PM recalls Netaji Bose’s indomitable courage and enduring inspiration
PM recalls launch of e-Gram Vishwagram Yojana from Haripura linked to Netaji Bose
PM highlights efforts to popularise Netaji Bose’s legacy and declassify related files
Prime Minister recalls declaration of Netaji Bose’s birth anniversary as Parakram Diwas and visit to Netaji Bhawan

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এইদিনটি  পরাক্রম দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। তিনি বলেন, আজকের দিনে দেশবাসী নেতাজির অদম্য সাহস, সংকল্প এবং দেশের প্রতি অবদানকে স্মরণ করছে। তাঁর নির্ভীক নেতৃত্ব একটি শক্তিশালী দেশ গঠনে সকলকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।    
 
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর থেকে তিনি সর্বদা অনুপ্রাণিত হন।  ২০০৯ সালের ২৩শে জানুয়ারী, গুজরাটের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের সংস্কারের লক্ষ্যে একটি অগ্রণী প্রকল্প, ই-গ্রাম বিশ্বগ্রাম যোজনার সূচনা করেন তিনি । এই প্রকল্পটি হরিপুরা থেকে শুরু হয়।  নেতাজির জীবনে হরিপুরা একটি বিশেষ স্থান দখল করে ছিল।  হরিপুরায় যে রাস্তা ধরে নেতাজী গিয়েছিলেন, সেখানে সফরের সময় জনগণ তাকেও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০১২ সালে, আজাদ হিন্দ ফৌজ দিবস উপলক্ষে আহমেদাবাদে বিরাট এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে নেতাজির আদর্শে অনুপ্রাণিত বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ শ্রী পি. এ. সাংমা । 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেতাজির গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে অতীতে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে যারা দেশ শাসনের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের অ্যাজেন্ডার সঙ্গে নেতাজির বিষয়টি খাপ খেতোনা, তাই তারা চেয়েছিলেন, সকলে যাতে নেতাজিকে ভুলে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে ধারণা সম্পূর্ণ পৃথক। নেতাজির জীবন এবং আদর্শকে তুলে ধরার জন্য সবধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নেতাজি সম্পর্কিত ফাইলগুলিকে সকলের সম্মুখে আনার মত যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রসঙ্গটিও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সাল দুটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই বছর লালকেল্লায় আজাদ হিন্দ সরকার গঠনের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ত্রিবর্ণ রঞ্জিত জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সৌভাগ্য তাঁর হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রাক্তনী লালটি রামজি-র সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্রী বিজয়পুরম ( আগে যা পোর্টব্লেয়ার নামে পরিচিত ছিল) –এ সুভাষচন্দ্রের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ৭৫ বছর উপলক্ষ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ত্রিবর্ণ রঞ্জিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেই সময় তিনটি দ্বীপের নাম পরিবর্তন করা হয়। রস আইল্যান্ডের নামকরণ করা হয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, লালকেল্লায় ক্রান্তি মন্দির সংগ্রহশালা গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে নেতাজি ও আজাদ হিন্দ বাহিনীর বিভিন্ন ঐতিহাসিক সামগ্রী রাখা আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নেতাজির ব্যবহৃত টুপি। এভাবে নেতাজির ঐতিহাসিক অবদানকে সংরক্ষিত করা হয়েছে। 
নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর জন্মদিনটিকে পরাক্রম দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পূজনীয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য জাতীয় রাজধানীর কেন্দ্রস্থল ইন্ডিয়া গেটে নেতাজির একটি প্রতিকৃতি বসানোর কথাও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। এর মধ্য দিয়ে আগামী প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হবে।  
সামাজিক মাধ্যমে  একগুচ্ছ বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, 
“ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীতে আমরা তাঁকে শ্রদ্ধা জানাই । এইদিনটি পরাক্রম দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। তিনি বলেন, আজকের দিনে দেশবাসী নেতাজির অদম্য সাহস, সংকল্প এবং দেশের প্রতি অবদানকে স্মরণ করছে। তাঁর নির্ভীক নেতৃত্ব একটি শক্তিশালী দেশ গঠনে সকলকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে”। 
“ , নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর থেকে আমি সর্বদাই অনুপ্রাণিত হই।  ২০০৯ সালের ২৩শে জানুয়ারী, গুজরাটের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের সংস্কারের লক্ষ্যে একটি অগ্রণী প্রকল্প, ই-গ্রাম বিশ্বগ্রাম যোজনার সূচনা করেছিলাম । এই প্রকল্পটি হরিপুরা থেকে শুরু হয়। নেতাজির জীবনে হরিপুরা একটি বিশেষ স্থান দখল করে ছিল।হরিপুরায় যে রাস্তা ধরে নেতাজী গিয়েছিলেন, সেখানে সফরের সময় জনগণ আমাকে যে ভাবে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন, তা কখনই ভুলবার নয়”। 
“২০১২ সালে, আজাদ হিন্দ ফৌজ দিবস উপলক্ষে আহমেদাবাদে বিরাট এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে নেতাজির আদর্শে অনুপ্রাণিত বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ শ্রী পি. এ. সাংমা”।  
“নেতাজির গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে অতীতে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে যারা দেশ শাসনের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের অ্যাজেন্ডার সঙ্গে নেতাজির বিষয়টি খাপ খেতোনা, তাই তারা চেয়েছিলেন, সকলে যাতে নেতাজিকে ভুলে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে ধারণা সম্পূর্ণ পৃথক। নেতাজির জীবন এবং আদর্শকে তুলে ধরার জন্য সবধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নেতাজি সম্পর্কিত ফাইলগুলিকে সকলের সম্মুখে আনার মত যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করেছি” । 

 

“২০১৮ সাল দুটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিলঃ  
 সেই বছর লালকেল্লায় আজাদ হিন্দ সরকার গঠনের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ত্রিবর্ণ রঞ্জিত জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রাক্তনী লালটি রামজি-র সঙ্গে সাক্ষাত করেছিলাম । 
শ্রী বিজয়পুরম ( আগে যা পোর্টব্লেয়ার নামে পরিচিত ছিল) –এ সুভাষচন্দ্রের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ৭৫ বছর উপলক্ষ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ত্রিবর্ণ রঞ্জিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেই সময় তিনটি দ্বীপের নাম পরিবর্তন করা হয়। রস আইল্যান্ডের নামকরণ করা হয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ”। 
“ লালকেল্লায় ক্রান্তি মন্দির সংগ্রহশালা গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে নেতাজি ও আজাদ হিন্দ বাহিনীর বিভিন্ন ঐতিহাসিক সামগ্রী রাখা আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নেতাজির ব্যবহৃত টুপি। এভাবে নেতাজির ঐতিহাসিক অবদানকে সংরক্ষিত করা হয়েছে। 
নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর জন্মদিনটিকে পরাক্রম দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে”। 
“ পূজনীয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য জাতীয় রাজধানীর কেন্দ্রস্থল ইন্ডিয়া গেটে নেতাজির একটি প্রতিকৃতি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে আগামী প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হবে”।  

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
The Nari Shakti Decade: How 12 years of policy reforms under Modi govt transformed lives of women in Bharat

Media Coverage

The Nari Shakti Decade: How 12 years of policy reforms under Modi govt transformed lives of women in Bharat
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister shares a Sanskrit Subhashitam highlighting the welfare of all living beings and harmony with nature
June 08, 2026

Prime Minister Shri Narendra Modi shared a Sanskrit Subhashitam today highlighting that achieving the welfare of all living beings by striking a balance with nature has been the core spirit of our culture.

The Prime Minister noted that with this comprehensive vision, India is continuously moving forward on the path of progress and prosperity today.

The Prime Minister wrote on X:

"प्रकृति के साथ संतुलन बिठाकर समस्त जीवों का कल्याण हो, यही हमारी संस्कृति की मूल भावना रही है। इसी व्यापक दृष्टि से आज भारतवर्ष प्रगति और समृद्धि के पथ पर निरंतर आगे बढ़ रहा है।

यावच्चतस्रः प्रदिशश्चक्षुर्यावत् समश्नुते।
तावत् समैत्विन्द्रियं मयि तद्धस्तिवर्चसम्॥"

May we attain such prosperity that is endowed with the vast expanse of all four directions and the alert awareness of the eyes' vision - where, living in complete harmony with nature, the environment is preserved and the sustainable well-being of all life is ensured.