ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন অ্যান্ডি বার্নহাম-কে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী

July 21st, 08:09 am

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন অ্যান্ডি বার্নহাম-কে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী।

সংসদে ২০২৬ সালের বাদল অধিবেশনের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

July 20th, 10:30 am

বর্ষা সুফল বয়ে আনছে এবং সেই সঙ্গে বাদল অধিবেশনও শুরু হচ্ছে। বর্ষা হোক কিংবা বাদল অধিবেশন—দুই-ই যদি সক্রিয় ও প্রাণবন্ত হয়, তবে তা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়ে ওঠে। উভয়ের এই ইতিবাচক ভূমিকা দেশ ও জীবজগতের জন্য কল্যাণকর। তাই আমরা প্রার্থনা করি বর্ষা যাতে সক্রিয় থাকে আর বাদল অধিবেশনও ফলপ্রসূ হয়।

২০২৬ সালের বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবৃতি

July 20th, 10:00 am

আজ সংসদ ভবনের প্রাঙ্গণে ২০২৬ সালের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন। সংসদের অধিবেশনের শুরুতে উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আবহাওয়ার প্রকৃতি এবং আইন প্রণয়নমূলক কাজের ফলপ্রসূতার মধ্যে এক তাৎপর্যপূর্ণ সাদৃশ্য তুলে ধরেন। দেশের সামগ্রিক কল্যাণে সক্রিয় ও দূরদর্শী পদক্ষেপের গভীর প্রভাবের ওপর জোর দিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত প্রতিটি জীবের উপকারে আসবে এমন অত্যন্ত গঠনমূলক ফলাফলের আশা প্রকাশ করেন। শ্রী মোদী বলেন, আমরা প্রার্থনা করি যেন বর্ষাকাল সক্রিয় থাকে এবং এই বর্ষাকালীন অধিবেশনটিও ফলপ্রসূ হয়।

চণ্ডীগড়ে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ

July 17th, 02:08 pm

আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, দেড় বছর আগে দেশ বিচারব্যবস্থায় একটি ঐতিহাসিক সংস্কার করেছে। আমরা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা প্রবর্তন করেছি। অর্থাৎ, শাস্তিনির্ভর আইনের পরিবর্তে ন্যায়ভিত্তিক আইনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর এই নতুন আইন কার্যকর করার সূচনা হয়েছিল চণ্ডীগড় থেকেই।

চণ্ডীগড়ে ₹৪,৭০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন প্রধানমন্ত্রী

July 17th, 01:45 pm

আজ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী চণ্ডীগড়ে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সড়ক পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ₹৪,৭০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস করেন এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। দেশের সুশৃঙ্খল অগ্রগতির এক অনুকরণীয় মডেল হিসেবে চণ্ডীগড়ের অনন্য মর্যাদার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত জীবনযাত্রা ও সহজ জীবনযাপনের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য এই শহর সুপরিচিত। এই অঞ্চলের ওপর মা চণ্ডীর আশীর্বাদের কথা স্মরণ করে তিনি চণ্ডীগড়ের ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত উন্নয়নের প্রতি বর্তমান সরকারের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। শ্রী মোদী বলেন, “চণ্ডীগড়ের উন্নয়ন সবসময়ই বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ছিল।”

হরিয়ানার জিন্দে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত ভাষণের বাংলা অনুবাদ

July 17th, 12:00 pm

আপনারা কিছু ছবি এনেছেন—নিন ভাই, এগুলো নিয়ে নিন, না হলে পেছনের মানুষজন দেখতে পাবেন না। এসপিজির সহকর্মীরা অনুগ্রহ করে এগুলো সংগ্রহ করে নিন। ধন্যবাদ ভাই, আপনারা খুব সুন্দর ছবি এঁকে এনেছেন। ওদিকে একটি ছোট্ট মেয়েও কিছু নিয়ে এসেছে, সেটিও সংগ্রহ করে নিন। এদিকেও দু'জন ভদ্রলোককে দেখতে পাচ্ছি। এখন সবাই আরাম করে বসে পড়ুন। আপনাদের ভালোবাসা এবং শিল্পসাধনার জন্য আমি আন্তরিকভাবে আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

হরিয়ানায় প্রায় ১৪,৭০০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ প্রধানমন্ত্রীর

July 17th, 11:30 am

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ হরিয়ানার জিন্দ-এ প্রায় ১৪,৭০০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে গভীর আনন্দ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক, বীরত্বপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন; বিশেষ করে 'শক্তিপীঠ মাতা জয়ন্তী'-র আশীর্বাদপুষ্ট এই ভূমির মাহাত্ম্যের কথা তিনি উল্লেখ করেন। সাংগঠনিক কাজের প্রয়োজনে কয়েক দশক আগে এই শহরে তাঁর প্রথম সফরের কথা স্মরণ করে তিনি স্থানীয় খাদ্যাভ্যাস, যেমন মুররাহ মহিষের দুধের পণ্য, দেশি বুরা এবং ঘেবরের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অকৃত্রিম ভালোবাসার স্মৃতিচারণ করেন। শ্রী মোদী বলেন, এটি কোনও সাধারণ ভূমি নয়; এটি ইতিহাস, বীরত্ব, ধর্ম এবং অসীম গর্বের এক মহিমান্বিত ভূমি।

প্রধানমন্ত্রী ১৭ জুলাই হরিয়ানা, চণ্ডীগড় ও পাঞ্জাব সফরে যাবেন

July 15th, 06:40 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২৬ সালের ১৭ জুলাই হরিয়ানা, চণ্ডীগড় এবং পাঞ্জাব সফরে যাবেন। সকাল ১১টা নাগাদ, প্রধানমন্ত্রী জিন্দ রেলওয়ে স্টেশনে জিন্দ ও সোনিপতের মধ্যে ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের যাত্রার সূচনা করবেন। সকাল ১১:৩০টা নাগাদ, তিনি জিন্দের একলব্য স্টেডিয়ামে প্রায় ১৪,৭০০ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। এই উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় তিনি ভাষণও দেবেন।

দেশে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন পরিমণ্ডলকে আরও জোরদার করতে সেমিকন ২.০ কর্মসূচিতে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা

July 15th, 04:30 pm

দেশে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন পরিমণ্ডলকে আরও জোরদার করে তোলার দীর্ঘমেয়াদী নীতির অঙ্গ হিসেবে সেমিকন ২.০ কর্মসূচিতে অনুমোদন দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এজন্য ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

মোবাইল ফোন ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম (এমপিএমএস) – এ অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় সরকার

July 15th, 04:24 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ৬২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার মোবাইল ফোন ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম (এমপিএমএস) – এ অনুমোদন দিয়েছে।

নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

July 11th, 01:15 pm

আমরা ভারতীয়রা ২০ বছর ধরে এই কথা শুনে আসছি। কিন্তু আজ, ৪০ বছর পর, একজন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ডে এসেছেন। এটা আমার সৌভাগ্য। আমি নিউজিল্যান্ডের সমস্ত বাসিন্দাদের, আপনাদের সকলের কাছে ১৪০ কোটি ভারতবাসীর শুভেচ্ছা নিয়ে এসেছি।

নিউজিল্যান্ডে প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে ভাষণ প্রধানমন্ত্রীর

July 11th, 12:35 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ অকল্যান্ডে আয়োজিত ‘কিয়া ওরা মোদী’ অনুষ্ঠানে নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত ভারতীয়দের এক বিশাল সভায় ভাষণ দেন। বিশেষ সৌজন্যতার বার্তা দিয়ে পদক্ষেপ হিসেবে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ১০,০০০-এরও বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের উষ্ণতা, প্রাণশক্তি ও উদ্দীপনায় এই সমাবেশ মুখরিত হয়ে উঠেছিল।

আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্নভোজনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

July 11th, 12:32 pm

আমাকে এবং আমার প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তা জানানোর জন্য আমি আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী লাক্সনকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি এমন উষ্ণতা দেখিয়েছেন যে আজ অকল্যান্ডের শীতও কম অসহনীয় মনে হচ্ছে। এই সফরে নিউজিল্যান্ডের জনগণের কাছ থেকে আমরা যে স্নেহ ও উষ্ণতা পেয়েছি, তা আমাদের হৃদয়ে চিরকাল থাকবে।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর আয়োজিত 'ভারত-নিউজিল্যান্ড: উইনিং পার্টনারশিপ' শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগদান প্রধানমন্ত্রীর

July 11th, 12:30 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের আয়োজনে 'ভারত-নিউজিল্যান্ড: একটি সফল অংশীদারিত্ব' শীর্ষক এক বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। রাজনীতি, ব্যবসা, শিল্প, শিক্ষা ও গবেষণা, প্রযুক্তি, ক্রীড়া এবং শিল্পকলা – বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ভারত-নিউজিল্যান্ড বাণিজ্য সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

July 11th, 08:20 am

আপনাদের উপস্থিতি নিউজিল্যান্ডের উদ্ভাবন, উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎমুখী চিন্তাভাবনার প্রতীক। ভারতের পক্ষ থেকে, আমি ১৪০ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার বার্তা নিয়ে এসেছি।

Prime Minister addresses business leaders in New Zealand

July 11th, 08:16 am

PM Modi interacted with leading CEOs and business leaders from India and New Zealand, highlighting the vast opportunities for trade, investment and innovation. He invited New Zealand businesses to partner India's growth story and help achieve the shared goal of doubling bilateral trade to NZD 7 billion by 2030.

ভারত-নিউজিল্যান্ড যৌথ বিবৃতি

July 11th, 07:59 am

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের আমন্ত্রণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১০ ও ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে সরকারি সফরে রয়েছেন। গত ৪০ বছরের মধ্যে কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর নিউজিল্যান্ডে এটিই প্রথম সফর; এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক এবং দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে এক নতুন যাত্রাপথের সূচনা।

ক্রীড়া সহযোগিতায় ভারত-অস্ট্রেলিয়ার রোডম্যাপ

July 10th, 10:07 am

ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ক্রীড়া এক শক্তিশালী সেতুবন্ধ, যা বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সমন্বয় এবং সহযোগিতার নতুন পথ উন্মোচন করে। ক্রীড়া ক্ষেত্রে সহযোগিতায় ২০২৩ সালে স্বাক্ষরিত সমঝোতাপত্রের ওপর ভিত্তি করে ভারত-অস্ট্রেলিয়া রোডম্যাপ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভকে আরও শক্তিশালী করতে বাস্তবসম্মত ও দূরদর্শী অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র নির্ধারণ করে। আগামী দশকের সুযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০৩০ সালে আহমেদাবাদে কমনওয়েলথ গেমস, ২০৩২ সালে ব্রিসবেনে অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিক গেমস। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতে অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিক গেমস আয়োজনে ভারতের উৎসাহ ও সদিচ্ছা এই রোডম্যাপে ধরা। যা দু'দেশের যৌথ অগ্রাধিকার, সক্ষমতা ও সম্পদের সামঞ্জস্যপূর্ণ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত করে। অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে ক্রীড়া পরিচালনা ব্যবস্থা এবং ক্রীড়া পরিমণ্ডলের বিকাশে অবস্থানগত পার্থক্যকে সম্মান জানায় এই রোডম্যাপ। এতে উচ্চ ও তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়া প্রসারে ক্রীড়া সংস্থা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান,রাজ্য সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় ও কমিউনিটি বা সামাজিক গোষ্ঠীগুলোর নেতৃত্বের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিয়ে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতামূলক কর্মপদ্ধতির প্রসারে তা সহযোগিতাক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর লক্ষ্য সমস্ত স্তরে শক্তিশালী ক্রীড়া অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, যা উভয় দেশের পক্ষে লাভজনক । এর লক্ষ্য হবে বস্তুনিষ্ঠ বাস্তবসম্মত, ফলাফল-কেন্দ্রিক। লব্ধ সম্পদ এবং বড় ধরনের ক্রীড়ানুষ্ঠানের সময়সূচির সাথে সামঞ্জস্য বজায় রেখে কার্যক্রমের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতা পরিচালিত হবে। সংবেদনশীল ও চাহিদাকেন্দ্রিক ব্যবস্থার সহায়তা নেওয়া হবে, যেখানে কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের জোগান বা দায়িত্বের বিন্যাস প্রতিটি ক্ষেত্রে আলাদাভাবে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এই পদ্ধতিটি বাস্তবসম্মত, টেকসই এবং পারস্পরিক লাভজনক ফলাফল নিশ্চিত সম্ভব। এই প্রেক্ষাপটে, রোডম্যাপের আওতায় সহযোগিতার জন্য অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি হল : প্রথমত সক্ষমতা বৃদ্ধি, যার অন্তর্ভুক্ত, অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতে হাই-পারফরম্যান্স স্পোর্টস সেন্টার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার বিষয়ে সর্বোৎকৃষ্ট সর্বোত্তম কর্মপদ্ধতির লক্ষ্যে সহযোগিতা করা। প্যারা-স্পোর্ট বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াকে সহযোগিতার একটি প্রধান অগ্রাধিকার ও সুযোগ হিসেবে চিহ্নিত করা। এর আওতায় প্যারা-স্পোর্টস শ্রেণিবিন্যাস, প্রশিক্ষণ এবং পারফরম্যান্স সহায়তার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষতার ব্যবহার এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সম্ভাব্য সংযোগ স্থাপনের বিষয়টিও এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অস্ট্রেলিয়ার কোচ উন্নয়ন মডেলগুলোর আলোকে দ্বিমুখী আদান-প্রদান বা বিনিময় কার্যক্রম সহজতর করা, যার মাধ্যমে ভারতীয় কোচ ও প্রশিক্ষকদের অস্ট্রেলিয়ায় এবং অস্ট্রেলীয় কোচ ও প্রশিক্ষকদের ভারতে নিয়ে আসা হবে; এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে ট্রেইন দ্য ট্রেইনার অর্থাৎ প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। এছাড়াও পারস্পরিক শিক্ষা, সর্বোৎকৃষ্ট কর্মপদ্ধতি বিনিময় এবং স্কুল-ভিত্তিক ক্রীড়া, ক্রীড়া বিজ্ঞান ও শারীরিক শিক্ষায় কমিউনিটির অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলোতে সহযোগিতার লক্ষ্যে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে শারীরিক শিক্ষা বিষয়ক কর্মসূচি বিনিময় চালু করা যেতে পারে। এর পাশাপাশি যোগব্যায়াম এবং ভারতে অবস্থিত যোগাসন ক্রীড়া ফেডারেশন,ওয়ার্ল্ড যোগাসনে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যগত সুফলগুলোকে স্বীকৃতি দিয়ে, অস্ট্রেলিয়ায় যোগব্যায়াম বিষয়ক জ্ঞান আদান-প্রদান, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং এতে অংশগ্রহণে উৎসাহ প্রদানের ক্ষেত্রগুলিকে চিহ্নিত করা। ভারত-অস্ট্রেলিয়া হাই-পারফরম্যান্স কোচ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-এর অংশ হিসেবে নির্বাচিত ভারতীয় কোচদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ান স্পোর্টস কমিশনের সাথে যৌথভাবে কাজ করা। ভারত সরকারের অর্থায়নে প্রদত্ত ছাত্রবৃত্তির মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার হাই-পারফরম্যান্স প্রোগ্রামে প্রতিভাবান তরুণ ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সহায়তা করার লক্ষ্যে ক্রীড়া সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সংশ্লিষ্ট বেসরকারি অংশীজনদের সাথে নিয়ে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা খতিয়ে দেখা। দ্বিতীয়টি হলো ক্রীড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যৌথ গবেষণা। এর অন্তভুক্ত ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ, আঘাত প্রতিরোধ, ক্রীড়া-পুষ্টি, পরিধানযোগ্য পারফরম্যান্স প্রযুক্তি, পুনরুদ্ধার বা রিকভারি কৌশল এবং প্যারা-স্পোর্টস এসব বিষয়ে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পকে উৎসাহিত করা। সেইসঙ্গে ক্রীড়া বিষয়ক পাঠ্যক্রম যৌথভাবে প্রণয়নের লক্ষ্যে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে উৎসাহদান। স্পোর্ট ইন্টিগ্রিটি অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি, উভয় সংস্থাই ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির এশিয়া/ওশেনিয়া কার্যালয়ের সাথে সম্পৃক্ততা এবং ইউনেস্কোর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যাগেইনস্ট ডোপিং ইন স্পোর্টের বিভিন্ন গ্রুপে প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে ডব্লুএডিএ পরিচালিত সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসূচিতে সহায়তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ডোপিং-বিরোধী প্রচেষ্টায় স্থায়ী ভূমিকা পালন করবে। সেই সঙ্গে রয়েছে, বড় ধরনের ক্রীড়া আয়োজন। যার অর্থ বড় ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের ক্ষেত্রে সর্বোৎকৃষ্ট কর্মপদ্ধতি আদান-প্রদানের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্য ও অঞ্চল এবং জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর সাথে সহযোগিতার বিন্যাস। পারস্পরিক পছন্দের খেলা যেমন, অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের কাবাডি ও খো-খো এবং ভারতে অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল লিগ ও বাস্কেটবল প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে উভয় দেশেই প্রদর্শনী ম্যাচ ও যুব ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ খতিয়ে দেখা। অলিম্পিক, প্যারালিম্পিক এবং কমনওয়েলথ গেমসের মতো বড় ক্রীড়া আয়োজনগুলোর প্রস্তুতিকালীন সময়কে কাজে লাগিয়ে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রীড়া সংস্থাগুলোর মধ্যে আনুষ্ঠানিক ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা; যার মাধ্যমে যৌথ সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার, প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং প্রস্তুতিকালীন ও মূল ইভেন্ট চলাকালীন সহায়তা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ক্রীড়ানুষ্ঠানে মেলবোর্ন ক্রিকেট মাঠ পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

July 10th, 08:21 am

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ মেলবোর্ন ক্রিকেট মাঠ পরিদর্শন করেন। ভারত – অস্ট্রেলিয়া ক্রীড়া সম্পর্ক উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যালবানিজ এবং সেখানকার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের সরকারি প্রধান জেসিন্টা অ্যালান। স্টিভ ওয়া সহ অস্ট্রেলিয়ার অনেক কিংবদন্তী ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয়দের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

July 09th, 03:22 pm

আমি এই ভূমির পরম্পরাগত মালিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আমার বক্তব্য শুরু করতে চাই, যেখানে আমরা একত্রিত হয়েছি, আমি তাঁদের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।