সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন-১ এবং ২ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ
February 13th, 06:55 pm
কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মানিত মন্ত্রীগণ, সংসদ সদস্যগণ, সরকারি কর্মচারীগণ, বিশিষ্ট অতিথিগণ এবং আমার প্রিয় সহকর্মীগণ!প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নতুন দিল্লিতে সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন-১ ও ২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন
February 13th, 06:30 pm
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লিতে সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন-১ এবং ২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, আজ সকলেই একটি নতুন ইতিহাস রচনার সাক্ষী হয়েছেন। তিনি বলেন, ২০৮২ সালের বিক্রম সংবৎ, ফাল্গুন কৃষ্ণপক্ষে, বিজয়া একাদশীর শুভ তিথিতে, মাঘ ২৪ তারিখে এবং ১৯৪৭ সালের শক সংবৎ, যা বর্তমান ক্যালেন্ডারে ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, এই দিনটি ভারতের উন্নয়ন যাত্রায় এক নতুন সূচনার সাক্ষী হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন যে, শাস্ত্রে বিজয়া একাদশীর তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই দিনে গৃহীত সংকল্প সর্বদা বিজয়ের দিকে পরিচালিত করে। শ্রী মোদী বলেন যে, আজ, একটি উন্নত ভারতের সংকল্পের সঙ্গে সকলেই সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবনে প্রবেশ করছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই লক্ষ্যে বিজয়ের জন্য ঐশ্বরিক আশীর্বাদ তাদের সঙ্গে রয়েছে। তিনি সেবা তীর্থ এবং নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দল, মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয় এবং বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারী সহ সকলকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী এই ভবন নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত সকল প্রকৌশলী এবং কর্মী ও সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া
February 01st, 01:38 pm
আজকের বাজেট ঐতিহাসিক। এতে দেশের মহিলাদের শক্তির (নারী শক্তি) প্রতিফলন রয়েছে। মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসেবে পরপর নয় বার বাজেট পেশ করে নতুন নজির গড়েছেন নির্মলা জি। এই বাজেটে অসংখ্য সম্ভাবনার দিশা রয়েছে। বাজেটে বর্তমানের স্বপ্নের বাস্তবায়ন এবং ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ভিত্তিকে মজবুত করার বার্তা রয়েছে। এই বাজেট হ’ল, ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত (বিকশিত ভারত) – এর যাত্রাপথে আমাদের উচ্চাকাঙ্খার এক শক্তিশালী ভিত্তি।২০২৬-এ কেন্দ্রীয় বাজেট সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিক্রিয়া
February 01st, 01:00 pm
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ এক ভিডিও বার্তায় ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সম্পর্কে তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আজ যে বাজেট পেশ করা হয়েছে তা ঐতিহাসিক। এর মধ্য দিয়ে দেশের মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রতিফলিত হয়েছে। মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসেবে শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ এক রেকর্ড গড়েছেন। তিনি পর পর ৯ বার বাজেট পেশ করলেন। শ্রী মোদী বলেছেন, এই বাজেট বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি করলো। ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের এক শক্তিশালী ভিত গড়ে তোলার পাশাপাশি নাগরিকদের স্বপ্ন পূরণও এই বাজেটের মধ্য দিয়ে হবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে ভারতের উদ্যোগকে এই বাজেট সহায়তা করবে।প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সমীক্ষাকে ভারতের রিফর্ম এক্সপ্রেসের এক সার্বিক চিত্র বলে অভিহিত করেছেন, এই সমীক্ষা আন্তর্জাতিক স্তরে নানা সমস্যা সত্ত্বেও দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতার প্রতিফলন
January 29th, 08:31 pm
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, আজ যে আর্থিক সমীক্ষা সংসদে পেশ করা হয়েছে, সেটি ভারতের রিফর্ম এক্সপ্রেসের এক সার্বিক চিত্র। এই সমীক্ষায় আন্তর্জাতিক স্তরে নানা সমস্যা সত্ত্বেও দেশের উন্নয়ন যে দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে, সেটি প্রকাশিত হয়েছে। এই সমীক্ষায় শক্তিশালী ম্যাক্রো অর্থনীতির মূল বিষয়গুলি যেমন তুলে ধরা হয়েছে, পাশাপাশি উন্নয়নের সুস্থায়ী এক ধারার বিষয়টিও স্থান পেয়েছে। দেশ গড়ার কাজে উদ্ভাবন, শিল্পোদ্যোগ এবং পরিকাঠামো নির্মাণে সম্প্রসারিত ভূমিকাও সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে। “এই সমীক্ষায় কৃষক, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ, যুব সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থান এবং সমাজ কল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগের ওপর যেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তাও স্থান পেয়েছে। উৎপাদন শিল্পকে শক্তিশালী করা, উৎপাদনশীলতার বৃদ্ধি এবং বিকশিত ভারতের পথে আমাদের যাত্রাকে ত্বরাণ্বিত করার ওপর এক পরিকল্পনার বিবরণ এই সমীক্ষায় রয়েছে।”রাষ্ট্রপতি জির প্রেরণামূলক ভাষণের মধ্য দিয়ে সংসদের বাজেট অধিবেশনের সূচনা: প্রধানমন্ত্রী
January 28th, 11:00 am
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ সংসদের উভয় কক্ষের যৌথ সভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রশংসা করেছেন। বাজেট অধিবেশনের সূচনা উপলক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপতির ভাষণকে তিনি সর্বাত্মক এবং অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ আখ্যা দিয়েছেন।রোজগার মেলায় নিয়োগপত্র বিতরণকালে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
January 24th, 11:30 am
আমার সকল তরুণ বন্ধুদের শুভেচ্ছা! ২০২৬ সালের শুরু আপনাদের জীবনে নতুন আনন্দের সূচনা করছে। তাছাড়া, গতকাল বসন্ত পঞ্চমীর পাশাপাশি কর্তব্যের সঙ্গেও সংযুক্ত করে। কাকতালীয়ভাবে, দেশে বর্তমানে মহা প্রজাতন্ত্র দিবস চলছে। গতকাল, ২৩শে জানুয়ারি, আমরা নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীতে পরাক্রম দিবস উদযাপন করেছি, এবং এখন আগামীকাল, ২৫শে জানুয়ারি, জাতীয় ভোটার দিবস, এবং তারপরে ২৬শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস। আজও একটি বিশেষ দিন। এই দিনে, আমাদের সংবিধান জন গণ মন কে জাতীয় সঙ্গীত এবং বন্দে মাতরম কে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে, সারা দেশের ৬১,০০০ এরও বেশি তরুণ-তরুণী একটি নতুন জীবনের সূচনা করছে। আজ, আপনারা সকলেই সরকারি চাকরির জন্য নিয়োগপত্র পাচ্ছেন। এটি এক অর্থে জাতি গঠনের জন্য একটি আমন্ত্রণপত্র। এটি একটি উন্নত ভারতের নির্মাণকে ত্বরান্বিত করার অঙ্গীকার।১৮-তম রোজগার মেলায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ভাষণ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর
January 24th, 11:00 am
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ১৮তম রোজগার মেলায় ভাষণ দেন। তাঁর ভাষণে শ্রী মোদী এই পর্বে একাধিক উৎসব উদযাপনের সমাপতনের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্ম বার্ষিকীতে পরাক্রম দিবস উদযাপন করা হয়। আগামীকাল ২৫ জানুয়ারি জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন করা হবে। তার পরদিনই প্রজাতন্ত্র দিবস। প্রধানমন্ত্রী আজকের দিনটিকেও বিশেষ উল্লেখযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, আজকের এই দিনেই সংবিধানে ‘জন গন মন’কে জাতীয় সঙ্গীত এবং ‘বন্দে মাতরম’কে জাতীয় স্তোত্র হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। আজকের এই বিশেষ দিনেই ৬১ হাজারের বেশি তরুণ সরকারি চাকরির নিয়োগ পত্র পেয়ে তাঁদের জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছেন। তিনি এই নিয়োগ পত্রকে দেশ গড়ার আমন্ত্রণ এবং উন্নত ভারত সৃষ্টির লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, তরুণদের অনেকে দেশের সুরক্ষাকে মজবুত করবেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিচর্যার পরিমণ্ডলকে সশক্ত করবেন, আর্থিক ও শক্তি সুরক্ষাকে আরও মজবুত করবেন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।সমৃদ্ধ ভারতের জন্য সর্বাত্মক সংস্কারের ওপর আলোকপাত প্রধানমন্ত্রীর
January 07th, 10:00 pm
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ পুণরায় দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, ভারতের রিফর্ম এক্সপ্রেস ক্রমাগত গতি সঞ্চার করে চলেছে। সরকারের সর্বাত্মক বিনিয়োগ মুখীনতা এবং চাহিদা ভিত্তিক নীতিসমূহ এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় শক্তি সঞ্চার করছে।