খোলনলচে বদলে ফেলার একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা ভাবা হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে এই সম্মেলন উদ্বোধন করার পর ৮টি মূল বিষয়ে পৃথকভাবে অধিবেশন বসবে। এগুলি হ’ল :-
১) শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার মানোন্নয়ন – প্রয়োজন মাফিক শিক্ষার জন্য কৃত্রিম মেধার ব্যবহার।
২) কাজের অনুসন্ধান থেকে কাজের সৃষ্টি – উদ্ভাবন ও ঔদ্যোগিক ক্ষেত্রের উন্নয়ন।
৩) গবেষণার মানোন্নয়ন – ভারতের প্রয়োজনের ওপর জোর।
৪) বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়সাধন – গ্রন্থাগার পরিষেবা ভাগ করে নেওয়া এবং জ্ঞান বিনিময়ের মতো অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে অভিন্ন ভাণ্ডার বা পুল স্থাপন।
৫) সুসংহত ও অন্তর্ভুক্ত ক্যাম্পাস নির্মাণ – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসগুলির সঙ্গে ছাত্রদের মানসিক সংযোগ গড়ে তোলার মতো কাজের উদ্যোগ।
৬) অংশগ্রহণমূলক প্রশাসনিক আদর্শ – প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণের সহায়তা।
৭) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য শক্তিশালী আর্থিক মডেল গড়ে তোলা – সরকারি সহায়সম্পদের পাশাপাশি প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী ও কর্পোরেট সংস্থার কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহের ব্যবস্থা।
৮) মূল্যবোধ যুক্ত শিক্ষার ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে শিক্ষায় সর্বজনীন মূল্যবোধ ও জীবনের দক্ষতাকে অন্তর্ভুক্ত করা।
সম্মেলনের সমাপ্তি অধিবেশনে পৌরহিত্য করবেন মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী প্রকাশ জাভড়েকর। এই অধিবেশনে সম্মেলনের ৮টি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে স্থির হওয়া কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে বক্তব্য পেশ করা হবে। বর্ধিত অধিবেশনে এই বিষয়গুলি নিয়ে বিতর্ক হবে এবং এখান থেকেই দেশের উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সামগ্রিক কর্মপরিকল্পনা উঠে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


