শেয়ার
 
Comments

Gujarat Gaurav Diwas  Developing Gujarat for the Development of India!

Dear friends,

Hearty congratulations on Gujarat Gaurav Diwas. It was on this day, 1st May in the year 1960 that the state of Gujarat was born. Today is both a day to look back and to dream ahead for a stronger, more vibrant and more developed Gujarat. On this day, we wholeheartedly salute each and every of one the bravehearts who gave their lives in the Maha Gujarat movement; we salute the great men and women who withstood bullets for a glorious Gujarat. It is a matter of great pride that Gujarat has not let the sacrifices of these great men and women go in vain!

Despite all odds, Gujarat has surged ahead on the path of development. There were mammoth challenges but our state has not only overcome but also turned them into opportunities for furthering all round growth. Today Gujarat has become synonymous with development all over the world! And behind this stellar development is the spirit of peace, unity and brotherhood of six crore Gujaratis. There is an air of optimism and positivity everywhere- in every section, every region of Gujarat. But we do not wish to stop here. We are strongly determined to increase the pace of development so that the poorest of the poor continue to become active partners in this march. It is development that is our only mantra, our sole dream!

Let us all come together and work with the mantra of ‘Sabka Saath, Sabka Vikas’ (All together, growth for all). Our motive is to develop Gujarat for the development of India. On this historic day, I am sharing my message that I extended to the people of Gujarat last evening.

Video of Shri Narendra Modi's message on the eve of Gujarat Gaurav Diwas

Jai Jai Garvi Gujarat! Bharat Mata Ki Jai!

Narendra Modi

Read Shri Narendra Modi’s message on eve of Gujarat Gaurav Diwas in text

 

ગુજરાત ગૌરવ દિવસ

ભારતનાં વિકાસ માટે ગુજરાતનો વિકાસ

પ્રિય મિત્રો,

ગુજરાત ગૌરવ દિવસનાં અવસર પર આપ સૌને અંત:કરણપૂર્વક શુભેચ્છાઓ પાઠવું છું. વર્ષ ૧૯૬૦ માં ૧ લી મે નાં રોજ ગુજરાત રાજ્યનો જન્મ થયો. આજનો દિવસ એક બાજુ વીતેલા વર્ષો ઉપર નજર નાંખવાનો તો બીજી બાજુ વધુ સશક્ત, વધુ વાઈબ્રન્ટ અને વધુ વિકસીત ગુજરાતનાં નિર્માણ માટે આગળ નજર દોડાવવાનો છે. આજનાં દિવસે, મહાગુજરાત આંદોલનમાં પોતાની જાત હોમી દેનાર પ્રત્યેક શેરદિલ વ્યક્તિઓને આપણે સલામ કરીએ છીએ; આપણે સલામ કરીએ છીએ એ તમામ મહાન નર-નારીઓને જેમણે ઝળહળતા ગુજરાતનાં નિર્માણ માટે સામી છાતીએ ગોળીઓ ઝીલી લીધી હતી. આપણા માટે એ ગૌરવની વાત છે કે એ મહાન નર-નારીઓની કુરબાનીને ગુજરાતે એળે નથી જવા દીધી.

તમામ વિધ્નો છતાં પણ ગુજરાત વિકાસનાં પથ ઉપર આગળ વધતું રહ્યું છે. મસમોટી મુશ્કેલીઓ આવી, પણ આપણા રાજ્યે આ તમામ આપત્તિઓને અવસરમાં પલટી નાંખી અને સર્વાંગી વિકાસ સાધ્યો. આજે ગુજરાત સમગ્ર દુનિયામાં વિકાસનો પર્યાય બની ગયું છે. અને આ વિરાટ વિકાસનાં પાયામાં છ કરોડ ગુજરાતીઓની શાંતિ, એકતા અને ભાઈચારાની ભાવના રહેલી છે. ગુજરાતનાં ખૂણેખૂણામાં આશા અને હકારાત્મકાની લહેર ફેલાઈ ગઈ છે. પણ આપણે અહીંથી અટકવું નથી. વિકાસની ગતિ હજી તેજ કરવાનો આપણો દ્રઢ નિર્ધાર છે, જેથી ગરીબમાં ગરીબ માણસ પણ આ વિકાસયાત્રાનો સક્રિય ભાગીદાર બની શકે. વિકાસ એ જ આપણો એકમાત્ર મંત્ર છે, આપણું એકમાત્ર સ્વપ્ન છે.

આવો, આપણે સૌ ભેગા મળી ‘સૌનો સાથ, સૌનો વિકાસ‘નાં મંત્ર સાથે આગળ વધીએ. ભારતનાં વિકાસ માટે ગુજરાતનો વિકાસ કરવો એ આપણું ઉદ્દેશ્ય છે. આજનાં આ ઐતિહાસિક દિવસે, ગઈકાલ સાંજનાં મારા જનતાજોગ સંદેશને હું અહીં મુકી રહ્યો છું.

જય જય ગરવી ગુજરાત! ભારત માતા કી જય!

નરેન્દ્ર મોદી

 

गुजरात गौरव दिवस

भारत के विकास के लिए गुजरात का विकास

प्रिय मित्रों,

गुजरात गौरव दिवस के अवसर पर आप सभी को हार्दिक शुभकामनाएं देता हूं। 1 मई, 1960 के दिन गुजरात राज्य का जन्म हुआ। आज का दिन जहां बीते बरसों की ओर देखने का है तो साथ ही ज्यादा सशक्त, ज्यादा वाइब्रेंट और ज्यादा विकसित गुजरात के निर्माण के लिए आगे की दिशा में नजर दौड़ाने का भी है। आज के दिन, महागुजरात आंदोलन में अपनी जान कुर्बान करने वाले प्रत्येक शहिद को हम नमन करते हैं। हम नमन करते हैं उन सभी महान नर-नारियों को जिन्होंने जगमगाते गुजरात के निर्माण के लिए अपने सीने पर गोलियां खाईं थी। हमारे लिए यह गौरव की बात है कि उन महान नर-नारियों की कुर्बानी को गुजरात ने व्यर्थ नहीं जाने दिया है।

तमाम विघ्नों के बावजूद गुजरात विकास के पथ पर आगे बढ़ता रहा है। कई मुश्किलें आईं, लेकिन हमारे राज्य ने इन तमाम मुश्किलों को अवसर में बदल दिया और सर्वांगीण विकास हासिल किया। आज गुजरात समग्र दुनिया में विकास का पर्याय बन चुका है। इस विराट विकास की नीव में छह करोड़ गुजरातियों की शांति, एकता और भाईचारे की भावना समाहित है। गुजरात के कोने-कोने में आशा और विश्वास की लहर फैल गई है। लेकिन हमें यहां रुकना नहीं है। विकास की गति को तेज करने का हमारा दृढ संकल्प है, ताकि गरीब से गरीब व्यक्ति भी इस विकास यात्रा का सक्रिय भागीदार बन सके। विकास ही हमारा एकमात्र मंत्र है, हमारा एकमात्र स्वप्न है।

आइए, हम सब मिलकर सबका साथ, सबका विकास मंत्र के साथ आगे बढ़ें। भारत के विकास के लिए गुजरात का विकास करना ही हमारा उद्देश्य है। आज के इस ऐतिहासिक दिवस पर, गुजरात गौरव दिवस की पूर्वसंध्या पर जनता के नाम मेरे संदेश को यहां रख रहा हूं।

जय जय गरवी गुजरात! भारत माता की जय!

नरेन्द्र मोदी

২০ বছরের সেবা ও সমর্পণের ২০টি ছবি
Mann KI Baat Quiz
Explore More
আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনপ্রিয় ভাষণ

আমাদের ‘চলতা হ্যায়’ মানসিকতা ছেড়ে ‘বদল সাকতা হ্যায়’ চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
52.5 lakh houses delivered, over 83 lakh grounded for construction under PMAY-U: Govt

Media Coverage

52.5 lakh houses delivered, over 83 lakh grounded for construction under PMAY-U: Govt
...

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
১০০ কোটি কোভিড টিকাকরণের পরিসংখ্যান বলছে যে মানুষের অংশগ্রহণ কী অর্জন করতে পারে
October 22, 2021
শেয়ার
 
Comments

২১ অক্টোবর, ২০২১। ভারত ১০০ কোটি ডোজ টিকাকরণ সম্পন্ন করল। টিকাকরণ কর্মসূচি শুরুর মাত্র ন’মাসের মধ্যেই এল এই সাফল্য। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এ এক দুরূহ যাত্রা! বিশেষত ২০২০ সালের গোড়ার দিকে কী পরিস্থিতি ছিল, তা ফিরে দেখলেই আমরা বুঝতে পারব। ১০০ বছর বাদে মানব সমাজ আরও এক অতিমারির কবলে। এবং কেউ বিশেষ কিছু জানতও না এই ভাইরাস সম্পর্কে। মনে পড়ে, কেমন এক অনিশ্চিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল সেই সময়! দ্রুত চরিত্র বদল করা এক অজানা, অদৃশ্য শত্রুর মুখোমুখি হয়েছিলাম আমরা।
সেই আশঙ্কা থেকে আশ্বাসের পথে যাত্রার সূচনা হল। ক্রমে বিশ্বের বৃহত্তম টিকাকরণ অভিযানের সুবাদে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠল আমাদের দেশ।
সমাজের একাধিক অংশকে সঙ্গে নিয়ে এটা সত্যিই ভগীরথের মতো এক প্রয়াস। চেষ্টার মাত্রাটা বুঝতে গেলে একটা ছোট্ট তথ্য জেনে রাখা দরকার। প্রতিটি টিকা দিতে একজন স্বাস্থ্যপরিষেবা কর্মীর সময় লাগে ২ মিনিট। সেই অনুযায়ী এই সাফল্যে পৌঁছতে লেগেছে প্রায় ৪১ লক্ষ মানব-দিবস অথবা আনুমানিক ১১ হাজার মানব-বর্ষের চেষ্টা।
বড় মাত্রার যে কোন প্রয়াসে দ্রুত সাফল্য অর্জন করতে হলে সবার আস্থা অর্জন অত্যন্ত জরুরি। এই অভিযানের সাফল্যের অন্যতম কারণ সেটাই। এই টিকাকরণ এবং তার পরবর্তী প্রক্রিয়ার উপর আস্থা রেখেছে মানুষ। যদিও অনাস্থা এবং আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা কম হয়নি।
আমাদের মধ্যে কেউ কেউ শুধুমাত্র বিদেশি ব্র্যান্ডে আস্থা রাখেন। এমনকী সেটা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রেও। তবে, কোভিড-১৯ টিকার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভারতবাসী সর্বসম্মতিক্রমে আস্থা রেখেছে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ভ্যাকসিনের উপর। এটা এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
নাগরিক এবং সরকার যদি একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে জন ভাগিদারীর আদর্শকে সামনে রেখে এক হয়ে যায়, তাহলে ভারত যে কী করতে পারে এই টিকাকরণ অভিযান তার একটি উদাহরণ। ভারত যখন টিকাকরণ অভিযান শুরু করে, তখন অনেকেই ১৩০ কোটি মানুষের ক্ষমতা সম্পর্কে সন্দিহান ছিলেন। কেউ বলেছিলেন, তিন-চার বছর সময় লাগবে ভারতের। কারও কারও দাবি ছিল, মানুষ টিকা নিতে এগিয়ে আসবেন না। এমনও অনেকে ছিলেন, যাঁরা বলেছিলেন, গোটা বিষয়টি অব্যবস্থার চূড়ান্ত হবে এবং টিকাকরণ প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। এমনকী কেউ কেউ তো এও বলেছিলেন যে, ভারত সরবরাহ শৃঙ্খল অটুট রাখতে পারবে না। কিন্তু জনতা কারফিউ এবং তার পরবর্তী লকডাউনের মতোই ভারতবাসী দেখিয়ে দিয়েছে, তাঁদের আস্থাভাজন অংশীদার করে তোলা গেলে কী অভাবনীয় ফলই না হতে পারে।
যখন সকলে এগিয়ে আসেন, তখন অসম্ভব বলে কিছুই থাকে না। আমাদের স্বাস্থ্যপরিষেবা কর্মীরা পাহাড়ে চড়ে, নদী পেরিয়ে দুর্গম জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন মানুষকে টিকা দিতে। ভারতে টিকা নিয়ে অনাগ্রহীর সংখ্যা ছিল বেশ কম, যা অনেক উন্নত দেশেও দেখা যায়নি। তার জন্য আমাদের যুব সমাজ, সমাজকর্মী, স্বাস্থ্য পরিষেবা কর্মী, সামাজিক এবং ধর্মীয় নেতাদের প্রত্যেকেরই অভিনন্দন প্রাপ্য।
টিকাকরণ অভিযানে অগ্রাধিকার চেয়ে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর বিভিন্ন রকম চাপ ছিল। কিন্তু সরকার এটা নিশ্চিত করেছে যে, অন্য অনেক কর্মসূচির মতো টিকাকরণ অভিযানেও কোন ভিআইপি সংস্কৃতি থাকবে না।
২০২০-র গোড়ায় যখন কোভিড-১৯ বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে, তখন থেকেই আমাদের কাছে এটা পরিষ্কার ছিল যে, টিকার সাহায্য নিয়ে এই অতিমারির মোকাবিলা করতে হবে। সেইমতো আমরা প্রস্তুতি শুরু করে দিই। বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠী গঠন করি। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকেই একটি রোডম্যাপ সাজিয়ে ফেলি।
আজ পর্যন্ত হাতেগোনা কয়েকটি দেশই নিজেরা টিকা তৈরি করতে পেরেছে। ১৮০টিরও বেশি রাষ্ট্র সম্পূর্ণভাবে কয়েকটি মাত্র উৎপাদকের ওপরেই নির্ভরশীল। বেশ কিছু দেশ এখনও টিকা হতে পাওয়ার অপেক্ষায়। সেখানে ভারত ১০০ কোটি ডোজের মাত্রা অতিক্রম করে গিয়েছে! একবার পরিস্থিতিটা ভাবুন—যদি ভারতের নিজস্ব টিকা না থাকত, তাহলে ভারত কীভাবে এই বিশাল জনসংখ্যার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ ভ্যাকসিন সংগ্রহ করত? এবং তার জন্য কত বছর সময় লাগত? এখানেই অভিনন্দন জানাতে হয় ভারতীয় বিজ্ঞানী এবং উদ্যোগপতিদের, যাঁরা সময়মতো এগিয়ে এসেছেন। তাঁদের প্রতিভা এবং কঠোর পরিশ্রমের জন্যই আজ টিকার ক্ষেত্রে ভারত সত্যিকারের আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে। আমাদের টিকা নির্মাতারা এই বিশাল জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে উৎপাদনও বাড়িয়েছেন, যার থেকে প্রমাণ হয়েছে যে তারা অদ্বিতীয়।
যে দেশে সরকারকে সাধারণত এগিয়ে চলার পথে বাধা হিসেবে ধরা হয়, সেখানে আমাদের সরকার প্রগতিকে গতি দিয়েছে এবং নিশ্চিত করেছে। প্রথম দিন থেকেই টিকা প্রস্তুতকারকদের পাশে থেকেছে সরকার। প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, অর্থদানের পাশাপাশি বিধিনিয়ম প্রক্রিয়ার গতি এনে সাহায্য করেছে। সরকারের সব মন্ত্রক একসঙ্গে টিকা প্রস্তুতকারকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। অপসারণ করা হয়েছে যে কোনও বাধা। ভারতের মতো বিশাল দেশে শুধু টিকা প্রস্তুত করাই যথেষ্ট নয়। নজর দিতে হয়েছে শেষ বিন্দু পর্যন্ত তা পৌঁছনো এবং বাধাহীন লজিস্টিকসের উপর। যে সমস্যাগুলি ছিল, তা বুঝতে হলে ভ্যাকসিনের একটি ভায়ালের যাত্রার কথাটা ভাবুন। পুনে অথবা হায়দরাবাদের একটি কারখানা থেকে ভায়াল পাঠানো হয় যে কোনও রাজ্যের একটি হাবে। সেখানে থেকে সেটি জেলার হাবে যায়। সেই হাব থেকে তা পৌঁছে দেওয়া হয় টিকাকরণ কেন্দ্রে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিমান অথবা ট্রেনে কয়েক হাজার ট্রিপ। এই সম্পূর্ণ যাত্রাপথে টিকার ভায়াল একটি নির্দিষ্টমাত্রায় তাপমাত্রায় রাখতে হয়, যা কেন্দ্রীয়ভাবে তত্ত্বাবধানে থাকে। এর জন্য ১ লক্ষের বেশি কোল্ডচেন উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। আগেভাগেই টিকা সরবরাহের সূচি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলিকেও। যাতে তারা ভালোভাবে সব পরিকল্পনা করতে পারেন এবং টিকাও পূর্বনির্ধারিত দিনেই তাদের কাছে পৌঁছয়। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এ এক অভূতপূর্ব প্রয়াস।
এই সমস্ত প্রয়াসকে সাহায্য করেছে কো-উইনের মতো একটি শক্তিশালী টেক প্ল্যাটফর্ম। টিকাকরণ অভিযান যাতে সুষ্ঠু ও সঠিক মাত্রায় হয়, যাতে নজর রাখা যায় এবং স্বচ্ছতা বজায় থাকে—তা নিশ্চিত করেছে কো-উইন। এর ফলে স্বজনপোষণ বা লাইন ভেঙে আগেভাগে যাওয়ার কোন জায়গাই ছিল না। একজন গরিব শ্রমিক নিজের গ্রামে প্রথম ডোজটি নিলেও নির্ধারিত সময়ের ব্যবধানে যাতে শহরের কর্মস্থলে এসে দ্বিতীয় ডোজটি নিতে পারেন, সেটাও নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বচ্ছতা বাড়াতে রিয়েল টাইম ড্যাশবোর্ডের পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে কিউআর কোড দেওয়া সার্টিফিকেট। যাতে পরিচিতি সম্পর্কে নিশ্চয়তা মেলে। এই ধরণের প্রয়াসের নজির শুধু ভারতেই নয়, সারা বিশ্বে বিরল।
২০১৫ সালে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে আমি বলেছিলাম যে, আমাদের দেশ সামনের দিকে এগচ্ছে ‘টিম ইন্ডিয়া’-র জন্য। এই ‘টিম ইন্ডিয়া’ আমাদের ১৩০ কোটি মানুষের একটি বড় দল। মানুষের অংশগ্রহণ গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা যদি ১৩০ কোটি ভারতীয়ের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশ চালাই, তাহলে দেশ প্রতি মুহূর্তে ১৩০ কোটি পা এগিয়ে যাবে। আমাদের টিকাকরণ অভিযান আরও একবার দেখাল এই ‘টিম ইন্ডিয়া’-র ক্ষমতা। টিকা কর্মসূচিতে ভারতের সাফল্য সারা বিশ্বকে এও দেখাল যে, ‘গণতন্ত্র করে দেখাতে পারে’!
বিশ্বের বৃহত্তম টিকাকরণ অভিযানে যে সাফল্য পাওয়া গিয়েছে, তা আমাদের যুব সমাজ, উদ্ভাবক এবং সরকারের সব স্তরকে জনপরিষেবায় নতুন মাত্রা পৌঁছতে উৎসাহিত করবে বলেই আমি আশাবাদী। আর সেটা শুধু আমাদের দেশ নয়, সারা বিশ্বের কাছে হয়ে উঠবে একটি মডেল।