Inauguration of India International Exchange is a momentous occasion for India’s financial sector: PM
Indians are now at the forefront of Information Technology and Finance, both areas of knowledge where zero plays a crucial role: PM
India is in an excellent time-zone between West & East. It can provide financial services through day & night to the entire world: PM
IFSC aims to provide onshore talent with an offshore technological and regulatory framework: PM Modi
Gift city should become the price setter for at least a few of the largest traded instruments in the world: PM

গিফটসিটিতে ভারতের প্রথম আন্তর্জাতিক স্টক এক্সচেঞ্জ ‘ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনালএক্সচেঞ্জ’-এর উদ্বোধনে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি আনন্দিত| বস্তুত এটি ভারতেরঅর্থনৈতিক ক্ষেত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান| 

আপনারাযেভাবে জানেন, এই প্রকল্পটি ২০০৭ সালে রূপায়ণ শুরু হয়েছিল| এর লক্ষ্য ছিল ভারতেরজন্য আন্তর্জাতিক স্তরের অর্থ ও তথ্য-প্রযুক্তি কেন্দ্র গড়ে তোলা, যাতে শুধুমাত্রভারতের জন্য নয় গোটা বিশ্বের জন্যই পরিষেবা প্রদান করা যায়| 

এখনকারমত আমি সেই দিনগুলিতেও যেখানেই যেতাম, আমি সে দেশের প্রথম সারির অর্থনৈতিকবিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করতাম| সেটা নিউইয়র্ক, লন্ডন, সিঙ্গাপুর, হংকং অথবাআবুধাবি যেখানেই হোক না কেন, আমি তাঁদের মধ্যে অনেককেই পেতাম যারা ভারতীয় বংশোদ্ভুত|অর্থনৈতিক বিশ্ব সম্পর্কে তাঁদের ধারণা সম্পর্কে এবং সেই দেশে তাঁদের অবদানের কথাভেবে আমি প্রভাবিত হতাম|  

আমিভাবতাম, “আমরা কীভাবে এইসব মেধাবীদের ফিরিয়ে আনতে পারবো এবং সেইসঙ্গে সমগ্রঅর্থনৈতিক বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পারবো?” 

গণিতেরক্ষেত্রে ভারতের সুপ্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে| ভারত দু’ হাজার বছরেরও আগে ‘শূন্য’ এবং‘দশমিক পদ্ধতি’র ধারণার উদ্ভাবন করেছিল| তথ্য-প্রযুক্তি এবং অর্থনীতি, যেখানেশূন্য-এর জ্ঞান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে, সেখানে ভারত যে এখন সামনেরসারিতে রয়েছে তা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়|  

গিফটসিটি যখন ধারণার পর্যায়ে ছিল, তখন আমি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম| প্রযুক্তিগতঅগ্রগতি তখন বহুমুখী ক্ষেত্রে দ্রুত গতিতে হচ্ছিল| ভারতীয় বংশোদ্ভুত বিশ্বমানেরমেধা আমাদের ছিল, যারা ভারতে ও দেশের বাইরে কর্মরত| তথ্য-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারতছিল নেতৃত্বের স্থানে| অর্থনীতি দ্রুতগতিতে প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছিল| এটাআমাদের কাছে পরিষ্কার ছিল যে, প্রযুক্তি অর্থনীতির সঙ্গে জড়িত, অথবা কখনও কখনও একেযে “ফিনটেক” নামে ডাকা হয়, তা ভারতের ভবিষ্যত উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ| 

অর্থনীতিরক্ষেত্রে ভারতকে কীভাবে এক সুবিবেচক নেতা হিসেবে তৈরি করা যায়, তা নিয়ে আমিবেশকিছু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা-পরামর্শ করেছি| এটা পরিষ্কার যে বিশ্বের সমস্তবাজারে লেনদেন করার জন্য আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সুবিধা ও সক্ষমতা থাকা প্রয়োজন| এইদৃষ্টিভঙ্গি থেকেই গিফট সিটি’র জন্ম| আমাদের লক্ষ্য ছিল অর্থনীতি ও প্রযুক্তিরক্ষেত্রে ভারতের বিশ্ব মানের মেধাকে বিশ্ব মানের সুবিধা প্রদান করা| আজ এইএক্সচেঞ্জ-এর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আমরা সেই লক্ষ্য পূরণের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকে এসে পৌঁছেছি| 

 

আমি২০১৩ সালের জুন মাসে একটি বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে গিয়ে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ অর্থাৎবি.এস.ই. পরিদর্শন করেছি| সে সময় বিশ্বকে পেছনে ফেলে দেওয়া যায় এমন মানেরআন্তর্জাতিক স্টক এক্সচেঞ্জ তৈরি করার জন্য আমি বি.এস.ই.-কে আমন্ত্রণ জানাই| ২০১৫সালে ‘ভাইব্র্যান্ট গুজরাট’ অনুষ্ঠানের সময় তারা গুজরাট সরকারের সঙ্গে একটি মউস্বাক্ষর করে| আজ আমি এই নতুন ‘ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ’-এর উদ্বোধনেএখানে থাকতে পেরে আনন্দিত| এটা একুশ শতকের পরিকাঠামো গড়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র গিফটসিটিরই নয়, গোটা ভারতবর্ষের ক্ষেত্রেই একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক|  

আমাকেবলা হয়েছে, এই এক্সচেঞ্জ প্রথম পর্যায়ে ইকুইটি, পণ্য, মুদ্রা এবং সুদের হারেরউদ্ভুত বিষয় নিয়ে বাণিজ্য করবে| পরবর্তী পর্যায়ে তা ভারতীয় ও বিদেশি কোম্পানিরইকুইটি ইনস্ট্রুমেন্ট বাণিজ্য করবে| আমাকে বলা হয়েছে, মশলা বন্ডও এখানে বাণিজ্যেরজন্য সহজলভ্য হবে| এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন কোম্পানি এই গুরুত্বপূর্ণআন্তর্জাতিক অর্থকেন্দ্র থেকে তহবিল তুলতে পারবে| সর্বাধুনিক বাণিজ্য, ক্লিয়ারিংএবং সেটেলমেন্ট পদ্ধতি নিয়ে এই এক্সচেঞ্জ পৃথিবীর দ্রতগতি সম্পন্ন এক্সচেঞ্জগুলির মধ্যমণিহয়ে উঠবে| প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে ভারত এক অসাধারণ সময় মান-মণ্ডলে রয়েছে| আমাকেবলা হয়েছে, এই এক্সচেঞ্জ দিনে বাইশ ঘণ্টা করে কাজ করবে| সকালে জাপানি মার্কেট শুরুহওয়ার সময় শুরু হবে এবং রাতে আমেরিকার মার্কেট বন্ধ হওয়ার সময় বন্ধ হবে| আমিনিশ্চিত যে, পরিষেবা প্রদানের মানে এবং সময় মান-মণ্ডলের মধ্যে লেনদেনের গতিতে এইএক্সচেঞ্জ এক নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে|  

এইএক্সচেঞ্জ গিফট সিটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিষেবা কেন্দ্র অর্থাৎআই.এফ.এস.সি.-এর একটি অংশ| আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিষেবা কেন্দ্র-এর ধারণা সাধারণহলেও শক্তিশালী| এর লক্ষ্য হচ্ছে বিদেশের প্রযুক্তি ও নিয়ন্ত্রক পরিকাঠামোর সঙ্গেদেশীয় প্রতিভা প্রদান করা| বিদেশের অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতারক্ষেত্রে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে একই মঞ্চের সুযোগ করে দেওয়া এর উদ্যেশ্য| গিফট সিটিআই.এফ.এস.সি. বিশ্বের অন্যান্য যেকোনো প্রথম সারির আন্তর্জাতিক অর্থ কেন্দ্রেরসমতুল্য সুবিধা ও ব্যবস্থাপনা প্রদান করতে সক্ষম হবে| 

ভারতেরমত বিশাল দেশে বিস্তৃত দেশীয় বাজার নিয়ে বিদেশের মত পরিকাঠামো তৈরি করা সহজ কাজনয়| ভারতকে ছোট দেশের সঙ্গে তুলনা করা যায় না| সেইসব দেশের খুব ছোট আকারের স্থানীয়বাজার থাকে এবং তাই তারা বিশেষভাবে অনুকূল কর ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা গ্রহণ করতেপারে| বড় আকারের দেশ তা করতে পারে না| ভারতের মত বড় দেশে বিদেশের মত কেন্দ্র গড়েতোলা পরিচালনাগত প্রতিকুলতার জন্ম দেয়| আমি আনন্দিত যে অর্থমন্ত্রক, রিজার্ভব্যাঙ্ক এবং সেবি (এস.ই.বি.আই.) এই নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নিয়ে সমাধান খুঁজেপেয়েছে|  

দীর্ঘদিনথেকেই এই সমালোচনা রয়েছে যে, ভারতীয় অর্থনৈতিক পরিকাঠামোতেও বর্তমানে বিদেশেপ্রচুর বাণিজ্য হচ্ছে| এটা বলা হচ্ছে যে, কিছু ভারতীয় অর্থনৈতিক বিষয়ের জন্যও ভারতমূল্য নির্ধারক হয়ে উঠতে পারছে না| গিফট সিটি সেইসব বিভিন্ন সমালোচনা প্রশমিতকরবে| কিন্তু গিফট সিটি নিয়ে আমার দৃষ্টিভঙ্গি আরও বৃহত্তর ক্ষেত্রে প্রসারিত|আমার দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে, এখন থেকে দশ বছরের মধ্যে গিফট সিটিকে অন্তত বিশ্বের কিছুবৃহত্তর বাণিজ্য বিষয়ে মূল্য নির্ধারক হয়ে উঠতে হবে| সেটা পণ্য, মুদ্রা, ইকুইটি,সুদের হার অথবা অন্য যেকোনো অর্থনৈতিক বিষয়ে হতে পারে|  

ভারতকেআগামী কুড়ি বছরে ত্রিশ কোটি নতুন কর্মসংস্থান করতে হবে| এটা একটা বিশাল কর্মযজ্ঞ|পরিষেবা ক্ষেত্রে দক্ষ এবং ভালো বেতনের কর্মসংস্থানকে এই কর্ম-বিপ্লবের অংশ হতেহবে| ভারতীয় তরুণরা তা করতে পারেন| গিফট সিটির জন্য যে আন্তর্জাতিক সুযোগ আমাদেরতরুণরা পাবেন, তা এদের মধ্য থেকে আরও বেশি অংশকে এই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যুক্তহওয়া সুনিশ্চিত করবে| আমি দক্ষতাপূর্ণ ও পৃথিবীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ অর্থনৈতিক কর্মজীবীতৈরির ক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য ভারতীয় কোম্পানি, এক্সচেঞ্জ এবং নিয়মকদের আহ্বানজানাবো| তারা যাতে এই বিশেষ নতুন সিটিতে কাজ শিখতে পারে এবং গোটা বিশ্বকে পরিষেবাপ্রদান করতে পারে| আগামী দশ বছরে আমি আশা করি এই সিটি কয়েক লক্ষ কর্মসংস্থান করবে| 

আপনারাজানেন, আমি স্মার্ট সিটির উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত| গিফট সিটি হচ্ছে দেশের সত্যিকারেরপ্রথম সম্পূর্ণ স্মার্ট সিটির ভিত্তি| গিফট সিটি কিভাবে এর মূল পরিকাঠামো তৈরিকরেছে, যার ফলে বিশ্বের শ্রেষ্ঠদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারছে, তা দেশের একশটিস্মার্ট সিটি বোঝার চেষ্টা করবে| আমি আগেও বলেছি যে, ভারত একটি প্রজন্মের মধ্যেইউন্নত দেশ হয়ে উঠতে পারে| আমাদের স্বপ্নের নতুন ভারত গড়ার জন্য নতুন শহরগুলিগুরুত্বপূর্ণ| যেখানে আমাদের স্বপ্ন হচ্ছে: 

–এক আত্মবিশ্বাসী ভারত  

–এক সমৃদ্ধ ভারত  

–এক সর্ব্যাপী ভারত  

–আমাদের ভারত  

আমি এর মধ্য দিয়ে ‘ইন্ডিয়াইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ’-এর সূচনার ঘোষণা করছি| আমি গিফট সিটি এবং ইন্ডিয়াইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ-এর সমৃদ্ধি কামনা করি| 

আপনাদের ধন্যবাদ| 

Explore More
ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জনপ্রিয় ভাষণ

ভারতের ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
India's retail inflation eases to 10-month low of 4.85 per cent in March

Media Coverage

India's retail inflation eases to 10-month low of 4.85 per cent in March
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
I.N.D.I alliance have disregarded the culture as well as development of India: PM Modi in Udhampur
April 12, 2024
After several decades, it is the first time that Terrorism, Bandhs, stone pelting, border skirmishes are not the issues for the upcoming Lok Sabha elections in the state of JandK
For a Viksit Bharat, a Viksit JandK is imminent. The NC, PDP and the Congress parties are dynastic parties who do not wish for the holistic development of JandK
Abrogation of Article 370 has enabled equal constitutional rights for all, record increase in tourism and establishment of I.I.M. and I.I.T. for quality educational prospects in JandK
The I.N.D.I alliance have disregarded the culture as well as the development of India, and a direct example of this is the opposition and boycott of the Pran-Pratishtha of Shri Ram
In the advent of continuing their politics of appeasement, the leaders of I.N.D.I alliance lived in big bungalows but forced Ram Lalla to live in a tent

भारत माता की जय...भारत माता की जय...भारत माता की जय...सारे डुग्गरदेस दे लोकें गी मेरा नमस्कार! ज़ोर कन्ने बोलो...जय माता दी! जोर से बोलो...जय माता दी ! सारे बोलो…जय माता दी !

मैं उधमपुर, पिछले कई दशकों से आ रहा हूं। जम्मू कश्मीर की धरती पर आना-जाना पीछले पांच दशक से चल रहा है। मुझे याद है 1992 में एकता यात्रा के दौरान यहां जो आपने भव्य स्वागत किया था। जो सम्मान किया था। एक प्रकार से पूरा क्षेत्र रोड पर आ गया था। और आप भी जानते हैं। तब हमारा मिशन, कश्मीर के लाल चौक पर तिरंगा फहराने का था। तब यहां माताओं-बहनों ने बहुत आशीर्वाद दिया था।

2014 में माता वैष्णों देवी के दर्शन करके आया था। इसी मैदान पर मैंने आपको गारंटी दी थी कि जम्मू कश्मीर की अनेक पीढ़ियों ने जो कुछ सहा है, उससे मुक्ति दिलाऊंगा। आज आपके आशीर्वाद से मोदी ने वो गारंटी पूरी की है। दशकों बाद ये पहला चुनाव है, जब आतंकवाद, अलगाववाद, पत्थरबाज़ी, बंद-हड़ताल, सीमापार से गोलीबारी, ये चुनाव के मुद्दे ही नहीं हैं। तब माता वैष्णो देवी यात्रा हो या अमरनाथ यात्रा, ये सुरक्षित तरीके से कैसे हों, इसको लेकर ही चिंताएं होती थीं। अगर एक दिन शांति से गया तो अखबार में बड़ी खबर बन जाती थी। आज स्थिति एकदम बदल गई है। आज जम्मू- कश्मीर में विकास भी हो रहा है और विश्वास भी बढ़ रहा है। इसलिए, आज जम्मू-कश्मीर के चप्पे-चप्पे में भी एक ही गूंज सुनाई दे रही है-फिर एक बार...मोदी सरकार ! फिर एक बार...मोदी सरकार ! फिर एक बार...मोदी सरकार !

भाइयों और बहनों,

ये चुनाव सिर्फ सांसद चुनने भर का नहीं है, बल्कि ये देश में एक मजबूत सरकार बनाने का चुनाव है। सरकार मजबूत होती है तो जमीन पर चुनौतियों के बीच भी चुनौतियों को चुनौती देते हुए काम करके दिखाती है। दिखता है कि नहीं दिखता है...दिखता है कि नहीं दिखता है। यहां जो पुराने लोग हैं, उनको 10 साल पहले का मेरा भाषण याद होगा। यहीं मैंने आपसे कहा था कि आप मुझपर भरोसा कीजिए, याद है ना मैंने कहा था कि मुझ पर भरोसा कीजिए। मैं 60 वर्षों की समस्याओं का समाधान करके दिखाउंगा। तब मैंने यहां माताओं-बहनों के सम्मान देने की गारंटी दी थी। गरीब को 2 वक्त के खाने की चिंता न करनी पड़े, इसकी गारंटी दी थी। आज जम्मू-कश्मीर के लाखों परिवारों के पास अगले 5 साल तक मुफ्त राशन की गारंटी है। आज जम्मू कश्मीर के लाखों परिवारों के पास 5 लाख रुपए के मुफ्त इलाज की गारंटी है। 10 वर्ष पहले तक जम्मू कश्मीर के कितने ही गांव थे, जहां बिजली-पानी और सड़क तक नहीं थी। आज गांव-गांव तक बिजली पहुंच चुकी है। आज जम्मू-कश्मीर के 75 प्रतिशत से ज्यादा घरों को पाइप से पानी की सुविधा मिल रही है। इतना ही नहीं ये डिजिटल का जमाना है, डिजिटल कनेक्टिविटी चाहिए, मोबाइल टावर दूर-सुदूर पहाड़ों में लगाने का अभियान चलाया है। 

भाइयों और बहनों,

मोदी की गारंटी यानि गारंटी पूरा होने की गारंटी। आप याद कीजिए, कांग्रेस की कमज़ोर सरकारों ने शाहपुर कंडी डैम को कैसे दशकों तक लटकाए रखा था। जम्मू के किसानों के खेत सूखे थे, गांव अंधेरे में थे, लेकिन हमारे हक का रावी का पानी पाकिस्तान जा रहा था। मोदी ने किसानों को गारंटी दी थी और इसे पूरा भी कर दिखाया है। इससे कठुआ और सांबा के हजारों किसानों को फायदा हुआ है। यही नहीं, इस डैम से जो बिजली पैदा होगी, वो जम्मू कश्मीर के घरों को रोशन करेगी।

भाइयों और बहनों,

मोदी विकसित भारत के लिए विकसित जम्मू-कश्मीर के निर्माण की गारंटी दे रहा है। लेकिन कांग्रेस, नेशनल कॉन्फ्रेंस और पीडीपी और बाकी सारे दल जम्मू-कश्मीर को फिर उन पुराने दिनों की तरफ ले जाना चाहते हैं। इन ‘परिवार-चलित’ पार्टियों ने, परिवार के द्वारा ही चलने वाली पार्टियों ने जम्मू कश्मीर का जितना नुकसान किया, उतना किसी ने नहीं किया है। यहां तो पॉलिटिकल पार्टी मतलब ऑफ द फैमिली, बाई द फैमिली, फॉर द फैमिली। सत्ता के लिए इन्होंने जम्मू कश्मीर में 370 की दीवार बना दी थी। जम्मू-कश्मीर के लोग बाहर नहीं झांक सकते थे और बाहर वाले जम्मू-कश्मीर की तरफ नहीं झांक सकते थे। ऐसा भ्रम बनाकर रखा था कि उनकी जिंदगी 370 है तभी बचेगी। ऐसा झूठ चलाया। ऐसा झूठ चलाया। आपके आशीर्वाद से मोदी ने 370 की दीवार गिरा दी। दीवार गिरा दी इतना ही नहीं, उसके मलबे को भी जमीन में गाड़ दिया है मैंने। 

मैं चुनौती देता हूं हिंदुस्तान की कोई पॉलीटिकल पार्टी हिम्मत करके आ जाए। विशेष कर मैं कांग्रेस को चुनौती देता हूं। वह घोषणा करें कि 370 को वापस लाएंगे। यह देश उनका मुंह तक देखने को तैयार नहीं होगा। यह कैसे-कैसे भ्रम फैलाते हैँ। कैसे-कैसे लोगों को डरा कर रखते हैं। यह कहते थे, 370 हटी तो आग लग जाएगी। जम्मू-कश्मीर हमें छोड़ कर चला जाएगा। लेकिन जम्मू कश्मीर के नौजवानों ने इनको आइना दिखा दिया। अब देखिए, जब यहां उनकी नहीं चली जम्मू-कश्मीर को लोग उनकी असलीयत को जान गए। अब जम्मू-कश्मीर में उनके झूठे वादे भ्रम का मायाजाल नहीं चल पा रही है। तो ये लोग जम्मू-कश्मीर के बाहर देश के लोगों के बीच भ्रम फैलाने का खेल-खेल रहे हैं। यह कहते हैं कि 370 हटने से देश का कोई लाभ नहीं हुआ। जिस राज्य में जाते हैं, वहां भी बोलते हैं। तुम्हारे राज्य को क्या लाभ हुआ, तुम्हारे राज्य को क्या लाभ हुआ? 

370 के हटने से क्या लाभ हुआ है, वो जम्मू-कश्मीर की मेरी बहनों-बेटियों से पूछो, जो अपने हकों के लिए तरस रही थी। यह उनका भाई, यह उनका बेटा, उन्होंने उनके हक वापस दिए हैं। जरा कांग्रेस के लोगों जरा देश भर के दलित नेताओं से मैं कहना चाहता हूं। यहां के हमारे दलित भाई-बहन हमारे बाल्मीकि भाई-बहन देश आजाद हुआ, तब से परेशानी झेल रहे थे। जरा जाकर उन बाल्मीकि भाई-बहनों से पूछो और गड्डा ब्राह्मण, कोहली से पूछो और पहाड़ी परिवार हों, मचैल माता की भूमि में रहने वाले मेरे पाड्डरी साथी हों, अब हर किसी को संविधान में मिले अधिकार मिलने लगे हैं।

अब हमारे फौजियों की वीर माताओं को चिंता नहीं करनी पड़ती, क्योंकि पत्थरबाज़ी नहीं होती। इतना ही नहीं घाटी की माताएं मुझे आशीर्वाद देती हैं, उनको चिंता रहती थी कि बेटा अगर दो चार दिन दिखाई ना दे। तो उनको लगता था कि कहीं गलत हाथों में तो नहीं फंस गया है। आज कश्मीर घाटी की हर माता चैन की नींद सोती है क्योंकि अब उनका बच्चा बर्बाद होने से बच रहा है। 

साथियो, 

अब स्कूल नहीं जलाए जाते, बल्कि स्कूल सजाए जाते हैं। अब यहां एम्स बन रहे हैं, IIT बन रहे हैं, IIM बन रहे हैं। अब आधुनिक टनल, आधुनिक और चौड़ी सड़कें, शानदार रेल का सफर जम्मू-कश्मीर की तकदीर बन रही है। जम्मू हो या कश्मीर, अब रिकॉर्ड संख्या में पर्यटक और श्रद्धालु आने लगे हैं। ये सपना यहां की अनेक पीढ़ियों ने देखा है और मैं आपको गारंटी देता हूं कि आपका सपना, मोदी का संकल्प है। आपके सपनों को पूरा करने के लिए हर पल आपके नाम, आपके सपनों को पूरा करने के लिए हर पल देश के नाम, विकसित भारत का सपना पूरा करने के लिए 24/7, 24/74 फॉर 2047, यह मोदी के गारंटी है। 10 सालों में हमने आतंकवादियों और भ्रष्टाचारियों पर घेरा बहुत ही कसा है। अब आने वाले 5 सालों में इस क्षेत्र को विकास की नई ऊंचाई पर ले जाना है।

साथियों,

सड़क, बिजली, पानी, यात्रा, प्रवास वो तो है। सबसे बड़ी बात है कि जम्मू-कश्मीर का मन बदला है। निराशा में से आशा की और बढ़े हैं। जीवन पूरी तरीके से विश्वास से भरा हुआ है, इतना विकास यहां हुआ है। चारों तरफ विकास हो रहा। लोग कहेंगे, मोदी जी अभी इतना कर लिया। चिंता मत कीजिए, हम आपके साथ हैं। आपका साथ उसके प्रति तो मेरा अपार विश्वास है। मैं यहां ना आता तो भी मुझे पता था कि जम्मू कश्मीर का मेरा नाता इतना गहरा है कि आप मेरे लिए मुझे भी ज्यादा करेंगे। लेकिन मैं तो आया हूं। मां वैष्णो देवी के चरणों में बैठे हुए आप लोगों के बीच दर्शन करने के लिए। मां वैष्णो देवी की छत्रछाया में जीने वाले भी मेरे लिए दर्शन की योग्य होते हैं और जब लोग कहते हैं, कितना कर लिया, इतना हो गया, इतना हो गया और इससे ज्यादा क्या कर सकते हैं। मेरे जम्मू कश्मीर के भाई-बहन अपने पहले इतने बुरे दिन देखे हैं कि आपको यह सब बहुत लग रहा है। बहुत अच्छा लग रहा है लेकिन जो विकास जैसा लग रहा है लेकिन मोदी है ना वह तो बहुत बड़ा सोचता है। यह मोदी दूर का सोचता है। और इसलिए अब तक जो हुआ है वह तो ट्रेलर है ट्रेलर। मुझे तो नए जम्मू कश्मीर की नई और शानदार तस्वीर बनाने के लिए जुट जाना है। 

वो समय दूर नहीं जब जम्मू-कश्मीर में भी विधानसभा के चुनाव होंगे। जम्मू कश्मीर को वापस राज्य का दर्जा मिलेगा। आप अपने विधायक, अपने मंत्रियों से अपने सपने साझा कर पाएंगे। हर वर्ग की समस्याओं का तेज़ी से समाधान होगा। यहां जो सड़कों और रेल का काम चल रहा है, वो तेज़ी से पूरा होगा। देश-विदेश से बड़ी-बड़ी कंपनियां, बड़ी-बड़ी फैक्ट्रियां औऱ ज्यादा संख्या में आएंगी। जम्मू कश्मीर, टूरिज्म के साथ ही sports और start-ups के लिए जाना जाएगा, इस संकल्प को लेकर मुझे जम्मू कश्मीर को आगे बढ़ाना है। 

भाइयों और बहनों,

ये ‘परिवार-चलित’ परिवारवादी , परिवार के लिए जीने मरने वाली पार्टियां, विकास की भी विरोधी है और विरासत की भी विरोधी है। आपने देखा होगा कि कांग्रेस राम मंदिर से कितनी नफरत करती है। कांग्रेस और उनकी पूरा इको सिस्टम अगर मुंह से कहीं राम मंदिर निकल गया। तो चिल्लाने लग जाती है, रात-दिन चिल्लाती है कि राम मंदिर बीजेपी के लिए चुनावी मुद्दा है। राम मंदिर ना चुनाव का मुद्दा था, ना चुनाव का मुद्दा है और ना कभी चुनाव का मुद्दा बनेगा। अरे राम मंदिर का संघर्ष तो तब से हो रहा था, जब कि भाजपा का जन्म भी नहीं हुआ था। राम मंदिर का संघर्ष तो तब से हो रहा था जब यहां अंग्रेजी सल्तनत भी नहीं आई थी। राम मंदिर का संघर्ष 500 साल पुराना है। जब कोई चुनाव का नामोनिशान नहीं था। जब विदेशी आक्रांताओं ने हमारे मंदिर तोड़े, तो भारत के लोगों ने अपने धर्मस्थलों को बचाने की लड़ाई लड़ी थी। वर्षों तक, लोगों ने अपनी ही आस्था के लिए क्या-क्या नहीं झेला। कांग्रेस और उसके सहयोगी दलों के नेता बड़े-बड़े बंगलों में रहते थे, लेकिन जब रामलला के टेंट बदलने की बात आती थी तो ये लोग मुंह फेर लेते थे, अदालतों की धमकियां देते थे। बारिश में रामलला का टेंट टपकता रहता था और रामलला के भक्त टेंट बदलवाने के लिए अदालतों के चक्कर काटते रहते थे। ये उन करोड़ों-अरबों लोगों की आस्था पर आघात था, जो राम को अपना आराध्य कहते हैं। हमने इन्हीं लोगों से कहा कि एक दिन आएगा, जब रामलला भव्य मंदिर में विराजेंगे। और तीन बातें कभी भूल नहीं सकते। एक 500 साल के अविरत संघर्ष के बाद ये हुआ। आप सहमत हैं। 500 साल के अविरत संघर्ष के बाद हुआ है, आप सहमत हैं। दूसरा, पूरी न्यायिक प्रक्रिया की कसौटी से कस करके, न्याय के तराजू से तौल करके अदालत के निर्णय से ये काम हुआ है, सहमत हैं। तीसरा, ये भव्य राम मंदिर सरकारी खजाने से नहीं, देश के कोटि-कोटि नागरिकों ने पाई-पाई दान देकर बनाया है। सहमत हैं। 

जब उस मंदिर की प्राण-प्रतिष्ठा हुई तो पिछले 70 साल में कांग्रेस ने जो भी पाप किए थे, उनके साथियों ने जो रुकावटें डाली थी, सबको माफ करके, राम मंदिर के जो ट्रस्टी हैं, वो खुद कांग्रेस वालों के घर गए, इंडी गठबंधन वालों के घर गए, उनके पुराने पापों को माफ कर दिया। उन्होंने कहा राम आपके भी हैं, आप प्राण-प्रतिष्ठा में जरूर पधारिये। सम्मान के साथ बुलाया। लेकिन उन्होंने इस निमंत्रण को भी ठुकरा दिया। कोई बताए, वो कौन सा चुनावी कारनामा था, जिसके दबाव में आपने राम मंदिर के प्राण-प्रतिष्ठा के निमंत्रण को ठुकरा दिया। वो कौन सा चुनावी खेल था कि आपने प्राण-प्रतिष्ठा के पवित्र कार्य को ठुकरा दिया। और ये कांग्रेस वाले, इंडी गठबंधन वाले इसे चुनाव का मुद्दा कहते हैं। उनके लिए ये चुनावी मुद्दा था, देश के लिए ये श्रद्धा का मुद्दा था। ये धैर्य की विजय का मुद्दा था। ये आस्था और विश्वास का मु्द्दा था। ये 500 वर्षों की तपस्या का मुद्दा था।

मैं कांग्रेस से पूछता हूं...आप ने अपनी सरकार के समय दिन-रात इसका विरोध किया, तब ये किस चुनाव का मुद्दा था? लेकिन आप राम भक्तों की आस्था देखिए। मंदिर बना तो ये लोग इंडी गठबंधन वालें के घर प्राण प्रतिष्ठा का आमंत्रण देने खुद गए। जिस क्षण के लिए करोड़ों लोगों ने इंतजार किया, आप बुलाने पर भी उसे देखने नहीं गए। पूरी दुनिया के रामभक्तों ने आपके इस अहंकार को देखा है। ये किस चुनावी मंशा को देखा है। ये चुनावी मंशा थी कि आपने प्राण प्रतिष्ठा का आमंत्रण ठुकरा दिया। आपके लिए चुनाव का खेल है। ये किस तरह की तुष्टिकरण की राजनीति थी। भगवान राम को काल्पनिक कहकर कांग्रेस किसे खुश करना चाहती थी?

साथियों, 

कांग्रेस और इंडी गठबंधन के लोगों को देश के ज्यादातर लोगों की भावनाओं की कोई परवाह नहीं है। इन्हें लोगों की भावनाओं से खिलवाड़ करने में मजा आता है। ये लोग सावन में एक सजायाफ्ता, कोर्ट ने जिसे सजा की है, जो जमानत पर है, ऐसे मुजरिम के घर जाकर के सावन के महीने में मटन बनाने का मौज ले रहे हैं इतना ही नहीं उसका वीडियो बनाकर के देश के लोगों को चिढ़ाने का काम करते हैं। कानून किसी को कुछ खाने से नहीं रोकता। ना ही मोदी रोकता है। सभी को स्वतंत्रता है की जब मन करें वेज खायें या नॉन-वेज खाएं। लेकिन इन लोगों की मंशा दूसरी होती है। जब मुगल यहां आक्रमण करते थे ना तो उनको सत्ता यानि राजा को पराजित करने से संतोष नहीं होता था, जब तक मंदिर तोड़ते नहीं थे, जब तक श्रद्धास्थलों का कत्ल नहीं करते थे, उसको संतोष नहीं होता था, उनको उसी में मजा आता था वैसे ही सावन के महीने में वीडियो दिखाकर वो मुगल के लोगों के जमाने की जो मानसिकता है ना उसके द्वारा वो देश के लोगों को चिढ़ाना चाहते हैं, और अपनी वोट बैंक पक्की करना चाहते हैं। ये वोट बैंक के लिए चिढ़ाना चाहते हैं । आप किसे चिढ़ाना चाहते हैंनवरात्र के दिनों में आपका नॉनवेज खाना,  आप किस मंशा से वीडियो दिखा-दिखा कर के लोगों की भावनाओं को चोट पहुंचा करके, किसको खुश करने का खेल कर रहे हो।  

मैं जानता हूं मैं  जब आज ये  बोल रहा हूं, उसके बाद ये लोग पूरा गोला-बारूद लेकर गालियों की बौछार मुझ पर चलाएंगे, मेरे पीछे पड़ जाएंगे। लेकिन जब बात  बर्दाश्त के बाहर हो जाती है, तो लोकतंत्र में मेरा दायित्व बनता है कि सही चीजों का सही पहलू बताऊं। और मैं वो अपना कर्तव्य पूरा कर रहा हूं। ये लोग ऐसा जानबूझकर इसलिए करते हैं ताकि इस देश की मान्यताओं पर हमला हो। ये इसलिए होता है, ताकि एक बड़ा वर्ग इनके वीडियो को देखकर चिढ़ता रहे, असहज होता रहे। समस्या इस अंदाज से है। तुष्टिकरण से आगे बढ़कर ये इनकी मुगलिया सोच है। लेकिन ये लोग नहीं जानते, जनता जब जवाब देती है तो बड़े-बड़े शाही खानदान के युवराजों को बेदखल होना पड़ता है।

साथियों, 

ये जो परिवार-चलित पार्टियां हैं, ये जो भ्रष्टाचारी हैं, अब इनको फिर मौका नहीं देना है। उधमपुर से डॉ. जितेंद्र सिंह और जम्मू से जुगल किशोर जी को नया रिकॉर्ड बनाकर सांसद भेजना है। जीत के बाद दोबारा जब उधमपुर आऊं तो, स्वादिष्ट कलाड़ी का आनंद ज़रूर लूंगा। आपको मेरा एक काम और करना है। इतना निकट आकर मैं माता वैष्णों देवी जा नहीं पा रहा हूं। तो माता वैष्णों देवी को क्षमा मांगिए और मेरी तरफ से मत्था टेकिए। दूसरा एक काम करोगे। एक और काम करोगे, मेरा एक और काम करोगे, पक्का करोगे। देखिए आपको घर-घर जाना है। कहना मोदी जी उधमपुर आए थे, मोदी जी ने आपको प्रणाम कहा है, राम-राम कहा है। जय माता दी कहा है, कहोगे। मेरे साथ बोलिए

भारत माता की जय !

भारत माता की जय !

भारत माता की जय ! 

बहुत-बहुत धन्यवाद