নবরাত্রি এবং নববর্ষের পূণ্য লগ্নে ছত্তিশগড়ের ৩ লক্ষ দরিদ্র পরিবারের এই স্বপ্ন পূরণ হল: প্রধানমন্ত্রী
সরকার দরিদ্র আদিবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা এবং চিকিৎসা প্রদানের বিষয়ে উদ্বিগ্ন: প্রধানমন্ত্রী
সরকার আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের জন্য একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে: প্রধানমন্ত্রী

পরিকাঠামোগত বিকাশ এবং সকলের ধারাবাহিক জীবিকার সংস্থানের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতার অঙ্গ হিসেবে ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরে আজ এক অনুষ্ঠানে ৩৩,৭০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। নববর্ষ এবং নবরাত্রির প্রথম দিনে ছত্তিশগড়ের ক্ষেত্রে এই দিনটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী। তুলে ধরেন পৌরানিক নানা আখ্যান। 

 

এই প্রকল্পগুলি প্রধানত দরিদ্র মানুষের গৃহ নির্মাণ, বিদ্যালয়, সড়ক, রেল, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস পাইপলাইন সম্পর্কিত। এরফলে উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানেও গতি আসবে বলে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যয়ী। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজের বাড়ি থাকা সব মানুষের কাছেই কাঙ্ক্ষিত। নবরাত্রি এবং নববর্ষের পূণ্য লগ্নে ছত্তিশগড়ের ৩ লক্ষ দরিদ্র পরিবারের এই স্বপ্ন পূরণ হল। আগেকার জমানায় এ ধরনের উদ্যোগ লাল ফিতের ফাঁসে আটকে থাকত। কিন্তু বর্তমান রাজ্য সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই দরিদ্রদের জন্য ১৮ লক্ষ বাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত হয় এবং এর মধ্যে ৩ লক্ষ বাড়ি তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে এইসব বাড়ির অনেকগুলিই বস্তার এবং সরগুজা আদিবাসী প্রধান অঞ্চলে গড়ে তোলা হয়েছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই বাড়িগুলি শুধুমাত্র একটি কাঠামো হয়েই থাকছে না, সেখানে শৌচাগার, বিদ্যুৎ, উজ্জ্বলা গ্যাস সংযোগ এবং নলবাহিত পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। এই অনুষ্ঠানে মহিলাদের বেশি সংখ্যায় উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। মহিলাদের অনেকেরই নিজের নামে বাড়ির স্বপ্ন পূরণ হল বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। 

 

এই বাড়িগুলি তৈরির ক্ষেত্রে স্থানীয় শ্রমিকদের কর্মসংস্থানেও গতি এসেছে বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন। তিনি আরও বলেন, বাড়িগুলি তৈরি হয়েছে স্থানীয় উপাদান দিয়ে। সেক্ষেত্রে লাভবান হয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। 

 

ছত্তিশগড়ের মানুষদের দেওয়া যাবতীয় প্রতিশ্রুতির যথাযথ রূপায়ণের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্ধিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করেছে। ছত্তিশগড়ের পূর্ববর্তী সরকার যেখানে নিয়োগের পরীক্ষায় দুর্নীতিকে মদত দিয়েছে, সেখানে বর্তমান সরকার হাঁটছে ঠিক উল্টো পথে। এরফলে জনগণের আস্থা এবং বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটেছে বিধানসভা, লোকসভা এবং এই রাজ্যের সাম্প্রতিক পুর নির্বাচনগুলিতে শাসক দলের জয়ের মধ্যে দিয়ে। 

 

প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন যে, এই বছরটি হল ছত্তিশগড় রাজ্য প্রতিষ্ঠার ২৫-তম বার্ষিকী। আবার এই বছরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মশতবর্ষ। সেকথা মাথায় রেখে ছত্তিশগড় সরকার ২০২৫ সালটিকে “অটল নির্মাণ বর্ষ” হিসেবে উদযাপন করছে। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, উন্নয়নের সুফল সমভাবে বন্টিত না হওয়ার কারণেই ছত্তিশগড়কে আলাদা প্রদেশ হিসেবে গড়ে তোলার দরকার হয়ে পড়েছিল। বর্তমান সরকার রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে উদ্যোগী বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। 

 

রাজ্যজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতির কথা উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে রেল পরিষেবা পৌঁছে গেছে, তৈরি হয়েছে নতুন সড়ক। বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে গেছে বিদ্যুৎ ও নলবাহিত পানীয় জল। গড়ে উঠছে একের পর এক স্কুল, কলেজ ও হাসপাতাল। যেসব রাজ্যে রেললাইনের বৈদ্যুতিকীকরণের কাজ ১০০ শতাংশ সম্পন্ন, তার মধ্যে রয়েছে ছত্তিশগড়। ছত্তিশগড়ে বর্তমানে ৪০,০০০ কোটি টাকার রেল প্রকল্পের রূপায়ণ হচ্ছে।

 

প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন যে উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দের পাশাপাশি প্রশাসনের সদিচ্ছাও সমান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ রাজ্যে কয়লা সহ বিভিন্ন খনিজ ও পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও পূর্ববর্তী সরকারের অযোগ্যতার কারণে উন্নয়নের গতি স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল। সৌরশক্তি প্রসারে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে তিনি পিএম সূর্যঘর মুফত বিজলী যোজনার উল্লেখ করেন। ছত্তিশগড়ে গ্যাস পাইপলাইন পাতার কাজেও বর্তমান সরকারের উদ্যোগের উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

 

পূর্ববর্তী প্রশাসনের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেইসময় ছত্তিশগড় এবং অন্য অনেক রাজ্যেই নকশালবাদের সমস্যা ক্রমশ আরও বেশি করে প্রকট হয়ে উঠছিল। এর কারণ, উন্নয়ন না হওয়া। কিন্তু বিকাশের প্রশ্নটিকে গুরুত্ব না দিয়ে একের পর এক জেলা ও অঞ্চলকে অনুন্নত বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানের কেন্দ্রীয় সরকার এই ছবিটা পাল্টে দিতে চায় এবং দরিদ্র মানুষের স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন।

 

আদিবাসীদের কল্যাণে বর্তমান সরকারের দায়বদ্ধতার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী “ধরতি আবা জনজাতীয় উৎকর্ষ অভিযান”-এর উল্লেখ করেন। এর আওতায় আদিবাসী প্রধান এলাকাগুলির উন্নয়নে ৮০,০০০ কোটি টাকা লগ্নি করা হচ্ছে। এর ফলে উপকৃত হচ্ছে ছত্তিশগড়ের প্রায় ৭০০০ গ্রাম। প্রকল্পটির আওতায় ছত্তিশগড়ে ১৮টি জেলার ২০০০ বসতি এলাকায় বিকাশের কাজ চলছে। সারা দেশে পিএম জনমন যোজনার আওতায় ৫০০০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে- যার মধ্যে ২,৫০০ কিলোমিটারই ছত্তিশগড়ে। 

 

ছত্তিশগড়ে ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবাদে উন্নয়নে অভূতপূর্ব গতি এসেছে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সুকমা জেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্র জাতীয় স্তরে উৎকর্ষের ভিত্তিতে সম্মানিত হয়েছে। বহু বছর পরে দান্তেওয়াড়ায় খুলেছে স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এই অঞ্চলে সম্প্রীতির বাতাবরণ গড়ে তোলায় বস্তার অলিম্পিকের মতো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। এই আয়োজনে ছত্তিশগড়ের যুবাদের বিপুল সংখ্যায় অংশগ্রহণ অত্যন্ত ইতিবাচক বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। তিনি আরও বলেন, দেশে ১২,০০০ পিএম শ্রী স্কুল তৈরি করা হয়েছে- যার মধ্যে ৩৫০টি রয়েছে ছত্তিশগড়ে। এই রাজ্যে একলব্য মডেল স্কুলগুলি যেভাবে কাজ করছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে তিনি মনে করেন। জাতীয় শিক্ষা নীতিতে মেডিক্যাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং হিন্দিতে পড়ার যে সংস্থান রয়েছে, তার সুবাদে প্রান্তিক পরিবারগুলির ছেলেমেয়েরা নিজেদের স্বপ্নপূরণ আরও সহজে করতে পারবে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। 

 

বিবিধ সম্পদে সমৃদ্ধ ছত্তিশগড় আগামীদিনে উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাজ্যগুলির মধ্যে প্রথম সারিতে চলে আসবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদী। 

 

ছত্তিশগড়ে ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবাদে উন্নয়নে অভূতপূর্ব গতি এসেছে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সুকমা জেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্র জাতীয় স্তরে উৎকর্ষের ভিত্তিতে সম্মানিত হয়েছে। বহু বছর পরে দান্তেওয়াড়ায় খুলেছে স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এই অঞ্চলে সম্প্রীতির বাতাবরণ গড়ে তোলায় বস্তার অলিম্পিকের মতো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। এই আয়োজনে ছত্তিশগড়ের যুবাদের বিপুল সংখ্যায় অংশগ্রহণ অত্যন্ত ইতিবাচক বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। তিনি আরও বলেন, দেশে ১২,০০০ পিএম শ্রী স্কুল তৈরি করা হয়েছে- যার মধ্যে ৩৫০টি রয়েছে ছত্তিশগড়ে। এই রাজ্যে একলব্য মডেল স্কুলগুলি যেভাবে কাজ করছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে তিনি মনে করেন। জাতীয় শিক্ষা নীতিতে মেডিক্যাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং হিন্দিতে পড়ার যে সংস্থান রয়েছে, তার সুবাদে প্রান্তিক পরিবারগুলির ছেলেমেয়েরা নিজেদের স্বপ্নপূরণ আরও সহজে করতে পারবে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। 

 

বিবিধ সম্পদে সমৃদ্ধ ছত্তিশগড় আগামীদিনে উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাজ্যগুলির মধ্যে প্রথম সারিতে চলে আসবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদী। 

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের রাজ্যপাল শ্রী রমেন ডেকা, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিষ্ণু দেও সাই, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মনোহর লাল, শ্রী তোখান সাহু প্রমুখ। 

 

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
FIIs pour over $1 billion into Indian stocks, biggest weekly buying since June 2025

Media Coverage

FIIs pour over $1 billion into Indian stocks, biggest weekly buying since June 2025
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister expresses grief over loss of lives due to boat capsizing in South 24 Parganas district of West Bengal
July 13, 2026
Prime Minister announces ex-gratia

The Prime Minister, Shri Narendra Modi has expressed deep grief over the loss of lives due to the capsizing of a boat in the South 24 Parganas district of West Bengal.

The Prime Minister conveyed his thoughts to the bereaved families in this hour of grief and prayed for the speedy recovery of the injured.

The Prime Minister announced that an ex-gratia of Rs. 2 lakh from the Prime Minister’s National Relief Fund (PMNRF) would be given to the next of kin of each deceased. The injured would be given Rs. 50,000.

The Prime Minister’s Office posted on X;

“The loss of lives due to the capsizing of a boat in the South 24 Parganas district of West Bengal is deeply painful. My thoughts are with the bereaved families in this hour of grief. May the injured recover at the earliest.

An ex-gratia of Rs. 2 lakh from PMNRF would be given to the next of kin of each deceased. The injured would be given Rs. 50,000: PM @narendramodi”