ভারত-ইজরায়েল যৌথ বিবৃতি

Published By : Admin | February 26, 2026 | 19:44 IST

শান্তি, উদ্ভাবন ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী শ্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে সে দেশ সফর করেন। এর মধ্য দিয়ে দুটি দেশের উষ্ণ ও নিবিড় কৌশলগত অংশীদারিত্ব প্রতিফলিত হয়। বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও বর্ষীয়ান মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী ছিলেন। ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক ইজরায়েল সফর এবং তার পরের বছর ইজরালেয়ের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার নতুন এক যুগের সূচনা করেছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, সাইবার জগৎ, কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য, শিল্পোদ্যোগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও ইজরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। দুই প্রধানমন্ত্রীই কৌশলগত অংশীদারিত্বকে ‘শান্তি, উদ্ভাবন ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ এক কৌশলগত অংশীদারিত্বে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

একযোগে ভবিষ্যতের পথ
প্রযুক্তিক্ষেত্রে উদ্ভাবন ও শিল্পোদ্যোগের মাধ্যমে শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁদের পরিকল্পনা আদানপ্রদান করেছেন। ভারতে প্রতিভাবান ব্যক্তিত্বের প্রাচুর্য্য রয়েছে। অন্যদিকে, ইজরায়েল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্তরে চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কৃত্রিম মেধা, সাইবার নিরাপত্তা, সেমি-কন্ডাক্টর, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, জৈবপ্রযুক্তি, কৃষি ও জল ব্যবস্থাপনা, প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারত ও ইজরায়েলের অগ্রগতিকে একত্রিত করতে তাঁরা অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন। ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলা এবং দেশকে আত্মনির্ভর করে তুলতে এই অংশীদারিত্ব সহায়ক হবে। তাঁরা দুটি রাষ্ট্রের সরকারি স্তর, বাণিজ্য মহল এবং জনসাধারণের মধ্যে সুস্থায়ী এক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। 

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন
ভারত ও ইজরায়েলের প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি সূচিত হয়েছে তার ফলে নতুন নতুন পথের সন্ধান মিলেছে। শ্রী নেতানিয়াহু এবং শ্রী মোদী দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতাদের গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা ভারত ও ইজরায়েলের শিল্প জগতের গবেষণা ও উদ্ভাবনমূলক তহবিল বা I4F-এর কাজকর্মের পর্যালোচনা করেছেন। এই ব্যবস্থাপনাকে আরও শক্তিশালী করে তহবিলের অর্থকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের শিল্পোদ্যোগকে কার্যকর করার প্রসঙ্গে তাঁরা সহমত হয়েছেন। ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তর এবং ইজরায়েলের উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের উদ্যোগে ইন্ডিয়া-ইজরায়েল জয়েন্ট রিসার্চ কলস-কে বাস্তবায়নের জন্য দুটি দেশই তহবিল বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে উভয় দেশ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে। এই পরিমাণ বৃদ্ধি করে ১৫ লক্ষ মার্কিন ডলার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁরা উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে কৃত্রিম মেধার কৌশলগত গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এই লক্ষ্যে দুই দেশের কৃত্রিম মেধা নিয়ে কাজ করছেন যেসব বিশেষজ্ঞরা এবং যে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলি এই কাজে যুক্ত, তাদের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে দুটি দেশের মধ্যে যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর হয়েছে, সেই বিষয়ে তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। 

ইজরায়েল স্পেস এজেন্সি এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংগঠনের মধ্যে যে সহযোগিতা গড়ে উঠেছে তাকে স্বাগত জানিয়ে দুই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ইজরায়েলের মহাকাশ-ভিত্তিক স্টার্ট-আপ সংস্থাগুলির সঙ্গে ভারতীয় সংস্থাগুলির অংশীদারিত্ব যথেষ্ট সম্ভাবনাময়। এক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত যে ইচ্ছাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে তাতে উভয় নেতা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এর ফলে, প্রযুক্তি, অর্থনীতি এবং সমাজের প্রভূত উপকার হবে। 

সাইবার নিরাপত্তা
সরকারি এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করতে দুই প্রধানমন্ত্রীই তাঁদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এর পাশাপাশি, একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত কর্মসূচি গ্রহণ করার পরিকল্পনাও করা হয়েছে। এর আওতায় দক্ষতা বিকাশ, কৃত্রিম মেধা, গবেষণা ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি যেমন থাকছে, পাশাপাশি নিয়মিতভাবে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২০২৫-এর মার্চ মাসে ভারত-ইজরায়েল সাইবার নীতি আলোচনা সফলভাবে হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতে ইন্ডিয়া-ইজরায়েল সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ইন সাইবার সিকিউরিটি গড়ে তোলার জন্য যে ইচ্ছাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে তাকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উভয় নেতা মনে করেন।

ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও যোগাযোগ
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এবং প্রধানমন্ত্রী শ্রী বেঞ্জামিন নেয়ানিয়াহু দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্যের সব ধরনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ২০২৫-এর সেপ্টেম্বরে নতুন দিল্লিতে ভারত-ইজরায়েল দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। এর ফলে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পাবে। অবাধ বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ‘টার্মস অফ রেফারেন্স’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে একটি অবাধ বাণিজ্য চুক্তি খুব শীঘ্রই কার্যকর হবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন। আর্থিক ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে তাকে উভয় নেতাই স্বাগত জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ভারতে ফিনটেক বিপ্লব বাস্তবায়িত হওয়ায় তার প্রশংসা করেছেন। এর ফলে, ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস বা ইউপিআই আরও সহজ হয়েছে। ইজরায়েলের দ্রুত আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাপনায় ইউপিআই-কে যুক্ত করার সম্ভাবনাগুলি খতিয়ে দেখা হবে। এনপিসিআই ইন্টারন্যাশনাল এবং এমএএসএভি-র মধ্যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হওয়ায় দুটি দেশের মধ্যে আর্থিক লেনদেন আগামীদিনে আরও সহজ হবে। তেল অভিভের সঙ্গে ভারতের বিভিন্ন শহরের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলে উৎসাহ দিতে ভারতীয় ও ইজরায়েলি বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলিকে সহায়তা করা হবে। ভারত-ইজরায়েল আর্থিক সংলাপ শুরু হওয়ায় উভয় দেশের মধ্যে আর্থিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে। ২০২৫-এর নভেম্বরে দুই দেশের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিকদের চতুর্থ পর্যায়ের শীর্ষ সম্মেলন সফল হওয়ায় তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ আর্বিট্রেশন এবং ইজরায়েলি ইনস্টিটিউট অফ কমার্শিয়াল আর্বিট্রেশন-এর মধ্যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হওয়ায় আগামীদিনে বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিবাদের দ্রুত মীমাংসা করা সম্ভব হবে। 

কৃষি, জল ও পরিবেশ সংরক্ষণ
ভারত ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী সুস্থায়ী উন্নয়নের ক্ষেত্রে জল ও কৃষির গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এক্ষেত্রে জল সংরক্ষণ, বর্জ্য জলকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা, সেই জলকে কৃষিকাজে লাগানো, সমুদ্রের জলকে লবণমুক্ত করা এবং উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে গঙ্গা সহ বিভিন্ন নদীকে পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। 

ভারতের কৃষি মন্ত্রকের সঙ্গে ইজরায়েলের ‘মাশাভ’-এর নেতৃত্বে যৌথভাবে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতের হাজার হাজার কৃষক প্রশিক্ষিত হবেন। ভারতে ৩৫টি কৃষি সংক্রান্ত উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে আটটি কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। জানুয়ারি মাসে মৎস্যচাষ সংক্রান্ত যে ইচ্ছাপত্রে স্বাক্ষর করা হয়েছে, সেই বিষয়ে উভয় নেতা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উদ্ভূত সমস্যার সমাধানে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।  

সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা এবং শান্তি স্থাপন
দুই প্রধানমন্ত্রী যে কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করেছেন। দুটি প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সঙ্কল্প এই সমস্যার সমাধানে সহায়ক হবে। তাঁরা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে যে জঘন্য জঙ্গি হানা হয়েছিল, সেটির কঠোর নিন্দা করেছেন। পাশাপাশি, ২০২৫-এর ২২ এপ্রিল ভারতে জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁও-এ পর্যটকদের ওপর জঙ্গি হানা এবং ১০ নভেম্বর নতুন দিল্লির লালকেল্লার কাছে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের নিন্দাও করেছেন তাঁরা। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা অঞ্চলের সংঘাতের অবসানে যে সর্বাঙ্গীণ পরিকল্পনা করেছেন তাকে স্বাগত জানিয়ে উভয় নেতা বলেছেন, এর ফলে বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে। শান্তি, সুরক্ষা ও গণতন্ত্রের স্বার্থে আলাপ-আলোচনা ও পরস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে যে কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে তাঁরা মনে করেন।

সংসদীয় সহযোগিতা
ভারত ও ইজরায়েলের প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের মধ্যে সংসদীয় ক্ষেত্রে সহযোগিতা গড়ে তুলতে লোকসভা ও নেসেট-এর অধ্যক্ষের মধ্যে যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে তাকে দুই প্রধানমন্ত্রীই স্বাগত জানিয়েছেন। এর ফলে, ভারতীয় সংসদে ভারত-ইজরায়েল সংসদীয় সৌহার্দ্য গোষ্ঠী গড়ে তোলা হবে। 

দু’দেশের জনগণের মধ্যে সহযোগিতা
উভয় প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, দু’দেশের জনসাধারণের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে উঠলেই প্রকৃত বন্ধুত্ব তৈরি হয়, সংস্কৃতি ও খেলাধূলার মাধ্যমে যা শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ইজরায়েলের সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রক ভারতের চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে সহযোগিতা গড়ে তুলতে আগ্রহী। ইজরায়েলে যেসব ভারতীয় কর্মীরা কর্মরত, তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ২০২৩-এর নভেম্বরে ভারতীয় কর্মীদের নিরাপত্তা ও যাতায়াতের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেই চুক্তির গুরুত্বকে উভয় নেতা স্বীকৃতি দিয়েছেন। তাঁরা এই কর্মীদের আইনি অধিকার সুরক্ষিত থাকার ওপরও জোর দিয়েছেন। আগামী পাঁচ বছরে ইজরায়েলে ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার অতিরিক্ত কর্মী যাবেন। এ সংক্রান্ত যৌথ সহযোগিতার যে কমিটি রয়েছে সেই কমিটি কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত নিরসনে যাতে সক্রিয় থাকে, সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 

স্বাস্থ্য
এ বছরের শুরুর দিকেই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যৌথ কর্মীগোষ্ঠীর বৈঠক যাতে অনুষ্ঠিত হয় তা নিশ্চিত করতে দুই প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন। উদ্ভাবন, কৃত্রিম মেধা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার সাহায্যে স্বাস্থ্য পরিষেবাকে উন্নত করা হবে। এই লক্ষ্যে দুটি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা হবে। 

শিক্ষা - সুনিশ্চিত এক ভবিষ্যতের লক্ষ্যে 
অর্থনীতিতে প্রয়োজনীয় তথ্য আদানপ্রদানের বিষয়ে শ্রী মোদী এবং শ্রী নেতানিয়াহু সহমত পোষণ করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতাকে শক্তিশালী করতে উভয় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে দুটি দেশের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা অন্য দেশে যাবেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হওয়ায় তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শ্রী মোদী, শ্রী নেতানিয়াহুকে ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি সম্পর্কে অবগত করেন। এর ফলে, ২০৩০ সালে সুস্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে তা বাস্তবায়িত হবে। শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সংলাপের পরিবেশ গড়ে তুলতে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ, নীতি-নির্ধারক সহ অন্যান্য ব্যক্তিত্বদের মধ্যে সহযোগিতার জন্য ভারত এবং ইজরায়েল ইন্ডিয়া-ইজরায়েল অ্যাকাডেমিক কো-অপারেশন ফোরাম গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ফোরামের বৈঠক ভারত এবং ইজরায়েলে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে। 

নতুন আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রেক্ষাপট
বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তার এক পরিবেশে দুই প্রধানমন্ত্রী I2U2 অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন। তাঁরা ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর নিয়েও মতবিনিময়ক করেছেন। কৃত্রিম মেধার বিষয়ে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর, ভারতে ইন্ডিয়া-ইজরায়েল সাইবার সেন্টার অফ এক্সেলেন্স গড়ে তুলতে ইচ্ছাপত্র, দুই দেশের শিক্ষা মন্ত্রকের মধ্যে কৃত্রিম মেধার বিষয়ে শিক্ষাদান সহ ১৬টি বিষয়ে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নেতানিয়াহু এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে উচ্চস্তরের বৈঠক আয়োজনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি, শিল্প মহল সহ উভয় দেশের নাগরিকদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে। ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে অংশীদারিত্ব আমাদের জ্ঞান-ভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনাকে সহায়তা করবে, সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং অভিন্ন সাফল্যের ওপরই যে ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। 

 

Explore More
শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ

জনপ্রিয় ভাষণ

শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের ধ্বজারোহণ উৎসবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ
Rooftop solar, KUSUM account for 40% of Indias solar capacity additions in FY27 till July: Bernstein

Media Coverage

Rooftop solar, KUSUM account for 40% of Indias solar capacity additions in FY27 till July: Bernstein
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
PM to Address Youth at Khelo India Dialogue on 27th August
August 26, 2026
Khelo India Dialogue will bring together sports, youth leadership, civic responsibility, volunteering, fitness and nation-building on a common platform
Yuva Samvaad under Khelo India Dialogue to Focus on Five Key Themes: Sports, Olympic Aspirations, Youth Leadership, Viksit Bharat and Nasha Mukt Yuva

Prime Minister Shri Narendra Modi will address Khelo India Dialogue on 27th August at 11 AM via video conferencing. The programme aims to help the youth engage with India's sporting journey, share their aspirations, and contribute ideas for a stronger youth-led Viksit Bharat.

Organised by Mera Yuva Bharat (MY Bharat), as part of the National Sports Day 2026 celebrations, the programme will be conducted across the country with participation of youth at two colleges in every district across States and Union Territories. The programme is being held in line with the Prime Minister's vision of building a fit, disciplined and sporting nation while placing the aspirations of youth at the centre of the national development agenda.

The nationwide Khelo India Dialogue will bring together sports, youth leadership, civic responsibility, volunteering, fitness and nation-building on a common platform. It will provide a direct channel for young people to engage with the country's sporting ambitions, while ensuring that their ideas and perspectives become part of the continuing conversation on India's youth and sports ecosystem.

The national programme will be followed by local interactions involving young participants, MY Bharat volunteers, local sportspersons and public representatives. A major feature of the initiative will be direct interaction between youth having interest in sports and leading Indian athletes and medal winners. A central feature of the programme will be Yuva Samvaad where Young participants will be invited to articulate their own ideas, perspectives and aspirations. The dialogue will be structured around five themes:

  • improving India's sports ecosystem through better facilities, coaching, sports science and inclusive participation;
  • nurturing talent for the 2036 Olympics via scientific talent identification, transparent selection and long-term athlete development;
  • creating youth leaders through governance platforms and MY Bharat-led volunteering;
  • empowering youth for Viksit Bharat by building civic mindedness, future-ready skills and structured volunteering;
  • promoting a Nasha Mukt Yuva movement that leverages sport and peer networks to fight substance abuse, reinforced by weekly Jan Bhagidari activities under PM's 100-week nationwide campaign launched on 2 August 2026.