প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক বরাদ্দের পরিমাণ ১৩-১৫ হাজার কোটি টাকা
সাড়ে ১৩ কোটি দেশবাসী দারিদ্রের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে নব্য মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন : শ্রী নরেন্দ্র মোদী

৭৭ তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার প্রাকার থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ‘বিশ্বকর্মা যোজনা’ চালুর ঘোষণা করেছেন। প্রথাগত শিল্পে দক্ষ কারিগরদের সহায়তার জন্য এই প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আগামী দিনে বিশ্বকর্মা জয়ন্তী উপলক্ষে আমরা একটি নতুন প্রকল্প চালু করতে চলেছি। প্রথাগত শিল্পে দক্ষ কারিগররা, বিশেষত অনগ্রসর শ্রেণীভুক্ত মানুষজন (ওবিসি) এর থেকে উপকৃত হবেন। ‘বিশ্বকর্মা যোজনা’ নামে এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁত শিল্পী, স্বর্ণ শিল্পী, লৌহ শিল্পী, লন্ড্রি কর্মী, কেশ পরিচর্যাকারী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষমতায়ন হবে। প্রকল্পের জন্য ১৩-১৫ হাজার কোটি টাকা মতো প্রাথমিক বরাদ্দ করা হয়েছে।”

এর আগে তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দারিদ্র দূরীকরণে তাঁর সরকারের বিভিন্ন প্রয়াস তুলে ধরেন। এই সব প্রয়াসের ফলস্বরূপ তাঁর সরকারের প্রথম পাঁচ বছরে সাড়ে ১৩ কোটি দেশবাসী দারিদ্রের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে নব্য মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এই সাড়ে ১৩ কোটি মানুষকে দারিদ্রসীমার উপরে তুলে আনতে যেসব প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল, তার উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছ পিএম স্বনিধি প্রকল্প, যেখানে পথ বিক্রেতাদের ৫০ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়েছে। পিএম কিষান সম্মাননিধি প্রকল্পে আড়াই লক্ষ কোটি টাকা সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়েছে।

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
From Free Ration To ₹12.75 Lakh Tax-Free Income: PM Modi Lists Govt's Achievements Over 12 Years

Media Coverage

From Free Ration To ₹12.75 Lakh Tax-Free Income: PM Modi Lists Govt's Achievements Over 12 Years
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতে দীর্ঘতম সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী শ্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন
June 09, 2026

নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতে দীর্ঘতম সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের কাছ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন পেয়েছেন। বিশ্বের নানা প্রান্তের রাষ্ট্রনেতারা প্রধানমন্ত্রীর রূপান্তরমূলক শাসনব্যবস্থা, দক্ষিণী বিশ্বের পক্ষে তাঁর দৃঢ় অবস্থান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গতিশীল অর্থনীতিসম্পন্ন ভারতের স্বপ্নের প্রশংসা করেছেন।

শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি মাননীয় অনুরা কুমারা দিসানায়েকে-এর পক্ষ থেকে ৮ জুন ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতে শ্রীলঙ্কার সরকার ও জনগণের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে। তিনি লিখেছেন:

“এই মাইলফলক শুধু আপনার দীর্ঘ কর্মকালকেই নয়, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের জনগণ যে বারবার আপনার নেতৃত্বের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন, তারও প্রমাণ।”

রাষ্ট্রপতি আরও উল্লেখ করেন যে, ভারতের অসাধারণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তর এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির দূরদর্শী নেতৃত্ব ভারতের সীমানার বাইরেও বহু দেশকে, বিশেষত: শ্রীলঙ্কাকে, অনুপ্রাণিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদি ৪–৬ এপ্রিল, ২০২৫ শ্রীলঙ্কা সফর করেন। এটি ছিল দ্বীপরাষ্ট্রটিতে তাঁর চতুর্থ সফর। এই সফরে তাঁকে বিদেশি নেতাদের প্রদত্ত শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান “মিত্র বিভূষণা” প্রদান করা হয়। এই সফর ভারতের “প্রতিবেশী প্রথম” নীতির প্রতি অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করে। শ্রীলঙ্কা ভারতের অন্যতম ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে ভারতের অবিচল সহযোগিতার সুফল পেয়েছে, বিশেষত ২০২২ সালে দেশটির অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।

পাপুয়া নিউ গিনির প্রধানমন্ত্রী মাননীয় জেমস মারাপে এক ব্যক্তিগত ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে “নেতৃত্বের আদর্শ ও অনুকরণীয় উদাহরণ” বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন:

“আজ ২০ কোটিরও বেশি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে উন্নত জীবনের পথে নিয়ে আসা এক অসাধারণ কৃতিত্ব।”

প্রধানমন্ত্রী মারাপে পাপুয়া নিউ গিনির আন্তরিক বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আগ্রহও প্রকাশ করেন।

২০২৩ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদির পাপুয়া নিউ গিনি সফর ছিল ঐতিহাসিক। এটি ছিল কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম পাপুয়া নিউগিনি সফর। তিনি সেখানে তৃতীয় ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ সহযোগিতা ফোরাম শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন। এই সফর প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং দক্ষিণী বিশ্বের প্রতি ভারতের অঙ্গীকারকে তুলে ধরে।

ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী মাননীয়া কমলা পরসাদ-বিসেসার এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন:

“প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত আজ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

তিনি সাধারণ পটভূমি থেকে উঠে এসে ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের দেশের নেতৃত্ব তিন দফা মেয়াদে সফলভাবে পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসা করেন। পাশাপাশি, তিনি ভারতের বৈদেশিক নীতি, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতির উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদি ২৬ বছর পর কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর হিসেবে ৩–৪ জুলাই ২০২৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সফর করেন এবং তাঁর এই সফরের সময়ই ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে ভারতীয় অভিবাসীদের আগমনের ১৮০তম বার্ষিকীও উদযাপিত হয় এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর হয়ে ওঠে।