শেয়ার
 
Comments

पीएम मोदी (PM Modi) ने संविधान दिवस (Constitution Day) के मौके पर देशभर के पीठासीन अधिकारियों के सम्मेलन को संबोधित किया। देशभर में संविधान दिवस मनाने की शुरुआत भी पीएम मोदी ने 2015 मे की थी। फिर 2019 में ये दिन मनाने के लिए संसद का एक विशेष संयुक्त सत्र भी बुलाया गया। पीएम मोदी को मुख्यमंत्री काल से देखते रहने वाले बताते हैं कि संविधान से पीएम मोदी का आदर और लगाव और साथ ही संविधान के प्रति उनकी भक्ति कोई नयी बात नहीं है। पीएम मोदी ने भी ट्वीट कर कहा कि ये संविधान बनाने वालों और संविधान के प्रति अपनी निष्ठा प्रकट करने के लिए इस संविधान दिवस की शुरुआत की गयी थी।

ऐसा नहीं है कि संविधान के प्रति निष्ठा पीएम बनने के बाद जागी है। 2010 में संविधान के 60 साल पूरे होने पर गुजरात के मुख्यमंत्री के तौर पर नरेन्द्र मोदी ने गुजरात गौरव यात्रा निकाली थी। साथ ही सुरेन्द्रनगर जिले में एक ऐसा जुलूस निकाला था जिसमें एक हाथी के उपर संविधान रख कर शहर में शान के साथ घुमाया गया था। पीएम मोदी ने ट्वीट कर के बताया कि हाथी पर संविधान रख कर एक बड़ा जलसा निकालना एक अनूठी बात थी और मै खुद पैदल इस जुलूस के साथ चला था।

इतिहासकार बताते हैं कि ये एक अद्भुत घटना थी और ऐसा उदाहरण गुजरात में कई सौ सालों पहले गुजरात में देखने को मिला था। संविधान को मिले ऐसे सम्मान की तुलना ऐसे कई साल पहले राजा सिद्धराज के शासन काल से की। राजा सिद्धराज ने एक ऐसा ही जुलूस निकाला था जिसमें हाथी के उपर संत हेमचंद्राचार्य की लिखी किताब रखी थीा। संत हेमचंद्रचार्य ने व्याकरण पर एख बृहत ग्रंथ लिखा था जिसका नाम था सिद्धाहेमच्रद्र शब्दानुशासन। इस किताब मे एक लाख पच्चीस लाख श्लोक थे और इसमें प्रकृत और अपभ्रंश भाषा का भी इस्तेमाल हुआ है। इसी पुस्तक को हाथी के उपर रख कर एक बड़ा जुलूस बड़े धूमधाम से पूरे पाटन शहर में घुमा था।

पीएम ने देश की जनता को बधाई देते हुए उम्मीद भी जतायी की संविधान दिवस लोगों को संविधान के बारे में जानने के लिए ज्यादा से ज्यादा प्रोत्साहित करेगा।

 

Author Name:  Amitabh Sinha

Disclaimer:

This article was first published in News 18

It is part of an endeavour to collect stories which narrate or recount people’s anecdotes/opinion/analysis on Prime Minister Shri Narendra Modi & his impact on lives of people

'মন কি বাত' অনুষ্ঠানের জন্য আপনার আইডিয়া ও পরামর্শ শেয়ার করুন এখনই!
২০ বছরের সেবা ও সমর্পণের ২০টি ছবি
Explore More
আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনপ্রিয় ভাষণ

আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
How India is building ties with nations that share Buddhist heritage

Media Coverage

How India is building ties with nations that share Buddhist heritage
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
অসাধারণ বক্তা, জনতার অনুপ্রেরণার উৎস; প্রধানমন্ত্রী মোদির সব কাজেই রয়েছে মানবিকতার স্পর্শ: Japan Pathak
October 20, 2021
শেয়ার
 
Comments

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) জীবনে গত ৭ অক্টোবর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন ছিল। কারণ সরকারের প্রধান হিসেবে এই দিনেই তিনি কুড়ি বছর পূর্ণ করলেন। আমরা যাঁরা গুজরাতে রয়েছি, তাঁরা খুব কাছ থেকে মোদির উত্থান দেখেছি। আর কী ভাবে তিনি গুজরাতের ভোলই বদলে দিয়েছিলেন, সেটাও আমরা চাক্ষুষ করেছি। অনেকেই জানতে চান যে, কোন বিষয়টায় নরেন্দ্র মোদি সকলের থেকে আলাদা। মানবিক দিক থেকে মোদি আমার কাছে সব থেকে আলাদা। কাজই হোক অথবা ব্যক্তিগত আলাপ-আলোচনাই হোক, সব ক্ষেত্রেই তাঁর মধ্যে রয়েছে মানবিকতার একটা ছোঁওয়া। যা তাঁকে শীর্ষ স্থানে বসিয়েছে।

১৯৮০ সাল নাগাদ গুজরাতের রাজনীতিতে একটা অদ্ভুত সময় দেখা গিয়েছিল। সেই সময় রাজ্য ও কেন্দ্র- উভয় জায়গাতেই নিজেদের ক্ষমতা নিশ্চিত করেছিল কংগ্রেস। কংগ্রেসের নিষ্প্রভ পরিচালনা, তিক্ত দলাদলি এবং ভুলভাল জায়গায় অগ্রাধিকার দেওয়া সত্ত্বেও সেই সময় অন্য কোনও দল যে ক্ষমতায় আসবে, সেটা একেবারেই কল্পনা করা যেত না। এমনকী কট্টর বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকেরাও এ ব্যাপারে অনিশ্চিত ছিলেন।

আর ঠিক সেই সময়ই নরেন্দ্র মোদি আরএসএস (RSS) থেকে বিজেপি-র মতো রাজনৈতিক দলে চলে আসেন। আর দলে এসেই তিনি আহমেদাবাদ কর্পোরেশনের (AMC) ভোটে লড়াই করার জন্য নিজের দলকে প্রস্তুত করার চ্যালেঞ্জ নেন। এর জন্য প্রথমেই তিনি বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের বিজেপি দলের অন্তর্ভুক্ত করেন। আর এটাই ছিল মোদির প্রথম দিককার পদক্ষেপগুলির মধ্যে অন্যতম। এলাকার নামকরা ডাক্তার, আইনজীবী, ইঞ্জিনিয়ার এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা যাতে রাজনৈতিক এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন, তার জন্য আর্জি জানান বিজেপি-র কর্মী-সমর্থকেরা। একই ভাবে নরেন্দ্র মোদি রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ বা পরিচালন সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা বোঝান। আসলে কী ভাবে উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন বদলে দেওয়া যায়, সেই বিষয়ে সব সময় উদ্ভাবনীমূলক পন্থা খুঁজে বার করার চেষ্টা করে গিয়েছেন মোদি।

একাধারে বক্তা হিসেবে আসাধারণ নরেন্দ্র মোদি, আবার মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগাতেও তাঁর জুড়ি মেলা ভার। এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির একটি নির্দিষ্ট বক্তৃতার কথা আমার মনে পড়ে যাচ্ছে। আহমেদাবাদের ধরণিধরে নির্মল পার্টি প্লটে একটি মাঝারি জনসভায় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন তিনি। আর মোদির কথাবার্তার মধ্যে বরাবরই একটা সরসতামিশ্রিত বুদ্ধিমত্তার ছাপ রয়েছে। তো সেই বক্তৃতার সময় তাঁর এমন বক্তব্যে বেশ কয়েক মিনিট মানুষের মধ্যে হাসির রোল উঠেছিল বলে আমার মনে পড়ে। এই হাসাহাসির মধ্যেই হঠাৎ ভিড়ের মাঝে মোদি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “আমরা কি হাসাহাসিই চালিয়ে যাব, না আমাদের রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করব”? আমি জানি না, এই প্রশ্ন শুনে আমার কী হয়েছিল। আমি সাহস জড়ো করে চেঁচিয়ে জবাব দিয়েছিলাম, “দুটোই!” এটা শুনে তিনি আমার দিকে ফিরে বলেছিলেন, “না, আমরা কখনওই দুটো একসঙ্গে করতে পারব না।” এর পর মোদি বিজেপির পরিচালন সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি, আর্টিকল ৩৭০, শাহ বানো মামলা-সহ আরও নানা বিষয়ে নিজের বক্তব্য রেখেছিলেন। তাঁর মধ্যে মতাদর্শগত স্বচ্ছতা আমাকে মুগ্ধ করেছিল।

যাঁরা গুজরাতের বাইরে থেকেছেন, তাঁরা হয় তো জানেন না যে, ১৯৯০ সাল নাগাদ মোদির বক্তৃতার ক্যাসেটগুলি গুজরাতের শহরাঞ্চলে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। রাজ্যের আনাচে-কানাচে দেওয়া মোদির বক্তৃতার কিছু অংশ তুলে দেওয়া থাকতো ওই সব ক্যাসেটে।

লাতুরের ভূমিকম্পের ঠিক পরেই ১৯৯৪ সালে নরেন্দ্র মোদির একটা বক্তৃতা বেশ সাড়া জাগিয়ে দিয়েছিল। মনে আছে, ভূমিকম্পের পরে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে কয়েক জন স্বেচ্ছাসেবক লাতুরের উদ্দেশে রওনা হচ্ছিলেন। সেই সময় মোদি একটি তাৎক্ষণিক বক্তব্য রেখেছিলেন। আর তাঁর সেই বক্তৃতা শোনার পরেই অন্তত ৫০ জন মানুষ তক্ষুণি লাতুরের উদ্দেশে রওনা হতে চেয়েছিলেন। আসলে মোদির বক্তব্য তাঁদের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তবে সেই সময় নরেন্দ্র মোদি তাঁদের বিরত করেন এবং জানান যে, মানুষের পৌঁছনোর আগে ত্রাণ পৌঁছনো বেশি জরুরি। আর নিজের জায়গায় থেকেই দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে।

 

Author Name: Japan K Pathak

Disclaimer:

This article was first published in News 18

It is part of an endeavour to collect stories which narrate or recount people’s anecdotes/opinion/analysis on Prime Minister Shri Narendra Modi & his impact on lives of people.