দেশের বিচার ব্যবস্থার রক্ষক হিসাবে দেশের আইন ও বিচার কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর গুরুত্ব আরোপ করলেন তিনি
উল্লেখ করলেন ‘নারী শক্তি বন্দন আইন’ - এর সুদূরপ্রসারী সুফলের কথাও
শুধু তাই নয়, ভারতের বর্তমান নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার উপর আরও বেশি করে আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করতে শুরু করেছে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিও।
আজকের সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ডঃ ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার মন্ত্রী শ্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল শ্রী আর ভেঙ্কটরামানি, দেশের সলিসিটর জেনারেল শ্রী তুষার মেহতা, বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান শ্রী মনন কুমার মিশ্র এবং যুক্তরাজ্যের লর্ড চ্যান্সেলর মিঃ অ্যালেক্স চক।
হিন্দি, তামিল, গুজরাটি এবং ওড়িয়ার মতো ৪টি ভারতীয় আঞ্চলিক ভাষায় বিচারের রায়গুলি অনুবাদের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভারতীয় শীর্ষ আদালত, সেজন্য সমগ্র দেশই বিচার ব্যবস্থার কাছে কৃতজ্ঞ। এইভাবেই এই একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে চলেছে ভারতের বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে।
আজ থেকে একমাস আগে এই দিনটিতে ভারত বিশ্বের মধ্যে সর্বপ্রথম চাঁদের দক্ষিণ প্রান্ত স্পর্শ করেছিল চন্দ্রায়ন – ৩ এর মাধ্যমে
কারণ, ভারতে এখন আত্মবিশ্বাসের কোনও অভাব বা ঘাটতি নেই

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে আইনজীবীদের ভূমিকার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন, বহু বছর ধরেই দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থা ভারতীয় বিচার ব্যবস্থায় অভিভাবকের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে আসছে। এমনকি, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও আইনজীবীদের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। দৃষ্টান্ত-স্বরূপ মহাত্মা গান্ধী, বাবাসাহেব আম্বেদকর, বাবু রাজেন্দ্র প্রসাদ, জওহরলাল নেহরু, সর্দার প্যাটেল, লোকমান্য তিলক এবং বীর সাভারকরের মতো ব্যক্তিদের এক্ষেত্রে অবদানের কথাও তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, আইনি পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা স্বাধীন ভারতের ভিতকে আরও মজবুত করে তুলেছে। শুধু তাই নয়, ভারতের বর্তমান নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার উপর আরও বেশি করে আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করতে শুরু করেছে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিও। 

 

আজ নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক আইনজীবী সম্মেলন, ২০২৩ – এর উদ্বোধনকালে ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই সম্মেলনটি ভারতের ‘বসুধৈব কুটুম্বকম্’ চিন্তাদর্শের একটি প্রতীক হয়ে উঠেছে। সম্মেলন উপলক্ষে ভারতে আগত অন্যান্য দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমন একটি  সময়ে, যখন সারা দেশ বিশেষ কয়েকটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী রয়েছে। সংসদে ‘নারী শক্তি বন্দন’ অধিনিয়ম পাশ হয়ে যাওয়ার ফলে লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এই আইনটি ভারতে মহিলা পরিচালিত উন্নয়ন প্রচেষ্টায় এক নতুন দিশা চিহ্নিত করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। সদ্য সমাপ্ত জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের গণতন্ত্র, জনগোষ্ঠী এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সাফল্যকে প্রত্যক্ষ করেছেন বিশ্ববাসী। আজ থেকে একমাস আগে এই দিনটিতে ভারত বিশ্বের মধ্যে সর্বপ্রথম চাঁদের দক্ষিণ প্রান্ত স্পর্শ করেছিল চন্দ্রায়ন – ৩ এর মাধ্যমে। এইভাবেই আগামী ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ - এর লক্ষ্য ও স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সমগ্র জাতি। কারণ, ভারতে এখন  আত্মবিশ্বাসের কোনও অভাব বা ঘাটতি নেই। এইভাবেই ভারতকে এক উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য যে সাফল্যের সঙ্গেই পূরণ করা সম্ভব হবে – এ বিষয়ে তাঁর দৃঢ় ও গভীর প্রত্যয়ের কথা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নাগরিকরা ক্রমশই অনুভব ও উপলব্ধি করতে পারছেন যে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে তাঁদেরই সার্বিক কল্যাণে। নতুন আইনগুলি রচিত হচ্ছে সহজবোধ্য ভাষায়। হিন্দি, তামিল, গুজরাটি এবং ওড়িয়ার মতো ৪টি ভারতীয় আঞ্চলিক ভাষায় বিচারের রায়গুলি অনুবাদের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভারতীয় শীর্ষ আদালত, সেজন্য সমগ্র দেশই বিচার ব্যবস্থার কাছে কৃতজ্ঞ। এইভাবেই এই একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে চলেছে ভারতের বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে।

 

এই পরিস্থিতিতে ভারতের আইনগত প্রক্রিয়াকে প্রযুক্তি, সংস্কার এবং নতুন নতুন বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুসংহত করে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতি বিচার ব্যবস্থায় নতুন নতুন পথের সন্ধান এনে দিয়েছে। আইনি পেশার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত রয়েছেন, তাঁরা প্রযুক্তিগত সংস্কার প্রচেষ্টাকে সাদরে গ্রহণ করবেন বলেই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। 

 

আজকের সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ডঃ ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার মন্ত্রী শ্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল শ্রী আর ভেঙ্কটরামানি, দেশের সলিসিটর জেনারেল শ্রী তুষার মেহতা, বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান শ্রী মনন কুমার মিশ্র এবং যুক্তরাজ্যের লর্ড চ্যান্সেলর মিঃ অ্যালেক্স চক। 

আজকের সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ডঃ ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার মন্ত্রী শ্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল শ্রী আর ভেঙ্কটরামানি, দেশের সলিসিটর জেনারেল শ্রী তুষার মেহতা, বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান শ্রী মনন কুমার মিশ্র এবং যুক্তরাজ্যের লর্ড চ্যান্সেলর মিঃ অ্যালেক্স চক। 

The programme witnessed the participation of distinguished judges, legal professionals, and leaders of the global legal fraternity.

সম্পূর্ণ ভাষণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Pyaaz Khaate Hai, Dimaag Nahi': PM Modi's Jhalmuri Video Breaks The Internet With 100M+ Views

Media Coverage

Pyaaz Khaate Hai, Dimaag Nahi': PM Modi's Jhalmuri Video Breaks The Internet With 100M+ Views
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Prime Minister condoles the loss of lives in a mishap at a cracker factory in Thrissur, Keralam
April 21, 2026
PM announces ex-gratia from PMNRF

The Prime Minister, Shri Narendra Modi has condoled the loss of lives due to a mishap at a cracker factory in Thrissur, Keralam. Shri Modi also wished speedy recovery for those injured in the mishap.

The Prime Minister announced an ex-gratia from PMNRF of Rs. 2 lakh to the next of kin of each deceased and Rs. 50,000 for those injured.

The Prime Minister posted on X:

“Saddened to hear about the loss of lives due to the mishap at a cracker factory in Thrissur, Keralam. My deepest condolences to those who have lost their loved ones. May the injured recover at the earliest: PM @narendramodi"

"The Prime Minister has announced that an ex-gratia of Rs. 2 lakh from PMNRF would be given to the next of kin of each deceased. The injured would be given Rs. 50,000." 

"തൃശൂരിലെ പടക്ക നിർമാണശാലയിലുണ്ടായ അപകടത്തിൽ നിരവധി ജീവനുകൾ പൊലിഞ്ഞ വാർത്തയറിഞ്ഞതിൽ ദുഃഖമുണ്ട്. പ്രിയപ്പെട്ടവരെ നഷ്ടപ്പെട്ടവരുടെ വേദനയിൽ പങ്കുചേരുന്നു. പരിക്കേറ്റവർ എത്രയും വേഗം സുഖം പ്രാപിക്കട്ടെ: പ്രധാനമന്ത്രി

@narendramodi."

"മരിച്ച ഓരോ വ്യക്തിയുടെയും കുടുംബത്തിന് പ്രധാനമന്ത്രിയുടെ ദേശീയ ദുരിതാശ്വാസ നിധിയിൽ (PMNRF) നിന്ന് 2 ലക്ഷം രൂപ ധനസഹായം നൽകുമെന്ന് പ്രധാനമന്ത്രി അറിയിച്ചു. പരിക്കേറ്റവർക്ക് 50,000 രൂപ വീതം നൽകും."