आदरणीय अध्‍यक्ष महोदया जी, मैं इस सदन के सभी दलों का और सभी सदस्‍यों का हृदय पूर्वक अभि‍नंदन करता हूँ कि‍सदन की महान परंपरा के अनुसार सर्वसम्‍मति‍से अध्‍यक्ष महोदया का निर्वाचन हुआ है। हम सबके लि‍ए ये गौरव का वि‍षय है ‍कि‍वि‍श्‍व के सबसे बडे लोकतंत्र के इस लोकतंत्र के मंदि‍र का उसकी व्‍यासपीठ पर एक महि‍ला वि‍राजि‍त हो करके इसका पूरा संचालन करके राष्‍ट्र के सामान्य मानव की समस्‍याओं के समाधान के लि‍ए आपका मार्गदर्शन बहुत मूल्‍यवान रहेगा। माननीय अध्‍यक्ष महोदया इस सदन के लि‍ए इस बात का गर्व है कि‍आप इंदौर म्‍युनि‍सपल कार्पोरेशन के सामान्‍य सदस्‍य से लेकर के कई दशकों तक सार्वजि‍नक जीवन में जन प्रि‍ति‍नि‍धि‍ के रूप में कार्य करते करते इस सदन में पहुँचे और आठ बार इस सदन का सदस्‍य बनकर के आपका अनुभव इस सदन के सुचारू संचालन में बहुत ही उपकारक होने वाला है। अध्‍यक्ष महोदया जी ये 16वीं लोकसभा में एक ऐसा अवसर हमें प्राप्‍त हुआ है जो पहली लोक सभा का गठन हुआ था करीब- करीब वैसा ही एक अवसर हमें प्राप्‍त हुआ है। जब देश में पहली लोक सभा का गठन हुआ सभी सदस्‍य पहली बार आए थे, उसके बाद कई लंबे अरसे के बाद एक ऐसे सदन का गठन हुआ है जि‍समें करीब 315 सदस्‍य पहली बार आए हैं। इसका तात्‍पर्य यह हुआ कि‍पुरानी कई परंपराओं को छोड करके भी अच्‍छी नए परंपराओं का आरंभ करते हुए वि‍श्‍व जि‍स लोकतंत्र के प्रति‍आशा की नजर से देख रहा है वैसा एक नया रूप वि‍श्‍व के सामने प्रस्‍तुत करने का अवसर इस सदन को प्राप्‍त हुआ है‍। पुरानी महान परंपराओं को आगे बढाते हुए ये जो नया रक्‍त आया है नयी उर्जा आयी है वो अपने आप में वि‍श्‍व के सामने एक सशक्‍त लोकतंत्र, उसको प्रस्‍तुत करने का एक अवसर ये सदन से बनेगा। ये लोकतंत्र का मंदि‍र नए सदस्‍यों के उत्‍साह और उमंग के कारण ये राष्‍ट्र के वि‍कास का उर्जा का मं‍दि‍र भी बन सकता है और आपकी अध्‍यक्षता में आपके मार्गदर्शन में ये सदन अवश्‍य उस आशा और आकांक्षाओं की पूर्ति‍करने में सफल होगा। माननीय अध्‍यक्ष महोदया जी आपके नाम में ही वो गुण ऐसे हैं कि‍ सबको मि‍त्रता की अनुभूति‍होगी। अपने पन की अनुभूति‍ होगी और हमारे शास्‍त्रों में कहा गया है ‍कि‍- ‘महाजन येन गता स पंथा:’ महाजन जि‍स राह पर चलते हैं उस राह पर चलना अच्‍छा होता है और यहॉं तो महाजन स्‍वयं वि‍रा‍जि‍त हैं; तो इस सदन को उस रास्‍ते पर चलना और भी उचि‍त होगा। मैं आपको बहुत-बहुत शुभकामना देता हूँ और मैं वि‍श्‍वास ‍दि‍लाता हूँ कि‍ आपकी आशा अपेक्षाओं के अनुरूप ये पूरा सदन आपके कार्य में सहयोग करते हुए भारत के सामान्‍य मानव की अपेक्षाओं की पूर्ति में कोई कसर नहीं छोडेगा। मैं फि‍र एक बार आपको बहुत-बहुत शुभकामनाऍं देता हूँ और सभी दलों का हृदय से अभि‍नंदन करता हूँ, धन्‍यवाद करता हूँ ‍जि‍नके समर्थन के कारण आज सर्वसमत्ति से हम इस परंपरा को नि‍भा पाए हैं। बहुत-बहुत धन्‍यवाद।      

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Indian economy navigated well external uncertainties: RBI Bulletin

Media Coverage

Indian economy navigated well external uncertainties: RBI Bulletin
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
সংসদে ২০২৬ সালের বাদল অধিবেশনের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
July 20, 2026
May this session witness productive discussions that strengthen India's development journey: PM
We pray that the monsoon remains proactive and the Monsoon Session remains productive, contributing to the welfare of the nation: PM
Over the past month, the country has achieved several milestones at the national, international and space levels that have filled every Indian with pride: PM
Despite the challenges in West Asia, India continued to grow as the fastest-growing major economy in the world, reflecting its strength and determination: PM
Smooth functioning of Parliament, meaningful discussions and a collective resolve to take the country forward are the need of the hour: PM

ভাই, আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাই।

বর্ষা সুফল বয়ে আনছে এবং সেই সঙ্গে বাদল অধিবেশনও শুরু হচ্ছে। বর্ষা হোক কিংবা বাদল অধিবেশন—দুই-ই যদি সক্রিয় ও প্রাণবন্ত হয়, তবে তা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়ে ওঠে। উভয়ের এই ইতিবাচক ভূমিকা দেশ ও জীবজগতের জন্য কল্যাণকর। তাই আমরা প্রার্থনা করি বর্ষা যাতে সক্রিয় থাকে আর বাদল অধিবেশনও ফলপ্রসূ হয়।    
   
বন্ধুরা,   

গত এক মাসে দেশ বহুক্ষেত্রে মাইলফলক অর্জন করেছে—ধারাবাহিকভাবে নানা বিষয়ে যেসব সাফল্য অর্জিত হয়েছে, সেগুলির জন্য নাগরিকরা গর্বিত। এই সব সাফল্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসর অতিক্রম করে এখন মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এক অর্থে, এগুলি ভারতের জন্য অত্যন্ত গর্বের। গত বছর বাদল অধিবেশনের ঠিক আগেই একজন ভারতীয় আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছিলেন আর পরশু দিনই ভারতের একটি নতুন স্টার্টআপ সংস্থা এক অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করেছে।  বিশ্বের খুব কম দেশেই এই ক্ষেত্রে এ ধরনের বেসরকারি উদ্যোগ দেখা গেছে; ভারতের তরুণরা মহাকাশে এক নতুন যাত্রার সূচনা করেছে—যা এক বিশাল সাফল্য। আর স্কাইরুট স্টার্টআপটি সম্পর্কে আমাকে জানানো হয়েছে, সেখানে কর্মরত তরুণদের পুরো দলটির গড় বয়স মাত্র ২৮ বছর।  তরুণরাই এই অসাধ্য সাধন করেছে। আমি ৫৬ বছর বয়সী কোনো তথাকথিত 'তরুণ'-এর কথা বলছি না; আমি দেশের সেই স্টার্টআপগুলির কথা বলছি—যে গুলির নেতৃত্বে রয়েছেন গড়ে ২৮ বছর বয়সী তরুণ তরুণীরা—তারাই মহাকাশে ভারতের পতাকা নিয়ে গেছেন।  এরা নিঃসন্দেহে অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য, আর এই অর্জন ভারতকে আত্মবিশ্বাসেও বলীয়ান করে তোলে। বিশ্বমঞ্চে ভারতের পরিচিতি ও অবস্থান এখন সর্বজনস্বীকৃত ও সমাদৃত।      

 

বন্ধুরা,   

এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়; এটি এক অত্যন্ত শক্তিশালী বার্তা—তা হল আমাদের দেশের তরুণদের সম্ভাবনা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা মহাকাশের মতোই অসীম। জাতিকে এর থেকে বড় কোনো অনুপ্রেরণাদায়ক বার্তা দেওয়া সম্ভব নয়। 

বন্ধুগণ,

দেশ আজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার  কার্যকর করছে। এরই ফলশ্রুতিতে ভারতের যুবসমাজ এ ধরণের সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারছে এবং সফলও হচ্ছে। 

বন্ধুগণ,  

সম্প্রতি রাজস্থানে একটি বৃহৎ তেল শোধনাগার জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগে, একটি সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্ট দেশকে উৎসর্গ করা হয়, এটি তৃতীয় সেমিকন্ডাক্টরপ্ল্যান্ট। অতি সম্প্রতি পরিবেশবান্ধব হাইড্রোজেনচালিত একটি ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে; বিশ্বের খুব কম দেশেই এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। তবে, ভারত তার নাগরিকদের জন্য হাইড্রোজেন চালিত যে ট্রেনটি উৎসর্গ করেছে, তাতে রয়েছে সবচেয়ে শক্তিশালী ইঞ্জিন এবং এ ধরনের পরিবেশবান্ধব ট্রেনগুলির মধ্যে দীর্ঘতম। এই অর্জন ভারতের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা ও কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। এঁরা সকলে একটি অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে দেশের জন্য কাজ করে চলেছেন।  

বন্ধুগণ,  

আমরা ভালোভাবেই জানি বিশ্বে কোথাও না কোথাও যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েই চলে। সমগ্র বিশ্ব এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত ভারতের মতো দেশগুলি ─ যারা জ্বালানির জন্য অন্যদের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এক বড় সংকট তৈরি করেছে । পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস, সার ও রাসায়নিক পদার্থের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা ধরণের বাধা ও সংকটের মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও, ভারত ৭.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হার অর্জন করে পৃথিবীর দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে ভারতের সম্ভাবনা প্রতিফলিত হয় এবং উৎসাহ, উদ্দীপনা ও উদ্যমে বলীয়ান হয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে দেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায়। বাদল অধিবেশনের প্রাক্কালে দেশ নতুন যে গতিবেগ অর্জন করেছে, সংসদের প্রাণশক্তি সেই গতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে পারবে। দেশের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ইতিবাচক মনোভাব অপরিহার্য। আমাদের সংসদে অত্যন্ত অভিজ্ঞ সব সাংসদ রয়েছেন; তাঁদের দলীয় পরিচয় যা-ই হোক না কেন, তাঁদের রয়েছে বিপুল অভিজ্ঞতা। এমন এক সময়ে সংসদ ও দেশ—উভয়ের জন্যই তাঁদের সেই অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের প্রয়োজন। আর তাই আমি মনে করি সংসদের সুষ্ঠু কার্যক্রম, অর্থবহ আলোচনা এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সম্মিলিত সংকল্পই এখন সময়ের দাবি। উচ্চাকাঙ্ক্ষায় ভরপূর এ দেশের যুব সম্প্রদায় চায় আমরা যেন সামনের দিকে এগিয়ে যাই। আজ সময়ের দাবি হলো—দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও দেশসেবায় নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিরা যাতে সংসদে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার এবং দেশকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত একটি মঞ্চ পান। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি— তথ্য ও যুক্তির যেখানে প্রাধান্য থাকে, সেখানে কোনো হৈ চৈ করা বা বিশৃঙ্খলার অবকাশ থাকে না। যুক্তি ও তথ্য যদি জোরালো হয়, তবে শান্ত ও সংযত আচরণ করেও নিজের বক্তব্য অত্যন্ত কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব। আমি আশা করি, যুক্তি ও তথ্যের মাধ্যমে এই সংসদের আলোচনা সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। প্রত্যেকে নিজের বক্তব্য জানানোর যেন সুযোগ পান এবং প্রতিটি মতামতের প্রতি যেন সম্মান দেখানো হয়—সংসদে সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব। আমি সকল সংসদ সদস্যকে এই সদনের কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই। আজ সকালে অধ্যক্ষও সামাজিক মাধ্যমে দেশের সাংসদদের স্বাগত জানিয়ে তাঁর বক্তব্য জানিয়েছেন; আমিও তাঁর সেই বক্তব্যে সহমত পোষণ করছি। আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।    

 

বন্ধুরা,   

গত এক মাসে দেশ বহুক্ষেত্রে মাইলফলক অর্জন করেছে—ধারাবাহিকভাবে নানা বিষয়ে যেসব সাফল্য অর্জিত হয়েছে, সেগুলির জন্য নাগরিকরা গর্বিত। এই সব সাফল্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসর অতিক্রম করে এখন মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এক অর্থে, এগুলি ভারতের জন্য অত্যন্ত গর্বের। গত বছর বাদল অধিবেশনের ঠিক আগেই একজন ভারতীয় আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছিলেন আর পরশু দিনই ভারতের একটি নতুন স্টার্টআপ সংস্থা এক অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করেছে।  বিশ্বের খুব কম দেশেই এই ক্ষেত্রে এ ধরনের বেসরকারি উদ্যোগ দেখা গেছে; ভারতের তরুণরা মহাকাশে এক নতুন যাত্রার সূচনা করেছে—যা এক বিশাল সাফল্য। আর স্কাইরুট স্টার্টআপটি সম্পর্কে আমাকে জানানো হয়েছে, সেখানে কর্মরত তরুণদের পুরো দলটির গড় বয়স মাত্র ২৮ বছর।  তরুণরাই এই অসাধ্য সাধন করেছে। আমি ৫৬ বছর বয়সী কোনো তথাকথিত 'তরুণ'-এর কথা বলছি না; আমি দেশের সেই স্টার্টআপগুলির কথা বলছি—যে গুলির নেতৃত্বে রয়েছেন গড়ে ২৮ বছর বয়সী তরুণ তরুণীরা—তারাই মহাকাশে ভারতের পতাকা নিয়ে গেছেন।  এরা নিঃসন্দেহে অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য, আর এই অর্জন ভারতকে আত্মবিশ্বাসেও বলীয়ান করে তোলে। বিশ্বমঞ্চে ভারতের পরিচিতি ও অবস্থান এখন সর্বজনস্বীকৃত ও সমাদৃত।      

 

বন্ধুরা,   

এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়; এটি এক অত্যন্ত শক্তিশালী বার্তা—তা হল আমাদের দেশের তরুণদের সম্ভাবনা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা মহাকাশের মতোই অসীম। জাতিকে এর থেকে বড় কোনো অনুপ্রেরণাদায়ক বার্তা দেওয়া সম্ভব নয়। 

বন্ধুগণ,

দেশ আজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার  কার্যকর করছে। এরই ফলশ্রুতিতে ভারতের যুবসমাজ এ ধরণের সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারছে এবং সফলও হচ্ছে। 

বন্ধুগণ,  

সম্প্রতি রাজস্থানে একটি বৃহৎ তেল শোধনাগার জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগে, একটি সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্ট দেশকে উৎসর্গ করা হয়, এটি তৃতীয় সেমিকন্ডাক্টরপ্ল্যান্ট। অতি সম্প্রতি পরিবেশবান্ধব হাইড্রোজেনচালিত একটি ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে; বিশ্বের খুব কম দেশেই এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। তবে, ভারত তার নাগরিকদের জন্য হাইড্রোজেন চালিত যে ট্রেনটি উৎসর্গ করেছে, তাতে রয়েছে সবচেয়ে শক্তিশালী ইঞ্জিন এবং এ ধরনের পরিবেশবান্ধব ট্রেনগুলির মধ্যে দীর্ঘতম। এই অর্জন ভারতের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা ও কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। এঁরা সকলে একটি অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে দেশের জন্য কাজ করে চলেছেন।  

বন্ধুগণ,  

আমরা ভালোভাবেই জানি বিশ্বে কোথাও না কোথাও যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েই চলে। সমগ্র বিশ্ব এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত ভারতের মতো দেশগুলি ─ যারা জ্বালানির জন্য অন্যদের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এক বড় সংকট তৈরি করেছে । পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস, সার ও রাসায়নিক পদার্থের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা ধরণের বাধা ও সংকটের মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও, ভারত ৭.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হার অর্জন করে পৃথিবীর দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে ভারতের সম্ভাবনা প্রতিফলিত হয় এবং উৎসাহ, উদ্দীপনা ও উদ্যমে বলীয়ান হয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে দেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায়। বাদল অধিবেশনের প্রাক্কালে দেশ নতুন যে গতিবেগ অর্জন করেছে, সংসদের প্রাণশক্তি সেই গতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে পারবে। দেশের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ইতিবাচক মনোভাব অপরিহার্য। আমাদের সংসদে অত্যন্ত অভিজ্ঞ সব সাংসদ রয়েছেন; তাঁদের দলীয় পরিচয় যা-ই হোক না কেন, তাঁদের রয়েছে বিপুল অভিজ্ঞতা। এমন এক সময়ে সংসদ ও দেশ—উভয়ের জন্যই তাঁদের সেই অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের প্রয়োজন। আর তাই আমি মনে করি সংসদের সুষ্ঠু কার্যক্রম, অর্থবহ আলোচনা এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সম্মিলিত সংকল্পই এখন সময়ের দাবি। উচ্চাকাঙ্ক্ষায় ভরপূর এ দেশের যুব সম্প্রদায় চায় আমরা যেন সামনের দিকে এগিয়ে যাই। আজ সময়ের দাবি হলো—দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও দেশসেবায় নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিরা যাতে সংসদে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার এবং দেশকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত একটি মঞ্চ পান। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি— তথ্য ও যুক্তির যেখানে প্রাধান্য থাকে, সেখানে কোনো হৈ চৈ করা বা বিশৃঙ্খলার অবকাশ থাকে না। যুক্তি ও তথ্য যদি জোরালো হয়, তবে শান্ত ও সংযত আচরণ করেও নিজের বক্তব্য অত্যন্ত কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব। আমি আশা করি, যুক্তি ও তথ্যের মাধ্যমে এই সংসদের আলোচনা সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। প্রত্যেকে নিজের বক্তব্য জানানোর যেন সুযোগ পান এবং প্রতিটি মতামতের প্রতি যেন সম্মান দেখানো হয়—সংসদে সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব। আমি সকল সংসদ সদস্যকে এই সদনের কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই। আজ সকালে অধ্যক্ষও সামাজিক মাধ্যমে দেশের সাংসদদের স্বাগত জানিয়ে তাঁর বক্তব্য জানিয়েছেন; আমিও তাঁর সেই বক্তব্যে সহমত পোষণ করছি। আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।