চলতি পশ্চিম এশিয়া সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে গৃহীত পদক্ষেপ পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বৈঠকে পৌরোহিত্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী

April 01st, 10:04 pm

আজ ৭ লোককল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বিশেষ বৈঠকে চলতি পশ্চিম এশিয়া সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন মন্ত্রক বা দপ্তর গৃহীত পদক্ষেপের পর্যালোচনা করা হল এবং আরও কিছু উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হল।

পশ্চিম এশিয়ায় সংকটের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তুতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে পৌরোহিত্য করেন প্রধানমন্ত্রী

March 27th, 09:22 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নরদের সঙ্গে এক বৈঠকে পৌরোহিত্য করেন। পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলির ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং ভারতের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তুতি পর্যালোচনা করাই ছিল এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।

পশ্চিম এশিয়ায় উদ্ভূত সংঘাতের বিষয়ে রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

March 24th, 02:05 pm

পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে এবং তার ফলে যে পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে, সে বিষয়ে আমরা সকলেই অবগত। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সরকারের অবস্থান তুলে ধরতে আমি আজ সংসদের উচ্চকক্ষে তথা দেশবাসীর সামনে উপস্থিত হয়েছি। পশ্চিম এশিয়ায় এই যুদ্ধ তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে। এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে এক গুরুতর জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি ভারতের জন্যও উদ্বেগজনক। এই যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্য পথগুলোকে প্রভাবিত করছে। পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নিয়মিত সরবরাহ আজ প্রভাবিত। উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রায় ১ কোটি ভারতীয় বসবাস করেন এবং কাজ করেন। তাদের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার বিষয়টি ভারতের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বহু জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে, এই জাহাজগুলিতে প্রচুর ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। ভারতের জন্য এটিও অত্যন্ত উদ্বেগের। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে, ভারতীয় সংসদের এই উচ্চকক্ষ থেকে শান্তি ও আলোচনার জন্য ঐক্যবদ্ধ এক ধ্বনি সারা পৃথিবীর কাছে পৌছে দেওয়া অপরিহার্য।

পশ্চিম এশিয়ার সংঘর্ষ নিয়ে রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

March 24th, 02:00 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ রাজ্যসভায় ভাষণ দেন এবং পশ্চিম এশিয়ায় বর্তমান সংঘাতের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদী বলেন, তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ গোটা বিশ্বে এক তীব্র জ্বালানি সঙ্কটের জন্ম দিয়েছে, যার প্রভাব ভারতেও পড়েছে এবং উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, এই সংঘাত ভারতের বাণিজ্যিক পথগুলি বিঘ্নিত হওয়ায় পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস ও সারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নিয়মিত সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলিতে প্রায় এক কোটি ভারতীয়ের বসবাস। এই অবস্থায় তাঁদের নিরাপত্তা ও জীবন-জীবিকা গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একইসঙ্গে, তিনি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে আটকে থাকা বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাবিকের অবস্থার প্রতিও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এমন এক সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে, ভারতের সংসদের এই মর্যাদাপূর্ণ উচ্চকক্ষ থেকে সমগ্র বিশ্বের উদ্দেশে শান্তি ও পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠস্বর উচ্চারিত হওয়া একান্ত আবশ্যক।

পশ্চিম এশিয়ায় চলতি সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি

March 23rd, 02:15 pm

আমি এই সম্মানজনক কক্ষে এসেছি পশ্চিম এশিয়ার চলতি সংঘর্ষ এবং ভারতের জন্য এটি কি সমস্যা সৃষ্টি করেছে, সেই নিয়ে বলতে। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ২-৩ সপ্তাহে শ্রী জয়শঙ্কর জি এবং শ্রী হরদীপ পুরী জি এই বিষয়ে সভাকে প্রয়োজনীয় তথ্য। জানিয়েছেন । এখন এই সংকট তিন সপ্তাহের বেশি পেরিয়ে গেছে। ফলে. বিশ্ব অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনে তার কুপ্রভাব চোখে পড়ছে। সমগ্র বিশ্ব দুই পক্ষের কাছেই দ্রুত এই সংকট সমাধানের আবেদন জানাচ্ছে।

পশ্চিম এশিয়ায় চলতি সংঘর্ষের বিষয়ে লোকসভায় ভাষণ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর

March 23rd, 02:00 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ লোকসভায় পশ্চিম এশিয়ায় চলতি সংঘাত এবং এর জেরে ভারতের সামনে এসে পড়া কঠিন নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিবৃতি দেন। এই সংকট তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত রয়েছে এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি ও মানুষের জীবনের ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে — একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত সমস্যার সমাধানের ওপর জোর দেন। শ্রী মোদী বলেন, বিশ্বের সব দেশ, বিবাদে জড়িয়ে পড়া প্রতিটি পক্ষের কাছে এই সঙ্কটের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, এই যুদ্ধ অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে যে জটিলতা তৈরি করেছে তা নজিরবিহীন। তিনি বলেন যে, যুদ্ধরত ও যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশগুলোর সাথে ভারতের ব্যাপক বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। সংঘাতদীর্ণ এই অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পরিবহণ পথের ওপর রয়েছে। ভারতের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসের চাহিদার একটি বড় অংশ এই অঞ্চল থেকেই মেটানো হয়। উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাসরত ও কর্মরত প্রায় এক কোটি ভারতীয় নাগরিকের পাশাপাশি, ওই জলসীমায় চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে কর্মরত বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাবিকদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি খুবই জটিল এবং ভারতের সংসদ থেকে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে একটি ঐক্যবদ্ধ সর্বসম্মত বার্তা যাওয়া জরুরি। ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই সংঘাত-বিধ্বস্ত দেশগুলিতে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি জানান যে, পশ্চিম এশিয়ার অধিকাংশ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দু’দফায় কথা বলেছেন এবং ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তার আশ্বাস মিলেছে। শ্রী মোদী বলেন, যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ায় থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য কনস্যুলার ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার বিস্তারিত বিবরণও প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে, সংঘাত-বিধ্বস্ত দেশগুলির ভারতীয় দূতাবাসগুলি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে এবং নিয়মিত পরামর্শমূলক নির্দেশিকা জারি করছে। পাশাপাশি ভারত ও সংঘাত-বিধ্বস্ত দেশ — উভয় স্থানেই ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম ও জরুরি হেল্পলাইন রয়েছে। ভারত থেকে যাওয়া কর্মী ও পর্যটক – সকলকেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৩,৭৫,০০০-এরও বেশি ভারতীয় নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছেন; এর মধ্যে কেবল ইরান থেকেই ফিরেছেন প্রায় ১,০০০ ভারতীয়, যাঁদের মধ্যে ৭০০-এরও বেশি হলেন তরুণ চিকিৎসা-বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা ভারতীয় স্কুলগুলিতে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর নির্ধারিত পরীক্ষা সিবিএসই বাতিল করেছে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালু রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এনএক্সটি শিখর সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

March 12th, 10:47 pm

আজ ১২ই মার্চ এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৩০ সালের আজকের দিনে মহাত্মা গান্ধী সবরমতী আশ্রম থেকে ডান্ডি অভিযান শুরু করেছিলেন। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে এই দিনটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ডান্ডি যাত্রায় দেশের প্রতিটি প্রান্ত অভিন্ন এক লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছিল: ভারতের স্বাধীনতা। সেই ঐতিহাসিক যাত্রার প্রায় ১০০ বছর পর আমরা ভারতীয়রা আরেকটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। এই লক্ষ্য হল, উন্নত ভারত গড়ে তোলার পথে এগিয়ে চলা। আমাদের লক্ষ্য অভিন্ন, গন্তব্য অভিন্ন – উন্নত ভারত গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য পূরণের সময় এধরনের একটি সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে যা অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। এনএক্সটি শিখর সম্মেলনে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোয় আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। দেশ-বিদেশ থেকে অনেকে এখানে এসেছেন যাদের মধ্যে অনেকেই আমার পূর্ব পরিচিত। আপনাদের সকলকে অভিনন্দন জানাই।

এনএক্সটি শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখলেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী

March 12th, 08:30 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আইটিভি নেটওয়ার্কের এনএক্সটি সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আজ ঐতিহাসিক ডান্ডি অভিযানের বর্ষপূর্তির উল্লেখ করে বলেন, ১৯৩০ সালে এই অভিযান যেমন স্বাধীনতার লক্ষ্যে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল, সেইরকমই বর্তমানের ‘বিকশিত ভারত’ মিশন ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সম্মিলিত লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঐতিহাসিক ডান্ডি অভিযানের প্রায় ১০০ বছর পরে ভারতবাসী বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এক নতুন যাত্রায় সামিল হয়েছেন।

ভারত-কানাডা নেতাদের যৌথ বিবৃতি

March 02nd, 05:05 pm

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি - ২ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত ভারত সফর করলেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রধানমন্ত্রী কার্নির প্রথম ভারত সফর এবং ২০১৮ সালের পর এটি কানাডার কোনও প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দ্বিপাক্ষিক ভারত সফর। প্রধানমন্ত্রী কার্নির সঙ্গে ছিলেন একটি উচ্চ-স্তরের প্রতিনিধিদল, যার মধ্যে ছিলেন উচ্চ পদস্থ মন্ত্রী, প্রাদেশিক নেতা এবং শীর্ষস্থানীয় সিইওরা।

The greatest pride of my life is that I am a karyakarta of the Bharatiya Janata Party: PM Modi at BJP HQ

January 20th, 11:16 am

Prime Minister Narendra Modi today addressed party leaders and karyakartas during the felicitation ceremony of the newly elected BJP President, Nitin Nabin, at the party headquarters in New Delhi. Congratulating Nitin Nabin, the Prime Minister said, “The organisational election process reflects the BJP’s commitment to internal democracy, discipline and a karyakarta-centric culture. I congratulate karyakartas across the country for strengthening this democratic exercise.”

PM Modi addresses BJP karyakartas at felicitation of New Party President

January 20th, 11:15 am

Prime Minister Narendra Modi today addressed party leaders and karyakartas during the felicitation ceremony of the newly elected BJP President, Nitin Nabin, at the party headquarters in New Delhi. Congratulating Nitin Nabin, the Prime Minister said, “The organisational election process reflects the BJP’s commitment to internal democracy, discipline and a karyakarta-centric culture. I congratulate karyakartas across the country for strengthening this democratic exercise.”

ছত্তিশগড়ের নব রায়পুরে রজত মহোৎসব উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ

November 01st, 03:30 pm

ছত্তিশগড়ের মাননীয় রাজ্যপাল রমেন ডেকাজি, রাজ্যের জনপ্রিয় এবং কর্মতৎপর মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাইজি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার অগ্রজ সহকর্মীবৃন্দ, জুয়েল ওরামজি, দুর্গা দাস উইকেজি এবং তোখন সাহুজি, রাজ্য বিধানসভার মাননীয় অধ্যক্ষ আমার বন্ধু রামন সিংজি, রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীদ্বয় অরুন সাওজি এবং বিজয় শর্মাজি, অন্যান্য মাননীয় মন্ত্রীগণ, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ আর ছত্তিশগড়ের প্রত্যেক প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যায় আগত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা,

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ছত্তিশগড় রজত মহোৎসবে ভাষণ দিয়েছেন

November 01st, 03:26 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নব রায়পুরে ছত্তিশগড় রাজ্য গঠনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ছত্তিশগড় রজত মহোৎসবে ভাষণ দেন। তিনি সড়ক, শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা এবং জ্বালানির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে ১৪,২৬০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের উন্নয়নমূলক ও রূপান্তরমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ছত্তিশগড়ের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন যে আজ ছত্তিশগড় রাজ্য গঠনের ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই উপলক্ষে তিনি ছত্তিশগড়ের সকল জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভকামনা জানান।

মিজোরামে উন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

September 13th, 10:30 am

মিজোরামের রাজ্যপাল শ্রী ভি কে সিং জি, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী লালডুহোমা জি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবজি, মিজোরাম সরকারের মন্ত্রীগণ, সাংসদ ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ, মিজোরামের মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা।

মিজোরামের আইজলে ৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর

September 13th, 10:00 am

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ মিজোরামের আইজলে ৯ হাজার কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পগুলি রেল, সড়ক, বিদ্যুৎ, ক্রীড়া সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তিনি আইজল যেতে পারেননি। তাই লেংপুই বিমানবন্দর থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী ১৩-১৫ সেপ্টেম্বর মিজোরাম, মণিপুর, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার সফর করবেন

September 12th, 02:12 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ১৩-১৫ সেপ্টেম্বর, মিজোরাম, মণিপুর, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার সফর করবেন।

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

July 18th, 02:35 pm

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ডঃ সি.ভি. আনন্দ বোস জি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আমার সহকর্মী হরদীপ সিং পুরী জি, শান্তনু ঠাকুর জি এবং সুকান্ত মজুমদার জি, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জি, সংসদে আমার সহকর্মী সৌমিক ভট্টাচার্য জি এবং জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো জি, অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা, আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, নমস্কার!

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে ৫,৪০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেছেন

July 18th, 02:32 pm

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে ৫,৪০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেছেন। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্গাপুর ইস্পাতনগরী হিসেবে পরিচিত। ভারতের শ্রমশক্তির অন্যতম কেন্দ্র এই শহর। দেশের উন্নয়নে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই ভূমিকা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। আজ এখানে যে প্রকল্পগুলির সূচনা হয়েছে, তার ফলে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে এবং গ্যাস ভিত্তিক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতির প্রসার ঘটবে। শ্রী মোদী বলেন, এই প্রকল্পগুলি “মেক ইন ইন্ডিয়া, মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড” ভাবনার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বাস্তবায়িত হবে। ফলস্বরূপ এই অঞ্চলের যুবক-যুবতীদের জন্য বহু কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। সংশ্লিষ্ট উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির জন্য তিনি সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

রোজগার মেলার আওতায় ৫১,০০০-এরও বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের মূল অংশ

July 12th, 11:30 am

কেন্দ্রীয় সরকারে যুবকদের স্থায়ী চাকরি প্রদানের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আর এটাই আমাদের পরিচয়, কোনওরকম সুপারিশ কিংবা উৎকোচ ছাড়াই কর্মসংস্থান । আজ ৫১ হাজারেরও বেশি যুবক-যুবতীকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত, লক্ষ লক্ষ যুবক এই ধরনের কর্মসংস্থান মেলার মাধ্যমে ভারত সরকারে স্থায়ী চাকরি পেয়েছে। এখন এই তরুণরা জাতি গঠনে বড় ভূমিকা পালন করছে। আজও, আপনাদের অনেকেই ভারতীয় রেলে দায়িত্ব পালন শুরু করছেন, অনেক সহকর্মী এখন দেশের নিরাপত্তার রক্ষী হয়ে উঠবেন, ডাক বিভাগে নিযুক্ত সহকর্মীরা প্রতিটি গ্রামে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেবেন, কিছু সহকর্মী সকলের জন্য স্বাস্থ্য মিশনের সৈনিক হবেন, অনেক যুবক আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ইঞ্জিনকে ত্বরান্বিত করবেন এবং অনেক সহকর্মী ভারতের শিল্প উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার করবেন। আপনাদের বিভাগগুলো আলাদা, কিন্তু লক্ষ্য একটাই এবং সেই লক্ষ্যটা কী, আমাদের বারবার মনে রাখতে হবে, লক্ষ্য একটাই, বিভাগ যাই হোক না কেন, কাজ যাই হোক না কেন, পদ যাই হোক না কেন, ক্ষেত্র যাই হোক না কেন, লক্ষ্য একটাই – জাতির সেবা। নীতি এক – নাগরিক প্রথম, নাগরিক প্রথম। দেশের মানুষের সেবা করার জন্য আপনার কাছে একটি বিশাল প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। আপনাদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এত বড় সাফল্য অর্জনের জন্য আমি আপনাদের, সকল তরুণদের অভিনন্দন জানাই। আপনাদের এই নতুন যাত্রার জন্য আমি আপনাদের সকলকে শুভকামনা জানাই।

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী রোজগার মেলায় ভাষণ দিয়েছেন

July 12th, 11:00 am

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ রোজগার মেলায় ভাষণ দিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার জন্য ৫১,০০০ নিয়োগপত্র নবনিযুক্ত যুবক-যুবতীদের হাতে তুলে দেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আজ থেকে এই সব যুবক-যুবতী নতুন দায়িত্ব পালন করা শুরু করবেন। তিনি বিভিন্ন দপ্তরে যোগদানের কারণে তাঁদের অভিনন্দন জানান। আলাদা আলাদা দপ্তরে এঁরা নিজ নিজ কাজ করলেও মূল লক্ষ্য হবে এক — দেশের জন্য সেবা করা। এক্ষেত্রে 'সর্বাগ্রে নাগরিক'- সিটিজেন ফার্স্ট নীতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেন তিনি।